আজঃ শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪
শিরোনাম

রুমায় সেনাবাহিনীর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে কেএনএফের ৩ সদস্য নিহত

প্রকাশিত:রবিবার ১৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বান্দরবান প্রতিনিধি

Image

বান্দরবানের রুমা ও রোয়াংছড়ি উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় সেনাবাহিনীর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে কুকি চিন ন্যাশনাল আর্মির (কেএনএফ) তিন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছেন। এসময় উদ্ধার করা হয়েছে বেশ কিছু অস্ত্র। রবিবার (১৯ মে) ‍দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ জানায়, যৌথ অভিযানে রোয়াংছড়ির রোনিন পাড়া ও রুমার পাইক্ষ্যং পাড়ার সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান চালায় সেনাবাহিনীর সদস্যরা। এসময় কেএনএফ সন্ত্রাসীরা সেনাবাহিনীকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে।

পুলিশ আরও জানায়, সেনা সদস্যরাও পাল্টা গুলি করলে কেএনএফ এর তিন সন্ত্রাসী নিহত হন। পরে সেনাবাহিনীর অভিযানে বাকী সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র, বেতার যন্ত্র ও অন্যান্য সরঞ্জামাদি পাওয়া যায়।

গত ২ ও ৩ এপ্রিল রুমা ও থানচিতে ব্যাংক ডাকাতি, অস্ত্র লুট এবং ব্যাংক কর্মকর্তাকে অপহরণ করে কেএনএফ সন্ত্রাসীরা। এরপর থেকে পাহাড়ে সন্ত্রাসবিরোধী যৌথ অভিযান চলছে।


আরও খবর



পাপুয়া নিউগিনিতে ভয়াবহ ভূমিধস, নিহত ১০০

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৪ মে 20২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৪ মে 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

উত্তর পাপুয়া নিউগিনির একটি প্রত্যন্ত গ্রামে ভূমিধসে প্রায় ১০০ জন নিহত হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ান ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশনের (এবিসি) বরাতে এই খব জানিয়েছে রয়টার্স।

দেশটির এনগা প্রদেশের কাওকালাম গ্রামে ভোর ৩টার দিকে ভূমিধসের ঘটনা ঘটে। গভীর ঘুমে আছন্ন থাকাকালীন চোখের পলকে মাটির তলায় চলে গিয়েছে গোটা গ্রাম। গ্রামের বেশিরভাগ মানুষই তখন ঘুমে আছন্ন। পাহাড়ের একটা অংশ ধসে পড়ে। মৃতের সংখ্যা ১০০ ছাড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে মাটির নিচ থেকে মৃতদেহ উদ্ধারের কাজ চলছে।

রয়টার্স স্বাধীনভাবে নিহতের সংখ্যা যাচাই করতে পারেনি। 

ব্যারিক গোল্ড পরিচালিত পোরগেরা সোনার খনির কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করেছে এই ভূমিধস। প্রতিষ্ঠানটি এখনও তাদের ক্ষতি সম্পর্কে কিছু জানায়নি।

দেশটির সরকারী কর্মকর্তা এবং পুলিশও মন্তব্যের অনুরোধে তাৎক্ষণিক সাড়া দেয়নি।


আরও খবর



কুষ্টিয়ায় নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক কর্মশালায় মিনিকেট চাল নিয়ে তুমুল বিতর্ক

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০৩ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রফিকুল ইসলাম, কুষ্টিয়া

Image

কুষ্টিয়া শিল্পকলায় নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক বিভাগীয় কর্মশালায় উপরিভাগের আবরণ ছেটে ফেলা সরু মিনিকেট চাল নিয়ে তুমুল আলোচনা হয়েছে।

সোমবার (৩ জুন) বেলা ১১টায় শুরু হওয়া এ কর্মশালায় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ এমপিসহ কুষ্টিয়ার চার এমপি, সরকারি শীর্ষ কর্মকর্তা, বিভিন্ন পর্যায়ের জনপ্রতিনিধি ও সকল শ্রেণিপেশার মানুষ এতে অংশ নেন।

