আজঃ শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১
শিরোনাম

সংবাদে আজকের বাংলাদেশ | ০৫ ডিসেম্বর ২০২০ | দর্পণ টেলিভিশন

প্রকাশিত:শনিবার ০৫ ডিসেম্বর ২০২০ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ২৩১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

সংবাদে আজকের বাংলাদেশ


আরও খবর



বিশ্বে মোবাইল ইন্টারনেটের গতিতে বাংলাদেশের অবস্থান ১০৩

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৬০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বিশ্বের ১১০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশে মোবাইল ইন্টারনেটের গতি সবচেয়ে কম। সদ্য প্রকাশিত ডিজিটাল কোয়ালিটি অব লাইফ (ডিকিউএল) সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান একেবারে তলানিতে। তবে সামগ্রিক ডিজিটাল মান বিবেচনায় বাংলাদেশের অবস্থান ১০৩। আগের বছরের চেয়ে বাংলাদেশ এ ক্ষেত্রে ২৫ ধাপ নেমে গেছে।

ডিকিউএল সূচক অনুযায়ী, বিশ্বের ১১০টি দেশের মধ্যে সামগ্রিক ডিজিটাল মান বিবেচনায় বাংলাদেশের অবস্থান ১০৩। এ অবস্থান এমনকি প্রতিবেশী সবগুলো দেশেরও পেছনে। সূচকে বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে ভারত, শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তান। এই তিন দেশের অবস্থান যথাক্রমে ৫৯,৮৮ ও ৯৭ তম।

প্রতি বছর বৈশ্বিক ভিপিএন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান সার্ফশার্ক এই ডিকিউএল সূচক প্রকাশ করে। এবারও তারা এই সূচক প্রকাশ করেছে। মূলত ডিজিটাল জীবনমানের ক্ষেত্রে পাঁচটি মূল ভিতকে বিবেচনায় নিয়ে বিশ্বের ১১০টি দেশের জন্য তারা এই সূচক তৈরি করে। এই পাঁচ ভিত হলোইন্টারনেট সেবা গ্রহণের সামর্থ্য, ইন্টারনেটের মান, ইলেকট্রনিক অবকাঠামো, ইলেকট্রনিক নিরাপত্তা ও ই-সরকার।

ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনের চেষ্টায় অনেক আগে থেকেই সরকার কাজ করলেও নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সেবার প্রাপ্যতা, এর গতিসহ সামগ্রিক ডিজিটাল মানে এখনো অনেক পিছিয়ে বাংলাদেশ। ডিকিউএল সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান বেশ হতাশাজনক। এমনকি দক্ষিণ এশিয়ার ৩২ দেশের মধ্যে বাংলাদেশ সামগ্রিকভাবে ৩০ তম অবস্থানে রয়েছে।

ডিকিউএল-এর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এ সম্পর্কিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইন্টারনেট সেবার প্রাপ্যতা, এর স্থায়ীত্ব, নিরবচ্ছিন্নতা, মোবাইল ইন্টারনেটের গতি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারে প্রস্তুতি, নেটওয়ার্ক, ব্রডব্যান্ড সংযোগের গতি ও স্থায়ীত্ব, ইলেকট্রনিক অবকাঠামো, ইলেকট্রনিক নিরাপত্তা ইত্যাদি বিবেচনায় সার্বিকভাবে ০ থেকে ১ মানদণ্ডে বাংলাদেশ পেয়েছে মাত্র দশমিক ৩৪ পয়েন্ট।

ইন্টারনেট সেবা গ্রহণের জন্য সর্বনিম্ন ইন্টারনেট প্যাকেজ কিনতে একজন লোককে কতক্ষণ কাজ করতে হয়, তা দিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে একটি দেশের মানুষের ইন্টারনেট সেবার প্রাপ্যতার বিষয়টি। এই সূচকে বাংলাদেশ মাত্র দশমিক শূন্য ২ পয়েন্ট পেয়েছে। এ ক্ষেত্রে বিশ্বের ১১০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৮৪ তম।

