আজঃ বৃহস্পতিবার ২৪ জুন ২০২১
শিরোনাম

সীমান্তবর্তী জেলায় বাড়ানো হয়েছে র‍্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট

প্রকাশিত:বুধবার ০৯ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৯ জুন ২০২১ | ৭৯জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বাংলাদেশে গত বছরের অক্টোবর মাসে র‍্যাপিড অ্যান্টিজেন পরীক্ষার অনুমতি দেয়া হয়। এর দুই মাস পরে ডিসেম্বরে আনুষ্ঠানিকভাবে অ্যান্টিজেন টেস্ট শুরু হয়। গত সপ্তাহখানেক হল র‍্যাপিড অ্যান্টিজেন পরীক্ষার সংখ্যা ধীরে ধীরে বাড়ানো হয়েছে। শুরুতে ১০ জেলার কয়েকটি হাসপাতালে অ্যান্টিজেন টেস্ট করোনা হলেও সম্প্রতি এ টেস্ট বাড়ানো হয়েছে। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী অঞ্চলে সংক্রমণ বৃদ্ধি এবং ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হওয়ার পর অ্যান্টিজেন টেস্ট বাড়ানো হয়েছে।

সিলেট জেলায় শুরুর মাধ্যমে এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়েছিল। বাংলাদেশের ৬৪টি জেলার সবগুলোতে অধিক নির্ভরযোগ্য আরটি-পিসিআর পদ্ধতিতে করোনাভাইরাস পরীক্ষার সুবিধা নেই।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, দেশে সব মিলিয়ে ৩৩৪ টি স্থানে এখন র‍্যাপিড অ্যান্টিজেন পরীক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে। এখন পর্যন্ত সর্বমোট র‍্যাপিড অ্যান্টিজেন পরীক্ষা করা হয়েছে ৯৩ হাজার ৩৮০ টি। মঙ্গলবার (৮ জুন) গত ২৪ ঘণ্টায় ১৯ হাজারের বেশি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। যার মধ্যে প্রায় আড়াই হাজার ছিল র‍্যাপিড অ্যান্টিজেন পরীক্ষা। এক সপ্তাহ আগেও এ সংখ্যা অন্তত এক হাজার কম ছিল।

অ্যান্টিজেন টেস্টের শুরুতে গাইবান্ধা, পঞ্চগড়, জয়পুরহাট, মুন্সিগঞ্জ, মাদারীপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, পটুয়াখালী, যশোর, মেহেরপুর ও সিলেটে অ্যান্টিজেন টেস্টের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। এখন সবচেয়ে বেশি এই পরীক্ষা করা হচ্ছে সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে। বিশেষ যেখানে সংক্রমণ বেশি।

সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইন্সটিটিউটের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. এএসএম আলমগীর বলেন, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, সিলেটসহ দক্ষিণ-পশ্চিম ও সীমান্তবর্তী যেসব জেলাতে সংক্রমণের হার অনেক বেশি। তাই এ অঞ্চলগুলোতে অ্যান্টিজেন টেস্ট বাড়ানো হয়েছে। ঢাকাতেও নমুনা পরীক্ষার জন্য ব্রাকের যেসব বুথ রয়েছে সেখানে অ্যান্টিজেন টেস্ট করা হচ্ছে। রাজশাহীতে ৬ জুন পাঁচ জায়গায় অ্যান্টিজেন টেস্টের ব্যবস্থা করা হয়।

এমনকি বাড়ি বাড়ি গিয়েও টেস্ট করানো হচ্ছে। এখন দেশের বেশিরভাগ সদর হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অ্যান্টিজেন টেস্টের ব্যবস্থা রয়েছে বলে জানিয়েছেন আলমগীর।

