আজঃ শনিবার ০২ মার্চ 2০২4
শিরোনাম

সিলেটে দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

প্রকাশিত:বুধবার ৩১ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ৩১ জানুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
সিলেট প্রতিনিধি

Image

সিলেটে মাইক্রোবাস-মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। বুধবার (৩১ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে নগরের এয়ারপোর্ট-আম্বরখানা সড়কের মালনিছড়া চা বাগান এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত দুই মোটরসাইকেল আরোহীর একজন হলেন- মো. মেহেদি আফনান (৩২)। তিনি মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলায় বাসিন্দা।

অপর নিহতের নাম আশফাকুজ্জামান। তিনি হবিগঞ্জের চুনারুঘাট পৌর এলাকার বড়াইল এলাকার ফিরোজ আহমদের ছেলে।

এয়ারপোর্ট থানার ওসি মোহাম্মদ নুনু মিয়া বলেন, বুধবার বিকেলে মালনিছড়া চা বাগান এলাকায় আম্বরখানা-এয়ারপোর্ট সড়কে দাঁড়িয়ে থাকা মাইক্রোবাসের সাথে মেহেদির মোটরসাইকেলটি ধাক্কা খেলে ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি।

এ ঘটনায় গুরুতর আহত আশফাকুজ্জামানকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে তার মৃত্যু হয়। মোটরসাইকেল ও মাইক্রোবাসটি পুলিশের হেফাজতে রয়েছে।


আরও খবর



চাঁদা দিতে না পারায় দাফন হলো না গৃহবধূর লাশ

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জেলা প্রতিনিধি

Image

নাটোরের বড়াইগ্রামে কবরস্থান কমিটির চাহিদামত চাঁদা দিতে না পারায় কবর খনন করেও জেসমিন বেগম (৩২) নামে এক গৃহবধূর মরদেহ দাফন করতে দেওয়া হয়নি। পরে বাধ্য হয়ে বাড়ির এক পাশে মরদেহটি দাফন করা হয়। এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

মৃত জেসমিন বেগম উপজেলার বড়াইগ্রাম ইউনিয়নের লক্ষীপুর গ্রামের লোকমান হোসেন ফকিরের বড় মেয়ে এবং গোয়ালফা গ্রামের মালয়েশিয়া প্রবাসী সমজান আলীর স্ত্রী।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাতে পারিবারিক কলহের জেরে জেসমিন বাবার বাড়িতে অতিরিক্ত ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যা করেন। শুক্রবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) তার মরদেহ দাফনের জন্য সভাপতির অনুমতি নিয়ে স্বজনরা লক্ষ্মীপুর সামাজিক কবরস্থানে কবর খনন করেন। জুম্মার নামাজের পর জানাজার সময়ও নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু খনন শেষ হলে কবরস্থান কমিটির লোকজন সদস্য না হওয়ায় জেসমিনের বাবার কাছে পাঁচ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। সেই টাকা দিতে না পারায় সামাজিক গোরস্থানে খনন করা কবরে দাফন করতে বাঁধা দেন কমিটি। এ নিয়ে সারাদিন দেন আলোচনা করেও কাজ না হওয়ায় সন্ধ্যায় বাধ্য হয়ে বাড়ির ভিটার এক পাশে পুনরায় কবর খনন করে ওই গৃহবধূর মরদেহ দাফন করা হয়।

মৃত গৃহবধূর চাচা আব্দুর রাজ্জাক জানান, আমার ভাই কবরস্থানের সদস্য না হলেও আমি সদস্য। তাই আমি নিজে চাহিদামত চাঁদা দেওয়ার জন্য কয়েকদিন সময় চেয়ে সভাপতিসহ অন্যদের কাছে মরদেহ দাফনের অনুমতি দিতে অনুরোধ করেছিলাম। কিন্তু তারা আমাদের কোনো কথা শোনেনি।

কবরস্থান পরিচালনা কমিটির সভাপতি জালাল উদ্দিন বলেন, কবরস্থানে মরদেহ দাফন করতে না দেওয়ার পেছনে কিছু কারণ রয়েছে। প্রথমত মৃতের বাবা আমাদের গোরস্থানের সদস্য না। তারপর মৃতের বাবা আগে যেই গোরস্থানের সদস্য ছিলেন তারাও বিষ‌ খেয়ে মারা যাওয়ার কারণে সেখানে দাফন করতে দেয়নি। আমাদের গোরস্থানে খবর খননের আগে কাউকে জানায়নি তারা। পরবর্তী সময়ে আমাদের গোরস্থানের সকল সদস্য বাদী হলে আমি একটা সমাধান দেই যে, নির্ধারিত চাঁদা দিয়ে গোরস্থানের সদস্য হতে। মৃতের বাবা গোরস্থানের সদস্য না হয়ে পরে তাদের বাড়ির পাশে তার মেয়েকে দাফন করে।

