আজঃ সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

সারাদেশে ওসিদের বদলির সিদ্ধান্তের কারণ জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ০৩ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ ডিসেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রভাবিত হতে পারে ভেবে নির্বাচন কমিশন ওসিদের রদবদলের সিদ্ধান্ত নিতে পারে বলে মনে করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান।

তিনি বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার মনে করেছেন যারা দীর্ঘদিন ধরে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আছেন, তারা হয়তো কারও প্রতি প্রভাবিত হতে পারেন। এটা নির্বাচন কমিশনের বিবেচনা। আমার কিন্তু নয়, তাদের কথা। সেজন্যই তারা ওসিদেরকে বদলির কথা বলেছেন।

রোববার (৩ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে মুজিব: একটি জাতির রূপকার চলচ্চিত্রের বিশেষ প্রদর্শনী শেষে এসব কথা বলেন তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নির্বাচন কমিশন একটি স্বাধীন সংস্থা। নির্বাচনের কার্যকলাপ শুরু হওয়ার পর আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী থেকে শুরু করে সবকিছুই ইসির ওপরে ন্যস্ত থাকে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার মনে করেছেন দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন করতে হলে যারা দীর্ঘদিন ধরে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিসেবে আছেন, তারা হয়তো কারও প্রতি প্রভাবিত হতে পারেন। এটা নির্বাচন কমিশনের বিবেচনা, আমার কিন্তু নয়।

তিনি বলেন, তাদের কথা, সেজন্যই তারা ওসিদের বদলির কথা বলেছেন। নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ওসিরা যথারীতি বদলি হবেন।

আসাদুজ্জামান খান বলেন, বিএনপি- জামায়াত অবরোধ-হরতাল কর্মসূচির নামে অগ্নিসংযোগ ও নাশকতা করছে। তাদের ধরতে কাজ করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। নাশকতাকারীদের ধরিয়ে দিতে সাধারণ মানুষকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানাই।

তিনি বলেন, বিএনপি বুঝে ফেলেছে নির্বাচনে আর আসতে পারবে না। নির্বাচনকে ভয় পায় বলেই বিএনপি নাশকতা ও অগ্নিসংযোগ করছে। নাশকতাকারীদের কাছ থেকে মানুষ মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে বলেই নির্বাচনে যেতে ভয় পায় বিএনপি।


আরও খবর



মিয়ানমারে তরুণ-তরুণীদের সেনাবাহিনীতে যোগদান বাধ্যতামূলক করল জান্তা

প্রকাশিত:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

মিয়ানমারের রাষ্ট্র পরিচালিত গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সী সব পুরুষ ও ১৮ থেকে ২৭ বছর বয়সী সব নারীকে অবশ্যই সর্বোচ্চ দুই বছর সামরিক বাহিনীতে কাজ করতে হবে।

মিয়ানমারের সামরিক জান্তা সরকার দেশটির তরুণ-তরুণীদের সামরিক কার্যক্রমে যোগদান বাধ্যতামূলক করেছে। সম্প্রতি দেশটির বিভিন্ন অংশে জাতিগত সশস্ত্র বিদ্রোহীদের সঙ্গে লড়াইয়ে চাপে পড়েছে সরকারি বাহিনী। এরই মধ্যে গতকাল শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) এ ঘোষণা এল।

মিয়ানমারের রাষ্ট্র পরিচালিত গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সী সব পুরুষ ও ১৮ থেকে ২৭ বছর বয়সী সব নারীকে অবশ্যই সর্বোচ্চ দুই বছর সামরিক বাহিনীতে কাজ করতে হবে। আর চিকিৎসক ও বিভিন্ন বিষয়ের বিশেষজ্ঞ যাদের বয়স ৪৫ বছর বয়সের মধ্যে, তাদের অবশ্যই তিন বছর কাজ করতে হবে। রাষ্ট্রের জরুরি অবস্থা বিবেচনায় এই সময়সীমা পাঁচ বছর পর্যন্ত বাড়ানো হতে পারে।

