আজঃ শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪
শিরোনাম

রূপগঞ্জ থেকে ৭ লাখ টাকায় ভারতে পাচার দুই কিশোরী উদ্ধার

প্রকাশিত:রবিবার ১৯ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ মার্চ ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
Image

রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি:

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থেকে ৭ লাখ টাকার বিনিময়ে অবৈধভাবে ভারতে পাচার হওয়ার পর কৌশলে দুই কিশোরীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রোববার সকালে ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর সীমান্ত এলাকা থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়। কিশোরীরা নরসিংদীর মাধবদী এলাকার বাসিন্দা।

রূপগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আতাউর রহমান বলেন, গত ১ জানুয়ারি দুই কিশোরীকে ভারতে নিয়ে যান পাচারকারীরা। পরে এক কিশোরীর মা রূপগঞ্জ থানায় মামলা করেন। মামলা ও ভুক্তভোগীদের হোয়াটসঅ্যাপে কথা বলার সূত্র ধরে নবী মিয়া নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী দুই কিশোরীকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।

দুই কিশোরী জানায়, তারা রূপগঞ্জ উপজেলার আউখাব এলাকার একটি টেক্সটাইল কারখানায় চাকরি করে। এর সুবাদে রশিদ নামে যুবকের সঙ্গে পরিচয় হয়। গত ১ জানুয়ারি তিনি বিউটি পার্লারে বেশি বেতনে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে বিদেশে পাঠাবে বলে প্রথমে চিটাগাং রোডে নিয়ে যান। সেখানে নবী মিয়ার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন।

পরে তাঁরা গুলিস্তান বাস স্টেশনে নিয়ে যান। এরপর তাঁদের আরেক সহযোগী শাকিলের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। পরে শাকিলসহ ঢাকার বাড্ডা এলাকায় কাগজপত্র করার কথা বলে নিয়ে যান। রাতে বাসে করে নিয়ে যান যশোরে। সেখান থেকে মহেশপুর সীমান্ত দিয়ে ভারতে পাচার করে দেন। সেখানে গিয়ে দুই কিশোরী জানতে পারে, ভারতের দুজন লোকের কাছে ৭ লাখ টাকায় পাচার করে দেওয়া হয়েছে।

কিশোরীরা আরও জানায়, সেখান থেকে কৌশলে পালিয়ে ভারতের বনগাঁ জেলার মৌসুমপুর সীমান্ত এলাকায় পরিতোষের বাড়িতে আশ্রয় নেয় তারা। তাঁর মোবাইল ফোনে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করে। পরে পুলিশ ভারত থেকে বিভিন্ন কৌশলে ফিরিয়ে এনে মহেশপুর সীমান্ত থেকে উদ্ধার করে দুই কিশোরীকে।


আরও খবর
৯ ছাত্রীর চুল কাটার ঘটনায় শিক্ষিকা বরখাস্ত

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




গাজীপুর শ্রীপুরে ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
গাজীপুর প্রতিনিধি

Image

গাজীপুরের শ্রীপুরে মাওনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. জাহাঙ্গীর আলম খোকনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাত ১১টার দিকে তাকে একটি চাঁদাবজি ও অপহরণের মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়। এর প্রতিবাদে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের কয়েকটি স্থানে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করে চেয়ারম্যান সমর্থকরা।

মো. জাহাঙ্গীর আলম খোকন (৫০) উপজেলার মাওনা ইউনিয়নের সিংগারদিঘী গ্রামের মো. ইদ্রিস আলীর ছেলে। তিনি মাওনা ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান।

নেতাকর্মীরা আভিযোগ করে বলেন, খোকন চেয়ারম্যান চক্রান্তের শিকার। তাকে সাজানো মিথ্যা মামলায় গ্রপ্তার করা হয়েছে। আমরা এলাকাবাসী তার মুক্তি দাবী করছি।

জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে মিজানুর রহমান রায়হান অভিযোগ করে বলেন, আমার বাবাকে মিথ্যা সাজানো মামলা গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এলাকাবাসী ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবী করে। তারা প্রকৃত অপরাধীর বিচার দাবী করছে।

শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহ্ জামান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মাওনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. জাহাঙ্গীর আলম খোকন সহ আরও কয়েক জনের বিরুদ্ধে ফরচুন গ্রুপের কারখানার নির্মাণ কাজ বাধা দিয়ে চাঁদা দাবি ও কর্মচারীকে অপহরণের অভিযোগে মামলা করা হয়। ওই কারখানার কেয়ারটেকার জহিরুল ইসলাম বাদি হয়ে এ মামলা করেন। মামলায় চেয়ারম্যানকে প্রধান আসামী করা হয়েছে। বুধবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাত ১১টার দিকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।


আরও খবর
৯ ছাত্রীর চুল কাটার ঘটনায় শিক্ষিকা বরখাস্ত

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




হেমায়েতপুরে স্থানান্তর হচ্ছে গাবতলী বাস টার্মিনাল

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

রাজধানীতে বাস চলাচল সুষ্ঠু ও নিয়মতান্ত্রিক কাঠামোয় আনতে গাবতলী বাস টার্মিনাল হেমায়েতপুরে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। এ লক্ষ্যে একটি প্রকল্প প্রস্তাব পরিকল্পনা কমিশনে পাঠিয়েছে তারা। এ ছাড়া ঢাকার চারপাশে আরও চারটি পরিকল্পিত বাস টার্মিনাল নির্মাণ করা হবে। স্থানান্তর করা হবে মহাখালী ও সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালও।

পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা যায়, ডিএনসিসির পাঠানো প্রস্তাব অনুযায়ী, হেমায়েতপুরে মেট্রো রেল লাইন-৫ এর স্টেশন ও ডিপোর পাশে প্রায় ৪৫ একর জায়গাজুড়ে অত্যাধুনিক সুবিধাসম্পন্ন এই বাস টার্মিনাল নির্মাণ করা হবে। এটি হবে ঢাকার প্রথম বহুতল আন্ত জেলা বাস টার্মিনাল। সেখানে ছয়তলা দুটি টার্মিনাল ভবন নির্মাণ করা হবে, যেখানে তিন থেকে সাড়ে তিন হাজার বাস রাখা যাবে। একই সঙ্গে থাকবে একটি ডিপো। এ ছাড়া ব্যক্তিগত গাড়ি রাখার জন্য থাকবে দুটি তলা। প্রতিটি তলায় ৪৬টি করে গাড়ি রাখা যাবে।

প্রাথমিক উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (পিডিপিপি) অনুযায়ী, এ প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে চার হাজার ৫১০ কোটি টাকা। যদিও ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের (ডিটিসিএ) করা সম্ভাব্যতা সমীক্ষায় প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছিল মাত্র এক হাজার ৮৩৮ কোটি টাকা।

অর্থাত্ প্রকল্পটির প্রস্তাবিত ব্যয় সমীক্ষার প্রায় আড়াই গুণ। চলতি বছর এ টার্মিনালের নির্মাণকাজ শুরু করার কথা। চার বছরের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষে টার্মিনালটি যাত্রীদের জন্য খুলে দেওয়া হবে।

পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগের সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা বলেন, প্রকল্পটির প্রস্তাবের ওপর একটি পর্যালোচনাসভা হবে। সভায় প্রকল্পটির প্রয়োজনীয়তা ও প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হবে।

সেখান থেকে অনুমোদন পেলে প্রকল্পটির জন্য বিদেশি ঋণ পেতে এটি অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) কাছে পাঠানো হবে। তবে এখনো প্রকল্পটি নিয়ে তেমন অগ্রগতি হয়নি বলে জানা গেছে।

ডিএনসিসির নির্বাহী প্রকৌশলী নাঈম রায়হান খান বলেন, আমরা গাবতলী বাস টার্মিনাল সিটির বাইরে স্থানান্তরে একটি প্রাথমিক প্রকল্প প্রস্তাব পাঠিয়েছি। সেখানে একটি আধুনিক বাস টার্মিনাল হবে। পরিকল্পনা কমিশন প্রকল্পটি নিয়ে আমাদের সঙ্গে বসবে। 

ডিএনসিসি সূত্রে জানা যায়, ছয়তলা টার্মিনালটির চারটি তলা থাকবে যাত্রীবাহী বাসের জন্য। প্রতিটি তলায় ৪৩২টি করে বাস রাখা যাবে। ডিপোতে আরও এক হাজার বাস রাখার জায়গা থাকবে।

