আজঃ শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১
শিরোনাম

সাধারণ সম্পাদকের স্বাক্ষর জাল করে তালিকা পাঠালেন সভাপতি

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৮ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৮ অক্টোবর ২০২১ | ৬৬৬৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

পিরোজপুর জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদকের স্বাক্ষর জাল করে কেন্দ্রে তালিকা পাঠানোরও অভিযোগ রয়েছে জেলা সভাপতি একেএমএ আউয়ালের বিরুদ্ধে।

একাধিক মনোনয়ন প্রত্যাশী অভিযোগ করে বলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি একেএমএ আউয়াল তৃণমূল নেতা-কর্মীদের মতামতকে গুরুত্ব না দিয়ে বির্তকিতদের নামের তালিকা কেন্দ্রে পাঠিয়েছেন। যে তালিকায় জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের স্বাক্ষর নেয়া হয়নি। এ নিয়ে এলাকাবাসী ও দলীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

জানা যায়, পিরোজপুর জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুল হাকিম হাওলাদারের স্বাক্ষর জাল করে কেন্দ্রে তালিকা জমা দেওয়া হয়েছে। সেখানে জেলা সভাপতি একেএমএ আউয়ালের স্বাক্ষরও রয়েছে। তবে জেলা সভাপতি এ নিয়ে মুখ খোলেননি। সাধারণ সম্পাদকের স্বাক্ষর জাল করার বিষয়টি প্রথমে বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আফজাল হোসেনকে জানিয়েছেন। পরে দলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম ও সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে অবহিত করেছেন।

এ প্রসঙ্গে অ্যাডভোকেট আবদুল হাকিম হাওলাদার অভিযোগ করে বলেন, জেলা থেকে যে তালিকা জমা দেওয়া হয়েছে সে তালিকায় আমি স্বাক্ষর করিনি।

বিষয়টি নিয়ে জেলা সভাপতির সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন তিনি। এ প্রসঙ্গে জেলা সভাপতি এ কে এম আবদুল আউয়ালকে একাধিকার ফোন করা হলেও তিনি ধরেননি।

উল্লেখ্য, দ্বিতীয় ধাপে ৮৪৮টি ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। গত ২৯ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কমিশন সভা শেষে ইসি সচিব হুমায়ুন কবীর খোন্দকার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন।

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, দ্বিতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ১৭ অক্টোবর। এ ছাড়া মনোনয়নপত্র বাছাই ২০ অক্টোবর, বাছাইয়ের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের ২১ থেকে ২৩ অক্টোবর, আপিল নিষ্পত্তি ২৪ ও ২৫ অক্টোবর, প্রার্থিতা প্রত্যাহার ২৬ অক্টোবর, প্রতীক বরাদ্দ ২৭ অক্টোবর ও ১১ নভেম্বর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।


আরও খবর



সংস্কার ও কুসংস্কারে কালো বিড়াল

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৫১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

অনেকেই কালো বিড়ালের রাস্তা পার হওয়াকে অশুভ মনে করে থাকেন। এ সংস্কার শুধু আমাদের দেশেই প্রচলিত নয়। পৃথিবীর বিভিন্ন সংস্কৃতিতেও তা বিদ্যমান।

জার্মানিতে রাস্তার ডান দিক থেকে বাঁ দিকে কালো বিড়ালের ছুটে যাওয়াকে অশুভ মনে করা হয়। কালো বিড়াল যদি বাম থেকে ডানে রাস্তা পার হয় তবে তা শুভ লক্ষণ বলে ধরা হয়।

পশ্চিম এবং দক্ষিণ ইউরোপের বিভিন্ন দেশেও এ জাতীয় বিশ্বাস প্রচলিত রয়েছে। ১৯ শতকের জলদস্যুরা বিশ্বাস করতো, কোনো মানুষের কাছ থেকে কালো বিড়াল দূরে পালালে তা দুর্ভাগ্য দূরীভূত হওয়ার লক্ষণ। জুয়াড়িরা জুয়া খেলতে যাওয়ার পথে কালো বিড়ালের দর্শনও অশুভ বলে মনে করেন।

