আজঃ বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২
শিরোনাম

সাকিব করোনা পজেটিভ, অনিশ্চিত চট্টগ্রাম টেস্টে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১০ মে ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১০ মে ২০২২ | ৪২০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আবারও সাকিব আল হাসানকে দলে পাওয়া নিয়ে শঙ্কা জেগেছে। যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফেরার পর করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছেন তিনি।

দক্ষিণ আফ্রিকা সফর অসমাপ্ত রেখেই পরিবারের সদস্যদের অসুস্থতার কারণে দেশে ফিরে এসেছিলেন সাকিব। তারপর তিনি উড়াল দিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রে। যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফিরে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে (ডিপিএল) লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের পক্ষে কিছু ম্যাচও খেলেছিলেন তিনি। তারপর আবারও যুক্তরাষ্ট্রে পরিবারের কাছে ছুটেছিলেন সাকিব।

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে আসন্ন টেস্ট সিরিজের দলে আছেন সাকিব। ফলে এই সিরিজ খেলতে আবারও দেশে ফেরেন তিনি। রবিবার (৯ মে) দেশে আসেন সাকিব। তারপর দুই দফা করোনা পরীক্ষা করানো হয়েছে তার। দুইবারই পজিটিভ শনাক্ত হয়েছেন সাকিব। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বিসিবির নির্ভরযোগ্য সূত্র।

প্রধানমন্ত্রীর সাথে আগামীকাল (১১ মে) একটি ক্রীড়া অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার কথা ছিল এই অলরাউন্ডারের। কিন্তু করোনা পজিটিভ হওয়ায় এখন আর সেখানে যাওয়ার সম্ভাবনা নেই। বরং এখন চট্টগ্রাম টেস্টে খেলা নিয়েই তৈরি হয়েছে শঙ্কা।

আসন্ন এই সিরিজের প্রথম ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে সাগরিকা খ্যাত চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে, যে ম্যাচ শুরু হবে ১৫ মে। এই ম্যাচ শেষে দুই দল পাড়ি জমাবে রাজধানী ঢাকায়। হোম অব ক্রিকেট খ্যাত মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দুই ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট মাঠে গড়াবে ২৩ মে।


আরও খবর



রাশিয়াকে গভীরভাবে নজরদারি করছে ন্যাটো

প্রকাশিত:রবিবার ১৫ মে ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ১৫ মে ২০২২ | ২২৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাশিয়াকে গভীরভাবে নজরদারি করছে ন্যাটো। জোটের প্রধান স্টোলটেনবার্গ এই মন্তব্য করেছেন। বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, রাশিয়ার প্রতিবেশী দেশ ফিনল্যান্ড আনুষ্ঠানিকভাবে জোটের সদস্য হওয়ার জন্য আবেদন করার ঘোষণা দেওয়ার পর ন্যাটো মহাসচিব এই মন্তব্য করলেন।

এর আগে রোববার এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট এবং প্রধানমন্ত্রী পশ্চিমা সামরিক জোটের সদস্য পদের জন্য আবেদন করার ঘোষণা দেন।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ফিনল্যান্ডকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ন্যাটো জোটে যোগদান ফিনল্যান্ডের জন্য ভালো হবে না। ফিনল্যান্ডের সিদ্ধান্তকে পুতিন ভুল সিদ্ধান্ত’ বলেও মন্তব্য করেন।

এ প্রসঙ্গে ন্যাটো প্রধান বলেন, রাশিয়া কি করছে আমরা নিবিড়ভাবে তা পর্যবেক্ষণ করছি। ন্যাটো সদস্য দেশে রাশিয়া হামলা করলে জোটও প্রস্তুত রয়েছে।

ফিনল্যান্ড-সুইডেনের সম্ভাব্য সদস্যপদ ন্যাটোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ’ মন্তব্য করে তিনি বলেন, বাল্টিক অঞ্চলে কিভাবে নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দেওয়া যায় জোট সেটা দেখবে।


আরও খবর



আইসিসি র‌্যাংঙ্কিংয়ে আফগানদের পেছনে ফেলল টাইগাররা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৫ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৫ মে ২০২২ | ৩৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত ফরম্যাট তথা টি-টোয়েন্টিতে এশিয়ার সেরা দলগুলোর মধ্যে অন্যতম আফগানিস্তান। ক্রিকেটের এই উঠতি দলটি টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে দুর্দান্ত খেলে যাচ্ছে।

