আজঃ শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১
শিরোনাম
ওয়ালটন কারখানা পরিদর্শনে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী

রপ্তানিমুখী শিল্পে ওয়ালটন নেতৃস্থানীয় ভূমিকা পালন করছে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১২ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১২ অক্টোবর ২০২১ | ৩৬৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম বলেছেন, রপ্তানিমুখী শিল্প উন্নয়নের যে প্রচেষ্টা, তাতে ওয়ালটন নেতৃস্থানীয় ভূমিকা পালন করছে। ওয়ালটন এখাতে লিডার। অন্যরা তাদেরকে অনুসরণ করে। দেশের প্রতিটি ঘরেই ওয়ালটনের কোনো না কোনো পণ্য আছে। এটা শুধু ওয়ালটনের নয় বরং বাংলাদেশেরই সাফল্য।

তিনি বলেন, সরকার দেশীয় শিল্পের বিকাশে প্রয়োজনীয় সহায়তা দিয়ে আসছে। সরকারি কেনাকাটায় দেশীয় শিল্প যাতে অগ্রাধিকার পায়, সেজন্য পিপিআর রুলস আপডেট করা হবে।

সোমবার (১১ অক্টোবর) গাজীপুরের চন্দ্রায় ওয়ালটন কারখানা পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী। দেশীয় প্রযুক্তিপণ্য উৎপাদন শিল্পের অভাবনীয় অগ্রগতি পর্যবেক্ষণের উদ্দেশ্যে তিনি ওয়ালটন কারখানা পরিদর্শন করেছেন।

সকালে কারখানা কমপ্লেক্সে পৌঁছলে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রীকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম মুর্শেদ এবং পরিচালক সাবিহা জারিন অরনা। 

সে সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আবুল কালাম, ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজের ডিএমডি হুমায়ূন কবীর ও আলমগীর আলম সরকার, ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ডিএমডি লিয়াকত আলী ভুঁইয়া, ওয়ালটনের জ্যেষ্ঠ নির্বাহী পরিচালক কর্নেল (অবঃ) শাহাদাত আলম, উদয় হাকিম সিরাজুল ইসলাম, ফিরোজ আলম, ইউসুফ আলী, ইয়াসির আল ইমরান, নির্বাহী পরিচালক জাহিদুল ইসলাম, শাহজাদা সেলিম, শাহজালাল হোসেন লিমন, মহসিন আলী মোল্লা, মিডিয়া উপদেষ্টা এনায়েত ফেরদৌস প্রমুখ।

পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, ওয়ালটন কারখানা অত্যন্ত পরিচ্ছন্ন। পরিবেশসম্মত ভাবে তাদের স্থাপনাগুলো গড়ে তোলা হয়েছে। তাদের ইফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট চালু আছে। যা আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে।

ওয়ালটন হাই-টেকের এমডি ও সিইও গোলাম মুর্শেদ বলেন, তৈরি পোশাক শিল্পের মতো ইলেকট্রনিক্স শিল্প সম্ভাবনাময় রপ্তানি খাত। ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এসডিজি প্রোগ্রেস অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্তি প্রমাণ করে সেই লক্ষ্য অর্জনে আমরা ঠিক পথেই আছি। সরকারের সে উদ্যোগের সঙ্গে একাত্ম হয়ে ওয়ালটন এসডিজির ৮ ও ৯ নম্বর লক্ষ্য বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর।

এর আগে কারখানা প্রাঙ্গনে পৌঁছে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী প্রথমে ওয়ালটনের বিশাল কর্মযজ্ঞের উপর নির্মিত ভিডিও ডক্যুমেন্টারি উপভোগ করেন। এরপর তিনি ওয়ালটনের সুসজ্জিত প্রোডাক্ট ডিসপ্লে সেন্টার ঘুরে দেখেন। পরে তিনি ওয়ালটনের রেফ্রিজারেটর, মেটাল কাস্টিং, কম্প্রেসর, এয়ার কন্ডিশনার, এলইডি টেলিভিশন, কম্পিউটার-ল্যাপটপ, মোবাইল ফোন এবং লিফট উৎপাদন প্রক্রিয়া সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন।


