আজঃ মঙ্গলবার ২০ এপ্রিল ২০21
শিরোনাম

শবে বরাতের ফজিলত ও আমল

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ২৯ মার্চ ২০২১ | ১৩১জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আজ সোমবার (২৯ মার্চ) দিবাগত রাতে পালিত হবে পবিত্র শবে বরাত। মুসলমানদের জন্য লাইলাতুল বরাত হিসেবে পরিচিত মর্যাদাপূর্ণ এ রাতে মহান আল্লাহ তার বান্দাদের জন্য অশেষ রহমতের দরজা খুলে দেন।

শাবান মাসের চৌদ্দ তারিখ দিবাগত রাতকে পবিত্র শবে বরাত বলা হয়। শবে বরাত ফারসি শব্দ। শব মানে রাত আর বরাত মানে মুক্তি; শবে বরাত অর্থ মুক্তির যামিনী। শবে বরাতকে আরবিতে হয় লাইলাতুল বারকাত। হাদিস শরিফে যাকে নিসফ শাবান বা শাবান মাসের মধ্য দিবসের রজনী বলা হয়েছে। ভারতীয় উপমহাদেশ, পারস্যসহ পৃথিবীর অনেক দেশের ফারসি, উর্দু, বাংলা, হিন্দিসহ নানান ভাষায় যা শবে বরাত নামেই অধিক পরিচিত।

ইসলামি তমদ্দুন তথা মুসলিম কৃষ্টিতে যেসব দিবস ও রজনী বিখ্যাত, এর মধ্যে ৫টি রাত বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এই বিশেষ ৫টি রাত হলো: দুই ঈদের রাত্রিদ্বয়, শবে মেরাজ, শবে বরাত ও শবে কদর। যারা রাতের ইবাদতের গুরুত্ব অনুধাবন করেন, তারা প্রতিটি রাতকে শবে বরাত বানিয়ে নেন।

শবে বরাতের ফজিলত : শবে বরাতের ফজিলত বিষয়ে এ হাদিসটি সবচেয়ে প্রসিদ্ধ ও গ্রহণীয়। এ রাতের সব ফজিলত এ একটি হাদিসের মাধ্যমেই বুঝে আসে। এ রাতের প্রার্থনার মাধ্যমে আল্লাহ তাওবাকারীকে ক্ষমা করে দেবেন, অভাবীকে রিজিক দেবেন, বিপদগ্রস্থকে বিপদ মুক্ত করবেন।

হজরত আয়িশা সিদ্দিকা (রা.) এর ভাষায় কোনো এক শাবান মাসের অর্ধ রাতে নবী করীম (সা.)- কে বিছানায় পাওয়া যাচ্ছিল না। খুঁজে দেখা গেল তিনি নামাজে দাঁড়ানো এবং এত দীর্ঘ সেজদা করলেন যে আমার ধারণা হলো, তিনি মৃত্যুবরণ করেছেন; আমি তখন উঠে তার পায়ের বৃদ্ধাঙ্গুলি নাড়া দিলাম, তার বৃদ্ধাঙ্গুলি নড়ল; তিনি সেজদা থেকে উঠলেন এবং নামাজ শেষ করে আমাকে লক্ষ করে বললেন, হে আয়িশা! তোমার কি এ আশঙ্কা হয়েছে? আমি উত্তরে বললাম, ইয়া রাসুলুল্লাহ (সা.)! আপনার দীর্ঘ সেজদা থেকে আমার আশঙ্কা হয়েছিল আপনি মৃত্যুবরণ করেছেন কি না?