আফগানিস্তান নিজেদের খেলা ৯১টি টি-টোয়েন্টির মধ্যে ৬১টি ম্যাচে জয় পেয়েছে। অথচ বাংলাদেশ ১২৫ ম্যাচে জয় পেয়েছে মাত্র ৪৪টিতে। আর সবশেষ ৯১টি টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশ জয় পেয়েছে মাত্র ৩৪টিতে। যেখানে আফগানিস্তানের জয় ৯১ ম্যাচে ৬১টি। 

এশিয়ার অন্যতম সেরা দল ভারত সবশেষ ৯১ ম্যাচে জয় পেয়েছে ৬২টি ম্যাচে। পাকিস্তান সবশেষ ৯১ ম্যাচের মধ্যে জয় পেয়েছে ৬০টিতে। আর শ্রীলংকা সবশেষ ৯১ ম্যাচের মধ্যে জয় পেয়েছে মাত্র ২৮টি। সবশেষ ৯১টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচে জয়ের দিক থেকে ভারতের পরেই আছে আফাগানিস্তান, এরপর পাকিস্তান, বাংলাদেশ তারপর শ্রীলংকা।

টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ৯১ ম্যাচে জয়ের দিক থেকে আফগানিস্তান এগিয়ে থাকলেও আইসিসির সবশেষ র‌্যাংকিংয়ে আফগানদের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ। গত বছরের মে থেকে জয়ের দিক থেকে বাংলাদেশ এগিয়ে থাকায় আফগানদের পেছনে ফেলেছে টাইগাররা। আইসিসির বার্ষিক হালনাগাদে বাংলাদেশ এগিয়েছে এক ধাপ। টেস্টে আগের মতোই নবম ও ওয়ানডেতে সপ্তম স্থানে রয়েছে তারা।

আইসিসির বার্ষিক হালনাগাদ প্রকাশ করা হয় বুধবার। তিন সংস্করণে শীর্ষস্থানে কোনো পরিবর্তন আসেনি। টেস্টে আগের মতোই অস্ট্রেলিয়া, ওয়ানডেতে নিউজিল্যান্ড ও টি-টোয়েন্টিতে ভারত শীর্ষে আছে। ২০২১ সালের মে থেকে দলগুলোর পারফরম্যান্স বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে শতভাগ। আগের দুই বছরের পারফরম্যান্স বিবেচনায় এসেছে ৫০ ভাগ করে।

সবশেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে দেশের মাটিতে স্পিন মঞ্চ সাজিয়ে অস্ট্রেলিয়া (৪-১) ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে (৩-২) সিরিজ জেতে বাংলাদেশ। এর আগে জিম্বাবুয়েতে সিরিজ জেতে ২-১ ব্যবধানে। এই জয়গুলো র‌্যাংকিংয়ে উন্নতিতে বড় ভূমিকা রেখেছে।

দুই রেটিং পয়েন্ট বেড়ে বাংলাদেশের নতুন রেটিং এখন ২৩৩। আফগানিস্তান এ সময় ৬ রেটিং পয়েন্ট হারিয়েছে। ২২৬ রেটিং নিয়ে দুই ধাপ পিছিয়ে দশ নম্বরে নেমে গেছে দলটি। এক ধাপ এগিয়ে নবম স্থানে উঠেছে শ্রীলংকা, তাদের পয়েন্ট ২৩০।

শীর্ষস্থান ধরে রাখা ভারতের রেটিং পয়েন্ট আগের মতোই ২৭০। তবে দুইয়ে থাকা ইংল্যান্ডের চেয়ে ৫ পয়েন্ট এগিয়ে দলটি, ইংলিশরা চার পয়েন্ট হারিয়েছে (২৬৫)। তিন পয়েন্ট হারিয়েছে তৃতীয় স্থানে থাকা পাকিস্তান (২৬১)।

