আজঃ শনিবার ১৫ জুন ২০২৪
শিরোনাম

র‍্যাবের নতুন মহাপরিচালক ব্যারিস্টার হারুন

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) নতুন মহাপরিচালক (ডিজি) হয়েছেন অতিরিক্ত আইজিপি ব্যারিস্টার মো. হারুন অর রশিদ।

তিনি বর্তমান মহাপরিচালক এম খুরশীদ হোসেনের স্থলাভিষিক্ত হবেন। ৫ জুন দায়িত্ব বুঝে নেবেন তিনি।

বুধবার (২৯ মে) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। পৃথক আরেক আদেশে বর্তমান ডিজি খুরশীদ হোসেনকে অবসর দেওয়া হয়েছে।

র‍্যাবের নতুন ডিজি ব্যারিস্টার মো. হারুন অর রশিদের বাড়ি মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার বালুচর ইউনিয়নের মোল্লাকান্দি গ্রামে। বর্তমানে তিনি পুলিশ সদরদপ্তরে অতিরিক্ত আইজিপি (হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট) পদে কর্মরত। তার আগে তিনি পুলিশের ময়মনসিংহ রেঞ্জের ডিআইজি ছিলেন। হারুন অর রশিদ ১৯৯৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পরিসংখ্যান বিভাগ থেকে এমএসসি সম্পন্ন করেন।

২০০৯ সালে যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন থেকে এলএলবি এবং ২০১৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেন। হারুন অর রশীদের বাবা আহম্মেদ আলী ছিলেন ব্যবসায়ী। সাত ভাই-বোনের মধ্যে তিনি ষষ্ঠ।

হারুন অর রশিদ ১৯৯৫ সালে ১৫তম বিসিএস পুলিশ ক্যাডারে সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। তিনি পুলিশের বিভিন্ন পদে চাকরি করেছেন। পুলিশ সদরদপ্তরে ডিআইজি লজিস্টিক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর ময়মনসিংহ রেঞ্জের ডিআইজি হন।

কর্মজীবনে পুলিশি সেবা আধুনিকায়ন যেমন- পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট, অনলাইন জিডি, বিডি পুলিশ হেল্প লাইন এবং সিআইএমএসর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে ছিলেন ব্যারিস্টার হারুন অর রশিদ।

ময়মনসিংহ রেঞ্জের ডিআইজি থাকাকালীন তিনি ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরের শুদ্ধাচার পুরস্কার পান। তিনি বাংলাদেশ পুলিশ পদক-বিপিএম পান।


আরও খবর



ঝালকাঠিতে জমি নিয়ে বিরোধে কুপিয়ে হত্যা, আটক ১

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ঝালকাঠি প্রতিনিধি

Image

ঝালকাঠিতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মো. মাহফুজ (২০) নামের এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষরা। নিহত মাহফুজ হাওলাদার পৌর এলাকার বিকনা গ্রামের ষ্টেডিয়াম এলাকার আমির হাওলাদারের ছেলে। সে পেশায় ইজিবাইক চালক।

হত্যাকাণ্ডের এই ঘটনা গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছে ঝালকাঠি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম।

হামলায় গুরুতর আহত হয়েছে নিহতের মা মুক্তা বেগম এবং বাবা আমির হাওলাদার। রক্তাক্ত জখম হওয়া আমির ও মুক্তা দম্পত্তিকে ঝালকাঠি সদর হাসপাতাল থেকে উন্নত চিকিৎসা দিতে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ তথ্য জানিয়েছেন ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. মেহেদী হাসান সানি।

এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্র জানায়, আমির হোসেনের সাথে দীর্ঘদিন যাবৎ জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ চলছিলো তারই চাচাতো ভাই কবির হাওলাদারের সাথে। গত কদিন পূর্বে আমিরকে মারধর করেছে ভাই কবির। ঐ সময় বাবা আমিরকে মারধরের প্রতিবাদ করে ছেলে মাহফুজ। ঐ ঘটনায় চাচা কবিরের সাথে তর্ক হয় মাহফুজের। সেদিন চাচা কবির হাসপাতালে গিয়ে ভর্তি হয়ে গণমাধ্যমের কাছে অভিযোগ করে বলে ছিলো মাহফুজ তাকে মেরেছে। সেই ঘটনার এক সপ্তাহ যেতে না যেতেই হাসপাতাল থেকে ফিরে শনিবার ১ জুন সকাল ১১ টায় কবির তার চার সন্তান, মেয়ে, জামাতা এবং নাতীকে নিয়ে হামলা চালায় আমিরের উপর। আমিরকে মারধরের এক পর্যায়ে স্বামী এবং বাবাকে বাঁচাতে আসে আমিরের ছেলে মাহফুজ এবং স্ত্রী মুক্তা বেগম। তাদেরকেও কুপিয়ে জখম করে হামলাকারীরা। এতে মাহফুজ ঘটনাস্থলেই মারা যায়। গুরুতর আহত হয় মুক্তা ও আমির।

