আজঃ শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১
শিরোনাম

‘শেখ হাসিনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়’ পাচ্ছে শরীয়তপুরবাসী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১২ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১২ অক্টোবর ২০২১ | ৩৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

শরীয়তপুরে "শেখ হাসিনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়" স্থাপন করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ সংক্রান্ত ফাইলে সই করেছেন।

মঙ্গলবার (১২ অক্টোবর) শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনকে চিঠি দেওয়া হয়েছে এ বিষয়ে খড়সা আইন প্রণয়ন করার জন্য। দুপুরে পানি সম্পদ উপমন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীম তার ভেরিফাইড ফেজবুক পেইজে এ বিষয়ে তথ্য দেওয়ার পর শরীয়তপুরের বিভিন্ন স্থানে মিষ্টি বিতরণ হয়েছে।

শরীয়তপুর জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, শরীয়তপুরে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণের কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নেই। জেলায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের দাবী ছিল দীর্ঘদিনের। শরীয়তপুর ২ আসনের সাংসদ ও পানি সম্পদ উপমন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীম গত বছর জাতীয় সংসদের অধিবেশনে একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যাল স্থাপনের দাবী জানান।

শেখ হাসিনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য তিনি গত ১০ জুন শিক্ষা মন্ত্রী দীপু মনির কাছে একটি আধাসরকারি পত্র (ডিও লেটার) দেন। এর পরই শিক্ষা মন্ত্রণালয় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের কার্যক্রম শুরু করেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে একটি সারসংক্ষেপ পাঠানো হলে ৬ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তা নীতিগত অনুমোদন দিয়েছেন।

মঙ্গলবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনে চিঠি দিয়ে যুগোপযোগী খসড়া আইন প্রণয়নের অনুরোধ করে। ওই চিঠিতে উল্লেখ করা হয় শেখ হাসিন কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের নীতিগত অনুমোদন দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সরকারি সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উপসচিব মাহমুদুল আলম এ সংক্রান্ত চিঠিটিতে মঙ্গলবার সই করেন।

এ সকল বিষয় পানি সম্পদ উপমন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীম বলেন, আমাদের  দক্ষিণাঞ্চল কৃষি ও নদী প্রধান এলাকা। এ অঞ্চলের পিছিয়ে পরা মানুষকে আরো সমৃদ্ধ করতে, নতুন প্রজন্মের কাছে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি করার চেষ্টা ছিল আমাদের। একটি উচ্চ শিক্ষা গ্রহন করার প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিও ছিল। আমাদের সেই স্বপ্নকে ধারণ করে প্রধামন্ত্রী সম্মতি দিয়েছেন কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় করার। আমরা তার কাছে কৃতজ্ঞ। প্রধানমন্ত্রীর নীতিগত অনুমোদন দেয়ার পর ইতোমধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয় হতে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।


আরও খবর



ঠাকুরগাঁওয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ হারালেন মা-ছেলে

প্রকাশিত:শনিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৫৫৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় ধান ক্ষেতের সেচ পাম্পের বৈদ্যুতিক তারে জড়িয়ে মা ও ছেলের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার রাতে উপজেলার বলিদ্বারা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মৃতরা হলেন-রানীশংকৈল উপজেলার বলিদ্বারা গ্রামের মনু মিয়ার স্ত্রী আফরোজা বেগম এবং তার ছেলে আব্দুল কাদের।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যায় আব্দুল কাদের বাড়ির অদূরে ধান ক্ষেতে সেচ দিতে যায়। অন্ধকারে সেচ ঘরে পাম্পের সুইচ দিতে গিয়ে তিনি বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে যান। দীর্ঘ সময়েও বাড়িতে না ফেরায় মা আফরোজা বেগম ঘটনাস্থলে গিয়ে ছেলেকে খুঁজতে থাকেন। আব্দুল কাদেরকে অজ্ঞান অবস্থায় দেখতে পেয়ে তাকে স্পর্শ করতে গিয়ে আফরোজাও বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে যান।

আফরোজার সঙ্গে থাকা নাতির চিৎকারে লোকজন ছুটে গিয়ে মা-ছেলের লাশ দেখতে পায়। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে যায়। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান জমিরুল ইসলাম মা ও ছেলের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।


