আজঃ মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

‘শিল্পাচার্য জয়নুলের শিল্পকর্ম আগামী প্রজন্মকে অনুপ্রেরণা যোগাবে’

প্রকাশিত:শনিবার ২৭ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ২৭ মে ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের শিল্পকর্ম আগামী প্রজন্মকে সৃজনশীল কাজে নিরন্তর অনুপ্রেরণা যোগাবে। পাশাপাশি শিল্পাঙ্গনে তার অনবদ্য অবদান জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে।

শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের ৪৭তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে শনিবার (২৭ মে) এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, গ্রামবাংলার নৈসর্গিক সৌন্দর্য, সাধারণ মানুষের সহজ-সরল জীবনযাত্রা, মানুষের দুঃখ-দুর্দশা ও সংগ্রামই ছিল শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের চিত্রকর্মের মূল উপজীব্য। তার কর্মে প্রতিভাত হয়েছে প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে নর-নারীর শ্রম ও সংগ্রাম এবং তাদের ক্ষমতার বহিঃপ্রকাশ।

তিনি বলেন, শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন ইউরোপীয় স্টাইলে চিত্রাঙ্কনের ওপর লেখাপড়া করলেও প্রাচ্য বা পাশ্চাত্যের অঙ্কনধারা তাকে আকৃষ্ট করতে পারেনি। অতিমাত্রায় রীতি নির্ভরতার পরিবর্তে তিনি বাস্তবতার প্রতি আকৃষ্ট হন।

বাণীতে মো. সাহাবুদ্দিন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।


আরও খবর
মেট্রোরেল চলাচল পুরোপুরি বন্ধ

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




মতিউরের জায়গায় নতুন পরিচালক পেলো সোনালী ব্যাংক

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ছাগলকাণ্ডে আলোচনায় আসার পর জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর্মকর্তা মতিউর রহমানকে পরিচালনা পর্ষদ থেকে সরানোর পর নতুন পরিচালক পেলো সোনালী ব্যাংক। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ আবু ইউসুফকে তিন বছরের জন্য ব্যাংকের পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৪ জুন) অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ এক চিঠিতে নতুন পরিচালক নিয়োগের এ আদেশ দিয়েছে।

সোনালী ব্যাংকের চেয়ারম্যানকে দেওয়া চিঠিতে বলা হয়েছে, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ আবু ইউসুফকে যোগ দেওয়ার তারিখ থেকে তিন বছর মেয়াদে সোনালী ব্যাংক পিএলসির পরিচালনা পর্ষদে পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দিতে ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১এর বিধান অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন গ্রহণসহ প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণে নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, সোনালী ব্যাংক পিএলসির পরিচালনা পর্ষদে ড. মোহাম্মদ আবু ইউসুফের পরিচালক হিসেবে যোগদানের তারিখ আবশ্যিকভাবে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগকে জানানোর অনুরোধ করা হলো।

এর আগে, মতিউর রহমানকে রাষ্ট্রমালিকানার সোনালী ব্যাংকের পরিচালক পদ থেকে অব্যাহতি দেয় আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ। রবিবার (২৩ জুন) তাকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) থেকে সরিয়ে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগে সংযুক্ত করা হয়।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, বিসিএস (শুল্ক ও আবগারি) ক্যাডারের কর্মকর্তা মতিউর রহমানকে তার বর্তমান পদ থেকে সরিয়ে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগে সংযুক্ত করা হয়েছে।


আরও খবর



নিখোঁজের ২৭দিন পর যুবকের কঙ্কাল উদ্ধার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৯ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৯ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রাহুল সরকার, চট্টগ্রাম ব্যুরো

Image

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে নিখোঁজের ২৭ দিন পর সাইফুল আজম ইরফান (২৯) নামে এক যুবকের কঙ্কাল উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সোমবার উপজেলার সাধনপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব পাহাড়ি এলাকা থেকে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় কঙ্কালটি উদ্ধার করা হয়।

