আজঃ বুধবার ১৯ জুন ২০২৪
শিরোনাম

সিরাজগঞ্জে ভূমিকম্প ও অগ্নিকাণ্ড বিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধি মহড়া অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৯ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৯ মার্চ ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

Image

স্মার্ট বাংলাদেশের প্রত্যয় দুর্যোগ প্রস্তুতি সবসময় এই স্লোগান কে সামনে নিয়ে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস-২০২৩ উপলক্ষে ভূমিকম্প ও অগ্নিকাণ্ড বিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধি মহড়া অনুষ্ঠিত হয়।

বৃহস্পতিবার  (০৯ মার্চ) সকাল ১০ টায় শহরের ভিক্টেরিয়া হাই স্কুল মাঠে জেলা প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর, সিরাজগঞ্জের আয়োজনে এবং মানব মুক্তি সংস্থা বাস্থবায়িত ও কইকার দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস প্রকল্পের সহযোগিতায় এ মহড়া অনুষ্ঠিত হয়।

মহড়ায় ভূমিকম্পে করণীয়, অগ্নিকাণ্ড প্রতিরোধ, নির্বাপণ, উদ্ধার ও জরুরি বহির্গমন বিষয়ে নানা কৌশল প্রদর্শন করা হয়। এ ছাড়াও ভূমিকম্প ও অগ্নিকাণ্ডের সময় কমিউিনিটি ও ব্যক্তিগত পর্যায়ে করণীয় সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কমিয়ে আনার বিষয়ে সম্যক ধারণা দেওয়া হয়। মহড়াটি পরিচালনা করেন সিরাজগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, প্রকল্প পরিচালক (যুগ্ন সচিব) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর, ঢাকা, নিশ্চিন্ত কুমার পোদ্দার। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার সারা বাংলাদেশ ব্যাপি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মাধ্যমে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। বর্তমানে ভূমিকম্প ও অগ্নিকাণ্ডে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হচ্ছে তাই সচেতনা বৃদ্ধি করে জনগনের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের অতিরিক্ত জেলা প্রসাশক (শিক্ষা ও আইসিটি) মোঃ রায়হান কবির এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন, সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ রিয়াজ উদ্দিন আহম্মেদ, সিরাজগঞ্জ পৌরসভার প্যানেল মেয়র-১ মোঃ নুরুল হক।

অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন, ভিক্টোরিয়া হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোঃ সাজেদুল ইসলাম, ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্স উপ-সহকারী পরিচালক মোঃ ফরহাদ হোসনে, মানব মুক্তি সংস্থার নির্বাহী পরিচালক মোঃ হাবিব উল্লাহ বাহারসহ বিভিন্নি এনজিও প্রতিনিধি ও বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন, জেলা ত্রান ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মোঃ আকরুজ্জামান।


আরও খবর



স্মার্ট স্কুল বাস পরিচালনায় বিআরটিসির সঙ্গে জিপিএইচের সমঝোতা চুক্তি

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৭ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রাহুল সরকার, চট্টগ্রাম ব্যুরো

Image

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের স্মার্ট স্কুল বাস পরিচালনায় বিআরটিসি ও জিপিএইচ ইস্পাত লিমিটেডের মধ্যে সমঝোতা স্মারক চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। আগামী দুই বছর স্মার্ট স্কুল বাস এর স্পন্সর হিসাবে থাকছে জিপিএইচ ইস্পাত লিমিটেড। এই দুই বছরে তারা ১ কোটি ৪৪ লাখ টাকা অনুদান দিবেন। যা থেকে বাসের ড্রাইভার স্টাফদের বেতন ছাড়াও জ্বালানী খরচসহ বাসগুলোর সকল ধরনের মেইনটেনেন্স খরচ বহন করা হবে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের সভাকক্ষে ১০টি স্মার্ট স্কুল বাস পরিচালনায় এই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয় ।

এতে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) সাদি উর রহিম জাদিদ, জিপিএইচ ইস্পাত লিমিটেডের উপদেষ্টা কর্নেল (অব.) মো: শওকত ওসমান ও উপদেষ্টা মোহাম্মদ ওসমান গনি (মিডিয়া), চট্টগ্রা। বিআরটিসি ম্যানেজার মো. জুলফিকার আলী, জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনারগণ, স্মার্ট স্কুল বাস মনিটরিং টিমের নুরুল আজিম রনি, টেকনলজি পার্টনার, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ও অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ।

