আজঃ বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

স্মার্টফোনের সিম কার্ড পরিষ্কার করবেন যেভাবে

প্রকাশিত:রবিবার ২৪ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৪ জুলাই ২০২২ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সিম কার্ডের উপর বিভিন্ন কারণেই ময়লা জমে। এ থেকে তৈরি হতে পারে নানা ধরনের সমস্যা। কখনো কখনো সিম কার্ডের ওপর ময়লা জমলে সংযোগে সমস্যা তৈরি হয়। ফলে স্মার্টফোনের সিগন্যাল দুর্বল দেখায়। যে কারণে ফোন করার সময় অথবা নেট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি হয়। এ জন্য যেসব ফোনে ফিজিক্যাল সিম কার্ড রয়েছে সেগুলো পরিষ্কার রাখা দরকার। নির্দিষ্ট সময় অন্তর সিম খুলে তা পরিষ্কার করতে হবে। তাহলে চলুন জেনে নিই, যেভাবে সিম পরিষ্কার করবেন-

ফোন থেকে সিম খুলে দিন: সাধারণত প্রতিটি স্মার্টফোনের সাইডে রয়েছে সিম কার্ড স্লট। যেকোনো সিম ইজেক্টর টুল ব্যবহার করে খুব সহজেই ফোন থেকে সিম কার্ড খুলতে পারবেন। তবে কিছুটা পুরনো ফোন হলে ফোনের ব্যাকপ্যানেল খুলে সিম বের করতে হবে। তারপর পরিষ্কার করতে হবে।

রাবার ইরেজার: ইলেকট্রনিক্স প্রডাক্ট পরিষ্কার করার জন্য রয়েছে নন কনডাক্টিভ স্প্রে। তার মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় ডব্লিডিফোরজিরো। এই ধরনের কোনো লিক্যুয়িড দিয়ে ফোনের সিম পরিষ্কার করা যাবে।

অ্যালকোহল ব্যবহার: যেসব লিক্যুয়িডে ৯০-৯৯ শতাংশ অ্যালকোহল রয়েছে, সেগুলো দিয়ে ফোনের সিম কার্ড পরিষ্কার করতে পারেন। ফার্স্ট এইড বক্সের  ক্লিনিং অ্যালকোহল দিয়েও পরিষ্কার করা সম্ভব। তাছাড়া কোনো তুলা বা পরিষ্কার কাপড় ব্যবহার করে সিম কার্ড পরিষ্কার করতে পারেন। বিভিন্ন ইলেকট্রনিক্স প্রডাক্ট পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য গোল্ড গার্ড পেন ব্যবহার করা হয়। এতে ভালোভাবে কোনো ইলেকট্রনিক্স প্রডাক্ট পরিষ্কার করা যায়।

টিস্যুর ব্যবহার: বর্তমানে বিভিন্ন নামী-দামি সংস্থা ক্লিনিং টিস্যু বাজারে এনেছে। এ সব টিস্যু ব্যবহার করেও আপনি সিম পরিষ্কার করতে পারেন।

নিউজ ট্যাগ: সিম কার্ড

আরও খবর
শনিবার ইন্টারনেট সেবায় বিঘ্ন ঘটার শঙ্কা

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

৮ এপ্রিল দিনকে রাত দেখবে তিন দেশের মানুষ

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




অ্যান্টিবায়োটিক খাচ্ছেন? জেনে নিন কী কী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জীবন ধারা ডেস্ক

Image

অ্যান্টিবায়োটিক্স বা অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল আসলে এক ধরনের ক্ষমতাশালী ওষুধ, যা ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচায়। তবে এর সমস্যা হচ্ছে এটি এমন কিছু ব্যাকটেরিয়াও ধ্বংস করে দেয়, যা শরীরের জন্য উপকারী। অ্যান্টিবায়োটিক সেবনের ফলে যেসব পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেবে সে ব্যাপারে বাড়তি কিছু যত্নেরও প্রয়োজন আছে।