২০২১ সালের ১ ফেব্রুয়ারি এক অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে মিয়ানমারের শাসন ক্ষমতা দখল করে দেশটির সামরিক বাহিনী। এর পর থেকে দেশটিতে বিশৃঙ্খলা লেগেই আছে।

গত বছরের অক্টোবর থেকে জাতিগত সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠীর জোট থ্রি ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্সের সঙ্গে সংঘাতে লিপ্ত রয়েছে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। বিদ্রোহীদের পাশাপাশি গণতন্ত্রপন্থী যোদ্ধারাও তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র হাতে তুলে নিয়েছে। এ সংঘাতে বহু ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছে সেনাবাহিনী। বহু সেনাসদস্য প্রাণও হারিয়েছেন। অনেকে প্রাণ বাঁচাতে পার্শ্ববর্তী দেশে সেনাসদস্যদের পালিয়ে যাওয়া এবং বিদ্রোহীদের কাছে আত্মসমর্পণের মতো ঘটনাও ঘটেছে।

১৯৬২ সালে প্রথমবারের মতো ক্ষমতায় আসে মিয়ানমারের সরকারি বাহিনী। এর পর থেকে এটিই তাদের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকরা বলেছেন, সরকারি বাহিনী নতুন করে সৈন্য নিয়োগ দিতে এক প্রকার চাপে পড়েছে। তারা যুদ্ধের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা নেই এমন সেনাদেরও সম্মুখ লড়াইয়ের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

জান্তার মুখপাত্র জ মিন তুন রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমকে বলেন, 'জাতির নিরাপত্তা ও সুরক্ষার জন্য সৈন্যদের পাশাপাশি সব নাগরিকের মধ্যে দায়িত্ব ছড়িয়ে দিতে হবে। তাই আমি সবাইকে বলতে চাই, তারা যেন গর্বের সঙ্গে জনগণের সামরিক পরিষেবা আইন অনুসরণ করে।'

বাধ্যতামূলক সেনা নিয়োগের এই আইনটি ২০১০ সালে প্রণয়ন করা হয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত তা কার্যকর করা হয়নি। যারা এ আইন লঙ্ঘন করবে তাদের সর্বোচ পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।


আরও খবর



টাঙ্গাইলের শাড়িকে ভারতের শাড়ি দাবি করার প্রতিবাদে মানববন্ধন

প্রকাশিত:শনিবার ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

Image

টাঙ্গাইলে তাঁতের শাড়িকে ভারতের পণ্য দাবি করার প্রতিবাদে এবং বাংলাদেশের পণ্য হিসেবে জিআই স্বীকৃতির দাবিতে মানববন্ধন হয়েছে। শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকালে টাঙ্গাইল প্রেস ক্লাবের সামনে সচেতন নাগরিক সমাজের উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

গেল বৃহস্পতিবার ভারতের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ে ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে টাঙ্গাইলের শাড়িকে নিজেদের পণ্য বলে দাবি করে। এতে বলা হয়, পশ্চিমবঙ্গে উৎপাদিত হাতে তৈরি টাঙ্গাইল শাড়ি অনন্য। মসৃণ টেক্সচার, প্রাণবন্ত রঙ এবং জামদানি মোটিফের জন্য বিখ্যাত শাড়িটি এ অঞ্চলের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতীক।

এ পোস্টটি দ্রুত বাংলাদেশি নেটিজেনদের মধ্যে ছড়ি পড়ে। মন্তব্য অংশে অনেকে লিখেছেন, টাঙ্গাইল শব্দটির উৎপত্তিই তো বাংলাদেশের টাঙ্গাইল জেলার নামানুসারে। অবার কেউ কেউ বলছেন, শাড়ির নামের ক্ষেত্রে ভারত ভুল করে থাকতে পারে। বিষয়টিকে সাংস্কৃতিক আধিপত্য বিস্তারের দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন অনেকে।

