আজঃ মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

‘রাতের অন্ধকারে নয়, ভোটের মাধ্যমে সরকার গঠন হবে’

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৭ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৭ নভেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, অস্ত্র হাতে নয়, রাতের অন্ধকারেও নয়, ভোটের মধ্য দিয়ে সরকার গঠন হবে বাংলাদেশে। তিনি আরও বলেছেন, গণতন্ত্রকে সুসংহত করতে হবে। পেছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতা আসার কোনো সুযোগ নেই।

শুক্রবার (১৭ নভেম্বর) বিকেলে তেজগাঁওয়ে আওয়ামী লীগের জেলা কার্যালয়ে দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভায় তিনি এ কথা বলেন।

নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রথম সভা শেষে শেখ হাসিনা আরও বলেন, বিএনপি-জামাত দেশের নির্বাচন বানচাল করতে পারবে না। যারা আন্দোলনের নামে অগ্নিসন্ত্রাস করছে এবং মেগা প্রকল্প ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র করছে তাদেরকে ছাড় দেয়া হবে না।

খালেদা জিয়ার অসুস্থতা নিয়ে বিএনপি রাজনৈতিক ইস্যু তৈরির চেষ্টা করে বলেও মন্তব্য করেন শেখ হাসিনা। নির্বাচন যথাসময়ে সুষ্ঠুভাবে যেন হয় তার জন্য দেশবাসীর সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

আরও পড়ুন>> আজ আ.লীগের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করবেন শেখ হাসিনা

আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, এক টানা রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পালন করলে মানুষের আস্থা ধরে রাখা কঠিন। তবে আওয়ামী লীগ মানুষের পাশে ছিলো বলেই তা ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। বাংলাদেশের মানুষের ভাত ও ভোটের অধিকার আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে বাস্তবায়ন হয়েছে বলে জানান শেখ হাসিনা।

এদিন আওয়ামী লীগ সভাপতির বক্তব্য উঠে আসে ইউক্রেন রাশিয়ার যুদ্ধ এবং ফিলিস্তিনে নারী এবং শিশুদের যুদ্ধের নামে নির্মম নির্যাতনের বর্ণনা। এমন পরিস্থিতিতে দেশের রাজনীতিতে অতি বাম ও অতি ডানদের রহস্যজনক আদর্শ চুত্যিতে বিস্ময় প্রকাশ করে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, তারা আদর্শ হারিয়ে সরকারের পতনের আন্দোলন করছে।

শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধি আওয়ামী লীগ সরকারই করেছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা আরও বলেন, মুণ্ডুহীন দলের নির্দেশে যারা দেশে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করছে তাদেরকে ছাড় দেয়া হবে না। সাহস থাকলে বিএনপিকে নির্বাচনে এসে দেশের জনগণের রায় নেয়ার আহ্বান জানিয়ে হাসিনা বলেন, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হয়েছে সবার জন্যই নির্বাচনের দরজা খোলা আছে।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ১৪টি কমিটি নির্বাচন পরিচালনা করবে বলে জানিয়েছেন শেখ হাসিনা। এসময় নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ করে জনগণের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ তৈরিরও নির্দেশ দেন আওয়ামী লীগ সভাপতি।


আরও খবর



৪৮ লাখ টাকার চুক্তিতে পরীক্ষায় বসেছিলেন তারা

প্রকাশিত:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

রাজধানীতে বাংলাদেশ রেলওয়ের টিকিট কালেক্টর পদের নিয়োগ পরীক্ষা চলাকালে জালিয়াতির অভিযোগে তিন পরীক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে।

আজ শনিবার দুপর ২টার দিকে রাজধানীর ডেমরায় অবস্থিত সামসুল হক খান স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটকরা হলেন ভোলার চরফ্যাশনের নীলকমল গ্রামের মো. শাহজাদা, গাইবান্ধার পলাশবাড়ী ছুট গ্রামের মো. রুবেল ও মাগুরার মোহাম্মদপুরের শিরগ্রামের মো. শিহাব।

জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দার (এনএসআই) ঢাকা উইংয়ের তথ্যের ভিত্তিতে তাদের আটক করে ডেমরা থানা-পুলিশ। রেলওয়ে কর্তৃপক্তা অভিযানে পুলিশকে সহায়তা করে। আটকদের কাছ থেকে মাস্টারকার্ড, ব্লুটুথ ও ইলেকট্রনিক সার্কিট জব্দ করা হয়েছে।