সাইফুল উপজেলার সাধনপুর ইউনিয়নের মোকামিপাড়া এলাকার আবদুল জলিলের ছেলে।

জানা যায়, গত ১১ জুন দুপুরে জোহরের নামাজ আদায় করতে বাড়ি থেকে বের হন ইরফান। পরে আর তিনি বাড়িতে ফেরেননি। তখন থেকে তার মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যায়। একপর্যায়ে সাইফুলের কোনো খোঁজখবর না পেয়ে বাঁশখালী থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন তার বাবা আবদুল জলিল। ২৭ দিন পর সোমবার বিকেলে স্থানীয়রা সাধনপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব পাহাড়ি এলাকায় ঝুলন্ত কঙ্কাল দেখতে পেয়ে পরিবারকে খবর দেন। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে আবদুল জলিল পোশাক দেখে তা ছেলের কঙ্কাল বলে দাবি করেন।

আবদুল জলিলের দাবি, কেউ তার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে গাছে ঝুলিয়ে রেখেছে।

রামদাস মুন্সির হাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ তপন কুমার বাগচী বলেন, আমরা তো এক ঘণ্টা খোঁজাখুঁজি করে কোথাও লাশ বা কঙ্কাল দেখতে পাইনি। তবে ইরফানের পরিবারের একজন জানিয়েছে তাদের ছেলের কাপড়-চোপড় ও গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় একটি কঙ্কালের সন্ধান পাওয়া গেছে।

বাঁশখালী থানার ওসি তোফায়েল আহমেদ জানান, সাধনপুর পূর্ব পাহাড়ি এলাকায় এক ব্যক্তির কঙ্কাল দেখার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।


আরও খবর



বরগুনায় সনদ জালিয়াতি করে পরিবার পরিকল্পনা দপ্তরে চাকরি

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
অলিউল্লাহ্ ইমরান, বরগুনা

Image

অন্যের শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদের সকল তথ্য সঠিক রেখে শুধুমাত্র পরীক্ষার্থীর নাম ও পিতার নাম পরিবর্তন করে জাল সনদ বানিয়ে ১০ বছর ধরে সরকারি চাকুরি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযুক্তের নাম শিপ্রা সরকার। তিনি বরগুনার বামনা উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসের পরিবার কল্যান পরিদর্শিকা হিসাবে ডৌয়াতলা ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে বর্তমানে কর্মরত রয়েছেন।

এঘটনায় সনদের প্রকৃত মালিক মঠবাড়িয়া উপজেলার বাশবুনিয়া রাশিদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা সমাপ্তি বিশ্বাস তার এসএসসি সনদ জাল করে বামনা উপজেলায় শিপ্রা সরকার নামে এক নারী পরিবার কল্যান পরিদর্শিকা পদে চাকরি করছেন দাবী করে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের বরাবরে একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগে জানাগেছে, পিরোজপুর জেলার নাজিরপুর উপজেলার গৌরাঙ্গলাল বিশ্বাসের মেয়ে সমাপ্তি বিশ্বাস ২০১৯ সালে এনটিআরসির মাধ্যমে বাশবুনিয়া রাশিদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা হিসাবে নিয়োগ পেয়েছেন। গত বছর ২রা অক্টোবর রাতে ওই শিক্ষিকাকে নাজিরপুর থানার ডিএসবি থেকে ফোন করে জানায় তার এসএসসি পরীক্ষা সনদের সকল তথ্য সঠিক রেখে শুধু নাম এবং পিতার নাম পরিবর্তন করে বরগুনায় শিপ্রা সরকার নামে একজন পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরে পরিবার কল্যান পরিদর্শিকা পদে চাকরি করছেন।