নিউজ ট্যাগ: নাটোর

আরও খবর



যৌন নিপীড়ন

এবার ঢাবি অধ্যাপক নাদিরের বিরুদ্ধে মুখ খুললেন আরেক ছাত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ঢাবি প্রতিনিধি

Image

এবার আরেক ছাত্রীকে যৌন হয়রানি ও মানসিক নিপীড়নের অভিযোগ উঠেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ড. নাদির জুনাইদের বিরুদ্ধে। রাজধানীর আরেকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এক ছাত্রী এই অভিযোগ করেছেন। ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের অতিথি শিক্ষক হিসাবে ক্লাস নিতেন তিনি। বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. মাকসুদুর রহমান বরাবর অভিযোগপত্র দেওয়া হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে অধ্যাপক মাকসুদুর রহমান বলেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরের একজনের কাছ থেকে ড. নাদির জুনায়েদের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ এসেছে। এ সংক্রান্ত অভিযোগগুলো মূলত উপাচার্য বরাবর দেওয়া হয় এবং প্রক্টরের কাছেও অনুলিপি পাঠানো হয়। আমি সেই অনুলিপিটা পেয়েছি।

অভিযোগপত্রে ওই শিক্ষার্থী উল্লেখ করেন, আমি যে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শেষ করেছি, সেখানে অধ্যাপক নাদির জুনাইদ একটি কোর্স পড়াতে গেস্ট ফ্যাকাল্টি হিসাবে এসেছিলেন। আমি ক্লাসের সিআর হওয়ার সুবাদে আমাকে তার সঙ্গে এক ধরনের যোগাযোগ রাখতে হতো। প্রথমত উনি নিয়মিত আমাকে ফোন দিতেন। বাসায় যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ফোন দিতেন। কিন্তু সমস্যা হলো, উনি ব্যক্তিগত অনেক তথ্য জিজ্ঞেস করতেন। আমাকে এমনও জিজ্ঞেস করেছেন, আমার বয়ফ্রেন্ড আছে কিনা-এ রকম। ব্যাপারটা এমন দাঁড়াল, উনার পড়াশোনার কাজের থেকে বেশি আগ্রহ ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে। এসব নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কথা বলতে চাইতেন। সাধারণত উনি রাত ১০টা বা ১২টার দিকে ফোন দিতেন। উনি আমাকে যখন এইভাবে ফোন বা ভিডিও কল দিতেন, আমি খুবই বিব্রত হতাম। আমি প্রায় উনার ফোন না ধরার চেষ্টা করতাম, কিন্তু সেটার নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া পরবর্তী ক্লাসে দেখা যেত। ফোন না ধরায় আমাকে ক্লাসে নানাভাবে হেনস্তা করতে চাইতেন। ক্লাসে এভাবে হেনস্তার শিকার হওয়ার পরও উনি আবারও আমার সঙ্গে যোগাযোগ করতেন।

শিক্ষার্থী আরও বলেন, ক্লাসে ও ক্লাসের বাইরে উনার মুখ ও মুখোশ ছিল আলাদা। উনি ক্লাসে হেনস্তা করার পরে আবার দুঃখপ্রকাশ করে আমাকে মেসেজ দিতেন, ফোন দিতেন। পরে অনেকটা বাধ্য হয়ে স্বাভাবিক থাকার চেষ্টা করে উনার ফোন এবং ভিডিও কল রিসিভ করতাম। তখন ভিডিও কলে বলতেন, একটু তোমার চেহারাটা দেখি, তোমার চুলটা একটু দেখি, তোমার জুম পিক দেখি। আমার কয়েকবার মনে হয়েছে তখন উনি হস্তমৈথুন করেন। উনি সব সময় চাইতেন, তাকে সব আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে রাখি। উনি অনেক হ্যান্ডসাম-এটা উনি বারবার শুনতে চাইতেন। উনি এত সুদর্শন, এত তরুণ, উনাকে দেখে আমরা আকর্ষিত বোধ কেন করছি না-এরকম বিষয় নিয়ে প্রায়ই খোঁচা দিতেন। প্রায়ই মেসেঞ্জার/হোয়াটসঅ্যাপে উনার ভিডিও বা ছবি পাঠিয়ে জিজ্ঞেস করতেন, আমি দেখতে কেমন। পরে বুঝেছি, এর সবই ছিল উনার ফাঁদ পাতার কৌশল।