আহতরা জানায় কবির হাওলাদার তার সন্তানসহ স্বজনদের নিয়ে লাঠিসোটা এবং দেশীয় অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি হামলা চালায়।

ঝালকাঠি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, লাশ উদ্ধার করে প্রাথমিক সুরতহাল শেষে ময়না তদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পরপরই হামলাকারী হাসানকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

ওসি আরো জানান, এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ দেয়ার প্রস্তুতি চলছে। ঘটনায় জড়িত অন্যদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।


আরও খবর



স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবেলায় দুই হাজার কোটি টাকা বিশেষ বরাদ্দ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

দেশে যে কোনো ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলায় ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটে অতিরিক্ত দুই হাজার কোটি টাকা বিশেষ বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। একই সঙ্গে চিকিৎসা গবেষণার জন্য আরও ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ প্রদানের প্রস্তাব করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়।

বৃহস্পতিবার (৬ জুন) জাতীয় সংসদে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে এই বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। তার আগে মন্ত্রিসভার অনুমোদন হয় এবং পরে ওই প্রস্তাবে সই করেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন।

বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলায় ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটে অতিরিক্ত ২০০০ কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দের প্রস্তাব করছি। একই সঙ্গে বিজ্ঞানের মৌলিক ও প্রায়োগিক গবেষণার গুরুত্ব বিবেচনায় সমন্বিত স্বাস্থ্য-বিজ্ঞান গবেষণা ও উন্নয়ন তহবিলে ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ প্রদানের প্রস্তাব করছি। এ ছাড়া, আধুনিক ও মানসম্পন্ন স্বাস্থ্য শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে অধিক সংখ্যক মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, চিকিৎসা শিক্ষায় সকল স্নাতকোত্তর ডিগ্রিকে এক প্লাটফর্মের আওতায় নিয়ে আসা, পরীক্ষা পদ্ধতির আধুনিকায়ন, শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইত্যাদি কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

আবুল হাসান মাহমুদ বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাস্থ্য সেবা খাতকে গ্রামীণ জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার যে উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন, প্রধানমন্ত্রী তা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কমিউনিটি ক্লিনিক প্রবর্তন করেন। এ সব কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে গ্রামীণ জনগণকে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা হচ্ছে এবং ২৭ ধরনের ঔষধ বিনামূল্যে প্রদান করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, সরকারের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ এবং নীতিসহায়তার ফলে বাংলাদেশ এখন বিশ্বমানের ঔষধ উৎপাদনে সক্ষম। দেশের মোট চাহিদার প্রায় ৯৮ ভাগ ঔষধ স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত হচ্ছে। একই সঙ্গে পরিবার কল্যাণ সেবা সহজীকরণসহ মা ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার জন্য ইউনিয়ন পর্যায়ে দক্ষ ধাত্রী ও মিডওয়াইফের মাধ্যমে নিরাপদ প্রসব সেবা দেওয়া হচ্ছে।


আরও খবর



শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার পর হত্যা, শিক্ষকের মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জেলা প্রতিনিধি

Image

রাঙ্গামাটিতে শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টার পর হত্যার দায়ে আসামি অংবাচিং মারমা প্রকাশ বামংকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন রাঙ্গামাটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এইএম ইসমাইল হোসেনের আদালত। বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) সকালে রাঙ্গামাটি চিফ জুটিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ রায় প্রদান করা হয়।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ২০১৯ সালের ২ ফেব্রুয়ারি জেলার কাপ্তাই চন্দ্রঘোনা থানার বড়খোলা পাড়ার নয় বছর বয়সী তৃতীয় শ্রেণির এক শিক্ষার্থী আসামির বাসায় প্রাইভেট পড়তে যায়। তার সঙ্গে পড়তে যাওয়া অন্য সকল শিক্ষার্থীদের ছুটি দিয়ে ভিকটিমকে রেখে দেন আসামি। পরে ভিকটিম বাড়ি না ফেরায় তার বাবা ভিকটিমের খোঁজে যান। তখন আসামি তাকে পড়া শেষ করে ছুটি দিয়েছেন বলে জানালেও পরের দিন ৩ ফেব্রুয়ারি ভোরে আসামিকে বস্তাবন্দি মরদেহসহ আটক করে স্থানীয়রা।

আদালত সূত্রে জানা যায়, আসামির বিরুদ্ধে সকল সাক্ষ্য প্রমাণিত হওয়ায় তাকে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড এবং দেড় লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

ভিকটিমের বাবা চাতুইঅং মারমা বলেন, যে আমার মেয়েকে হত্যা করেছে। তার এমন বিচারে আমি সন্তুষ্ট। এরা শিক্ষকের নামে কলঙ্ক।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম বলেন, এ রায়ে আমরা সন্তুষ্ট। এ রায়ের দ্বারা সমাজে অপরাধীরা সংশোধন হবে বলে আশা রাখি।

আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মামুনুর ইসলাম বলেন, এমন রায়ে সমাজের অপরাধ প্রবণতা বন্ধ হবে।


