আজঃ শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১
শিরোনাম

শাহরুখের ছেলের বান্ধবী কে এই মুনমুন ?

প্রকাশিত:সোমবার ০৪ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ অক্টোবর ২০২১ | ৬১৬৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

পার্টি থেকে আরিয়ানের সঙ্গেই গ্রেপ্তার হয়েছেন মুনমুন। তাঁর স্যানিটারি প্যাডে লুকিয়ে রাখা ছিল মাদক। শাহরুখের ছেলের সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্ব নিয়েও কথা উঠেছে ভারতীয় নানা সংবাদমাধ্যমে। কে এই মুনমুন? কী করেন তিনি?

জানা গিয়েছে, ধনার্ঢ্য ব্যবসায়ী পরিবারের মেয়ে মুনমুন। পেশায় মডেল। পেশার সূত্রেই বলিউড তারকাদের সঙ্গেও তাঁর ওঠাবসা। গুরু রান্ধাওয়া, অর্জুন রামপালের মতো বলিউড তারকা রয়েছেন সেই তালিকায়। ইনস্টাগ্রামেও বেশ জনপ্রিয় মুনমুন। সেখানে তাঁর অনুসারীর সংখ্যা দশ হাজারেরও বেশি।

নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরোর (এনসিবি) এর জিজ্ঞাসাবাদে মাদক নেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন মুনমুন। সোমবার আরিয়ানের সঙ্গেই আদালতে তোলা হয় তাঁকে। তাদেরকে ৭ অক্টোবর পর্যন্ত এনসিবি হেফাজতে রাখার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

এনসিবির দাবি, জুতো থেকে শুরু করে চোখের লেন্সের বাক্সে লুকানো ছিল আরিয়ানদের মাদক। আরিয়ানদের কাছ থেকে পাওয়া গেছে ১৩ গ্রাম কোকেন, ৫ গ্রাম এমডি, ২১ গ্রাম চরস, ও এমডিএমএর ২২ টি পিল এবং নগদ এক লক্ষ তেত্রিশ হাজার টাকা। একাধিক ধারায় মামলা করা হয়েছে আরিয়ানের বিরুদ্ধে। নারকোটিক ড্রাগস অ্যান্ড সাইকোট্রপিক সাবস্ট্যান্সেস ১৯৮৫ আইনের ৮সি, ২৭, ২২ নম্বর ধারা, এছাড়া এমডিএমএ ও এক্সট্যাসি আইনের  অন্তর্গত ১৪(১), ১৪ (বি), ২০(বি) ধারায় মামলা করা হয়েছে আরিয়ানের বিরুদ্ধে।

এনসিবির সূত্রে জানা গেছে, আরিয়ান খান এবং আরবাজ মার্চেন্ট এনসিবিকে সঠিকভাবে বলছেন না যে, কে তাদের মাদক সরবরাহ করতেন? আরবাজ বলছেন যে গোয়ার একজন মাদক সরবরাহকারী তাকে মাদক সরবরাহ করত। মুনমুন জানান, আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে একটি পাঁচতারা হোটেলের কাছে একজন মাদক ব্যবসায়ী তাকে কিছু মাদকদ্রব্য দিয়েছিলেন। কিন্তু সঠিক নাম কেউই বলছেন না। জেরা করার জন্য সোমবার আরবাজ ও আরিয়ানের বিশেষ বন্ধু শ্রেয়স নায়ারকে গ্রেপ্তার করতে পারে এনসিবি।

শনিবার রাতে এক মাদক পার্টি থেকে শাহরুখ খানের পুত্র আরিয়ান খান সহ আটজনকে আটক করে নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো। আরিয়ানের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য সেবন ও মাদক কেনা বেচার গুরুতর অভিযোগ এনেছে এনসিবি। দীর্ঘ ১৬ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর বাজেয়াপ্ত করা হয় আরিয়ানের ফোন। খতিয়ে দেখা হয়, শেষ কয়েকদিন কার কার সঙ্গে ফোনে ও হোয়াটস অ্যাপে কথা বলেছেন আরিয়ান।

এরপরই আরিয়ান খান, আরবাজ মার্চেন্ট ও মুনমুন ধামেচা, নুপূর সারিকা, ইশমিত সিং, মোহক জয়সওয়াল, বিক্রান্ত চোকার, গোমিত চোপড়াকে গ্রেপ্তার করে এনসিবি। রবিবার আদালতে আরিয়ানের আইনজীবী সতীশ মানশিণ্ডে জানান যে এই পার্টিতে যাওয়ার টিকিটও ছিল না আরিয়ানের কাছে, তাঁকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। এমনকি আরিয়ানের কাছে কোনও মাদকদ্রব্য ছিল না। তাই তাঁকে গ্রেপ্তার করাই ভুল, বলে দাবি করেন আইনজীবী।