এএসএম আলমগীর বলেন, যেসব জায়গায় সংক্রমণের হার বেশি সেখানে মূলত স্ক্রিনিং-এর জন্য পাড়ায় পাড়ায় বা বাড়িতে গিয়ে এই পরীক্ষাটি করা হয়। এক্ষেত্রে যাদের সংক্রমণ থাকতে পারে বলে সন্দেহ করার মতো কোনো উপসর্গ রয়েছে এমন কারোর নাক থেকে নমুনা নিয়ে একটা কিটে পরীক্ষা করা হয়। এতে ভাইরাস শনাক্ত হলে তাকে আর পিসিআর পরীক্ষা করার কথা বলা হয় না। কিন্তু উপসর্গ থাকার পরও যদি ভাইরাস শনাক্ত না হয় তখন অধিকতর পরীক্ষার জন্য তার নমুনা পাঠানো হয়।

এই টেস্টের মাধ্যমে বিশেষ ভাইরাল অ্যান্টিজেনের উপস্থিতি শনাক্ত করা হয়, যা আসলে ওই ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে।

তিনি বলেন, যেসব অঞ্চলে সংক্রমণ অনেক বেশি, সংক্রমিত ব্যক্তির সংস্পর্শে আশা মানুষের সংখ্যা বেশি তাদের এসব পরীক্ষা করা হয়। যাদের সংক্রমিত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসার কারণে ১৪ দিন আইসোলেশনে থাকতে হয় তাদের ওই সময়ের মধ্যে কয়েকবার অ্যান্টিজেন টেস্ট করে দেখা হয়।

যেখানে সংক্রমণ অনেক বেশি সেখানে উপসর্গ নাও থাকতে পারে এরকম 'অ্যাসিম্পটমিক' ব্যক্তিদের করানো হয় অ্যান্টিজেন টেস্ট। এছাড়া স্থলবন্দর হয়ে যারা বাংলাদেশে প্রবেশ করছেন তাদের অ্যান্টিজেন পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে এরপরই ইমিগ্রেশন পার করে আইসোলেশনে পাঠানো হচ্ছে।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রধান ভাইরলজিস্ট ডা. সাবেরা গুলনাহার বলেন, এই পরীক্ষার সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে এটি খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে ফল দিতে পারে। ২০ মিনিটের মধ্যে এর ফল পাওয়া যায়। দ্রুত শনাক্ত মানে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া যায়। এছাড়া খরচ খুব কম। পিসিআর টেস্টে সময় লাগে কম পক্ষে ছয় ঘণ্টা।

অন্যদিকে অ্যান্টিজেন টেস্টে তেমন কোন ব্যবস্থা লাগে না। একজন স্বাস্থ্যকর্মীকে অল্প প্রশিক্ষণ দিয়ে, আঙুলের আকৃতির একটি কিট ও দরকারি সল্যুশন সহ একটি টেবিলে থাকলেই হয়।

গাড়ির ভেতরেও যেকোনো জায়গায় বসেই করা যায়। কোন ল্যাব দরকার হয় না। এর জন্য দরকারি কিট বহনযোগ্য। চাইলে কোনো ব্যক্তি নিজেও এই পরীক্ষা করতে পারেন। যুক্তরাজ্য সহ কিছু দেশে ইতিমধ্যেই ঘরে বেশি নিজেই পরীক্ষা করার বিষয়ে অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

এএসএম আলমগীর বলেন, পরীক্ষার সংখ্যা বাড়াতে হলে অ্যান্টিজেন ছাড়া উপায় নেই। এই পরীক্ষার নির্ভরযোগ্যতা ৮০ শতাংশ বলে জানান এই স্বাস্থ্য অধিদফতরের কর্মকর্তা।


আরও খবর



নওগাঁয় গত ২৪ ঘন্টায় ১০৭ জনের করোনা শনাক্ত

প্রকাশিত:সোমবার ১৪ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৪ জুন ২০২১ | ১০৬জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

নওগাঁয় গত ২৪ ঘন্টায় ১০৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। র‌্যাপিট এন্টিজেন ২৩৭ জনের পরীক্ষার বিপরীতে ৪১ জনের এবং আরটিপিসিআর থেকে ১৬৮ জনের নমুনার বিপরীতে ৬৬ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।