নিউজিল্যান্ডকে পেছনে ফেলেছে দক্ষিণ আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়া। ২৫০ পয়েন্ট নিয়ে কেন উইলিয়ামসনের দল রয়েছে ষষ্ঠ স্থানে। ২৫৩ পয়েন্ট নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা চতুর্থ এবং ২৫১ পয়েন্ট নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার অবস্থান পঞ্চম। ২৪০ পয়েন্ট নিয়ে বাংলাদেশের এক ধাপ ওপরে সপ্তম স্থানে রয়েছে দুইবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজ।


আরও খবর



ওয়াশিংটন টাইমসে যেসব বিষয় তুলে ধরলেন সজীব ওয়াজেদ জয়

প্রকাশিত:বুধবার ২৭ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ২৭ এপ্রিল ২০২২ | ৩৩৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মহামারীতে বিশ্বজুড়েই যখন কর্মসংস্থান হৃাস পাচ্ছে, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কমে যাচ্ছে, তখন ডিজিটালাইজেশনের সুবিধা নিয়ে বাংলাদেশ কীভাবে এগিয়ে যাচ্ছে সে বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেছেন সজীব ওয়াজেদ জয়।

লকডাউনের মধ্যে নিজস্ব অফিসের বাইরে মানুষকে বাড়িতে বসে অফিস করতে হয়েছে, আর সেই সুযোগ নিয়ে বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সাররা কীভাবে দুনিয়া দাপিয়ে বেড়াচ্ছে সে বিষয়েও বিস্তারিত উঠে এসেছে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য-প্রযুক্তি উপদেষ্টার লেখায়।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী দৈনিক ওয়াশিংটন টাইমসে মঙ্গলবার ডিজিটাল লিপস হেলস্‌ বাংলাদেশ ন্যাভিগেইট দ্য প্যানডেমিক শীর্ষক জয়ের কলামটি প্রকাশিত হয়।

কলামে সজীব ওয়াজেদ জয় লিখেছেন, কোভিড-১৯ মহামারী বিশ্বজুড়ে শ্রমবাজারকে ব্যাহত করেছে এবং এই ধারা আজও অব্যাহত রয়েছে। স্বল্পমেয়াদী ফলাফল ছিল দ্রুত ও তীব্র। লক্ষ লক্ষ মানুষকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয় এবং আরো লক্ষ লক্ষ মানুষ বাড়ি থেকে কাজ শুরু করেছিল। মহামারীর দীর্ঘমেয়াদী এই প্রভাব নিয়ে এখনো বিতর্ক হচ্ছে। কিন্তু একটা বিষয় নিশ্চিত; শ্রমের চাহিদা এবং আমাদের কাজ করার পদ্ধতি চিরতরে পরিবর্তিত হয়েছে।

অনেক সরকার এবং শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো এই ধাক্কা মানিয়ে নিতে সংগ্রাম করছে। কিন্তু বাংলাদেশের সরকারের অর্থনীতি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সেবাখাতকে আধুনিক ও ডিজিটাল করার যে পরিকল্পনা, তার মধ্যে এ বিষয়ে কিছু উত্তর মিলছে।

পেশাদার তথ্য-প্রযুক্তিবিদ জয়ের লেখায় ডিজিটাল বাংলাদেশের অগ্রগতির কথা এবং দেশের মানুষের ইন্টারনেট প্রাপ্তির সুবিধার কথা উঠে এসেছে।

সজীব ওয়াজেদ লিখেছেন, ২০০৯ সালে ডিজিটাল বাংলাদেশ উদ্যোগ বাস্তবায়ন শুরুর পর দ্রুত ইন্টারনেট অ্যাক্সেস বৃদ্ধি এবং বহুমুখী অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথ প্রশস্ত করে। সংক্ষেপে, ডিজিটাল বাংলাদেশ ইন্টারনেটের ব্যবহার ও স্মার্টফোন-ভিত্তিক প্রোগ্রামগুলির ব্যবহার ধীরে ধীরে সহজ করে তুলেছে এবং কাগজ-ভিত্তিক সরকারি পরিষেবাগুলিকে প্রতিস্থাপন করেছে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, সরকার ৮৫০০ টিরও বেশি ডিজিটাল সেন্টারের নেটওয়ার্ক তৈরি করেছে যা সর্বত্র অনলাইন পরিষেবা সরবরাহ করছে। ২০০৮ সালে এই পরিষেবাগুলির সবই ছিল সাধারণ মানুষের আওতার বাইরে। তখন মাত্র ৮ লাখ মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করতো। কিন্তু এখন বাংলাদেশে ১২ কোটিরও বেশি ইন্টারনেট ব্যবহারকারী রয়েছে। ইন্টারনেট আওতায় রয়েছে দেশের ৯৮ ভাগ অঞ্চল।