প্রকল্প প্রস্তাবে বলা হয়, টার্মিনালটি নির্মাণের লক্ষ্য যাত্রীদের পরিষেবা বাড়ানোর পাশাপাশি নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব ব্যবস্থা তৈরি করা। এসব সুবিধার মধ্যে রয়েছে আন্ত জেলা ও শহরের মধ্যে চলাচলকারী বাসগুলোর জন্য আলাদা প্রবেশ ও বের হওয়ার ব্যবস্থা, আন্ত জেলা বাস ডিপো সুবিধা, মাল্টি-মডেল কানেক্টিভিটি, ব্যক্তিগত যানবাহন রাখার জন্য দুটি তলা এবং যানবাহনগুলো থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে রাজস্ব আদায়ের ব্যবস্থা।

জানা গেছে, এর আগে ঢাকায় বাস চলাচল সুষ্ঠু ও নিয়মতান্ত্রিক কাঠামোয় আনার লক্ষ্যে ডিএনসিসি ও ডিএসসিসির দুই মেয়রের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ দ্বারা পরিচালিত একটি সম্ভাব্যতা পর্যালোচনার পর আন্ত জেলা বাস টার্মিনালগুলো স্থানান্তরের জন্য চারটি সম্ভাব্য স্থান নির্বাচন করে। হেমায়েতপুরের পাশাপাশি অন্য তিনটি টার্মিনাল নির্মাণের জন্য গ্রাম ভাটুলিয়া, কাঁচপুর ও বাঘাইর এলাকা নির্বাচন করা হয়। বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ঢাকায় চারটি নতুন আন্ত নগর বাস টার্মিনাল নির্মাণের পাশাপাশি গাবতলী, সায়েদাবাদ ও মহাখালী বাস টার্মিনাল শহর থেকে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হবে।

প্রকল্পসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মনে করেন, গাবতলী ঢাকার অন্যতম ব্যস্ত এলাকা। টার্মিনালটি স্থানান্তর করা হলে বিমানবন্দর সড়কে যানজট উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে। হেমায়েতপুরের প্রস্তাবিত জায়গাটি এমআরটি লাইন-৫ স্টেশন এবং ডিপো এলাকার সঙ্গে অবস্থিত। ফলে গণপরিবহনব্যবস্থা আরও উন্নত হবে।

প্রকল্পটির বিষয়ে পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগের সদস্য (সচিব) এমদাদ উল্লাহ মিয়ান বলেন, এমন প্রকল্প প্রস্তাব এসেছে কি না, আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে জানাতে পারব। তবে এত বড় প্রকল্প এই মুহূর্তে অনুমোদন দেওয়ার মতো পরিস্থিতি নেই।

জানা গেছে, ঢাকা শহরের ভেতরে আন্ত জেলা ও শহরতলির বাস চলাচল বন্ধে ডিটিসিএ একটি সম্ভাব্যতা সমীক্ষা করে। এতে দেখা যায়, প্রতিদিন ঢাকার রাস্তায় যত গাড়ি চলে, তার ২৪ শতাংশ আন্ত জেলা ও শহরতলির বাস। শহরের ভেতর রয়েছে প্রায় ৪০ শতাংশ বাসের কাউন্টার। এসব কাউন্টার যানজটের হটস্পট। এরই আলোকে ঢাকার প্রবেশমুখগুলোতে পাঁচটি আন্ত জেলা টার্মিনাল ও তিনটি বাস ডিপো নির্মাণের পরিকল্পনা করে সরকার।

সমীক্ষা অনুযায়ী, ঢাকার প্রবেশমুখে পাঁচটি বাস টার্মিনাল গড়ে তুলতে ব্যয় হবে প্রায় সাড়ে সাত হাজার কোটি টাকা। অন্যদিকে তিনটি বাস ডিপো তৈরি করতে খরচ হবে আরও প্রায় তিন হাজার ৭০০ কোটি টাকা। এর বাইরে বাস টার্মিনালের জন্য বিকল্প হিসেবে আরও দুটি স্থান প্রস্তাব করা হয় এবং ঢাকার ভেতরে থাকা তিনটি আন্ত জেলা টার্মিনাল সিটি টার্মিনাল হিসেবে ব্যবহারের প্রস্তাব করা হয়।