টাঙ্গাইলে মানবন্ধনে শিশুদের জন্য ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠাতা মুঈদ হাসান বলেন, বাংলাদেশের বিখ্যাত টাঙ্গাইল শাড়ি। এই  শাড়ির স্বীকৃতি ভারত কখনই পেতে পারে না। ভারতের এ দাবি অযৌক্তিক। এ বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নেয়া উচিত। আমরা এর প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এই শাড়ির জিআই পাওয়ার দাবিদার হচ্ছে বাংলাদেশ। আমরা সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি যাতে দ্রুত টাঙ্গাইলের শাড়িকে জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

টাঙ্গাইল শাড়ি মালিক সমিতির সভাপতি রঘুনাথ বসাক বলেন, টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী তাঁত শিল্পকে সম্প্রতি ভারত তাদের নিজস্ব পণ্য দাবি করে জিআই স্বত্ব করে নিয়েছে। আমরা এই জিআই কখনও মানব না। সরকারকে বলব, যে কোনো মূল্যে নিজেদের নামে টাঙ্গাইলের শাড়ির জিআই করতে। অন্যথায় টাঙ্গাইলের শাড়ি ব্যবসায়ীরা কঠোর আন্দোলনে যাবে।

টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক কায়সারুল ইসলাম জানান, ভারত ২০২০ সালে জিআই আবেদন করে। আর টাঙ্গাইল শাড়ির ব্র্যান্ডিং করা হয়েছে ২০১৭ সালে। এটি টাঙ্গাইলের ঐতিহ্য। গত মঙ্গলবার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এই তাঁত শাড়ি জিআই পণ্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্যে সভা অনুষ্ঠিত হয়। টাঙ্গাইল শাড়ি জিআই করতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।


আরও খবর
ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




সর্বোচ্চ বেতন পেতে যে আট দক্ষতার দরকার

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জীবন ধারা ডেস্ক

Image

কর্মজীবনকে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আয় বাড়ানোর দিকেও নজর দিতে হবে। কিন্তু চলতি বছর আয় বাড়ানোর চিন্তা করতে হলে নতুন নতুন দক্ষতা অর্জন করতে হবে। কারণ, চাকরির বাজার ও শিল্প নিয়মিত পরিবর্তিত হচ্ছে এবং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পূরণের জন্য নতুন নতুন কাজের সৃষ্টি হচ্ছে। এ জন্য দরকার নতুন দক্ষতা অর্জন করা।

২০২৪ সালে প্রতিযোগিতামূলক অগ্রগতির জন্য অন্তত আটটি দক্ষতা অর্জন করতে হবে। মার্কিন সাময়িকী ফোর্বস’–এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বলা হয়েছে, অন্তত আটটি দক্ষতা অর্জন করতে পারলে এই বছর সর্বোচ্চ বেতন ও নিরাপদ পদোন্নতির সম্ভাবনা অনেক।

১. ডেটা অ্যানালাইসিস : তথ্য বিশ্লেষণের দক্ষতা নেতৃত্বের ভূমিকাসহ বিভিন্ন পরিস্থিতিতে কর্মজীবনে কাজে আসে। চলতি বছর আপনি তথ্য বিশ্লেষণের দক্ষতা বাড়িয়ে ডেটা বিশ্লেষক হতে পারেন। এই দক্ষতা মূল সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী হতে সহায়তা করে।

২. প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট : বিশ্বব্যাপী একাধিক শিল্পের চাহিদাসম্পন্ন আরেকটি দক্ষতা হলো প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট। প্রকল্প পরিচালকদের চাহিদা ২০৩২ সাল পর্যন্ত আগামী আট বছরের জন্য ৬ শতাংশ বাড়ছে। এর মধ্যে পুঙ্খানুপুঙ্খ সাংগঠনিক ও পদ্ধতিগত দক্ষতা, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, সম্পর্কনির্মাণ দক্ষতা ও শক্তিশালী দল ব্যবস্থাপনা, সহযোগিতা এবং যোগাযোগের দক্ষতা অন্তর্ভুক্ত।

