আজঃ মঙ্গলবার ০৫ মার্চ ২০২৪
শিরোনাম

শীতকাল এবার কেমন হবে, জানালেন আবহাওয়াবিদরা

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৮ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৮ ডিসেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ঘূর্ণিঝড় মিগজাউম-এর প্রভাবে গত বুধবার থেকে ঢাকাসহ দেশজুড়ে বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হচ্ছে শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত বৃষ্টি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে এবং একই সঙ্গে রাতের তাপমাত্রা এক থেকে দুই ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে।

এর সঙ্গে সঙ্গে শীত শুরু হওয়ার কথাও বলা হচ্ছে। ঠিক কবে থেকে শীত পড়তে পারে আর এবারের শীত কতটা তীব্র হবে এ বিষয়ে আবহাওয়াবিদরা বলছেন, ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মূলত শীতকাল হলেও সাধারণত দেশের বিভিন্ন জায়গায়, বিশেষত উত্তরাঞ্চলে তাপমাত্রা কমতে শুরু করে নভেম্বর মাসের শেষদিক থেকেই যেটার খুব একটা তারতম্য হয়নি এবারও।

তবে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে আবহাওয়ার স্বাভাবিক গতি-প্রকৃতি কিছুটা পাল্টে গেছে, যার কারণে শীতকালের সময় এবং ধরন ঠিক আগের মতো হচ্ছে না।

শীতের শুরু কবে?

আবহাওয়াবিদরা বলেন, সাধারণত স্বস্তিদায়ক তাপমাত্রা ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসকে বোঝানো হয়। আর ডিসেম্বর মাস থেকে ফেব্রুয়ারি মাসের সময়কালকে শীতকাল হিসেবে ধরে থাকেন।

মিগজাউমের প্রভাবে এই বৃষ্টিপাতের পর এই মাসের ১০ তারিখের পর থেকে তাপমাত্রা ক্রমান্বয়ে কমতে শুরু হবে বলে জানাচ্ছেন বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের একজন আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক।

তিনি বলেন, উত্তরাঞ্চলে কোথাও কোথাও তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নিচে নেমে আসতে পারে।

এটিকে শৈত্যপ্রবাহ হিসেবেও দেখা যায় কারণ শীতকালে ২.৬ থেকে শুরু করে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে গেলে সেটা শৈত্যপ্রবাহের পর্যায়ে পড়ে।

গত ৩০ বছরের তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে তারা দেখেছেন, ডিসেম্বর মাসে সাধারণত একটি থেকে দুটি মৃদু শৈত্যপ্রবাহের সম্ভাবনা থাকে।

অবশ্য আরেক জ্যেষ্ঠ আবহাওয়াবিদ মো. আবদুল মান্নান মনে করছেন শীতকালের শুরুটা মূলত ডিসেম্বর মাসের শেষার্ধের দিকে অর্থাৎ ১৬ তারিখের পর কোনো একটা সময় থেকে হবে।

তার ব্যাখ্যা অনুযায়ী বৃষ্টিপাতের পরপর তাপমাত্রা হঠাৎ করে নেমে গেলে শীত অনুভূত হবে তবে প্রকৃত অর্থে এটি শীতকাল নয়

সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কমার পাশাপাশি যখন আকাশ মেঘমুক্ত হয়ে বায়ুমণ্ডল পুরোপুরি শুষ্ক হয়ে যাবে তখন শৈত্যপ্রবাহের পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে যেটা হতে কিছুটা সময় লাগবে বলে মনে করছেন আবদুল মান্নান।

তিনি বলছিলেন, এ মাসের শেষ সপ্তাহের দিকে একটা মৃদু শৈত্যপ্রবাহ আসার সম্ভাবনা রয়েছে, তবে সেটি পশ্চিম ও উত্তরাঞ্চলের সীমান্তবর্তী এলাকার মাঝে সীমাবদ্ধ থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

এ মাসের দ্বিতীয়ার্ধ, অর্থাৎ ১৬ তারিখের পর থেকে মাসের শেষ সপ্তাহের মধ্যে প্রকৃত অর্থে শীতকাল শুরুর সম্ভাবনা দেখছেন তিনি যখন রাতের তাপমাত্রা ১২ থেকে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নামবে।

কেমন হবে শীতকাল?