 সমঝোতা স্মারকে বিআরটিসি সাবডিপোর ম্যানেজার জুলফিকার আলী এবং জিপিএইচ ইস্পাতের উপদেষ্টা শওকত ওসমান নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে স্বাক্ষর করেন।

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক আবুল বাশার মো: ফখরুজ্জামান বলেন, এসব বাসে নগরীর পাঁচটি সড়কে ছাত্র-ছাত্রীরা যাতায়াত করতে পারবেন । বাসগুলোতে স্মার্ট টেকনোলজি, জিপিএস ট্যাকার, ক্যামেরা, এআই ব্যবহার করে শিক্ষার্থীদের স্কুল যাতায়াতের ক্ষেত্রে বাসে ওঠা-নামার সময় অভিভাবকের ফোনে স্বয়ংক্রিয় এসএমএস প্রদান, বাসে শিক্ষার্থীদের অবস্থান মনিটরিং এবং স্বল্প খরচে স্কুল কলেজে যাওয়া আসা নিশ্চিত করা হয়েছে। আগামীতে চাহিদা অনুযায়ী ক্রমান্বয়ে বাসের সংখ্যাও বাড়ানো হবে

উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের অংশ হিসেবে সমৃদ্ধ নগর, উন্নত গ্রাম, প্রযুক্তির ছোঁয়ায় স্মার্ট চট্টগ্রাম- স্লোগান সামনে নিয়ে বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন। এরই ধারাবাহিকতায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশনায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের আওতাধীন এসপায়ার টু ইনোভেট (এটুআই) প্রোগ্রাম কর্তৃক পরিচালিত দেশের জেলাগুলোর উদ্ভাবনী কার্যক্রমভিত্তিক প্রতিযোগিতা স্মার্ট ডিস্ট্রিক্ট ইনোভেশন চ্যালেঞ্জ-২০২৩ এর আওতায় চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের স্মার্ট স্কুলবাস নামক উদ্ভাবনী উদ্যোগটি প্রথম পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হয়েছিল।

প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া উপহারের ১০টি দ্বিতল স্কুল বাস ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে নগরীতে চলাচল করছে। আধুনিক প্রযুক্তি সম্বলিত এ সকল স্মার্ট স্কুল বাসে যে কোন স্কুলের শিক্ষার্থীরা নাম মাত্র ৫  টাকা ভাড়ায় যে কোন দূরত্বে চলাচল করতে পারেন। জিপিএস ট্র্যাকার, জিআইএস প্রযুক্তি, আইপি ক্যামেরা ছাড়াও এ বাসে ডিজিটাল হাজিরা ডিভাইস আছে। যেখানে শিক্ষার্থীরা কার্ড চাপ দিলেই অভিভাবকদের মোবাইলে চলে যাচ্ছে খুদে বার্তা। ফলে অভিভাবকরা সন্তানদের নিয়ে দুশ্চিন্তামুক্ত থাকতে পারছেন।

নিউজ ট্যাগ: চট্টগ্রাম

আরও খবর



আজ যেমন হতে পারে বাংলাদেশের একাদশ

প্রকাশিত:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ক্রীড়া প্রতিবেদক

Image

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দারুণ শুরু পেয়েছে বাংলাদেশ। শ্রীলংকাকে ২ উইকেটে হারিয়ে অভিযান শুরু করেছে টাইগাররা। তবে দ্বিতীয় ম্যাচেই আরও বড় প্রতিপক্ষ অপেক্ষা করছে বাংলাদেশের সামনে। এবার শান্ত-সাকিবদের দক্ষিণ আফ্রিকা পরীক্ষা।

আজ সোমবার গ্রুপ ডির ম্যাচে নিউইয়র্কের নাসাউ কাউন্টি ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে খেলবে দুদল। বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ৮টায় ম্যাচটি শুরু হবে।

