আজঃ শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪
শিরোনাম

শাকিব খানের ক্যারিশমা দেখেই আসছি বিশ বছর ধরে: আসিফ

প্রকাশিত:বুধবার ২৪ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ২৪ মে ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
এস এম মনির

Image

দেশের চলচ্চিত্রের শীর্ষ নায়ক শাকিব খানকে নিয়ে যেন আলোচনা সমালোচনার কমতি নেই। অপু বিশ্বাস থেকে বুবলি, প্রযোজকের মানহানি মামলা, কোন না কোন আলোচনা নিয়ে শরব হন তিনি। তবে সব কিছুর ঊর্ধ্বে গিয়ে এবার ঈদে মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ‘লিডার আমি বাংলাদেশ’ দিয়ে তিনি আবারও প্রমাণ করলেন তিনিই এদেশের চলচ্চিত্রের বর্তমান কিং খান।  

চলমান এই আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে এবার শাকিব খানকে নিয়ে দীর্ঘ স্ট্যাটাস দিলেন বাংলা গানের যুবরাজ আসিফ আকবর। সামাজিক যোগাযোগামাধ্যমে দেওয়া এই স্ট্যাটাস নিয়ে তিনি ও তার সঙ্গে শাকিবের নানান বিষয়ে কথা বলেন। পাঠকের জন্য হুবহু তা প্রকাশ করা হলো।

দেশের শীর্ষ নায়ক শাকিব খানের ক্যারিশমা দেখেই আসছি বিশ বছর ধরে। আমাদের ক্যারিয়ার প্রায় একই সময়ে শুরু। প্লে-ব্যাক আর্টিস্ট হিসেবে শাকিব খানের লিপে বেশ কিছু গান গাওয়ার সুযোগ আমার হয়েছে। দুজনার দেখা সাক্ষাত কম হলেও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কটা সমসময়ই ছিল। এখনো মাঝে মাঝে কথা হয়, তিনি উচ্ছ্বাস নিয়েই সবসময় কথা বলেন, আমার ভাল লাগে।

আরও পড়ুন<< বিদেশ যাওয়ার অনুমতি পেলেন জ্যাকলিন

তারকাদের ব্যক্তিজীবন নিয়ে মানুষের মধ্যে একটা ফ্যান্টাসি সবসময়ই কাজ করে। এটা নতুন কোন চর্চা নয়, বরং রঙ্গীন দুনিয়ার খবরাখবরের শেল্টার নিয়ে একধরনের পরচর্চায় অনেকে নিজের অন্ধকার জগৎকে নিমিষে গুম করে ফেলেন। বিখ্যাতদের ব্যক্তিগত বিষয়গুলোই আলোচনা সমালোচনায় থাকবে, এটাই স্বাভাবিক। জৌলুষপূর্ন ভারতীয় ফিল্ম ইন্ডাষ্ট্রীর চোখ রাঙ্গানী সত্ত্বেও শাকিব খান আজও একাই সিনেমা হলে দর্শক টেনে চলেছেন। আর এজন্যই তিনি কিং খান

যশ খ্যাতি উপরওয়ালার দান, মানুষ শুধুই উপভোগ করতে পারে। একজন শাকিব খানের সিনেমা ব্যবসা করলে লাখো মানুষের পরিবার চলে, ইন্ডাস্ট্রী অক্সিজেন পায়। এদেশে মানুষের বিনোদনের সুযোগ এমনিতেই সীমিত। সোশ্যাল মিডিয়ার এলেবেলে দূরন্তপনায় ভাল মন্দ সবই ছড়িয়ে পরে দ্রুত, সেগুলো স্থায়িত্বও পায় সিজনাল জামের মত। আঁতেলদের তীর্যক পর্যবেক্ষণ পায়ে দলে বাংলা সিনেমার প্রান শাকিব খানই। এখনো শাকিব খানের লিপে গান দিতে পারলে গায়করা ক্যারিয়ারের পালে বাতাস পায়, নায়িকারা ব্রেক পায়, প্রযোজকরা লগ্নি ফেরত পাওয়ার ভরসা রাখেন, পরিচালকরা ভাল সিনেমা বানানোর স্বপ্ন দেখেন।

আরও পড়ুন<< প্রকাশ্যে নায়িকা শিরিন শিলাকে জড়িয়ে ধরে ভক্তের চুমু!