সূত্র জানায়, মাস্টারকার্ডের মাধ্যমে সিমকার্ড ব্যবহার করে ব্লুটুথ হেডফোনের মাধ্যমে অপর প্রান্ত থেকে উত্তরপত্রের সমাধান করে পরীক্ষার্থীকে পাঠানো হতো। আটকের সময় শিহাবের কান থেকে একটি ক্ষুদ্র ম্যাগনেটিক হিয়ারিং ডিভাইস পাওয়া যায়। পরে বিশেষ যন্ত্রের মাধ্যমে সেই ডিভাইস বের করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা প্রত্যেকে একটি চক্রকে ১৬ লাখ টাকা করে চুক্তিতে পরীক্ষায় বসেছিলেন বলে জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন। এই চক্রের বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন আছে।

বাংলাদেশ রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন) সরদার শাহাদাত আলী বলেন, নিয়োগ পরীক্ষায় অনেক পরীক্ষার্থী অনিয়মের চেষ্টা করেন এবং ধরা পড়েন। সে অনুযায়ী কর্তৃপক্ষ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যবস্থা নিয়ে থাকে। কেউ প্রক্সি দিতে চেষ্টা করেন, কেউবা ইলেকট্রনিক ডিভাইসের মাধ্যমে জালিয়াতির চেষ্টা করেন। এসব অনিয়ম ধরা পড়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এ ক্ষেত্রে কোনো ব্যত্যয় ঘটবে না।


আরও খবর



অনূর্ধ্ব-১৯ ত্রিদেশীয় সিরিজ

শ্রীলঙ্কার কাছে হেরে শিরোপা হাতছাড়া বাংলাদেশের

প্রকাশিত:শুক্রবার ০২ ফেব্রুয়ারী 2০২4 | হালনাগাদ:শুক্রবার ০২ ফেব্রুয়ারী 2০২4 | অনলাইন সংস্করণ
ক্রীড়া প্রতিবেদক

Image

বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার অনূর্ধ্ব-১৯ নারী দল নিয়ে আয়োজিত ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজে এখন পর্যন্ত অপরাজিতই ছিল বাংলাদেশের নারীরা। ফাইনালে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হিসেবেই ট্রফি জয়ের লক্ষ্যে নেমেছিল জুনিয়র টাইগ্রেসরা। তবে আসরজুড়ে দুর্দান্ত পারফর্ম করা টাইগ্রেসরা তীরে এসে তরী ডোবাল। লঙ্কানদের বিপক্ষে ব্যাটিং-বোলিং দুই বিভাগে ব্যর্থ হয়ে কাছাকাছি গিয়েও ত্রিদেশীয় সিরিজের শিরোপা অধরাই রয়ে গেল বাংলাদেশের।

শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) কক্সবাজারের শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাটিংয়ে গিয়ে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৪৮ রান সংগ্রহ করে শ্রীলঙ্কা অনূর্ধ্ব-১৯ দল। জবাবে বাংলাদেশ তাদের ২০ ওভারে ১১২ রানের বেশি তুলতে পারেনি।

১৪৮ রানের বড় লক্ষ্য তাড়ায় কখনোই ম্যাচে ছিল না বাংলাদেশ। ইনিংসের তৃতীয় ওভারেই মাত্র ১ রান করে সাজঘরে ফেরেন ওপেনার ইভা। আরেক ওপেনার সুমাইয়া আক্তার সুবর্ণাও ১১ বলে মাত্র ২ রান করেন।

হাবিবা ইসলাম পিংকি ও সুমাইয়া আক্তারও অল্প রানে ফিরলে ২৩ রানে ৪ উইকেট হয়ে যায় বাংলাদেশের। বিপর্যয়ে পরা দলের হাল ধরেন রাবেয়া ও উন্নতি আক্তার। আসরজুড়ে দুর্দান্ত খেলা রাবেয়া এদিনও ছিলেন সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। তবে তা পর্যাপ্ত ছিল না। রাবেয়া ছাড়া আর কেই বলার মতো কোনো রান করতে না পারায় বড় ব্যবধানে হেরেই আসর শেষ করল বাংলাদেশ।

এর আগে টস জিতে ব্যাটিং করতে নেমে দারুণ শুরু করেন দুই লঙ্কান ওপেনার নেতমি পর্না ও দেভিমি বিহাঙ্গা। দুজনে মিলে উদ্বোধনী জুটিতে যোগ করেন ১০৪ রান। নতুন বলে বাংলাদেশি বোলারদের পাত্তাই দেননি তারা। শুরুতে কিছুটা রক্ষণাত্মক খেললেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন দুজনেই।

ইনিংসের ১৫তম ওভারে এসে প্রথম উইকেটের দেখা পায় বাংলাদেশ। বিহাঙ্গাকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন নিশিতা আক্তার নিশি।

আরেক ওপেনারন পর্ণা শেষ পর্যন্ত ৫৭ বলে ৬৬ রান করে অপরাজিত ছিলেন। ভিশমি গুনারত্নে তিনে নেমে করেন ১৩ বলে ১৪ রান। সবমিলিয়ে ১৪৮ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে লঙ্কানরা। বাংলাদেশের হয়ে একটি করে উইকেট পেয়েছেন রাবেয়া, নিশি ও জান্নাতুল মাওয়া।

নিউজ ট্যাগ: শ্রীলঙ্কা

আরও খবর
হাথুরুসিংহেকে ‘শোকজ’ করবেন পাপন!