আরও খবর
নাটকীয় উত্থানে ঘুরে দাঁড়াল পুঁজিবাজার

বৃহস্পতিবার ২১ অক্টোবর 20২১

নাটকীয় উত্থানে ঘুরে দাঁড়াল পুঁজিবাজার

বৃহস্পতিবার ২১ অক্টোবর 20২১




কিউলেক্স মশার বিস্তার রোধে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান

প্রকাশিত:শনিবার ০৯ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ০৯ অক্টোবর ২০২১ | ৪২৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

এডিসের পাশাপাশি কিউলেক্স মশার বিস্তার রোধে সামাজিকভাবে সবাইকে এগিয়ে আসার পাশাপাশি দায়িত্ব নিয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পো‌রেশনের (‌ডিএন‌সি‌সি)মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম।

শনিবার (৯ অক্টোবর) খিলগাঁও, তালতলা, নতুনবাগ পানির পাম্প এলাকায় এডিস ও কিউলেক্স মশার বিস্তার রোধকল্পে মশক নিধনে বিশেষ অভিযানের উদ্বোধনের সময় এ কথা বলেন তিনি।

ডিএনসিসি মেয়র বলেন, এডিস মশার জন্ম হয় বাসা-বাড়ির স্বচ্ছ পানিতে। অপরদিকে খাল, বিল, ঝিল, ডোবা, নালা, ড্রেন, কচুরিপানা ইত্যাদির অস্বচ্ছ ময়লা পানিতে কিউলেক্স মশার জন্ম হয়। তাই, যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা না ফেলে নির্দিষ্ট জায়গায় ময়লা-আবর্জনা রাখতে হবে এবং নিজেদের বাসা বাড়ি ও আশেপাশের পরিবেশকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার মাধ্যমে মশার বংশ বিস্তার রোধ করতে হবে।

তিনি বলেন, নগরীর জলাবদ্ধতা সমস্যা নিরসনকল্পে সুপরিকল্পিত জলাধার থাকা প্রয়োজন কিন্তু খালগুলো অবৈধভাবে দখল ও ভরাটের কারণে সেগুলোতে পানির কোনও প্রবাহ নেই, তাই বিনা নোটিশেই অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করা হবে।

পরে মেয়রের উপস্থিতিতে খিলগাঁও তালতলা নতুনবাগ এলাকায় ফগিং ও লার্ভিসাইডিংসহ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে ডিএনসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জোবায়দুর রহমান, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন এস. এম. শরিফ-উল ইসলাম, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা মোজাম্মেল হক এবং স্থানীয় কাউন্সিলর শাখাওয়াত হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর
শাহবাগে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ

শুক্রবার ২২ অক্টোবর ২০২১




চলন্ত ট্রেনে নারীকে প্রকাশ্যে ধর্ষণ, চুপচাপ দেখল অন্য যাত্রীরা!

প্রকাশিত:রবিবার ১৭ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৭ অক্টোবর ২০২১ | ১৬৬০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

যুক্তরাষ্ট্রের চলন্ত ট্রেনে এক নারীকে প্রকাশ্যে ধর্ষণ করা হয়েছে। এ সময় ট্রেনে উপস্থিত অন্য যাত্রীরা কিছুই না করে শুধু চুপচাপ বসে ধর্ষণের ঘটনা দেখছিল। দেশটির ফিলাডেলফিয়ার শহরতলিতে এ ঘটনা ঘটেছে। খবর এনবিসি নিউজের।