সাধারণভাবে মনে করা হয়, কালো বিড়াল রাস্তা পার হলে ১০ পা পিছিয়ে গিয়ে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে তারপর আবার সামনে এগিয়ে যাওয়া ভালো।

জীববিজ্ঞানীদের একাংশ মনে করেন, এ সমস্ত বিশ্বাসের বৈজ্ঞানিক কোনো ভিত্তি নেই। কোনো কোনো প্রাণী আসন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের আভাস পেয়ে থাকে। কিন্তু ব্যক্তি বিশেষের দুর্ভাগ্যের সঙ্গে বিড়াল বা অন্য প্রাণীর যোগ রয়েছে বলে বিশ্বাস করার কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ নেই।

নিউজ ট্যাগ: কালো বিড়াল

আরও খবর
৫৫০টি কেক কেটে জন্মদিন পালন

বুধবার ১৩ অক্টোবর ২০২১




শেখ রাসেল: অমিত সম্ভাবনার অকাল মৃত্যু

প্রকাশিত:রবিবার ১৭ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৭ অক্টোবর ২০২১ | ২১০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

শেখ রাসেল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ উত্তরাধিকার। বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ভুবন আলোকিত করা উজ্জ্বল নক্ষত্র। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নয়ণের মনি, আদরের ছোট ভাই। অমিত সম্ভাবনা জাগিয়ে যে নক্ষত্র অকালেই হারিয়ে গেছে কালের গর্ভে। কিন্তু আসলেই কি শেখ রাসেল হারিয়ে গেছে? না, শেখ রাসেল হারিয়ে যায়নি। জাগতিক অস্তিত্বের ঊর্ধ্বে উঠে গেলেও শেখ রাসেল প্রতিটি বাঙালির অস্তিত্বে অমর, অবিনাশী হয়ে বেঁচে থাকা এক সত্তার নাম। তাঁর নির্মল, নিষ্পাপ অথচ তেজোদীপ্ত চোখ আজও ভাস্বর।

পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও উৎকন্ঠার সময়ে যখন বাঙালির স্বাধীনতার স্বপ্ন জাগরুক, ঠেক সে সময়েই ১৯৬৪ সালের ১৮ অক্টোবর হেমন্তের এক প্রহরে ঢাকার ধানমন্ডি ৩২ নম্বর রোডের ৬৭৭ নম্বর বাড়িতে বঙ্গবন্ধু পরিবার আলো করে জন্ম নেয় ফুটফুটে শিশু রাসেল। নোবেল জয়ী ব্রিটিশ দার্শনিক বাট্রান্ড রাসেলকে পছন্দ করতেন বলে নামে বঙ্গবন্ধু কনিষ্ট তনয়ের নাম রাখের রাসেল। শিশু রাসেলের জন্ম নিয়ে বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী স্মৃতিচারণ করেছেন এভাবে, রাসেলের জন্মের আগের মুহূর্তগুলো ছিল ভীষণ উৎকণ্ঠার। আমি, কামাল, জামাল, রেহানা ও খোকা চাচা বাসায়। বড় ফুফু ও মেজ ফুফু মার সাথে। একজন ডাক্তার ও নার্সও এসেছেন। সময় যেন আর কাটে না। জামাল আর রেহানা কিছুক্ষণ ঘুমায় আবার জেগে ওঠে। আমরা ঘুমে ঢুলুঢুলু চোখে জেগে আছি নতুন অতিথির আগমন বার্তা শোনার অপেক্ষায়। মেজ ফুফু ঘর থেকে বের হয়ে এসে খবর দিলেন আমাদের ভাই হয়েছে। খুশিতে আমরা আত্মহারা। কতক্ষণে দেখবো। ফুফু বললেন, তিনি ডাকবেন। কিছুক্ষণ পর ডাক এলো। বড় ফুফু আমার কোলে তুলে দিলেন রাসেলকে। মাথাভরা ঘন কালোচুল। তুলতুলে নরম গাল। বেশ বড়সড় হয়েছিল রাসেল”।

