আজঃ মঙ্গলবার ২০ এপ্রিল ২০21
শিরোনাম

সন্ধ্যা ৬টার পর চট্টগ্রামে ওষুধ-কাঁচাবাজার ছাড়া সব বন্ধ

প্রকাশিত:শুক্রবার ০২ এপ্রিল 2০২1 | হালনাগাদ:শুক্রবার ০২ এপ্রিল 2০২1 | ৯৭জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় চট্টগ্রাম নগরীতে সন্ধ্যা ৬টার পর থেকে সব ধরনের দোকানপাট বন্ধ থাকবে। শুধু ওষুধের দোকান ও কাঁচাবাজার খোলা থাকবে। চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মমিনুর রহমান শুক্রবার (২ এপ্রিল) এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন।

তিনি জানান, আজ থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে চট্টগ্রাম নগরীতে ওষুধের দোকান ও কাঁচাবাজার ছাড়া রেস্টুরেন্ট, শপিং সেন্টারসহ সব ধরনের দোকানপাট বন্ধ রাখতে হবে।

তিনি আরও জানান, দোকানপাট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হবে। প্রাথমিকভাবে চট্টগ্রাম মহানগরী এলাকায় এ বিধিনিষেধ প্রযোজ্য। তবে অচিরেই পুরো জেলায় এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হবে। বিষয়টি মনিটরিং করতে জেলা প্রশাসনের চারটি ভ্রাম্যমাণ আদালত ইতোমধ্যে মাঠে নামানো হয়েছে। নির্দেশনা অমান্য করলে শাস্তি দেওয়া হবে।


আরও খবর



চাঁদপুরের ৫০ গ্রামে রোজা শুরু

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৩ এপ্রিল ২০২১ | ৮৬জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশের সঙ্গে মিল রেখে চাঁদপুরের অর্ধশত গ্রামে মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) থেকে পবিত্র রমজান শুরু হয়েছে। সোমবার (১২ এপ্রিল) রাতে তারাবির নামাজ এবং মঙ্গলবার ভোরে সেহেরি খাওয়ার মধ্য দিয়ে গ্রামের মানুষ পবিত্র রমজানের আনুষ্ঠানিকতা শুরু করেন।

জেলার হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা দরবার শরীফের অনুসারী এসব গ্রামের মানুষ। এই মতের অনুসারী মরহুম পীর মাওলানা ইসহাক (রা.) এর ছেলে পীরজাদা ও মতলব নোওহাটা ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ জাকারিয়া চৌধুরী আল মাদানি গণমাধ্যমকে জানান, 'আরবি-রীতি অনুযায়ী হানাফি মাজহাবের অনুসারীরা ৩০ শাবান শেষ হওয়ার পর পবিত্র রোজা পালন করবেন। এটাই নিয়ম।'

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ১৯২৮ সাল থেকে এই দরবার শরীফের প্রথম পীর মাওলানা ইসহাক (রা.) এই দেশে চন্দ্রমাস হিসেব করে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে পবিত্র রোজা পালন এবং সেই হিসেবে দুটি ঈদ উদযাপন শুরু করেন। এরপর তার অনুসারীরা এই ধারাবাহিকতা মেনে চলেছেন।

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ, ফরিদগঞ্জ, মতলব উত্তর এবং শাহরাস্তি উপজেলার প্রায় ৪০টি গ্রামের বাসিন্দারা সৌদির সঙ্গে মিল রেখে রোজা ও ঈদ পালন করেন।

প্রায় এক শতাব্দী ধরে ওই সব গ্রামে মুসলমানরা সৌদি আরবের সঙ্গে সংগতি রেখে আগাম রোজা, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা উদযাপন করে আসছেন। ওই সব মুসল্লিরা ইসলামের চার মাজহাবের মধ্যে হানাফি মাজহাবের অনুসারী।


আরও খবর
শুরু হলো সিয়াম সাধনার মাস

বুধবার ১৪ এপ্রিল ২০২১

রোজা শুরু কবে জানা যাবে সন্ধ্যায়

মঙ্গলবার ১৩ এপ্রিল ২০২১




লকডাউনে রিকশার রাজত্বে রাজধানী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৫ এপ্রিল ২০২১ | ৬৮জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