নবীজি (সা.) বললেন, তুমি কি জানো এটা কোন রাত? আমি বললাম, আল্লাহ ও আল্লাহর রাসুলই ভালো জানেন। তখন নবীজি (সা.) বললেন, এটা হলো অর্ধশাবানের রাত; এ রাতে আল্লাহ তাআলা তার বান্দাদের প্রতি মনোযোগ দেন; ক্ষমাপ্রার্থনাকারীদের ক্ষমা করে দেন, অনুগ্রহ প্রার্থীদের অনুগ্রহ করেন। আর বিদ্বেষ পোষণকারীদের তাদের অবস্থাতেই ছেড়ে দেন। (শুআবুল ইমান, তৃতীয় খণ্ড, পৃষ্ঠা ৩৮২)।

হজরত আয়িশা (রা.) থেকে বর্ণিত হয়েছে, নবীজি (সা.) এ রাতে মদিনার কবরস্থান জান্নাতুল বাকিতে এসে মৃতদের জন্য দোয়া ও ইস্তিগফার করতেন। তিনি আরও বলেন, নবীজি (সা.) তাকে বলেছেন, এ রাতে বনি কালবের ভেড়া বকরির পশমের (সংখ্যার পরিমাণের) চেয়েও বেশিসংখ্যক গুণাহগারকে আল্লাহ ক্ষমা করে দেন। (তিরমিজি শরিফ, হাদিস: ৭৩৯)।

শবে বরাতের নফল নামাজ ও ইবাদত : রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, যখন শাবানের মধ্য দিবস আসবে, তখন তোমরা রাতে নফল ইবাদত করবে ও দিনে রোজা পালন করবে। (ইবনে মাজাহ)। ইবাদতের মধ্যে শ্রেষ্ঠ হলো নামাজ; সুতরাং নফল ইবাদতের মধ্যে শ্রেষ্ঠ হলো নফল নামাজ। প্রতিটি নফল ইবাদতের জন্য তাজা অজু বা নতুন অজু করা মোস্তাহাব। বিশেষ ইবাদতের জন্য গোসল করাও মোস্তাহাব। ইবাদতের জন্য দিন অপেক্ষা রাত শ্রেয়তর।

শবে বরাতে করণীয় ও বর্জনীয় -

যা যা করা উচিত: (ক) নফল নামাজ ১. তাহিয়্যাতুল অজু, ২. দুখুলিল মাসজিদ, ৩. আউওয়াবিন, ৪. তাহাজ্জুদ, ৫. ছলাতুত তাসবিহ ৬. তাওবার নামাজ, ৭. ছলাতুল হাজাত, ৮. ছলাতুশ শোকর ও অন্যান্য নফল ইত্যাদি পড়া।

(খ) নামাজে কিরাআত ও রুকু-সেজদা দীর্ঘ করা। (গ) পরের দিন নফল রোজা রাখা; (ঘ) কোরআন শরিফ- যেমন: সুরা দুখান ও অন্যান্য ফজিলতের সুরাসমূহ তিলাওয়াত করা; (ঙ) দরুদ শরিফ বেশি বেশি পড়া; (চ) তাওবা-ইস্তিগফার অধিক পরিমাণে করা; (ছ) দোয়া-কালাম, তাসবিহ তাহলিল, জিকির-আসকার ইত্যাদি করা; (জ) কবর জিয়ারত করা; (ঝ) নিজের জন্য, পিতা-মাতার জন্য, আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব ও সকল মোমিন মুসলমানের জন্য ক্ষমাপ্রার্থনা করা এবং দেশ ও জাতির কল্যাণ ও সমৃদ্ধি কামনা করে দোয়া করা।

যা যা করা উচিত নয়: (১) আতশবাজি ও পটকা না ফোটানো, (২) ইবাদত-বন্দেগি বাদ দিয়ে বেহুদা ঘোরাফেরা না করা, (৩) অনাকাঙ্ক্ষিত আনন্দ-উল্লাস না করা, (৪) অযথা কথাবার্তা ও বেপরোয়া আচরণ না করা, (৫) অন্য কারও ইবাদতের বা ঘুমের বিঘ্ন না ঘটানো, (৭) হালুয়া-রুটি বা খাওয়া-দাওয়ার পেছনে বেশি সময় নষ্ট না করা।