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




নিরঙ্কুশ জয় দাবি করে ইমরান খানের ভাষণ

প্রকাশিত:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

কারাগার থেকে অনুমোদন নিয়ে এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সহায়তায় বানানো) ভাষণে বিজয় উদযাপনের আহ্বান জানিয়েছেন পাকিস্তানের কারাবন্দি সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিরোধী দল তেহরিক-ই-ইনসাফের চেয়ারম্যান ইমরান খান।

শুক্রবার দিবাগত রাতে (১০ ফেব্রুয়ারি) ইমরানের এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করা এক ভাষণে তিনি এ আহ্বান জানান। আল জাজিরার লাইভ প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

ভাষণে ইমরান খান বলেন, পাকিস্তানের নির্বাচনে জনগণ ভোটের শক্তি দেখিয়েছেন। আমার প্রিয় পাকিস্তানি ভাই-বোনেরা, আপনাদের ওপর আমার পূর্ণ ভরসা ছিল। আমার বিশ্বাস ছিল আপনারা ভোট দিতে ঘর থেকে বের হবেন, আপনারা আমার বিশ্বাসের মর্যাদা রেখেছেন। আর আপনাদের দেওয়া জবাব সবাইকে হয়রান করে ফেলেছে।

তিনি বলেন, আপনাদের ভোটের কারণে লন্ডন পরিকল্পনা ভেস্তে গেছে। দুই বছর ধরে চালানো চরম নিপীড়ন এবং অন্যায় আচরণের বিরুদ্ধে আমরা ভোট দিয়েছি। আপনারা ভোটের শক্তি দেখিয়েছেন, এখন এর হেফাজত করতে হবে।

নওয়াজ শরীফের জয়ের আগেই বিজয়ী ভাষণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটা কোনো পাকিস্তানি মেনে নেবে না। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেও তার বেওকুফের মতো আচরণের সমালোচনা চলছে।

তিনি দাবি করেন, নির্বাচনে জয় পাবে পিটিআই সমর্থিতরা। দেশবাসীকে ধন্যবাদ দিয়ে বিজয় উল্লাস এবং শোকরানা নামাজ আদায়েরও আহ্বান জানান তিনি।

এর আগে, নির্বাচনে পিছিয়ে থেকেও শুক্রবার (৯ ফেব্রুয়ারি) পাকিস্তানের তিন বারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও মুসলিম লীগের (পিএমএল-এন) নেতা নওয়াজ শরিফ বিজয়ী ভাষণ দেন।

কাতার ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রকাশিত ফলাফলে ফলাফলে দেখা গেছে, ২৪৪ আসনের মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ৯৮টি আসনে জয় পেয়েছেন। যার অধিকাংশই ইমরান খানের পিটিআই সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী।

এ ছাড়া নওয়াজ শরীফের পাকিস্তান মুসলিম লিগ-নওয়াজ (পয়স্বিনী-এন) ৬৯টি আসন, বিলাওয়ালের পাকিস্তান পিপলস পার্টি ৫১টি আসনে জয় পেয়েছে। আর ২৫টি আসনে জিতেছেন অন্য প্রার্থীরা। ভোট স্থগিত হয়েছে ১টি কেন্দ্রের।


আরও খবর



দ্বিতীয়বার মা হলেন আনুশকা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

পুত্রসন্তানের মা হয়েছেন আনুশকা শর্মা। আজ ইনস্টাগ্রামে দ্বিতীয়বার মা-বাবা হওয়ার সুসংবাদ দেন আনুশকা ও বিরাট কোহলি।

এই তারকা দম্পতি জানিয়েছেন, গত ১৫ ফেব্রুয়ারি তাদের দ্বিতীয় সন্তানের জন্ম হয়েছে। যৌথ বিবৃতিতে সদ্যোজাত সন্তানের জন্য সবার শুভকামনা চেয়েছেন এই তারকা দম্পতি। একই সঙ্গে তাদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তার প্রতিও সম্মান দেখানোর অনুরোধ করেছেন।