দিনশেষে তারকাদের মূল্যায়ন তার পেশাদারীত্বেই নিহিত থাকে, শো বিজের গাল গপ্পো ক্ষুদ্রতম অংশ মাত্র। এরকম একজন শাকিব খানকে বিভিন্ন প্রকার মিডিয়া বিভ্রাটে ফেলে সর্বোচ্চ আহত করা যাবে, নিঃশেষ করা অসম্ভব। আমি মনে প্রানে বিশ্বাস করি- শাকিব খান এখনো দেশের সেরা নায়ক, তার যে কোন বিকল্প ভাবা বিনা বিনিয়োগে জাস্ট টাইম পাস করা। গায়ক হিসেবে আমি শাকিব খানের একজন সহকর্মী মাত্র। আমি চাই তিনি বাংলাদেশের আনপ্যারালাল নায়ক হিসেবে মৃতপ্রায় ইন্ডাষ্ট্রীকে টেনে নিয়ে যান ক্রমোন্নতির দিকে

সবসময় শুভকামনা প্রিয় ব্রাদার শাকিব খান।

ভালবাসা অবিরাম


আরও খবর



কক্সবাজারগামী সকল ফ্লাইট বাতিল

প্রকাশিত:রবিবার ২৬ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৬ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে ঘূর্ণিঝড় রিমাল। যার কারণে কক্সবাজারগামী সকল ফ্লাইট এবং কলকাতাগামী দুটি ফ্লাইট বাতিল করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস।

শনিবার (২৫ মে) রাতে বিমানের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) বোসরা ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, আগামীকাল ২৬ মে কক্সবাজারগামী সকল ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এ ছাড়া ২৬ মের কলকাতাগামী বিজি ৩৯৫ ফ্লাইট এবং ২৭ মের বিজি ৩৯১ ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।

এদিকে ভয়ংকর রূপ নিতে শুরু করেছে ঘূর্ণিঝড় রিমাল। ধারণা করা হচ্ছে রোববার (২৬ মে) দুপুর নাগাদ অতিপ্রবল হিসেবে দেশের উপকূল অঞ্চলে আঘাত হানতে পারে ঝড়টি।

এখন পর্যন্ত ৭ নম্বর বিপৎসংকেতের কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। এ অবস্থায় উপকূলের ১৩টিসহ ১৮ জেলা রিমালের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মহিববুর রহমান।

ঘূর্ণিঝড়ে নিরাপদ থাকতে কী করবেন?

১. বাড়ির কাছাকাছি থাকা মরা গাছের ডাল ছেঁটে ফেলুন। গাছের ব্যাপারে সতর্ক থাকুন। যাতে বাড়ির ওপর এসে না পড়ে।

২. টিনের পাতলা শিট, লোহার কৌটা যেখানে সেখানে পড়ে থাকলে এক জায়গায় জড়ো করুন। না হলে ঝড়ের সময় এর থেকে বিপদ হতে পারে।

৩. কাঠের তক্তা কাছে রাখুন যাতে কাচের জানালায় সাপোর্ট দেওয়া যায়।

৪. ফোন, ল্যাপটপ ও অন্যান্য জরুরি বৈদ্যুতিক যন্ত্র আগে থেকেই চার্জ দিয়ে রাখুন।

৫. হালকা শুকনো খাবার রাখুন বড়সড় বিপদের জন্য।

৬. পর্যাপ্ত পানি মজুত রাখুন।

৭. যে ঘরটি সবচেয়ে নিরাপদ সেখানে আশ্রয় নিন।

৮. বাড়ির পোষ্য ও গবাদি পশুদেরও নিরাপদ স্থানে এনে রাখুন।

৯. বিদ্যুৎব্যবস্থা ঠিক থাকলে টিভি খবরে নজর রাখুন। না হলে রেডিও চালিয়ে রাখতে পারেন।

