আজঃ রবিবার ০৩ মার্চ ২০২৪
শিরোনাম

সিলেট সিটি নির্বাচন: পাঁচ মেয়র প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল, বৈধ ছয়

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৫ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৫ মে ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
সিলেট প্রতিনিধি

Image

সিলেট সিটি কর্পোরেশন (সিসিক) নির্বাচনে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে ছয়জন মেয়র প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ও পাঁচ স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।

বৃহস্পতিবার (২৫ মে) সিলেট নগরীর জালালাবাদ গ্যাস অডিটোরিয়ামে ১১ জন মেয়র প্রার্থীর মনোনয়ন যাচাই-বাছাই করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ফয়সাল কাদের।

এ সময় ভোটারদের তথ্যে ভুল, সম্পদের হিসাবে গরমিল ও আয়কর রিটার্নজনিত সমস্যার কারণে স্বতন্ত্র পাঁচ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়। মনোনয়ন বাতিল হওয়া প্রার্থীরা হলেন- শামসুন নুর তালুকদার, মো. আব্দুল মান্নান খান, মাওলানা জাহিদ উদ্দিন, শাহজাহান মিয়া ও মুস্তফা আহমেদ রউফ মোস্তফা।

মনোনয়ন বৈধ হওয়া প্রার্থীরা হলেন- মো. আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী (নৌকা), নজরুল ইসলাম বাবুল (লাঙল), হাফেজ মাওলানা মাহমুদুল হাসান (হাতপাখা) ও মো. জহিরুল আলম (জাকের পার্টি), মোহাম্মদ আবদুল হানিফ কুটু (স্বতন্ত্র) ও মো. ছালাহ উদ্দিন রিমন (স্বতন্ত্র)।

মনোনয়ন ফিরে পেতে আপিল করবেন বলে জানিয়েছেন স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থীরা। স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী মুস্তফা আহমেদ রউফ মোস্তফা বলেন, আমি একজন প্রবাসী। গত এক সপ্তাহ আগে দেশে এসেছি। তাই আয়কর দেওয়ার সুযোগ ছিল না। নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করবো।

এদিকে মনোনয়ন বৈধ হওয়া প্রার্থীরা জয়ের ব্যাপারে আশা প্রকাশ করেছেন। তবে সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য প্রার্থীদের।

মনোনয়ন বৈধ হওয়ায় কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আওয়ামী লীগ সমর্থিত মেয়র প্রার্থী আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী বলেন, আমরা একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন প্রত্যাশা করছি। যারা নির্বাচন ভয় পায় তারাই ইভিএম নিয়ে প্রশ্ন তুলেন। আজ গাজীপুরের নির্বাচনে ইভিএমের স্বচ্ছতা প্রমাণিত হবে। এছাড়া তার বিরুদ্ধে আনা আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগ সঠিক নয় বলে তিনি দাবি করেন।

অপরদিকে সুষ্ঠু ভোট নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে জাতীয় পার্টির মনোনীত মেয়র প্রার্থী নজরুল ইসলাম বাবুল বলেন, নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তাদের পক্ষপাতমূলক আচরণ সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে সন্দেহ সৃষ্টি করছে। আমরা চাই, নির্বাচনের শেষ দিন পর্যন্ত তারা যেন নিরপেক্ষতা বজায় রাখেন।

ইসলামী আন্দোলনের মেয়র প্রার্থী মাহমুদুল হাসান বলেন, নির্বাচন কমিশন মূলত মুরুব্বিদের ভূমিকা পালন করবেন আমরা সেই প্রত্যাশা করি। জনগণ যদি সুষ্ঠুভাবে ভোট দিতে না পারে তাহলে নির্বাচন কমিশনের ব্যর্থতা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। এ সময় তিনি ইভিএমে ভোট বাতিল করে ব্যালটের মাধ্যমে ভোটের দাবি জানান।

রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. ফয়সল কাদির জানান, যাদের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে তারা আগামী তিন দিনের মধ্যে আপিল করতে পারবেন।

প্রসঙ্গত, সিলেট সিটি কর্পোরেশন প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০২ সালে। ৭৯ দশমিক ৫০ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এই মহানগরীর ওয়ার্ড ৪২টি। মোট ভোটার ৪ লাখ ৮৬ হাজার ৬০৫ জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৫৩ হাজার ৭৬৩ ও নারী ২ লাখ ৩২ হাজার ৮৪২ জন। মোট কেন্দ্র ১৯০টি এবং ভোটকক্ষ এক হাজার ৩৬৪টি।