ছোট বয়সেই শেখ রাসেলের মানবতাবোধ, ব্যক্তিত্বের উৎকর্ষ, নেতৃত্বের সৌকর্য, পরোপকারী মনোভাব আর দশজন শিশু থেকে তাঁকে স্বাতন্ত্র্য অবস্থানে পৌঁছে দিয়েছে। জাতির পিতার প্রতিচ্ছবি ছিলেন শিশু রাসেল। টুঙ্গিপাড়ায় বেড়াতে গেলে শিশু রাসল তাঁর সমবয়সীদের জড়ো করে তাতের জন্য খেলনা বন্দুক বানাতেন আর সেগুলো দিয়ে তাদের প্যারেড করাতেন। বন্ধুদের জন্য তিনি জামাকাপড় কিনে দিতেন। বাবা ও বোন শেখ রেহানার সঙ্গে যখন বিদেশ ভ্রমণে গিয়েছিল ছোট্ট রাসেল, তখন প্রিন্সকোট পরা এই শিশুর ব্যক্তিত্বে বিমোহিত হয়েছেন বিশ্ব নেতারা। ১৯৭৩ সালের অক্টোবরে জাপান সফরে যান বঙ্গবন্ধু। শেখ রাসেলের বয়স তখন মাত্র ৯। কিন্তু তার প্রাণবন্ত কিন্তু পরিমিত হাসি, আত্মবিশ্বাসী চাহনি, করমর্দনের ধরণ সবকিছুর মধ্যেই ফুটে উঠেছিল একজন ভবিষ্যত নেতার ছাপ। আবার ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুলের বেঞ্চে যখন সে বসতো, তখন হয়ে যেতো সহপাঠীদের খুব নিকটজন। বাড়ি থেকে নিয়ে যাওয়া টিফিনটাও ভাগ করে খেতেন বন্ধুদের সাথে। রান্নাঘরে কাজের মানুষরা যখন খেতে বসতো, তখন লাল ফুলতোলা প্লেট নিয়ে তাদের সঙ্গে খেতে বসে যেতেন। বাঙালি জুলফিকার আলী ভুট্টো, বাঙালি জাতিকে শোষণ করার প্রতিকে পরিণত হয়েছিল। তার প্রভাব পড়েছিল শিশু শেখ রাসেলের মনে। ওই বয়সে তিনি হয়তো অতো রাজনীতি বুঝতো না। কিন্তু বিভিন্ন শ্লোগান ও আলোচনার কথা শুনে এটা বুঝতে শিখেছিল যে ভুট্টো নামটা একটা নেতিবাচক শব্দ, এটা একটা শোষকের নাম। একবার বড় আকারের এক কালো পিঁপড়া (ওলা) কামড়ে দেওয়ায় ফুলে গেল শিশু রাসেলের আঙুল। ওই আক্রমণকারী বড় কালো পিঁপড়ার নাম দিল সে ভুট্টো। যুদ্ধমুখর দেশে, রাজনৈতিক আবহে বেড়ে ওঠা শৈশবে, অবচেতনভাবেই এক তীব্র সচেতনতা বোধের সৃষ্টি হচ্ছিল ছোট্ট রাসেলের মনে।