৩. ইউএক্স বা ইউআই : প্রযুক্তির এই যুগে প্রযুক্তি ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা, মোবাইল ও ওয়েব অ্যাপস এবং এসব পণ্যের ব্যবহারকারী ইন্টারফেস ডিজাইন করা বর্তমান সময়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই কাজের জন্য ইউএক্স বা ইউআইয়ের দক্ষতা বাড়াতে হবে। স্ট্যাটিস্টার তথ্য অনুসারে, ২০২৩ সালের অক্টোবর প্রায় ৫ দশমিক ৩ বিলিয়ন মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করেছেন। তাই এই দক্ষতা অর্জন করলে গ্রাহক, সরকারিবেসরকারি খাতের প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ নানা খাতে উচ্চ বেতনের সম্ভাবনা বাড়বে।

৪. ডিজিটাল মার্কেটিং : ডিজিটাল মার্কেটিংও ইউএক্স বা ইউআই দক্ষতার মতোই। এই দক্ষতা অনলাইন অভিজ্ঞতার ওপর ফোকাস করে এবং সম্ভাব্য গ্রাহকদের মনোযোগ আকর্ষণ করে, যাতে তাঁরা পণ্য বা পরিষেবার সঙ্গে জড়িত থাকেন। যদি ভিডিও সম্পাদনা, গ্রাফিক ডিজাইন, সোশ্যাল মিডিয়া, প্রভাবশালী বিপণন পছন্দ করেন বা ব্লগের জন্য কনটেন্ট লেখার অভিজ্ঞতা থাকে, তাহলে বুঝতে হবে আপনার ডিজিটাল বিপণন দক্ষতা রয়েছে। ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্স করে নিজের দক্ষতা আরও বাড়িয়ে তুলতে হবে।

৫. এআই (আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স) : বর্তমান সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই বিষয়ে দক্ষতা ছাড়া কর্মক্ষেত্রে উন্নতি করা কষ্টসাধ্য হবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা একটি শক্তিশালী প্রযুক্তি, যা প্রায় সারা বিশ্বের প্রতিটি শিল্প বা সংস্থায় সংযোজন করা হচ্ছে। ম্যাককিনসে অ্যান্ড কোম্পানির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই খাতে ২ দশমিক ৬ ট্রিলিয়ন থেকে ৪ দশমিক ৬ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার পর্যন্ত পূর্বাভাস করা অর্থনৈতিক উন্নতিসহ অনেক সম্ভাবনা রয়েছে।

এআই দক্ষতা শেখার অর্থ এই নয় যে মেশিন লার্নিং ইঞ্জিনিয়ার বা এআই বিজ্ঞানী হওয়ার জন্য বছরের পর বছর পড়াশোনা করতে হবে; বরং নির্দিষ্ট কাজের প্রেক্ষাপটে নিজেকে এবং এআইয়ের আধুনিক ব্যবহারগুলো জেনে রাখতে হবে। এতে নিজের কাজের গুণমান ও আউটপুট বাড়বে এবং কাজের সময় কমবে। এই দক্ষতা ব্যবসায়িকভাবে সফল করতে পারে এবং ক্যারিয়ারের লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করতে পারে।

৬. নেতৃত্ব : নেতৃত্বের দক্ষতা একটি বিস্তৃত বিষয়, যা অন্যান্য দক্ষতার সঙ্গে বিশ্লেষণাত্মক চিন্তা, কৌতূহল, আজীবন শিক্ষা, পিপল ম্যানেজমেন্ট, স্থিতিস্থাপকতা, প্রেরণা ও আত্মসচেতনতার মতো বিভিন্ন দক্ষতাকে অন্তর্ভুক্ত করে। এসব দক্ষতাকে গত বছর ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের চাকরির ভবিষ্যৎ প্রতিবেদনে উচ্চ স্থান দেওয়া হয়েছে। এই দক্ষতাগুলোকে উত্থানশীল দক্ষতা হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এ কারণে চলতি বছর এসব দক্ষতার ওপর বেশ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তাই এ বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করলে কর্মজীবনকে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি আয় বাড়ারও অনেক সম্ভাবনা আছে।