ব্রিটেনের জাতীয় স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় রোগ নিয়ন্ত্রণ সংস্থা ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা এ বিষয়ে কী পরামর্শ দিয়েছেন আসুন জেনে নেয়া যাক।

ভালো ব্যাকটেরিয়া, খারাপ ব্যাকটেরিয়া : মানবদেহে প্রায় ৪০ ট্রিলিয়ন ব্যাকটেরিয়া রয়েছে। এর মধ্যে কিছু ভালো ও খারাপ রয়েছে। এই ব্যাকটেরিয়া শরীরকে একটি ভারসাম্যের মধ্যে রাখে। অ্যান্টিবায়োটিকের কাজ ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করা। এটি ভালো না খারাপ সেটা অ্যান্টিবায়োটিক বুঝতে পারে না। তাই কোনো রোগী অ্যান্টিবায়োটিক নিলে  শরীরের খারাপ  ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস হয়। পাশাপাশি ভালো ব্যাকটেরিয়াও নষ্ট হয়ে যায়। এতে শরীর প্রাকৃতিক ভারসাম্য হারায়। ফলে সবচেয়ে সাধারণ যে দু'টি সমস্যা দেখা দেয় তা হলো ডায়রিয়া ও ছত্রাক সংক্রমণ।

ডায়রিয়া : শরীরে যেসব ব্যাকটেরিয়া আছে, বেশিরভাগই আমাদের পাচনতন্ত্রে থাকে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অন্ত্রের ভালো ব্যাকটেরিয়া খাবার হজম করা থেকে শুরু করে ক্ষতিকর ভাইরাস, পরজীবী থেকে শরীরকে রক্ষা করতে সাহায্য করে। অ্যান্টিবায়োটিক অন্ত্রের ভালো ব্যাকটেরিয়াও মেরে ফেলে এবং বৃদ্ধি বন্ধ করে দেয়। ফলে রোগীর মারাত্মক ডায়রিয়া, বদহজম, বমি বমি ভাব, জ্বর, পেটে ব্যথা, ক্ষুধামন্দা, মাথা ঘোরানো ইত্যাদি সমস্যা দেখা দেয়।

যা করতে হবে : অ্যান্টিবায়োটিকের প্রভাবে পেটে সমস্যা দেখা দিলে  প্রোবায়োটিক ও প্রিবায়োটিক সমৃদ্ধ খাবার ভালো কাজ করবে। এসব খাদ্য অন্ত্রে ব্যাকটেরিয়ার সুস্থ ভারসাম্য ফেরাতে, এককথায় পেট সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে বলে জানিয়েছেন পুষ্টিবিদরা। এক্ষেত্রে প্রোবায়োটিক যুক্ত খাবারের উৎকৃষ্ট উদাহরণ হতে পারে দই। তবে দইটি যেন অবশ্যই রং ও চিনিমুক্ত হয়। এতে হজম প্রক্রিয়া দ্রুত ও কার্যকর হবে। এছাড়া অন্ত্রে ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য ফেরাতে প্রিবায়োটিক যুক্ত খাবারও কাজে দেবে। প্রিবায়োটিক হচ্ছে প্রোবায়োটিকের উল্টো।

প্রিবায়োটিক খাবারে জটিল কার্বোহাইড্রেট থাকে যা সহজে হজম হয় না, সময় লাগে। কাঁচা কলা, ঠান্ডা ভাত, সেদ্ধ ঠান্ডা আলু, আটার রুটি, পাস্তা, ওটস, বিভিন্ন ধরনের ডাল যেমন ছোলা, মসুর, কিডনি বিন। এছাড়া মটরদানা, পেঁয়াজ, রসুন, ভুট্টা, কাজু, পেস্তা বাদাম, ইত্যাদি প্রিবায়োটিক যুক্ত খাবারের উৎস। সেইসঙ্গে বিভিন্ন ফল যেমন তরমুজ, ডালিম, খেজুর, ডুমুর, জাম্বুরা ও শাক, বাঁধাকপি কাজে দেবে। এসব খাবার অন্ত্রের প্রাচীরকে সুগঠিত করে তোলে।