সরু চাল নিয়ে আলোচনার সূত্রপাত হয় কর্মশালার মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনের সময়। উপস্থাপক নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সদস্য আবু নূর মো. শামসুজ্জামান এক অংশে বলেন- মিনিকেট নামে কোনো ধান নেই। মেশিনের মাধ্যমে চালের আবরণ ছেটে ফেলে সরু ও চকচকে করে মিনিকেট নামে বাজারজাত করা হচ্ছে। এতে ভিটামিন, খনিজ দ্রব্য, প্রোটিন ও শর্করা বের হয়ে যাচ্ছে পলিশের নামে। কমে যাচ্ছে পুষ্টিগুণ। এই চাল অস্বাস্থ্যকর। তিনি বলেন, এতে বছরে ১৮ লক্ষ মেট্রিক টন চাল অপচয় হচ্ছে।

কর্মশালায় মুক্ত আলোচনা পর্বে মিনিকেট ধান-চাল ও পলিশ নিয়ে এসব কথার প্রতিবাদ জানান অটোমেটিক চালকল দেশ এগ্রোর মালিক আব্দুল খালেক। তিনি বলেন, দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল ও উত্তরাঞ্চলে কৃষকরা মিনিকেট নামে যে ধান চাষ করছেন তার কি হবে? এসব ধান কি আমরা ফেলে দেবো, না বস্তার গায়ে জাতের নাম হিসেবে কি লিখবো? এসব প্রশ্ন আমরা সরকারকে করেছি, কোন উত্তর মেলেনি। খালেক দাবি করেন, চাল ছেটে সরু করা হয় না। মানুষের চাহিদার কথা চিন্তা করে উপরের আবরণ পলিশ করে সিল্কি করা হয়।

জবাবে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষে চেয়ারম্যান জাকারিয়া বলেন, চালের উপরের আবরণ ফেলে দেয়ায় শুধু কর্বোহাইড্রেড থাকছে। অন্য জরুরি উপাদান বাদ চলে যাচ্ছে। তাই এ খাবারের খাদ্যমান নষ্ট হচ্ছে।

পরে এ আলোচনায় অংশ নেন দুজন সংসদ সদস্য। কুষ্টিয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য কামারুল আরেফিন বলেন, মিনিকেট নামে কোনো ধান নেই। কিন্তু চাল আছে। মিনিকেট এখানে আবিস্কার করা হয়েছে। আব্দুর রশিদকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, মিনিকেটের নামে চাল খাইয়ে তিনি মানুষের চরম ক্ষতি করেছেন। মিনিকেটের ওই জনকের অভিশাপ লেগে গেছে। কুষ্টিয়ার মানুষ সবাই জানেন তার আজ কি অবস্থা। তাই খালেক ভাইসহ চালকল মালিকদের আহ্বান জানাবো মানুষের উপকার হয় ভালো প্রজন্ম গড়ে উঠতে পারে তেমন কাজ করুন। ভালো পুষ্টিকর খাবার খাওয়ান মানুষকে।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ এমপি বলেন, পলিশ করা চাল খাদ্য হিসেবে নিরাপদ হলেও স্বাস্থ্যসম্মত নয়।


আরও খবর



বেনজীরের সাভানা ইকো পার্কের নিয়ন্ত্রণ নিল জেলা প্রশাসন

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

Image

আদালতের নির্দেশে পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে গোপালগঞ্জে নির্মিত সাভানা ইকো রিসোর্ট অ্যান্ড ন্যাচারাল পার্ক’র রিসিভার নিয়োগ করে নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে জেলা প্রশাসন।

শনিবার (৮ জুন) সকাল থেকেই জেলা প্রশাসকের নির্দেশনা অনুযায়ী চলছে যাবতীয় কার্যক্রম। ফলে, এখন পার্কটিতে প্রবেশের সুযোগ পাবেন না দর্শনার্থীরা।

এর আগে গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসন এবং মাদারীপুর ও গোপালগঞ্জের দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দুইটি দল পার্কে অবস্থান নেয়।

পরে পার্কের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে বেনজীর ও তার পরিবারের মালিকানাধীন সাভানা ইকো রিসোর্ট অ্যান্ড ন্যাচারাল পার্কের নিয়ন্ত্রণ বুঝে নেয় তারা।

রাত সাড়ে ১১টার দিকে পার্কের প্রধান ফটকের পাশে মাইকিং করে নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়। এর ফলে আজ থেকে সাভানা ইকো রিসোর্ট অ্যান্ড ন্যাচারাল পার্ক জেলা প্রশাসনের নির্দেশনায় চলবে।

