আজঃ শনিবার ১৩ এপ্রিল ২০২৪
শিরোনাম

সড়ক দুর্ঘটনায় অভিনেত্রী আঁচলসহ ৯ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

বলিউডে শুরু হয়েছে একের পর এক খারাপ খবর। গজল সম্রাট পঙ্কজ উদাসের মৃত্যুর রেশ কাটিয়ে উঠার আগেই আবারও দুর্ঘটনার খবর এলো। সোমবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ওয়েব সিরিজ পঞ্চায়েত ২’-এ অভিনয় করা জনপ্রিয় অভিনেত্রী আঁচল তিওয়ারি। ভারতের বিহারের কাইমুরে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে।

আঁচল ভোজপুরি ইন্ডাস্ট্রিতেও বেশ সক্রিয় ছিলেন। এই দুর্ঘটনায় ভোজপুরি চলচ্চিত্রের চার উঠতি তারকাসহ মোট নয় জনের মৃত্যু হয়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের খবরে জানা যায়, সংগীতশিল্পী ছোটু পান্ডে পুরো টিম নিয়ে ইউপি যাওয়ার সময় এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। কাইমুরে জাতীয় সড়কের এ দুর্ঘটনা এতটাই ভয়ংকর ছিল যে, ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালে পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া যায়নি তাদের। আর এ ঘটনায় ভোজপুরি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি শোক প্রকাশ করেছে।

পুলিশ দাবি করেছে, বিহারের কাইমুর জেলায় একটি এসইউভি ও মোটরসাইকেলের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে অভিনেত্রী আঁচল তিওয়ারি ছাড়াও ভোজপুরি ইন্ডাস্ট্রির সংগীতশিল্পী বিমলেশ পান্ডে ওরফে ছোটু পান্ডে, অভিনেত্রী সিমরান শ্রীবাস্তব, প্রকাশ রাম, দধিবল সিং, অনু পান্ডে, শশী পান্ডে, সত্য প্রকাশ মিশ্র এবং বাগিশ পান্ডের মৃত্যু হয়েছে। এরা সবাই ভোজপুরি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির বিখ্যাত মুখ ছিলেন।

মোহনিয়া থানা এলাকার দেবকালী গ্রামের কাছে জিটি রোডে ঘটেছে ঘটনাটি। মোহনিয়ার ডিএসপি দিলীপ কুমার জানিয়েছেন, মৃতদের শনাক্ত করা হয়েছে। এদিকে এ ঘাটনায় একঝাঁক তারকার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন বিহারের মুখমন্ত্রী নীতীশ কুমার।

শোক প্রকাশ করে সোশ্যাল মিডিয়া এক্স হ্যান্ডেলে (সাবেক টুইটার) লিখেছেন, কাইমুর জেলার মোহানিয়া তানায় এলাকায় এনএইচ ২-এ দেবকালীর কাছে ভয়ংকর সড়ক দুর্ঘটনায় শোকাহত। নিহতের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা। আহতদের যথাযথ চিকিৎসার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এ দুর্ঘাটনায় এনএইচ ২-এ দীর্ঘক্ষণ যানজট ছিল। পুলিশ খবর পাওয়ার পরই ঘটনাস্থলে ছুটে যান। পরে পুলিশের প্রচেষ্টায় রাস্তা স্বাভাবিক হতে থাকে। আর মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।


আরও খবর
কলকাতায় ঈদে একমাত্র ‘মির্জা’

বৃহস্পতিবার ১১ এপ্রিল ২০২৪




বিদ্যুতের মিটার চুরি করে রেখে যায় ফোন নম্বর, টাকা দিলে ফেরত

প্রকাশিত:বুধবার ২৭ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৭ মার্চ ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নাটোর প্রতিনিধি

Image

প্রথমে রাতের অন্ধকারে বিদ্যুতের মিটার চুরি। পরে ওই স্থানে ঝুলিয়ে দেওয়া হয় একটি কাগজ। কাগজে লেখা থাকে মুঠোফোন নম্বর। পরে ওই নম্বরে বিকাশের মাধ্যমে চাহিদামতো টাকা পাঠানো হলে চুরি হওয়া মিটারটি আবার মালিকের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

নাটোরে লালপুরে অভিনব কায়দায় রাতের আঁধারে দশটি বৈদ্যুতিক মিটার চুরি করেছে দুর্বৃত্তরা। এ সময় তারা যোগাযোগের জন্য চিরকুটে মোবাইল নম্বর লিখে রেখে গেছে। ওই নম্বরে যোগাযোগ করলে ভুক্তভোগীদের কাছে টাকা দাবি করেছে তারা।

মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) ভোরের দিকে লালপুর উপজেলার কলসনগর, সাতপুকুরিয়া, চাঁদপুর, ভবানীপুর, কালুপাড়া ও বিভাগ গ্রামে এঘটনা ঘটে।এভাবে চুরির ঘটনায় জনমনে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।

ভুক্তভোগী আমিরুল ও বাচ্চু বিশ্বাস জানান, ভুক্তভোগীদের রাইস মিল ও কাঠ মিল থেকে রিডিং মিটার রাতের অন্ধকারে চুরি করে নিয়ে যায় দুর্বত্তরা। এবং প্রত্যেকের চুরি হওয়া মিটারের ফাঁকা জায়গায় একটি চিটকুটে লিখে যায়। সেখানে লেখা ছিল- এই মিটার নিতে হলে এই নম্বরে ফোন দিয়ে যোগাযোগ করতে। সকালে মিটার চুরি হয়ে যাওয়ার স্থান থেকে প্রাপ্ত মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করা হলে ওই মিটারের জন্য ৮ হাজার টাকা বিকাশ করলে মিটার ফেরত দেয়ার কথা জানায় দুর্বৃত্তরা।

এবিষয়ে কথা বলতে নাটোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ লালপুর জোনাল অফিসের উপমহাব্যবস্থাপক রেজাউল করিম খানকে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

এবিষয়ে লালপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাছিম আহম্মেদ বলেন, মিটার চুরির অভিযোগ আসেনি আমার কাছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’


আরও খবর



দাম কমে ৪০ টাকায় ডিমের হালি

প্রকাশিত:বুধবার ২০ মার্চ ২০24 | হালনাগাদ:বুধবার ২০ মার্চ ২০24 | অনলাইন সংস্করণ
অর্থ ও বাণিজ্য ডেস্ক

Image

ডিমের চাহিদা কমে যাওয়ায় ঢাকার বাজারে দ্রুত কমতে শুরু করেছে ডিমের দাম। গত তিনদিনের ব্যবধানে ডিমের দাম ডজনে ১০ টাকা কমেছে। কোনো কোনো বাজারে এর চেয়েও বেশি কমেছে। ফলে বড় বাজারে প্রতি ডজন ডিমের দাম নেমেছে ১২০ টাকায়। অর্থাৎ প্রতিটি ডিম বিক্রি হচ্ছে ১০ টাকায়, হালি ৪০ টাকায়।

এদিকে পাড়া-মহল্লার খুচরা দোকানে প্রতি হালি ডিম বিক্রি হচ্ছে ৪২ টাকা দরে। ফলে ডিম অনেক জায়গায় সরকার নির্ধারিত ১৪৪ টাকার নিচে নেমে এসেছে।

রাজধানীর মালিবাগ, শান্তি নগর ও তেজগাঁও ডিমের বাজার ঘুরে ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পাইকারি বাজারে ফার্মের মুরগির বাদামি রঙের ডিম বিক্রি হচ্ছে ডজনপ্রতি ১১৫-১১৬ টাকায়। অথচ গত রোববারেও ঢাকায় প্রতি ডজন বাদামি ডিম বিক্রি হয়েছে ১২২ থেকে ১২৫ টাকায়।

ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, দাম আরও কিছুটা কমার সম্ভাবনা আছে। কারণ রমজানে ডিমের চাহিদা একদম কম থাকে। এদিকে, মুরগির সাদা রঙের ডিমের ডজন এরই মধ্যে কমে ১১০ টাকায় নেমে এসেছে। তেজগাঁও ডিমের আড়তের ব্যবসায়ীরা বলছেন, এখন ডিম বিক্রি করে লোকসান হচ্ছে খামারিদের।

মালিবাগের ডিম বিক্রেতা সবুজ হোসেন বলেন, পাইকারিতে প্রতি একশো বাদামি ডিম কিনতে খরচসহ ৯৫০ টাকার মতো লাগছে। তাতে খুচরা বাজারেও ডিমের দাম বেশ কমে এসেছে। আর দাম কমার কারণে বেচাকেনাও ভালো হচ্ছে। দুদিনের ব্যবধানে ১০ টাকা কমেছে প্রতি ডজনে।