গবেষণায় দেখা গেছে, কিছু অ্যান্টিবায়োটিক অন্ত্রের ওপর দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলতে পারে। এতে শরীরের ভারসাম্য আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে কিছুটা সময় লাগে। অ্যান্টিবায়োটিকের ফলে যে ক্ষতি হয়েছে সেটা পুনরুদ্ধার করতে অনেকের প্রায় ছয় মাস বা সেটারও বেশি সময় লেগেছে বলে গবেষণায় দেখা গেছে। এছাড়া নিয়মিত ব্যায়াম করা, বিশেষ করে হাঁটাহাঁটি বা দৌড়ানো, অন্ত্রের স্বাস্থ্য ফেরাতে সাহায্য করবে।

ছত্রাক সংক্রমণ : ছত্রাক সংক্রমণ বা ইস্ট ইনফেকশনে প্রধানত নারীরা ভুগে থাকেন। নারীদের যোনিপথে যে ভালো ব্যাকটেরিয়া থাকে, তা ছত্রাকের সংক্রমণ থেকে রক্ষা করতে কাজ করে। কিন্তু অ্যান্টিবায়োটিকের প্রভাবে ওই ব্যাকটেরিয়া যখন মরে যায়, তখন সহজেই যোনিতে ছত্রাকের সংক্রমণ দেখা দেয়। এমনটা হলে নারীদের উচিত হবে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া।

ইস্ট ইনফেকশন হলে যোনি এবং এর আশপাশে তীব্র চুলকানি ও জ্বালাপোড়া হয়। বিশেষ করে সহবাস ও প্রস্রাবের সময় ব্যথা ও জ্বালাপোড়া করে। অনেক সময় রক্তও যেতে পারে। সেই সঙ্গে পানির মতো পাতলা বা পনিরের মতো ভারী স্রাব হয়। যোনিপথে ফুঁসকুড়ি ও তলপেটে তীব্র ব্যথা হতে পারে।

করণীয় : অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার মধ্যেই কিংবা ছাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এ ধরনের লক্ষণ দেখা দিলে চিকিৎসককে জানাতে হবে। সেই সঙ্গে নারীদের উচিত হবে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, নিয়মিত শুকনো সুতির অন্তর্বাস পরা এবং যেটাই পরবেন সেটি যেন শরীরের সঙ্গে লেগে না থাকে, যথেষ্ট ঢিলেঢালা হয়। প্রতিদিন কয়েকবার, বিশেষ করে প্রতিবার টয়লেট শেষে গরম পানিতে যোনিপথ পরিষ্কার করে নিতে হবে।

এছাড়া গোসলের সময় বালতিতে কিংবা বাথটাবে গরম পানি পূর্ণ করে সেখানে কিছুক্ষণ বসে থেকে সেক দেয়া যেতে পারে। দীর্ঘ সময় ধরে ভেজা পোশাকে থাকা যাবে না। যেমন সাঁতারের বা ঘামে ভেজা পোশাক দ্রুত বদলে ফেলতে হবে। তবে কোনও অবস্থাতেই যোনিপথ সাবান পানিতে ধোয়া যাবে না। বাজারে অনেক ধরনের ইন্টিমেট ওয়াশ রয়েছে। চিকিৎসকরা সেগুলো ব্যবহার করতেও মানা করেছেন। সেই সঙ্গে যেসব টিস্যু বা স্যানিটারি প্যাড রঙিন বা সুগন্ধিযুক্ত, সেগুলো ব্যবহার করাও এড়িয়ে যেতে হবে। অ্যান্টিবায়োটিকের প্রভাবে আরও দুটি সমস্যা হয় যা গুটিকয়েকের মধ্যে দেখা যায়।