তিনি আরও লিখেছেন, ডিজিটাল বিশ্বে সফল হওয়ার জন্য বাংলাদেশ লক্ষ লক্ষ মানুষকে প্রয়োজনীয় উপকরণ দিয়ে সজ্জিত করেছে। উদাহরণস্বরূপ, সরকার ৮৬ হাজার ডিজিটাল ক্লাসরুম তৈরি করেছে এবং ১৫ লাখ শিক্ষার্থীকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে (আইসিটি) প্রশিক্ষণ দিয়েছে। ফলস্বরূপ, ২০০৮ সালের ২৫ মিলিয়ন ডলারের তথ্য প্রযুক্তি রপ্তানি ২০২১ সালের ২০০০ মিলিয়নে(২ বিলিয়ন) পৌঁছেছে।

মহামারীর মধ্যে ঘরে বসে কাজ করা এবং এই সুযোগ নিয়ে বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সারদের কাজের প্রসার বৃদ্ধি পাওয়ার বিষয়টিও তুলে ধরেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য-প্রযুক্তি উপদেষ্টা লিখেছেন, মহামারীর ফলে উত্থাপিত অনেক শ্রম ও অর্থনৈতিক বিষয়ক প্রশ্নের উত্তর মিলছে ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে। যখন বিশ্বজুড়ে অনেকেই জিজ্ঞাসা করেছিল, যখন কর্মক্ষেত্রে ব্যক্তিগত জমায়েতের জন্য বন্ধ হয়ে গেছে তখন আমি কীভাবে জীবিকা অর্জন করব? বাংলাদেশিরা তাদের বাড়িতে কম্পিউটারে কাজ করেছে এবং ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে দুরে বসেও কাজ করার সুবিধা গ্রহণ করেছে।

প্রকৃতপক্ষে, বাংলাদেশে ফ্রিল্যান্সিং বুমিং হচ্ছে। বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অনলাইন ফ্রিল্যান্সার সরবরাহকারী দেশ এখন বাংলাদেশ। সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ পরিচালিত জরিপ অনুযায়ী, বাংলাদেশে রয়েছে ৫০ হাজার ফেসবুক-ভিত্তিক উদ্যোক্তা। বাংলাদেশে প্রায় ৪৩ মিলিয়ন ফেসবুক অ্যাকাউন্ট রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের এই প্ল্যাটফর্মটি বিস্তৃত পরিসরে ব্যবসার সুযোগ সৃষ্টি করে। এটি মহামারী চলাকালীন একটি স্থিতিস্থাপক কর্মসংস্থান মডেল হিসাবেও প্রমাণিত, কারণ কাজের ধরণ অফিসে ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিতির পরিবেশ থেকে দূরে সরে গেছে।

তিনি লিখেছেন, ফ্রিল্যান্স কাজের মধ্যে রয়েছে কম্পিউটার প্রোগ্রামিং, ওয়েব ডিজাইন, ট্যাক্স প্রস্তুতি, সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশান ও মার্কেটিং। বিশ্বের আউটসোর্সিং সেবা প্রদানের জন্য এশিয়া এক নম্বর অঞ্চলে পরিণত হয়েছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়ন শুরুর পর বাংলাদেশে বিজনেস প্রসেসিং আউটসোর্সিং (বিপিও) সেক্টর সমৃদ্ধ হয়েছে। বিপিও খাত বছরে প্রায় ২৪ শতাংশ হারে বাড়ছে। ২০০৮ সালে এ খাতে প্রায় ৪ মিলিয়ন ডলারের রাজস্ব রেকর্ড করে। আজ, সেক্টরটি বছরে ৬৮ মিলিয়ন ডলার আয় করে। এর আরও ভাল দিক যে, এই খাতে ৪৫ হাজারেরও বেশি মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

