আজঃ সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

রবিবার হরতাল-অবরোধ দিচ্ছে না বিএনপি

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৭ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৭ ডিসেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

সরকার পতনের এক দফা দাবিতে চলমান আন্দোলনের অংশ হিসেবে হরতাল-অবরোধ দিচ্ছে বিএনপি। সাধারণত শুক্রবার, শনিবার ও মঙ্গলবার এ কর্মসূচির বাইরে রাখে দলটি। তবে আগামী রবিবারও কোনো হরতাল-অবরোধ দিচ্ছে না বিএনপি। রবিবার আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা।

আজ বৃহস্পতিবার এক ভার্চ্যুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

বিএনপি সূত্রে জানা গেছে গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যা, মিথ্যা মামলা ও গ্রেপ্তারসহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে ধরতে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করবে দলটি। সেখানে ভুক্তভোগী বিএনপি নেতাকর্মীদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত থাকবেন। দেশের অন্যান্য বিভাগীয় শহর ও জেলা শহরেও মানববন্ধনের আয়োজন করবে বিএনপি।

আজকের সংবাদ সম্মেলনে রহুল কবির রিজভী বলেন, শেখ হাসিনা বারবার মানুষকে প্রতারিত করে ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করবেন, সেই সুযোগ আর নেই। সব সুযোগ বন্ধ হয়ে গেছে।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রতিহত করতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, পাতানো নির্বাচন শুধু বয়কট নয়, গণপ্রতিরোধের মুখে এই সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে একটি সুষ্ঠু, অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন করতে হবে।


আরও খবর



ইসলাম ও মুসলমানদের খেদমতে আ.লীগ সবচেয়ে বেশি কাজ করেছে: ধর্মমন্ত্রী

প্রকাশিত:শনিবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রাহুল সরকার, চট্টগ্রাম ব্যুরো

Image

ধর্মমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান বলেছেন, আওয়ামী লীগ সবসময়ই ইসলামের খেদমত ও উন্নয়নে কাজ করেছে। সরকারের সময়োচিত নানা পদক্ষেপের ফলে বাংলাদেশে ইসলাম চর্চার ক্ষেত্র প্রসারিত হয়েছে।

বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনই আওয়ামী লীগ সরকারের একমাত্র লক্ষ্য। সেই লক্ষ্য অর্জনেই কাজ করে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ সরকার।

শনিবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে লোহাগাড়ায় বাইতুশ শরফ আনজুমানে ইত্তেহাদ বাংলাদেশ আয়োজিত বার্ষিক ইছালে সাওয়াব মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মো. ফরিদুল হক খান বলেন, আদর্শ সমাজ ও শান্তিপূর্ণ দেশ গঠনে সবাইকে যার যার অবস্থান থেকে অবদান রাখতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেভাবে ইসলামের খেদমতের কথা চিন্তা করেন সেভাবে পূর্বে কোন রাষ্ট্রনায়ক চিন্তাও করেন নি। সারাদেশে নির্মাণাধীন মডেল মসজিদগুলোর সুযোগ- সুবিধা দেখলে বোঝা যায়, তিনি কতটা সুনিপুণভাবে ইসলামের খেদমত করে যাচ্ছেন। এদেশের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে ইসলামের প্রতি শেখ হাসিনার খেদমতের অমরগাঁথা।

ইসলাম ও মুসলিম উম্মাহর খেদমতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদানের কথা উল্লেখ করে ধর্মমন্ত্রী আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু যেমন একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের স্থপতি, তেমনি এদেশে ইসলামের প্রচার-প্রসারেরও পথিকৃৎ। তাঁর শাসনামলে ইসলামের খেদমতে এদেশে অনেক যুগান্তকারী কার্যক্রম গৃহীত ও বাস্তবায়িত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য এম এ মোতালেব এমপি, লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইনামুল হোসেন, লোহাগাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি খোরশেদ আলম চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক সালাহউদ্দিন হিরু ও লোহাগাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশেদুল ইসলামসহ বায়তুশ শরফের অসংখ্য অনুসারী উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



ইবি প্রেসক্লাবের নেতৃত্বে নাহিদ-আজাহার

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ইবি প্রতিনিধি

Image

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) প্রেস ক্লাবের কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন-২০২৪ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কালের কণ্ঠের প্রতিনিধি মুনজুরুল ইসলাম নাহিদ ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক জনকণ্ঠের প্রতিনিধি আজাহারুল ইসলাম।

সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেস কর্নারে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটে তারা নির্বাচিত হয়েছেন।

সকাল ১০টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ শেষে দুপুর সাড়ে ১২টায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার সংগঠনের সাবেক সভাপতি একে আজাদ লাভলু ফল ঘোষণা করেন। সহকারী নির্বাচন কমিশনার ছিলেন সংগঠনের সাবেক সভাপতি আলতাফ হোসেন ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক কানন আজিজ।

