আজঃ মঙ্গলবার ২৫ জানুয়ারী ২০২২
শিরোনাম

শামীম ওসমানের সমর্থন আমার প্রয়োজন নেই: আইভী

প্রকাশিত:সোমবার ১০ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১০ জানুয়ারী ২০২২ | ৬৪০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন (নাসিক) নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী সেলিনা হায়াৎ আইভী বলেছেন, শামীম ওসমান কীসের পক্ষে প্রচারণা করবেন জানি না, আমার জানার প্রয়োজনও নেই। আমার সমর্থন জনগণ। বিগত নির্বাচনগুলোর দিকে তাকালে দেখা যাবে, যতকিছুই হোক না কেন এখানে উৎসবমুখর পরিবেশেই নির্বাচন হয়, এবারও তাই হবে।

শামীম ওসমানকে ইঙ্গিত করে আইভী আরও বলেন, তার সমর্থন দেওয়া বা না দেওয়ায় খুব বেশি কী ডিফারেন্স হয়ে যাচ্ছে। তার সমর্থন আমার প্রয়োজন নেই। গণমাধ্যম তাকে নিয়ে সারাক্ষণ ব্যস্ত। আমি ব্যস্ত আমার জনগণকে নিয়ে।

সোমবার নগরের ২ নম্বর রেলগেটের জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, স্থানীয় সরকারের কাজগুলো সবসময়ই চলমান থাকে। তবে আমি বলতে পারি নারায়ণগঞ্জবাসী আমাকে সবসময় যে কোনো কাজে তাদের কাছে পেয়েছে। নগরবাসী আমাকে বেছে নেবে, কারণ যখন এ শহরের মানুষ একদমই কথা বলতে পারত না, ভয়ে ভীত থাকত, তখন জানি না অন্য প্রার্থী কোথায় ছিলেন। আমি আলোচিত ত্বকী হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে তৈমূর আলম খন্দকারকে একটা সমাবেশ করতে দেখিনি। এ শহরে আশিক, বুলু, চঞ্চলকে হত্যা করা হয়েছে। দেখিনি কখনও একটি প্রতিবাদ করতে।

আইভী বলেন, 'আজ তিনি (তৈমূর) যার ক্যান্ডিডেট, তার বিরুদ্ধেই তিনি বলেছিলেন, আমাকে শামীম ওসমান গুলি করেছে, আমার অফিসে গিয়ে গুলি করেছে। আমার বিরুদ্ধে তিনি অনেক কিছু বলছেন, যা উনার বলা উচিত হয়নি। আমাকে না শুধু আমার বাবাকেও উনি চেনেন। সংবাদ সন্মেলনে তিনি যে অভিযোগ এনেছেন, সেগুলো সর্ম্পূণ বেমানান। দেড় বছর ধরে শামীম ওসমান আমার বিরুদ্ধ এই গ্রাউন্ড তৈরি করেছেন। শামীম ওসমান যে কথা বলেছেন, কালকে উনি তোতাপাখির মতো সেগুলোই বলেছেন।

আইভী আরও বলেন, আমার ভোটার ফিক্সড, নারায়ণগঞ্জের মানুষ সিদ্ধান্ত নিয়ে রেখেছে কাকে ভোট দেবে। আমার জয় বড় ব্যবধানেই হবে। এখানে কেউ আমার ভোটারকে খুব বেশি প্রভাবিত করতে পারবে, তা মনে হয় না। কারণ নারায়ণগঞ্জের মানুষ খুব সচেতন। এই শহরের মানুষ প্রতিদিন যা দেখে নিজের চোখে তাই বিশ্বাস করে। আমি মনে করি আমার ভোটাররা তাদের জায়গাতেই থাকবে।


আরও খবর



বিএনপি আসুক বা না আসুক নির্বাচন হবে: কৃষিমন্ত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ০২ জানুয়ারী 2০২2 | হালনাগাদ:রবিবার ০২ জানুয়ারী 2০২2 | ৪৬০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বিএনপি আসুক বা না আসুক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে মন্তব্য করেছেন কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক। রোববার সকালে টাঙ্গাইল শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে আলোচনাসভা, চেক বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

জাতীয় সমাজসেবা দিবস উপলক্ষ্যে জেলা প্রশাসন, জেলা সমাজসেবা কার্যালয় ও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাসমূহ এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। বিএনপি নানা আন্দোলনের হুমকি দিচ্ছে। কিন্তু আন্দোলন করে, হুমকি দিয়ে সংবিধানের বিধান থেকে আমাদের সরাতে পারবে না। বিএনপি আসুক বা না আসুক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তারা নির্বাচনকে ভয় পায়, নির্বাচনে আসতে চায় না। তবে আমি আশা করি, তাদের সুমতি ফিরে আসবে। তারা নির্বাচনে অংশ নেবে এবং দেশে একটি সুন্দর ও সুষ্ঠু নির্বাচন হবে।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার এমন নির্বাচন কমিশন গঠন করবে, যার ওপর সবার আস্থা থাকবে। এ কমিশন সবার জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করবে। নির্বাচনের সময় সেনাবাহিনী, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনী, প্রশাসনসহ সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করবে নির্বাচন কমিশন। প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রীসহ কারও দায়িত্ব থাকবে না নির্বাচনের বিষয়ে। এ কমিশন স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে দেশে সুষ্ঠু,  অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের ব্যবস্থা করবে। কাজেই কোনো দল যদি নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করে, সে দায়দায়িত্ব তাদের।