আজ মঙ্গলবার ইনস্টাগ্রামে কোহলি লিখেছেন, আপনাদের সকলকে খুশির সঙ্গে জানাচ্ছি, গত ১৫ ফেব্রুয়ারি আমাদের পরিবারে একজন পুত্র সন্তানের আগমন ঘটেছে। যার নাম রাখা হয়েছে অকায়। আপনাদের সকলের আশীর্বাদ ও দোয়া কামনা করছি। আমরা অনুরোধ করছি, আমাদের গোপনীয়তাকে আপনারা সম্মান করবেন।

আনুশকা শর্মা ও বিরাট কোহলির মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে ২০১৩ সালে। ২০১৭ সালের ১১ ডিসেম্বর ইতালির তাসকেনি প্রদেশের ফ্লোরেন্সে এক ঐতিহ্যবাহী রিসোর্টে বিরাট কোহলির সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধেন আনুশকা শর্মা।

এটি ছিল ২০১৭ সালে বলিউডের সবচেয়ে আলোচিত বিয়ের অনুষ্ঠান। ২০২০ সালের ২৭ আগস্ট একটি ছবি পোস্ট করে আনুশকা ও বিরাট তাদের সন্তানের আগমনের খবরটি জানিয়েছিলেন সবাইকে। ২০২১ সালের ১১ জানুয়ারি প্রথমবার মা হয়েছেন আনুশকা শর্মা। তারা মেয়ের নাম রাখেন ভামিকা।


আরও খবর
ফের বিয়ে করছেন অনুপম রায়, পাত্রী কে?

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




অতিরিক্ত আইজিপি হলেন সিএমপি কমিশনার কৃষ্ণ পদ রায়

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

Image

অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত আইজিপি) পদে পদোন্নতি পেয়েছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার কৃষ্ণ পদ রায়।

রবিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জননিরাপত্তা বিভাগ পুলিশ-১ শাখার উপসচিব মো. মাহাবুব রহমান শেখের সই করা এক আদেশে এ পদোন্নতি দেওয়া হয়।

একই আদেশে আরও ৯ জনকে অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। তারা হলেন-ঢাকা পুলিশ টেলিকমের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক এ কে এম শহিদুর রহমান ও বশির আহম্মদ, ঢাকা ট্রেনিং ড্রাইভিং স্কুলের কমান্ড্যান্ট মো. ময়নুল ইসলাম, ঢাকা স্পেশাল সিকিউরিটি এন্ড প্রটেকশন ব্যাটালিয়নের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক গোলাম কিবরিয়া, ঢাকা অপরাধ তদন্ত বিভাগের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক কুসুম দেওয়ান, ঢাকা পুলিশ অধিদপ্তরের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক মো. আনোয়ার হোসেন, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার এ কেম এম হাফিজ আক্তার ও ড. খ. মহিদিউদ্দিন এবং রংপুর রেঞ্জের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক মো. আবদুল বাতেন।

উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ৩০ জুন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের উপসচিব ধনঞ্জয় কুমার দাস স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার কৃষ্ণ পদ রায়কে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার হিসেবে পদায়ন করা হয়।

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের হালিতলা গ্রামের গোপাল চন্দ্র রায় এবং রমা রানী রায়ের প্রথম সন্তান কৃষ্ণ পদ রায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিষয়ে অনার্স ও মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন।

ঢাকায় ইংরেজি দৈনিক ডেইলি স্টারের স্টাফ রিপোর্টার পদে বেশ কিছুদিন দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৫ সালে ১৫তম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে বাংলাদেশ পুলিশে নিয়োগ পান তিনি। তার কর্মজীবন শুরু হয় বগুড়ায়।

শেরপুর ও চাঁদপুর জেলার পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন কৃষ্ণ পদ রায়। এরপর চট্টগ্রাম মেট্রোপিলিটন পুলিশের (সিএমপি) সহকারী কমিশনার পদে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের রমনা জোনের ডেপুটি কমিশনার, ডিবি পুলিশের ডেপুটি কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন কৃষ্ণ পদ রায়।

পরবর্তীতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) হিসেবে দায়িত্ব পালনকাল করেন কৃষ্ণ পদ রায়। ডিআইজি পদমর্যাদায় অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার ক্রাইম ও অপারেশন পদেও দায়িত্ব পালন করেন। গত বছরের ৭ নভেম্বর ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার পূর্ণ দায়িত্ব পান তিনি।

নিউজ ট্যাগ: কৃষ্ণ পদ রায়

আরও খবর