অভিযোগে সমাপ্তি বিশ্বাস জানায়, তার এসএসসি পরীক্ষার সনদে রোল নম্বর ১১৩৬৭৮ রেজিষ্ট্রেশন নম্বর ২৪৮৯৬৩ শিক্ষাবর্ষ ১৯৯৯-২০০০, পাশের সন ২০০১ এবং শিক্ষা বোর্ড বরিশাল। এদিকে সমাপ্তি বিশ্বাসের সনদ জাল করে চাকরি পাওয়া শিপ্রা সরকারের জাল সনদটি উদ্ধার করে কালেরকন্ঠ টিম। ওই জাল এসএসসি পরীক্ষার সনদে দেখাগেছে সমাপ্তি বিশ্বাসের নামের স্থানে হুবুহু ফন্টে টাইপ করে লেখা রয়েছে শিপ্রা সরকার এবং পিতার নাম নকুল চন্দ্র সরকার। এছারা বাকি সকল তথ্য রয়েছে প্রকৃত সনদ মালিক সমাপ্তি বিশ্বাস এর। চাকুরী প্রাপ্তির সময় ওই জাল সনদে বরগুনা সরকারি কলেজের রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সমরজিৎ হাওলাদারের সত্যায়িত করা স্বাক্ষর রয়েছে যেখানে তারিখ লেখা রয়েছে ২৫ অক্টোবর ২০১৪।

তবে বরগুনা সরকারি কলেজের সাবেক ওই অধ্যাপক সরমজিৎ হাওলাদার জানায়, তিনি ২০০৯ সালে বরগুনা থেকে বদলী হয়েছেন। ২০১৪ সালে তিনি কিভাবে ওই সনদে সত্যায়িত করবেন। এটা জাল করে তৈরী করা হয়েছে। তবে অবাক লাগে চাকরী প্রদানের সময় গোয়েন্দা বিভাগের তদন্তে  কিভাবে তিনি পার পেয়েছেন?

মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের ওয়েবসাইটে রেজাল্ট দেখতে গিয়ে বেরিয়ে আসে শিপ্রা সরকারের জালিয়াতির প্রকৃত রহস্য। সেখানে জাল করা শিপ্রা সরকারের সনদের রোল নম্বর ও রেজিষ্ট্রেশন নম্বর দিয়ে সার্চ করলে সমাপ্তি বিশ্বাসের নাম দেখা যায়।

এদিকে সমাপ্তি বিশ্বাসের অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিষয়টি তদন্তের জন্য বরগুনা পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের উপপরিচালক মাহমুদুল হক আজাদকে দ্বায়িত্ব দেওয়া হয় মহাপরিচালকের দপ্তর থেকে। তবে অভিযোগ পাওয়াগেছে গত মাসের ২ জুন বরগুনা পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের উপপরিচালক মাহমুদুল হক আজাদ দায়সারা ভাবে একটি তদন্ত শেষ করে প্রতিবেদন ডিজির বরাবরে পাঠিয়েছেন।

এব্যপারে জানতে চাইলে উপপরিচালক মাহমুদুল হক আজাদ বলেন, তদন্তের দিন অভিযোগকারীকে বরগুনায় আসতে চিঠি দেওয়া হয়েছে। তবে তিনি তদন্তের দিন উপস্থিত হয়নি। পরে ডিএসবি রিপোর্ট অনুযায়ী আমি তদন্ত প্রতিবেদন মহাপরিচালকের দপ্তরে পাঠিয়ে দিয়েছি।

এদিকে শিপ্রা সরকারের সনদ জালিয়াতির মাধ্যমে পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শিকা পদে চাকরী পাওয়ার বিষয়ে স্থানীয় সংবাদকর্মীরা তথ্য পেলে অভিযুক্তকে ফোন করে বিষয়টি জানতে চায়। এতে ক্ষীপ্ত হয়ে ওই পরিদর্শিকার স্বামী স্থানীয় এক সাংবাদিককে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের মাধ্যমে মানহানী মামলা করা হুমকী প্রদান করেন।