নিউজ ট্যাগ: লাইলাতুল বরাত

আরও খবর
শুরু হলো সিয়াম সাধনার মাস

বুধবার ১৪ এপ্রিল ২০২১

রোজা শুরু কবে জানা যাবে সন্ধ্যায়

মঙ্গলবার ১৩ এপ্রিল ২০২১




পিরোজপুরে বাবা-মায়ের পাশে চির নিদ্রায় তারেক শামসুর রেহমান

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ এপ্রিল ২০২১ | ৯১জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অব. অধ্যাপক ও বিশিষ্ট কলামিস্ট ড. তারেক শামসুর রেহমানকে তার মা বাবার পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়েছে।

সোমবার সকাল ১০টায় পিরোজপুর শহরের পুরাতন ঈদগাহ মাঠে মরহুমের দ্বিতীয় জানাজার নামায শেষে পিরোজপুর পৌর কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

ড. তারেক শামসুর রেহমানের ভাই শহিদুর রহমান মিঠু জানান, ভাইয়ের স্ত্রী ও সন্তানের ইচ্ছায় প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়েছিল ঢাকায় দাফন করা হবে, কিন্তু আমার ভাইয়ের ইচ্ছা ছিল মা বাবার পাশে তাকে যেন দাফন করা হয়।

পরে সেই ইচ্ছানুযায়ী আমার ভাইয়ের মরদেহ ঢাকা থেকে পিরোজপুরের বাড়িতে এনে শহরের পৌর কবরস্থানে বাবা-মার কবরের পাশেই দাফন করা হয়। 

শহরের উকিলপাড়ায় ১৯৫২ সালে জন্মগ্রহণ করা ড. তারেক শামসুর রেহমান প্রয়াত অ্যাডভোকেট আতাউর রহমান খানের জ্যেষ্ঠ ছেলে। তিনি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৬৮ সালে এসএসসি এবং শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ থেকে ১৯৭০ সালে এইচএসসি পাশ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন।

তারেক শামসুর রেহমান পিরোজপুর থেকে সাংবাদিকতা শুরু করেন এবং প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তার বাবা মরহুম অ্যাডভোকেট আতাউর রহমান খানও অত্র প্রেসক্লাবের সভাপতি ছিলেন।

এর আগে শনিবার দুপুরে উত্তরা-১৮ নম্বর সেক্টরের রাজউকের আবাসিক প্রকল্পের দোলনচাপা এ্যপার্টমেন্টের ১৩০৪ নম্বর ফ্ল্যাট থেকে শামসুর রেহমানের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

ড. তারেক শামসুর রেহমান জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে সরকার ও রাজনীতি বিভাগে শিক্ষকতা শুরু করেছিলেন। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ প্রতিষ্ঠা করেন তিনি বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সাবেক সদস্য ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ও বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যানও ছিলেন।


আরও খবর



আগামীকাল এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষা: ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস নিষিদ্ধ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০১ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০১ এপ্রিল ২০২১ | ১০৩জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
করোনা প্রাদুর্ভাবের কারণে মেডিক্যাল ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী পরীক্ষার্থীদের মাস্ক পরে কেন্দ্রে আসার জন্য নিদের্শনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও প্রতিটি পরীক্ষাকেন্দ্রের প্রবেশপথে তাপমাত্রা

সারাদেশে ২ এপ্রিল (শুক্রবার) সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত একযোগে এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। করোনা ভাইরাস পরিস্থিতির কারণে পরীক্ষার্থীদের মানতে হবে স্বাস্থ্যবিধি। এর পাশাপাশি পরীক্ষা নকলমুক্ত রাখতে কেন্দ্রে সকল ধরনের ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস নিয়ে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ভর্তি পরীক্ষায় ঢাকা মহানগরের ১৫টি কেন্দ্রে ৪৭ হাজার শিক্ষার্থী অংশ নেবেন বলে জানা গেছে।