বাংলাদেশ যেহেতু শ্রীলংকার বিপক্ষে জয় পেয়েছে, তাই প্রোটিয়াদের বিপক্ষেও আগের ম্যাচের একাদশ নিয়ে মাঠে নামতে পারে।

বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ: নাজমুল হোসেন শান্ত (অধিনায়ক), লিটন দাস, সৌম্য সরকার, তানজিদ হাসান তামিম, সাকিব আল হাসান, তাওহিদ হৃদয়, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, তাসকিন আহমেদ, রিশাদ হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমান, তানজিম হাসান সাকিব।


আরও খবর



বেনজীর-আজিজ আ.লীগের আসল চেহারা : মির্জা ফখরুল

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০৩ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

সাবেক পুলিশ প্রধান বেনজীর আহমেদ ও সাবেক সেনাবাহিনীর প্রধান আজিজ আহমেদ আওয়ামী লীগের আসল চেহারা বলে দাবি করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, গত কিছুদিন পত্রিকা খুললেই বেনজীরের নজিরবিহীন দুর্নীতি। একইসঙ্গে সাবেক সেনাপ্রধান। তাকেও নিষেধাজ্ঞা দিয়ে দিয়েছে। আর তাদের তথাকথিত সংসদ সদস্যকে কলকাতায় নিয়ে টুকরো-টুকরো করেছে। এই হচ্ছে তাদের (আওয়ামী লীগের) চেহারা।

সোমবার (৩ মে) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে এ সভার আয়োজন করে মহিলা দল।

এখন সেনাবাহিনীর অবস্থায় কোথায় এমন প্রশ্ন রেখে মির্জা ফখরুল বলেন, যখন তার সাবেক প্রধানকে নিষেধাজ্ঞা দেয়। সেই পুলিশ বাহিনীর মর্যাদা কোথায় থাকে যখন তাদের সাবেক প্রধানকে দেশ থেকে পালিয়ে যেতে হয়। কার সম্মান কোথায় থাকে। আজ এরা দেশটাকে ধ্বংস করে ফেলেছে।

তিনি বলেন, আজ পত্রিকায় দেখলাম পাবনায় ২টি গরু বিক্রি হয়েছে ৪০ লাখ টাকায়। এদিকে মানুষ ডিম কিনতে পারছে না। বাচ্চাদের ডিম দিতে পারছে না। লেখাপড়ার খরচ জোগাতে পারছে না। অন্যদিকে ৪০ লাখ টাকা দিয়ে গরু কিনছে। এটা কেন? এই দেশের অর্থনীতিকে এমন জায়গা নিয়ে যাওয়া হয়েছে, ধনীকে আরও ধনী করছে। আর গরিবকে আরও গরিব করছে।

আওয়ামী লীগ জিয়াউর রহমানকে মুছে ফেলতে চায় অভিযোগ করে মির্জা ফখরুল বলেন, সৈনিক জিয়ার ডাকে স্বাধীনতার যুদ্ধ শুরু হয়েছে, এটাকে তারা মুছে ফেলতে চায়। আওয়ামী লীগ শুধু একজন মানুষকে মহিমান্বিত করার জন্য তাদের পুরো ক্ষমতার অপব্যবহার করে চলেছে। আমরা শেখ মুজিবের অবদানকে কখনো অস্বীকার করি না। কিন্তু কি করে অস্বীকার করা যাবে যার ঘোষণায় আমরা স্বাধীনতার যুদ্ধ শুরু করেছিলাম। যারা এটা করতে চায়, এটা যে তাদের রাজনৈতিক সংকীর্ণতা সেটা প্রমাণ হয়।

জিয়াউর রহমানের সৃষ্টি করা বিএনপি এখন বাংলাদেশের সবচেয়ে বৃহৎ রাজনৈতিক দল বলেও উল্লেখ করেন তিনি। বলেন, তার আদর্শ সবচেয়ে বড়। এখানে আরেকজনের কথা বলতে চাই, তিনি হলে আমাদের নেত্রী খালেদা জিয়া। যুদ্ধের সময় ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত তিনি কারাগারে ছিলেন। আমি যখন তাকে বাংলাদেশের প্রথম নারী মুক্তিযোদ্ধা বলি, তখন আওয়ামী লীগের গাজ্বালা করে। কারণ তাদের নেত্রী তো মুক্তিযুদ্ধ করেননি। আমি কারো সমালোচনা করতে চাই না, যার যে অবদান সেটা স্বীকার করে নেওয়াই হচ্ছে মহত্ত্বের লক্ষণ।

