আজঃ মঙ্গলবার ২০ এপ্রিল ২০21
শিরোনাম

সারা দেশে নিয়োগ দেবে কাজী ফার্মস

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৬ এপ্রিল ২০২১ | ৯৬জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে কাজী ফার্মস গ্রুপ। প্রতিষ্ঠানটিতে  সিনিয়র অফিসার/এক্সিকিউটিভ পদে নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী যোগ্য প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।

পদের নাম

সিনিয়র অফিসার/ এক্সিকিউটিভ (ফিশ ফিড সেলস অ্যান্ড টেকনিক্যাল সার্ভিসেস)।

শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা

স্বীকৃত যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফিশারিজ/ মেরিন বায়োলজি বিষয়ে বিএসসি অথবা এমএসসি পাস প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। প্রার্থীর দুই থেকে তিন বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, এক্সেল ও পাওয়ার পয়েন্টে কাজের দক্ষতা থাকতে হবে। চাপের মধ্যে কাজের মানসিকতা থাকতে হবে।

কর্মস্থল : সারা দেশ (প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত)

বেতন : আলোচনা সাপেক্ষে।

আবেদন প্রক্রিয়া : প্রার্থীরা বিডিজবস অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের শেষ তারিখ : ৮ এপ্রিল, ২০২১।

সূত্র : বিডিজবস

নিউজ ট্যাগ: কাজী ফার্মস

আরও খবর



প্রতিদিন ৬ থেকে ৭ ঘণ্টার ঘুম ঝুঁকি কমাবে করোনার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩০ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ৩০ মার্চ ২০২১ | ৮১জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
যারা নিয়মিত বাইরে যান ও বেশি পরিশ্রম করেন কিন্তু ভালো ঘুম হয় না তাদের করোনা হওয়ার ঝুঁকি বেশি। গবেষণা আরও বলেছেন, রাতে একজন যতক্ষণ ঘুমাচ্ছেন

প্রতিটি মানুষের ঘুমের প্রয়োজনীয়তা বলে শেষ করা যাবে না। জীবনে বেঁচে থাকার জন্য প্রথম যে জিনিসগুলো আমাদের প্রয়োজন তার অন্যতম হচ্ছে ঘুম। ঘুমের মাধ্যমে মহামারি করোনায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও কমে যায়।

সম্প্রতি এক গবেষণায় বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনার হাত থেকে বাঁচতে নিয়ম করে ঘুমালেই হবে। ইটালি, জার্মানি, স্পেন, যুক্তরাষ্ট ও যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্যকর্মীদের নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের আটজন বিজ্ঞানী এই সমীক্ষা চালিয়েছেন।

গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নিয়মিত বাইরে যান ও বেশি পরিশ্রম করেন কিন্তু ভালো ঘুম হয় না তাদের করোনা হওয়ার ঝুঁকি বেশি। গবেষণা আরও বলেছেন, রাতে একজন যতক্ষণ ঘুমাচ্ছেন, প্রতি এক ঘণ্টা অন্তর করোনা হওয়ার আশঙ্কা ১২ শতাংশ করে কমতে থাকে।

এই গবেষণায় মোট ২ হাজার ৮৮৪ জন স্বাস্থ্যকর্মী এই সমীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। যার মধ্যে ৫৬৮ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। যারা বেশি ঘুমিয়েছেন তাদের মধ্যে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা কম ছিল।

প্রতিদিন ৬ থেকে ৭ ঘণ্টার গড় ঘুম ছাড়িয়ে যদি এক ঘণ্টা করে বাড়তি ঘুমানো যায় তাহলেই করোনার আশঙ্কা কমে যায় বলেও উল্লেখ করা হয় গবেষণায়। পর্যাপ্ত ঘুম না হলে বা কোনো কারণে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটলে জীবাণু সংক্রমণের ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়।