নিউজ ট্যাগ: শাহরুখের ছেলে

আরও খবর



মেসিদের রুখে দিল প্যারাগুয়ে

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৮ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৮ অক্টোবর ২০২১ | ৪৮০জন দেখেছেন
Image

অনেকদিন ধরে রীতিমতো আকাশে উড়ছিল আর্জেন্টিনা। এবার কিছুটা হলেও মাটিতে নেমে আসতে হচ্ছে আলবিসেলেস্তেদের। অবশ্য হেরে যায়নি লিওনেল স্ক্যালোনির দল। তবে প্যারাগুয়ের জমাট রক্ষণ ভাঙতে পারেনি। ড্রতেই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে লিওনেল মেসিদের।

শুক্রবার ভোরে প্রতিপক্ষের মাঠে শুরু হওয়া ম্যাচটি গোলশূন্য ড্র হয়েছে। তাতে বিশ্বকাপ বাছাইয়ে চতুর্থবারের মতো পয়েন্ট হারিয়েছে আর্জেন্টিনা। আগের ম্যাচেই বলিভিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করেছেন লিওনেল মেসি।

তিনি উজ্জ্বল ছিলেন এই ম্যাচে। তবে কিছুটা নিচে নেমে বল যোগানেই বেশি মনোযোগী ছিলেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। অবশ্য আক্রমণের ধারা ঠিকই রেখেছিল আর্জেন্টিনা।

ম্যাচের শুরু থেকেই মেসি-ডি মারিয়াদের কল্যাণে ব্যস্ত থাকতে হয়েছে প্যারাগুয়ের রক্ষণভাগে। কিন্তু স্বাগতিকদের রক্ষণ ভাঙতে পারেনি আর্জেন্টিনা।

ম্যাচের প্রথম দুই মিনিটের মধ্যে দারুণ দুইটি সুযোগ তৈরি করে আর্জেন্টিনা। কিন্তু কাজে লাগাতে পারেনি। উল্টো চতুর্থ মিনিটে গোলে পাল্টা আক্রমণে অনেক দূর থেকে সান্তিয়াগো আর্সামেন্দিয়ার শট নেন। সেটি ঝাঁপিয়ে ঠেকিয়ে দেন আর্জেন্টিনা গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ।

ম্যাচের সময় বাড়ার সঙ্গে প্রতিপক্ষের ওপর চাপ বাড়াতে থাকে আর্জেন্টিনা। ১০ম মিনিটে মেসির রক্ষণচেরা পাস ডি-বক্সে পেয়ে কোররেয়ার শট ঝাঁপিয়ে ফেরান প্যারাগুয়ে গোলরক্ষক আন্তোনি সিলভা।

বক্সের ভেতর আবার কোররেয়াকে বল দেন মেসি। তার শট গোলরক্ষক ঠিকমতো ফেরাতে না পারলে গোলমুখে পেয়ে যান ডি মারিয়া। তার টোকায় বল ডিফেন্ডারের পায়ে লেগে বাইরে যায়। ২৬তম মেসির ফ্রি-কিক জাল খুঁজে পায়নি অল্পের জন্য।

প্রথমার্ধের বাকিটা সময়েও আধিপত্য ধরে রাখে আর্জেন্টিনা। তবে গোলের দেখা পাওয়া যায়নি কিছুতেই। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেও আক্রমণ চালিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। তবে ম্যাচের ৫৪ মিনিটে স্বাগতিকদের দারুণ একটি সুযোগ রুখে দেন আর্জেন্টিনা গোলরক্ষক।

৭১তম মিনিটে সবচেয়ে দারুণ সেভটা দেন মার্টিনেজ। বাঁ প্রান্ত থেকে আচমকা শট নেন সানাব্রিয়া। ওই শটে অবিশ্বাস্যভাবে ঠেকিয়ে দেন অ্যাস্টন ভিলার এই গোলরক্ষক। শেষদিকে উত্তেজনা ছড়ালেও গোলের দেখা পায়নি কোনো দলই। ড্র নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় দুই দলকে।

নিউজ ট্যাগ: আর্জেন্টিনা

আরও খবর



মাহবুব কবীরকে ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে নিয়োগ

প্রকাশিত:সোমবার ১৮ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৮ অক্টোবর ২০২১ | ৪৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আলোচিত অতিরিক্ত সচিব (ওএসডি) মাহবুব কবীরকে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