আলোক সংবেদনশীলতা : অ্যান্টিবায়োটিক ত্বককে সাময়িক সময়ের জন্য সূর্যালোকের প্রতি সংবেদনশীল করে তুলতে পারে। এই অবস্থাকে ফটোসেনসিটিভিটি বলে। ফলে ত্বক অল্প সময়েই রোদের সংস্পর্শে পুড়ে যায়, ত্বক বিবর্ণ হয়ে পড়ে। অনেক সময় ফোস্কা বা প্রদাহ দেখা দিতে পারে। অনেকের রোদে গেলে চুলকানি হয়। এক্ষেত্রে উচিত হবে, যতটা সম্ভব সরাসরি রোদ এড়িয়ে চলা।

কিডনি রোগ : ন্যাশনাল কিডনি ফাউন্ডেশনের মতে, কিডনি শরীরে অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধের অবশিষ্টাংশ ফিল্টার করে বের করে দেয়। যখন সঠিকভাবে কাজ করে না, তখন এই ওষুধগুলো জমা হতে থাকে, যা কিডনিকে আরও ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। তাই এ রোগে আক্রান্ত রোগীদের অ্যান্টিবায়োটিক দেয়ার আগে চিকিৎসকরা কিডনির কার্যকারিতা পরীক্ষা করে থাকেন। এক্ষেত্রে রোগীদেরও উচিত হবে চিকিৎসককে নিজের জটিলতার সম্পর্কে জানানো।

অন্যান্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া : অ্যান্টিবায়োটিকের প্রভাবে অনেকের গলা, গালে, মুখের তালুতে বা জিহ্বায় সাদা দাগ পড়তে পারে। খাওয়া বা গিলে ফেলার সময় ব্যথা হয় এবং দাঁত মাজার সঙ্গে রক্তপাত হয়। এছাড়া শ্বাসকষ্ট, চুলকানি, ফুসকুড়ি, ঠোঁট/মুখ/জিহ্বা ফুলে যাওয়ার মতো অ্যালার্জিজনিত পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও দেখা দেয়।

তবে এ ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয়ার আশঙ্কা খুবই কম। তবুও যদি দেখা দেয় বিন্দুমাত্র দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। সাধারণত অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণ বন্ধ করে দিলে অর্থাৎ এর কোর্স সম্পন্ন হলে এই সমস্যাগুলো ঠিক হতে শুরু করে। যারা ইতোমধ্যে নানা ধরনের ওষুধ নিচ্ছেন যেমন, গর্ভ-নিরোধক খাচ্ছেন, তাদের অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার আগে বিষয়টি চিকিৎসককে জানানো দরকার।

গবেষণায় দেখা গেছে, অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণের সময় মদপান করলে ওষুধের কার্যকারিতা কমে যায়; সেই সঙ্গে জটিল পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয়ার আশঙ্কাও বেড়ে যায়।


আরও খবর
খাতনা করার আগে-পরে যেসব বিষয় জানা জরুরি

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

নারীর জন্য প্রয়োজনীয় পাঁচ ভিটামিন

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




সেন্টমার্টিনে গিয়ে বিসিএস ক্যাডার নারী নিখোঁজ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
কক্সবাজার প্রতিনিধি