উল্লেখ্য, বিএমজে নিউট্রিশন প্রিভেনশন অ্যান্ড হেলথ নামের এক অনলাইন ম্যাগাজিনে এই গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে।


আরও খবর



ইরফান সেলিমকে দেয়া হাইকোর্টের জামিন স্থগিত

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ মার্চ ২০২১ | ১০২জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

এমপি হাজী সেলিমের ছেলে ইরফান সেলিমকে হাইকোর্টের দেয়া জামিন স্থগিত করেছেন চেম্বার আদালত। আগামী চার সপ্তাহের জন্য স্থগিত করা হয়েছে।

রবিবার এ বিষয়ে এক আবেদনের শুনানি করে আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি ওবায়দুল হাসান এ আদেশ দেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ মো. মোরশেদ। অপরদিকে ইরফান সেলিমের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমেদ রাজা।

এর আগে ইরফান সেলিমকে হাইকোর্টের দেয়া জামিন স্থগিত চেয়ে আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ। গত ১৮ মার্চ ইরফান সেলিমকে জামিন দেন হাইকোর্ট।

গত ২৭ জানুয়ারি নৌবাহিনীর কর্মকর্তা লে. ওয়াসিমকে মারধরের ঘটনায় হাজী সেলিমের ছেলে ইরফান সেলিমকে কেন জামিন দেয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন আদালত।

গত বছরের ২৬ অক্টোবর নৌবাহিনীর কর্মকর্তা লে. ওয়াসিমকে মারধরের ঘটনায় হাজী সেলিমের ছেলে ইরফান সেলিমসহ চারজনের বিরুদ্ধে ধানমন্ডি থানায় মারধর ও হত্যা চেষ্টা মামলা করা হয়।

পুলিশ জানায়, ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যার পর ধানমন্ডির কলাবাগান ক্রসিংয়ে নৌবাহিনীর এক কর্মকর্তার মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দিয়েছিল সংসদ সদস্য স্টিকার লাগানো হাজী সেলিমের গাড়ি। এরপর নৌবাহিনীর ওই কর্মকর্তা মোটরসাইকেল থামান এবং নিজের পরিচয় দেন। এ সময় হাজী সেলিমের গাড়ি থেকে দুইজন নেমে এসে লেফটেন্যান্ট ওয়াসিমকে মারধর করে। একপর্যায়ে ওই কর্মকর্তা আত্মরক্ষার চেষ্টা করেন। ঘটনাস্থলে লোকজন জমে গেলে সংসদ সদস্যের গাড়ি ফেলে মারধরকারীরা পালিয়ে যান। পরে পুলিশ এসে গাড়ি ও মোটরসাইকেলটি জব্দ করে থানায় নিয়ে যায়।

পুলিশ সূত্র মতে, ওই দিন গাড়িতে ইরফান সেলিম ও তার নিরাপত্তারক্ষী ছিলেন। ধানমন্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকরাম আলী মিয়া তখন বলেছিলেন, এ ঘটনায় মারধর ও হত্যা চেষ্টা মামলা হয়েছে। পরে ইফরান সেলিমকে গ্রেপ্তার করা হয়। নিম্ন আদালতে জামিন চেয়ে ব্যর্থ হয়ে হাইকোর্টে জামিন আবেদন করেন তিনি।


আরও খবর



বাসার দরজা ভেঙে অধ্যাপক তারেক শামসুর রেহমানের লাশ উদ্ধার

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১৭ এপ্রিল ২০২১ | ১১১জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
রাতে বাসায় একা ঘুমিয়ে ছিলেন অধ্যাপক রেহমান। অনেক সকাল হলেও ঘুম থেকে না ওঠায় বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়। পরে পুলিশ গিয়ে ফ্ল্যাটের দরজা ভেঙে মৃত অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করে