এ অভিযানে গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসনের পক্ষে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিজ বাবলী শবনম, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) গোপালগঞ্জের উপপরিচালক মো. মশিউর রহমান, সহকারী পরিচালক সোহরাব হোসেন সোহেল, দুদক মাদারীপুরের সহকারী পরিচালক মো. সাইদুর রহমান ও গোপালগঞ্জ জ্যেষ্ঠ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সোহেল মো. জিল্লুর রহমান রিগানসহ জেলা প্রশাসন ও দুদক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০১৫ থেকে ২০২০ সালে র‌্যাবের মহাপরিচালক এবং ২০২০ সাল থেকে থেকে ২০২২ পর্যন্ত আইজিপি থাকাকালীন গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার বৈরাগীটোল গ্রামে ৬২১ বিঘা জমির উপর বেনজির গড়ে তোলেন সাভানা ইকো রিসোর্ট অ্যান্ড ন্যাচারাল পার্ক। এ পার্কের জমির প্রায় সবই হিন্দু সম্প্রদায়কে ভয় দেখিয়ে, জোর করে এবং নানা কৌশলে কেনা হলেও অনেক জমি দখল করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে।


আরও খবর



কুমিল্লায় ট্রাক-কাভার্ডভ্যান সংঘর্ষে নিহত ২

প্রকাশিত:শনিবার ১৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৫ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রবিউল বাশার খান, কুমিল্লা

Image

ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লায় ট্রাক ও কাভার্ডভ্যানের সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই দুজন নিহত হয়েছেন। আজ শনিবার সকাল সাড়ে ৮টায় সদর দক্ষিণ উপজেলার সুয়াগাজী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা ময়নামতি হাইওয়ে থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইকবাল বাহার। নিহতদের পরিচয় এখনও জানা যায়নি।

পুলিশ জানায়, সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার সুয়াগাজী এলাকায় চট্টগ্রামমুখী লিচুবাহী একটি ট্রাক বেপরোয়া গতিতে এসে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সামনের একটি কাভার্ডভ্যানকে পেছন থেকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে কাভার্ডভ্যান ও লিচুবাহী ট্রাকটি মহাসড়কের পাশে খাদে পড়ে যায়।

ওসি ইকবাল বাহার বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় ট্রাকে থাকা দুজন ঘটনাস্থলেই মারা যান। তাদের পরিচয় এখনও শনাক্ত করা যায়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, নিহত দুজন ট্রাকচালক ও চালকের সহযোগী হতে পারে। নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নেয়া হয়েছে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে বলে জানান তিনি।


আরও খবর



ঘূর্ণিঝড় রেমালে ৮ হাজার মোবাইল টাওয়ারের নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ঘূর্ণিঝড় রেমালের তাণ্ডবে দেশের বিভিন্ন জেলা বিদ্যুৎবিহীন হয়ে পড়েছে। যার প্রভাব গিয়ে পড়েছে মোবাইলফোন সেবায়। ৪৫ জেলায় মোবাইলফোন অপারেটরদের ৮ হাজার ৪১০টি টাওয়ার নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। জরুরি ভিত্তিতে এসব টাওয়ারে বিদ্যুৎ সংযোগ পুনরায় স্থাপনে সোমবার (২৭ মে) পিডিবি, ডিপিডিসি ও বিআরইবিকে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।

বিটিআরসির সোমবার বিকেলের সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী-রোববার (২৬ মে) রাত ১০টার দিকে ৪৫ জেলায় ৩২ শতাংশ মোবাইল টাওয়ার অচল হয়ে পড়েছিল। পরে এ নিয়ে কাজ শুরু করে কর্তৃপক্ষ। সোমবার দুপুর নাগাদ ৪ শতাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ নিশ্চিত করে পুনরায় কিছু টাওয়ার সচল করা হয়। বর্তমানে ৮ হাজার ৪১০টি টাওয়ার নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন।