আরও খবর



গাঁজা বৈধ করল জার্মান পার্লামেন্ট

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

গাঁজাকে বিনোদনের উদ্দেশ্যে ব্যবহারের বৈধতা দিয়ে আইন পাস করেছে জার্মানির পার্লামেন্ট। এ আইনের আওতায় ১৮ বছরের বেশি বয়সী জার্মান নাগরিকেরা নির্দিষ্ট পরিমাণ গাঁজা রাখতে পারবেন। তবে যত্রতত্র গাঁজা সহজলভ্য হবে না, বরং গাঁজা কেনা আরও কঠিন হবে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, আগামী ১ এপ্রিল থেকে জার্মানিতে ধূমপানের মতো প্রকাশ্যে গাঁজাসেবন বৈধ হয়ে যাবে। গত শুক্রবার পার্লামেন্টে ৪০৭-২২৬ ভোটে গাঁজাকে বৈধতা দেওয়ার আইন পাশ হয়।

নতুন এ আইনে একজন প্রাপ্ত বয়ষ্ক নাগরিক নিজের কাছে ২৫ গ্রাম গাঁজা রাখতে পারবেন অথবা বহন করতে পারবেন। এ ছাড়া নিজের বাড়িতে সর্বোচ্চ ৫০ গ্রাম গাঁজা রাখতে পারবেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী কার্ল লটারবাখ বলছেন, নতুন এই আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্য, কালোবাজারকে দমানো, ধূমপায়ীদের ভেজাল গাঁজা থেকে রক্ষা করা এবং সঙ্ঘবদ্ধ অপরাধী চক্রের আয়ের উৎস কমানো।

তবে এ আইন পাসের পর আইনটির পক্ষেবিপক্ষে আলোচনা শুরু হয়েছে। চিকিৎসকেরা বলছেন, এতে তরুণদের মধ্যে স্বাস্থ্যঝুকি তৈরি হবে। অন্যদিকে প্রবীণ নাগরিকদের আশঙ্কা, গাঁজা বৈধ করার ফলে মাদকের ব্যবহার বাড়বে।

নতুন আইনে আরও বলা হয়েছে, স্কুল ও খেলার মাঠের মতো এলাকায় গাঁজাসেবন আগের মতোই অবৈধই থাকবে। বিশেষ করে কঠোরভাবে বাজার নিয়ন্ত্রণ করা হবে। কাজেই গাঁজা কেনা সহজ হবে না।


আরও খবর



জয়ার ইরান জয়

প্রকাশিত:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

প্রতিবছর ফজর চলচ্চিত্র উৎসব শেষে ইরান সরকার জাতীয় পুরস্কার প্রদান করে থাকে সেসব ছবিকে, যেগুলোর মাধ্যমে মানবাধিকার, শিক্ষা, পরিবেশ, দাতব্য কাজ ইত্যাদি বিভাগে দেশটির জাতীয় ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটে। এবার সেই বিভাগে ইরান সরকারের মন জয় করেছে জয়া আহসানের প্রথম ইরানি চলচ্চিত্র ফেরেশতে। মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির জন্য ইরানের জাতীয় পুরস্কার জিতেছে ফেরেশতে। মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাতে খবরটি জানান জয়া নিজেই।

এই পুরস্কারের পাশাপাশি, ফেরেশতে চলচ্চিত্রের প্রধান দুই অভিনেতা জয়া আহসান এবং সুমন ফারুককে খয়র-ই-মান্দেগার স্মারক প্রদান করে সম্মানিত করা হয়।

জয়া আহসান জানান, এই পুরস্কারটি খয়র-ই-মান্দেগার নামক একটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রদান করা হয়, যা ইরানের সব দাতব্য প্রতিষ্ঠান, দাতা, এনজিও-এর প্রতিনিধিত্ব করে এবং প্রতিষ্ঠানটি ইরানে ইউনিসেফের মতো সক্রিয়।

জয়াকে দেওয়া স্মারকপত্রে বলা হয়, শিল্পের মাধ্যমে দানশীলতা দেখানো জীবনের সবচেয়ে সুন্দর চিত্র। যা কখনো কখনো মানুষকে তার নিজের প্রকৃতির মহাসাগরের গভীরে টেনে নিয়ে যায়। যাতে তার অস্তিত্বের মুক্তা আহরণ করতে পারে। ফেরেশতে চলচ্চিত্রটি ভালোবাসা এবং শিল্পের এক অসাধারণ মিশ্রণ, যেখানে আপনি প্রতিটি মুহূর্তে দয়ার উজ্জ্বল আভা দেখতে পাবেন। খয়র-ই-মান্দেগার দাতব্য সংস্কৃতি কেন্দ্র এই চিরন্তন কাজে ভূমিকা রাখার জন্য ৪২তম ফজর আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের জাতীয় ইচ্ছার প্রতিফলন বিভাগে আপনাকে পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে।