স্থানীয় ওই সাংবাদিক জানান, শিপ্রা রানীর জালিয়াতির অভিযোগ পেয়ে তার ফোন নম্বরে ফোন করা হলেও তার ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে। পরে তার স্বামীকে তথ্যের জন্য ফোন দিলে তিনি তার ওপর ক্ষীপ্ত হয়ে যায়। একপর্যায়ে তাকে হুমকি প্রদান করেন বলেন যদি আপনারা বারাবারি করেন তাহলে স্থানীয় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের কাছে আপনাদের বিরুদ্ধে মানহানির অভিযোগ দিবো। 

এদিকে অনুসন্ধানে আরো জানাগেছে, অভিযুক্ত শিপ্রা সরকারের স্বামী তপন কুমার রায় ডৌয়াতলা ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কেন্দ্রের নৈশ প্রহরীর হিসাবে চাকরী করেন।

ওই অফিসের একজন কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে  জানান, তপন কুমার রায় নৈশ প্রহরী হিসাবে কর্মরত থাকলেও একদিনও তিনি অফিস করেন নাই। শুধু তাই নয় শিপ্রা সরকার সার্বক্ষনিক ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে থাকার বিধান থাকলেও তিনি দুপুরের পরে বাড়ি চলে যায়।  সনদ জালিয়াতি করে চাকরি পাওয়া অভিযুক্ত শিপ্রা সরকারের বক্তব্য নেওয়ার জন্য তার মোবাইল ফোনে কল করা হলেও ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে। গত শনিবার বেলা সারে এগারোটার সময় তার কর্মস্থলে গিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি। সকালে এসে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করে তিনি চলে গেছেন।

পরে অভিযুক্ত শিপ্রা সরকারের স্বামী তপন কুমার রায়কে ফোন করা হলে তিনি বলেন, অভিযোগের জন্য একটি তদন্ত টীম গঠন করা হয়েছে। তারা তদন্ত করে প্রতিবেদন ঢাকায় পাঠিয়ে দিয়েছে। তবে মহাপরিচালকের কাছে যিনি অভিযোগ দিয়েছেন তিনি অনেকের কাছে ওই অভিযোগের কথা অস্বীকার করেছেন। তার পরেও তদন্তে আমি অভিযুক্ত হলে আপনারা সংবাদ প্রকাশ করবেন তার আগে আমাদের কাছে কেন আপনারা ফোন করেন।

এদিকে অভিযোগকারী সমাপ্তি বিশ্বাস এর স্বামী শ্যামল সাহা বলেন, আমরা ডিএসবির মাধ্যমে জালিয়াতির বিষয়টি অবহিত হওয়ার পরে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের বরাবরে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য আবেদন করেছি। বরগুনা উপপরিচালকের কার্যালয় থেকে আমাদের জানিয়েছেন তবে তদন্তের দিন আমরা যেতে পারিনি। কিন্তু তদন্ত টীম শিক্ষাবোর্ডের ওয়েব সাইটে প্রবেশ করলে তো জানতে পারে শিপ্রা সরকার জালিয়াতি করেছে কিনা।

এব্যাপারে বরিশাল বিভাগীয় উপ পরিচালক মো. আবদুর রাজ্জাক বলেন, এতো বড় জালিয়াতির বিষয়ে আমি কিছুই জানিনা। অনুগ্রহ করে সকল তথ্য আমাকে দিন আমি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবো।


আরও খবর



আইএমএফের ঋণে রিজার্ভ বেড়ে ২৬.৫ বিলিয়ন ডলার

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৮ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
অর্থ ও বাণিজ্য ডেস্ক

Image

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণের তৃতীয় কিস্তি বাবদ ১১৫ কোটি মার্কিন ডলার পেয়েছে বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে এ অর্থ যোগ হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এই তথ্য পাওয়া গেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. মেজবাউল হক বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আইএমএফের ঋণের কিস্তির অর্থ বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভে যোগ হয়েছে। তাতে রিজার্ভের পরিমাণও বেড়েছে।