পুলিশের বরাত দিয়ে খবরে বলা হয়, শুক্রবার ৩৫ বছর বয়সী এক নারী চলন্ত ট্রেনে ধর্ষিত হয়েছেন। যাত্রীরা সবাই দেখল এক নারী ধর্ষিত হচ্ছেন। ওই ট্রেনে ৯১১জন যাত্রী ছিলেন। কিন্তু ওই নারীর সহায়তার জন্য কেউ এগিয়ে আসলেন না, কেউ বাধা দিল না। কেউ ওই ঘটনার প্রতিবাদ করলেন না। এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, তাদের কিছু করা উচিত ছিল

আপার ডার্বি পুলিশ বিভাগের সুপারিনটেনডেন্ট টিমোথি বার্নহার্ড বলেন, মার্কেট-ফ্রাঙ্কফোর্ড লাইনে পশ্চিম দিকে যাত্রা করা একটি ট্রেনে এক নারীর ওপর হামলার পর পুলিশ অফিসারদের বুধবার রাত দশটার দিকে ৬৯তম স্ট্রিট টার্মিনালে ডাকা হয়েছিল।

বার্নহার্ড বলেন, দক্ষিণ-পূর্ব পেনসিলভানিয়া পরিবহন কর্তৃপক্ষের (সেপটা) একজন কর্মী, যিনি ট্রেনটি অতিক্রম করার সময় আশে পাশে ছিলেন, তিনি পুলিশকে ফোন করে জানিয়েছিলেন যে ট্রেনে থাকা একজন নারীর সঙ্গে খারাপ কিছু ঘটেছে।

পরবর্তী স্টপেজে অপেক্ষায় থাকা সেপটা ট্রেনে পুলিশ ওই নারীকে খুঁজে পায় এবং ধর্ষক ফিস্টন এনগয়কে গ্রেপ্তার করে। ওই নারীকে উদ্ধারের পর পুলিশ হাসপাতালে নিয়ে যায়। 

বার্নহার্ড ভিকটিমকে একজন অবিশ্বাস্যভাবে শক্তিশালী নারী বলে অভিহিত করেছেন, যিনি পুলিশকে অনেক তথ্য দিয়েছেন। তিনি ধষর্ণকারীকে চিনতেন না। বার্নহার্ড বলেন, তিনি সুস্থ হয়ে উঠছেন। আশা করি তিনি এই ট্রমা কাটিয়ে উঠবেন।

বার্নহার্ড বলেন, পুরো ঘটনা নজরদারি ক্যামেরার ভিডিওতে ধারণ করা হয়েছে। ভিডিওতে ধর্ষণের সময় ট্রেনে আরও অনেক যাত্রীকেই দেখা গেছে। সেখানে অনেক লোক ছিল। আমার মতে তাদের হস্তক্ষেপ করা উচিত ছিল; কারও কিছু করা উচিত ছিল। এ ঘটনা থেকে আমাদের সমাজ কোথায় আছে তা বোঝা যায়; আমি বলতে চাচ্ছি, পৃথিবীর কোন দেশে কে প্রকাশ্যে এমন কিছু ঘটতে দেবে? তাই এটা উদ্বেগজনক

তিনি বলেন, এটা বিরক্তিকর। আমি হতবাক, আমি বাকরুদ্ধ। যাত্রীরা নিজের চোখ দিয়ে যা দেখছে তা আমি কল্পনাও করতে পারছি না এবং তারা এই নারীর ওপর কী চলছে তা দেখেও কেউ এগিয়ে এসে তাকে সাহায্য করল না



আরও খবর



আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)

প্রকাশিত:বুধবার ২০ অক্টোবর ২০21 | হালনাগাদ:বুধবার ২০ অক্টোবর ২০21 | ২৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) আজ। সমগ্র মানবজাতির শিরোমণি মহানবি হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্ম ও ওফাতের দিন আজ। ৫৭০ খ্রিষ্টাব্দের ১২ রবিউল আউয়াল শেষ নবি হজরত মুহাম্মদ (সা.) মা আমিনার কোলে জন্ম নেন।

