আজঃ মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম
চট্টগ্রামে সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে তিনজনে দাঁড়িয়েছে ঢাকা, চট্টগ্রাম, বগুড়া ও রাজশাহীতে বিজিবি মোতায়েন কোটা বহালে হাইকোর্টের রায় বাতিল চেয়ে লিভ টু আপিল ঢাকা কলেজের সামনে সংঘর্ষে একজনের মৃত্যু রাবিতে হলে ঢুকে মোটরসাইকেলে আগুন, ব্যাপক ভাঙচুর চট্টগ্রামে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে ছাত্রলীগের সংঘর্ষে নিহত ২ রায়সাহেব বাজারে গুলি, আহত জগন্নাথের ৪ শিক্ষার্থী রংপুরে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীর মৃত্যু রণক্ষেত্র সায়েন্সল্যাব: দফায় দফায় চলছে সংঘর্ষ, ঘটনাস্থলে নেই পুলিশ রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ছাত্রলীগের সংঘর্ষ

সহযোগী অধ্যাপক হলেন ৬৯০ জন

প্রকাশিত:বুধবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের ৬৯০ জন সহকারী অধ্যাপক থেকে সহযোগী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পেয়েছেন। প্রায় তিন বছর পর জাতীয় বেতন স্কেল-২০১৫ অনুযায়ী পঞ্চম গ্রেডে পদোন্নতি পেয়েছেন তারা। বুধবার তাদের পদোন্নতি দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ।

সিনিয়র সহকারী সচিব রেবেকা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে ৬৯০ সহকারী অধ্যাপককে সহযোগী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দিয়ে পদায়ন দেওয়া হয়েছে। প্রচলিতভাবে এবারও শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের বিষয়ভিত্তিক পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর করা হবে বলে প্রজ্ঞাপনে জানিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পদোন্নতি পাওয়া কর্মকর্তারা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) হিসেবে যোগদান করে আগের পদের দায়িত্ব পালন করবেন।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী, পদোন্নতি পাওয়া কর্মকর্তাদের বিমুক্তি ও যোগদান প্রক্রিয়া অনলাইনে সম্পন্ন হবে। ইনসিটু বা সংযুক্ত সহযোগী অধ্যাপকরা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের পরিবর্তে সংযুক্ত কর্মস্থলের নির্ধারিত হারে বেতন ও অন্যান্য ভাতা প্রাপ্য হবেন।

পদোন্নতি পেয়ে সহযোগী অধ্যাপক হওয়া বিভিন্ন বিভাগে শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের মধ্যে অর্থনীতির ৪০, আরবি ও ইসলামী শিক্ষার ২২, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতির ৩৭, ইংরেজির ৫৯, ইতিহাসের ৩৫, উদ্ভিদবিদ্যার ৩৫, কৃষিবিজ্ঞানের ২, গার্হস্থ্য অর্থনীতির ২, গণিতের ৩২, দর্শনের ৩২, পদার্থবিদ্যার ৩৫, পরিসংখ্যানের ৪, প্রাণিবিদ্যার ৩৬, বাংলার ৫৯, ব্যবস্থাপনার ৪৭, ভুগোলের ১৪, মনোবিজ্ঞানের ৭, রসায়নের ৪০, রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ৬৬, সমাজকল্যাণের ১৩, সমাজবিজ্ঞানের ১৫, সংস্কৃতের ১, হিসাববিজ্ঞানের ৪৭, ইসলামী আদর্শ (টিটিসি) ১, ইংরেজি (টিটিসি) ১, ইতিহাসের (টিটিসি) ১, গাইডেন্স অ্যান্ড কাউন্সিলিংয়ের (টিটিসি) ১, গণিতের (টিটিসি) ১, প্রফেশনাল ইথিক্সের (টিটিসি) ১, বাংলার (টিটিসি) ১, ভুগোলের (টিটিসি) ১, রাষ্ট্রবিজ্ঞানের (টিটিসি) ১ ও বিজ্ঞানের (টিটিসি) ১ জন রয়েছেন।


আরও খবর



ফাইনালে আর্জেন্টিনার মুখোমুখি উড়তে থাকা কলম্বিয়া

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ক্রীড়া প্রতিবেদক

Image

কলম্বিয়া ও উরুগুয়ে দুই দলই এবারের কোপায় দুর্দান্ত খেলে সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে। আগে থেকেই অনুমেয় ছিল ম্যাচটা হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে। আর হয়েছেও তাই। তবে ব্রাজিলকে বিদায় করে সেমিফাইনালে ওঠা উরুগুয়েকে বিদায় করে ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে কলম্বিয়া।

শার্লটের ব্যাঙ্ক অফ আমেরিকা স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) উড়তে থাকা উরুগুয়েকে ১-০ গোলে হারিয়ে ফাইনালে জায়গা করে নেয় কলম্বিয়া। প্রথমার্ধে জেফারসন লারমার করা গোলটি ম্যাচে ব্যবধান গড়ে দেয়।