আরও খবর



যেভাবে অনলাইনে কিডনি কেনাবেচা করত প্রতারক চক্রটি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১২ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১২ অক্টোবর ২০২১ | ৬৭০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অবৈধভাবে কিডনি কেনাবেচার সংঘবদ্ধ চক্রের অন্যতম হোতা ও সংশ্লিষ্ট ফেসবুক পেইজ অ্যাডমিন মো. শাহরিয়ার ইমরানসহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।

এ চক্রটি ফেসবুকে অবৈধভাবে কিডনি কেনাবেচা করতো। কিডনি বেচে তারা ১৫-২০ লাখ টাকা পেলেও কিডনি দাতাকে দিত দুই লাখ টাকা। গরিব ও অসহায় মানুষ চিহ্নিত করে তাদের টার্গেট করতো ইমরানরা।

মঙ্গলবার দুপুরে কারওয়ান বাজারে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য দেন র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন। অনলাইনে কিডনি পাচারচক্রের হোতাদের গ্রেফতারের বিস্তারিত তথ্য জানাতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সোমবার রাত থেকে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত র‌্যাব-৫, র‌্যাব-২ ও র‌্যাব সদরদপ্তরের গোয়েন্দা শাখার যৌথ অভিযানে জয়পুরহাট ও রাজধানীর নর্দ্দা থেকে কিডনি কেনাবেচা সিন্ডিকেটের অন্যতম হোতাসহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়।

তারা হলেন- মো. শাহরিয়ার ইমরান আহম্মেদ (৩৬), মো. মেহেদী হাসান (২৪), মো. সাইফুল ইসলাম (২৮), মো. আব্দুল মান্নান (৪৫), ও মো. তাজুল ইসলাম ওরফে তাজু (৩৮)।

র‌্যাব বলছে, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের গরিব মানুষ চিহ্নিত করে তাদের অর্থের বিনিময়ে কিডনি ট্রান্সপ্লান্টেশনের জন্য ডোনার হতে প্রলুব্ধ করা হত। এরপর ডোনারকে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে পাঠানো হত।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার ব্যক্তিরা জানান, তাদের চক্রের মোট সদস্য সংখ্যা ১৫-২০ জন। তারা ৩টি ভাগে বিভক্ত হয়ে কিডনি কেনাবেচা করে থাকে।  চক্রের প্রথম গ্রুপ ঢাকায় অবস্থান করে কিডনি ট্রান্সপ্লান্টেশন প্রয়োজন এমন বিত্তশালী রোগীদের সঙ্গে ফেসবুকের মাধ্যমে যোগাযোগ করে। আর চক্রের দ্বিতীয় দলটি চাহিদা অনুযায়ী দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের গরিব ও অভাবী মানুষ চিহ্নিত করে এবং তাদের অর্থনৈতিক দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে কিডনি ট্রান্সপ্লান্টেশনের জন্য ডোনার হতে প্রলুব্ধ করে ঢাকায় নিয়ে আসে।

অপরদিকে তৃতীয় গ্রুপটি প্রলোভনের শিকার কিডনি ডোনারদের ঢাকায় বিভিন্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে কিডনি ট্রান্সপ্লান্টেশন রোগীর সঙ্গে ব্লাড ম্যাচিং ও অন্যান্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা করায়। ব্লাড ম্যাচিং ও অন্যান্য ডায়াগনস্টিক টেস্টে কিডনি ট্রান্সপ্লান্টেশনের উপযুক্ততা নিশ্চিত হওয়ার পর তার পাসপোর্ট, ভিসা প্রসেসিং ও ভুয়া কাগজপত্র তৈরির মাধ্যমে ডোনারকে পার্শ্ববর্তী দেশে পাঠানোর জন্য প্রস্তুত করা হয়।

চক্রের হোতা ইমরান প্রতি কিডনি ট্রান্সপ্লান্টেশন বাবদ ৫-১০ লাখ টাকা, মান্নান ও তাজুল প্রতি কিডনি দাতা সংগ্রহ বাবদ যথাক্রমে ৫ ও ৩ লাখ টাকা নিতেন।

অপরদিকে চক্রের মূলহোতা ও অন্যতম আসামি শাহরিয়ার ইমরান ভারতে অবস্থান করে স্থানীয় দালাল ও অনলাইনের মাধ্যমে কিডনি রোগীদের সঙ্গে যোগাযোগ করতেন।

