আজঃ শুক্রবার ০৫ মার্চ ২০২১
শিরোনাম

সিলেট মা ও ভাই-বোনকে কুপিয়ে হত্যা: ছেলে আটক

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ১১৫জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
পারিবারিক কলহের জের ধরে সৎমা-ভাই-বোনকে দা দিয়ে কুপিয়ে ও ছুরিকাঘাত করে কিশোর। ঘটনাস্থলে মা-মেয়ে মারা যান। দুজনের পুরো শরীরে এলোপাতাড়ি কোপ ও ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে

সিলেট শহরতলির শাহপরান থানা এলাকার বিআইডিসি মহল্লার একটি বাড়িতে শোয়ার ঘরের বিছানায় পড়ে থাকা মা ও ৯ বছরের মেয়ের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁদের শরীরে ধারালো অস্ত্রের এলোপাতাড়ি আঘাতের চিহ্ন ছিল। মা-মেয়ের লাশের পাশে সাত বছরের এক শিশু ছুরিকাঘাতে আহত অবস্থায় কাতরাচ্ছিল। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মারা যায়।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ১২টার দিকে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। পুলিশ বলছে, লাশ উদ্ধার করার সময় ওই বাড়ি থেকে রক্তমাখা একটি ছোরাসহ এক কিশোরকে (১৭) আটক করা হয়েছে। ওই কিশোর নিহত নারীর সৎপুত্র। নিহত নারীর নাম রুবিয়া বেগম (৩০) ও তাঁর মেয়ের নাম মাহা বেগম (৯) ও ছেলের নাম তাহসিন (৭)। তাহসিন সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পুলিশ জানায়, হত্যাকাণ্ডের সময় রুবিয়া বেগমের স্বামী আবদাল হোসেন (৪২) বাড়ির পাশেই মুদিদোকানে ছিলেন। তিনি মুদি ব্যবসায়ী।

শাহপরান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ আনিসুর রহমান জানান, প্রতিবেশীদের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ওই বাড়িতে যায়। তিনি জানান, পারিবারিক কলহের জের ধরে সৎমা-ভাই-বোনকে দা দিয়ে কুপিয়ে ও ছুরিকাঘাত করে কিশোর। ঘটনাস্থলে মা-মেয়ে মারা যান। দুজনের পুরো শরীরে এলোপাতাড়ি কোপ ও ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে। শয়নকক্ষের খাটের তোশকে আগুন ধরিয়ে বাইরে থেকে দরজা বন্ধ করে দেওয়ার সময় পুলিশ কিশোরকে আটক করেছে।

Share

আরও খবর



বরগুনায় বুক-পেট জোড়া লাগানো মৃত ২ কন্যা সন্তান প্রসব!

প্রকাশিত:রবিবার ২১ ফেব্রুয়ারী 20২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ ফেব্রুয়ারী 20২১ | ১০৯জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

অলিউল্লাহ ইমরান, বরগুনাঃ

বরগুনার পাথরঘাটায় পেটের সাথে জোড়া লাগানো শিশুর জন্ম হয়েছে। শনিবার  (২০ ফেব্রুয়ারী) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে বেসরকারী ক্লিনিক পাথরঘাটা সৌদি প্রবাসী হাসপাতালে অস্ত্রোপচার ব্যাতীত স্বাভাবিক ভাবে ডেলিভারির মাধ্যমে জোড়া লাগানো ২ কন্যা শিশুর জন্ম দেন সুখী আক্তার নামে এক গৃহবধূ। তারা দুজনই জন্মের পূর্বে মারা যায় বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের ব্যাবস্থাপক মনিরুজ্জামান।