এবারের কোপায় শুরু থেকেই দাপট দেখিয়ে এসেছে উরুগুয়ে। গ্রুপ পর্বে সব ম্যাচে জয় পাওয়া উরুগুয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ব্রাজিলকে টাইব্রেকারে হারিয়ে সেমিফাইনালে জায়গা করে নেয়। অপরদিকে কলম্বিয়াও গ্রুপ পর্বে অপরাজিত থেকেই কোয়ার্টারে ওঠে। আর কোয়ার্টারে তারা পানামাকে ৫-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে সেমিতে জায়গা করে নেয়।

সেমিফাইনালে প্রথমার্ধে দুই দলই বেশ হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করেছে। তবে ম্যাচের ৩৯ মিনিটে লিড পেয়ে যায় কলম্বিয়া। জেমস রদ্রিগেজের নেয়া কর্নার থেকে হেডে গোল করেন জেফারসন লারমা। এটা এবারের আসরে রদ্রিগেজের ষষ্ঠ অ্যাসিস্ট।

গোল পেলেও কলম্বিয়ার জন্য প্রথমার্ধটা সুখকর থাকেনি শেষ মুহূর্তে গিয়ে। ডানিয়েল মুনজ প্রতিপক্ষের এক খেলোয়াড়কে কনুই দিয়ে আঘাত করলে রেফারি তাকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখান। ৩১ মিনিটে একবার হলুদ কার্ড দেখেছিলেন তিনি। ফলে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে।

দ্বিতীয় হাফে পুরোটাই আধিপত্য দেখিয়েছে উরুগুয়ে। আক্রমণের পসরা সাজিয়ে বসে নুনেজ-দে লা ক্রুজরা। তবে বাজে ফিনিশিংয়ে গোলের দেখা পায়নি উরুগুয়ে। ম্যাচের ৭১ মিনিটে খুব সহজ এক সুযোগ মিস করেন লুইস সুয়ারেজ। এই গোল পেলে খেলা টাইব্রেকারে গড়াত।

এদিকে কলম্বিয়াও নিশ্চিত গোলের সুযোগ মিস করেছে। উরুগুয়ের গোলরক্ষককে একা পেয়েও দুইবার গোল করতে ব্যর্থ হয়েছে কলম্বিয়া। শেষ পর্যন্ত ঐ এক গোলে জয় নিয়েই ফাইনালে জায়গা করে নেয় তারা। এর ফলে ২৩ বছর পর কোপার ফাইনালে জায়গা করে নিল কলম্বিয়া। ২০০১ সালে ফাইনালে উঠে মেক্সিকোকে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিল তারা।

আগামী সোমবার (১৫ জুলাই) আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ফাইনালে মুখোমুখি হবে কলম্বিয়া। তার আগের দিন (১৪ জুলাই) তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে উরুগুয়ে খেলবে কানাডার বিপক্ষে।


আরও খবর



মুক্তির আগেই ‘কল্কি’র আয় প্রায় চারশো কোটি টাকা

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

বলিউডের বহুল অপেক্ষিত সিনেমা কল্কি মুক্তি পাবে আগামী ২৭ জুন। প্রভাস, দীপিকা পাড়ুকোন, অমিতাভ বচ্চন, কমল হাসান অভিনীত সিনেমাটি মুক্তির আগেই প্রায় চারশো কোটি টাকা আয় করে ফেলেছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম অনুযায়ী, অন্ধ্রপ্রদেশে বিক্রি হওয়া সিনেমার স্বত্ব থেকে ৮৫ কোটি রুপি আয় হয়েছে। কিছু স্বত্বের বিনিময়ে ২৭ কোটি টাকা পাওয়া গেছে। স্বত্ব মারফত আরও আয় হয়েছে ৭০ কোটি রুপি। ফলে অন্ধ্রপ্রদেশ টেকনোলজি সার্ভিস থেকে সিনেমাটির প্রযোজকরা এখনই পকেটে ভরেছেন ১৮২ কোটি রুপি।

একইভাবে স্বত্ব থেকে তামিলনাড়ু এবং কেরালায় কল্কির আয় ২২ কোটি রুপি। কর্ণাটক থেকে পাওয়া গেছে ৩০ কোটি রুপি। আর গোটা উত্তর ভারত থেকে ৮০ কোটি রুপির ব্যবসা করার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।

বিদেশের স্বত্বের বিনিময়ে আরও ৮০ কোটি রুপি ধরা হচ্ছে। সব মিলিয়ে মুক্তির আগেই কল্কি ২৮৯৮ এডির আয়ের পরিমাণ দাঁড়াচ্ছে ৩৯৪ কোটি টাকা। এর পর আবার অগ্রিম বুকিংও রয়েছে।