নওগাঁ জেলা সিভিল সার্জন ডা. এবিএম আবু হানিফ জানান, নতুন ১০৭ জনের করোনা শনাক্ত হওয়ায় জেলায় মোট ২ হাজার ৯৬৪ জনের করোনা পজেটিভ এসেছে। আর জেলায় সুস্থ হয়েছে ২ হাজার ২০৩ জন। নতুন শনাক্তের হার ২৬ দশমিক ৪১। জেলায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে নতুন ১ জনের মৃত্যু হওয়ায় জেলায় মোট মৃতের সংখ্যা ৫২ জনে। করোনা পরীক্ষার হার বৃদ্ধি পাওয়ায় শনাক্তের হার বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানান স্বাস্থ্য বিভাগের এই কর্মকর্তা।

নিউজ ট্যাগ: করোনাভাইরাস

আরও খবর



অর্থ পাচারকারীদের নাম জানতে চেয়েছেন অর্থমন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ০৭ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ০৭ জুন ২০২১ | ১০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বাংলাদেশ থেকে অর্থ পাচারে যারা জড়িত, এ সংক্রান্ত কোনো তথ্য বিরোধী দলের কারও কাছে থাকলে তা দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। সম্পূরক বাজেটের উপর আলোচনায় বিরোধীদলীয় সদস্যরা অর্থ পাচারের প্রসঙ্গ আনার পর অর্থমন্ত্রী আজ সোমবার সংসদে বলেন, কারা টাকা নিয়ে যায়, লিস্ট আমার কাছে নেই। নামগুলো আমাদের দেন। কাজটি করা আমাদের জন্য সহজ হবে।

এসময় অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা বলেন, অর্থ পাচার ঠেকাতে সরকার সক্রিয় রয়েছে। এখনো অনেকেই জেলে আছে। বিচার হচ্ছে। আগে যেমন ঢালাওভাবে চলে যেত, এখন তেমন নেই।

এর আগে আলোচনায় বিএনপির রুমিন ফারহানা বলেন, বিদেশে এক লাখ কোটি টাকার ওপরে চলে যাচ্ছে। ওভার আর আন্ডার ইনভয়েসিংয়ের মাধ্যমে যাচ্ছে। এর বাইরে হুন্ডির পরিমাণ ধরলে আল্লাহ মাবুদ জানেন কত টাকা বিদেশে গেছে! এছাড়া জাতীয় পার্টির কাজী ফিরোজ রশীদ বলেন, এক ব্যাংকের পরিচালক আরেক ব্যাংকের টাকা নিচ্ছে। টাকা নিয়ে হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশ পাঠাচ্ছে।

সমালোচনার জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষের কষ্টে অর্জিত টাকা বিদেশে চলে যাবে, আপনাদের যেমন লাগে, আমারও লাগে। আমি অনিয়ম, বিশৃঙ্খলার বিরুদ্ধে। আমরা সবাই চাই, এগুলো বন্ধ করতে হবে।

প্রসঙ্গত, গত বছরের ১৮ নভেম্বর পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ থেকে কানাডায় টাকা পাচারের সত্যতা পাওয়ার কথা জানান। ওইসময় তিনি জানিয়েছিলেন, প্রাথমিকভাবে অর্থপাচারে যারা জড়িত, যাদের তথ্য পাওয়া গেছে। এদের মধ্যে সরকারি কর্মচারীই বেশি। এছাড়া রাজনীতিক এবং ব্যবসায়ী থাকার কথাও জানান তিনি। তবে তিনি কারও নাম প্রকাশ করেননি।


আরও খবর



বাজেটে ধূমপায়ীদের জন্য দু:সংবাদ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৩ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৩ জুন ২০২১ | ২৮২জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
সিগারেটের নিম্নস্তরের ১০ শলাকার দাম ৩৯ টাকা ও তদূর্ধ্ব এবং সম্পূরক শুল্ক ৫৭ শতাংশ ধার্যের প্রস্তাব করছি। এ ছাড়া মধ্যম স্তরের ১০ শলাকার দাম ৬৩ টাকা ও তদূর্ধ্ব, উচ্চ স্তরের ১০ শলাকার দাম ১০২ টাকা ও তদূর্ধ্ব