৭. ওয়েব ডেভেলপমেন্ট : অন্যান্য অনলাইন দক্ষতার পাশাপাশি নিয়োগকর্তাদের ওয়েব ডেভেলপমেন্টের দক্ষতাও প্রয়োজন। ইউএস ব্যুরো অব লেবার স্ট্যাটিস্টিকস আগামী কয়েক বছরে এই কাজের চাহিদা ১৬ শতাংশ বাড়ানোর প্রকল্প হাতে নিয়েছে। অনলাইন কোর্স, বুটক্যাম্প ও কম্পিউটার সায়েন্সে ডিগ্রি নেওয়ার মাধ্যমে ওয়েব ডেভেলপমেন্টের দক্ষতা অর্জন করা সম্ভব।

৮. সেলস : আপনার যদি দৃঢ় আন্তব্যক্তিক, সম্পর্ক-নির্মাণের দক্ষতা ও বহির্গামী ব্যক্তিত্ব থাকে, তাহলে সেলস ক্যারিয়ারের জন্য দক্ষতা অর্জন করা আপনার জন্য সহজ হবে। এই দক্ষতা বিকাশের মাধ্যমে আয় বাড়ার সম্ভাবনা সীমাহীন। কারণ, এই পেশাদাররা কেবল কমিশনই অর্জন করেন না, এ ক্ষেত্রে নেতৃত্ব ও বিভাগের পরিচালনার মাধ্যমে উচ্চ বেতনের পদের দিকে এগিয়ে যান।

অনেক অনলাইন প্ল্যাটফর্ম এ ক্ষেত্রে দক্ষতা অর্জনের কোর্স করায়। এসব কোর্স করে নিজের দক্ষতাকে আরও তীক্ষ্ণ করে তুলতে পারেন।

নিউজ ট্যাগ: কর্মজীবন

আরও খবর
নারীর জন্য প্রয়োজনীয় পাঁচ ভিটামিন

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

২৩ ফেব্রুয়ারি : ইতিহাসে আজকের এই দিনে

শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




৪৬তম বিসিএসের প্রিলিমিনারির প্রবেশপত্র ডাউনলোড শুরু

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

৪৬তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা গ্রহণের জন্য প্রাথমিকভাবে ২৬ এপ্রিল ঠিক করা হয়েছে। প্রিলি পরীক্ষা উপলক্ষে প্রবেশপত্র প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)।

শুক্রবার প্রবেশপত্র ডাউনলোড শুরু হয়েছে। আবেদনকারী প্রার্থীরা পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য ওয়েবসাইটে আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে পারবেন।

পিএসসির এক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বলেন, কমিশনের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত অনুসারে আগামী ২৬ এপ্রিল ৪৬তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা হতে পারে। তবে এটি এখনো নিশ্চিত নয়। কারণ পরীক্ষা গ্রহণের সঙ্গে যুক্ত অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মতামত নেওয়ার বিষয় রয়েছে। ২৬ এপ্রিল প্রিলিমিনারি পরীক্ষা গ্রহণের জন্য কক্ষ চেয়ে ইতোমধ্যে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

৪৬তম বিসিএসে ৩ লাখ ৩৮ হাজার আবেদন জমা পড়েছে। এই বিসিএসে ৩ হাজার ১৪০টি পদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি নেওয়া হবে স্বাস্থ্য ক্যাডারে। এ ছাড়া সহকারী সার্জন ১ হাজার ৬৮২ ও সহকারী ডেন্টাল সার্জন ১৬ জন নেওয়া হবে। এরপর সবচেয়ে বেশি নেওয়া হবে শিক্ষা ক্যাডারে। বিভিন্ন বিষয়ে এই ক্যাডার থেকে বিসিএস শিক্ষায় ৫২০ জন নেওয়া হবে। প্রশাসনে ২৭৪ জন, পররাষ্ট্রে ১০, পুলিশে ৮০, আনসারে ১৪, মৎস্যে ২৬ ও গণপূর্তে ৬৫ জন নেওয়া হবে।