নবজাতকদের বাবা আল আমিন জানান, সকালে তার স্ত্রীর পেটে ব্যাথা অনুভব হলে স্থানীয় ফকিরের কাছ থেকে পানি পড়া নিয়ে খাওয়ালে ব্যাথা আরো বাড়তে থাকে। বিকালে ডাঃ বশীর আহমেদ এর নিকট আাসার পরে তিনি আল্ট্রাসনোগ্রাম করতে পরামর্শ দেয়। পরে সৌদি প্রবাসী হাসপাতালে গেলে রোগীর অসুস্থতা আরো বেড়ে যায়।

সৌদি প্রবাসী হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডাঃ তাসলিমা শারমিন জানান, বিকেল সাড়ে চারটার দিকে হাসপাতালে নিয়ে আসার পর রোগীর অবস্থা গুরুতর দেখে প্রাথমিক চিকিৎসার মাধ্যমে ভেলিভারির ব্যাবস্থা করি। আল্লাহর অশেষ রহমতে কোন ধরনের অস্ত্রোপচার ছাড়াই স্বাভাবিক ভাবে পেটের সাথে জোড়া লাগানো দুটি মেয়ে শিশুর জন্ম হয়।

তিনি আরো জানান, ওই প্রসূতি নারী সাত মাসের গর্ভবতী ছিলেন। নবজাতকদের শারীরিকভাবে পরিপুষ্ট থাকলেও কি কারণে গর্ভে থাকা অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে তার কারণ নির্নয় করা যায়নি।

Share

আরও খবর



জাতীয় পতাকা দিবস আজ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ মার্চ 2০২1 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০২ মার্চ 2০২1 | ৯৪জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আজ ২ মার্চ, বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা দিবস। একাত্তরের এই দিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনে প্রথম জাতীয় পতাকা তোলা হয়েছিল। সবুজ জমিনের ওপর লাল বৃত্তের মাঝখানে সোনালি মানচিত্র খচিত পতাকা ওইদিন উত্তোলন করেছিলেন ডাকসুর সহ-সভাপতি আ স ম আবদুর রব।

তার পরের দিন ৩ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উপস্থিতিতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন মোহাম্মদ শাজাহান সিরাজ। তবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সর্বপ্রথম নিজ হাতে ধানমন্ডিতে তার নিজ বাসভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেছিলেন ১৯৭১ সালের ২৩ মার্চ। আর বিদেশের মাটিতে সর্বপ্রথম অর্থাৎ ভারতের কলকাতায় বাংলাদেশ মিশনে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়েছিল ১৯৭১ সালের ১৮ এপ্রিল।

পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর শোষণ, অন্যায়, অত্যাচার, অবিচারের বিরুদ্ধে তৎকালীন ডাকসু নেতাদের উদ্যোগে ২ মার্চ সাড়া দিয়েছিলের আমজনতা। প্রকৃতপক্ষে সেদিনের পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি ছাত্র-জনতা স্বাধীনতা সংগ্রামের অগ্নিমন্ত্রে উজ্জীবিত হয় এবং স্বাধীনতা অর্জনের পথে যাত্রা শুরু করে। পতাকা উত্তোলনই জানান দেয় স্বাধীন বাংলাদেশের বিকল্প নেই। দীর্ঘ ৯ মাসের বহু ত্যাগ, রক্তের বিনিময়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে। স্বাধীনতা সংগ্রামের ৯ মাস এই পতাকাই বিবেচিত হয় আমাদের জাতীয় পতাকা হিসেবে।

নিউজ ট্যাগ: পতাকা দিবস
Share

আরও খবর



জিয়াউর রহমানসহ ৪ খুনির মুক্তিযোদ্ধার খেতাব বাতিলের সিদ্ধান্ত

প্রকাশিত:বুধবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ১৩১জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানসহ বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত চার খুনি ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদের মুক্তিযোদ্ধা খেতাব বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

জিয়াউর রহমান ছাড়াও যে চার জনের মুক্তিযোদ্ধা খেতাব বাতিল হচ্ছে তারা হলেন - বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনি ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি শরিফুল হক ডালিম, নুর চৌধুরী, রাশেদ চৌধুরী ও মোসলেহ উদ্দিন খান। পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় স্মরণীয়-বরণীয় ব্যক্তিদের তালিকা থেকে খন্দকার মোশতাকের নামও বাদ পড়ছে।