তবে মোবাইল ইন্টারনেটের ক্ষেত্রে কিছুটা এগিয়ে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থান ৫৬ তম। ইন্টারনেট সংযোগের মান ও ইলেকট্রনিক অবকাঠামোউভয় ক্ষেত্রেই বাংলাদেশের অবস্থান ৮৯ তম। আর ইলেকট্রনিক নিরাপত্তায় অনুমিতভাবেই পিছিয়ে বাংলাদেশ। এ ক্ষেত্রে অবস্থান ১০৩ তম। আর ই-সরকার ব্যবস্থা বিবেচনায় বাংলাদেশের অবস্থান ৮৬ তম। 


আরও খবর



মহানবীর (স.) ব্যঙ্গচিত্র আঁকা সুইডিশ কার্টুনিস্ট সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত

প্রকাশিত:সোমবার ০৪ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ অক্টোবর ২০২১ | ৬৭০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

২০০৭ সালে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর বিকৃত ছবি আঁকা সুইডিশ কার্টুনিস্ট লার্স ভিকস সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন।

১৪ বছর আগে আল কায়েদা তার মাথার দাম এক লাখ ডলার ধরে তাকে হত্যার আহ্বান জানায়। এর পর থেকে পুলিশের নিরাপত্তায় চলাচল করতেন তিনি।

দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, রোববার (৩ অক্টোবর) পুলিশের গাড়িতে সফর করছিলেন লার্স ভিকস। এই সময় সুইডেনের মার্কারিড শহরের কাছে একটি ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষ ঘটলে ৭১ বছর বয়সী এই কার্টুনিস্ট নিহত হন। গাড়িতে থাকা দুই পুলিশ সদস্যও মারা যান।

সুইডেন পুলিশের প্রধান আন্দ্রেয়ার্ন্স থ্রনবার্গ জানান, নিরাপত্তা দিতে গিয়ে আমাদের দুইজন সহকর্মী ও ওই ব্যক্তি মারা গেছেন।

তদন্তের দায়িত্ব পাওয়া পুলিশ কর্মকর্তা স্টেফান সিনতিয়াস বলেছেন, বিষয়টি আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। দুর্ঘটনার কারণ স্পষ্ট করার চেষ্টা চলছে।

২০০৭ সালের জুনে এক প্রদর্শনীতে হযরত মুহাম্মদ (স.) এর ব্যাঙ্গচিত্রটি জমা দেন ভিকস। মাস ব্যাপী প্রদর্শনী শুরু হওয়ার আগের দিন আয়োজকরা ভিকসের আঁকা ব্যাঙ্গচিত্রটি সরিয়ে ফেলে।

যদিও তা ডেনমার্কের স্থানীয় পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। এতে বিশ্বের নানা প্রান্তে থাকা মুসলমানরা ক্ষোভে ফুসে উঠে। প্রাণনাশের হুমকিও দেয়া হয় ভিকসের বিপক্ষে।

২০১০ সালে সু্ইডেনের একটি পত্রিকা আবারও ওই ব্যাঙ্গচিত্রটি প্রকাশ করে। এসময় ভিকসকে হত্যার ষড়যন্ত্রে করার অভিযোগে আয়ারল্যান্ডে দুই তরুণকে আটক করা হয়। একই অভিযোগে ২০১৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রে এক নারীকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়। পরের বছর ফ্রান্সের বির্তকিত ম্যাগাজিন শার্লি এবদো তাকে ফ্রিডম অ্যাওয়ার্ড প্রদান করে।


আরও খবর



নুসরাতের মামলা: অসংলগ্ন অনুমান আর কল্পনা

প্রকাশিত:রবিবার ১৭ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৭ অক্টোবর ২০২১ | ৩৬০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