সমীক্ষায় আরও বলা হয়, ঢাকার প্রবেশমুখগুলোতে সবচেয়ে বড় আন্ত জেলা বাস টার্মিনালটি হবে সাভারের হেমায়েতপুরে। চুয়াডাঙ্গা, যশোর, ঝিনাইদহ, মাগুরা, কুষ্টিয়া, মানিকগঞ্জ, মেহেরপুর, নড়াইল, নবাবগঞ্জ, পাবনা, রাজবাড়ী ও রাজশাহী থেকে আসা আন্ত জেলা বাস থামবে হেমায়েতপুর টার্মিনালে।


আরও খবর



আরভিএন্ডএফ কোরের বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
প্রেস বিজ্ঞপ্তি

Image

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আরভিএন্ডএফ কোরের বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলন বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সাভারে অবস্থিত রিমাউন্ট ভেটেরিনারি এন্ড ফার্ম (আরভিএন্ডএফ) ডিপোতে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ, এসবিপি (বার), ৩এসপি, এনডিইউ, পিএসসি, পিএইচডি।

সেনাবাহিনী প্রধান বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলনে উপস্থিত আরভিএন্ডএফ কোরের অধিনায়ক ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন এবং সেনাবাহিনীর পুষ্টি ও জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষাসহ এ কোরের প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, গবেষণা, পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করেন।

বক্তব্যের শুরুতেই তিনি স্বাধীনতার মহান স্থপতি এবং সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এছাড়া সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নে প্রধানমন্ত্রীর সার্বক্ষণিক দিক নির্দেশনা ও সকল প্রকার সহায়তার জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। একই সাথে তিনি স্মরণ করেন মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী আরভিএন্ডএফ কোরের বীর সেনানীসহ সকল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের।

সেনাবাহিনী প্রধান আরভিএন্ডএফ কোরের গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্য এবং দেশমাতৃকার সেবায় এই কোরের অবদানের কথা উল্লেখ করেন। এছাড়াও, তিনি আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সদা প্রস্তুত থাকতে এই কোরের সকল সদস্যের প্রতি আহ্বান জানান।

একই দিন সকালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর রিমাউন্ট ভেটেরিনারি এন্ড ফার্ম কোরের ২য় 'কর্নেল কমান্ড্যান্ট' হিসেবে অভিষিক্ত হলেন জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) ও এরিয়া কমান্ডার সাভার এরিয়া মেজর জেনারেল মোঃ মঈন খান, এনডিসি, পিএসসি। সাভারে অবস্থিত রিমাউন্ট ভেটেরিনারি এন্ড ফার্ম ডিপোর প্যারেড গ্রাউন্ডে সামরিক রীতি ও ঐতিহ্য মেনে এ অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। অভিষেক অনুষ্ঠানে আরভিএন্ডএফ কোরের জ্যেষ্ঠতম অধিনায়ক এবং মাস্টার ওয়ারেন্ট অফিসার কর্তৃক জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) ও এরিয়া কমান্ডার সাভার এরিয়াকে গৌরবমন্ডিত 'কর্নেল কমান্ড্যান্ট ব‍্যাংক-ব্যাজ' পরিয়ে দেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে নবনিযুক্ত কর্নেল কমান্ড্যান্ট উপস্থিত সকলের উদ্দেশ্যে তাঁর দিক-নির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন।

অনুষ্ঠানে উর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ, অন্যান্য অফিসার, জুনিয়র কমিশন্ড অফিসার, অন্যান্য পদবির সেনাসদস্য এবং গণমাধ্যম ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। রিমাউন্ট ভেটেরিনারি এন্ড ফার্ম কোরের বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলন উপলক্ষ্যে সেনাবাহিনী প্রধানের উপস্থিতির মধ্য দিয়ে এই কোরের সদস্যদের মাঝে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি ও কোরের প্রতিটি সদস্যের মাঝে আগামী দিনে দেশ সেবার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপনের প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত হয়েছে।

উল্লেখ্য, সেনাবাহিনী প্রধান আরভিএন্ডএফ ডিপোতে পৌছালে তাঁকে অভ্যর্থনা জানান জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) আর্মি ট্রেনিং এন্ড ডকট্রিন কমান্ড, নবনিযুক্ত কর্নেল কমান্ড্যান্ট জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) ও এরিয়া কমান্ডার সাভার এরিয়াসহ ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ।