পরে দুপুর দেড়টায় প্রেস কর্নারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালাম আনুষ্ঠানিকভাবে পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করেন। এছাড়া বিকেল সাড়ে ৪ টায় নবগঠিত কমিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকসংলগ্ন মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিব ম্যুরালে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করে।

১৪ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির অন্যরা হলেন, সহ-সভাপতি আদিল সরকার (সময়ের আলো), যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাকিব হোসেন (বাংলাদেশ প্রতিদিন), দপ্তর সম্পাদক নাজমুল হুসাইন (ডিবিসি টেলিভিশন), কোষাধ্যক্ষ আবির হোসেন (একুশে সংবাদ), প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক নুর আলম (নয়া শতাব্দী), সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক সাঈফ ইব্রাহিম (সময় জার্নাল) এবং ক্রীড়া সম্পাদক ফরহাদ খাদেম (শিক্ষা-শিক্ষাঙ্গন)।

এছাড়া কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে আছেন- আবু হুরাইরা (প্রতিদিনের সংবাদ), মুতাসিম বিল্লাহ পাপ্পু (সমকাল), আহমাদ গালিব (ঢাকা নিউজ), নজরুল ইসলাম জিসান (প্রতিদিনের চিত্র) ও শাহিন রাজা (বিডি সমাচার)।

এছাড়া অনুষ্ঠানে কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. আলমগীর হোসেন ভূঁইয়া, শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন, প্রগতিশীল শিক্ষক সংগঠন শাপলা ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক ড. পরেশ চন্দ্র বর্মণ, শাপলা ফোরামের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. রবিউল হোসেন, প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহাদৎ হোসনে আজাদ, ছাত্র-উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. শেলীনা নাসরীন, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এইচএম আলী হাসান, কর্মকর্তা সমিতির সভাপতি টিপু সুলতান ও সাধারণ সম্পাদক ওয়ালিদ হাসানসহ বিভিন্ন বিভাগের সভাপতি, অনুষদের ডিন ও শিক্ষক-কর্মকর্তারা ও ছাত্র সংগঠনগুলোর নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



মিয়ানমার আগে থেকেই বাংলাদেশের সঙ্গে যুদ্ধের চেষ্টা করছে: র‍্যাব মহাপরিচালক

প্রকাশিত:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

মিয়ানমার অনেক আগে থেকেই বাংলাদেশের সঙ্গে যুদ্ধের চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন র‍্যাব মহাপরিচালক এম খুরশীদ হোসেন। আজ শনিবার দুপুরে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী এম এ খালেক ডিগ্রি কলেজ মাঠে কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

এম খুরশীদ হোসেন বলেন, মিয়ানমার যা করছে তা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই করছে। মিয়ানমার অনেক আগে থেকেই চেষ্টা করছে বাংলাদেশের সঙ্গে যুদ্ধ করার জন্য। রোহিঙ্গা আটক হওয়া থেকে শুরু করে তারা পায়ে পাড়া দিচ্ছে, আমরা তো কাজ করি আমরা জানি। আমি বহুবার কক্সবাজার গিয়েছি, বর্ডারে গিয়েছি, আমি সব ঘুরে এসেছি। প্রধানমন্ত্রী যে দৃঢ়চেতা এবং তাঁর যে প্রজ্ঞা, উনি কোনো দিন যুদ্ধে জড়াবেন না। কারণ, এখন যুদ্ধে যাওয়া মানে আমার দেশটা শেষ হয়ে যাওয়া। মিয়ানমারে এখন সামরিক সরকার রয়েছে। তারা এখন চাচ্ছে আমাদের সঙ্গে যুদ্ধ বাধাতে পারলে তারা সেভ হবে। কারণ, ওর দেশে এখন যে অবস্থা তৈরি হয়েছে, ওর দেশের আরাকান আর্মি তাদের বিরুদ্ধে গিয়ে এখন সমানে ভূমি দখল করছে। সেনাবাহিনী-আরাকান দ্বন্দ্ব এখন বলতে গেলে শেষ পর্যায়ে চলে গিয়েছে। গভর্নমেন্ট বাঁচার জন্য উসকানি দিচ্ছে।

র‍্যাবের মহাপরিচালক বলেন, মাদক এখন বিভিন্ন দেশ থেকে এয়ারেও আসছে, জলপথেও আসছে। বেশির ভাগ মাদক মিয়ানমার থেকে আসছে। উদ্দেশ্যমূলকভাবে মাদক পাঠাচ্ছে মিয়ানমার। কিছুদিন পর আপনারা জানবেনআমরা যে জাল ফেলে রেখেছি, সবচেয়ে যে বড় গ্যাং স্টার, তাকে আমরা জালের মধ্যে ফেলেছি। আমরা কিছু করতে পারব।

শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উদ্দেশে র‍্যাব মহাপরিচালক বলেন, বর্তমান জেনারেশনের যে চ্যালেঞ্জ, এর মধ্যে একটি হলো মাদক আরেকটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস। নেশা বলতে আমরা শুধু মাদককে বুঝি, তা কিন্তু না। আপনি আপনার সাধারণ জীবন যাপনের বাইরে যেকোনো কাজে যখন আসক্ত হয়ে গেলেন সেটাই নেশা। এখন মাদক, জুয়া, বিভিন্ন রকম অনলাইন গেম খেলা, সারা দিন ফেসবুক টেপা এগুলো নেশা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ প্রজন্মকে বাঁচাতে হলে শুধু বই খাতা দিয়ে স্কুলে পাঠিয়ে দিলাম আর শিক্ষকেরা পাহারা দেবে, তা সম্ভব না। বাচ্চাদের শুরুতেই আপনাদের তৈরি করতে হবে। মাটি যখন নরম থাকে, তখন আপনি তাঁকে যেকোনো আকার দিতে পারবেন। আর মাটি যখন শক্ত হয়ে যাবে, তখন আকার চেঞ্জ করতে গেলে সেটি ভেঙে যাবে। একটা বাচ্চাকে যদি শৈশব ও কৈশোর থেকে না শেখান পরবর্তীকালে ইউনিভার্সিটি, কলেজে গিয়ে কিন্তু কিছুই শিখবে না। অতএব, অভিভাবকদের মূল ভূমিকা রয়েছে, তারপর শিক্ষকদের, আর তাঁকে নিজের থেকে তো চেষ্টা করতেই হবে।

বর্তমান সময়ের ক্যাডারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, এখন আমাদের চিন্তা হচ্ছে, আমরা তো শেষ পর্যায়ে। এখন বাংলাদেশে যে কজন রয়েছি, ইলেকশন যারা করলাম। প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি, ক্যাবিনেট সেক্রেটারি, আইজিপি, আমি নিজে, ডিজি এনএসআই, স্বরাষ্ট্রসচিব আমরা সব কিন্তু বলতে গেলে অবসরপ্রাপ্ত লোক। আমাদের এক্সটেনশন করে রেখেছে। আমাদের ছাড়েনি এ জন্য যে ইলেকশন করে দেওয়ার জন্য। কারণ, অভিজ্ঞ লোকের অভাব রয়েছে। এখনকার প্রত্যেকটা ক্যাডারের মধ্যে পেশাদারির ঘাটতি রয়েছে। যেমন লেখাপড়ায় ঘাটতি রয়েছে, তেমন পেশাদারিতে ঘাটতি রয়েছে, ডিসিপ্লিনেও ঘাটতি রয়েছে। এটাকে যদি আমরা ওভারকাম করতে না পারি, তাহলে কী করতে হবে? নিশ্চয়ই আমাদের এখন থেকে চেষ্টা করতে হবে। না হলে এই যে যুবসমাজ, নতুন প্রজন্মএগুলো যদি মিস গাইডেড হয়ে যায়, তাহলে এই দেশের অস্তিত্ব কে ধরে রাখবে?

এর আগে র‍্যাবের মহাপরিচালক এম খুরশীদ হোসেন কাশিয়ানী এম এ খালেক ডিগ্রি কলেজ মাঠে কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। সেখানে ২০২৩ সালে এসএসসি ও এইচএসসিতে জিপিএ ৫ প্রাপ্ত ১০৯ জন কৃতী শিক্ষার্থীর প্রত্যেকের হাতে ১০ হাজার টাকা ও ক্রেস্ট তুলে দেন।

র‍্যাব-৬, খুলনার অধিনায়ক লে. কর্নেল ফিরোজ কবীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন র‍্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) ইমতিয়াজ আহমেদ, গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক আজহারুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাজী মাহবুবুল আলম (ক্রাইম অ্যান্ড অপস), জেলা শিক্ষা অফিসার সেলিম তালুকদার, এম এ খালেক ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ কে এম মাহবুব, অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক জাহিদুর রহমান প্রমুখ।


আরও খবর
জানুয়ারিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৮৬ মৃত্যু

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




লক্ষ্মীপুরে একই পরিবারের ৭ জনকে কুপিয়ে আহতের ঘটনায় মামলা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি

Image

লক্ষ্মীপুরে জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে একই পরিবারের ৭ জনকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে আহতের ঘটনায় ১৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

অভিযুক্তরা হলেন জহির, হারুন, রাজু, শরীফ, আরিফ, রিয়াজ, হৃদয় ও অজ্ঞাত ৬ জন। তারা লক্ষ্মীপুর পৌর শহরের বাঞ্চানগর শাখারিপাড়া এলাকার বাসিন্দা।