নুসরাতের মামলা তদন্ত করছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। তদন্তে যতই গভীরে যাওয়া হচ্ছে ততই মামলার অসংলগ্নতা, অনুমান ও কল্পনা নির্ভরতার প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। বিভিন্ন সূত্র বলছে, মামলাটি তথ্য-উপাত্ত ও আলামত-সাক্ষীর ভিত্তিতে নয়, বরং আক্রোশ, কল্পনা ও অনুমানের উপর নির্ভর করেই করা হয়েছে। শেষ পর্যায়ে তদন্তে প্রচুর অসংলগ্নতা পাওয়া যাচ্ছে এবং এই অসংলগ্নতাই এই মামলাকে অসার, ভিত্তিহীন ও প্রতিহিংসামূলক হিসেবে প্রতিপন্ন করছে বলে জানা গেছে। মুনিয়ার মৃত্যু নিয়ে নুসরাত আট নাম্বার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে যে মামলাটি করেছে সেই মামলার মধ্যে একের পর এক অসংলগ্নতা পাওয়া যাচ্ছে।

প্রথম অসংলগ্নতা হলো, নুসরাত দাবি করেছে তার বোন ধর্ষণের স্বীকার হয়েছে। কিন্তু মুনিয়া ও নুসরাতের কথোপকথনের যে অডিও পুলিশের হাতে গেছে তদন্তে সে অডিওতে কোথাও মুনিয়া বলে নি যে তিনি ধর্ষিত হয়েছেন। তাহলে মুনিয়া যে ধর্ষিত হয়েছেন মামলার বাদী এমন তথ্য কোথায় পেলেন?

দ্বিতীয়ত, এই মামলায় একাধিক ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করা হয়েছে হত্যা ও ধর্ষণের অভিযোগে। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের আওতায় এই অভিযোগ আনা হয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো যে এই মামলায় অন্তত ছয়জন আসামী আছেন যাদের সাথে মুনিয়ার কখনো দেখা সাক্ষাৎ হয় নি। বিশেষ করে, মামলায় যেসব নারীদের আসামী করা হয়েছে তারা কিভাবে ধর্ষণের সাথে যুক্ত থাকবেন সেই প্রশ্নেরও কোনো উত্তর নেই।

তৃতীয়ত, নুসরাতের সাথে মুনিয়ার মৃত্যুর দিন দীর্ঘক্ষণ কথা হয়েছে, এই কথোপকথনের মধ্যে কোথাও মুনিয়া তাকে হত্যা করা হতে পারে বা তাকে কেউ খুন করবে এ ধরনের আশঙ্কার কথা বলা হয় নি। তাহলে এসময়ের মধ্যে মুনিয়াকে কারা হত্যা করলো?

চতুর্থত, এই মামলার সবচেয়ে দুর্বল দিক হিসেবে মনে করা হচ্ছে, প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষীর সাক্ষ্য প্রমাণের অভাব। মুনিয়াকে যদি হত্যা করা হয় তাহলে প্রত্যক্ষদর্শীর সাক্ষ্য লাগবে। প্রত্যক্ষদর্শীর সাক্ষ্য ছাড়া একটি হত্যা মামলা আইনের দৃষ্টিতে অচল।

পঞ্চমত, মুনিয়াকে হত্যা করার জন্য যদি কেউ তার বাসায় এসে থাকে তবে সেখানে চিৎকার চেঁচামেচি হবে, সেখানে ধ্বস্তাধস্তি হবে, সেখানে পাশের ফ্ল্যাটের যারা আছেন তারা বিষয়টি জানবেন। পাশাপাশি মুনিয়াও নুসরাতের সাথে বারবার কথোপকথন করছিলেন। সেক্ষেত্রে নুসরাতকে কেন মুনিয়া টেলিফোন করলেন না সেটি একটি বড় প্রশ্ন।

