আজঃ মঙ্গলবার ২০ এপ্রিল ২০21
শিরোনাম

‘সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প ছড়ানো প্রেতাত্বাদের মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে দেয়া হবে না’

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৫ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৫ মার্চ ২০২১ | ৫৮১জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

১৯৭১ ও তার পূর্ববর্তী সময়ে সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প ছড়ানো প্রেতাত্বাদের বাংলাদেশে কোনভাবেই মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে দেয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

বৃহস্পতিবার (২৫ মার্চ) ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস উপলক্ষ্যে পিরোজপুর জেলা প্রশাসন আয়োজিত আলোচনা সভায় রাজধানীর বেইলি রোডের সরকারি বাসভবন থেকে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

এসময় তিনি বলেন, বাংলাদেশে হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সবাই একটা চমৎকার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মধ্যে আছে। এর মধ্যেও সুনামগঞ্জের শাল্লায় হিন্দু অধ্যুষিত এলাকায় আক্রমণ হয়েছে। সাম্প্রদায়িক শক্তি এবং এদের পৃষ্ঠপোষক রাজনৈতিক দল ও জোট এর পেছনে জড়িত থাকতে পারে। তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। কোনভাবেই বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশে, রাম-রহিমের বাংলাদেশে, ত্রিশ লক্ষ শহিদের বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক শক্তিকে মাথা তুলে দাঁড়াতে দেয়া হবে না। যে ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার, সে ব্যবস্থাই গ্রহণ করা হবে। কঠোরভাবে তাদের দমন করা হবে।

পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক আবু আলী মোঃ সাজ্জাদ হোসেনের সভাপতিত্বে পিরোজপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক চৌধুরী রওশন ইসলাম, সিভিল সার্জন হাসনাত ইউসুফ জাকি, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বশির আহমেদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল আহসান গাজী, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার গৌতম নারায়ণ রায় চৌধুরী, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক গোপাল বসু,  জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জাহিদ খান টিটু প্রমুখ সভায় উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী আরো বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ বর্বর পাকিস্তানী এবং এদেশীয় দোসররা নিরস্ত্র বাঙালির উপর ঝাপিয়ে পড়েছিল। রাজারবাগ পুলিশ লাইনসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নির্মম হত্যাযজ্ঞ চালায় তারা। সেজন্য ইতিহাসে ২৫ মার্চ একটা বর্বরোচিত কালো অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে। এ নির্মম ঘটনা যারা সংগঠিত করেছিল তাদের দোসর এদেশীয় একটি শ্রেণি ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর পুনর্বাসিত হয়েছিল। বাংলাদেশের রাজনীতিতে সুপ্রতিষ্ঠা পেয়েছিল। এমনকি বঙ্গবন্ধুর খুনীদের রাজনীতিতে ও সরকারে প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছিল। এভাবেই পঁচাত্তর পরবর্তী সরকারগুলো বাংলাদেশকে কার্যত পূর্ব পাকিস্তানে পরিণত করার ব্যবস্থা করেছিল।

শ ম রেজাউল করিম আরো বলেন, ২৫ মার্চ নতুন নয়। অথচ ২৫ মার্চকে গণহত্যা দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে ২০১৭ সালে। ২০১৭ সালের ১১ মার্চ শেখ হাসিনা সরকার আমলে ২৫ মার্চকে গণহত্যা দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। অতীতে কেউ এটি করেনি। কারণ ২৫ মার্চের গণহত্যার সাথে যারা জড়িত তাদের উত্তরসূরিরা বাংলাদেশের প্রশাসনে, রাষ্ট্র ক্ষমতায়, রাজনীতিতে রয়ে গেছে। এজন্য ২৫ মার্চকে আনুষ্ঠানিকভাবে অতীতের সরকারগুলো পালন করেনি। কিন্তু দৃঢ়চেতা বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা বাংলাদেশ প্রসঙ্গ আসলেই মনে করেন মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও বঙ্গবন্ধু অবিচ্ছেদ্য। কারণ বঙ্গবন্ধু চেয়েছিলেন হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানের একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ যেখানে প্রত্যেকের অধিকার থাকবে সম পর্যায়ে, ধর্মের ভিত্তিতে কাউকে ছোট করে দেখা হবে না। কেউ বঞ্চনার শিকার হবেন না। এরকম বাংলাদেশ যারা চায়নি তারা বাংলাদেশকে ধ্বংস করার জন্য বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছিল।