কোম্পানিটির ব্যবস্থাপনা ও মনিটরিংয়ের জন্য চেয়ারম্যানসহ আরও চার সদস্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ সোমবার (১৮ অক্টোবর) এ আদেশ দেন।

আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরীর নেতৃত্বে বোর্ডে থাকবেন স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত সচিব মো. রেজাউল আহসান, চার্টার্ড অ্যাকাউনন্ট্যান্ট ফখরুদ্দিন আহমেদ ও আইনজীবী খান মোহাম্মদ শামীম আজিজ ।

সরকারি বেতনে ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে থাকবেন অতিরিক্ত সচিব (ওএসডি) মাহবুব কবীর। 

এক গ্রাহকের করা আবেদনের শুনানি নিয়ে ২২ সেপ্টেম্বর ইভ্যালির সব ধরনের সম্পদ বিক্রি এবং হস্তান্তরে নিষেধাজ্ঞা দেন হাইকোর্ট। ৩০ সেপ্টেম্বর এক আদেশে ১২ অক্টোবরের মধ্যে ইভ্যালির নথিপত্র আদালতে দাখিল করতে রেজিস্ট্রার জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ অ্যান্ড ফার্মসকে নির্দেশ দিয়েছিলেন। সে অনুযায়ী নথি দাখিল করা হয়।

এরপর ইভ্যালির দুই কর্ণধার কারাবন্দি থাকার প্রেক্ষাপটে নতুন একটি বোর্ড গঠনে একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারক, অবসরপ্রাপ্ত সচিব, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট ও একজন আইনজীবীর সমন্বয়ে কমিটি গঠন করা অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছিলেন হাইকোর্ট। পরে সাবেক তিন সচিবের নাম আদালতে দাখিল করেছিল বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

২০২০ সালের ২৫ মার্চ বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান পদ থেকে মাহবুব কবীরকে রেলপথ মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়। সেই পদে বেশি দিন থাকতে পারেননি তিনি। এ পদে থাকার সময় ভেজালবিরোধী খাদ্য উৎপাদন ও বিপণন বন্ধে জোরালো ভূমিকা রেখে প্রশংশিত হন মাহবুব কবীর।

রেলপথ মন্ত্রণালয়ে আলোচিত কর্মকর্তা ছিলেন মাহবুব কবীর। তিন মাসে দুর্নীতি দূর করতে ১০ কর্মকর্তার উইং চেয়ে আলোচিত অতিরিক্ত সচিব মাহবুবকে তিরস্কার করে সরকার। 

একটি লেখা প্রকাশিত হওয়ার জের ধরে চলতি বছরে আবার শাস্তি পেয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) মাহবুব কবীর।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মাহবুব কবীর রেলপথ মন্ত্রণালয়ে কর্মকালে তার উদ্ধৃতি দিয়ে eisomoy365.com নামের অনলাইন পত্রিকায় বিনিয়োগ করতে এসে হু হু করে কাঁদতে দেখেছি বিদেশিদের শিরোনামে একটি লেখা প্রকাশিত হয়। যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ব্যতীত ও প্রকৃত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্র ব্যতীত পত্রিকায় প্রকাশিত এ লেখায় তার মনগড়া, ভিত্তিহীন ও সরকারের জন্য অস্বস্তিকর বক্তব্য প্রকাশিত হওয়া সরকারি কর্মচারী হিসেবে তার আচরণবিধি লঙ্ঘনের শামিল হওয়ায় তার বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর বিধি ৩ (খ) অনুযায়ী অসদাচরণ এর অভিযোগে বিভাগীয় মামলা রুজু করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আনীত অসদাচরণেরর অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় এবং অভিযোগের গুরুত্ব ও প্রাসঙ্গিক প্রশাসনিক বিষয়াদি বিবেচনায় সরকারি কর্মচারী বিধিমালা মোতাবেক তাকে তিরস্কার নামীয় লঘুদণ্ড প্রদানের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে এ লঘুদণ্ড আরোপের বিষয়ে মহামান্য রাষ্ট্রপতি সদয় সম্মতি জ্ঞাপন করেন। 

এতে আরও বলা হয়, মাহবুব কবীরের বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী বিধিমালা অনুযায়ী অসদাচরণের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় এবং অভিযোগের গুরুত্ব ও প্রাসঙ্গিক প্রশাসনিক বিষয়াদি বিবেচনায় বিধিমালার ৪ (২) (ক) বিধি মোতাবেক তাকে তিরস্কার নামীয় লঘুদণ্ড দেওয়া হলো।