আওয়ামী লীগ ১৯৭১-৭৫ সাল পর্যন্ত শাসনকালে ৩০ হাজার রাজনৈতিক নেতাকর্মীকে হত্যা করেছে, নারীর ওপর নির্যাতন করেছে বলে দাবি করেন মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, এখন তারা নারীর ওপর নির্যাতন করতে দ্বিধা করছে না। আজ যারা জেলে গেছেন, সাজাপ্রাপ্ত হয়েছেন, তাদের অপরাধ কী? অপরাধ তো একটাই স্বাধীনতা চাই, কথা বলতে চাই, ভোট দিতে চাই। এখানে আওয়ামী লীগের আপত্তি, তারা এগুলো দেবে না।

প্রাথমিক স্কুলের বইতে সরকার মিথ্যা প্রচার করে চলছে বলে দাবি করেন বিএনপি মহাসচিব। বলেন, সেখানে একজনের নাম ছাড়া কারো নাম নেই। সেখানে তাদের নেতা তাজউদ্দীন আহমদের নাম নেই। জেনারেল ওসমানীর নামও নেই। কেউ নেই। এক নেতা, এক দেশ, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ, এটাই তারা আজ প্রচার করছে। তারা দীর্ঘকাল ধরে দেশকে শোষণ করছে, দুর্নীতি করছে।

সভায় বক্তব্য দেন মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস, সাধারণ সম্পাদক সুলতানা কামাল প্রমুখ।


আরও খবর



নরেন্দ্র মোদির ‘জনপ্রিয়তার ভিত’ নাড়িয়ে দিয়েছেন যিনি

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ভারতের ১৮তম লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। ফল অনুযায়ী টানা তৃতীয়বারের মত প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন নরেন্দ্র মোদি। তবে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে ব্যর্থ হয়েছে মোদির বিজেপি।

ভারতের লোকসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণা শুরুর পরপরই সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রেন্ডিংয়ে উঠে আসে একটি নাম ধ্রুব রাঠি। ফেসবুক, এক্সে ছড়িয়ে পড়েছে তার বিবৃতি নেভার আন্ডারএস্টিমেট দ্য পাওয়ার অব অ্য কমন ম্যান। বলা হচ্ছে, বিজেপি সাম্রাজ্যের ভীত নাড়িয়ে দিয়েছেন এই ওয়ান-ম্যান আর্মি।

তবে ধ্রুব রাঠি কোনো রাজনীতিবিদ কিংবা সাংবাদিক নন। তিনি একজন ইউটিউবার। গত কয়েক মাসে নরেন্দ্র মোদি ও তার দল বিজেপির কঠোর সমালোচনা করে একের পর এক ভিডিও তৈরি করেছেন তিনি। তার ভিডিও এতটাই জনপ্রিয় হয়েছে যে আলজাজিরা, ফ্রান্স ২৪, দ্য ইকনোমিস্ট, টাইম ম্যাগাজিন, দ্য টেলিগ্রাফ, দ্য প্রিন্ট, দ্য ইকনোমিক টাইমসের মতো আন্তর্জাতিক পত্রিকায় শিরোনাম হয়েছেন তিনি।

টেলিগ্রাফ তাকে সম্মোধন করেছে 'দ্য ট্রুথ টেলার' হিসেবে, ফ্রান্স ২৪ তাদের প্রতিবেদনের শিরোনাম দিয়েছে 'ইউটিউব সেনসেশন ধ্রুব রাঠি, সরকারকে দায়বদ্ধ করে চলেছেন', ইকোনোমিক টাইমস শিরোনাম দিয়েছে 'নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ভারতের ইউটিউবার'। অন্যদিকে, টাইম ম্যাগাজিনের নেক্সট জেনারেশন লিডারস তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন ধ্রুব রাঠি। এমনকি গতকাল লোকসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণা শুরুর পর ভারতের সংবাদমাধ্যমও তাকে নিয়ে প্রতিবেদন ছেপেছে।