১০. ঝড় থামতেই বাইরে বের হবেন না। অপেক্ষা করুন কারণ ঘূর্ণিঝড় চক্রাকারে ঘোরে।


আরও খবর
নয় অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস

বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24




৫২ ডিগ্রি তাপমাত্রায় পুড়ছে পাকিস্তান

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

তীব্র তাপদাহে পুড়ছে পাকিস্তান। দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ সিন্ধের ঐতিহাসিক শহর মোহেঞ্জোদারোর তাপমাত্রা পৌঁছেছে ৫২ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।

আবহাওয়া দফতরের তথ্যানুসারে, সোমবার পাকিস্তানের দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ সিন্ধের ঐতিহাসিক শহর মোহেঞ্জোদারোর তাপমাত্রা পৌঁছেছিল ৫২ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। যা এখন পর্যন্ত এই মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা।

বর্তমানে মোহেঞ্জোদারো সিন্ধ প্রদেশের একটি ছোট শহর। আর এই শহরের আবহাওয়া প্যাটার্ন হলো গ্রীষ্মকালে ব্যাপক গরম, শীতকালে মৃদু শীত এবং নিম্ন বৃষ্টিপাত, অর্থাৎ প্রায় মরু আবহাওয়া। তবে ছোটো শহর হলেও এখনো মার্কেট, বেকারি, চায়ের দোকান, মেশিন-ইলেকট্রনিক্স মেরামতসহ বিভিন্ন দোকানে রীতিমতো সরগরম থাকে মোহেঞ্জোদারো।

এ অঞ্চলের বাসিন্দা এবং রেস্টুরেন্ট মালিক ওয়াজিদ আলী (৩২) বলেন, লোকজন পারতপক্ষে ঘর থেকে বের হচ্ছে না। ফলে গত বেশ কয়েক দিন ধরে রেস্টুরেন্টে মানুষজন আসছে না। আমরা অলস সময় পার করছি।

মোহেঞ্জোদারোর স্থানীয় চিকিৎসক মুশতাক আহমেদ বলেন, অতি গরম আবহাওয়া থেকে বাঁচতে লোকজন খুব বেশি প্রয়োজন না থাকলে বাড়ি থেকে বের হচ্ছেন না।

দেশটির প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফের জলবায়ু বিষয়ক উপদেষ্টা রুবিনা খুরশীদ আলম বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও উষ্ণতাবৃদ্ধির কারণে যেসব দেশ নিয়মিত বিভিন্ন আবহাওয়াগত দুর্যোগের শিকার হচ্ছে, সেসব দেশের তালিকায় পঞ্চম স্থানে রয়েছে পাকিস্তান।

প্রসঙ্গত, পাকিস্তানের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দৈনিক তাপমাত্রার রেকর্ড ৫৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ২০১৭ সালের দেশটির দক্ষিণপশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ বেলুচিস্তানে এই তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল।


আরও খবর



ঈদের আগে শেষ কর্মদিবসে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় যানজট

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ঈদুল আজহার আগে শেষ কর্মদিবস বৃহস্পতিবার (১৩ জুন)। বাড়ি ফেরার তাড়ায় লোকজনের ভিড়ে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। যানজটের কারণে লোকজনকে বেশ খানিকটা সময় রাস্তায় অপেক্ষা করতে হচ্ছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, রাজধানীর মহাখালী, গাবতলী, কল্যাণপুর, তেজগাঁও, সাতরাস্তা ও যাত্রাবাড়ী এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে সকাল থেকে। গন্তব্যে যেতে মানুষজনকে সীমাহীন ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

দারুস সালাম এলাকায়‌ সরেজমিন দেখা যায়,‌ ঢাকা ঢোকার প্রবেশপথে পবর্তা সিগন্যালে আটকে যাচ্ছি ঈদ যাত্রীকে নামিয়ে আসা ফিরতি বাসসহ সব পরিবহন। পর্বতা সিগন্যাল থেকে দারস সালাম মাজার রোড পর্যন্ত যানজট। দীর্ঘসময় গাড়ি আটকে থাকছে সিগন্যালের কারণে। অন্যদিকে ঈদযাত্রার বাসসহ অন্যান্য পরিবহন একইভাবে টেকনিক্যাল, মাজার রোড ক্রসিং, গাবতলী বাস টার্মিনাল হয়ে পর্বতা সিগন্যাল পার হতে সময় লাগছে অন্তত আধা ঘণ্টা।