বিশ্বব্যাপী তাপমাত্রার রেকর্ড রাখা শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি গরম পড়েছিল এ বছরেরই জুন মাসে।

আমেরিকা ও ইউরোপের মতো শীতপ্রধান জায়গায় তীব্র গরমে হাঁসফাঁস করেছে মানুষ। বিশ্বব্যাপী গড় তাপমাত্রা উচ্চতম রেকর্ড ছুঁয়েছে যার একটা প্রধান কারণ ছিল এল নিনো নামে প্রাকৃতিক আবহাওয়া চক্র।

এই এল নিনো ও একই সঙ্গে বিশ্বের বাড়তে থাকা তাপমাত্রার প্রভাবে এবারের শীতকালটা আগের তুলনায় কিছুটা উষ্ণ হওয়ার কথা জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

এল নিনো সক্রিয় অবস্থায় রয়েছে যে অবস্থাটা মে মাস পর্যন্ত দীর্ঘায়িত হতে পারে এবং এল নিনো সক্রিয় থাকা অবস্থায় স্বাভাবিকের চেয়ে সাধারণত বেশি তাপমাত্রা দেখা যায় বলে জানান আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবুল কালাম মল্লিক।

প্রতি তিন থেকে সাত বছরের মধ্যে একবার এই এল নিনো দেখা দেয়- যখন তাপমাত্রা ঊর্ধ্বমুখী হয়।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের ৩০ বছরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রার গড় হিসেবে স্বাভাবিকভাবে ডিসেম্বর মাসে সর্বনিম্ন গড় তাপমাত্রা ১৪.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকে। এ বছর ডিসেম্বর মাসে সর্বনিম্ন গড় তাপমাত্রা ১৪.৫ ডিগ্রি থেকে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করতে পারে বলে ধারণা দেন আবুল কালাম মল্লিক। পাঁচ বছরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রার গড় চিত্রের দিকে তাকালে তাপমাত্রা বাড়তে থাকার একটা প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়।

ডিসেম্বর মাস

২০১৮ ১৩.৯২

২০১৯ ১৪.২১৪

২০২০ ১৪.২৫

২০২১ ১৫.৪৫

২০২২ ১৫.১৯৪

জানুয়ারি মাস

২০১৮ ১১.৩৩

২০১৯ ১২.৩৭

২০২০ ১৩.০৯

২০২১ ১৩.৩২

২০২২ ১৩.৬৯

৩০ বছরের তথ্য অনুযায়ী জানুয়ারি মাসের গড় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকে যেটাও এবার সামান্য বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এ তথ্য অবশ্য পুরো দেশজুড়ে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা যা রেকর্ড করা হয় তার গড় হিসাব। অঞ্চলভেদে তাপমাত্রার তারতম্য হওয়াটা স্বাভাবিক। তবে এবার তেমন শীত পড়বে না সেটা ভাবলেও ভুল হবে।

বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কারণে আবহাওয়ার ব্যাপারে কোনো কিছুই নিশ্চিত করে বলা যায় না উল্লেখ করে আবদুল মান্নান বলছেন, গ্লোবাল ওয়ার্মিং-এর এই সময়ে যেকোনো সময় যেকোনো পরিস্থিতি ব্যাপক আকার ধারণ করতে পারে।

গত তিন মাসে পরপর কয়েকটি ঘূর্ণিঝড়ের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, আবহাওয়া বিরূপ আচরণ করলে শর্ট পিরিয়ডে তীব্র শৈত্য প্রবাহ আসার সম্ভাবনাকেও কিন্তু উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তবে, এটুকু বলা যায় যে সামগ্রিকভাবে এবার শীতের সময় কিছুটা ওয়ার্ম থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।


আরও খবর



তিস্তা সংকট ২০২৬ সালের মধ্যে মিটে যাবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ তিস্তা নদীর পানি বণ্টন চুক্তি নিয়ে প্রতিবেশী দেশ ভারতের সঙ্গে চলমান সংকট ২০২৬ সালের মধ্যে মিটে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন।

ভারতে তিনদিনের সফর শেষে দেশে ফেরার আগে গতকাল শুক্রবার কলকাতায় বাংলাদেশ উপদূতাবাস আয়োজিত ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি মন্তব্য করেন।

এ সময় তিনি বলেন, তিস্তা নিয়ে ভারত সরকারের কোনো অসুবিধা নেই। সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের। তবে আলোচনা করেছি, আশা করছি ভারতের জাতীয় নির্বাচনের পর একটা সমাধানে পৌঁছাতে পারবো। ২০২৬ সালে গঙ্গা চুক্তিও আছে। আশা করছি তার মধ্যেই তিস্তার পানি চুক্তির সমাধান হবে।

