আজঃ শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪
শিরোনাম

শবে বরাত কবে, জানাল ইসলামিক ফাউন্ডেশন

প্রকাশিত:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

দেশের আকাশে ১৪৪৫ হিজরি সনের পবিত্র শাবান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ফলে আগামীকাল সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) থেকে শাবান মাস গণনা শুরু হবে। সেই হিসেবে শবে বরাত পালিত হবে ২৫ ফেব্রুয়ারি দিনগত রাতে।

রোববার সন্ধ্যায় (বাদ মাগরিব) বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভা সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

শবে বরাত কী? যে কারণে মর্যাদার

শাবান মাসের একটি মর্যাদাপূর্ণ রাতের নাম শবে বরাত। হাদিসের ভাষায় লাইলাতুন নিসফি মিন শাবান তথা ১৫ শাবানের রাত। শবে বরাত ফারসি শব্দ। শব শব্দের অর্থ রাত, বরাত অর্থ নাজাত বা মুক্তি। এই দুই শব্দ মিলে অর্থ হয় মুক্তির রজনী।

এই রাত নিঃসন্দেহে ফজিলতপূর্ণ। এ নিয়ে যেমন বাড়াবাড়ি করা উচিত নয়, তেমনিভাবে এই রাতের ফজিলতও অনস্বীকার্য। হজরত আবু বকর (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (স.) বলেন, শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত রাতে মহান আল্লাহ দুনিয়ার আসমানে অবতরণ করেন। সেই রাতে তিনি মুশরিক এবং অন্য ভাইয়ের প্রতি বিদ্বেষ পোষণকারী ব্যতীত সকলকে ক্ষমা করে দেন। (মুসনাদে বাজজার: ৮০, মুসনাদে আহমদ, হাদিস : ৬৬৪৬)

আরেক হাদিসে আলি ইবনে আবু তালিব রা. থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, 'যখন মধ্য শাবানের রাত আসে, তখন তোমরা এ রাতে দাঁড়িয়ে নামাজ পড়ো এবং দিনে রোজা রাখো। কেননা এদিন সূর্য অস্তমিত হওয়ার পর আল্লাহ তায়ালা পৃথিবীর নিকটতম আসমানে নেমে আসেন এবং বলেন, কে আছো আমার নিকট ক্ষমাপ্রার্থী? আমি তাকে ক্ষমা করবো। কে আছো রিজিকপ্রার্থী? আমি তাকে রিজিক দেব। কে আছো রোগমুক্তি চাও? আমি তাকে সুস্থতা দেব। কে আছো এই এই চাও?' এভাবে ফজরের সময় হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত। (সুনানে ইবনে মাজাহ, ১৬২)

এ রাতে আল্লাহ তাআলার কাছে নিজের গোনাহসমূহের ক্ষমা চেয়ে, তাওবা করে গোনাহ মুক্ত হওয়ার সুবর্ণ সুযোগ। এ রাতে বেশি বেশি নফল ইবাদত, কুরআন তেলাওয়াত, কাজা নামাজসমূহ আদায়সহ অন্যান্য জিকির-আজকার করা যেতে পারে। আল্লাহর বিশেষ এ নিয়ামত যেন আমাদের থেকে এমনি এমনি হাতছাড়া না হয়ে যায়।


আরও খবর
শবে বরাত সম্পর্কে হাদিসে যা বলা হয়েছে

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ইসরায়েলের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক সীমান্ত মেতুলা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

গত বছর ২০২৩ এর ৭ অক্টোবর থেকে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকা নিয়ে ভীষণ দুশ্চিন্তায় পড়েছে ইসরায়েল। কারণ, ওই দিন ইসরায়েলের শক্তিশালী গোয়েন্দা বিভাগ ও সীমান্তরক্ষীদের ফাঁকি দিয়ে দেশটির অভ্যন্তরে নজিরবিহীন অভিযান চালায় ফিলিস্তিনের গাজাভিত্তিক গোষ্ঠী হামাস। ওই দিন ইসরায়েলে প্রায় এক হাজার ২০০ মানুষ নিহত হয়। আহত হয় দুই হাজারেরও বেশি। এছাড়াও আড়াই শতাধিক মানুষকে ইসরায়েল থেকে জিম্মি করে গাজায় নিয়ে আসে হামাস যোদ্ধারা। হামাসের এই কর্মকাণ্ডে হতবিহ্বল হয়ে পড়ে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ।