অধ্যাপক নাদির জুনাইদের বিরুদ্ধে অশ্লীল কথোপকথন চালিয়ে যাওয়ার প্রচেষ্টার অভিযোগ তুলে ওই শিক্ষার্থী আরও বলেন, উনি আমাকে শারীরিক স্পর্শ বা সেরকম কিছু করেননি। কিন্তু বিয়ের কথা বলে আমার সঙ্গে দীর্ঘদিন কথোপকথন চালিয়ে গেছেন। উনি প্রায় অশ্লীল কথাবার্তা বলতেন। নানা রকম যৌন উত্তেজনামূলক কথা আমার সঙ্গে বলতে চাইতেন। সব সময় অন্তরঙ্গ কথা বলার প্রতি উনার বিশেষ আগ্রহ থাকত। আমার শরীরের স্পর্শকাতর জায়গা নিয়ে তিনি আমাকে প্রশ্ন করতেন।

অধ্যাপক নাদির জুনাইদ অন্য নারী শিক্ষার্থীর সঙ্গে এমন কাজ করেছেন উল্লেখ করে অভিযোগকারী বলেন, আমার ক্লাসের আরেকটা মেয়ের সঙ্গেও এমন করেছেন উনি। ওই মেয়েকেও উনি বিয়ের প্রলোভন দেখিয়েছেন। ৬ মাসের জন্য পড়াতে গিয়ে একই ক্লাসের দুজন মেয়েকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছেন, এটাকে স্বাভাবিক মনে করার কোনো কারণ নেই।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে অধ্যাপক ড. নাদির জুনাইদকে একাধিকবার কল দিয়েও পাওয়া যায়নি।

৭ ফেব্রুয়ারি নম্বর কম দেওয়া নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বরাবর গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের স্নাতকোত্তরের ১২তম ব্যাচের কিছু শিক্ষার্থীর অভিযোগের পর ১০ ফেব্রুয়ারি অধ্যাপক নাদির জুনাইদের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ এনে প্রক্টরের কাছে লিখিত দেন বিভাগের এক ছাত্রী। যদিও তিনি (নাদির জুনাইদ) এসব অভিযোগ অস্বীকার করে এর পেছনে ভিন্ন উদ্দেশ্য আছে বলে দাবি করেন।

অধ্যাপক নাদির জুনাইদের বিরুদ্ধে ওঠা যৌন হয়রানির এই অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে বিচারের দাবিতে ১১ ফেব্রুয়ারি থেকে ক্লাস বর্জন করে বিক্ষোভ করেন বিভাগের সব ব্যাচের শিক্ষার্থীরা। তার বিভাগীয় অফিস কক্ষে তালা দেওয়ার পাশাপাশি শ্রেণিকক্ষের তালা সিলগালা করে দেন। দরজায় যৌন নিপীড়ক অধ্যাপক নাদির জুনাইদ ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত সংবলিত পোস্টার ঝুলিয়ে দেন। এছাড়া আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপিও দেন।

পরে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্যে অধ্যাপক নাদির জুনাইদকে ৩ মাসের বাধ্যতামূলক ছুটি দেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। ছুটির চিঠিতে বলা হয়, অভিযোগের যথাযথ অনুসন্ধান ও তদন্ত করার জন্য বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরবর্তী সিন্ডিকেট সভায় উপস্থাপন করা হবে এবং সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সর্বশেষ রাজধানীর আরেক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী যৌন নিপীড়ন ও হয়রানির অভিযোগ করলেন। 


আরও খবর
জাবির ‘ডি’ ইউনিটের ফল প্রকাশ

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




সিভাসুতে কৃষিবিজ্ঞান বিষয়ে ৯টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা ১৩ জুলাই

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

Image

কৃষিবিজ্ঞান বিষয়ে ডিগ্রি প্রদানকারী ০৯টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছ পদ্ধতিতে ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা আগামী ১৩ জুলাই সারাদেশে একযোগে অনুষ্ঠিত হবে।

 কৃষি গুচ্ছের কেন্দ্রীয় ভর্তি কমিটির এক সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। এবার কৃষি গুচ্ছের ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণে নেতৃত্ব দেবে চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় (সিভাসু)। ভর্তি পরীক্ষা সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য পরবর্তীতে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে।