ডিএমপি‌র ট্রাফিক মিরপুর বিভাগের দারুস সালাম জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) কাজী মাহবুব আলী বলেন, আজ ঈদের আগে শেষ কর্মদিবস। স্বাভাবিকভাবে আজ অন্যদিনের তুলনায় সড়কে গাড়ির চাপ অনেক বেশি। সকাল থেকে দারুস সালাম, মাজার রোড এলাকায় যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। ঈদযাত্রার গাড়িগুলোর চাপ রয়েছে রাস্তায়। বেলা যত গড়াচ্ছে যানজট ততই বাড়ছে। ঈদযাত্রা শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই যানজট থাকবে।

এদিকে রাজধানীর মহাখালী এলাকায় সরেজমিনে দেখা যায়, মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে শুরু করে একদিক দিয়ে যানজট পৌঁছেছে বনানী পর্যন্ত। অন্যদিক দিয়ে মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে যানজট তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকা হয়ে সাতরাস্তা পর্যন্ত পৌঁছেছে। এছাড়া মহাখালী থেকে জাহাঙ্গীর গেট হয়ে ফার্মগেট পর্যন্ত যাওয়া রাস্তায়ও যানজটের সৃষ্টি হয়েছে সকাল থেকে।

এ বিষয়ে ডিএমপির ট্রাফিক গুলশান বিভাগের মহাখালী জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) মো. রনি বলেন, আজ ঈদের আগে শেষ কর্মদিবস, যানজট হবে এটাই স্বাভাবিক। এছাড়া মহাখালীতে আন্তঃজেলা একটি বাস টার্মিনাল রয়েছে। সকাল থেকে বাস টার্মিনাল থেকে ঈদযাত্রার দূরপাল্লার গাড়িগুলো ছেড়ে যাচ্ছে। ফলে মহাখালী থেকে শুরু করে এর আশপাশ এলাকায় যানজট ছড়িয়ে পড়েছে। আমরা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কাজ করে যাচ্ছি।


আরও খবর



বেড়েছে আলু-পেঁয়াজ ও ডিমের দাম

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

আবারও বেড়েছে আলু, পেঁয়াজ ও ডিমের দাম। এছাড়াও দাম বেড়েছে কাঁচামরিচ, আদা রসুনসহ বেশ কয়েকটি পণ্যের। তবে চাল, ডাল ও আটা-ময়দার দাম আগের মতোই রয়েছে। রাজধানীর মহাখালী, মালিবাগ, সেগুনবাগিচা ও কারওয়ান বাজার ঘুরে এমন তথ্য পাওয়া যায়।

খুচরা ব্যবসায়ীদের দাবি, হিমাগার গেটে আলুর দর বেড়েছে, যার প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারে। আর ঘূর্ণিঝড়ের কারণে সরবরাহ কমে যাওয়ায় কাঁচামরিচ ও সবজির দাম বাড়তি। গরমে মুরগি মারা যাওয়ায় বেড়েছে ডিমের দাম। আর ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি কম হওয়ায় দেশি পেঁয়াজের চাহিদা বেশি বলে দর বেড়েছে।

গত বছরের মে মাসে বাড়তে শুরু করে আলুর দর। এরপর আমদানির আলু আসার পর পণ্যটির দর কিছুটা কমে। এবার মৌসুমেও আলুর দর তেমন কমেনি।

আলু ব্যবসায়ী খলিলুর রহমান বলেন, হিমাগারের গেটে পাইকারিতে প্রতি কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ৪২ টাকা দরে। এরপর পরিবহন খরচ ও ঘাটতি আছে। সব হিসাবনিকাশ করে ৫৫ টাকার কমে বেচলে লাভ থাকে না। খুচরায় প্রতি কেজি আলু বিক্রি হয় ৫০ থেকে ৬০ টাকায়।