নাগ অশ্বিন পরিচালিত সিনেমাটিতে আছে মহাভারতের যোগ। তার ওপর ভিত্তি করেই ভবিষ্যতের গল্প সাজিয়েছেন পরিচালক নাগ অশ্বিন। এই সিনেমার সুবাদেই দীর্ঘ ৩৮ বছর পর অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করেছেন কমল হাসান। অশ্বথামার চরিত্রে অভিনয় করেছেন বিগ বি। আর কমল হাসান প্রধান খল চরিত্র সুপ্রিম ইয়াসকিন।

এছাড়াও ছবিতে রয়েছেন দক্ষিণী অভিনেতা ব্রহ্মানন্দম, পশুপতি, শোভনা। ভৈরবের ছায়াসঙ্গী বুজ্জির জন্য কণ্ঠ দিয়েছেন কীর্তি সুরেশ। আর সিনেমায় বাঙালির পাওনা কমান্ডার মানসের চরিত্রে শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়।


আরও খবর



মাছ ব্যবসায়ীদের ৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ, ঢাকায় গ্রেপ্তার

প্রকাশিত:শনিবার ২২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২২ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রাহুল সরকার, চট্টগ্রাম ব্যুরো

Image

চট্টগ্রামের সদরঘাট এলাকায় এন এন ফিশ প্রতিষ্ঠানের মালিক ইসমাইল মৎস্য ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে মাছ কিনে দেশের বিভিন্ন জায়গায় সরবরাহ করেন। নোমান ও সাগর কমিশনে তার ব্যবসার দেখাশোনা করতেন।

বিভিন্ন ব্যবসায়ীর প্রায় তিন কোটি টাকা আত্মসাৎ করে পালাচ্ছিলেন চট্টগ্রামের মাছ ব্যবসায়ী মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন (৩৯)। তিনি চট্টগ্রামের সদরঘাট স্ট্যান্ড রোডের এন এন ফিশ প্রতিষ্ঠানের স্বত্ত্বাধিকারী।

রাজধানীর হযরত শাহ জালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

শুক্রবার (২১ জুন) দুপুরে তাকে বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন শাখা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সদরঘাট থানার উপ-পরিদর্শক (এস আই) অর্ণব বড়ুয়া।

তিনি বলেন, এন এন ফিশ প্রতিষ্ঠানের মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন (৩৯) বিভিন্ন মাছ ব্যবসায়য়ীদের কাছ থেকে প্রায় তিন কোটি টাকা নিয়ে দুবাই পালিয়ে যাচ্ছিলেন। গত ২ ফেব্রুয়ারি মোহাম্মদ হাবিব নামে এক মাছ ব্যবসায়ি তিন কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগ তুলে তিনজনের বিরুদ্ধে সদরঘাট থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। আমরা তাকে গ্রেপ্তারের জন্য ইমিগ্রেশনে আবেদন করেছিলাম।

সদরঘাট থানার পরিদর্শক (ওসি) ফেরদৌস জাহান জানান, মাছ ব্যবসায়ী হাবিবের দায়ের করা মামলায় গত ৯ মে ভোরে কর্ণফুলী উপজেলার চরপাথরঘাটা এলাকা থেকে ইসমাইলের কর্মচারী আল আমিন প্রকাশ নোমান (৩৯) ও ম্যানেজার কাউছার আহাম্মদ সাগরকে (৩৫) গ্রেপ্তার করা হয়। প্রধান আসামি ইসমাইল এতোদিন পলাতক ছিলেন। ঢাকা বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ফেব্রুয়ারি মাসে ইসমাইল কয়েক দফায় হাবিবের কাছ থেকে ৮০ লাখ টাকার সামুদ্রিক মাছ কেনেন। এর মধ্যে দুই দফায় ৩০ লাখ টাকা পরিশোধ করেন। বাকি ৫০ লাখ টাকা গত ১৯ ফেব্রুয়ারি পরিশোধ করার কথা ছিল। ওই দিন হাবিবের ম্যানেজার সাদ্দামকে টাকার জন্য পাঠালে ইসমাইলের প্রতিষ্ঠান এন এন ফিশের অফিস তালাবদ্ধ দেখতে পান। মুঠোফোনও বন্ধ করে দেন ইসমাইল। এরপর থেকে তার আর খোঁজ মেলেনি।

সর্বশেষ চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে বিভিন্ন মাছ ব্যবসায়িদের কাছ থেকে প্রায় তিন কোটি টাকার মাছ কেনেন ইসমাইল। এরপর থেকে তিনি পলাতক আছেন। পরে ব্যবসায়ীরা নোমান ও সাগরের কাছে পাওনা টাকা চাইতে গেলে তারাও টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানান। ওই মাসেই ইসমাইলকে প্রধান আসামি করে সদরঘাট থানায় একটি মামলা করা হয়।