Image

প্রবাল দ্বীপ কক্সবাজারের সেন্টমার্টিনে বেড়াতে গিয়ে মাহমুদা আক্তার হ্যাপী (৩১) নামে এক নারী পর্যটক নিখোঁজ রয়েছেন। গতকাল রোববার থেকে তাঁর খোঁজ মিলছে না বলে জানা গেছে। নিখোঁজ মাহমুদা আক্তার হ্যাপী ৪১তম বিসিএস ক্যাডার। তাঁকে বনবিভাগে পদায়ন করা হয়েছে।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আদনান চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, গত ২ ফেব্রুয়ারি ঢাকা থেকে ৭১ জনের একটি দল সেন্টমার্টিনে বেড়াতে যায়। সেখানে মাহমুদা আক্তার হ্যাপীও ছিলেন। তাঁরা হোটেল সি ভিউসহ কয়েকটি রিসোর্টে উঠেন। গতকাল রোববার সকালে হ্যাপী বন্ধুর সঙ্গে দেখা করার কথা বলে রিসোর্ট থেকে বের হন।

বিকেল পর্যন্তও তিনি ফিরে না আসায় তাঁর সহকর্মীরা মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে বন্ধুর সঙ্গে আছেন বলে জানান। কিন্তু এক ঘণ্টা পর তাঁর মোবাইলে আর সংযোগ পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে পুলিশ কাজ করছে বলে জানান ইউএনও।

টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ওসমান গনি আজ সোমবার রাতে বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। নিখোঁজ নারী পর্যটকের এখনো খোঁজ মেলেনি। পুলিশ ও বনবিভাগের লোকজন তাঁর সন্ধানে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।


আরও খবর
সিলেট নগরী থেকে গৃহবধূর গলিত লাশ উদ্ধার

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ভারতীয় কফ সিরাপে শিশুমৃত্যুর ঘটনায় ২৩ জনের কারাদণ্ড

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ভারতীয় কফ সিরাপে ৬৮ শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় ২৩ জনকে জরিমানা ও কারাদণ্ড প্রদান করেছেন উজবেকিস্তানের একটি আদালত।

সোমবার দেশটির রাজধানী তাসখন্দের সিটি আদালত এই রায় দিয়েছেন। ভারতীয় ওষুধ কোম্পানি ম্যারিয়ন বায়োটেকের কফ সিরাপ আমদানি ও বিপণনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাদের এই দণ্ড দেওয়া হয়।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, ২০২২ সালে ম্যারিয়ন বায়োটেকের প্রস্তুত করা ডক-১ কফ সিরাপ সেবনের পর উজবেকিস্তানে শ্বাসকষ্টে ভুগে মৃত্যু হয় ৬৮ শিশুর। পরে পরীক্ষা করে সিরাপে ইথিলিন গ্লাইকোল নামের একটি রাসায়নিকের অতিমাত্রায় উপস্থিতি শনাক্ত করে উজবেকিস্তানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। শিশুদের মৃত্যুর জন্য ইথিলিন গ্লাইকোল রাসায়নিকটির অতিমাত্রায় উপস্থিতি দায়ী বলে জানানো হয়। চিকিৎসার কাজে এর প্রয়োগ নিষিদ্ধ বলে দাবি করে উজবেকিস্তান প্রশাসন।

ডক-১ সিরাপটি আমদানি করেছিল উজবেকিস্তানভিত্তিক কোম্পানি কুয়ারাম্যাক্স মেডিকেল এলএলসি। তবে উজবেকিস্তানের হলেও কুয়ারাম্যাক্স মেডিকেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক একজন ভারতীয়।

আদালত যে ২৩ জনকে সাজা দিয়েছেন, তাদের সবাই ডক-১ সিরাপটি আমদানি ও বিপণনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে আসামীদের। সবচেয়ে বেশি অর্থাৎ ২০ বছর মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে কুয়ারাম্যাক্স মেডিকেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সিং রাঘবেন্দ্র প্রতাপকে।

উজবেকিস্তান সরকারের যেসব কর্মকর্তা এই ওষুধটির লাইসেন্স প্রদান প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তাদেরও দীর্ঘ মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। কারাদণ্ডের পাশাপাশি জরিমানাও করা হয়েছে আসামিদের। প্রত্যেক মৃত শিশুর পরিবারকে ৮০ হাজার ডলার করে ক্ষতিপূরণ দিতে আসামিদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গত ছয় মাস মামলার শুনানি চলার পর এই রায় দিলেন উজবেকিস্তানের আদালত।