হামাসের ওই হামলার জবাবে অবিলম্বে গাজায় আগ্রাসন শুরু করে ইসরায়েল। তারা ঘোষণা দেয়, হামাসকে নির্মূল করা ও জিম্মিদের উদ্ধার করা এই যুদ্ধের মূল উদ্দেশ্য। কিন্তু দীর্ঘ চার মাসেও সেই লক্ষ্য অর্জন করতে সক্ষম হয়নি ইসরায়েল। বরং এখনও গাজায় স্থল অভিযানে হামাস যোদ্ধাদের প্রতিরোধের মুখে নাস্তানাবুদ হচ্ছে ইসরায়েলি সৈন্যরা। শুধু তাই নয়, আকাশপথেও গাজা থেকে ইসরায়েলে আঘাত হানতে রকেট সক্ষমতাও দেখিয়ে যাচ্ছে হামাস।

তবে গাজার চেয়েও ইসরায়েলের জন্য বিপজ্জনক দেশটির সর্ব উত্তরের মেতুলা সীমান্ত। তিন দিক থেকে লেবানন বেষ্টিত এ শহরটি একরকম নিঃসঙ্গভাবে পাহারা দিচ্ছে ইসরায়েলি সীমান্তরক্ষীরা। অর্থাৎ ইসরায়েলের এ অঞ্চলের সবচেয়ে বড় হুমকি ইরান-সমর্থিত লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মেতুলা সীমান্তের এক সীমান্তরক্ষী তার আঙ্গুল দিয়ে হিজবুল্লাহর অবস্থান নির্দেশ করছিলেন। তিনি জানিয়েছেন, আমরা তিন দিক থেকে হিজবুল্লাহর নজরে রয়েছি এবং মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে বিপজ্জনক সীমান্ত পাহারা দিচ্ছি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই সীমান্তরক্ষীর বরাতে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, ইসরায়েলের এই শহরটি পশ্চিমে এক চুতার্থাংশ, উত্তরে আধা মাইল এবং পূবে আধা মাইল লেবাননের হিজবুল্লাহ গোষ্ঠীর নজরে রয়েছে।

গাজায় ইসরায়েলি হামলার পর থেকেই দেশটির মেতুলা সীমান্তে সৈন্য জমায়েত করে হিজবুল্লাহ। পরে হিজবুল্লাহর সঙ্গে সংঘাতে জড়ায় ইসরায়েল। তবে এই সীমান্তে চূড়ান্ত যুদ্ধের পক্ষে নন বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। কারণ এ অঞ্চলের সীমান্তরক্ষীরা জানেন হিজবুল্লাহর সঙ্গে সংঘাতে জড়ানো মানে তাদের এখানে বৃহৎ রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে হবে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই সীমান্তরক্ষী জানিয়েছেন, আমরা জানি হিজবুল্লাহ হামাসের চেয়ে বেশ আধুনিক এবং শক্তিশালী বাহিনী। হামাসের চেয়ে তাদের বাস্তব অভিজ্ঞতা বেশি। তারা দীর্ঘদিন যাবৎ সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাসার আল-আসাদের পক্ষে লড়াই করে আসছে।

এছাড়া হিজবুল্লাহর সঙ্গে ইসরায়েলের সংঘাতে জড়িয়ে পড়া ওয়াশিংটনেরও মাথা ব্যাথার কারণ বলে মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। হামাস-ইসরায়েল সংঘাত যদি আঞ্চলিকভাবে ছড়িয়ে পড়ে তাহলে এই যুদ্ধে ইরানও জড়িয়ে পড়তে পারে। তাই মেতুলা সীমান্তে ইসরায়েলের জন্য হিজবুল্লাহ বড় ধরনের বিপদ বলে মনে করা হচ্ছে।


আরও খবর



জয়পুরহাটে কৃষক হত্যা মামলায় ৯ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
সুজন কুমার মন্ডল, জয়পুরহাট