শেখ রাসেলের জন্মের পর বঙ্গবন্ধু অনেকটা সময় কারা অন্তরীণ ছিলেন। যার কারণে বাবার সান্নিধ্য থেকে বঞ্চিত হয়েছেন ঐ সময়টায়। বাবার অনুপস্থিতিতে তাঁর অনেকটা সময় কাটতো তার প্রিয় হাসুপার (মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা) সাথে। আর বাবাকে কাছে না পেয়ে মা ফজিলাতুন নেছা মুজিবকে আব্বা’ বলে সম্বোধন করতেন রাসেল। আমাদের ছোট রাসেল সোনা’ বইয়ের একুশ পৃষ্ঠায় কারাগারে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যাওয়ার বিষয়ে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা লিখেছেন, আব্বার সঙ্গে প্রতি ১৫ দিন পর আমরা দেখা করতে যেতাম। রাসেলকে নিয়ে গেলে ও আর আসতে চাইত না। খুবই কান্নাকাটি করত। ওকে বোঝানো হয়েছিল যে, আব্বার বাসা জেলখানা আর আমরা আব্বার বাসায় বেড়াতে এসেছি। আমরা বাসায় ফেরত যাব। বেশ কষ্ট করেই ওকে বাসায় ফিরিয়ে আনা হতো। আর আব্বার মনের অবস্থা কী হতো, তা আমরা বুঝতে পারতাম। বাসায় আব্বার জন্য কান্নাকাটি করলে মা ওকে বোঝাতেন এবং মাকে আব্বা বলে ডাকতে শেখাতেন। মাকেই আব্বা বলে ডাকতো”। বাবাকে কাছে না পাওয়ার কষ্ট যেমন অনুভব করতেন শিশু রাসেল, ঠিক তেমনি বাবা মুজিবও। কারাগারের রোজনামচা’য় শেখ রাসেলকে নিয়ে বঙ্গবন্ধু লিখেছেন, ৮ ফেব্রুয়ারি ২ বছরের ছেলেটা এসে বলে, আব্বা বাড়ি চলো। কী উত্তর ওকে আমি দেবো। ওকে ভোলাতে চেষ্টা করলাম, ওতো বোঝে না আমি কারাবন্দি। ওকে বললাম, তোমার মার বাড়ি তুমি যাও। আমি আমার বাড়ি থাকি। আবার আমাকে দেখতে এসো। ও কী বুঝতে চায়! কী করে নিয়ে যাবে এই ছোট্ট ছেলেটা, ওর দুর্বল হাত দিয়ে মুক্ত করে এই পাষাণ প্রাচীর থেকে! দুঃখ আমার লেগেছে। শত হলেও আমি তো মানুষ আর ওর জন্মদাতা। অন্য ছেলে-মেয়েরা বুঝতে শিখেছে। কিন্তু রাসেল এখনও বুঝতে শিখেনি। তাই মাঝে মাঝে আমাকে নিয়ে যেতে চায় বাড়িতে”।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট আর দশটা দিনের মতো ছিলনা। বাঙালি জাতির ভাগ্যাকাশে অমানিশার অন্ধকার নেমে আসা সেই দিন পিতা-মাতা ও তাঁর ভাই-ভাবীদের সাথে ঘাতকের নির্মম বুলেট বিদীর্ণ করেছিল শিশু রাসেলের বুক। মায়ের কাছে যাওয়ার অনন্ত আকুতিকে পদদলিত করে কিছু নরপিশাচ চিরতরে স্তব্ধ করে দিয়েছেল শেখ রাসেলের কন্ঠস্বর।

বাঙালির মুক্তির সংগ্রাম আর  বাংলাদেশের জন্মের ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ সময়ের সাক্ষী হয়ে বেড়ে উঠেন শেখ রাসেল। স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন, ছয় দফা প্রণয়ন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, সত্তরের নির্বাচন, একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং মহান স্বাধীনতা অর্জনের পর দেশ পুনর্গঠন এসবগুলো ঘটনার মধ্যে যার জন্ম ও বেড়ে ওঠা, তিনি শেখ রাসেল। বাঙালি জাতির আত্মপ্রকাশের গুরুত্বপূর্ণ সময়গুলোতে ডানা মেলেছে তার শৈশব। বাল্যকালেই যে সচেতনতা, মানবতাবোধ ও অসাধারণ ব্যক্তিত্বের প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছিল তার জীবনাচরনে, সেটা প্রস্ফুটিত হলে বঙ্গবন্ধুর মতোই আজ বিশ্বব্যাপী মানবতাবাদী নেতৃত্ব হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতেন তিনি। তিনি হতে পারতেন আধুনিক বাংলাদেশের একজন উজ্জ্বল পথিকৃৎ। হতেন বঙ্গবন্ধুর রক্ত ও রাজনৈতিক আদর্শের যথার্থ উত্তরসূরি। কিন্তু অমিত সম্ভাবনার অকাল মৃত্যু ঘটেছিল ৭৫ এর ১৫ আগস্ট শেখ রাসেলকে নির্মমভাবে হত্যার মধ্য দিয়ে। এটি বাঙালি জাতির জন্য দুর্ভাগ্য। শেখ রাসেলের নাতিদীর্ঘ জীবন নিয়ে গবেষণার প্রয়োজন। তাঁর জীবনাচরণ, চিন্তা-চেতনা, আদর্শ শিশু-কিশোরদের মাঝে ছড়িয়ে দেয়া প্রয়োজন। তাই শেখ রাসেলের জীবনীপাঠ সময়ের দাবী।