ইউটিউবে শক্তিশালী উপস্থিতি নিয়ে আসেন ধ্রুব রাঠি। ইউটিউবে তার ২১.৫ মিলিয়ন সাবস্ক্রাইবার রয়েছে, যা বিজেপির ইউটিউব চ্যানেলের প্রায় ৪ গুণ। নরেন্দ্র মোদির ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইবার রয়েছে ২৩ মিলিয়ন ও কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর সাবস্ক্রাইবার রয়েছে ৬ মিলিয়ন।

২৯ বছর বয়সী ধ্রুব রাঠি আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, একসময় নরেন্দ্র মোদির ভক্ত ছিলেন তিনি। নরেন্দ্র মোদি যখন প্রথম ক্ষমতায় আসেন, তখন তিনি সবেমাত্র হাইস্কুল শেষ করে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ডিগ্রি নিতে জার্মানিতে চলে যান। এই সময় তিনি তার ইউটিউব চ্যানেল চালু করেন। রাঠির প্রথম ভিডিওটি ছিল তার আইফোন ৫এস এ তৈরি একটি ট্রাভেল ভ্লগ। এটি তিনি দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে সম্পাদনা করেছেন।

২০১১ সালে ভারতের লাখো তরুণের মতো সে প্রজন্মের প্রথম প্রধান দেশব্যাপী আন্দোলনের প্রতি রাজনৈতিকভাবে আকৃষ্ট হয়েছিলেন ধ্রুব। সেটি ছিল কংগ্রেস পার্টির তৎকালীন সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতিবিরোধী বিক্ষোভ। এ আন্দোলনই নরেন্দ্র মোদির জাতীয় উত্থানের পথ প্রশস্ত করেছিল। ২০১৪ সালে রাজনীতিতে মোদির উত্থানে দুর্নীতি ও কালো টাকার বিরুদ্ধে কঠোর হওয়ার আশা দেখেছিলেন ধ্রুব। তিনি মোদিকে সমর্থক জানিয়েছিলেন এবং তার ক্ষমতায় যাওয়াকে স্বাগত জানিয়েছিলেন।

তিনি বলেন, ২০১৫ সালে আম আদমি পার্টি (এএপি) জাতীয়ভাবে বিরোধী দলে থাকলেও দিল্লিতে ক্ষমতায় ছিল। তারা একটি দুর্নীতিবিরোধী হেল্পলাইন চালু করেছিল। কিন্তু কেন্দ্রের মোদি সরকার ওই হেল্পলাইনের নিয়ন্ত্রণের জন্য এএপি রাজ্য সরকারের সঙ্গে তুমুল লড়াই শুরু করে। এটি আমার জন্য খুব মর্মান্তিক মুহূর্ত ছিল। আমি বুঝতে পেরেছিলাম যে তিনি ভারত থেকে দুর্নীতি অপসারণ করতে আগ্রহী নন।

মূলধারার টিভি চ্যানেল মোদি ও বিজেপির পক্ষে এক নাগাড়ে সমর্থন প্রদর্শনের পর তার হতাশা আরও বেড়ে যায়। সেই পটভূমিতে ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৬ সালে ইউটিউবে তার প্রথম রাজনৈতিক মন্তব্য আপলোড করেছিলেন ধ্রুব। ভিডিওটি সম্পূর্ণরূপে তার ফোনে শ্যুট করা হয়েছিল।

এরপর থেকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। গত আট বছরে, তিনি তার প্রধান ইউটিউব চ্যানেলে প্রায় ৬৫০টি ভিডিও প্রকাশ করেছেন। তার কিছু ভিডিও ইতিহাস নিয়ে, যেমন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় কী ঘটেছিল বা ভারতের জনগণের মধ্যে বিশাল অংশের ওপর তাপদাহের ঝুঁকি নিয়ে। তবে তার অধিকাংশ ভিডিওর কেন্দ্রে থাকে রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি ও সরকারের সমালোচনা।