মঙ্গলবার (০৯ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) ৭২তম সভায় এসব সিদ্ধান্ত হয়। সিদ্ধান্তগুলো সুপারিশ আকারে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর পর গেজেট বাতিলের প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও জামুকার সদস্য শাজাহান খান এমপি এসব তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। এসময় তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, জামুকার বৈঠকে জিয়াউর রহমান, শরিফুল হক ডালিম, নুর চৌধুরী, রাশেদ চৌধুরী ও মোসলেহ উদ্দিন খানের নামে খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধার গেজেট বাতিলের সিদ্ধান্ত হয়েছে। স্মরণীয়-বরণীয় ব্যক্তিদের তালিকা থেকে খন্দকার মোশতাকের নাম বাতিল করা হয়েছে। এ ধরনের আরও ব্যক্তির নাম পাওয়া গেলে পর্যায়ক্রমে বাদ দেয়া হবে।

এছাড়া এলজিইডির সাবেক প্রধান প্রকৌশলী ওয়াহিদুর রহমান ও গণপূর্ত অধিদপ্তরের সাবেক প্রধান প্রকৌশলী হাফিজুর রহমান মুন্সীর মুক্তিযোদ্ধার গেজেট ও সনদ বহালের সিদ্ধান্ত হয়েছে বলেও জানান শাজাহান খান। এর আগে অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ওয়াহিদুর রহমান ও হাফিজুর রহমান মুন্সীর গেজেট ও সনদ বাতিল করেছিল মন্ত্রণালয়।

Share

আরও খবর
জাতীয় পতাকা দিবস আজ

মঙ্গলবার ০২ মার্চ 2০২1




ট্রাম্পের অভিশংসন প্রক্রিয়া চালানোর পক্ষে ভোট সিনেটের

প্রকাশিত:বুধবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ১০৫জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিশংসন প্রক্রিয়া শুরুর অনুমোদন দিয়েছে মার্কিন সিনেট। সিনেটে ৫৬-৪৪ ভোটে বিচার প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার পক্ষে রায় আসে। গত ৬ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাপিটলেভয়াবহ হামলার ঘটনায় সহিংসতায় উস্কানি দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে।

মঙ্গলবার (৯ ফেব্রুয়ারি) একটি ভিডিও প্রদর্শনের মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু হয় এবং এ ভিডিওটি ছিল ট্রাম্পের ৬ জানুয়ারির বক্তৃতা এবং তার সমর্থকদের তাণ্ডবের দৃশ্য। ম্যারিল্যান্ড থেকে নির্বাচিত প্রতিনিধি জ্যামি রাসকিন বলেন, এটা বড় অপরাধ ও অসদাচরণ। এটা অভিশংসনযোগ্য অপরাধ না হলে আর কিছুই তা হতে পারে না।

তবে ৫৬-৪৪ ভোটের অর্থ হলো অন্তত ছয় জন রিপাবলিকান সিনেটর ট্রাম্পের বিচারের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। এরপরও এটি প্রমাণ করে যে সিনেটে শাস্তি এড়াতে ট্রাম্পের যথেষ্ট সমর্থন আছে। কারণ বিচার করে শাস্তি দিতে হলে সিনেটের দুই তৃতীয়াংশ সদস্যের সমর্থন দরকার হবে। তবে শাস্তি পেলে  ট্রাম্প ভবিষ্যতে আর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না।

এদিকে সিনেট কার্যক্রমের শুরুতে ডেমোক্র্যাটরা যুক্তি দেখান যে তাদের উদ্যোগ আইনসম্মত। এরপর দশ মিনিটের ভিডিওটি দেখানো হয় যেখানে ট্রাম্প তার সমর্থকদের জীবন বাজি রেখে লড়াইয়ের কথা বলেন। এরপরই ক্যাপিটলে হামলার ঘটনা ঘটে।