ধূমপায়ীদের জন্য দু:সংবাদ। প্রস্তাবিত ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেটে সিগারেটের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।  ফলে ধূমপায়ীদের এখন থেকেই সিগারেট কিনতে বেশি খরচ করতে হবে।

অর্থমন্ত্রী বাজেট বক্তৃতায় বলেছেন, তামাকজাত পণ্যের ব্যবহার কমানো এবং রাজস্ব আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে তামাক ও তামাকজাত পণ্যের ক্ষেত্রে নিম্নরূপ প্রস্তাব করছি।

সিগারেটের নিম্নস্তরের ১০ শলাকার দাম ৩৯ টাকা ও তদূর্ধ্ব এবং সম্পূরক শুল্ক ৫৭ শতাংশ ধার্যের প্রস্তাব করছি।  এ ছাড়া মধ্যম স্তরের ১০ শলাকার দাম ৬৩ টাকা ও তদূর্ধ্ব, উচ্চ স্তরের ১০ শলাকার দাম ১০২ টাকা ও তদূর্ধ্ব, অতি উচ্চ স্তরের ১০ শলাকার দাম ১৩৫ টাকা ও তদূর্ধ্ব এবং এই তিনটি স্তরের সম্পূরক শুল্ক ৬৫ শতাংশ নির্ধারণ করার প্রস্তাব করছি।

তবে স্থানীয় বিড়িশিল্পের ওপর সদয় হয়েছেন অর্থমন্ত্রী। বাজেট প্রস্তাবে বলেছেন, পূর্ববর্তী বছরের ন্যায় যন্ত্রের সাহায্য ব্যতীত হাতে তৈরি ফিল্টার বিযুক্ত বিড়ির ২৫ শলাকার দাম ১৮ টাকা, ১২ শলাকার দাম ৯ টাকা ও ৮ শলাকার দাম ৬ টাকা এবং সম্পূরক শুল্ক ৩০ শতাংশ অব্যাহত রাখার প্রস্তাব করছি।  ফিল্টার সংযুক্ত বিড়ির ২০ শলাকার দাম ১৯ টাকা ও ১০ শলাকার দাম ১০ টাকা এবং সম্পূরক শুল্ক ৪০ শতাংশ অব্যাহত রাখার প্রস্তাব করছি।

এতে আরও বলা হয়েছে, পূর্ববর্তী বছরের ন্যায় প্রতি ১০ গ্রাম জর্দার দাম ৪০ টাকা ও সম্পূরক শুল্ক ৫৫ শতাংশ এবং প্রতি ১০ গ্রাম গুলের দাম ২০ টাকা ও সম্পূরক শুল্ক ৫৫ শতাংশ নির্ধারণ করার প্রস্তাব করছি।


আরও খবর



২৬ জুন পর্যন্ত বাড়তে পারে চলমান বিধি-নিষেধ

প্রকাশিত:বুধবার ১৬ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৬ জুন ২০২১ | ৯৬জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

করোনার সংক্রমণ প্রতিরোধে চলমান বিধি-নিষেধ আগামী ২৬ জুন পর্যন্ত বাড়তে পারে। বুধবার (১৬ জুন) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে থেকে বলা হয়, আগামী ২৬ জুন পর্যন্ত বিধি-নিষেধ বাড়ানোর প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রী বরাবর পাঠানো হয়েছে। তিনি অনুমোদন দিলে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

এতে পূর্বের ন্যায় সকল পর্যটনস্থল, রিসোর্ট, কমিউনিটি সেন্টার ও বিনোদন কেন্দ্র বন্ধ থাকবে। জনসমাবেশ হয় এ ধরনের সামাজিক অনুষ্ঠান (বিবাহোত্তর অনুষ্ঠান, জন্মদিন, পিকনিক পার্টি ইত্যাদি), রাজনৈতিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান বন্ধ থাকবে।