আরও খবর



ইসরায়েলে ৭৫ রকেট ছুড়ল হিজবুল্লাহ

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৭ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে ৭৫টি রকেট ছুড়েছে লেবাননের শক্তিশালী সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। শুক্রবার (১৭ মে) দখলদার ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) এই তথ্য জানিয়েছে।

টাইমস অব ইসরায়েলের খবরে বলা হয়, লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলায় তিনজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়ার পর শুক্রবার বিকালে উত্তর ইসরায়েলের দিকে ৭৫টি রকেটের একটি বড় ব্যারেজ নিক্ষেপ করা হয়।

টাইমস অব ইসরায়েলের খবরে বলা হয়েছে, হিজবুল্লার ছোড়া কয়েক ডজন রকেট আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আয়রন ডোম ব্যবহার করে ভূপাতিত করা হয়েছে বলে দাবি করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। এ হামলায় আপার গ্যালিলিতে দুজন সামান্য আহত হয়েছেন। তাদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

চলমান যুদ্ধের মধ্যে ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চল লক্ষ্য করে হিজবুল্লাহ যেসব হামলা চালিয়েছে সেগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম বড় ছিল বলে জানিয়েছে স্থানীয় অ্যাম্বুলেন্স সংস্থা।

গত বছরের ৭ অক্টোবর ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়। পরের দিন ৮ অক্টোবর থেকে যুদ্ধে যোগ দেয় লেবাননের হিজবুল্লাহ।


আরও খবর



সীতাকুন্ডে জাতীয় ভিটামিন‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উদ্বোধন

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

Image

সারাদেশের ন্যায় চট্টগ্রাম বিভাগীয় পর্যায়েও সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত অনুষ্টিত হয়েছে দিনব্যাপী জাতীয় ভিটামিন প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৪।

 শনিবার সকালে জেলার সীতাকুন্ড উপজেলার ভাটিয়ারীস্থ হোসাইনীয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে একটি শিশুকে ভিটামিন ক্যাপসুল খাইয়ে দিয়ে বিভাগীয় পর্যায়ের জাতীয় ভিটামিন প্লাস ক্যাম্পেইনের আনুষ্ঠানিক শুভ উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম-৪ সীতাকুন্ড আসনের সংসদ সদস্য এস.এম আল মামুন। বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ও সীতাকুন্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স যৌথভাবে ক্যাম্পেইনের আয়োজন করেন।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. মোঃ ইফতেখার আহমেদের সভাপতিত্বে ও সীতাকুন্ড উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোঃ নুর উদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত জাতীয় ভিটামিন প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধনী অনুষ্টানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সীতাকুন্ড উপজেলা চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আরিফুল আলম চৌধুরী, উপজেলা নির্বাহী অফিসার কে.এম রফিকুল ইসলাম, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান কাজী গোলাম মহিউদ্দিন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শাহিনুর আক্তার, সীতাকুন্ড মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ কামাল উদ্দিন, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা জিয়াউল কাদের, ৯নং ভাটিয়ারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ নাজিম উদ্দিন, সলিমপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন আজিজ,  সীতাকুন্ড প্রেস ক্লাব সভাপতি সৌমিত্র চক্রবর্তী, সাবেক সভাপতি সেকান্দর হোসাইন।

সীতাকুন্ড উপজেলার মোট ২৪০টি স্থায়ী ও অস্থায়ী কেন্দ্রে ৬-৫৯ মাস বয়সী মোট ৬১ হাজার ২১০ জন শিশুকে ভিটামিন ক্যাপসুল ভিটামিন ক্যাসপুল খাওয়ানো হয়। তন্মধ্যে ৬-১১ মাস বয়সী ৯ হাজার ৪৭০ জন শিশুকে একটি করে নীল ক্যাপসুল এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী ৫১ হাজার ৭৪০ জন শিশুকে একটি করে লাল ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়। হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্য পরিদর্শক, পরিবার কল্যাণ পরিদর্শক, স্বাস্থ্য সহকারী, পরিবার কল্যাণ সহকারী, স্বেচ্ছাসেবকবৃন্দ ও ওয়ার্ডের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এসময় উপস্থিত ছিলেন।

 প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এস.এম আল মামুন বলেন, ১৯৭৪ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এ কর্মসূচীর শুভ সূচনা করেন। শিশুকে সুস্থ রাখতে হলে জন্মের ৬ মাস পর্যন্ত মায়ের বুকের দুধ ছাড়া আর অন্য কোন খাবার দেয়া যাবে না। শিশুর বয়স ৬ মাস পুর্ণ হলে মায়ের দুধের পাশাপাশি পরিমাণ মত ঘরে তৈরী সুষম খারার দিতে হবে। ভিটামিন ক্যাপসুল শিশুর অপুষ্টি, রাতকানা রোগ প্রতিরোধ, দেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধি নিশ্চিত, হাম, নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়াজনিত মৃত্যুর হার হ্রাসসহ সকল ধরণের মৃত্যুর হার হ্রাস করে।

নিউজ ট্যাগ: চট্টগ্রাম

আরও খবর