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড. তারেক শামসুর রেহমান মারা গেছেন। শনিবার উত্তরা অ্যাপার্টমেন্ট প্রজেক্টে নিজের ফ্ল্যাটে মৃত অবস্থায় তাকে পাওয়া যায়।  এ সময় বাসায় কেউ ছিলেন না। পুলিশ দরজা ভেঙে তার লাশ উদ্ধার করে। তার মৃত্যুর কারণ এখনও জানা যায়নি।

রাজউকের উত্তরা অ্যাপার্টমেন্ট প্রজেক্টের প্রকল্প পরিচালক মো. মোজাফফর আহমেদ তাঁর মৃত্যুর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

জানা গেছে, রাতে বাসায় একা ঘুমিয়ে ছিলেন অধ্যাপক রেহমান। অনেক সকাল হলেও ঘুম থেকে না ওঠায় বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়। পরে পুলিশ গিয়ে ফ্ল্যাটের দরজা ভেঙে মৃত অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করে।

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সাবেক সদস্য তারেক শামসুর রেহমান জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ও বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান ছিলেন। আন্তর্জাতিক রাজনীতি, আন্তঃরাষ্ট্রীয় সম্পর্ক ও বৈদেশিক নীতি এবং তুলনামূলক রাজনীতি নিয়ে তার একাধিক গ্রন্থ রয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রির অধিকারী অধ্যাপক রেহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স ও মাস্টার্স ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। অধ্যাপনার পাশাপাশি ড. রেহমান নিয়মিত কলাম লিখতেন। প্রায় প্রতিটি জাতীয় দৈনিকে তার কলাম নিয়মিত ছাপা হতো।

তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে- ইরাক যুদ্ধ পরবর্তী আন্তর্জাতিক রাজনীতি, গণতন্ত্রের শত্রু-মিত্র, নয়া বিশ্বব্যবস্থা ও আন্তর্জাতিক রাজনীতি, বিশ্ব রাজনীতির চালচিত্র, উপআঞ্চলিক জোট, ট্রানজিট ইস্যু ও গ্যাস রফতানি প্রসঙ্গ, বাংলাদেশঃ রাষ্ট্র ও রাজনীতি, বাংলাদেশঃ রাজনীতির ২৫ বছর, বাংলাদেশঃ রাজনীতির চার দশক, গঙ্গার পানি চুক্তিঃ প্রেক্ষিত ও সম্ভাবনা, সোভিয়েত-বালাদেশ সম্পর্ক, বিশ্ব রাজনীতির ১০০ বছর ইত্যাদি।


আরও খবর



নিজ গ্রামে জমি বেচে মসজিদ গড়েছেন নায়ক আলমগীর

প্রকাশিত:শনিবার ০৩ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ০৩ এপ্রিল ২০২১ | ১৭১জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে গোপালপুরের সন্তান নায়ক আলমগীরকে কোনোদিন দেখেননি তার এলাকার নতুন প্রজন্মের কেউ। তারা শুধু টিভিতেই দেখেছেন নায়ক আলমগীরকে। মুরুব্বীদের মুখে শুনেছেন আলমগীরের পরিবারের কথা।

শুক্রবার (২ এপ্রিল) সরেজমিনে নবীনগরের গোপালপুরে আলমগীরের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, তার বাড়িতে ঢুকতে পারে না কোনো গাড়ি। স্থানীয়দের বাড়িঘরের ভেতর দিয়ে পায়ে হেঁটে যেতে হয় তার বাড়িতে।

সেখানে গিয়ে দেখা যায় নেই কোনো বসতঘর। একেবারে খালি জায়গার পাশে রয়েছে একটি একতলা ভবন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, একতলা ভবনটি নায়ক আলমগীরের চাচাতো ভাইদের।

আলমগীরের জায়গার পাশের বাড়ির রাবিয়া খাতুন নামের এক বৃদ্ধা বলেন, নায়ক আলমগীররা তিন ভাই ও দুই বোন। বড় এক বোনের পরই আলমগীর। ভাইদের মধ্যে আলমগীরই বেঁচে আছেন, বাকি দুই ভাই মারা গেছেন।