নিউজ ট্যাগ: মাহবুব কবীর

আরও খবর



বাংলাদেশে ফের সম্প্রচার শুরু করেছে স্টার জলসা

প্রকাশিত:রবিবার ১৭ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৭ অক্টোবর ২০২১ | ৫৬৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ভারতীয় টিভি চ্যানেল জি বাংলার পর এবার বিজ্ঞাপন ছাড়াই বাংলাদেশে সম্প্রচারে ফিরেছে স্টার জলসা। শনিবার (১৬ অক্টোবর) রাত থেকে চ্যানেলটি দেশের ক্যাবল টিভি ও ডিটিএইচে দেখা যাচ্ছে। এই দুটি চ্যানেলের সিরিয়ালগুলো বাংলাদেশি দর্শকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়।

ক্যাবল অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব) জানায়, স্টার জলসা কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ক্লিন ফিড পেয়ে পরিবেশকরা পরীক্ষামূলকভাবে সম্প্রচার শুরু করেছেন। চ্যানেলগুলোতে আগের মতোই সব অনুষ্ঠান সম্প্রচার করা হবে। তবে বিজ্ঞাপন বিরতিতে কোনো বিজ্ঞাপন দেখানো হবে না।

এদিকে নতুন করে চালু হওয়া স্টার জলসার অনুষ্ঠানের মধ্যে বিজ্ঞাপন বিরতিতে সম্মানিত গ্রাহক, বিজ্ঞাপন বিধিনিষেধের জন্য বিজ্ঞাপন সম্প্রচার বন্ধ রয়েছে। বিজ্ঞাপন বিরতি শেষে অতি শিগগিরই আমরা মূল অনুষ্ঠানে ফিরে আসছি। আমাদের সঙ্গে থাকার জন্য ধন্যবাদ, এই বার্তাটি দেখা যাচ্ছে।

বিদেশি চ্যানেল বাংলাদেশে সম্প্রচার করতে হলে ক্লিন ফিড (মূল ভিডিও) পাঠাতে হবে। অনুষ্ঠানের ফাঁকে বিজ্ঞাপন প্রচার করে, এমন বিদেশি টেলিভিশন চ্যানেল সম্প্রচার করার সুযোগ বাংলাদেশের আইনে নেই। সেই নিয়ম বাস্তবায়নে সরকার কঠোর অবস্থানে গেলে পরিবেশক ও ক্যাবল অপারেটররা গত ১ অক্টোবর জি বাংলা, স্টার জলসা ও স্টার স্পোর্টসহ প্রায় ৬০টি বিদেশি চ্যানেলের সম্প্রচার বন্ধ করে দেয়। অবশেষে বিজ্ঞাপন ছাড়াই বাংলাদেশে সম্প্রচারে ফিরেছে ভারতীয় চ্যানেল দুটি।

উল্লেখ্য, টেলিভিশন প্রযুক্তিতে ক্লিন ফিড বলতে মূল ভিডিও সিগন্যালকে বোঝায়। পরবর্তীতে এই ভিডিওতে গ্রাফিকস এবং টেক্সট যুক্ত করা হয়। চ্যানেল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজন অনুযায়ী ফিডের মাঝে মাঝে বিজ্ঞাপনের ক্লিপ যুক্ত করে। বাংলাদেশে বিদেশি চ্যানেলগুলো কোনো ধরনের অনুমতি ছাড়াই বিজ্ঞাপন বা অন্যান্য প্রচারণাসহ সম্প্রচার করে আসছিল।

নিউজ ট্যাগ: স্টার জলসা

আরও খবর



নভেম্বরের মধ্যে শেষ হবে স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্স সরবরাহ

প্রকাশিত:রবিবার ১৭ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৭ অক্টোবর ২০২১ | ৬৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

প্রায় দুই বছর ধরে আটকে থাকা ১২ লাখ ৪৫ হাজার ড্রাইভিং লাইসেন্স সরবরাহ করা শুরু হয়েছে। গত ১১ অক্টোবর থেকে নতুন করে ড্রাইভিং লাইসেন্স বিতরণ কার্যক্রম শুরু করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আটকে থাকা সব স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্স নভেম্বরের মধ্যে সরবরাহের কাজ শেষ হবে। স্মার্ট কার্ড লাইসেন্স ছাপা হওয়ার পর আবেদনকারীকে এসএমএসের মাধ্যমে সংগ্রহের তারিখ জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে। একইসঙ্গে প্রিন্ট হওয়া লাইসেন্স কার্ড প্যাকেজিং করে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট জেলা সার্কেল অফিসে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। যারা যে অফিসে লাইসেন্সের জন্য আবেদন করেছেন সেই অফিস থেকে লাইসেন্স পাবেন।