আরও খবর



আজ সুন্দরবন দিবস

প্রকাশিত:বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দেশের দক্ষিণাঞ্চলকে মাতৃস্নেহে আগলে রেখেছে অপরূপ সৌন্দর্যে ঘেরা লীলাভূমি সুন্দরবন। আঘাত হানা ঝড়-ঝঞ্ঝা, জলোচ্ছ্বাস, ভূমিক্ষয় রোধসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে জলবায়ু পরিবর্তন গত কারণে বাংলাদেশকে রক্ষা করে আসছে সুন্দরবন।

প্রাকৃতিক বিস্ময়াবলীর প্রশস্ত বনভূমি যা বিশ্বের অন্যতম সুন্দরবন। সমুদ্র উপকূলবর্তী নোনা পরিবেশের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বন হিসেবে সুন্দরবন বিশ্বের সর্ববৃহৎ অখণ্ড বনভূমি। আজ ১৪ ফেব্রুয়ারি সুন্দরবন দিবস, ভালোবাসা দিবসে ভালোবাসুন সুন্দরবনকে। সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে ১৪ ফেব্রুয়ারি সুন্দরবন দিবস পালিত হয়ে আসছে।

বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের আওতায় ২০০১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনার স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন রূপান্তর ও পরশের উদ্যোগে এবং দেশের আরও ৭০টি পরিবেশবাদী সংগঠনের অংশগ্রহণে প্রথম জাতীয় সুন্দরবন সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেই সম্মেলনে ১৪ ফেব্রুয়ারিকে সুন্দরবন দিবস ঘোষণা করা হয়। সে হিসেবে এবার পালিত হচ্ছে ১৮তম সুন্দরবন দিবস।

বরাবরের মতো এবারেও সুন্দরবন দিবসের মূল অনুষ্ঠানটি হবে খুলনায়। দিবসটি উপলক্ষে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

সুন্দরবন রয়েছে ৫ হাজার প্রজাতির উদ্ভিদ, ১৯৮ প্রজাতির উভচর প্রাণি, ১২৪ প্রজাতির সরীসৃপ, ৫৭৯ প্রজাতির পাখি, ১২৫ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণি ও ৩০ প্রজাতির চিংড়ি মাছ রয়েছে।


আরও খবর



ইসলামপন্থীদের নিয়ে মন্তব্য করে বরখাস্ত হলেন ব্রিটিশ এমপি

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ব্রিটিশ এমপি সাদিক খানকে ইসলামপন্থী বলায় বরখাস্ত হয়েছেন ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টির পার্লামেন্ট সদস্য লি অ্যান্ডারসন। রবিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এই খবর জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, লন্ডনের প্রথম মুসলিম মেয়র সাদিক খান বিরোধী লেবার পার্টির সদস্য। রাজধানীতে নিয়মিত ফিলিস্তিনিদের পক্ষে বিক্ষোভ-মিছিল ও পুলিশ পরিচালনার জন্য প্রায়ই সমালোচনার মুখে পড়তে হয় তাকে। শুক্রবার এক সাক্ষাতকারে লি আন্ডারসন বলেন, আমি বিশ্বাস করি না ইসলামপন্থীরা আমাদের দেশের নিয়ন্ত্রণ পেয়েছে। তবে আমি যা বিশ্বাস করি তা হল তারা সাদিক খানের নিয়ন্ত্রণ পেয়েছে।

এরপরই শুরু হয় সমালোচনার ঝড়। সাদিক খানকে উদ্দেশ্য করে করা মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চাইতে অস্বীকার করার পরে তাকে দল থেকে বরখাস্ত করা হয়।

শনিবার সাদিক খান বলেন, আন্ডারসনের এমন মন্তব্য মুসলিম বিদ্বেষের আগুনে ঘি ঢালার সমান। তার মন্তব্য নিয়ে মন্ত্রিপরিষদ ও প্রধানমন্ত্রীর বধির নীরবতারও কঠোর সমালোচনা করেন। খানদিক খানের এমন সমালোচনার ঘণ্টাখানেক পরেই টোরি পার্টির চিফ হুইপ সাইমন হার্টের এক মুখপাত্র বলেন, গতকালকের করা মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চাইতে অস্বীকৃতি জানানোয় দলের হুইপ পদ থেকে লি অ্যান্ডারসনকে বরখাস্ত করা হয়েছে।


আরও খবর