তিনি আরও বলেন, নায়ক আলমগীরের চাচা-চাচাতো ভাইয়েরা ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা। মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজাকারেরা তাদের ৮ চালা বিশাল ঘরে আগুন জ্বালিয়ে দেন। সেই ঘরটি আর পুনর্নির্মাণ করেননি কেউ৷ পড়ে রয়েছে একেবারে খালি জায়গা।

ওই ঘটনার পর আলমগীরের পরিবারের সদস্যরা রাজধানীতে চলে যান। দীর্ঘদিন আগে তিনি এসেছিলেন গ্রামের বাড়ি দেখতে। তখন তিনি পৈতৃক ৯০ শতাশকোনি জমি বিক্রয় করে স্থানীয় বাজারে মসজিদ নির্মাণ করে দিয়ে গেছেন।

সম্পর্কে আলমগীরের ভাতিজা খায়েশ মিয়া বলেন, আলমগীর কাকা প্রতিবছর ঈদে এলাকার বাড়ি বাড়ি অর্থ সহায়তা পাঠান। এখানেতো তাদের খালি জায়গা ছাড়া কিছুই নেই। তাদের পরিবারটি ছিল খাঁটি মুক্তিযোদ্ধার পরিবার। মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজাকাররা তাদের বাড়ি আগুনে পুড়িয়ে দিয়েছিল। এরপর তারা ঢাকায় স্থায়ী হয়ে যান। সর্বশেষ তিনি যখন এসেছিলেন, স্থানীয় বাজারের একটি মসজিদ তৈরি করে গেছেন।

গোপালপুর বাজারের মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দুজ্জামান বলেন, ২০০২ সালে নায়ক আলমগীর নিজস্ব অর্থায়ণে বাজারের মসজিদটি দুইতলা করে গেছেন। তিনি এলাকায় না আসলেও কিছুদিন আগে ৫০ হাজার টাকা সহায়তা পাঠিয়েছেন। এলাকাবাসীর খোঁজ খবর নেন। গ্রামের কেউ ফোন দিলে তিনি কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, উনার বাবা প্রথম শ্রেণির ঠিকাদার ছিলেন। মসজিদ মাদরাসার প্রতি আগ্রহ বেশি ছিল তার। মুক্তিযুদ্ধের আগেই তাদের বাড়িতে একটি মক্তব ছিল। আমরা সেই মক্তবে পড়েছি। রাজাকাররা তাদের ৮ চালা টিনের ঘরটিতে আগুন জ্বালিয়ে দেয়। সেই জায়গায় কিছু না করায় একেবারে খালি পড়ে রয়েছে। আলমগীর সাহেব তার গ্রামের খালি জায়গায় বাড়ির কাজ শুরু করবেন বলে জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ২০০১ সালে নায়ক আলমগীর নবীনগর আসন থেকে এমপি নির্বাচন করতে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। দলীয় অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক কোন্দলের কারণে রাজনীতির প্রতি তিনি আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন।

নিউজ ট্যাগ: নায়ক আলমগীর

আরও খবর



করোনার নতুন ধরন দ্রুত ছড়াচ্ছে

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ এপ্রিল ২০২১ | ১২৩জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
অনেকে আক্রান্ত হলেও প্রথমে বুঝতে পারছে না। লাঞ্চ ইনফেকশন হওয়ার পর বুঝতে পারছে যে, করোনা হয়েছে। বিশেষজ্ঞ চিকিত্সকরা বলেন, বাঁচতে হলে স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে

দেশে করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় যে ঢেউ চলছে, সেটা লন্ডন ভ্যারিয়েন্ট (করোনার নতুন ধরন)। এ কারণে করোনা ভাইরাস দ্রুত ছড়াচ্ছে। অনেকে আক্রান্ত হলেও প্রথমে বুঝতে পারছে না। লাঞ্চ ইনফেকশন হওয়ার পর বুঝতে পারছে যে, করোনা হয়েছে। বিশেষজ্ঞ চিকিত্সকরা বলেন, বাঁচতে হলে স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে। করোনা থেকে রক্ষা পাওয়ার এটিই একমাত্র উপায়।