মুজিববর্ষের সফলতা, ঘরেই পাবেন সব ভাতা জাতীয় সমাজসেবা দিবসের প্রতিপাদ্যের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, দেশের বয়স্ক, বিধবা, প্রতিবন্ধীসহ অসহায় অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর কল্যাণে প্রধানমন্ত্রী  ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন।

টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক মো. আতাউল গনির সভাপতিত্বে অ্যাড. জোয়াহেরুল ইসলাম এমপি, মো. ছানোয়ার হোসেন এমপি, পুলিশ সুপার সরকার মো. কায়সার, সিভিল সার্জন আফম সাহাবুদ্দিন খান, জেলা সমাজসেবার উপপরিচালক মো. শাহ আলম, পৌর মেয়র এসএম সিরাজুল হক, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী সভায় বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠান শেষে ৫০ হাজার টাকা করে ২২৭ জনকে চেক ও ২০ জনকে হুইলচেয়ার দেওয়া হয়।


আরও খবর
নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে বাস, আহত ২৫

সোমবার ২৪ জানুয়ারী ২০২২




দেশে ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ১০ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২ | ২৪০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দেশে ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে করোনায় দেশে ২৮ হাজার ১৫৪ জনের মৃত্যু হলো।

এ সময়ে নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ৬ হাজার ৬৭৬ জন।  শনাক্তের হার দাঁড়িয়েছে ২০ দশমিক ৮৮ শতাংশে। সোমবার (১৭ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। 

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম ৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ওই বছরের ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। চলতি বছরের ৫ ও ১০ আগস্ট দুদিন সর্বোচ্চ ২৬৪ জনের মৃত্যু হয়।

দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল গত বছরের ৮ মার্চ। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর গত বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সেই বছর সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছিল ৬৪ জনের।

ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ায় চলতি বছর জুন থেকে রোগীর সংখ্যা হু-হু করে বাড়তে থাকে। ২৮ জুলাই একদিনে সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ২৩০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল।

চলতি বছরের গত ৭ জুলাই প্রথমবারের মতো দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ৫ ও ১০ আগস্ট ২৬৪ জন করে মৃত্যু হয়, যা মহামারির মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু। এরপর বেশকিছু দিন ২ শতাধিক মৃত্যু হয়।


আরও খবর



নতুন বই হাতে উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরা

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০১ জানুয়ারী ২০২২ | ৪৪০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বছরের শুরুতেই নতুন বইয়ের গন্ধে উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরা। বই হাতে নিয়ে নতুন উদ্যমে পড়াশোনায় বেশি মনযোগী হতে চায় তারা। করোনার ক্ষতি পুষিয়ে জীবনের লক্ষ্যপূরণে এগিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন সবার চোখে-মুখে। নতুন বই হাতে এমন উচ্ছ্বসিতই দেখা গেছে শিক্ষার্থীদের।

করোনার কারণে এ বছরও হচ্ছে না বই বিতরণ উৎসব। তবে নতুন বছরের প্রথম দিন শনিবার (১ জানুয়ারি) স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষার্থীদের মাঝে বই বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

এবার সারাদেশে ৪ কোটি ১৭ লাখ ২৬ হাজার আট শ ৫৬ জন শিক্ষার্থীর মাঝে, ৩৪ কোটি ৭০ লাখ ২২ হাজার এক শ ৩০ কপি বই বিনামূল্যে বিতরণ করা হচ্ছে। এর মধ্যে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য ব্রেইল পাঠ্যপুস্তক ও ৫টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের মাতৃভাষায় প্রণীত পাঠ্যপুস্তক রয়েছে।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) নির্দেশনা অনুযায়ী, ষষ্ঠ শ্রেণিতে ১ থেকে ৩ জানুয়ারি, সপ্তম শ্রেণিতে ৪ থেকে ৬ জানুয়ারি, অষ্টম শ্রেণিতে ৮ থেকে ১০ জানুয়ারি এবং নবম শ্রেণিতে ১১ থেকে ১৩ জানুয়ারি শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দেওয়া হবে।

ইতোমধ্যে ১৭ কোটির বেশি বই পৌঁছে গেছে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে। অবশিষ্ট বইও শিগগিরই পৌঁছে যাবে বলে জানায় মাউশি।

১৩ দিনব্যাপী দেশজুড়ে ৪ কোটি ১৭ লাখ ২৬ হাজার ৮৫৬ জন শিক্ষার্থীকে নতুন বই দেওয়া হবে।

এর আগে বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভার্চ্যুয়ালি পাঠ্যবই বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন।


আরও খবর



চোখের জল কেন নোনতা?