৬৩২ খ্রিষ্টাব্দের এ দিনে ৬৩ বছর বয়সে তিনি ওফাত লাভ করেন। বিশ্বের মুসলমানরা দিনটিকে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী বা সিরাতুন্নবী (সা.) হিসাবে পালন করেন। এদিন বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় ছুটি থাকে।

পবিত্র এ দিনটি উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাণী দিয়েছেন। দিনটি উপলক্ষ্যে সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান ও সশস্ত্র বাহিনীর সব স্থাপনায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। জাতীয় পতাকা ও কালিমা তায়্যিবা অঙ্কিত ব্যানার ঢাকা মহানগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক দ্বীপ ও লাইট পোস্টে টাঙানো হবে। রাতে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোয় আলোকসজ্জা করা হবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন আজ জাতীয় দৈনিকে বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করবে। দেশের সব বিভাগ, জেলা, উপজেলা, সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ ও বেসরকারি সংস্থাগুলোয় আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতার দিবসটির গুরুত্ব তুলে ধরে বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচার করছে। দেশের সব হাসপাতাল, কারাগার, সরকারি শিশু সদন, বৃদ্ধনিবাস ও মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে আজ উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হবে। বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস ও মিশনগুলোয় যথাযথভাবে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালন করা হবে। দিনটি উদযাপনে বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনও নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষ্যে মঙ্গলবার বাদ মাগরিব ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ১৫ দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালা শুরু হয়েছে। এদিন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের পূর্ব সাহানে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন।

সিলেটে তালামীযের শোভাযাত্রা: সিলেট ব্যুরো জানায়, পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়া সিলেট নগরীতে বিশাল র‌্যালি করেছে। মুবারক র‌্যালিতে কয়েক হাজার মানুষ স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ করে। নগরীর সোবহানীঘাটস্থ হযরত শাহজালাল দারুচ্ছুন্নাহ ইয়াকুবিয়া কামিল মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে সিলেট বিভাগের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে সর্বস্তরের ছাত্র-জনতা জমায়েত হন।

র‌্যালি বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক সুলতান আহমদের সভাপতিত্বে এবং যুগ্ম আহ্বায়ক মাহবুবুর রহমান ফরহাদ ও সদস্য সচিব এসএম মনোয়ার হোসেনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত র‌্যালিপূর্ব আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন হযরত আল্লামা মুফতি গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী ফুলতলী। প্রধান বক্তা ছিলেন তালামীযে ইসলামিয়ার কেন্দ্রীয় সভাপতি মুহাম্মদ দুলাল আহমদ।

এ সময় বক্তারা বলেন, মুসলমান ও হিন্দুদের মধ্যে সংঘাত সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে। এ বিষয়ে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। ইসলাম কখনো অশান্তি সৃষ্টি ও সংঘাতকে সমর্থন করে না। অতিথি হিসাবে র‌্যালিতে ছিলেন আনজুমানে আল ইসলাহর মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা একেএম মনোওর আলী, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির সভাপতি অ্যাডভোকেট মাওলানা আব্দুর রকিব, আনজুমানে আল ইসলাহর সাংগঠনিক সম্পাদক ও মাহফিলে মিলাদুন্নবি (সা.) বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক মাওলানা মঈনুল ইসলাম পারভেজ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মাহমুদ হাসান চৌধুরী, অর্থ সম্পাদক মাওলানা আবু ছালেহ মো. কুতবুল আলম, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা নজমুল হুদা খান, মুসলিম হ্যান্ডস ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ এর কান্ট্রি ম্যানেজার মাওলানা গুফরান আহমদ চৌধুরী ফুলতলী, বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়ার কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মুজতবা হাসান চৌধুরী নুমান প্রমুখ।