লেখকঃ শ ম রেজাউল করিম এমপি, মাননীয় মন্ত্রী, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।


আরও খবর
এই দুঃখ কোথায় রাখি?

বৃহস্পতিবার ২১ অক্টোবর 20২১




দেখা যাচ্ছে বিজ্ঞাপনমুক্ত ২৪ বিদেশি চ্যানেল

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৫ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৫ অক্টোবর ২০২১ | ১০১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দেশের দর্শকরা আবারো দেখতে পারছেন ‘ক্লিন ফিড বা বিজ্ঞাপনমুক্ত অনুষ্ঠান সম্প্রচার করা ২৪টি বিদেশি টেলিভিশন চ্যানেল। সরকারের পক্ষ থেকে তাদের পুনরায় সম্প্রচার চালুর নির্দেশের পর দর্শকরা চ্যানেলগুলো দেখতে পাচ্ছেন।

এই ২৪ বিদেশি টেলিভিশন চ্যানেলগুলো হলো- বিবিসি, সিএনএন, আল জাজিরা এইচডি, ডিডাব্লিউ, কেবিএস ওয়ার্ল্ড, এনএইচকে ওয়ার্ল্ড, সিজিটিএন, রাশিয়া টুডে, ফ্রান্স ২৪, লোটাস, ট্রাভেল এক্সপি এইচডি, আল কুরান, টেন স্পোর্টস, ডিসকভারি, ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক, দুবাই স্পোর্টস, মাস্তি টিভি, বিফরইউ মিউজিক, এমটিভি, স্টার স্পোর্টস-১, স্টার স্পোর্টস-২, স্টার স্পোর্টস-৩, স্টার স্পোর্টস-৪ ও এআরআই টিভি।

এদিকে দেশে বিদেশি চ্যানেলের সম্প্রচারে ক্লিন ফিড (বিজ্ঞাপনমুক্ত) বাস্তবায়নে আগামীকাল বুধবার থেকে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি জানান, ক্লিন ফিড আসার পরও যারা তা সম্প্রচার করছে না, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে মোবাইল কোর্ট। আমরা দেশের আইন কার্যকর করেছি দেশের স্বার্থে, সবার স্বার্থে। একটি মহল নানা অজুহাতে আইন কার্যকর করতে দেয়নি। তাই ক্যাবল অপারেটররা নিয়মনীতি মানছে কি না- তাও খতিয়ে দেখবে মোবাইল কোর্ট।

বিজ্ঞাপনসহ বিদেশি চ্যানেল বাংলাদেশে সম্প্রচার করা যাবে না - বাংলাদেশের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় থেকে এই নির্দেশ দেয়া হয়েছিল এসব চ্যানেলের দেশীয় পরিবেশকদের। বাংলাদেশে বিদেশি টিভি চ্যানেল সম্প্রচার সংক্রান্ত একটি পুরনো আইন বাস্তবায়ন করতে গিয়ে গত শুক্রবার (১ অক্টোবর) থেকে দেশটিতে সব রকম বিদেশি টিভি চ্যানেলের সম্প্রচার বন্ধ করে দেয়ার পর ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছেন দেশটির অনেক টিভি দর্শক।

