আজঃ বৃহস্পতিবার ২৪ জুন ২০২১
শিরোনাম

শক্তিশালী নেটওয়ার্কের আওতায় আসছে তিন জেলা

প্রকাশিত:বুধবার ০৯ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৯ জুন ২০২১ | ২১৪জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

শক্তিশালী নেটওয়ার্কের আওতায় আসছে খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান। এই তিন জেলায় তথ্যপ্রযুক্তি শক্তিশালী করতে অপটিক্যাল ফাইবার নেটওয়ার্ক স্থাপন করা হবে। সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে কাজটি করবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

বুধবার (০৯ জুন) অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ১৬তম বৈঠকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রকল্পটির প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব শামসুল আরেফিন সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

শামসুল আরেফিন বলেন, তিন পার্বত্য জেলায় স্থায়ী নেটওয়ার্ক স্থাপনের জন্য টেলিযোগাযোগ সুবিধা বঞ্চিত এলাকাসমূহের ব্রডব্যান্ড কানেক্টিভিটি স্থাপন (কানেক্টেড বাংলাদেশ) প্রকল্পের আওতায় কাজ করা হবে। মোট ৫৯টি ইউনিয়নে স্থায়ী নেটওয়াযর্ক স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পার্বত্য অঞ্চলের ইউনিয়নগুলো অতিদুর্গম বিধায় নিরাপত্তা ঝুঁকি ও পারিপার্শ্বিক প্রতিবন্ধকতার কথা বিবেচনা করে কাজটি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মাধ্যমে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে প্রস্তাবের নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: নেটওয়ার্ক

আরও খবর



টাঙ্গাইলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নিহত ২,আহত ৩

প্রকাশিত:শনিবার ১২ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১২ জুন ২০২১ | ৬৩জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আজ সকালে বাসাইলের ফুলকী ইউনিয়নের আইসড়া পূর্বপাড়া এলাকায় ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সা থেকে চার্জার খুলতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গুরুতর আহত হয় লালু মিয়া (৩২)।

পরে তাকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। সে ওই গ্রামের সোহরাব মিয়ার ছেলে।

অন্যদিকে দেলদুয়ারের ছিলিমপুর বাজারে সাইনবোর্ডের কাজ করতে গিয়ে তিন জন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়। পরে তাদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক লোকমান মিয়া নামে একজন মৃত ঘোষণা করেন। অন্য দুইজনকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

বাসাইল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নুরুল আমীন বলেন, কোনও অভিযোগ না থাকায় লালু মিযার মরদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়াই স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান, ইউপি সদস্য ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের পুলিশ বক্সের ইনচার্জ মো. নবীন বলেন, মরদেহ মর্গে রয়েছে। পরিবারের লোকজন আসলে আইনী প্রক্রিয়া শেষে তাদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

নিউজ ট্যাগ: বিদ্যুৎস্পৃষ্ট

আরও খবর



রাজধানীতে বৃষ্টির সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ২ শিশুসহ ৩ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:শনিবার ০৫ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ০৫ জুন ২০২১ | ১১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাজধানীর মালিবাগ চৌধুরিপাড়ায় বৃষ্টির সময় একটি টিনসেড বাড়িতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শিশুসহ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতরা হলেন- সাবিনা আক্তার পাখি (১০), ঝুমা (১৪) ও বাড়িটির দারোয়ান আবুল হোসেন (৬৫)।

শনিবার (৫ জুন) বেলা ২টার দিকে মালিবাগ চৌধুরিপাড়া আবুল হোটেলের পিছনে সোনা মিয়ার গলির মাজেদা বেগমের টিনসেড বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে।

অচেতন অবস্থায় বেলা পৌনে ৩টার দিকে পাখিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আর বাকি দুইজনকে মালিবাগ কমিউনিটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে মৃত্যু হয় তাদের।

পাখিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া প্রতিবেশী ভাড়াটিয়া আলআমিন জানান, বেলা ২টার দিকে বৃষ্টির সময় বাচ্চাটি বাসার সামনে খেলা করছিল। তখন বাসার লোহার গেট থেকে স্পৃষ্ট হয়ে অচেতন হয়ে পড়ে পাখি। তাকে ছাড়াতে গেলে ঝুমা ও পরে আবুল হোসেনও অচেতন হয়ে পড়ে। তখন পাখিকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়া যাওয়া হয়। আর বাকি দুইজনকে কমিউনিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

হাতিরঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রশিদ গণমাধ্যমকে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তিন জনের মারা যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

হাতিরঝিল থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) মো. শরিফুল ইসলাম ৩ জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বৃষ্টির সময় বাসার সামনের বিদ্যুতের খুঁটির উপর বজ্রপাত হয়। এতে তাদের টিনসেড বাসাটি বিদ্যুতায়িত হয়ে শিশুসহ তিনজন অচেতন হয়ে পড়ে। পরে ঢাকা মেডিকেলে পাখিকে নিয়ে গেলে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আর বাকি দুইজনকে মালিবাগ কমিউনিটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে তাদের মৃত্যু হয়। সিলেট জেলার জাবেদ আলীর মেয়ে ঝুমা।