মন্ত্রী আরো যোগ করেন, এ মূহুর্তেও দেশে ষড়যন্ত্র চলছে। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আগমন নিয়ে বিএনপির পক্ষ থেকে বিষোদগার করা হচ্ছে। আবার এক শ্রেণির মৌলবাদিরা ভারতের প্রধানমন্ত্রী না আসার জন্য বিক্ষোভ করার ঔদ্ধত্য দেখাচ্ছে। বাংলাদেশের সুবর্ণজয়ন্তীতে বিদেশি অতিথিরা এসে বাংলাদেশকে সম্মানিত করবেন, সেক্ষেত্রেও বিএনপি বাধা দিচ্ছে। ভারতবিরোধী রাজনীতির একটা ট্রাম্পকার্ড ছুঁড়ে দেয়ার জন্য অনেকেই চেষ্টা করছেন। তারা ভুলে গেছেন বাংলাদেশে এ রাজনীতির ট্রাম্পকার্ড এখন চলে না। এ জাতীয় রাজনীতির ভন্ডামিতে মানুষ এখন বিভ্রান্ত হয় না।

ঐক্যবদ্ধভাবে দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে দেশকে সুন্দরভাবে আমাদের বিনির্মাণ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে আমাদের সকলের প্রচেষ্টা আবশ্যক। কারণ বাংলাদেশ অস্থিতিশীল থাকলে আমরা কেউ ভালো থাকবো না। এজন্য স্বাধীনতাবিরোধী ও এদের পৃষ্ঠপোষকদের বিপক্ষে অবস্থান নিতে হবে। যোগ করেন শ ম রেজাউল করিম।


আরও খবর



অব্যাহত থাকবে তাপদাহ

প্রকাশিত:সোমবার ২২ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ২২ মার্চ ২০২১ | ১২১জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
সোমবার সকাল ৯টা পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে

মৌসুমের প্রথম তাপপ্রবাহ গতকাল রবিবার থেকে শুরু হয়েছে। দ্বিতীয় দিন সোমবারেও আজ দেশের ১২টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে তাপদাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে।

সোমবার (২২ মার্চ) সকালে আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, ঢাকা, টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা, খুলনা, যশোর, কুষ্টিয়া, পটুয়াখালী, সীতাকুণ্ড ও রাঙামাটি অঞ্চলের উপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে। গতকাল দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে যশোরে ৩৭ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

সোমবার সকাল ৯টা পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

তার পরের ৩ দিনে আবহাওয়ার সামান্য পরিবর্তন হতে পারে। লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।


আরও খবর



ভাসানচর পরিদর্শনে যাচ্ছেন ১০ রাষ্ট্রদূত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০১ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০১ এপ্রিল ২০২১ | ৯৩জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে স্থানান্তর করা নিয়ে জাতিসংঘ ও পশ্চিমা দেশগুলোর দীর্ঘ বিতর্কের পর আগামী শনিবার (৩ এপ্রিল) ঢাকায় কর্মরত ১০ জন রাষ্ট্রদূত সেখানে পরিদর্শনে যাচ্ছেন।

বৃহস্পতিবার (১ এপ্রিল) এক যৌথ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন, জার্মানি, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া, তুরস্ক, জাপান, নেদারল্যান্ড ও কানাডার মিশন প্রধানরা এই সফরে থাকবেন।

সরকারের একজন কর্মকর্তা জানান, বাংলাদেশের পক্ষে পররাষ্ট্র ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের সচিব, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মিয়ানমার ও জাতিসংঘ অনুবিভাগের মহাপরিচালকরাসহ আরও কর্মকর্তা একই সময়ে সেখানে যাবেন।

যৌথ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এর আগে মার্চ মাসের ১৭ থেকে ২০ তারিখ পর্যন্ত জাতিসংঘের একটি দল দ্বীপটি পরিদর্শন করেছে। এই রাষ্ট্রগুলো রোহিঙ্গাদের জন্য তহবিল যোগান দেয়। ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের জন্য সুযোগ- সুবিধা ও সেবা সম্পর্কে সরেজমিনে গিয়ে তারা দেখবেন। এছাড়া সেখানে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের সঙ্গে তাদের কথা বলারও সুযোগ তৈরি হবে।