আরও খবর



বান্দরবানের থানচিতে আবারও পর্যটক ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৭ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জেলা প্রতিনিধি

Image

বান্দরবানের থানচি উপজেলায় আবারও পর্যটক ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছে উপজেলা প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) এক মতবিনিয়য় সভায় এ সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ মামুন।

মতবিনিময় সভায় বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সকল ট্যুরিস্ট স্পট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এর আগে, ঈদুল আযহা উপলক্ষ্যে থানচি উপজেলার দর্শনীয় কয়েকটি পর্যটন স্পট খুলে দিলেও আগত পর্যটকদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে আবারও উপজেলার পর্যটন স্পটগুলো বন্ধের সিদ্ধান্ত নিল উপজেলা প্রশাসন।

উল্লেখ্য, বান্দরবানের নতুন সশস্ত্র সংগঠন কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) তৎপরতার কারণে ২০২২ সালে অক্টোবর থেকে রুমা, থানচি ও রোয়াংছড়িতে দফায় দফায় পর্যটক ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। গত বছরের শেষের দিকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কেএনএফ ২ ও ৩ এপ্রিল থানচি ও রুমায় ব্যাংক ডাকাতি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অস্ত্র লুট করে। এ ঘটনার পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কেএনএফের বিরুদ্ধে সমন্বিত অভিযান পরিচালনা করছে। ব্যাংক ডাকাতির পর থেকে তিন উপজেলায় অঘোষিতভাবে পর্যটক ভ্রমণে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়।

নিউজ ট্যাগ: বান্দরবান

আরও খবর



৩ ঘণ্টায় ঢাকায় ৬০ মিলিমিটার বৃষ্টি, চরম ভোগান্তিতে নগরবাসী

প্রকাশিত:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

শুক্রবার সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত টানা তিন ঘণ্টা রাজধানীজুড়ে ঝুম বৃষ্টি হয়েছে। এই তিন ঘণ্টায় ঢাকায় ৬০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। এখনো গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। টানা বৃষ্টিতে বিভিন্ন স্থানে তৈরি হয়েছে জলাবদ্ধতা। চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন নগরবাসী।

টানা বৃষ্টিতে রাজধানীর মগবাজার ওয়্যারলেস গেট, বেইলি রোড, সিদ্ধেশ্বরী, মৌচাক, মালিবাগ মোড়, শান্তিনগর মোড়ে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। এসব এলাকার অলিগলিতে হাঁটুসমান পানি।

শান্তিনগর, মৌচাক এলাকার প্রধান সড়কে রয়েছে কোমরসমান পানি। ভারী বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষজন।

আজ সাপ্তাহিক সরকারি ছুটির দিন হলেও বেসরকারি চাকরিজীবী কিংবা খেটে খাওয়া মানুষ যারা জীবিকার টানে ঘরের বাইরে বের হয়েছেন তারা পড়েছেন সবচেয়ে বিপাকে। বৃষ্টির কারণে সড়কে যানবাহন কমই দেখা গেছে।

রাজধানীর ওয়ারলেস গেটের বাসিন্দা মুজাহিদ বলেন, হাঁটুসমান পানির ওপর দিয়ে মেইন রোডে এসেছি বাচ্চার জন্য ওষুধ নিতে। রাস্তায় ভয়াবহ অবস্থা। এই পানি কখন নামবে জানি না। নোংরা পানিতে পা চুলকাচ্ছে।

রিকশাচালক শাহেদ হাসান বলেন, কোমরসমান পানি থেকে রিকশাটা নিয়ে কোনোমতে মগবাজার এসেছি। ওইদিকে ভাড়া নিয়ে যাওয়া যায় না। বৃষ্টিতে মানুষ নেই, দু-একটা ভাড়া পেলেও হাঁটুপানি দিয়ে রিকশা চালাতে পারি না। শরীর আর পা চলে না।

ওয়ারলেস রেলগেট মোড়ের চা দোকানি আসেম মাহমুদ বলেন, আমরা নিম্নআয়ের মানুষ, কোনোমতে ছাউনির ভেতর বসে আছি। দুই ঘণ্টা ধরে পানি ছিল, এখন কিছুটা কমেছে। সকাল থেকে কাস্টমার নেই। বেচাবিক্রি নেই।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, মৌসুমি বায়ু সক্রিয় থাকায় এখন সারাদেশে যে কোনো মুহূর্তে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ৪৮ ঘণ্টার ভারী বর্ষণের সতর্কবাণী দিয়েছিল আবহাওয়া অফিস। দেশের পাঁচ বিভাগে ভারী বর্ষণের সঙ্গে দুই বিভাগের পাহাড়ি এলাকার কোথাও কোথাও ভূমিধসের শঙ্কার কথা জানায় সংস্থাটি।


আরও খবর