সাংবাদিকরা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে জানতে চান, তিস্তা চুক্তি নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির সঙ্গে বাংলাদেশ কোনো কথা বলবে কি না। উত্তরে ড. হাছান বলেন, এটি ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়, আমাদের কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে বিজনেস করতে হবে। ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার এখন কীভাবে রাজ্য সরকারের সঙ্গে বোঝাপড়া করবে সেটি তাদের বিষয়।

বাংলাদেশ অংশে তিস্তার উপরে ব্যারেজ নিয়ে আলোচনা হয়েছে কি না- সাংবাদিকদের এ প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন আলোচনা হয়নি, এটি নিয়ে আমরা চিন্তাভাবনা করছি। এটির প্রয়োজন আছে। কিন্তু এ নিয়ে এখনো সেভাবে কথা হয়নি।

এসময় কলকাতায় নিযুক্ত বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনার আন্দালিব ইলিয়াসসহ মিশনের অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



বেইলি রোডে আগুন : কারণ অনুসন্ধানে ফায়ারের ৫ সদস্যের কমিটি

প্রকাশিত:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

রাজধানীর বেইলি রোডে অবস্থিত কাচ্চি ভাই রেস্টুরেন্ট ভবনে লাগা আগুনে এখন পর্যন্ত ৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের ১৩টি ইউনিটের চেষ্টায় দুই ঘণ্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসলেও এখনও উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করছে ফায়ার সার্ভিস।

ভয়াবহ এই আগুনের ঘটনার নেপথ্যের কারণ, ভবনের অগ্নি নিরাপত্তা ও ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণসহ হতাহত বেশি হওয়ার কারণ অনুসন্ধানে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর।

ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ডিউটি অফিসার এরশাদ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটির সভাপতি : পরিচালক(অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স) লে. কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী, কমিটির সদস্য সচিব ঢাকা বিভাগের উপ-পরিচালক মো. ছালেহ উদ্দিন, সদস্য করা হয়েছে সংশ্লিষ্ট জোনের ডিএডি, সিনিয়র স্টেশন অফিসার এবং ওয়ারহাউজ ইন্সপেক্টরকে। কমিটিকে সরেজমিন তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত সময়ের মধ্যে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে।


আরও খবর



অতিরিক্ত আইজিপি হলেন সিএমপি কমিশনার কৃষ্ণ পদ রায়

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

Image

অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত আইজিপি) পদে পদোন্নতি পেয়েছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার কৃষ্ণ পদ রায়।

রবিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জননিরাপত্তা বিভাগ পুলিশ-১ শাখার উপসচিব মো. মাহাবুব রহমান শেখের সই করা এক আদেশে এ পদোন্নতি দেওয়া হয়।

একই আদেশে আরও ৯ জনকে অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। তারা হলেন-ঢাকা পুলিশ টেলিকমের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক এ কে এম শহিদুর রহমান ও বশির আহম্মদ, ঢাকা ট্রেনিং ড্রাইভিং স্কুলের কমান্ড্যান্ট মো. ময়নুল ইসলাম, ঢাকা স্পেশাল সিকিউরিটি এন্ড প্রটেকশন ব্যাটালিয়নের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক গোলাম কিবরিয়া, ঢাকা অপরাধ তদন্ত বিভাগের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক কুসুম দেওয়ান, ঢাকা পুলিশ অধিদপ্তরের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক মো. আনোয়ার হোসেন, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার এ কেম এম হাফিজ আক্তার ও ড. খ. মহিদিউদ্দিন এবং রংপুর রেঞ্জের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক মো. আবদুল বাতেন।

উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ৩০ জুন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের উপসচিব ধনঞ্জয় কুমার দাস স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার কৃষ্ণ পদ রায়কে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার হিসেবে পদায়ন করা হয়।

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের হালিতলা গ্রামের গোপাল চন্দ্র রায় এবং রমা রানী রায়ের প্রথম সন্তান কৃষ্ণ পদ রায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিষয়ে অনার্স ও মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন।

ঢাকায় ইংরেজি দৈনিক ডেইলি স্টারের স্টাফ রিপোর্টার পদে বেশ কিছুদিন দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৫ সালে ১৫তম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে বাংলাদেশ পুলিশে নিয়োগ পান তিনি। তার কর্মজীবন শুরু হয় বগুড়ায়।