৪২তম ফজর চলচ্চিত্র উৎসবের উদ্বোধনী ছবি হিসেবে প্রদর্শিত হয় ফেরেশতে। ইরানে ফেরেশতে চলচ্চিত্রটি দুরুগহায়ে যিবা নামে পরিচিত।

এ চলচ্চিত্রে জয়া আহসান ও সুমন ফারুক ছাড়াও রিকিতা নন্দিনী শিমু, শহীদুজ্জামান সেলিম, শাহেদ আলী, শাহীন মৃধা, শিশুশিল্পী সাথী অভিনয় করেছেন। পরিচালক মুর্তজা অতাশ জমজমের সঙ্গে সিনেমাটি লিখেছেন বাংলাদেশের মুমিত আল-রশিদ। ফারসি ও বাংলা অনুবাদ করেছেন মুমিত আল-রশিদ ও ফয়সাল ইফরান। যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত ফেরেশতে সিনেমায় সহপ্রযোজক হিসেবে আছে ইমেজ সিনেমা, সি তে সিনেমা এবং ম্যাক্সিমাম এন্টারপ্রাইজ বাংলাদেশ।


আরও খবর



অবশেষে বিচ্ছেদ নিয়ে মুখ খুললেন মাহির স্বামী রকিব

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

আবারও বিচ্ছেদের পথে হাঁটলেন চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি। বিয়ের আড়াই বছরের মাথায় সংসার ভাঙল এই অভিনেত্রীর। শুক্রবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) ফেসবুকে ভিডিও বার্তার মাধ্যমে এ খবর জানিয়েছেন ঢালিউড অভিনেত্রী নিজেই।

ভিডিওতে সংসার ভাঙার বিষয়টি জানানোর পাশাপাশি নিজ সন্তানকে নিয়ে কথা বলেন মাহি। কথা বলতে গিয়ে শেষের দিকে আবেগ সংবরণ করতে পারেননি মাহি। কাঁদতে কাঁদতে বলেন, আমার যে ছোট বাবুটা। আমার ফারিস আমার কলিজার টুকরা। ছোট বাচ্চাটাকে অনেকে অনেক কথা বলেন। ওকে নিয়ে কিছু লিখবেন না। সবাই দোয়া করবেন ফারিসকে নিয়ে আমার চলার পথটা যেন মসৃণ হয়।

এদিকে মাহির সঙ্গে বিচ্ছেদের বিষয়ে এতদিন কিছুই বলেননি মাহির স্বামী রকিব। বেশ কয়েকবার তার ফোনে কল দেয়া হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। অবশেষে বিচ্ছেদ নিয়ে মুখ খুললেন রকিব। গণমাধ্যমকে বলেন, আমি আসলে এ সময় এসব নিয়ে কথা বলতে চাই না। একটু সময় নিই। আমিও একটা ভিডিও করে সব কিছু বলব। আমি এসব নিয়ে কোথাও কোনো মন্তব্য করিনি। আমি একটু সব কিছু অবজার্ভ (পর্যবেক্ষণ) করছি। তার ভিডিও আপনারা দেখেছেন। আপনারা সবই শুনেছেন। নতুন করে আর কিছু বলতে চাইছি না। সময় নেই। তারপর বলব।

প্রসঙ্গত, ২০২১ সালে রাজনীতিবিদ ও ব্যবসায়ী কামরুজ্জামান সরকার রকিবকে বিয়ে করেন মাহিয়া মাহি। এটি মাহি ও রকিবের দ্বিতীয় বিয়ে ছিল। এর আগেও ২০১৬ সালের ২৪ মে সিলেটের ব্যবসায়ী পারভেজ মাহমুদ অপুকে বিয়ে করেছিলেন মাহি। এর কয়েক বছর পরেই ২০২০ সালে মে মাসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে পারভেজ মাহমুদ অপুর সঙ্গে বিচ্ছেদের কথা জানান মাহি।


আরও খবর



তেঁতুল কি আসলেই রক্ত পানি করে, ব্যথা বাড়ায় পিরিয়ডে ?