আরও খবর



বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত ৫

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৭ এপ্রিল ২০২১ | ১২১জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মিয়ানমারে বুধবার সামরিক অভ্যুত্থানবিরোধী বিক্ষোভে গুলি চালিয়ে পাঁচজনকে হত্যা করেছে নিরাপত্তা বাহিনী। খবর রয়টার্সের।

দেশটির উত্তরপশ্চিমাঞ্চলের কেইল শহরের এক অধিবাসী রয়টার্সকে জানান, জান্তা সরকারবিরোধী এক বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনী গুলি চালিয়েছে। ওই অধিবাসী জানান, তাকে এক প্রত্যক্ষদর্শী এ তথ্য জানিয়েছেন যিনি পাঁচটি মরদেহের ছবি তুলেছেন।

স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, সেখানে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে ও বারবার গুলির শব্দ শোনা গেছে। মিজিমা ও ইরাবতী সংবাদমাধ্যম জানায়, পাঁচজন মারা গেছেন ও কয়েকজন আহত হয়েছেন।

গত ফেব্রুয়ারিতে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী অং সান সুচির নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে ক্ষমতা দখলের পর থেকেই দেশটির সকল স্তরের জনগণ অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ শুরু করে। প্রায় প্রতিদিনই এসব বিক্ষোভে গুলি চালাচ্ছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী। এখন পর্যন্ত নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে ৫৮০ জন বিক্ষোভকারী মারা গেছেন।

মিয়ানমারের এই জনবিক্ষোভের নেতৃত্ব দিচ্ছে মূলত তরুণরাই। বিক্ষোভের আয়োজন ও প্রচারণার জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমই তাদের প্রধান মাধ্যম। জান্তা সরকার ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ও মোবাইল ডেটা সার্ভিস ব্যাপক বিঘ্নিত করার কারণে বিক্ষোভকারীদের প্রচারণার কাজ বেশ ব্যহত হচ্ছে।

ইন্টারনেটে প্রতিবন্ধকতার বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণ করে এমন একটি প্রতিষ্ঠান হলো নেটব্লকস। নেটব্লকসের প্রতিষ্ঠাতা অ্যাল্প টকার রয়টার্সকে বলেন, ফেব্রুয়ারী থেকে তথ্যের অতল গহ্বরে মিয়ানমার ধাপে ধাপে ধসে পড়েছে।

তিনি বলেন, যোগাযোগ এখন খুব বেশি রকমের সীমিত এবং অল্প কিছু মানুষ তা ব্যবহার করতে পারছে।

প্রিন্ট মিডিয়া বন্ধ থাকায় বিক্ষোভকারীরা তাদের বার্তা ছড়িয়ে দিতে এখন বিকল্প উপায় ব্যবহার করছে। তারা এ-ফোর সাইজের কাগজে দৈনিক খবরের প্যাম্ফলেট তৈরি করে তা ডিজিটালভাবে শেয়ার করার পাশাপাশি ছাপিয়েও জনগণের মধ্যে বিতরণ করছে।

নিউজ ট্যাগ: মিয়ানমার

আরও খবর



হলিউডে যাবার টিকেট পেলেন বাংলাদেশের মিথিলা

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ এপ্রিল ২০২১ | ৯৭জন দেখেছেন
এস এম মনির

Image

যুক্তরাষ্ট্রের হলিউডে অনুষ্ঠিতব্য এবারের মিস ইউনিভার্সপ্রতিযোগিতার মূল মঞ্চে ওঠার টিকিট পেলেন বাংলাদেশের মেয়ে তানজিয়া জামান মিথিলা।

শনিবার (৩ এপ্রিল) রাতে রাজধানীর রেডিসন ব্লু হোটেলে আয়োজিত গ্র্যান্ড ফিনালেতে বিজয়ী মিথিলার মাথায় মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ-২০২০-এর মুকুট পরিয়ে দেন ভারতের জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী চিত্রাঙ্গদা সিং।

আসরের প্রথম রানারআপ নির্বাচিত হয়েছেন ফারজানা ইয়াসমিন অনন্যা। দ্বিতীয় রানারআপ হয়েছেন ফারজানা আকতার এ্যানি।