জয় লিখেছেন, বাংলাদেশ সরকার তথ্য প্রযুক্তি খাতকে সহায়তা দেয় এমন নীতি তৈরি করতে কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছে। সম্প্রতি দেশে প্রায় সাড়ে ৬ লাখ স্ব-নিযুক্ত পেশাদার ফ্রিল্যান্সার আইডেন্টিফিকেশন কার্ড দেওয়া শুরু হয়েছে। আইডি দিয়ে ফ্রিল্যান্সাররা তাদের সুবিধাগুলি উপভোগ করতে পারবে, যা আগে শুধুমাত্র যারা বেতনের চাকরিতে করতেন তাদের কাছে পরিচিত ছিল। ফলস্বরূপ, ফ্রিল্যান্সাররা তাদের উদ্যোক্তা প্রচেষ্টাকে এগিয়ে নিতে ক্রেডিট কার্ড ও ব্যাংক ঋণ পেতে পারেন। এছাড়াও তাদের জন্য রয়েছে অন্যান্য প্রণোদনা, বিশেষ করে উল্লেখযোগ্য কর ছাড়ের বিষয়টি।

বাংলাদেশের প্রথম জিওস্টেশনারি কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১ ডিজিটাল কাজের গতি বাড়িয়েছে। ২০১৮ সালে চালু হওয়া স্যাটেলাইটটি বাংলাদেশের ইন্টারনেট কাভারেজ প্রত্যন্ত অঞ্চলে প্রসারিত করে, যেটির মাধ্যমে এমনকি গ্রামীণ বাংলাদেশিরাও টেলিমেডিসিন সহায়তা, ই-লার্নিং ও ই-ব্যাংকিং সেবা পেতে পারে।

তিনি লিখেছেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ এবং এটি যে নতুন ধরনের কর্মসংস্থানের সুযোগ প্রদান করে তার সুবিধা নেওয়ার জন্য বাংলাদেশের তরুণ জনসংখ্যা (প্রায় ৬৫ শতাংশ ২৫ বছরের কম বয়সী) উপযুক্ত অবস্থানে রয়েছে। বাংলাদেশে শিক্ষাব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানো হয়েছে এবং এখন বছরে ৫ লাখ ডিজিটাল কর্মী গ্র্যাজুয়েট করছে।

কোভিড-১৯-এর অর্থনৈতিক বিপর্যয় মোকাবেলায় ডিজিটাল বাংলাদেশের ফল সঠিক সময়েই পেকেছে। নতুন কর্মক্ষেত্রটি দেখতে কেমন তা নির্ধারণ করার জন্য যখন বিশ্ব চেষ্টা করছে, তখন বাংলাদেশ তার দ্রুত ডিজিটাইজেশন ও দূরবর্তী কাজের স্থানান্তরের একটি মডেল প্রদান করেছে।


আরও খবর



একসঙ্গে পুলিশের ডিআইজি হলেন স্বামী-স্ত্রী

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৩ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৩ মে ২০২২ | ৩৯০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম কমিশনার পদে কর্মরত ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা দম্পতি একসঙ্গে পদোন্নতি পেয়ে উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) হয়েছেন।

পদোন্নতি পাওয়া যুগল হলেন- ডিএমপির যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (অপারেশনস) মো. মনির হোসেন ও তার সহধর্মিনী ডিএমপির পরিবহন বিভাগের যুগ্ম পুলিশ কমিশনার শামীমা বেগম।

বুধবার (১১ মে) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে ৩২ জন পুলিশ কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দেওয়া হয়। এদের মধ্যে মনির হোসেন ১৯৯৯ সালে ১৮তম বিসিএসের মাধ্যমে ২৫ জানুয়ারি সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশ যোগদান করেন। পেশাগত জীবনে দক্ষতার পরিচয় দিয়ে তিনি ডিএমপির প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনারসহ গোপালগঞ্জ ও নড়াইল জেলার পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া তিনি পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের এআইজি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি ডিএমপির যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (অপারেশনস) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

আর শামীমা বেগম একই সালে একই বিসিএসের মাধ্যমে সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে যোগদান করেন। তিনিও পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। ডিএমপির ওমেন সাপোর্ট অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনারসহ সিআইডি এবং পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া তিনি অ্যাডিশনাল ডিআইজি হিসেবে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স ও পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার টাঙ্গাইলে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি ডিএমপির যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (পরিবহন) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