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জীবন ধারা ডেস্ক

Image

কাঁচা কিংবা পাকা, তেঁতুল নাম শুনলে প্রায় সব বয়সীদেরই জিভে জল আসে। টকজাতীয় এ ফলটিতে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ও প্রদাহরোধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে। যা কিনা ক্যানসার, হৃদরোগ ছাড়াও ডায়াবেটিসের মতো রোগের ক্ষেত্রে উপকারী ভূমিকা রাখতে পারে। আবার উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণেও তেঁতুল অনন্য।

যুগের পর যুগ ধরে রূপচর্চা ছাড়াও চিকিৎসার ক্ষেত্রজুড়ে আছে টকজাতীয় এই ফল। তবে উপকারী গুণের বাইরেও লোভনীয় এই ফলটি নিয়ে নানা নেতিবাচক কথাও শোনা যায়। তেঁতুল খেলে বুদ্ধি কমে যায়, রক্ত পানি হয়ে যায় কিংবা পিরিয়ডের সময় ফলটি খেলে পেটব্যথা ছাড়াও অতিরিক্ত রক্তস্রাব হয়- বয়োজ্যেষ্ঠদের মুখে এমন কথা প্রায়ই শোনা যায়। তাহলে কি আসলেই তেঁতুল এমন ক্ষতিকর?

নানা গুণসমৃদ্ধ তেঁতুলে আছে ভিটামিন ছাড়াও ক্যালসিয়াম, প্রোটিন, আয়রন, পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়ামের মতো উপাদান। এক কাপ বা ১২০ গ্রাম তেঁতুলে ৪৩ শতাংশ ভিটামিন বি-১, ১৫ শতাংশ ভিটামিন বি-৩ ও ১৪ শতাংশ ভিটামিন বি-২ পাওয়া যায়। পাশাপাশি এই পরিমাণ তেঁতুলে ক্যালসিয়াম থাকে ৭ শতাংশ, আয়রন ১৯ শতাংশ, ম্যাগনেশিয়াম ২৬ শতাংশ ও ১৬ শতাংশ পটাশিয়াম থাকে। এছাড়াও ভিটামিন সি, কে ও ফলিক অ্যাসিড সমৃদ্ধ ১২০ গ্রাম তেঁতুলে থাকে ২৮৭ ক্যালরি- এমনটাই জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিষয়ক ওয়েবসাইট হেলথ লাইন।

টকজাতীয় লোভনীয় এই ফলটির ব্যবহার নিয়ে ওয়েবসাইটটিতে বলা হয়েছে, ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসায় তেঁতুল অনন্য ভূমিকা রাখে। ক্ষত সারানোর ক্ষেত্রে ফলটির পাতা ছাড়াও গাছের বাকল ব্যবহারের তথ্য পাওয়া যায়। আবার কোষ্ঠকাঠিন্য ছাড়াও ডায়রিয়া, জ্বর ও ম্যালেরিয়ার মতো চিকিৎসায়ও তেঁতুলের পানীয় ব্যবহার হতো।

ওয়েবসাইটটিতে প্রকাশিত ওই নিবন্ধটি লেখেন তুরস্কের মারমারা ইউনিভার্সিটি স্কুল অব মেডিসিনের ইন্টার্ন চিকিৎসক পিনার কুরু। যেখানে তেঁতুলকে ভিটামিন ছাড়াও ফাইটোকেমিক্যাল, এসেনশিয়াল অ্যামিনো অ্যাসিডের (যা মানুষ ও অন্যান্য মেরুদণ্ডী প্রাণী বিপাকীয় প্রক্রিয়ায় তৈরি করতে পারে না) সহজলভ্য ও স্বস্তা একটি ফল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

তেঁতুলের এমন উপকারী সব গুণের কথা উঠে এসেছে স্বাস্থ্য বিষয়ক সংবাদ ও তথ্য সরবরাহকারী আমেরিকান করপোরেশন ওয়েব এমডিতে। এতে বলা হয়েছে, রোগ নিরাময়ের ক্ষেত্রে নানা পুষ্টিগুণে ভরপুর তেঁতুলের ব্যবহার নিয়ে আরও গবেষণা প্রয়োজন। স্বাস্থ্যের ওপর ইতিবাচক প্রভাব রাখা টকজাতীয় এই ফলটি প্রাচীনকাল থেকেই ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করে আসছে মানুষ।

ওয়েব এমডিতে লোভনীয় ফল তেঁতুলের উপকারিতা সম্পর্কে বলা হয়েছে, তেঁতুল থেকে ট্রিপটোফান ছাড়াও প্রয়োজনীয় সব অ্যামিনো অ্যাসিড পাওয়া যায়। ফলটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আদর্শ প্রোটিনের মান পূরণ করে। পাশাপাশি তেঁতুল থেকে পাওয়া প্রোটিন অ্যামিনো অ্যাসিড, টিস্যু তৈরি ও মেরামতের ক্ষেত্রেও ভূমিকা রাখে।