করোনা সংক্রমণ মোকাবেলায় সারাদেশে চলছে এক সপ্তাহের কঠোর লকডাউন। কিন্তু লকডাউনের দ্বিতীয় দিনে নানা অজুহাতে সড়কে যানবাহনসহ বেড়েছে সাধারণ মানুষের চাপ।

তবে ঢাকার সড়কগুলোতে রাজত্ব করছে রিকশা। এদিকে যানবাহন ও সাধারণ মানুষের চলাচল নিয়ন্ত্রণের জন্য সড়কের মোড়ে মোড়ে বসানো হয়েছে চেকপোস্ট। মুভমেন্ট পাস থাকলেই চলাফেরা করতে দিচ্ছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।

বৃহস্পতিবার (১৫ এপ্রিল) রাজধানীর সদরঘাট, গুলিস্থান, পল্টন, কাকরাইর, রামপুরা, বাড্ডা, প্রগতি সরণী, নতুনবাজার এলাকা ঘুরে এমন চিত্রই দেখা যায়।

সরেজমিনে দেখা যায়, লকডাউনের দ্বীতিয় দিন বৃহস্পতিবার  রাজধানীর সড়কে গাড়ির চাপ না থাকায় বেশির ভাগ সড়ক ছিলো ফাঁকা। তবে সড়কগুলোতে রিকশার রাজত্ব দেখা গেছে। প্রতিটা সড়কের মোড়ে মোড়ে বসানো হয়েছে পুলিশের চেকপোস্ট। তবে লকডাউনের মধ্যেও ব্যাংকসহ জরুরি যেসব অফিস খোলা রয়েছে সেসব প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবীরা রাস্তায় নেমে অফিসে পৌঁছাতে গিয়ে পড়েছেন বিপাকে।

এদিকে যাত্রী ছাড়া রিকশা দেখলেই আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা এসে রিকশা উল্টিয়ে দিচ্ছে, আবার রেকারে দিচ্ছে। পাশাপাশি সাধারণ যাত্রীদের কাছে মুভমেন্ট পাশ আছে কি দেখতে চাইছে। দেখাতে পারলে ছেড়ে দিচ্ছে নইলে রির্টান করছে বাসা বা জরিমানা করতে দেখা গেছে।

রিকশ চালক আনোয়ার জানান, ভোর থেকেই রাস্তায় রিকশা চালাচ্ছি। সকালের দিকে পুলিশ কিছু রিকশায় রেকার দিয়েছে, আবার কিছু রিকশা উল্টিয়ে রেখেছে। আমার রিকশাও উল্টিয়ে রেখেছিলো। দুই তিন ঘণ্টা পরে ছেড়ে দিয়েছে। আমরা গরিব মানুষ ভাই একদিন রিকশা না চালালে পরিবার নিয়ে না খেয়ে থাকতে হবে। রোজা রাখছি তাই ১টা পর্যন্ত রিকশা চালাবো। পড়ে বাসায় চলে যাবো।

এদিকে, রাজধানীর সড়কে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হচ্ছে। যারা বিনা কারণে বাইরে ঘোরাঘুরি করবেন, মুভমেন্ট পাস না নিয়ে বাইরে বের হবেন এবং স্বাস্থ্যবিধি মানবেন না তাদেরকে জরিমানা করা হচ্ছে। জরিমানার পাশাপাশি জনগণকে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না আসার জন্য এবং স্বাস্থ্যবিধি মানতে উদ্বুদ্ধও করছে র‍্যাব।


আরও খবর



১৭ এপ্রিল পাকিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট দলের বাংলাদেশ সফর

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৬ এপ্রিল ২০২১ | ৭১জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে পুরো দেশজুড়ে চলছে লকডাউন। আর এই লকডাউনের কারণেই পিছিয়ে গেল পাকিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট দলের বাংলাদেশ সফর।

আগের সূচি অনুযায়ী, আগামী ১১ এপ্রিল বাংলাদেশ সফরে আসার কথা ছিল পাকিস্তানের যুব ক্রিকেটারদের। এর বদলে আগামী ১৭ এপ্রিল আসবে তারা। অর্থাৎ সফর পেছানো হয়েছে ৬ দিন।

