আজঃ মঙ্গলবার ৩০ মে ২০২৩
শিরোনাম

সিলেট সিটি নির্বাচন: পাঁচ মেয়র প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল, বৈধ ছয়

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৫ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৫ মে ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
সিলেট প্রতিনিধি

Image

সিলেট সিটি কর্পোরেশন (সিসিক) নির্বাচনে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে ছয়জন মেয়র প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ও পাঁচ স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।

বৃহস্পতিবার (২৫ মে) সিলেট নগরীর জালালাবাদ গ্যাস অডিটোরিয়ামে ১১ জন মেয়র প্রার্থীর মনোনয়ন যাচাই-বাছাই করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ফয়সাল কাদের।

এ সময় ভোটারদের তথ্যে ভুল, সম্পদের হিসাবে গরমিল ও আয়কর রিটার্নজনিত সমস্যার কারণে স্বতন্ত্র পাঁচ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়। মনোনয়ন বাতিল হওয়া প্রার্থীরা হলেন- শামসুন নুর তালুকদার, মো. আব্দুল মান্নান খান, মাওলানা জাহিদ উদ্দিন, শাহজাহান মিয়া ও মুস্তফা আহমেদ রউফ মোস্তফা।

মনোনয়ন বৈধ হওয়া প্রার্থীরা হলেন- মো. আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী (নৌকা), নজরুল ইসলাম বাবুল (লাঙল), হাফেজ মাওলানা মাহমুদুল হাসান (হাতপাখা) ও মো. জহিরুল আলম (জাকের পার্টি), মোহাম্মদ আবদুল হানিফ কুটু (স্বতন্ত্র) ও মো. ছালাহ উদ্দিন রিমন (স্বতন্ত্র)।

মনোনয়ন ফিরে পেতে আপিল করবেন বলে জানিয়েছেন স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থীরা। স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী মুস্তফা আহমেদ রউফ মোস্তফা বলেন, আমি একজন প্রবাসী। গত এক সপ্তাহ আগে দেশে এসেছি। তাই আয়কর দেওয়ার সুযোগ ছিল না। নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করবো।

এদিকে মনোনয়ন বৈধ হওয়া প্রার্থীরা জয়ের ব্যাপারে আশা প্রকাশ করেছেন। তবে সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য প্রার্থীদের।

মনোনয়ন বৈধ হওয়ায় কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আওয়ামী লীগ সমর্থিত মেয়র প্রার্থী আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী বলেন, আমরা একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন প্রত্যাশা করছি। যারা নির্বাচন ভয় পায় তারাই ইভিএম নিয়ে প্রশ্ন তুলেন। আজ গাজীপুরের নির্বাচনে ইভিএমের স্বচ্ছতা প্রমাণিত হবে। এছাড়া তার বিরুদ্ধে আনা আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগ সঠিক নয় বলে তিনি দাবি করেন।

অপরদিকে সুষ্ঠু ভোট নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে জাতীয় পার্টির মনোনীত মেয়র প্রার্থী নজরুল ইসলাম বাবুল বলেন, নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তাদের পক্ষপাতমূলক আচরণ সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে সন্দেহ সৃষ্টি করছে। আমরা চাই, নির্বাচনের শেষ দিন পর্যন্ত তারা যেন নিরপেক্ষতা বজায় রাখেন।

ইসলামী আন্দোলনের মেয়র প্রার্থী মাহমুদুল হাসান বলেন, নির্বাচন কমিশন মূলত মুরুব্বিদের ভূমিকা পালন করবেন আমরা সেই প্রত্যাশা করি। জনগণ যদি সুষ্ঠুভাবে ভোট দিতে না পারে তাহলে নির্বাচন কমিশনের ব্যর্থতা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। এ সময় তিনি ইভিএমে ভোট বাতিল করে ব্যালটের মাধ্যমে ভোটের দাবি জানান।

রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. ফয়সল কাদির জানান, যাদের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে তারা আগামী তিন দিনের মধ্যে আপিল করতে পারবেন।

প্রসঙ্গত, সিলেট সিটি কর্পোরেশন প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০২ সালে। ৭৯ দশমিক ৫০ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এই মহানগরীর ওয়ার্ড ৪২টি। মোট ভোটার ৪ লাখ ৮৬ হাজার ৬০৫ জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৫৩ হাজার ৭৬৩ ও নারী ২ লাখ ৩২ হাজার ৮৪২ জন। মোট কেন্দ্র ১৯০টি এবং ভোটকক্ষ এক হাজার ৩৬৪টি।


আরও খবর