আরও খবর



বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে যত রেকর্ড

প্রকাশিত:রবিবার ০২ জুন 2০২4 | হালনাগাদ:রবিবার ০২ জুন 2০২4 | অনলাইন সংস্করণ
ক্রীড়া প্রতিবেদক

Image

অনেকটা নীরবেই শুরু হলো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নবম আসর। তবে বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচটা হয়েছে দুর্দান্ত। বিশ্বমঞ্চে অভিষেকে আইসিসির দুই সহযোগী দেশ যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা বেশ দাপটই দেখিয়েছে। কানাডার ছুঁড়ে দেওয়ার ১৯৫ রানের লক্ষ্য ১৪ বল হাতে রেখেই পেরিয়েছে বিশ্বকাপের আয়োজকরা।

সবমিলিয়ে দেখে নেওয়া যাক রেকর্ডগুলো-

অভিষেকে সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ: প্রথমবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলতে নেমে সর্বোচ্চ ১৯৪ রান তুলেছে কানাডা। এর আগে, ২০১৪ আসরে ১৯৩ রান তুলেছিল নেদারল্যান্ডস। ডাচদের সেই রেকর্ড ভেঙে দেয় কানাডা। এরপর লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে কানাডিয়ানদের রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র, রান তাড়ায় নেমে ১৯৭ তুলেছে তারা; যা বিশ্বমঞ্চে অভিষেকে সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ।

তৃতীয় সর্বোচ্চ রান তাড়ার রেকর্ড: এই ম্যাচে রান তাড়ায় ইতিহাস গড়েছে স্বাগতিক দল। এর আগে, সর্বোচ্চ ১৬৯ রান তাড়া করে জিতেছিল। দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে এবার ১৭ দশমিক ৪ ওভারেই কানাডার ছুঁড়ে দেওয়া ১৯৫ রানের লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলেছে তারা।

এদিকে রান তাড়ার রেকর্ডে সব মিলিয়ে তৃতীয় স্থানে এটি। সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটের এই টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ ২৩০ রান তাড়া করে জিতেছিল ইংল্যান্ড। ২০১৬ আসরে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে এই কীর্তি গড়ে ইংলিশরা। এর আগে, ২০০৭ বিশ্বকাপে ২০৬ রান তাড়া করে জিতেছিল প্রোটিয়ারা।

যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় জুটি: তৃতীয় উইকেট জুটিতে ১৩১ রান তুলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সহ–অধিনায়ক অ্যারন জোন্স ও আন্দ্রিয়েস গুস। তবে বিশ্বমঞ্চে এর আগে আরেকবার তৃতীয় উইকেট জুটিতে এর চেয়ে বেশি রান এসেছে। ২০১৪ বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ১৫২ রানের জুটি গড়েছিলেন ইংল্যান্ডের ইয়ন মরগান ও অ্যালেক্স হেলস। তবে ২০ ওভারের ফরম্যাটে এটাই যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় রানের জুটি।

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ছক্কা: অপরাজিত ৯৪ রানের পথে ১০টি ছক্কা হাঁকিয়েছেন জোন্স। এই তালিকায় তার সামনে আছেন শুধুই ক্রিস গেইল। ২০১৬ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ১১টি ছক্কা মেরেছিলেন ক্যারিবিয়ান এই ইউনিভার্স বস’।

এক ওভারে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান: বিশ্বকাপে এর আগে এক ওভারে সর্বোচ্চ ৩৬ রান দিয়েছিলেন ইংল্যান্ডের পেসার স্টুয়ার্ড ব্রড। ২০০৭ বিশ্বকাপে তার ওভারে ৬ ছক্কা হাঁকিয়েছিলেন যুবরাজ সিং। এবার এক ওভারে ৩৩ রান খরচ করেছেন কানাডার জেরেমি গর্ডন।

দ্রুততম ফিফটি: দলের জয়ের দিনে দুর্দান্ত ইনিংস খেলেছেন জোন্স। মাত্র ২২ বলে হাফ-সেঞ্চুরি তুলে নেওয়া এই ব্যাটার শেষ পর্যন্ত ৯৪ রানে অপরাজিত থেকেছেন। যা এই ফরম্যাটে কোনো আমেরিকান ব্যাটারের সবচেয়ে দ্রুততম ফিফটি।


আরও খবর