প্রতিটি পক্ষ এখন ১৬ ঘণ্টা করে সময় পাবে নিজেদের সপক্ষে যুক্তি তুলে ধরতে, যা শুরু হবে বুধবার দুপুর থেকে। এ যুক্তিতর্ক পুরো পর্যন্ত চলবে বলে ধারণা। এরপর সিনেটররা দুপক্ষকেই জেরা করার সুযোগ পাবেন।

তবে ডোনাল্ড ট্রাম্প এরই মধ্যে বলে দিয়েছেন, তিনি অভিশংসন শুনানিতে যোগ দেবেন না এবং কোনো বক্তব্যও দেবেন না। দুপক্ষের আইনপ্রণেতারাই বলেছেন, তারা দ্রুত এ প্রক্রিয়া শেষ করার পক্ষে।

সব মিলে যে ধরনের সময়সূচি দেখা যাচ্ছে, ধারণা করা যায়, ট্রাম্পকে দোষী সাব্যস্ত করা হবে কি হবে না, সে ব্যাপারে আগামী সোমবার নাগাদ একটা ভোটাভুটিতে যেতে পারে সিনেট।

Share

আরও খবর
নেপালি পুলিশের গুলিতে যুবক নিহত

শুক্রবার ০৫ মার্চ ২০২১

কুয়েতে মাসজুড়ে কারফিউ ঘোষণা

শুক্রবার ০৫ মার্চ ২০২১




নেপালি পুলিশের গুলিতে যুবক নিহত

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৫ মার্চ ২০২১ | ৪৪জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সীমান্তে নেপালি পুলিশের গুলিতে মারা গেছেন এক ভারতীয় যুবক। বৃহস্পতিবার রাতে উত্তরপ্রদেশের ভারত-নেপাল সীমান্তবর্তী পিলভিট এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো।

ভারতীয় পুলিশ জানিয়েছে, নিহত যুবকের নাম গোবিন্দ সিংহ, বয়স ২৬ বছর। তার সঙ্গে থাকা আরেক যুবক ঘটনার পর থেকে নিখোঁজ রয়েছেন।

পিলভিটের পুলিশ সুপার জয়প্রকাশ জানান, সীমান্তবর্তী রাঘবপুরী গ্রাম থেকে গোবিন্দ সিং, গুরমিত সিং ও পাপ্পু সিং নামে তিন বন্ধু নেপালের বেলোরি বাজারে কোনও কাজে গিয়েছিলেন। গভীর রাতে ফেরার সময় তাদের মধ্যে কোনও বিষয়ে ঝগড়া লাগে।

ভারতীয় এ পুলিশ কর্মকর্তার দাবি, সীমান্ত এলাকায় তাদের বাকবিতণ্ডায় হয়তো নেতিবাচক কিছু ভাবে নেপাল পুলিশ। একারণে ওই যুবকদের দিকে গুলি চালায় তারা। এতে গুরুতর আহত হন গোবিন্দ। পরে হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পর থেকে গোবিন্দর এক সঙ্গী এখনও নিখোঁজ। আরেকজন কোনওমতে প্রাণ বাঁচিয়ে ভারতে ফিরতে পেরেছেন। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পাশাপাশি, নেপাল পুলিশের সঙ্গেও যোগাযোগের চেষ্টা করছে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ।

এর আগে, গত বছরের মাঝামাঝি নেপালি পুলিশের গুলিতে মারা গিয়েছিলেন এক ভারতীয়। সেসময় বিহার সীমান্তে এক কৃষককে লক্ষ্য করে গুলি চালায় নেপালের পুলিশ। ওই ঘটনায় আহত হয়েছিলেন আরও তিনজন।

Share

আরও খবর
কুয়েতে মাসজুড়ে কারফিউ ঘোষণা

শুক্রবার ০৫ মার্চ ২০২১