আহতরা হলেন নুরনবী, তার ভাই জাফর, কোরবান আলী, বাবা তোফায়েল আহমেদ চৌধুরী, স্বজন নুরুল আমিন, কাদের ও মোর্শেদ। এরমধ্যে মোর্শেদের মাথায় ধারালো অস্ত্রের কয়েকটি আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যরা লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। তারা লক্ষ্মীপুর পৌর শহরের বাঞ্চানগর শাখারিপাড়া এলাকার বাসিন্দা।

বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জমির মালিক ব্যবসায়ী আরিফুর রহমান বাপ্পী বাদী হয়ে সদর মডেল থানায় এ মামলা করেন।

বাদী বাপ্পী সদর উপজেলার লাহারকান্দি ইউনিয়নের পশ্চিম সৈয়দপুর গ্রামের লোকমান হোসেনের ছেলে ও ইটভাটা ব্যবসায়ী।

এজাহার সূত্র জানায়, লক্ষ্মীপুর পৌর শহরের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ বাঞ্চানগর শাখারিপাড়া এলাকায় বাদী বাপ্পীর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান মেটাল ওয়ার্কসপ ও খালি জমি রয়েছে। সেখানে তার দখলীয় খালি জমিতে তিনি ইট-বালু রাখেন। এরমধ্যে একপাশে অভিযুক্ত জহির লাকড়ি রাখতেন। সেখানে রাখার জন্য বুধবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলেও বাপ্পী ইট ও বালু পাঠায়। রাত সাড়ে ৮টার দিকে বাপ্পীর ভগ্নিপতি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার নুরনবী লাকড়িগুলো সরিয়ে নিতে জহিরকে বলেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে জহিরসহ অভিযুক্তরা নুরনবীর ওপর চড়াও হয়। একপর্যায়ে তাকে মারধর করে। এসময় নুরনবীর স্বজনরা তাকে বাঁচাতে এলে জহিরসহ অন্য অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা করে। একপর্যায়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও পিটিয়ে নুরনবীসহ ৭ জনকে রক্তাক্ত জখম করে। পরে স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে হাসপাতারে ভর্তি করে। হামলার সময় নুরনবীর কাছে থাকা ব্যাগ থেকে ৭ লাখ টাকা, ওয়ার্কসপের ক্যাশ বক্স থেকে ৯০ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায় অভিযুক্তরা। এছাড়া দোকান ভাঙচুর করে প্রায় আড়াই লাখ টাকার ক্ষতি করেছে বাদীর।

বাদী আরিফুর রহমান বলেন, ৩ বছর আগে আমি ৯ শতাংশ জমি কিনে ঘটনাস্থলে দোকান নির্মাণ করেছি। আর খালি জমিতে ইট-বালু রাখছি। আমার ভগ্নিপতি ওই জমি তদারকি করেন। একই জমি অভিযুক্ত জহির কিনতে চেয়েছেন। কিনতে না পেরে তিনি বিভিন্ন সময় আমাদের কাছ থেকে চাঁদাও চেয়েছেন। পরে আমাদের জমিতেই তিনি লাকড়ি রাখতেন। ওই লাকড়ি সরাতে বললেই তিনি পরিকল্পিতভাবে হামলা করে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল বলেন, থানায় মামলা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরও খবর



বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বে ৬ মুসল্লির মৃত্যু

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
গাজীপুর প্রতিনিধি

Image

গাজীপুরের টঙ্গীর তুরাগ তীরে বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব শুরু হয়েছে। তিন দিনব্যাপী এই ইজতেমা শুরুর আগে ও পরে ছয় মুসল্লির মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বের মিডিয়া সমন্বয়কারী মোহাম্মদ সায়েম এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, মৃতদের মধ্যে পাঁচজন বার্ধক্যজনিত কারণে মারা গেছেন। অপরজন ইজতেমা ময়দানে পৌঁছার সময় বাসের ধাক্কায় নিহত হন। তাদের মধ্যে চারজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। বিশ্ব ইজতেমার ময়দানেই তাদের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। যাদের তথ্য ও ঠিকানা পাওয়া গেছে তাদের স্বজনদের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে।

মাওলানা জুবায়েরের অনুসারীরা ২, ৩ ও ৪ ফেব্রুয়ারি ইজতেমায় অংশগ্রহণ করেন। চার দিন বিরতির পর মাওলানা সাদ কান্ধলভীর অনুসারীরা ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ইজতেমার কার্যক্রম শুরু করেছেন। রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হবে এবারের বিশ্ব ইজতেমা।


আরও খবর
খারাপ হয়েছে ঢাকার বায়ু

শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