এদিকে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে শনিবার (৩ এপ্রিল) একদিনে আরো ৫৮ জনের মৃত্যু হয়েছে, নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে আরো ৫ হাজার ৬৮৩ জন। শনিবার বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত এক দিনে মারা যাওয়া ৫৮ জনকে নিয়ে দেশে করোনা ভাইরাসে মোট ৯ হাজার ২১৩ জনের মৃত্যু হলো। আর নতুন রোগীদের নিয়ে দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৬ লাখ ৩০ হাজার ২৭৭ জন হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে বাসা ও হাসপাতালে চিকিত্সাধীন আরো ২ হাজার ৩৬৪ জন রোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন গত এক দিনে। তাতে এ পর্যন্ত সুস্থ রোগীর মোট সংখ্যা বেড়ে ৫ লাখ ৪৯ হাজার ৭৭৫ জন হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে মোট ২২৭টি ল্যাবে ২৪ হাজার ৫৪৮টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এ পর্যন্ত পরীক্ষা হয়েছে ৪৭ লাখ ৫২ হাজার ৬৬১টি নমুনা। ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার ২৩ দশমিক ১৫ শতাংশ, এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ২৬ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৭ দশমিক ২৩ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৪৬ শতাংশ। সরকারি ব্যবস্থাপনায় এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৩৫ লাখ ৮৮ হাজার ৭৬টি।

আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হয়েছে ১১ লাখ ৬৪ হাজার ৫৮৫টি। গত এক দিনে যারা মারা গেছেন, তাদের মধ্যে ৩৮ জন পুরুষ আর নারী ২০ জন। তাদের প্রত্যেকেই হাসপাতালে মারা গেছেন। তাদের মধ্যে ৩৪ জনের বয়স ছিল ৬০ বছরের বেশি, ১৬ জনের বয়স ৫১ থেকে ৬০ বছর, চার জনের বয়স ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে এবং চার জনের বয়স ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ছিল। মৃতদের মধ্যে ৩৯ জন ঢাকা বিভাগের, ১২ জন চট্টগ্রাম বিভাগের, তিন জন খুলনা বিভাগের, দুই জন বরিশাল বিভাগের এবং এক জন করে মোট দুই জন রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগের বাসিন্দা ছিলেন।

দেশে এ পর্যন্ত মারা যাওয়া ৯ হাজার ২১৩ জনের মধ্যে ৬ হাজার ৯২৫ জনই পুরুষ এবং ২ হাজার ২৮৮ জন নারী। তাদের মধ্যে ৫ হাজার ১৫৬ জনের বয়স ছিল ৬০ বছরের বেশি। এছাড়াও ২ হাজার ২৭৫ জনের বয়স ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে, ১ হাজার ৩৮ জনের বয়স ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে, ৪৫৯ জনের বয়স ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে, ১৮০ জনের বয়স ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে, ৬৭ জনের বয়স ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে এবং ৩৮ জনের বয়স ছিল ১০ বছরের কম। এর মধ্যে ৫ হাজার ২৬৭ জন ঢাকা বিভাগের, ১ হাজার ৬৬৪ জন চট্টগ্রাম বিভাগের, ৫০৮ জন রাজশাহী বিভাগের, ৫৯২ জন খুলনা বিভাগের, ২৭৬ জন বরিশাল বিভাগের, ৩২৭ জন সিলেট বিভাগের, ৩৭৭ জন রংপুর বিভাগের এবং ২০২ জন ময়মনসিংহ বিভাগের বাসিন্দা ছিলেন।

নিউজ ট্যাগ: করোনাভাইরাস

আরও খবর