খাবারের দোকান ও হোটেল-রেস্তোরাঁ সকাল ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত বিক্রি ও সরবরাহ করতে পারবে এবং আসন সংখ্যার অর্ধেক সেবাগ্রহীতাকে সেবা প্রদান করতে পারবে।

উচ্চঝুঁকিতে থাকা জেলাগুলোর জেলা প্রশাসকরা সংশ্লিষ্ট কারিগরি কমিটির সঙ্গে আলোচনা করে স্ব-স্ব এলাকার সংক্রমণ প্রতিরোধে বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন। আন্তঃজেলাসহ সব ধরনের গণপরিবহন আসন সংখ্যার অর্ধেক যাত্রী নিয়ে চলাচল করতে পারবে। তবে অবশ্যই যাত্রীসহ সকলকে মাস্ক পরিধানসহ স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে।

প্রসঙ্গত,গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হলে ১৭ মার্চ থেকে সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়। দফায় দফায় বাড়িয়ে কয়েকবার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও করোনা সংক্রমণের কারণে তা সম্ভব হয়ে ওঠেনি। সবশেষ গত ১৩ জুন আরেকদফা বাড়িয়ে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার।


আরও খবর



নাইজেরিয়ায় নৌকাডুবি : ৪৫ মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৮ মে ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৮ মে ২০২১ | ৯৪জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

পশ্চিম আফ্রিকার দেশ নাইজেরিয়ার উত্তরাঞ্চলে একটি নৌকাডুবির ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৪৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। গত বুধবার (২৬ মে) নাইজার থেকে কেব্বি প্রদেশে যাওয়ার পথে নৌকাটি ডুবে যায়। অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই নৌকাটি ডুবে যাওয়ার ঘটনায় নিখোঁজ রয়েছে দেড় শতাধিক মানুষ। আশঙ্কা করা হচ্ছে তাদের সকলেই মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার স্থানীয় সময় ভোরে নাইজার প্রদেশ থেকে নৌকাটি কেব্বি প্রদেশের উদ্দেশে রওনা দেওয়ার পর নাইজার নদীতে ডুবে যায়। এখন পর্যন্ত প্রায় ২০ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার তৎপরতা এখনো চলছে।

নাইজেরিয়ার নদীগুলোতে নৌকাডুবির ঘটনা সাধারণ বিষয়। অতিরিক্ত যাত্রী, আবহাওয়া আর মেরামতের অভাবে এসব নৌকাডুবি হয়ে থাকে। তবে বুধবারের নৌকাডুবিটি বিগত কয়েক বছরের মধ্যে সবচেয়ে প্রাণঘাতী হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

স্থানীয় উদ্ধারকারী সংস্থার ব্যবস্থাপক ইউসুফ বিরমা সাংবাদিকদের জানান নৌকাটিতে প্রায় ১৮০ জন যাত্রী বোঝাই ছিল। যাত্রা শুরুর ঘণ্টা খানেক পর এটি ডুবে যায়।

স্থানীয় জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহি বুহারি ওয়ারা জানিয়েছেন, যাত্রী ছাড়াও নৌকাটিতে একটি স্বর্ণের খনির বালু বোঝাই ব্যাগ ছিল। নাইজেরিয়ায় রাতে নৌকা যাত্রা এবং অতিরিক্ত যাত্রী বহন নিষিদ্ধ হলেও প্রায়ই তা মানা হয় না।

উল্লেখ্য, মে মাসের শুরুতে নাইজার প্রদেশে অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই আরেকটি নৌকা ডুবে যাওয়ায় ৩০ জনের মৃত্যু হয়।


আরও খবর
করোনার ডেল্টা প্লাসে প্রথম মৃত্যু

বৃহস্পতিবার ২৪ জুন ২০২১