Image

জয়পুরহাট সদর উপজেলায় দিনমজুর নূরুল হককে হত্যা মামলায় ৯ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এ সময় প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও ২ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় জয়পুরহাটের অতিরিক্ত দায়রা জজ ১ম আদালতের বিচারক মো. নূরুল ইসলাম এ রায় প্রদান করেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন-জয়পুরহাট সদর উপজেলার ধারকী সোটাহার গ্রামের আব্দুর রউফ, রুহুল আমীন, আলী হোসেন, খোকন হোসেন, বেলাল হোসেন, রোকন হোসেন, বাবু হোসেন, মিজানুর রহমান ও সিরাজুল ইসলাম। এ সময় নির্দোষ প্রামাণিত হওয়ায় সানোয়ার হোসেন ও কেতাব্বর হোসেনকে খালাস প্রদান করা হয়েছে।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, ২০১৩ সালের ১ নভেম্বর সকাল ৯টায় নূরুল হকসহ অন্যান্য কামলা হিচমী বাজারের ব্যবসায়ী আমান উল্লাহর জমিতে ধান কাটার কাজ করছিলেন। এ সময় আসামি আব্দুর রউফসহ ১৩ জন এবং অজ্ঞাত আরও ৮/১০ জন সন্ত্রাসী লাঠিসোটা নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় নূরুল হককে প্রথমে জয়পুরহাট আধুনিক জেলা হাসপাতাল এবং পরে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানেই তিনি মারা যান।

এ ঘটনায় তার ছেলে মাসুম ওই দিনই ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও ৮/১০ জনের নামে মামলা করেন। পরে তদন্তকারী কর্মকর্তা ১১ জনের নামে চার্জশিট দাখিল করেন। সর্বশেষ দীর্ঘ শুনানি শেষে আজ বিচারক এ রায় প্রদান করেন। রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট নৃপেন্দ্রনাথ মন্ডল ও আসামি পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট হেনা কবির।


আরও খবর
জজ কোর্ট চত্বরে ককটেল বিস্ফোরণ

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




অনলাইন গণমাধ্যমের জন্য বিজ্ঞাপন নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে : আরাফাত

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

অনলাইনভিত্তিক গণমাধ্যমের জন্য বিজ্ঞাপন নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত।

মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর সার্কিট হাউজ রোডের তথ্য ভবনে চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, অনলাইন পত্রিকা ও নিউজ পোর্টালের জন্য সরকারি বিজ্ঞাপন হার নির্ধারণে নীতিমালা থাকা দরকার। এ সংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এসময় চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক স. ম. গোলাম কিবরিয়া, গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. নিজামূল কবীর, বাংলাদেশ ফিল্ম সেন্সর বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান খালেদা বেগমসহ চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বর্তমান সরকারের সময়ে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার উন্নয়ন হয়েছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষায় বর্তমান সরকারের সদিচ্ছা রয়েছে।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিগত দিনে যখন সামরিক শাসন ছিল ও সামরিক শাসন থেকে উদ্ভূত দল যখন এ দেশ শাসন করেছে এবং তাদের সঙ্গে বিভিন্ন সময় যখন মুক্তিযুদ্ধবিরোধী অপশক্তি ছিল সে সময়ে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার যে বাস্তবতা ছিল, সে জায়গা থেকে এখন আমরা কতটুকু এগিয়েছি, কতটুকু উন্নয়ন হয়েছে, সংখ্যাগত এবং গুণগত দিক থেকে এ তুলনামূলক বিষয়গুলো নিয়ে প্রকাশনা বের করতে হবে।

মতবিনিময়কালে মোহাম্মদ আলী আরাফাত আরও বলেন, চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের মাধ্যমে সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম দেশের মানুষ এবং বিশ্ববাসীর কাছে আরও কার্যকরভাবে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করতে হবে। এখন প্রযুক্তি অনেক অগ্রসর হয়ে গেছে। মানুষের চিন্তাভাবনায় পরিবর্তন এসেছে। এ বিষয়গুলো মাথায় রেখে অধিদপ্তরের কাজে নতুন নতুন বিষয় সংযোজন করতে হবে।

ছাপাখানা প্রকাশনা (ঘোষণা ও নিবন্ধীকরণ) আইন ১৯৭৩ প্রয়োজনবোধে সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।

এর আগে চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের প্রদর্শনী ও বিক্রয় কেন্দ্র, জাদুঘর ও গ্রন্থাগার পরিদর্শন করেন প্রতিমন্ত্রী।