তেঁতুলের এমন উপকারী নানা দিকের কথা পাওয়া যায় বিবিসি গুড ফুডের ওয়েবসাইটেও। যেখানে বলা হয়েছে, তেঁতুলে পর্যাপ্ত পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট পাওয়া যায়। পাশাপাশি টকজাতীয় এই ফলটি হৃদপিণ্ডের স্বাস্থ্য ও কোলেস্টেরলের ভারসাম্য রক্ষা করতে পারে। সেই সঙ্গে লিভারের সুরক্ষামূলক কাজের পাশাপাশি তেঁতুল প্রাকৃতিক অ্যান্টি মাইক্রোবিয়াল বা জীবাণু নিরোধক হিসেবেও কাজ করে।

তবে ওয়েবসাইটটির প্রশ্নোত্তর অংশে তেঁতুল সবার জন্য নিরাপদ কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে বলা হয়েছে, উপকারী ফলটি কারও কারও ক্ষেত্রে অ্যালার্জির প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে। পাশাপাশি রক্তের শর্করার মাত্রা কমাতে সক্ষম তেঁতুল ডায়াবেটিস থাকলে সতর্কতার সঙ্গে খাওয়া উচিত।

অন্যদিকে, দেশের কৃষি তথ্য সার্ভিসের ওয়েবসাইটে তেঁতুল রক্ত পানি করে বা বুদ্ধি কমায় এমন ধারণাকে কুসংস্কার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়, লোভনীয় এই ফলটি রক্ত পরিষ্কারের পাশাপাশি চিন্তা করার ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়।

কৃষি তথ্য সার্ভিসের ওয়েবসাইটে আরও বলা হয়েছে, কাঁচা তেঁতুল খেতে টক, পাকা ফল টকমিষ্টির এক ভিন্ন স্বাদ। এটি খাবারে স্বাদ বাড়ায়। তাই মাংসের রোস্ট ছাড়াও পোলাও, খিচুড়িতে এর ব্যবহার হয়। এছাড়াও তেঁতুলের টক, ভর্তা, ডাল অনেকেরই প্রিয়। আবার তেঁতুল দিয়ে তৈরি করা যায় আচার, সস, জ্যাম, চাটনিসহ হরেক রকমের খাবার। এমনকি তেঁতুলের বীজ নকশি শিল্পেও ব্যবহার করা হয়।

অন্যদিকে, টকজাতীয় এই ফলটির পিরিয়ড বা ঋতুস্রাবের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই জানিয়ে ইউনিসেফ বলছে, ঋতুকালে রক্তস্রাবের সঙ্গে খাবারের কোনো সম্পর্ক নেই। পিরিয়ডের সময় খাওয়া যাবে না এমন কিছু নেই।


আরও খবর



পুতিনের ‘ভয়ঙ্কর’ শাসনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের আহ্বান নাভালনির স্ত্রীর

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

আলেক্সি নাভালনির স্ত্রী ইউলিয়া নাভালনায়া বলেছেন, তার স্বামীর মৃত্যুর জন্য রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং তার সরকারকে বিচারের আওতায় আনা হবে

শুক্রবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে তিনি বলেন, তারা আমাদের দেশের সাথে, আমার পরিবারের সাথে এবং আমার স্বামীর সাথে যা করেছে তার জন্য তাদের শাস্তি পেতে হবে।

এ সময় তিনি বলেন, তার স্বামীর মৃত্যুর সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য তার কাছে নেই। তিনি বলেন, তাদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে এবং এই দিনটি শীঘ্রই আসবে।

সিএনএনের খবরে বলা হয়েছে, অ্যালেক্সি নাভালনির স্ত্রী ইউলিয়া নাভালনায়া শুক্রবার তার স্বামীর মৃত্যুর পর পুতিনের ভয়ংকর শাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, আমি এটা নিয়ে (স্বামীর মৃত্যু নিয়ে) বেশ কিছুক্ষণ ভেবেছি। আমি ভাবলাম, আমি কি আপনাদের সামনে দাঁড়াব, নাকি আমি আমার সন্তানদের কাছে ফিরে যাব? তারপর আমি ভাবলাম, আমার জায়গায় অ্যালেক্সি হলে কী করত? আমি নিশ্চিত যে তিনি এই মঞ্চে দাঁড়াতেন।

তিনি বলেন, আমি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়- বিশ্বের সব মানুষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। আমাদের ঐক্যবদ্ধ হওয়া উচিত এবং এই অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করা উচিত।


আরও খবর