শেরপুর ও চাঁদপুর জেলার পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন কৃষ্ণ পদ রায়। এরপর চট্টগ্রাম মেট্রোপিলিটন পুলিশের (সিএমপি) সহকারী কমিশনার পদে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের রমনা জোনের ডেপুটি কমিশনার, ডিবি পুলিশের ডেপুটি কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন কৃষ্ণ পদ রায়।

পরবর্তীতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) হিসেবে দায়িত্ব পালনকাল করেন কৃষ্ণ পদ রায়। ডিআইজি পদমর্যাদায় অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার ক্রাইম ও অপারেশন পদেও দায়িত্ব পালন করেন। গত বছরের ৭ নভেম্বর ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার পূর্ণ দায়িত্ব পান তিনি।

নিউজ ট্যাগ: কৃষ্ণ পদ রায়

আরও খবর



বিডিআর বিদ্রোহের পেছনে বিএনপির হাত ছিলো: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, এটা এখন প্রকাশ্য দিবালোকের মত স্পষ্ট যে চৌকষ সেনা কর্মকর্তাদের হত্যা করা বিডিআর বিদ্রোহের পেছনে বিএনপির হাত ছিলো।

রাজধানীর মিন্টো রোডে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এমন দাবি করেন।

সম্প্রতি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আব্দুল মঈন খান পিলখানা হত্যাকাণ্ডের পেছনে সরকারের হাতের ইঙ্গিত দিয়ে বক্তব্য দেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিপুল রায় নিয়ে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর বিএনপি হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছে। তাই তারা প্রলাপ বকছে। তিনি বলেন, তারাই ষড়যন্ত্র করে বিডিআর বিদ্রোহ ঘটিয়েছে।

এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের প্রথম দিন বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার গতিবিধি সন্দেহজনক ছিলো। ঘটনার অনেক আগেই তিনি ক্যান্টনমেন্টের বাসা থেকে বেরিয়ে যান। বেগম জিয়া তো এতো সকালে ঘুম থেকেই উঠে না। তার সেসময়কার কল রেকর্ড সরকারের কাছে। বিডিআর বিদ্রোহে যারা মারা গেছেন তারা আওয়ামী পরিবারের সন্তান উল্লেখ করে হাছান মাহমুদ মনে করিয়ে দেন, তৎকালীন পুলিশ মহাপরিদর্শকের মেয়ের জামাইও নিহত হয়েছেন এই বিদ্রোহে।

হাছান মাহমুদ বলেন, সমগ্র পৃথিবী যখন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানাচ্ছে তখন বিএনপি এসব অযৌক্তিক কথা বলে নিজেদের অস্তিত্ব জানান দেয়ার চেষ্টা করছে।

সফররত যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে আলোচনা প্রসঙ্গে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক আরো উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া নিয়ে গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।


আরও খবর



পুলিশ সপ্তাহ-২০২৪ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

রাজারবাগ পুলিশ লাইনস মাঠে পুলিশ সপ্তাহ-২০২৪ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় তিনি পুলিশ সপ্তাহ উদ্বোধন করেন।

পুলিশ সপ্তাহ-২০২৪ এর বার্ষিক প্যারেডে কমান্ডার হিসেবে নেতৃত্ব দিচ্ছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ডিসি মো. সোহেল রানা। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ পুলিশের বিভিন্ন কন্টিনজেন্টের পুলিশ সদস্যরা প্যারেডে অংশ নেবেন।

২০২২ সালের ১ ডিসেম্বর থেকে চলতি বছরের ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত অসীম সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতি হিসেবে ৩৫ জন পুলিশ সদস্যকে বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম), ৬০ জনকে রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম) এবং গুরুত্বপূর্ণ মামলার রহস্য উদঘাটন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, দক্ষতা, কর্তব্যনিষ্ঠা, সততা ও শৃঙ্খলামলূক আচরণের মাধ্যমে প্রশংসনীয় অবদানের জন্য ৯৫ জন পুলিশ সদস্যকে বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম)-সেবা এবং ২১০ জনকে রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম)-সেবা পদকে ভূষিত করা হবে। প্রধানমন্ত্রী পদকপ্রাপ্তদের পদক পরিয়ে দেবেন।

পুলিশ সপ্তাহ-২০২৪ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব এবং পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাণী দিয়েছেন।


আরও খবর