বর্তমানে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মোট রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ২ হাজার ৬৫০ কোটি বা সাড়ে ২৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে।

এর আগে, গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে আইএমএফের ঋণের প্রথম কিস্তির ৪৭ কোটি ৬৩ লাখ ডলার পেয়েছিল বাংলাদেশ। আর গত ডিসেম্বরে পেয়েছিল দ্বিতীয় কিস্তির ৬৮ কোটি ১০ লাখ ডলার। এখন তৃতীয় কিস্তির অর্থছাড়ের ফলে বাংলাদেশ সব মিলিয়ে তিন কিস্তিতে আইএমএফের কাছ থেকে প্রায় ২৩১ কোটি ডলার পেয়েছে। ঋণের বাকি প্রায় ২৩৯ কোটি ডলার আর চার কিস্তিতে পাওয়া যাবে।

বাংলাদেশ ২০২২ সালের জুলাইয়ে আইএমএফের কাছে ঋণের আবেদন করে। ওই আবেদনের ছয় মাস পর গত বছরের ৩০ জানুয়ারি ৩৮টি শর্তে ৪৭০ কোটি ডলারের ঋণ অনুমোদন করে আইএমএফ। ঋণ অনুমোদনের সময় আইএমএফ জানায়, শর্তপূরণ সাপেক্ষে ২০২৬ সাল পর্যন্ত মোট সাত কিস্তিতে ঋণের এ অর্থ দেওয়া হবে। এরই মধ্যে তিনটি কিস্তি পাওয়া গেছে।


আরও খবর



চার ভারতীয়ের ৯ বছর পর ঘরে ফেরা

প্রকাশিত:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
এম এ রহিম, বেনাপোল (যশোর)

Image

অবৈধ অনুপ্রবেশকারী ৪ ভারতীয়কে স্বদেশ প্রত্যাবাসন আইনে বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে ভারতে হস্তান্তর করেছে বাংলাদেশ পুলিশ। ভারতের দিঘা সমুদ্র পথসহ কয়েকটি সীমান্ত পথে এরা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করেছিল।

অনুপ্রবেশকারীদের মধ্যে ৩ জন মৎস্যজীবী ও একজন সাধারণ ভারতীয় নাগরিক রয়েছে।

শনিবার (১৩ জুলাই) দুপুর ২টায় বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে যশোর কেন্দ্রিয় কারাগার থেকে পুলিশ তাদের ভারতের পেট্রাপোল থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে। এসময় সেখানে বিজিবি, পুলিশ ও বিএসএফ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ফেরত যাওয়া ভারতীয় নাগরীকরা হলেন, বিহারের বিষ্ণুপদ দিলদার, সুধির বাবু, মেদিনীপুরের শেখ জাহাঙ্গীর ও  হুগলির ভানু চরণ

এদের মধ্যে বিষ্ণুপদ দিলদার, সুধির বাবু ও শেখ জাহাঙ্গীর ৩ বছর এবং ভানু চরণ ৯ বছর কারাভোগ করেন।

এদিকে দীর্ঘদিন পর স্বজনদের কাছে ফিরতে পারায় খুশি এসব ভারতীয়। আইনি জটিলতায় তাদের দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে স্বজনদের ছেড়ে জেল দিন পার করতে হয়েছে।

ফেরত যাওয়া ভারতীয় নাগরীকরা জানান, অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রমের অভিযোগে তারা আটক হয়। এখন বাড়িতে ফিরছে ভালো লাগছে।

যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের ডেপুটি জেলার মনির হক আল মামুন জানান, ৪ ভারতীয়কে স্বদেশ প্রত্যাবাসন আইনে ভারতে ফেরত পাঠানো হয়েছে। তারা অবৈধভাবে বাংলাদেশে ঢুকে পড়েছিল।


আরও খবর