আরও খবর
আজ শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা

বুধবার ২০ অক্টোবর ২০21

আজ শ্রী শ্রী লক্ষ্মীপূজা

বুধবার ২০ অক্টোবর ২০21




যুক্তরাষ্ট্র-রাশিয়া-ব্রাজিলে বেড়েছে মৃত্যু

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৪৮৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
এদিকে করোনায় আক্রান্তের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে প্রতিবেশী দেশ ভারত। তবে ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যার তালিকায় দেশটির অবস্থান তৃতীয়

চলমান করোনা মহামারিতে বিশ্বজুড়ে দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা আরও বেড়েছে। একইসঙ্গে আগের দিনের তুলনায় বেড়েছে নতুন শনাক্ত রোগীর সংখ্যাও। গত ২৪ ঘণ্টায় সারা বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন সাড়ে ৭ হাজারের বেশি মানুষ। একই সময়ে নতুন করে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৪ লাখ ১৪ হাজার।

সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রে। অন্যদিকে দৈনিক মৃত্যুতে এরপরই রয়েছে রাশিয়া-ব্রাজিল। এতে বিশ্বব্যাপী করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ২৩ কোটি ৩৫ লাখের ঘর। অন্যদিকে মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৪৭ লাখ ৭৭ হাজার।

বুধবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত, মৃত্যু ও সুস্থতার হিসাব রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারস থেকে পাওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৭ হাজার ৮৩৪ জন। অর্থাৎ আগের দিনের তুলনায় মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে ২ হাজার ৬৪০ জন। এতে বিশ্বজুড়ে মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ৪৭ লাখ ৭৭ হাজার ৭০৬ জনে।

একই সময়ের মধ্যে ভাইরাসটিতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৪ লাখ ১৪ হাজার ৬০২ জন। অর্থাৎ আগের দিনের তুলনায় নতুন শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে ৫৭ হাজারের বেশি। এতে মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত ভাইরাসে আক্রান্ত মোট রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৩ কোটি ৩৫ লাখ ৭ হাজার ১৪৫ জনে।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে করোনায় সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রে। এই সময়ের মধ্যে দেশটিতে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৯৭ হাজার ১৬৮ জন এবং মারা গেছেন ১ হাজার ৭৯৯ জন। করোনাভাইরাসে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এই দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৪ কোটি ৪০ লাখ ৪২ হাজার ৩৭৯ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং ৭ লাখ ১১ হাজার ১৬২ জন মারা গেছেন।

দৈনিক প্রাণহানির তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে রাশিয়া। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে মারা গেছেন ৮৫২ জন এবং নতুন করে করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ২১ হাজার ৫৫৯ জন। এছাড়া মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত দেশটিতে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৭৪ লাখ ৬৪ হাজার ৭০৮ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ২ লাখ ৫ হাজার ৫৩১ জনের।

লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিল করোনায় আক্রান্তের দিক থেকে তৃতীয় ও মৃত্যুর সংখ্যায় তালিকার দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৮১৮ জন এবং নতুন করে করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ১৫ হাজার ৩৯৫ জন। অপরদিকে মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত দেশটিতে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ২ কোটি ১৩ লাখ ৮১ হাজার ৭৯০ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৫ লাখ ৯৫ হাজার ৫২০ জনের।

এদিকে করোনায় আক্রান্তের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে প্রতিবেশী দেশ ভারত। তবে ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যার তালিকায় দেশটির অবস্থান তৃতীয়। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৩৭৫ জন এবং নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ২১ হাজার ৯০১ জন। দেশটিতে মোট আক্রান্ত ৩ কোটি ৩৭ লাখ ১৫ হাজার ৪৯ জন এবং মারা গেছেন ৪ লাখ ৪৭ হাজার ৭৮১ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় ইরানে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ২৩৯ জন এবং নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১১ হাজার ৭০১ জন। অন্যদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় মেক্সিকোতে মারা গেছেন ২৩০ জন। মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত উত্তর আমেরিকার এই দেশটিতে মৃত্যু হয়েছে ২ লাখ ৭৫ হাজার ৬৭৬ জনের।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এরপর গত বছরের ১১ মার্চ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) করোনাকে বৈশ্বিক মহামারি’ হিসেবে ঘোষণা করে। এর আগে একই বছরের ২০ জানুয়ারি বিশ্বজুড়ে জরুরি পরিস্থিতি ঘোষণা করে সংস্থাটি।