আরও খবর



ধূমপানে করোনায় মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়ে ৫০ শতাংশ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০১ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০১ জুন ২০২১ | ১২০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বিশ্বজুড়ে মহামারি করোনাভাইরাসের উচ্চ ঝুঁকিতে আছেন ধূমপায়ীরা। কারণ, ধূমপান প্রাণঘাতী এই রোগে আক্রান্ত ও মৃত্যুর ঝুঁকি অন্তত ৫০ শতাংশ বাড়িয়ে দেয়। কমিট টু কুইট তামাক বিরোধী প্রচারে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান টেড্রস আধানম গেব্রিয়েসুস এক টু্ইটবার্তায় এই তথ্য জানিয়েছেন।

টেড্রস আধানম গেব্রিয়েসুস টুইটে বলেন, বর্তমান করোনা মহামারিতে ধূমপায়ীরা উচ্চ ঝুঁকিতে আছেন। আমাদের গবেষণা, ধূমপায়ীদের ক্ষেত্রে এ রোগে আক্রান্ত ও মৃত্যুর ঝুঁকি অন্তত ৫০ শতাংশ বেশি। ধূমপান শুধু করোনায় আক্রান্তের সম্ভাবনাই বাড়ায় না, বরং আক্রান্ত ব্যাক্তির কোনো শারীরিক সমস্যা বা জটিলতা থাকলে সেটিও বাড়িয়ে তোলে। ফলে আক্রান্ত রোগীর মৃত্যু ঝুঁকি বেড়ে যায় কয়েকগুণ। এ কারণে করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর ঝুঁকি কমাতে হলে ধূমপান ত্যাগের কোনো বিকল্প নেই।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার উদ্যোগে প্রতিবছর ৩১ মে বিশ্বজুড়ে ধূমপান ও তামাকবিরোধী দিবস পালন করা হয়। তামাকমুক্ত পৃথিবী গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে ১৯৮৭ সাল থেকে এই দিবসটি পালন করে আসছে ডব্লিউএইচও।

ধূমপান স্বাস্থ্যের কতটা ক্ষতি করে সেই বার্তা মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্যও আহ্বান জানিয়েছেন ডব্লিউএইচও প্রধান। প্রয়োজনে হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুক, ভাইবার, উইচ্যাট-এর মতো নেটমাধ্যমকে কাজে লাগিয়ে সতর্কতার বার্তা ছড়িয়ে দিতে সচেষ্ট হতে হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।


আরও খবর
করোনায় আরও ৭৬ জনের মৃত্যু

মঙ্গলবার ২২ জুন ২০২১




শ ম রেজাউল করিমকে নিয়ে ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ সমাবেশ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৮ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৮ জুন ২০২১ | ১৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম ও তার পরিবারকে নিয়ে ষড়যন্ত্রমূলক অপপ্রচারকারীদের দৃষ্টন্তামূলক শাস্তির দাবীতে প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করেন শ্রীরামকাঠিতে বাংলাদেশ

পিরোজপুর-১ আসনের এমপি মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম ও তার পরিবারকে নিয়ে ষড়যন্ত্রমূলক অপপ্রচারকারীদের দৃষ্টন্তামূলক শাস্তির দাবীতে প্রতিবাদ সমাবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে শ্রীরামকাঠিতে।

গতকাল সোমবার (৭জুন) বিকালে উপজেলার শ্রীররামকাঠী দক্ষিন সার্বজনীন দুর্গা মন্দির প্রাঙ্গনে পিরোজপুর-১ আসনের এমপি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম ও তার পরিবারকে নিয়ে ষড়যন্ত্রমূলক অপপ্রচারকারীদের দৃষ্টন্তামূলক শাস্তির দাবীতে প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করেন শ্রীরামকাঠিতে বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ ও বাংলাদেশ পূজা উদযাপন শ্রীরামকাঠি ইউনিয়ন শাখা নাজিরপুর।

প্রতিবাদ সমাবেশে বাবু প্রফুল্ল রঞ্জন বড়ালের সভাপতিত্বে অতিথি হিসেবে বক্তব্যে রাখেন, উদয়ন নগর মঠ শ্রী কুমার অচার্য, শ্রী গ্রীতাম্মনাজী মহারাজ, বাবু সুখরঞ্জন বেপারী, উপজেলা আ.লীগের সহ সাধারণ সম্পাদক নির্জন কান্তি সূতার, সুনিল কুমার হালদার, মৃদুল কান্তি মাঝি, উপজেলা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ ও বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পূজা কমিটির সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব কুমার রায়,  বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ নাজিরপুর উপজেলা শাখার সদস্য সচিব ও জেলা পরিষদ পিরোজপুরের সদস্য তুহিন হালদার তিমির প্রমুখ।

উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মাস্টার মো. মোতাহার হোসন হাওলাদার, উপজেলা যুবলীগ সভাপতি এম খোকন কাজী, যুবলীগ নেতা মো. ছিদ্দিকুর রহমান তুহিন, শ্রীরামকাঠি ইউনিয়ন আ.লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হান্নান মৃধা, উপজেলা যুবলীগের সহ সভাপতি ফারুক হাওলাদার, ইউনিয়ন আ.লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ইকবাল হোসেন, শ্রীরামকাঠি ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান মিঠু, যুবলীগ নেতা এসএম রোকনুজ্জামান।