শান্তিনগর বাজারে বিক্রেতা ইউনুস হোসেন বলেন, বেশ কয়েক মাস ধরে ডিমের বাজার স্থিতিশীল রয়েছে। চাহিদাও কম বাজারও ঠান্ডা। তিনি বলেন, রোজার সময় পরিবারে ডিম খাওয়া কমে যায়। এছাড়া অনেক হোটেল রেস্তোরাঁ বন্ধ, যার কারণে চাহিদা অনেক কমেছে।


আরও খবর



ফিনল্যান্ডে বুলিংয়ের কারণে স্কুলে গুলি

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৫ এপ্রিল ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ফিনল্যান্ডে মঙ্গলবার স্কুলে কিশোরের গুলিতে সহপাঠী নিহতের মূল কারণ ছিল বুলিং। প্রাথমিক তদন্ত শেষে এই তথ্য জানিয়েছেন দেশটির গোয়েন্দারা।

গত মঙ্গলবার ফিনল্যান্ডে এক স্কুলে ১২ বছরের এক ছেলে গুলি চালায়। এতে তার সহপাঠী নিহত হয়। রাজধানী হেলসিংকির কাছে অবস্থিত এক শহরে ঐ হামলার ঘটনায় আরও দুইজন আহত হয়েছে৷

গতকাল বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে পুলিশ বলেছে, কাজটি যে পূর্বপরিকল্পিত তার প্রমাণ প্রাথমিক তদন্তে পাওয়া গেছে৷’

বিবৃতিতে সন্দেহভাজন হত্যাকারী যে বুলিংয়ের শিকার হয়েছিল তা নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে স্কুল কর্তৃপক্ষ সে বিষয়টি জানতো কি না সে ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করেনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

সন্দেহভাজন হত্যাকারীর বয়স কম হওয়ায় আদালতে তার বিচার করা সম্ভব নয়। তাই তাকে সোশ্যাল সার্ভিসের কাছে রাখা হয়েছে। হামলার বিষয়টি সে স্বীকার করেছে।

ফিনল্যান্ডে ২০০৭ ও ২০০৮ সালে স্কুলে গোলাগুলির ঘটনার পর ২০১০ সালে বন্দুক সংক্রান্ত আইন কঠোর করা হয়। লাইসেন্স আবেদনকারীর বয়স ১৮ থেকে বাড়িয়ে ২০ করা হয়।


আরও খবর



পরিবেশ দূষণে বছরে অকাল মৃত্যু হচ্ছে পৌনে ৩ লাখ বাংলাদেশির

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৮ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৮ মার্চ ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

উদ্বেগজনকভাবে বাংলাদেশ দূষণ ও পরিবেশগত স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছে। যা তুলনামূলক বেশি ক্ষতি করছে দরিদ্র জনগোষ্ঠী, পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু, বয়স্ক পুরুষ ও নারীদের। বছরে দূষণের কারণে দেশে অকাল মৃত্যু হচ্ছে ২ লাখ ৭২ হাজারের বেশি মানুষের। বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

দ্য বাংলাদেশ কান্ট্রি এনভায়রনমেন্ট অ্যানালাইসিস নামে প্রকাশিত এ প্রতিবেদন অনুযায়ী বায়ু দূষণ, অনিরাপদ পানি, নিম্নমানের স্যানিটেশন ও হাইজিন এবং সীসা দূষণ বেশি অকাল মৃত্যুর কারণ। পরিবেশগত কারণে ২০১৯ সালে বাংলাদেশের জিডিপির ১৭ দশমিক ৬ শতাংশ সমপরিমাণ ক্ষতি হয়েছে। ঘর ও বাইরের বায়ু দূষণ স্বাস্থ্যের ওপর সবচেয়ে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে যা ৫৫ শতাংশ অকালমৃত্যুর জন্য দায়ী এবং যা ২০১৯ সালের জিডিপির ৮ দশমিক ৩২ শতাংশের সমপরিমাণ।

বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিস থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশ এবং ভুটানে নিযুক্ত বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর আবদুলায়ে সেক বলেন, বাংলাদেশের জন্য পরিবেশের ঝুঁকি মোকাবিলা একই সঙ্গে উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক অগ্রাধিকার। আমরা পৃথিবীর নানা দেশে দেখেছি, পরিবেশের ক্ষতি করে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হলে তা টেকসই হতে পারে না।