গতকাল বুধবার (৩১ মার্চ) ডিএমপি সদর দপ্তরে মেডিক্যাল ভর্তি পরীক্ষা সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয় সভা করেন ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম। সভায় পরীক্ষার বিষয়ে বিভিন্ন নির্দেশনা দেওয়া হয়।

ডিএমপি জানায়, করোনা প্রাদুর্ভাবের কারণে মেডিক্যাল ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী পরীক্ষার্থীদের মাস্ক পরে কেন্দ্রে আসার জন্য নিদের্শনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও প্রতিটি পরীক্ষাকেন্দ্রের প্রবেশপথে তাপমাত্রা পরিমাপের জন্যে থার্মাল স্ক্যানার, জীবাণুনাশক, অটো স্প্রে মেশিনসহ হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা থাকবে।

এছাড়া, মেডিক্যাল ভর্তি পরীক্ষা স্বচ্ছ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে বেশ কিছু ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে কেন্দ্রগুলোতে পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন থাকবে। একই সঙ্গে প্রতিটি কেন্দ্রে থাকবে মোবাইল কোর্ট। পরীক্ষার্থীরা প্রবেশপত্র ছাড়া অন্য কোনো কাগজ সঙ্গে নিতে পারবেন না। কেন্দ্রে প্রবেশের সময় সব পরীক্ষার্থীর দেহ তল্লাশি করে প্রবেশ করানো হবে। কেন্দ্র ইনচার্জ ছাড়া কেউ মোবাইল ফোন কাছে রাখতে পারবে না। তল্লাশি কাজে থাকবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের প্রতিনিধিরা।

ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে সব ধরনের গুজব বা প্রোপাগান্ডা ছড়ানো রোধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন অ্যাপসভিত্তিক (হোয়াটসঅ্যাপ, মেসেঞ্জার, ভাইভার, ইমো) যোগাযোগ মাধ্যম মনিটরিং করবে ডিএমপির সাইবার সিকিউরিটি বিভাগ।

সভায় ডিএমপি কমিশনার বলেন, একটি স্বচ্ছ মেডিক্যাল ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন করতে আমরা সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছি। যারা যোগ্য তারাই এই পরীক্ষার মাধ্যমে ভর্তির সুযোগ পাবেন। করোনা ভাইরাসের কারণে গণপরিবহনে আসন সংখ্যার অর্ধেক যাত্রী পরিবহনে সরকারি নির্দেশনা আছে। ফলে পরিবহন সংকট দেখা দিতে পারে। পরিস্থিতি বিবেচনায় পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীরা অবশ্যই পর্যাপ্ত সময় হাতে নিয়ে কেন্দ্রের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিতে হবে। যাতে পরীক্ষার্থীরা সকাল ৮টার মধ্যে পরীক্ষা কেন্দ্রে উপস্থিত থাকতে পারেন।

আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ্যে ডিএমপি কমিশনার বলেন, পুলিশের যে সব সদস্য মেডিক্যাল ভর্তি পরীক্ষায় ডিউটিতে নিয়োজিত থাকবেন, তাদেরও অবশ্যই মাস্ক পরাসহ যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।


আরও খবর



নারায়ণগঞ্জ ও মুন্সিগঞ্জে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৬ এপ্রিল ২০২১ | ৮৬জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

লাইন মেরামত কাজের জন্য নারায়ণগঞ্জ ও মুন্সিগঞ্জ এলাকায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ-গোদনাইল আরএমএস (গ্যাসের চাপ নিয়ন্ত্রণ ও তদারকি কেন্দ্র) এবং গোদনাইল টিবিএসে (টাউন বার্ডর স্টেশন) কয়েকটি ভালবে লিকেজ দেখা যায়। জরুরি ভিত্তিতে ভালব প্রতিস্থাপনের জন্য সমগ্র নারায়ণগঞ্জ ও মুন্সিগঞ্জ এলাকায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রাখতে হয়েছে।

ভালব প্রতিস্থাপন কাজ শেষে শিগগিরই গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করা হবে বলেও সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।