নিউজ ট্যাগ: করোনাভাইরাস

আরও খবর
২৪ ঘণ্টায় করোনায় ৪ জনের মৃত‌্যু

শুক্রবার ২২ অক্টোবর ২০২১

ডেঙ্গু: আরও ১২৩ জন হাসপাতালে

শুক্রবার ২২ অক্টোবর ২০২১




ফেলে দেওয়া ফোন দিয়ে চলে কোটি টাকার কারবার

প্রকাশিত:রবিবার ১৭ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৭ অক্টোবর ২০২১ | ৬৪৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সব মোবাইল ফোনেই সোনা থাকে। শুধু সোনাই নয়, রুপো, তামাও লাগে মোবাইল ফোন তৈরির ক্ষেত্রে। সোনা বিদ্যুতের সুপরিবাহী। সেই সঙ্গে এর ক্ষয় হয় না, মরচে ধরে না। এই কারণেই মোবাইল ফোনের ইন্টিগ্রেটেড সারকিট (আইসি) বোর্ডের ছোট্ট কানেক্টারগুলিতে সোনা ব্যবহৃত হয়। এটা ঠিক যে খুবই সামান্য সোনা থাকে। কিন্তু অনেক বাতিল ফোন থেকে অনেক সামান্য মিলে বড় পরিমাণে সোনা সংগ্রহ হয়। আর তা দিতে চলে কোটি কোটি টাকার কারবার।

সাধারণ মোবাইল ফোন থেকে স্মার্টফোন বা আইফোন সব তৈরিতেই লাগে সোনা। তার পরিমাণ আলাদা আলাদা। হিসেব বলছে, এক একটি ফোনে ৩৪ থেকে ৫০ মিলিগ্রাম পর্যন্ত সোনা থাকে। একটি ফোনের হিসেবে সোনার পরমাণ সামান্যই। কিন্তু এখন যে হারে বর্জ্য মোবাইলের সংখ্যা বাড়ছে তাতে সংগৃহীত সোনার পরিমাণ অনেক।

আবর্জনা থেকে সোনার মতো দামী ধাতু বের করার ব্যবসা চলছে রমরমিয়ে। সেখানে টন টন আবর্জনা থেকে এক গ্রাম সোনা পাওয়া যায়। সেখানে একটি হিসেব বলছে, ৪১টি মোবাইল ফোন থেকেই ১ গ্রাম সোনা পাওয়া যায়। ভারতীয় মুদ্রায় এখন যার গড় মুল্য সাড়ে পাঁচ হাজার টাকা। ওই হিসেবেই দেখা গিয়েছে, বিশ্বে প্রতি বছর বাতিল মোবাইল ফোন থেকে চার হাজার কোটি টাকার সোনা পাওয়া যায়।

মোবাইল ফোনে সোনা ব্যবহারের প্রধান কারণ এই ধাতু ভাল বিদ্যুৎ পরিবাহী। সোনা ছাড়া আর দুই ধাতু বিদ্যুতের সুপরিবাহী। রুপো এবং তামা। ফোনে সোনার কানেকটরগুলি ডিজিটাল ডাটা দ্রুত এবং যথাযথ স্থানান্তর করার জন্যও ব্যবহৃত হয়। মোবাইল ফোনের মত, সোনা কম্পিউটার ও ল্যাপটপের আইসিগুলিতেও ব্যবহৃত হয়। আর এই ভাবেই বাতিল মোবাইল, ল্যাপটপ ইত্যাদি দিয়ে চলে বড় আর্থিক অঙ্কের কারবার।

 

নিউজ ট্যাগ: পুরনো ফোন

আরও খবর