২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষে কৃষিবিজ্ঞান বিষয়ে গুচ্ছ সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা সংক্রান্ত এক সভা সোমবার বিকালে সিভাসুর উপাচার্য প্রফেসর ড. এএসএম লুৎফুল আহসান এর সভাপতিত্বে উপাচার্যের অফিস কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সিভাসুর ট্রেজারার প্রফেসর ড. মো: কামালসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, রেজিস্ট্রার, বিভাগীয় প্রধান, পরিচালক, প্রক্টর এবং কয়েকজন সিনিয়র শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন।

৯টি বিশ্ববিদ্যালয় হলো- বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়।


আরও খবর



বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য জমি চায় সৌদি আরব

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য ৬০০ একর জমি চেয়েছে সৌদি আরব। সেই জমি দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে নিজ মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা বলেন।

চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে অর্থনৈতিক অঞ্চলে ৬০০ একর জমি দেওয়ার বিষয় নিয়ে হাছান মাহমুদ বলেন, সৌদি আরবকে ৩০০ একর জমি মীরসরাই ইকোনোমিক জোনে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। আরও ৩০০ একর তারা চায়। মোট ৬০০ একর সেখানে দেওয়ার জন্য আমরা আলাপ-আলোচনা করেছি, যাতে ডেডিকেটেড সৌদি ইনভেস্টমেন্ট সেখানে হয়।

বাংলাদেশে সৌদি বিনিয়োগ নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমাদের এনার্জি সেক্টরে সৌদি আরব ইনভেস্ট করতে যাচ্ছে। আমাদের গ্রিন ইনার্জি সেক্টরে তারা ইনভেস্ট করার জন্য আগ্রহী। ফ্লটিং সোলার প্যানেলের মাধ্যমে ১০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য তারা আগ্রহ ব্যক্ত করেছে। একইসঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দরের পতেঙ্গা টার্মিনাল তারা অপারেট করতে যাচ্ছে। সেখানে ১.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার তারা ইনভেস্ট করবে। সেটি ২০ বছরের জন্য তাদের ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে।

ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত মি. ঈসা ইউসুফ ঈসা আলদুহাইলানের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সম্ভাব্য সফর নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তিনি সেই আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন। এই বছরের সেকেন্ড হাফে তার সফর কীভাবে হতে পারে, সে নিয়ে আমরা আলোচনা করেছি।


আরও খবর
শপথ নিলেন নতুন ৭ প্রতিমন্ত্রী

শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪




ককটেল বিস্ফোরণে পুলিশসহ ৩ জন আহত

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
উপজেলা প্রতিনিধি

Image

বরিশালের গৌরনদী পৌর শহরের কসবা এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণে ২ পুলিশ সদস্যসহ ৩ জন আহত হয়েছেন। আহতদের বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন গৌরনদী থানার উপ-পরিদর্শক কামাল হোসেন, কনস্টেবল মিজানুর রহমান ও স্থানীয় বাসিন্দা মাসুম হাওলাদার।

স্থানীয়রা জানায়, ওই গ্রামের রাজু হাওলাদারের পরিত্যক্ত টয়লেট গত সোমবার রাতে তালাবদ্ধ করে রাখে দুর্বৃত্তরা। গতকাল মঙ্গলবার সকালে পরিত্যক্ত টয়লেট তালাবদ্ধ দেখে সন্দেহ হয় রাজু হাওলাদারের পরিবারের। পরে রাজুর ছেলে মাসুম হাওলাদার তালা ভেঙে টয়লেটের মধ্যে একটি বালতিতে লাল স্কচটেপ পেচানো ককটেল সদৃশ ১০ থেকে ১২টি বস্তু দেখতে পান। বিষয়টি তাৎক্ষণিক জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এর মাধ্যমে পুলিশকে জানান তারা।

খবর পেয়ে গৌরনদী মডেল থানার একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তারা বালতির মধ্যে থাকা বোমা সদৃশ্য বস্তু উদ্ধার করে অপর একটি বালতিতে স্থানান্তর করার সময় আকস্মিক একটি বিস্ফোরণ ঘটে।

এতে উপ-পরিদর্শক কামাল হোসেন ও কনস্টেবল মিজানুর রহমান এবং ওই বাড়ির বাসিন্দা মাসুম হাওলাদার গুরুতর আহত হয়। খবর পেয়ে গৌরনদী ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রেরণ করে। পরে তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

গৌরনদী মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মাজহারুল ইসলাম এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, কে বা কারা ওই ককটেলগুলো রেখেছিল তা তদন্ত করা হচ্ছে। এ ঘটনায় মামলা দায়ের সহ জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা হচ্ছে বলে জানান তিনি।


আরও খবর