আসন্ন সিরিজে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের বিপক্ষে একটি চার দিনের ম্যাচ ও পাঁচটি ওয়ানডে ম্যাচ খেলবে পাকিস্তানের যুবারা। সবগুলো ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ঢাকার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম ও সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে।

ঢাকায় পৌঁছেই পাকিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ দলের সদস্যরা সিলেটে চলে যাবে। দলীয় অনুশীলন শুরুর আগে সেখানেই কোয়ারেন্টিনে থাকবে তারা। এরপর সিলেটেই ২৩ এপ্রিল থেকে শুরু হবে চার দিলের ম্যাচটি। ওয়ানডে সিরিজের প্রথম তিন ম্যাচও একই ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে। 

নতুন সূচি অনুযায়ী, সিলেটে ৩০ এপ্রিল, ২ ও ৪ মে প্রথম তিন ওয়ানডে হবে। এরপর মিরপুরে ৭ ও ৯ মে ওয়ানডে সিরিজের বাকি দুই ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।


আরও খবর



গরম খাবারে জিহ্বা পুড়ে গেলে কী করবেন ?

প্রকাশিত:শনিবার ১০ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ এপ্রিল ২০২১ | ৭০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

চা বা কফি খেতে গিয়ে হঠাৎ জিহ্বা পোড়েনি এমন মানুষ পাওয়া দুস্কর। গরম খাবারে জিহ্বা, ঠোঁট এবং মুখের তালু পুড়ে যাওয়া খুবই সাধারণ একটা বিষয়। কারণ মানুষ চা, কফি, পিৎজাসহ নানা ধরনের খাবার গরম খেতে পছন্দ করে। অনেক সময় খাবার কিছুটা ঠাণ্ডা হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করে না, তাই এমনটি হয়ে থাকে।

গরম খাবার এবং তরল পানীয় থেকে বেশিরভাগ পোড়া সাধারণত প্রথম ডিগ্রির পোড়া হয়, তাই আপনি ঘরোয়া উপায়ে এ ক্ষেত্রে জিহ্বাকে স্বস্তি দিতে পারেন। জেনে নিন জিহ্বা বা মুখের ভেতরের ত্বক পুড়ে গেলে করণীয় কী।

জিহ্বাকে দ্রুত শীতল করুন:

জিহ্বা পুড়ে গেলে প্রথমেই এটাকে শীতল করার চেষ্টা করা উচিত। যত দ্রুত সম্ভর ঠান্ডা পানি মুখের ভেতরে কিছুটা সময় রেখে দিতে হবে। চাইলে কুলি করে নিন ঠান্ডা পানি দিয়ে। এ ক্ষেত্রে বরফের টুকরা মুখের ভেতরে দিলে সেটি ক্ষতস্থানে আটকে গিয়ে আরো ক্ষতি করতে পারে। এছাড়াও বিশেষজ্ঞদের মতে, সামান্য চিনি ক্ষতস্থানে দেওয়া যেতে পারে, এতে করে ব্যথা কমে যায়।

ঝাল খাবার এড়িয়ে চলুন:

জিহ্বা পুড়ে গেলে এটাকে উক্ত্যক্ত করতে পারে এমন খাবার ও পানীয় এড়িয়ে চলুন। এসময় ঝাল বা মসলা জাতীয় খাবার ও গরম পানীয় অবশ্যই পরিহার করা উচিত, অন্যথায় জিহ্বার অবস্থা আরো খারাপ হতে পারে। অ্যালকোহলও বর্জন করুন। এছাড়া অন্যান্য যেসব খাবার খেলে জিহ্বাতে জ্বালাপোড়া করে বা অস্বস্তি লাগে তাও বাদ দিন। চিপস জাতীয় কর্কশ খাবার খাওয়া যাবে না। নরম ও হালকা খাবার খেতে হবে।

জিহ্বা ব্রাশ করা থেকে বিরত থাকুন:

যারা স্বাস্থ্য সচেতনতার গুরুত্ব বুঝেন তারা প্রতিদিন দাঁতের পাশাপাশি জিহ্বাও ব্রাশ করে থাকেন। দাঁতের চিকিৎসকের কাছে গেলে তিনি আপনাকে দিনে দুইবার জিহ্বা ব্রাশ করার পরামর্শ দিতে পারেন, কিন্তু জিহ্বা পুড়ে গেলে এটা মানতে যাবেন না। বিশেষজ্ঞদের মতে, পোড়া জিহ্বার ব্যথা ও সংবেদনশীলতা প্রতিরোধে এটা নিরাময়কালে জিহ্বা ব্রাশ করা উচিত নয়।

দুধ পান করুন:

দুধ পান করলে অথবা দুগ্ধজাত খাবার খেলে পোড়া জিহ্বায় আরাম পেতে পারেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, দুধ পোড়া জিহ্বায় প্রলেপ দিতে পারে ও শীতল করতে পারে। এই উপকারিতা পেতে দইও খেতে পারেন।

লবণ-পানি দিয়ে কুলি করুন:

প্রতিদিন দুই থেকে তিনবার লবণ-পানি দিয়ে কুলি করতে পারেন। লবণ-পানি দিয়ে কুলি করলে তা অ্যান্টিসেফটিকের কাজ করে এবং ইনফেকশন প্রতিরোধ করে। পুড়ে যাওয়া জিহ্বাকে প্রশান্তি দিতে খাবার খাওয়ার পর ও ঘুমাতে যাওয়ার আগে লবণ-পানি দিয়ে কুলি করতে পারেন। এক গ্লাস পানিতে ১/২ চা চামচ লবণ মিশিয়ে লবণ-পানি তৈরি করতে পারেন। এছাড়া জিহ্বার পোড়া স্থান আঙুল দিয়ে স্পর্শ করা যাবে না, কেননা এর ফলে তা আরো অস্বস্তি সৃষ্টি করবে এবং ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ ঘটাবে।

ব্যথার ওষুধ খান (যদি প্রয়োজন বোধ করেন): সাধারণত গরম খাবারে জিহ্বা পুড়লে ওষুধের প্রয়োজন হয় না। কিন্তু যদি আপনি অনেক ব্যথা অনুভব করেন তাহলে ব্যথার ওষুধ খেতে পারেন। আমরা সাধারণত চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই যেসব ব্যথানাশক ওষুধ ব্যবহার করি তা ব্যবহার করলেই চলবে, যেমন- আইবুপ্রোফেন অথবা অ্যাসিটামিনোফেন/প্যারাসিটামল। এক সপ্তাহ পরও সেরে ওঠার লক্ষণ না দেখলে চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার কথা বিবেচনা করুন।


আরও খবর
যেভাবে বানাবেন শসার স্মুদি

সোমবার ১৯ এপ্রিল ২০২১




এবার লঞ্চের ভাড়া বাড়লো ৬০ শতাংশ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০১ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০১ এপ্রিল ২০২১ | ৮১জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, অর্ধেক যাত্রী পরিবহনের শর্তে লঞ্চের ভাড়া ৬০ শতাংশ বাড়ছে। তবে বর্ধিত ভাড়া কেবিনের জন্য প্রযোজ্য হবে না।

বৃহস্পতিবার (১ এপ্রিল) সচিবালয়ে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের সিদ্ধান্ত মেনে বাস ও ট্রেনের মতো ১ এপ্রিল থেকে লঞ্চেও অর্ধেক যাত্রী পরিবহন করবে। লঞ্চের ক্ষেত্রেও বাসের মতো ৬০ শতাংশ ভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে লঞ্চ মালিকরা। আমরা বাসের মতো ৬০ শতাংশ ভাড়া বাড়িয়েছি। তবে কেবিনে কোনো ভাড়া বাড়বে না।

করোনার সময়ে প্রয়োজন না হলে স্থানান্তর না হওয়ার অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, করোনার দ্বিতীয় ঢেউ এসেছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে না চললে বা এর ব‌্যতয় ঘটলে আইনানুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া, যাত্রী পরিবহনের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে।

এসময় নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী, নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কমডোর আবু জাফর  মো. জালাল উদ্দিন, বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান কমডোর গোলাম সাদেক উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর