আজঃ বৃহস্পতিবার ১৩ মে ২০২১
শিরোনাম

সিরাজগঞ্জে পুকুরে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৩ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ এপ্রিল ২০২১ | ৯৬জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার পাঙ্গাসী ইউনিয়নের নাড়ুয়া গ্রামে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (২৩ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বাড়ির পাশে পুকুরে গোসল করতে নেমে এ ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রায়গঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহীদুল ইসলাম। মারা যাওয়া শিশু দুটি হলো পাঙ্গাসী ইউনিয়নের নাড়ুয়া গ্রামের সেলিম হোসেনের ছেলে হামজেলা (৫) ও আব্দুল হাশেমের মেয়ে আয়েশা মনি (৪)।

ওসি শহীদুল ইসলাম বলেন, সকাল সাড়ে ৮টার দিকে শিশু দুটি বাড়ির পাশে পুকুরে গোসল করতে নেমে সেখানেই ডুবে মারা যায়।

তিনি আরও বলেন, পরে রায়গঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে লাশ দুটি তাদের পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হবে।



আরও খবর



সত্যজিৎ রায়ের জন্মদিন আজ

প্রকাশিত:রবিবার ০২ মে 2০২1 | হালনাগাদ:রবিবার ০২ মে 2০২1 | ৮১জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

কিংবদন্তি চলচ্চিত্র নির্মাতা সত্যজিৎ রায়ের একশ একতম জন্মদিন আজ রোববার। ১৯২১ সালের আজকের দিনে কলকাতার বিখ্যাত রায় পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। বাবা সুকুমার রায় এবং পিতামহ উপেন্দ্রকিশোর রায় চৌধুরী দুজনেই বাংলা সাহিত্যের উজ্জ্বল নক্ষত্র।

কলকাতায় জন্ম হলেও তাঁর আদি পৈতৃক ভিটা ছিল বাংলাদেশের কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার মসুয়া গ্রামে। পৈতৃক বাড়িটি এখনো রয়েছে সেখানে। ওখানেই তাঁর পিতামহ উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী ও বাবা সুকুমার রায়ের জন্ম।

উপমহাদেশের চলচ্চিত্রকে এক অভিন্ন মাত্রা দিয়েছিলেন সত্যজিৎ রায়। ২০০৪ সালে বিবিসির জরিপে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি তালিকায় ১৩তম স্থান লাভ করেছিলেন তিনি।

সত্যজিৎ কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজ ও শান্তিনিকেতনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রতিষ্ঠিত বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন। সত্যজিতের কর্মজীবন একজন বাণিজ্যিক চিত্রকর হিসেবে শুরু হলেও প্রথমে কলকাতায় ফরাসি চলচ্চিত্র নির্মাতা জঁ রনোয়ারের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও পরে লন্ডন শহরে সফররত অবস্থায় ইতালীয় নব্য বাস্তবতাবাদী চলচ্চিত্র লাদ্রি দি বিচিক্লেত্তে (ইতালীয়: বাইসাইকেল চোর) দেখার পর তিনি চলচ্চিত্র নির্মাণে উদ্বুদ্ধ হন।

১৯৪৭ সালে সত্যজিৎ রায় ও চিদানন্দ দাসগুপ্ত কলকাতা ফিল্ম সোসাইটি প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি ১৯৪৯ সালে বিজয়া দাসকে বিয়ে করেন। সত্যজিৎ দম্পতির ঘরে ছেলে সন্দীপ রায়ের জন্ম হয়, যিনি নিজেও বর্তমানে একজন প্রথিতযশা চলচ্চিত্র পরিচালক।

সত্যজিৎ ৩৭টি পূর্ণদৈর্ঘ্য কাহিনিচিত্র, প্রামাণ্যচিত্র ও স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন। ১৯৫২ সালে বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাস পথের পাঁচালি নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণ কাজ শুরু করেন তিনি। ১৯৫৫ সালে ছবিটির নির্মাণ সম্পন্ন হয় এবং সে বছরই ছবিটির মুক্তি দেওয়া হয়। মুক্তি পাওয়ার পর ছবিটি ব্যাপক দর্শকনন্দিত হয়। এমনকি ভারতবর্ষের বাইরেও ছবিটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে। পথের পাঁচালী মোট ১১টি আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করে। এর মধ্যে অন্যতম ছিল কান চলচ্চিত্র উৎসবে পাওয়া বেস্ট হিউম্যান ডকুমেন্ট পুরস্কার।

সত্যজিৎ রায় পরবর্তীতে বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের গল্প-উপন্যাস অবলম্বনে অপরাজিতঅপুর সংসার নামে আরও দুইটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন। এ তিনটি চলচ্চিত্র একত্রে অপু ট্রিলজি হিসেবেই পরিচিত।

সত্যজিৎ রায়ের উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে- তিন কন্যা (১৯৬১), চারুলতা (১৯৬৪), নায়ক (১৯৬৬), প্রতিদ্বন্দ্বী (১৯৭০), সীমাবদ্ধ (১৯৭১) ও জন অরণ্য (১৯৭৫) গণশত্রু (১৯৮৯), শাখাপ্রশাখা (১৯৯০) ও আগন্তুক (১৯৯১)।

বাংলা চলচ্চিত্রের বাইরে সত্যজিৎ রায় ১৯৭৭ সালে শতরঞ্জ কি খিলাড়ি নামের হিন্দি ও উর্দু সংলাপ নির্ভর একটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন। পরবর্তীতে সত্যজিৎ প্রেমচাঁদের গল্পের ওপর ভিত্তি করে সদ্গতি নামের হিন্দি ভাষায় এক ঘণ্টার একটি ছবি বানিয়েছিলেন। সত্যজিৎ রায়ের অমর সৃষ্টি গোয়েন্দা চরিত্র ফেলুদাপ্রফেসর শঙ্কু

বর্ণময় কর্মজীবনে সত্যজিৎ বহু আন্তর্জাতিক পুরস্কার পেয়েছেন, যার মধ্যে বিখ্যাত হলো ১৯৯২ সালে পাওয়া একাডেমি সম্মানসূচক পুরস্কার (অস্কার), যা তিনি সমগ্র কর্মজীবনের স্বীকৃতি হিসেবে অর্জন করেন। তিনি এ ছাড়া ৩২টি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, একটি গোল্ডেন লায়ন, দুটি রৌপ্য ভল্লুক লাভ করেন।

সত্যজিৎ অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানসূচক ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৯২ সালে ভারত সরকার তাঁকে দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার ভারতরত্ন সম্মাননা প্রদান করে। সত্যজিৎ পদ্মভূষণসহ মর্যাদাপূর্ণ সব ভারতীয় পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৯২ সালের ২৩ এপ্রিল এই খ্যাতিমান চলচ্চিত্র নির্মাতা মৃত্যুবরণ করেন।

নিউজ ট্যাগ: সত্যজিৎ রায়

আরও খবর



যে কারণে ইফতারে রাখবেন আনারসের শরবত

প্রকাশিত:শনিবার ২৪ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ এপ্রিল ২০২১ | ৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
ক্যালসিয়াম ও ম্যাংগানিজ রয়েছে আনারসে। হাড় গঠনে যেমন ক্যালসিয়ামের ভূমিকা অপরিসীম তেমনি হাড়কে মজবুত করে তুলতে ভূমিকা রাখে ম্যাংগানিজ। প্রতিদিন ইফতারে নিয়ম করে আনারস বা আনারসের শরবত রাখলে

পবিত্র মাহে রমজান মাস চলছে। ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা সেহরি থেকে ইফতার পর্যন্ত না খেয়ে রোজা থেকে সৃষ্টিকর্তার ইবাদত করে। সারাদিন রোজা থাকার ফলে সন্ধ্যায় ইফতারের পর শরীরে ক্লান্তিভাব চলে আসে। এই সময় প্রয়োজন পুষ্টিকর কিছু খাবার খাওয়া। যে সকল খাবার শরীরের জন্য পুষ্টিকর এবং শরীরের ঘাটতি চাহিদা পূরণ করে।

আনারস খুবই সুস্বাদু একটি ফল। ইফতারে আনারস রাখলে অনেক উপকারী। আর সেটা যদি হয় আনারসের শরবত তাহলে তা কথাই নেই। এবার তাহলে ইফতারে আনারস রাখার উপকারিতা জেনে নেয়া যাক-

পুষ্টির চাহিদা পূরণ : পুষ্টির বিশাল একটি উৎস এই আনারস। এতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন-এ, সি এবং ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম ও ফসফরাস রয়েছে। এসব উপাদান শরীরের পুষ্টির চাহিদা পূরণে সহায়তা করে।

হজমশক্তি বৃদ্ধি : নিয়মিত আনারস খাওয়ার ফলে হজমশক্তি বৃদ্ধি পায়। কেননা, আনারসে ব্রোমেলিন উপাদান রয়েছে, যা কিনা আমাদের হজমশক্তিকে উন্নত করতে বেশ কার্যকরী।

হাড়ের সুস্থতা : ক্যালসিয়াম ও ম্যাংগানিজ রয়েছে আনারসে। হাড় গঠনে যেমন ক্যালসিয়ামের ভূমিকা অপরিসীম তেমনি হাড়কে মজবুত করে তুলতে ভূমিকা রাখে ম্যাংগানিজ। প্রতিদিন ইফতারে নিয়ম করে আনারস বা আনারসের শরবত রাখলে হাড়জনিত রোগ প্রতিরোধ সম্ভব।

চোখের সুস্থতায় : গবেষণা থেকে জানা যাচ্ছে যে আনারসে থাকা উপাদান ম্যাক্যুলার ডিগ্রেডেশন থেকে রক্ষা করে আমাদের। এ রোগটি চোখের রেটিনা নষ্ট করে এবং এর ফলে মানুষ ধীরে ধীরে অন্ধ হয়ে যায়। নিয়মিত আনারস খাওয়ার ফলে এতে থাকা বেটা ক্যারোটিন চোখের এই রোগ হওয়ার শঙ্কা ৩০ শতাংশ পর্যন্ত হ্রাস করে এবং চোখও সুস্থ থাকে।

আনারসের শরবত তৈরির পদ্ধতি : প্রথমে একটি আনারস ভালো করে ছিলে নিয়ে ধুয়ে নিন। এবার চাকু দিয়ে ছোট ছোট টুকরো করুন। তারপর ব্লেন্ডার মেশিনে হালকা লবণ ও কয়েক কিউব বরফ দিয়ে আনারসের টুকরোগুলো একসঙ্গে মিশিয়ে ব্লেন্ড করুন। ব্লেন্ড হয়ে গেলে এবার ছেঁকে নিন। তারপর গ্লাসে করে পরিবেশন করুন ইফতারের আয়োজনে।


আরও খবর



পাটুরিয়া-দৌলতদিয়ায় ফেরি বন্ধ, ঘাটে যাত্রীদের ঢল

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ মে ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ০৮ মে ২০২১ | ৭৪জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে ভোর ৬টা থেকে ফেরি বন্ধ রাখা হয়েছে। ফেরি বন্ধের খবর পেয়ে অনেকেই রাতেই ঘাটে এসে পৌঁছেছেন। সারা রাত যত দূর সম্ভব গাড়ি পার করেছি। এখনো পাটুরিয়া প্রান্তে কয়েক শ শুধু ব্যক্তিগত ছোট গাড়ি নদী পারের অপেক্ষায় আছে

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে আজ শনিবার ভোর ৬টা থেকে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া এবং মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া নৌপথে সব ধরনের ফেরি চলাচল বন্ধ আছে। হঠাৎ ফেরি বন্ধের ঘোষণায় ঘাট এলাকায় ছোট গাড়ির লম্বা লাইন তৈরি হয়েছে। ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন আটকে থাকা গাড়ির চালক ও সাধারণ যাত্রীরা।

এর মধ্যে লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্সসহ জরুরি যান পারাপারে একটি ফেরি পাটুরিয়া ঘাটে ভেড়াতে গেলে যাত্রীরা দৌড়ে সেখানে ওঠার চেষ্টা করেন। ঘাট পারাপারে মরিয়া হয়ে পড়েছেন যাত্রীরা। তবে দুই ঘাটের এলাকা থেকে কোনো ট্রলার বা স্পিডবোট ছেড়ে যায়নি। ঘাট এলাকায় পুলিশি প্রহরা জোরদার করা হয়েছে।

ঈদের আগেভাগেই মানুষজন গ্রামের দিকে ছুটতে থাকায় গত দুই দিন ধরে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে ফেরিতে প্রচণ্ড ভিড় দেখা যায়। বিশেষ করে গতকাল শুক্রবার সকাল থেকে সারা দিন নৌপথে অসংখ্য মানুষের ভিড় হয়। এতে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি আরও বাড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের ধারণা, মানুষের চাপ সামাল দিতেই কর্তৃপক্ষ এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন সংস্থা (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া কার্যালয়ের সহকারী ব্যবস্থাপক মো. খোরশেদ আলম আজ সকালে বলেন, শুক্রবার দিবাগত মধ্যরাতে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় থেকে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখার নির্দেশনা আসে। নির্দেশনা মোতাবেক আজ ভোর ৬টা থেকে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে সব ধরনের ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। ফেরি বন্ধ রাখায় উভয় ঘাটে গাড়ি আটকা পড়েছে।

অতি জরুরি রোগী বা লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্স পারাপারের ক্ষেত্রে কী সিদ্ধান্ত জানতে চাইলে খোরশেদ আলম বলেন, স্পষ্ট করে এমন নির্দেশনা না থাকলেও গুরুত্ব বিবেচনা করে অনেক জরুরি গাড়ি জমা থাকলে বিশেষ বিবেচনায় মাঝেমধ্যে ছোট এক-দুটি ফেরি ছাড়তে পারি। সন্ধ্যার পর থেকে পণ্যবাহী বা জরুরি গাড়ি পারাপারের নির্দেশনার ব্যাপারে বলেন, এমন কোনো নির্দেশনা নাই। ভোর ৬টা থেকে ফেরি বন্ধ রাখতে হবে, এটাই জানি। কখন থেকে ফেরি চলাচল করবে বা স্বাভাবিক হবে এমন সঠিক তথ্য জানা নেই।

আজ সকালে দৌলতদিয়া ঘাট প্রান্তে নদী পাড়ের অপেক্ষায় দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা ঢাকাগামী গাড়ির দীর্ঘ সারি তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে অনেক ছোট গাড়ি পারাপারের অপেক্ষায় আছে। হঠাৎ করে ফেরি বন্ধ হওয়ায় তাঁরা দৌলতদিয়া ঘাটে এসে বিপাকে পড়েছেন।

বিআইডব্লিউটিসি আরিচা কার্যালয়ের উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) মো. জিল্লুর রহমান বলেন, মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে ভোর ৬টা থেকে ফেরি বন্ধ রাখা হয়েছে। ফেরি বন্ধের খবর পেয়ে অনেকেই রাতেই ঘাটে এসে পৌঁছেছেন। সারা রাত যত দূর সম্ভব গাড়ি পার করেছি। এখনো পাটুরিয়া প্রান্তে কয়েক শ শুধু ব্যক্তিগত ছোট গাড়ি নদী পারের অপেক্ষায় আছে। অন্যান্য গাড়ি তো আছেই। ঘাটে যেকোনো মুহূর্তে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটতে পারে। এ আশঙ্কায় আমরা ঘাট থেকে সব ফেরি অন্যত্র সরিয়ে রেখেছি। শুধুমাত্র একটি ছোট ফেরি দিয়ে বিশেষ বিবেচনায় রোগী, লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্স পার করছি।

এদিকে পারাপার বন্ধ থাকায় পাটুরিয়া ঘাটে আসা যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের এসব যাত্রীরা ঈদ উপলক্ষে গ্রামের বাড়িতে ফিরতে ঘাটে আসেন। আজ সকাল নয়টার দিকে সরেজমিনে পাটুরিয়া প্রান্তে দেখা গেছে, ফেরি বন্ধ থাকায় ঘাট এলাকায় নদী পারের যাত্রীরা অবস্থান করছেন। পাঁচ নম্বর ঘাট এলাকায় পাঁচটি ফেরি নোঙর করে রাখা হয়েছে। অনেক ব্যক্তিগত গাড়ি আটকা পড়েছে।

বেশ কয়েকজন যাত্রী অভিযোগ করেন, ফেরি বন্ধ রাখা হওয়ার বিষয়টি গতকাল শুক্রবার থেকে জানানো জরুরি ছিল। তাহলে তাঁরা ঘাটে আসতেন না। তাঁদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হতো না।


আরও খবর



কলাপাড়ায় ঈদ উদযাপন করছে ৫ হাজার পরিবার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৩ মে ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ মে ২০২১ | ৩১জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় প্রায় পাঁচ হাজার পরিবার আজ বৃহস্পতিবার ঈদ-উল-ফিতর উদযাপন করছে। তারা প্রতি বছর সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদযাপন করে থাকেন। এই পরিবারগুলো এলাকায় 'চান টুপি'র লোক হিসেবে পরিচিত। মূলত তারা কাদরিয়া চিশতিয়া তরিকতের অনুসারী।

জানা গেছে, উপজেলার ধানখালী ইউনিয়নের উত্তর নিশানবাড়িয়া জাহাগিরিয়া শাহ্সূফি মমতাজিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণে এই অনুসারীদের ঈদের নামাজের প্রধান জামাত বৃহস্পতিবার (১৩ মে) সকাল ৯টায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। হাফেজ মোহাম্মদ আরিফ এতে ইমামতি করেন। এ জামাতে ধানখালী ইউনিয়নের চালিতাবুনিয়া, গিলাতলা, ফুলতলী ও পাঁচজুনিয়া গ্রামের চান টুপির লোকেরা অংশগ্রহণ করেন। এ ছাড়া কলাপাড়া পৌর শহরের নাইয়াপট্টি, উত্তর লালুয়া মাঝিবাড়িসহ বিভিন্ন স্পটে আরও ৮টি ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

এদিকে ধানখালী ইউনিয়নের নিশানবাড়িয়া, গন্ডামারি, মরিচবুনিয়া, চালিতাবুনিয়া, ছইলাবুনিয়া, সেনের হাওলা, পৌর শহরের নাইয়াপট্টি, বাদুরতলী, মিঠাগঞ্জ ইউনিয়নের তেগাছিয়া, সাফাখালী, চরপাড়া এবং আজিমদ্দিন গ্রামে প্রায় ৫ হাজার পরিবারে এ তরিকার ১৫ হাজার লোক বসবাস করেন।

কলাপাড়া উপজেলার ধানখালী ইউনিয়নের নিশানবাড়িয়া দরবার শরীফের পরিচালক মো. নিজাম উদ্দিন বিশ্বাস জানান, তারা চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার কাঞ্চন নগর ইউনিয়নের পশ্চিম এলাহাবাদ গ্রামের সিলসিলায়ে আলীয়া কাদরিয়া চিশতিয়া জাহাগিরিয়িা তরিকতের অনুসারী। যার কারণে তারা একদিন আগে রোজা রাখা শুরু করেন এবং ঈদও একদিন আগে উদযাপন করে থাকেন।




আরও খবর



ঝড় আসছে, রয়েছে সতর্কতা সংকেত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৬ মে ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ মে ২০২১ | ৯২জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

তীব্র দাবদাহ শেষে শীতল হয়েছে প্রকৃতি। আজ বৃহস্পতিবার (৬ মে) ভোর ৬টার দিকে রাজধানীতে হালকা বৃষ্টিও হয়েছে। ফলে তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ার আতঙ্ক থেকে রেহাই পেয়েছে নগরবাসী। এদিকে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের উপর দিয়ে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছে আবহাওয়া অধিদফতর। সেই সঙ্গে ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার আভাস রয়েছে। নদীবন্দরগুলোকে সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। ঝড়ের আভাস থাকায় কোথাও দুই নম্বর, কোথাও এক নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

বুধবার (৫ মে) রাতে দেয়া সতর্ক বার্তায় বলা হয়েছে- রাজশাহী, পাবনা, যশোর, কুষ্টিয়া, ফরিদপুর, ঢাকা, কুমিল্লা এবং খুলনা বিভাগের উপর দিয়ে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টিসহ পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ৬০ থেকে ৮০ কিমি বেগে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। তাই এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে দুই নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

এছাড়া দেশের অন্যান্য এলাকায় পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ৪৫ থেকে ৬০ কিমি বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। তাই সেসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে এক নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়াবিদ হাফিজুর রহমান জানিয়েছেন, বর্তমানে লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। স্বাভাবিক লঘুচাপ অবস্থান করছে দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে।

এ অবস্থায় বৃহস্পতিবার (৬ মে) সন্ধ্যা নাগাদ রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়াে হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে। এ সময় সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। ঢাকায় দক্ষিণ-পশ্চিম দক্ষিণ দিক থেকে বাতাসের গতিবেগ থাকবে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিমি, যা অস্থায়ীভাবে দমকায় ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিমিতে ওঠে যেতে পারে।


আরও খবর