আইনটিতে বলা আছে, যেসব বিদেশি চ্যানেলে বিজ্ঞাপন দেখানো হয়, সেসব চ্যানেল বাংলাদেশে প্রদর্শন করা যাবে না, এই নিয়ম কার্যকর করতে গিয়ে শুক্রবার বিবিসি-সিএনএনসহ সব আন্তর্জাতিক খবরের চ্যানেল, খেলার চ্যানেল এবং ভারতীয় বিনোদন চ্যানেলগুলোসহ সব বিদেশি চ্যানেলগুলো বন্ধ করে দেয় কেবল অপারেটররা, যা এখন পর্যন্ত বন্ধই রয়েছে।


আরও খবর



বেনাপোলে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকবে টানা চার দিন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৭ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৭ অক্টোবর ২০২১ | ৬৪৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দুর্গাপূজা উপলক্ষে টানা চার দিন আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ থাকবে দেশের প্রধান স্থলবন্দর বেনাপোলে। তবে এ সময় বেনাপোল কাস্টম হাউজের কার্যক্রম, বন্দরে পণ্য খালাস এবং বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে যাত্রী চলাচল স্বাভাবিক থাকবে।

ভারতের পেট্রাপোল বন্দর সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস স্টাফ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক কার্তিক চক্রবর্তী জানান, দুর্গাপূজা উপলক্ষে ভারতে ১২ অক্টোবর থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত ছুটি থাকবে। এই সময়কালে পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে বেনাপোল বন্দরের সঙ্গে সব ধরনের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ থাকবে।  ১৬ অক্টোবর সকাল থেকে আবার আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য চালু হবে।

বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হক লতা বলেন, দুর্গাপূজার ছুটির কারণে টানা চার দিন আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ থাকবে বলে পেট্রাপোলের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশন থেকে পত্র দিয়ে আমাদের জানিয়েছে।

বেনাপোল কাস্টমস চেকপোস্ট কার্গো শাখার রাজস্ব কর্মকর্তা সাইফুর রহমান মামুন বলেন, দুর্গাপূজার ছুটি থাকায় ১২ অক্টোবর থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকবে বলে ওপারের কাস্টমস কর্তৃপক্ষ ও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টরা আমাদের জানিয়ে দিয়েছেন। আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকলেও বন্দরে পণ্য লোড-আনলোড ও কাস্টমসের কাজ চলবে।

বেনাপোল ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোহাম্মদ রাজু আহমেদ জানান, পূজার ছুটিতে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকলেও দুই দেশের মধ্যে যাত্রী চলাচল স্বাভাবিক থাকবে।



আরও খবর



জামাই-শাশুড়ি আইস ও ইয়াবাসহ আটক

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৪ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৪ অক্টোবর ২০২১ | ৬৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাজধানীর ধানমন্ডিতে ক্রিস্টাল মেথ বা আইস ও ইয়াবাসহ জামাই-শাশুড়িকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। তবে প্রাথমিকভাবে তাদের নাম-পরিচয় এখনো জানা যায়নি।

বুধবার (১৩ অক্টোবর) থেকে বৃহস্পতিবার (১৪ অক্টোবর) সকাল পর্যন্ত ধানমন্ডি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ২৭০ গ্রাম আইস ও বিপুল পরমাণ ইয়াবা জব্দ করা হয়। জব্দকৃত মাদকের বাজারমূল্য প্রায় এক কোটি টাকা।

বৃহস্পতিবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. মেহেদী হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জনান, আটক আসামিরা সম্পর্কে জামাই-শাশুড়ি। তাদের কাছ থেকে ২৭০ গ্রাম আইস ও বিপুল পরিমাণ ইয়াবা জব্দ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে সন্ধ্যায় তেজগাঁও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঢাকা মেট্রো কার্যালয়ে (উত্তর) আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানানো হবে। 

 

নিউজ ট্যাগ: ইয়াবাসহ আটক

আরও খবর