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ | ৪৮৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

কান্না পাক, না পাক। চোখের জল তৈরি হবে। চোখ বন্ধ করলেই জলে ভরে যায়। না হলে যে চোখ শুকিয়ে যাবে!

তিন ধরনের অশ্রু হয়। বেসাল, ইরিট্যান্ট আর ইমোশনাল। চোখে সাধারণ অবস্থায় যে জল তৈরি হয়, তা হল বেসাল। চোখ যাতে শুকিয়ে না যায়, তার যত্ন নেয় এই জল। ইরিট্যান্ট অশ্রু তৈরি হয় হঠাৎ চোখে কোনও অস্বস্তির কারণ ঘটলে। হয়তো ধুলো ঢুকল কিংবা পেঁয়াজ কাটার সময়ে ঝাঁঝ গেল। মন খারাপ, রাগ, অভিমানে তৈরি হয় অন্য অশ্রু। ইমোশনাল। এ সময়ে জলের পরিমাণ থাকে সবচেয়ে বেশি।

বেশি কান্না পেলে চোখের জল ঠোঁটে এসে পড়েই। ফলে অশ্রুর স্বাদ কারও অজানা নয়। সকলেই বলবেন, চোখের জলের স্বাদ খানিকটা নোনতা। কিন্তু কেন? তা কেউ জানেন কি?

ল্যাকরিমাল গ্ল্যান্ড থেকে তৈরি হয় চোখের জল। জলের সঙ্গে এতে থাকে ফ্যাটি অয়েল আর ম্যুকাস। আর থাকে প্রায় দেড় হাজার রকমের প্রোটিন। ম্যুকাস চোখ শুকিয়ে যাওয়া থেকে বাঁচায়। আর তেলের উপস্থিতি আছে অন্য কারণে। চোখের জল যাতে উবে না যায় সহজে, সেই দায়িত্ব তেলের। এ সবের সঙ্গে ইমোশনাল চোখের জলে থাকে আরও একটি পদার্থ। তা হল স্ট্রেস হরমোন। সবে মিলেই চোখের জলের নোনতা স্বাদ তৈরি করে।

নিউজ ট্যাগ: চোখের জল

আরও খবর
আজ আপনার জন্মদিন হলে

সোমবার ২৪ জানুয়ারী ২০২২

আজ আপনার জন্মদিন হলে

রবিবার ২৩ জানুয়ারী ২০২২




চট্টগ্রামে ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত ৩৮ শতাংশ

প্রকাশিত:রবিবার ২৩ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৩ জানুয়ারী ২০২২ | ১৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

চট্টগ্রামে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে এক হাজার ২৬ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ৩৮.৬৪ শতাংশ। এ সময় করোনায় কেউ মারা যায়নি।

রোববার (২৩ জানুয়ারি) সকালে চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে পাঠানো প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য পাওয়া যায়।

জানা গেছে, ফৌজদারহাটস্থ বিআইটিআইডি ও নগরীর আটটি ল্যাবে সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় ২ হাজার ৬৫৫ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। নতুন শনাক্তদের মধ্যে রয়েছে শহরের বাসিন্দা ৮২২ জন ও ১৪ উপজেলার ২০৪ জন। উপজেলায় আক্রান্তদের মধ্যে সর্বোচ্চ আনোয়ারায় ৩০ জন, রাউজানে ২৭ জন, হাটহাজারীতে ১৯ জন, বোয়ালখালীতে ১৭ জন, মিরসরাই ও সাতকানিয়ায় ১৫ জন করে, সীতাকুণ্ডে ১৪ জন, রাঙ্গুনিয়া ও ফটিকছড়িতে ১৩ জন করে, লোহাগাড়া ও পটিয়ায় ১১ জন করে, চন্দনাইশে ৮ জন, বাঁশখালীতে ৭ জন এবং সন্দ্বীপে ৪ জন। কর্ণফুলী উপজেলায় সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় কোনো রোগী শনাক্ত হয়নি।

এদিকে জেলায় করোনাভাইরাসে মোট সংক্রমিতের সংখ্যা এখন ১ লাখ ১১ হাজার ১২৩ জন। এদের মধ্যে শহরের বাসিন্দা ৮১ হাজার ১৮৪ জন ও গ্রামের ২৯ হাজার ৯৩৯ জন। আর মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ৩৪৩ জনই রয়েছে।


আরও খবর