তিনি আরও বলেন, শক্তিশালী প্রবৃদ্ধির গতিপথ টেকসই রাখতে এবং শহর ও গ্রামাঞ্চলের মানুষের জীবনমানের উন্নতি করতে বাংলাদেশ কোনোভাবেই পরিবেশকে উপেক্ষা করতে পারবে না। উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ার লক্ষ্য অর্জনে পরিবেশের ক্ষয় রোধ এবং জলবায়ু সহিষ্ণুতা নিশ্চিত করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়, পরিবেশ দূষণ শিশুদের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলছে। সীসা বিষক্রিয়া শিশুদের মস্তিষ্কের বিকাশে অপরিবর্তনীয় ক্ষতি করছে। এর ফলে বছরে প্রাক্কলিত আইকিউ ক্ষতি হচ্ছে প্রায় ২০ মিলিয়ন পয়েন্ট। গৃহস্থালিতে কাঠের জ্বালানির মাধ্যমে রান্না বায়ু দূষণের অন্যতম উৎস এবং তা নারী ও শিশুদের বেশি ক্ষতি করছে। শিল্পের বর্জ্য এবং অনিয়ন্ত্রিত প্লাস্টিকসহ বিভিন্ন বর্জ্য এবং অন্যান্য উৎস থেকে আসা অপরিশোধিত ময়লাযুক্ত পানির কারণে বাংলাদেশের নদীগুলোর পানির গুণগত মানের মারাত্মক অবনতি ঘটেছে।

বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র পরিবেশ বিশেষজ্ঞ এবং এই রিপোর্টের সহ-প্রণেতা আনা লুইসা গোমেজ লিমা বলেন, সময়মতো এবং সঠিক নীতি ও কার্যক্রমের মাধ্যমে বাংলাদেশ পরিবেশ দূষণের ধারা পাল্টে ফেলতে পারে। পরিবেশ সুরক্ষা জোরদারে পদক্ষেপ এবং রান্নায় সবুজ জ্বালানির জন্য বিনিয়োগ ও অন্যান্য প্রণোদনা, সবুজ অর্থায়ন বাড়ানো, কার্যকর কার্বন মার্কেট প্রতিষ্ঠা এবং সচেতনতা বাড়ানো দূষণ কমাতে পারে এবং এর ফলে সবুজ প্রবৃদ্ধি অর্জন হতে পারে।


আরও খবর



বাংলাদেশ সফরে আসছেন সৌদি যুবরাজ

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৫ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৫ মার্চ ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

চলতি বছরের দ্বিতীয়ার্ধে সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান বিন আবদুল আজিজ আল-সৌদ বাংলাদেশে সরকারি সফরে আসছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমন্ত্রণে তিনি ঢাকায় আসছেন। তবে দিনক্ষণ এখনও চূড়ান্ত হয়নি। যুবরাজের সফর দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন মাত্রায় নিয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূত এসা ইউসেফ এসা আল-দুহাইলান বৃহস্পতিবার (১৪ মার্চ) ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে যুবরাজের বাংলাদেশ সফরের ঘোষণা দিয়েছেন। সৌদি দূতাবাসে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসা ইউসেফ বলেন, সফরের সময় প্রধান আলোচনার বিষয় থাকবে দুই দেশের সাধারণ স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়। যুবরাজের সফরের মধ্য দিয়ে সৌদি আরব ও বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার করার বিষয়ও গুরুত্ব পাবে।

এ কূটনীতিক জানান, সৌদি আরব বাংলাদেশে ১২০ কোটি ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা করছে। সৌদি কোম্পানি রেড সি গেটওয়ে টার্মিনাল চলতি বছরের এপ্রিলে চট্টগ্রামের পতেঙ্গা বে টার্মিনালের কার্যক্রম শুরু করবে।

অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের ৩২টি স্থানে অসহায় মানুষের মধ্যে মোট ১৫ হাজার ৫০০ ঝুড়ি খাদ্যসামগ্রী বিতরণের কর্মসূচি উদ্বোধন করেন। প্রতি ঝুড়িতে ২৪ কেজি বিভিন্ন ধরনের খাদ্যসামগ্রী থাকছে। এগুলো কক্সবাজারের রোহিঙ্গাদের মধ্যেও বিতরণ করা হচ্ছে।

সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ ও যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের নির্দেশনায় সংহতির প্রতীক হিসেবে অসহায় মানুষদের মাঝে এসব খাদ্যসামগ্রী সরবরাহ করা হচ্ছে।

রাষ্ট্রদূত এসা ইউসেফ এসা আল-দুহাইলান বলেন, সৌদি আরবে বাংলাদেশের প্রায় ২৮ লাখ মানুষ কর্মরত রয়েছেন। তারা সৌদি ও বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন।


আরও খবর