রেমালের তাণ্ডবে সবচেয়ে বেশি মোবাইল টাওয়ার নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন হয়েছে বরগুনায়। সেখানে থাকা ৩২৬টির মধ্যে ২৬৬টিই বন্ধ হয়ে গেছে। এছাড়া বাগেরহাট ও পিরোজপুরের ৭৮ শতাংশ, ভোলা, সাতক্ষীরা ও ঝালকাঠীতে ৭৭ শতাংশ, পটুয়াখালীতে ৭৬ শতাংশ, বরিশালে ৭১ শতাংশ, গোপালগঞ্জের ৬৬ শতাংশ, নড়াইলে ৬৪ শতাংশ, যশোরে ৫৬ শতাংশ, খুলনায় ৫০ শতাংশ টাওয়ার বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

এদিকে উপকূলীয় এলাকায় ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার (আইএসপি) অপারেটরদের ৩২০টি পপের (পয়েন্ট অব প্রেজেন্স) মধ্যে ২২৫টি অকার্যকর হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভোলা জেলার ৮৫ শতাংশ পপ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে ওই অঞ্চলের তিন লাখের বেশি গ্রাহক সেবাবঞ্চিত হচ্ছেন। সেবা সচল রাখতে তারা পোর্টেবল জেনারেটর ব্যবহার করছে বলে জানিয়েছে বিটিআরসি।

ন্যাশনওয়াইড টেলিকমিউনিকেশন ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক (এনটিটিএন) অপারটেররা জানিয়েছে, বিদ্যুৎ না থাকায় ১৫ জেলায় তাদের ১ হাজার ৯০৮টি পপ বন্ধ হয়ে গেছে। ফাইবার অ্যাট হোমের খুলনা, বারিশাল ও চট্টগ্রামের ১ হাজার ৬৯০টি পপের ব্যাটারি ব্যাকআপ শেষ হওয়ায় ৬টি লোকেশন বন্ধ রয়েছে। তবে বাহন লিমিটেডের কোনো পপ বন্ধ হয়নি বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

এদিকে সংযোগ সচল রাখতে সম্ভব সব ধরনের পদক্ষেপ নিতে অপারেটরদে তৎপর থাকার নির্দেশনা দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি। ঘূর্ণিঝড়ে টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক কেমন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তা পরে জানাবে অপারেটরটি। আর মোবাইল অপারেটর কোম্পানিগুলো জানিয়েছে দ্রুত তারা সংযোগ ফেরাতে চেষ্টা করছে।

গ্রামীণফোনের হেড অব কমিউনিকেশনস শারফুদ্দিন আহমেদ চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি এবং সম্মিলিতভাবে কাজ করছি। একটি ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম ও কন্ট্রোল রুম গঠন করা হয়েছে। সংযোগ বিচ্ছিন্ন এলাকা দ্রুত সংযোগের আওতায় ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে।

রবির কমিউনিকেশন বিভাগ থেকে গণমাধ্যমকে জানানো হয়, তারা ঘূর্ণিঝড় রেমালের সময়ে গ্রাহকদের জন্য ফ্রি মিনিট এমার্জেন্সি ব্যালান্স এবং অ্যাপে ঘূর্ণিঝড়ের আপডেট দিচ্ছে। ঝড় চলমান থাকায় নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্নতা এবং ক্ষতির বিষয়টি এখনই বলা সম্ভব হচ্ছে না।

ক্যাবল কাটা পড়া ও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় উপকূলীয় এলাকার মধ্যে খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, পিরোজপুর এলাকা পুরোপুরি ব্রডব্যান্ড সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছেন ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার অব বাংলাদেশের (আইএসপিএবি) সভাপতি ইমদাদুল হক।

তিনি বলেন, দুর্যোগের কারণে ঝালকাঠি, বরগুনা, বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী, ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহের নিম্নাঞ্চলের ৯০ শতাংশ ব্রডব্যান্ড সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এতে ৬-৭ লাখ গ্রাহক ভোগান্তিতে পড়েছেন। স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে দীর্ঘস্থায়ী জোয়ার ও ঝড়-জলোচ্ছ্বাসের কারণে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার আগ পর্যন্ত সংযোগ পুনঃস্থাপন সম্ভব নয়।

মোবাইলফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ গণমাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বলেন, বিটিএসসমূহের পাওয়ার ব্যাকআপের জন্য বিকল্প জেনারেটর চালু করা জরুরি। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাবাসীর কাছ আত্মীয় এবং সরকারি সহায়তাকারী সংস্থাসমূহের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছে না। এ ব্যাপারে মন্ত্রণালয় ও বিটিআরসির জরুরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।


আরও খবর