তিনি দুটি পেজের এডমিন। এটির নাম বাংলাদেশ কিডনি ও লিভার পেশেন্ট চিকিৎসা সেবা’ এবং অপরটি কিডনি লিভার চিকিৎসা সেবা’। এ পর্যন্ত তিনি কিডনি বিক্রির জন্য প্রায় শতাধিক মানুষকে ভারতে পাচার করেছেন বলে জানান কমান্ডার খন্দকার আল মঈন। তার বিরুদ্ধে মানবদেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন আইনে ৬টির বেশি মামলা রয়েছে।

র‌্যাবের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, গ্রেফতার ব্যক্তিরা এভাবে বিপুল অর্থ অবৈধ উপায়ে হাতিয়ে নিয়েছে। প্রতিটি কিডনি প্রতিস্থাপনের জন্য তারা রোগীর কাছ থেকে ১৫-২০ লাখ টাকা নিত। বিপরীতে তারা কিডনি ডোনারকে ৩-৪ লাখ টাকা দেওয়া হবে বলে আশ্বস্ত করে অগ্রিম দুই লাখ টাকা দিত।

অভিযানে ভুক্তভোগী কিডনি দাতাদের ৪টি পাসপোর্ট, মেডিকেল চিকিৎসার জন্য পাসপোর্ট, ভিসা সম্পর্কিত বেশকিছু কাগজপত্র, ৫টি মোবাইল ও দেশি-বিদেশি মুদ্রা জব্দ করা হয়।


আরও খবর



তাস খেলাকে কেন্দ্র করে লক্ষ্মীপুরে জেলেকে পিটিয়ে হত্যা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১২ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১২ অক্টোবর ২০২১ | ৩২০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

লক্ষ্মীপুরে তাস খেলার জন্য ডেকে নিয়ে শরীফ বেপারী (৩৫) নামের এক জেলেকে পিটিয়ে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে। আজ মঙ্গলবার ভোরে আহত অবস্থায় তাকে সদর হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে।

এর আগে গতকাল সোমবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে শরিফকে পেটানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে।

শরীফ সদর উপজেলার চররমনী মোহন ইউনিয়নের পশ্চিম চর রমনীমোহন গ্রামের আবদুল বেপারীর ছেলে। নিহত ব্যক্তি মেঘনা নদীতে মাছ শিকার করতেন। তার মরদেহ সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

নিহতের বাবার আবদুল ব্যাপারীর অভিযোগ, স্থানীয় নাছির মোল্লা, জাহাঙ্গীর মোল্লা, আলমগীর মোল্লা, কাশেম ছৈয়াল ও হযরত আলী মাঝিরা তার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে পিটিয়েছে। তিনি এ হত্যার বিচার চান।

এ ব্যাপারে লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) ড. এ এইচ এম কামরুজ্জামান বলেন, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরও খবর



রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে আটক ৭৯

প্রকাশিত:শনিবার ০২ অক্টোবর 2০২1 | হালনাগাদ:শনিবার ০২ অক্টোবর 2০২1 | ৫৪০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে মাদক বিক্রি ও সেবনের অপরাধে ৭৯ জনকে আটক করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। শুক্রবার (০১ অক্টোবর) সকাল ৬টা থেকে শনিবার (০২ অক্টোবর) সকাল ৬টা পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) ইফতেখায়রুল ইসলাম জানান, তাদের কাছ থেকে ৩১০৪৫ পিস ইয়াবা, ১০৯ গ্রাম ২২৩ পুরিয়া হেরোইন, ২ বোতল ফেনসিডিল, ২.৫ লিটার দেশি মদ, ১২টি ইনজেকশন, ১ কেজি ২০০ গ্রাম আইস ও ১৫ কেজি ৮৬০ গ্রাম ৪০ পুরিয়া গাঁজা জব্দ করা হয়।

আসামিদের বিরুদ্ধে ডিএমপির থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৫৩টি মামলা দায়ের করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।


আরও খবর
শাহবাগে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ

শুক্রবার ২২ অক্টোবর ২০২১




করোনা টেস্টের আড়াই কোটি টাকা আত্মসাৎ

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ১২৭০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

করোনা টেস্টের ২ কোটি ৫৮ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন খুলনার সদর হাসপাতালের মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (ল্যাব) প্রকাশ কুমার দাশ। সিভিল সার্জনের তদন্ত রিপোর্টে সম্প্রতি এমন তথ্য উঠে এসেছে। এ ঘটনা জানাজানি হওয়ার খুলনায় তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়েছে।