আরও খবর



প্রতিদিন ৬ থেকে ৭ ঘণ্টার ঘুম ঝুঁকি কমাবে করোনার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩০ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ৩০ মার্চ ২০২১ | ৮১জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
যারা নিয়মিত বাইরে যান ও বেশি পরিশ্রম করেন কিন্তু ভালো ঘুম হয় না তাদের করোনা হওয়ার ঝুঁকি বেশি। গবেষণা আরও বলেছেন, রাতে একজন যতক্ষণ ঘুমাচ্ছেন

প্রতিটি মানুষের ঘুমের প্রয়োজনীয়তা বলে শেষ করা যাবে না। জীবনে বেঁচে থাকার জন্য প্রথম যে জিনিসগুলো আমাদের প্রয়োজন তার অন্যতম হচ্ছে ঘুম। ঘুমের মাধ্যমে মহামারি করোনায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও কমে যায়।

সম্প্রতি এক গবেষণায় বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনার হাত থেকে বাঁচতে নিয়ম করে ঘুমালেই হবে। ইটালি, জার্মানি, স্পেন, যুক্তরাষ্ট ও যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্যকর্মীদের নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের আটজন বিজ্ঞানী এই সমীক্ষা চালিয়েছেন।

গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নিয়মিত বাইরে যান ও বেশি পরিশ্রম করেন কিন্তু ভালো ঘুম হয় না তাদের করোনা হওয়ার ঝুঁকি বেশি। গবেষণা আরও বলেছেন, রাতে একজন যতক্ষণ ঘুমাচ্ছেন, প্রতি এক ঘণ্টা অন্তর করোনা হওয়ার আশঙ্কা ১২ শতাংশ করে কমতে থাকে।

এই গবেষণায় মোট ২ হাজার ৮৮৪ জন স্বাস্থ্যকর্মী এই সমীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। যার মধ্যে ৫৬৮ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। যারা বেশি ঘুমিয়েছেন তাদের মধ্যে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা কম ছিল।

প্রতিদিন ৬ থেকে ৭ ঘণ্টার গড় ঘুম ছাড়িয়ে যদি এক ঘণ্টা করে বাড়তি ঘুমানো যায় তাহলেই করোনার আশঙ্কা কমে যায় বলেও উল্লেখ করা হয় গবেষণায়। পর্যাপ্ত ঘুম না হলে বা কোনো কারণে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটলে জীবাণু সংক্রমণের ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়।

উল্লেখ্য, বিএমজে নিউট্রিশন প্রিভেনশন অ্যান্ড হেলথ নামের এক অনলাইন ম্যাগাজিনে এই গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে।


আরও খবর



কঠোর লকডাউনে জনশূন‌্য রাজধানী

প্রকাশিত:বুধবার ১৪ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৪ এপ্রিল ২০২১ | ৭২জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

নতুন করে সরকারঘোষিত আটদিনের বিধি-নিষেধের প্রথমদিনে রাজধানীর সর্বত্র কঠোরভাবেই লকডাউন পালিত হচ্ছে। এই বিধি-নিষেধ সর্বাত্মকভাবে পালনে বাধ্য করতে রাজধানীর পাড়া-মহল্লা থেকে শুরু করে রাজপথের প্রধান সড়ক ও মোড়ে মোড়ে টহল দিচ্ছেন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।

গেল সপ্তাহের লকডাউনের সঙ্গে আজ বুধবারের (১৪ এপ্রিল) লকডাউনের কোনো মিলই নেই। গত নয়দিন লকডাউনে রাস্তায় হাজার হাজার মানুষ দেখা গেলেও আজ মানুষ নেই বললেই চলে। প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের হলেই পুলিশসহ বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যদের জেরার মুখে পড়তে হচ্ছে নগরবাসীকে।