নিউজ ট্যাগ: ডিএমপি ডিআইজি

আরও খবর



শিমুলিয়ায় ফেরির অপেক্ষায় কয়েক হাজার মোটরসাইকেল

প্রকাশিত:শনিবার ৩০ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ৩০ এপ্রিল ২০২২ | ৪১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঈদকে সামনে রেখে দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ঘরমুখো মানুষ ও যানবাহনের ঢল নেমেছে মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাটে। বিশেষ করে মোটরসাইকেলে আসা যাত্রীদের উপচে পড়া ভির সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে ঘাট কর্তৃপক্ষ।

শনিবার (৩০ এপ্রিল) সকাল থেকে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার ও মাঝিকান্দি নৌরুটে পদ্মা পাড়ি দিয়ে গন্তব্যে পৌঁছতে ঘাটে আসছেন হাজার হাজার যাত্রী। মোটরসাইকেল ও যাত্রী পারাপারে হিমশিম অবস্থায় ঘাট কর্তৃপক্ষ। ফেরির পাশাপাশি লঞ্চ ও স্পিডবোট ঘাটেও যাত্রীদের প্রচণ্ড ভিড়। প্রচণ্ড গরমের মধ্যে যাত্রীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে পদ্মা পাড়ি দিতে।

ঘাট কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, যানবাহন পারাপারে একটি রো রো, দুটি মিনি রো রো, দুটি কে টাইপ ও দুটি ডাম্পসহ ১০টি ফেরি চলাচল করছে। বিপুল সংখ্যক মোটরসাইকেল রয়েছে ১নং ফেরিঘাটে। এই ঘাট দিয়ে শুধু মোটরসাইকেল যাত্রীদের পারাপার করা হচ্ছে। সকাল থেকে ছেড়ে যাওয়া ফেরি কুঞ্জলতা ও ক্যামেলিয়াসহ কয়েকটি ফেরি পারা করছে হাজার হাজার মোটরসাইকেল। এরপরও মোটরসাইকেলের চাপ কমছে না। পন্টুনের অভিমুখ থেকে পার্কিং ইয়ার্ড সড়কে শুধু মোটরসাইকেল।

অন্যদিকে স্পিডবোট ও লঞ্চঘাটেও যাত্রীদের প্রচণ্ড চাপ রয়েছে। প্রচণ্ড গরমের মধ্যে লঞ্চে গাদাগাদি ভিড়, লঞ্চঘাটের অ্যাপ্রোচ সড়ক ও সিঁড়িতে যাত্রীদের দীর্ঘ জট থামছে না।

পদ্মা সেতুর উত্তর থানার ওসি আলমগীর হোসেন আগে যাওয়ার প্রবণতার পাশাপাশি ফাঁকফোকর দিয়ে মোটরসাইকেল ঘাটে ঢুকে যাচ্ছে তার পরেও আমরা সুশৃঙ্খলভাবে পারাপারের ব্যবস্থা করছি। ঘাটে নিরাপত্তায় পর্যাপ্ত পুলিশ রয়েছে।

বিআইডব্লিউটিসি শিমুলিয়া ঘাটের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) জামাল হোসেন জানান, নৌরুটে একটি রো রো, দুটি মিনি রো রো, দুটি কেটাইপ ও দুটি ডাম্পসহ মোট ১০টি ফেরি সচল রয়েছে। কয়েক শত ব্যক্তিগত ও ছোট গাড়ি আছে। দীর্ঘ সারিতে রয়েছে চার হাজার মোটরসাইকেল।

বিআইডাব্লিউটিএ শিমুলিয়া নদী বন্দরের নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের পরিদর্শক মো. সোলেইমান বলেন, রাতে নির্ধারিত সময়ের এক ঘণ্টা আগে বন্ধ হলেও সকাল থেকে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার ও মাঝিকান্দি দুই নৌরুটে ৮৫টি লঞ্চ সচল রয়েছে। পাশাপাশি ১৫৫টি স্পিডবোট চলছে। সকাল থেকেই লঞ্চ-স্পিডবোটে যাত্রীদের চাপ রয়েছে। আমরা চেষ্টা করছি সুশৃঙ্খলভাবে যাত্রী পারাপারে। বাড়তি যাত্রীর কারণে বেগ পেতে হচ্ছে।


আরও খবর