আরও খবর
সৌদি আরবে এক দিনে সাতজনের শিরশ্ছেদ

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




বিগত বছরে নিহত ৯৯ সাংবাদিকের মধ্যে ৭২ জন গাজা যুদ্ধে নিহত : সিপিজে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে) বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) জানিয়েছে, ২০২৩ সালে নিহত ৯৯ জন সাংবাদিকের মধ্যে ৭২ জন ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধে নিহত হয়েছেন। নিহতের এই সংখ্যা প্রায় এক দশকের মধ্যে গণমাধ্যমের জন্য সবচেয়ে প্রাণঘাতী ছিল।

সোমালিয়া ও ফিলিপাইনে মৃত্যুর সংখ্যা স্থিতিশীল থাকলেও সিপিজে বলছে, গাজা, ইসরায়েল ও লেবাননে নিহতের সংখ্যা না থাকলে বিশ্বজুড়ে সাংবাদিক হত্যার ঘটনা বছরওয়ারি কমে যেত।

সাংবাদিক নিহতের এই সংখ্যা ২০১৫ সালের পর থেকে সর্বোচ্চ এবং ২০২২ সালের পরিসংখ্যানের প্রায় ৪৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

২০২৩ সালের ডিসেম্বরে সিপিজে জানিয়েছিল, ইসরায়েল-গাজা যুদ্ধের প্রথম তিন মাসে পুরো এক বছরে কোনো দেশে যত সাংবাদিক নিহত হয়েছেন, তার চেয়ে বেশি সাংবাদিক নিহত হয়েছেন।

ইসরায়েল-হামাস সংঘাতে নিহত ৭২ সাংবাদিকের মধ্যে তিনজন লেবাননের ও দুজন ইসরায়েলি বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

সিপিজের প্রধান নির্বাহী জোডি গিন্সবার্গ বলেন, গাজার সাংবাদিকরা সামনের সারিতে আছেন।


আরও খবর
সৌদি আরবে এক দিনে সাতজনের শিরশ্ছেদ

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




দেশে ফিরছেন আরও ১৪৪ লিবিয়া প্রবাসী

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

লিবিয়া থেকে আরও ১৪৪ জন বাংলাদেশি নাগরিককে দেশে প্রত্যাবাসন করা হয়েছে। দূতাবাসের সার্বিক তত্ত্বাবধানে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) এর সহযোগিতায় এরই মধ্যে তারা বেনগাজী থেকে বিমানে করে রওনা দিয়েছেন।

ফেরত আসাদের মধ্যে ১২ জন বাংলাদেশি নাগরিক বেনগাজীর গানফুদা ডিটেনশন সেন্টারে আটক ছিলেন। শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাদের বহন করা বিমানটি অবতরণ করবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

কয়েক বছর ধরে মানব পাচার হচ্ছে লিবিয়ায়। দেশটির বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটকসহ স্বেচ্ছায় দেশে যেতে ইচ্ছুক বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপদে দেশে প্রত্যাবাসনের জন্য দূতাবাস স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এবং আইওএম এর সাথে নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

এ লক্ষ্যে বাংলাদেশের দূতাবাস নিয়মিতভাবে ডিটেনশন সেন্টার পরিদর্শন করছে এবং আটক বাংলাদেশিদেরকে আউটপাস প্রদানসহ প্রয়োজনীয় আইনগত সহায়তা দিচ্ছে বলে দাবি করছে দূতাবাসের কর্মকর্তারা। সমস্যাগ্রস্তদের স্থানীয় কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে পর্যায়ক্রমে আইওএম-এর সহায়তায় দেশে প্রত্যাবাসন করছে।

নিউজ ট্যাগ: লিবিয়া আইওএম

আরও খবর