আরও খবর



পারমাণবিক বোমারু বিমানে চড়ে পশ্চিমাদের ‘প্রচ্ছন্ন হুমকি’ দিলেন পুতিন

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

আবারও পারমাণবিক সক্ষমতার জানান দিলেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। পারমাণবিক ওয়ারহেড বহনে সক্ষম একটি সুপারসনিক সামরিক বিমানে পরীক্ষামূলক যাত্রা করেছেন তিনি। তার এই পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা বিশ্বকে রাশিয়ার পারমাণবিক সক্ষমতা সম্পর্কে স্মরণ করিয়ে দেয়া কি না, তা নিয়ে ইতোমধ্যেই জল্পনা দেখা দিয়েছে।

দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

মস্কো ইউক্রেনের বিরুদ্ধে সামরিক হামলার দ্বিতীয় বার্ষিকী উদযাপনের মাত্র দুদিন আগে অর্থাৎ বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) এ শক্তি প্রদর্শন করলো রাশিয়া। এ ধরনের যুদ্ধবিমান তৈরির মধ্যদিয়ে রাশিয়া যুদ্ধক্ষেত্রে আরও গতি অর্জনের চেষ্টা করছে।

রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে বলা হয়, সুপারসনিক এ বোমারু বিমানটিকে রাশিয়ার মধ্যাঞ্চলীয় কাজানে অবস্থিত বিমান প্রস্তুতকারক একটি কোম্পানির রানওয়ে থেকে উড্ডয়ন করে কিছুক্ষণের মধ্যে ফিরে আসতে দেখা যায়।

এ বিমান থেকে নেমে আসার পর রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিকদের পুতিন বলেন, এটি সত্যিই একটি নতুন যন্ত্র। এটি বিভিন্ন দিক থেকে একেবারেই নতুন একটি বিমান। এটি পরিচালনা করাও অনেক সহজ। এমনকি আপনি একেবারে খালি ও অপ্রশিক্ষিত চোখ দিয়েও দেখতে পারেন।

এ বোমারু বিমানের কাছে কর্মকর্তাদেরকে পুতিনের শুভেচ্ছা জানানোর ভিডিও ফুটেজ রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে বারবার প্রচার করা হয়। ভিডিও ফুটেজে ৭১ বছর বয়সী রাশিয়ার এ নেতাকে বিমানটি থেকে সিঁড়ি বেয়ে নিচে নেমে আসতে দেখা যায়।

রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থার খবরে বলা হয়, পুতিন বিমানটিতে ৩০ মিনিট সময় কাটিয়েছেন। এটি সোভিয়েত পরিকল্পিত একটি কৌশলগত বোমারু বিমান যা রাশিয়ার পারমাণবিক অস্ত্রাগারের অংশ।

ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্র পেসকভ বলেছেন, সামরিক গোপন পথে বিমানটিতে প্রায় ৩০ মিনিট ভ্রমণ করেছেন পুতিন। টিইউ-১৬০ এম বিমানে চারজন ক্রু রয়েছে। এটি ১২টি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র বা ১২টি স্বল্পপাল্লার পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র বহন করতে সক্ষম। এছাড়া বিমানটি জ্বালানিবিহীন প্রায় ১২ হাজার কিলোমিটার একটানা উড্ডয়ন করতে পারে।

২০১৮ সালে স্বাক্ষরিত এক চুক্তির অধীনে, রাশিয়ার বিমান বাহিনীকে ২০২৭ সাল নাগাদ ১০টি টিইউ-১৬০ পারমাণবিক বিমান সরবরাহ করা হবে। আর এতে খরচ হবে অন্তত ১৫ বিলিয়ন রুবল।


আরও খবর