আরও খবর



যেসব এলাকায় ১৪ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না আজ

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

গ্যাস পাইপলাইনের জরুরি টাই-ইন কাজের জন্য গাজীপুরের একটি অংশে আজ শুক্রবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) ১৪ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিসন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের পক্ষ থেকে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গ্যাস পাইপলাইনের জরুরি টাই-ইন কাজের জন্য শুক্রবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত ধনুয়া হতে রাজেন্দ্রপুর পর্যন্ত ২০ ইঞ্চি ব্যাসের লাইনে সংযুক্ত গ্রাহকদের গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

এ সময়ে তুলা গবেষণা হতে রাজেন্দ্রপুর পর্যন্ত ১২ ইঞ্চি ব্যাসের লাইনে সংযুক্ত গ্রাহকদের গ্যাসের স্বল্পচাপ বিরাজ করবে।


আরও খবর



খৎনা করতে গিয়ে শিশু আহনাফের মৃত্যু: জেএস ডায়াগনস্টিক সিলগালা

প্রকাশিত:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

সুন্নতে খতনা করাতে এসে মালিবাগের জেএস ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড মেডিকেল চেকআপ সেন্টারে মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনায় অভিযান চালিয়ে সেটিতে তালা ঝুলিয়ে সিলগালা করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

অধিদপ্তর জানিয়েছে, অ্যানেস্থেসিয়া দেওয়ার জন্য হাসপাতালের অনুমোদন প্রয়োজন হয়, কিন্তু এই হাসপাতালের শুধুমাত্র ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অনুমোদন আছে। যে কারণে তাদের অ্যানেস্থেসিয়া প্রয়োগের কোনো সুযোগ নেই। 

আরও পড়ুন>> শিশু আহনাফের মৃত্যুর ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার দুই চিকিৎসক

বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর মালিবাগ জেএস ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড মেডিকেল চেকআপ সেন্টারে এসে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক) ডা. আবু হোসেন মো. মইনুল আহসান। তিনি বলেন, আমরা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে শিশু আহনাফের মৃত্যুর ঘটনায় শোক ও দুঃখ প্রকাশ করছি। আমরা জেনেছি গতকাল সামান্য একটা মুসলমানির জন্য শিশুটিকে এই হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। ডা. ইশতিয়াক নামক একজন এই খতনার সার্জন ছিলেন, আর ডা. মাহবুব মুর্শেদ শিশুটির অ্যানেস্থেসিওলজিস্টস ছিলেন। অভিযোগ অনুসারে অ্যানেস্থেসিয়া দেওয়ার সময় শিশুটিকে অজ্ঞান করার পর আর তার জ্ঞান ফেরেনি। পরে আমরা মিডিয়ার মাধ্যমে ঘটনাটি জানতে পেরেছি। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে কথা বলে প্রতিষ্ঠানটিতে তালা মারা হয়েছে।

শিশুটির পরিবারের সদস্যরা জানান, খতনা করাতে মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে আয়হামকে মালিবাগের ওই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। অ্যানেসথেশিয়া দেওয়ার পর আর জ্ঞান ফেরেনি তার। তাদের অভিযোগ, লোকাল অ্যানেসথেশিয়া দেওয়ার কথা থাকলেও ফুল অ্যানেসথেশিয়া দেওয়া হয় আয়হামকে। ঘণ্টাখানেকের মধ্যে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। ঘটনার পর যে চিকিৎসকের অধীনে ভর্তি করা হয়েছিল, তিনি সটকে পড়েন।

আয়হামের বাবা ফখরুল আলম বলেছেন, অ্যানেসথেশিয়া দিতে নিষেধ করার পরও সেটি শরীরে পুশ করেন ডা. মুক্তাদির। তাঁর অভিযোগ, এই মৃত্যুর দায় মুক্তাদিরসহ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সবার

রাজধানীর ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে খতনা করাতে গিয়ে শিশু আয়ানের মৃত্যুর ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতে ফের আরেক শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ উঠল। ৫ বছরের আয়ানেরও অ্যানেসথেশিয়া দেওয়ার পর জ্ঞান ফেরেনি। সাত দিন লাইফ সাপোর্টে থাকার পর গত ৭ জানুয়ারি তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।


আরও খবর
জাবির ‘ডি’ ইউনিটের ফল প্রকাশ

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