এর পাশাপাশি বিশেষ যোগ্যতা অনুযায়ী পাঁচটি ভিন্ন ক্যাটাগরিতে মনোনীত হন পাঁচ প্রতিযোগী। তারা হলেন- মিস কনজেনিয়ালিটি ফারজানা ইয়াসমিন অনন্যা মিস শাইনিং স্টার আপোনা চাকমা মিস ফোটোজেনিক নিদ্রা দে মিস বডি বিউটিফুল তানজিয়া জামান মিথিলা এবং মিস ট্যালেন্টেড হিসেবে নির্বাচিত হন তৌহিদা তাসনিম তিফা।

দেশ ও দেশের বাইরে (বাংলাদেশি নাগরিক) থেকে আসা প্রতিযোগীদের মধ্য থেকে নির্বাচিত সেরা ১০ জন প্রতিযোগীর তুমুল প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে শেষ হলো মিস ইউনিভার্স ২০২০-এর বাংলাদেশ পর্ব।

গ্র্যান্ড ফিনালেতে বিচারকের আসনে নিযুক্ত ছিলেন প্রাসাদ বিদাপা (ভারত), মেহরুজ মুনির, আইরিন সমার তিলগার, গৌতম সাহা, বিদ্যা সিনহা সাহা মিম, রিয়াজ ইসলাম, সারা সুলেমান ও তাহসান রহমান খান। বিশেষ বিচারক হিসেবে ছিলেন ভারতের জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী চিত্রাঙ্গদা সিং।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশএর প্রেসিডেন্ট রফিকুল ইসলাম ডিউক, আরটিভির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ আশিক রহমান, মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ-এর ন্যাশনাল ডিরেক্টর শফিকুল ইসলাম।

মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ ২০২০-এর প্রধান রফিকুল ইসলাম ডিউক বলেন, আগামী ১৬ মে যুক্তরাষ্ট্রের হলিউডে অনুষ্ঠিতব্য মিস ইউনিভার্স ২০২০ প্রতিযোগিতার ৬৯তম মূল আসরে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ ২০২০-এর মুকুটজয়ী মিথিলা। তার প্রতি আমাদের অনেক আস্থা।

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয় মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ পর্বের প্রতিযোগিতা। এটি বাংলাদেশে দ্বিতীয় আয়োজন। এবার নিবন্ধন করেন ৯২৫৬ জনেরও বেশি প্রতিযোগী। প্রাথমিক বাছাইয়ের পরে অডিশনের জন্য ডাক পান ৫০০ জন।


আরও খবর



অ্যাপসভিত্তিক মোটরসাইকেল চালকদের সড়ক অবরোধ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০১ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০১ এপ্রিল ২০২১ | ৯৪জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

করোনা পরিস্থিতির কারণে মোটরসাইকেলে রাইড শেয়ারিং সেবা বন্ধের প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন বিভিন্ন অ্যাপসভিত্তিক মোটরসাইকেল চালকরা।

বৃহস্পতিবার (০১ এপ্রিল) বেলা পৌনে ১২টার দিকে ধানমন্ডি ২৭ নম্বরে প্রধান সড়ক বন্ধ করে অবস্থান নেন অর্ধশতাধিক মোটরসাইকেল চালক।

মোটরসাইকেল আড়াআড়ি করে রেখে ২৭ নম্বর প্রধান সড়ক বন্ধ করে দেন চালকরা। এতে পুরো সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। তীব্র যানজট সৃষ্টি হয় সড়কের দুই পাশেই। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে বিক্ষোভকারীরা রাস্তা ছেড়ে দিলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

ধানমন্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকরাম আলী জানান, করোনা পরিস্থিতি অবনতির কারণে মোটরসাইকেলে যাত্রী চলাচল বন্ধ রয়েছে। এর প্রতিবাদে রাইড শেয়ারিং অ্যাপস উবার-পাঠাওয়ের রাইডাররা রাস্তা বন্ধ করে বিক্ষোভ করছিলেন।

পরে পুলিশ তাদের বুঝিয়ে রাস্তা থেকে সরিয়ে দিলে ১০-১৫ মিনিটের মধ্যেই সড়কে আবারও যান চলাচল শুরু হয়। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলেও জানান ওসি।


আরও খবর