সরবরাহে ঘাটতির অজুহাতে এক মাস ধরে কাঁচামরিচের বাজার চড়া। মানভেদে প্রতি কেজি কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে ২০০ টাকা দরে। মাসখানেক আগেও প্রতি কেজি কাঁচামরিচ বিক্রি হয় ৭০ থেকে ১০০ টাকায়। সেই হিসাবে এক মাসে দর বেড়েছে দ্বিগুণের মতো।

দাম বাড়ায় সপ্তাহখানেক আগে কাঁচামরিচ আমদানির অনুমতি দেয় সরকার। এক সপ্তাহে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে প্রায় ৩০০ টন কাঁচামরিচ আমদানিও হয়। তবে বাজারে এখনও পণ্যটির দর কমেনি।

এদিকে ডিমের বাজারও চড়া। এক সপ্তাহের ব্যবধানে ডজনে দাম বেড়েছে পাঁচ টাকা। বাজারে বেশি বেচাকেনা হয় বাদামি রঙের ডিম। খুচরায় এ ধরনের প্রতি ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকা দরে। হালি হিসাবে (৪টি) কিনতে গেলে গুনতে হচ্ছে ৫০ থেকে ৫৫ টাকা। এ ছাড়া সাদা রঙের প্রতি ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৪৫ টাকায়।

ডিমের দর বাড়ার জন্য করপোরেটদের দায়ী করছেন ছোট খামারিরা। বাংলাদেশ পোলট্রি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সুমন হাওলাদার বলেন, বড় প্রতিষ্ঠান ও ঢাকার বড় পাইকাররা সিন্ডিকেট করে ডিমের বাজার অস্থিতিশীল করছে। এতে ছোট খামারিরা হুমকির মুখে পড়েছে।

ব্যবসায়ীরা জানান, আমদানির অনুমতি থাকলেও ভারত থেকে পেঁয়াজ আসছে কম। ফলে দেশি পেঁয়াজের ওপর নির্ভরতা বেড়েছে। এতে দরও বাড়ছে। এক সপ্তাহে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে কেজিতে ১০ টাকা। খুচরা ব্যবসায়ীরা মানভেদে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি করছেন ৭০ থেকে ৮০ টাকায়।


আরও খবর



দুপুরের মধ্যে ১১ জেলায় তীব্র ঝড়ের শঙ্কা

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

দেশের ১১ জেলার ওপর দিয়ে সর্বোচ্চ ৮৯ কিলোমিটার বেগে ঝড়সহ বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা করছে আবহাওয়া অফিস। সাগর ও উপকূলীয় অঞ্চলে প্রবল ঘূর্ণিঝড় রেমাল আগামী ২-৩ ঘণ্টায় কিছুটা দুর্বল হলেও সারা দেশেই বাড়বে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ। একইসঙ্গে অস্থায়ীভাবে দমকা, ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি এবং বজ্রসহ বৃষ্টিও হতে পারে। সেজন্য দেশের নদীবন্দরগুলোর জন্য ৪ নম্বর মহাবিপদ সংকেত বহাল রেখেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেয়া এক পূর্বাভাসে এ আশঙ্কার কথা জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, ফরিদপুর, মাদারীপুর, যশোর এবং কুষ্টিয়া জেলার ওপর দিয়ে পূর্ব অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৮৯ কিলোমিটার বা তার বেশি বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। সেইসঙ্গে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। তাই এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ৪ নম্বর নৌ-মহাবিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

এদিকে, আবহাওয়া অফিসের অপর এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে সন্ধ্যা পর্যন্ত ভারি (৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটার) থেকে অতিভারি (৮৯ মিলিমিটারের বেশি) বর্ষণ হতে পারে।

ভারি বর্ষণের কারণে চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি এলাকায় কোথাও কোথাও ভূমিধসের আশঙ্কা রয়েছে।


আরও খবর
নয় অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস

বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24