এত বড় অংকের টাকা সরকারের রাজস্ব খাতে জমা না দিয়ে দীর্ঘদিন কালক্ষেপণ করার পর অবশেষে পালিয়ে গেছে প্রকাশ। খুলনা সদর থানায় এ বিষয়ে মামলার প্রস্তুতি করছেন সিভিল সার্জন।

জানা যায়, গত বছরের ২ জুলাই থেকে সদর হাসপাতালে করোনা টেস্টের কার্যক্রম শুরু হয়।

প্রাথমিকভাবে সাধারণ মানুষদের ৩শ ও ৫শ টাকা এবং বিদেশগামীদের সাড়ে ৩ হাজার থেকে সাড়ে ৪ হাজার টাকা করোনা টেস্টের জন্য নেওয়া হত। এসব টেস্টের টাকা সংগ্রহ করে চালানের মাধ্যমে সিভিল সার্জন অফিসে দেওয়ার দায়িত্ব ছিল সদর হাসপাতালের মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (ল্যাব) প্রকাশ কুমারের।

সেই মোতাবেক প্রকাশ প্রতিদিনই চালানের মাধ্যমে কোভিড টেস্টের টাকা জমা দিয়ে আসছিল। কিন্তু টাকা জমা দেওয়ার সাথে টেস্টের সামঞ্জস্য হওয়ায় সন্দেহ সৃষ্টি হয় সিভিল সার্জন অফিসের।

এর আগের সিভিল সার্জন ডা. সুজাত আহমেদ লিখিতভাবে প্রকাশের কাছে কোভিড টেস্টের টাকার হিসাব চাইলে প্রকাশ সেটা দেয়নি। এরপর বর্তমান সিভিল সার্জন ডা. নিয়াজ মোহাম্মদ গত বছরে খুলনায় যোগদানের পর থেকে প্রকাশের কাছে হিসাব চেয়ে কয়েক দফা লিখিত আকারে চাইলেও গুরুত্ব দেয়নি প্রকাশ।  প্রায় ৫/৬টি চিঠি লিখিত আকারে প্রকাশকে দেওয়ার পর গত ২৬ জুলাই সে হিসাব দেওয়ার জন্য ১মাস সময় চেয়ে উত্তর দেন।

কিন্তু এতে রাজি না হয়ে সিভিল সার্জন তাকে ১৫ দিনের  মধ্যেই হিসাব দিতে বলেন। কিন্তু তাতে গড়িমসি শুরু করে প্রকাশ। এক পর্যায়ে বাধ্য হয়ে সিভিল সার্জন নিজেকে প্রধান করে ৫ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি করেন। কমিটির যাচাই বাছাই শেষে কোভিড টেস্টের ২ কোটি ৫৭ লাখ ৯৭ হাজার টাকার গড়মিল মেলে। এরপর প্রকাশকে এই টাকা দ্রুত পরিশোধ করার জন্য বলা হলে সে টাকা দিতেও স্বীকার হয়। তবে টাকা পরিশোধের জন্য তিনি সময় দাবি করেন।

সিভিল সার্জন ডা. নিয়াজ মোহাম্মদ বলেন, প্রকাশকে কোন সময় না দিয়ে গত ২০ সেপ্টেম্বর শোকজ করা হয়। পরবর্তীতে প্রকাশ গত ২৩ সেপ্টেম্বর তার অফিসের কর্মচারীদের নিয়ে হিসাব পুণরায় হিসাব যাচাই বাছাই করা শুরু করেন।

দুপুরের দিকে প্রকাশ তার সহকর্মীদের জানায়, তার দুঃসম্পর্কের আত্মীয় মারা গেছে। এই বলে সে অফিস ত্যাগ করে। এখনও তার সন্ধান মেলেনি।

তিনি আরও বলেন, তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। কিন্তু প্রকাশের সঙ্গে পরিবারের কোনো যোগাযোগ নেই।

প্রকাশ যশোরের বাঘারপাড়া এলাকার সুরেন্দ্রনাথ দাসের ছেলে। সে নগরীর মুজগুন্নি এলাকায় বসবাস করত। তার স্ত্রী একজন নার্স।

সিভিল সার্জন আরও বলেন, তদন্ত কমিটির রিপোর্ট বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের নিকট পাঠানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মামলা করার জন্য প্রস্তুতি চলছে।


আরও খবর