দেশে বিআরটিএর ৫৪টি মাঠ পর্যায়ের অফিস রয়েছে। যার অধীনে ৭০টি সার্ভিস ডেলিভারি আউটলেট রয়েছে। এসব সার্ভিস ডেলিভারি আউটলেট থেকেই ড্রাইভিং লাইসেন্স সরবরাহের কাজ চলছে। লাইসেন্স প্রস্তুত হয়ে বিভিন্ন জেলায় সার্ভিস ডেলিভারি আউটলেটে পৌঁছানো শুরু হয়েছে।

বিআরটিএর পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) শীতাংশু শেখর বিশ্বাস বলেন, আটকে থাকা সব ড্রাইভিং লাইসেন্স যত দ্রুত সম্ভব সরবরাহের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। সরবরাহ শুরু হয়েছে, গতিও দিন দিন বেড়েছে। 


আরও খবর



করোনায় আরও ৭ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৮ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৮ অক্টোবর ২০২১ | ৪১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়ে আরও সাত জন মারা গেছেন। এর আগে গত ১১ মার্চ ছয় জনের মৃত্যুর কথা জানিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদফতর। সে হিসাবে গত সাত মাস পর করোনায় একদিনে সর্বনিম্ন মৃত্যু দেখলো দেশ। সেইসঙ্গে মৃত্যুও নেমে এলো ১০ এর নিচে।

শুক্রবার (৮ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদফতর জানাচ্ছে, গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত সাত জনকে নিয়ে দেশে এখন পর্যন্ত সরকারি হিসাবে করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন ২৭ হাজার ৬৫৪ জন। একই সময়ে ভাইরাসটিতে নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ৬৪৫ জন। তাদের নিয়ে এখন পর্যন্ত সরকারি হিসাবে মোট শনাক্ত হলেন ১৫ লাখ ৬১ হাজার ৪৬৩ জন।

করোনা আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৮১৪ জন। তাদের নিয়ে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়ে উঠলেন মোট ১৫ লাখ ২২ হাজার ৫৯১ জন। এই সময়ে রোগী শনাক্তের হার দুই দশমিক ৭৭ শতাংশ আর এখন পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৫ দশমিক ৭৫ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯৭ দশমিক ৫১ শতাংশ আর মৃত্যুহার এক দশমিক ৭৭ শতাংশ।

একদিনে করোনার নমুনা সংগৃহীত হয়েছে ২৩ হাজার ২০৪টি আর পরীক্ষা হয়েছে ২৩ হাজার ৩০২টি। দেশে এখন পর্যন্ত করোনার মোট নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৯৯ লাখ ১৪ হাজার ৯১৬টি। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা হয়েছে ৭২ লাখ ৮৯ হাজার ১১২টি আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা হয়েছে ২৬ লাখ ২৫ হাজার ৮০৪টি।

গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত সাত জনের মধ্যে পুরুষ তিন জন আর নারী চার জন। দেশে করোনা আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত মোট পুরুষ মারা গেলেন ১৭ হাজার ৭৩৩ জন আর নারী নয় হাজার ৯২১ জন।

স্বাস্থ্য অধিদফতর জানাচ্ছে, এদের মধ্যে সাত জনের মধ্যে ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে  রয়েছেন তিন জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে দুই জন আর ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে আছেন দুই জন। তাদের মধ্যে ঢাকা আর চট্টগ্রাম বিভাগের আছেন তিন জন করে আর রংপুর বিভাগের আছেন একজন। তাদের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে মারা গেছেন ছয় জন আর বেসরকারি হাসপাতালে মারা গেছেন একজন।

প্রসঙ্গত, মার্চ মাসের পর থেকে করোনায় দৈনিক মৃত্যু ক্রমেই বাড়তে থাকে। করোনাভাইরাসের ডেল্টা ধরনের দাপটের মধ্যে জুলাই মাসে দৈনিক মৃত্যু দুইশর ঘর ছাড়িয়ে যায়। গত আগস্ট মাসের দুই দিন ভাইরাসটিতে সর্বোচ্চ ২৮৪ জনের মৃত্যু হয়।তবে গত কিছুদিন ধরে সংক্রমণের হার কমার সঙ্গে সঙ্গে দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যাও কমছে।


আরও খবর
২৪ ঘণ্টায় করোনায় ৪ জনের মৃত‌্যু

শুক্রবার ২২ অক্টোবর ২০২১

ডেঙ্গু: আরও ১২৩ জন হাসপাতালে

শুক্রবার ২২ অক্টোবর ২০২১