বক্তরা মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি ও তার পরিবার নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা, বানোয়াট ও ষড়যন্ত্রমূলক অপপ্রচারকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী ও তীব্র নিন্দা জানান। আর এমন অপপ্রচারের সাথে জড়িত সকলকে গ্রেফতারের দাবীতে ১ মিনিট নিরবতা পালন করেন। স্থানীয় চেয়ারম্যান উত্তম কুমার মিত্রকে তার অপকর্মের বিচারের দাবী এবং তাকে শ্রীরামকাঠি ইউনিয়নে অবাঞ্চিত ঘোষণা করেন।

নিউজ ট্যাগ: শ ম রেজাউল করিম

আরও খবর



স্বাস্থ্যবিধির বালাই নেই গণপরিবহনে, নেয়া হচ্ছে বাড়তি ভাড়া

প্রকাশিত:সোমবার ৩১ মে ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ৩১ মে ২০২১ | ১২৭জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাজধানীর গণপরিবহনগুলোতে মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি। অতিমারি করোনার লাগাম টানতে অর্ধেক আসন ফাঁকা রেখে যাত্রী পরিবহনের কথা থাকলেও অনেক বাসেই সে নিয়মের তোয়াক্কা করা হচ্ছে না। সরকারি নির্দেশনাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে গাদাগাদি করে পরিবহন করা হচ্ছে যাত্রী। তবে নির্দেশনা অনুযায়ী বাড়তি ৬০ শতাংশ ভাড়া তারা ঠিকই আদায় করছেন। এ নিয়ে যাত্রীদের মধ্যে দেখা গেছে ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ।

সোমবার (৩১ মে) রাজধানীর মিরপুর, ফার্মগেট, কারওয়ানবাজার, শাহবাগ, গুলিস্তান ও মতিঝিলসহ বেশ কয়েকটি এলাকা ঘুরে গণপরিবহনের এমন চিত্র দেখা গেছে।

কিছু কিছু বাসে স্বাস্থ্যবিধি মেনে যাত্রীদের গন্তব্যে যেতে দেখা গেলেও অধিকাংশ বাসে গাদাগাদি করে যাত্রীদের চলাচল করতে দেখা গেছে। অনেকের মুখে মাস্ক পরতে দেখা যায়নি। স্বাস্থ্যবিধি মানাতে বাস শ্রমিকদের মধ্যে দেখা যায়নি কোন তৎপরতা। বেশিভাগ বাসচালক ও হেলপাররা ব্যবহার করছেন না মাস্ক। ক্যামেরা দেখলেই শুরু হয় মাস্ক পড়ার তোড়জোড়। এদিকে, যাত্রীদের অভিযোগ, বাসে অতিরিক্ত যাত্রী উঠানো হলেও সঙ্গে আদায় করা হয় অতিরিক্ত ভাড়াও।

বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি করেন আব্দুল গণি। প্রতিদিন মিরপুর থেকে গণপরিবহনে করে যাতায়াত করেন মতিঝিলে। তিনি বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে গণপরিবহনে চলাচলের বিষয়টি শুধুমাত্র খাতা কলমেই আছে। বাসে কোনো সুরক্ষা সামগ্রী দেয়া হচ্ছে না। স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য ন্যূনতম স্যানিটাইজারও দেয়া হচ্ছে না। আমাদের ঘাড়ের ওপর যাত্রী পরিবহন করা হচ্ছে। অথচ বেশি ভাড়াই আদায় করা হচ্ছে।

মিরপুর থেকে যাত্রাবাড়ীগামী খাজাবাবা পরিবহনের বেশ কয়েকজন যাত্রী মাস্ক পড়েননি। কেন পড়েননি জানতে চাইলে তারা বলেন, এতোক্ষণ মাস্ক পড়েছিলাম। যে গরম পড়ছে শ্বাস নিতে কষ্ট হয়। তাই একটু মাস্ক খুলেছি।

বাসে কেনো নিয়ম না মেনে যাত্রী পরিবহন করা হচ্ছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিহঙ্গ পরিবহনের হেল্পার নওশাদ আলী বলেন, যারা একই পরিবারের তারাই কেবল দুই সিটে একসঙ্গে বসেছে। এছাড়া অন্য যাত্রীরা আলাদা আলাদা সিটে বসছে।

তবে যাত্রীদের কাছে জানতে চাওয়া হলে তারা কেউই কারো পরিচিত নন বলে জানান। এসময় প্রশ্ন এড়িয়ে গিয়ে ওই বাস হেল্পার বলেন, ভাই অফিস টাইম এখন। আমরা কি করবো? যাত্রীরা আমাদের ঠেলে বাসে উঠে যায়। তারা বাসে উঠে গেলে তো আমরা নামায়ে দিতে পারি না।

নিউজ ট্যাগ: গণপরিবহন

আরও খবর