রাস্তায় পুলিশের টহল গাড়ি, পণ্যবাহী ট্রাক, রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্স, প্রাইভেটকার, রিকশা, মোটরসাইকেলসহ জরুরি প্রয়োজনে ব্যবহৃত সীমিত সংখ্যক যানবাহন ছাড়া তেমন যানবাহন চোখে পড়েনি। প্রায় প্রতিটি যানবাহনকে থামিয়ে থামিয়ে কী প্রয়োজনে কোথায় যাচ্ছেন তা জানতে চাইছেন পুলিশ সদস্যরা। অপ্রয়োজনে বাইরে বের হয়েছেন নিশ্চিত হলে মামলা দিয়ে বাড়ি পাঠানো হচ্ছে।

সরকারের একাধিক মন্ত্রী ও দায়িত্বশীল শীর্ষ কর্মকর্তারা এবার আগে থেকেই সর্বাত্মক লকডাউনের ঘোষণা দেয়ার ফলে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে নগরের বাসিন্দারা যেন হাওয়ার মতো উবে গেছেন!

আজ সরেজমিনে রাজধানীর ধানমন্ডি, লালবাগ, তেজগাঁও, রমনা, কলাবাগানসহ বিভিন্ন থানা এলাকা ঘুরে অধিকাংশ রাস্তাঘাটে পুলিশের টহল ভ্যান ও সাইরেন বাজিয়ে অ্যাম্বুলেন্স চলাচল করতে দেখা গেছে। গতকালের (১৩ এপ্রিল) তুলনায় রাস্তাঘাটে মানুষের উপস্থিতি নেই বললেই চলে। তাছাড়া রমজানের প্রথম দিন হওয়ার কারণে এমনিতেই মানুষ ঘরের বাইরে বের হননি।

রাজধানীর বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সড়কে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের ব্যারিকেড দিয়ে টহল বসিয়ে যানবাহন ও যাত্রীদের জেরা করতে দেখা গেছে। তবে যারা ঘরের বাইরে বের হয়েছেন তাদের বেশিরভাগই জরুরি প্রয়োজনে বের হয়েছেন বলে প্রমাণ দেখিয়ে যেতে পারছেন।

রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় কর্তব্যরত একজন পুলিশ কর্মকর্তা এ প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, তারা সাহরির পর থেকেই রাস্তায় টহলে নেমেছেন। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কড়া নির্দেশ করোনার সংক্রমণরোধে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কাউকে রাস্তায় থাকতে দেয়া যাবে না। শুধু তাই নয়, পুলিশের বিশেষ পাস ছাড়া চলাচলে বাধা দিতে বলা হয়েছে। তবে মানবিক বিবেচনায় কিছু মানুষ যারা তথ্য-প্রযুক্তি সম্পর্কে জানেন না কিন্তু জরুরি প্রয়োজনে বের হয়েছেন তাদেরকে চলাচল করতে দেয়া হচ্ছে।

লকডাউন চলাকালে ফলমূল ও কাঁচামাল পরিবহনের অনুমতি থাকলেও বেশ কিছু রাস্তায় পুলিশকে ভ্যান ও ঠেলাগাড়ি ফিরিয়ে দিতে দেখা গেছে। ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন, পুলিশের বাধার কারণে তাদের অনেকটা পথ ঘুরে গন্তব্যে যেতে হচ্ছে।

নীলক্ষেত মোড়ে সরকারি এক কর্মকর্তা অসুস্থ ছেলেকে পান্থপথে শমরিতা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য রিকশার খোঁজ করছিলেন। কিন্তু দু-চারটা রিকশা থাকলেও সায়েন্স ল্যাবরেটরি মোড় ও কলাবাগানে তারা যেতে চাইছিলেন না। একজন রিকশাচালক রাজি হলেও ভাড়া চাইলেন ১০০ টাকা। এ সময় সরকারি ওই কর্মকর্তা বলেন, ৪০ টাকার ভাড়া দ্বিগুণেরও বেশি হাঁকছো কেন?

নিউজ ট্যাগ: লকডাউন

আরও খবর