অসংলগ্নতা ছাড়াও এই মামলায় অনেকগুলো কল্পনাপ্রসূত অনুমান নির্ভর ব্যাপার রয়েছে। বিশেষ করে পুলিশের পক্ষ থেকে এর আগে তদন্তে দেখা গেছে যে পুরো মামলাটি একটি অনুমান নির্ভর ও কল্পনাপ্রসূত। যে কল্পনা ও অনুমানের মূল লক্ষ্য হলো কিছু ব্যক্তিকে ব্ল্যাকমেইল করা। ব্ল্যাকমেইল করে মিডিয়া ট্রায়ালের মাধ্যমে ফায়দা হাসিলই এই মামলার মূল উদ্দেশ্য কিনা সেটিই এখন খতিয়ে দেখা দরকার বলে বিভিন্ন মহল মনে করছেন। কারণ একটি মামলার ক্ষেত্রে তিনটি মূল উপজীব্য বিষয় রয়েছে। প্রথম হলো সাক্ষ্য-প্রমাণ। দ্বিতীয় হলো আলামত। তৃতীয় হলো পারিপার্শ্বিকতা। এই তিনটি ক্ষেত্রেই এই মামলায় কোনো যুক্তি নেই। শুধু অনুমান ও কল্পনা নির্ভরতা রয়েছে। নুসরাতের দায়ের করা মামলায় কোনো প্রত্যক্ষদর্শীর সাক্ষী নেই, এমনকি পরোক্ষ কোনো সাক্ষীও নেই। এমন কোনো আলামতও নেই যাতে প্রমাণিত হয় মুনিয়াকে হত্যা করা হয়েছে বা ধর্ষণ করা হয়েছে। এই মামলায় আসামীদের যে পারস্পরিক যোগসাজশ দেখানো হয়েছে তা কল্পনা প্রসূত। এধরনের অনুমান নির্ভর ও কল্পনা প্রসূত মামলা যদি চলতে থাকে তবে বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা হতে পারে। এ ধরনের মামলা যেকোনো ব্যক্তিকে অপদস্থ করা ও সম্মানহানি করার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

নিউজ ট্যাগ: পিবিআই নুসরাত

আরও খবর
ইকবালসহ ৪ আসামির রিমান্ড মঞ্জুর

শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১




বলিউডের সিনেমায় বাংলাদেশের আজমেরী হক বাঁধন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৪ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৪ অক্টোবর ২০২১ | ৫২৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ভারতের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত পরিচালক বিশাল ভরদ্বাজের খুফিয়া সিনেমায় অভিনয় করছেন বাংলাদেশের অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। ইনস্টাগ্রামে বাঁধনের সঙ্গে ছবি প্রকাশ করে এই ঘোষণা দিয়েছেন স্বয়ং পরিচালক।

ইনস্টাগ্রামে হ্যাশট্যাগখুফিয়া যুক্ত করে বিশাল ভরদ্বাজ লিখেছেন, বাংলাদেশের দুর্দান্ত অভিনেত্রী বাঁধনকে পেয়ে আমি খুবই আনন্দিত।

যদিও সিনেমাটিতে অভিনয়ের ব্যাপারে আজমেরী হক বাঁধনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া পাওয়া যায়নি।

নেটফ্লিক্সের প্রযোজনায় অ্যাকশন-ড্রামা খুফিয়া সিনেমাটি অমর ভূষণের এসকেপ টু নোহোয়ার বইয়ের গল্প অবলম্বনে নির্মিত হচ্ছে। যেখানে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা (র), ভারতের বাইরের গোয়েন্দা সংস্থা এবং ২৪ ঘণ্টা নজরদারির মধ্যে থাকা সত্ত্বেও একজন যুগ্ম সচিব কীভাবে অদৃশ্য হয়ে যায়, সেই গল্প নিয়ে।

এর আগে চিত্রনাট্য পড়ে রাজনৈতিক গল্পের এ সিনেমায় বাংলাদেশকে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে অভিযোগ তুলে অভিনয়ের জন্য অডিশনের প্রস্তাব ফিরিয়েছেন চিত্রনায়িকা বিদ্যা সিনহা মিম ও মেহজাবীন চৌধুরী বলে খবর প্রকাশ হয়েছে।

খুফিয়া সিনেমার জন্য চূড়ান্ত হয়েছেন পাঞ্জাবি নায়িকা ওয়ামিকা গাব্বি, খলনায়ক চরিত্রে জনপ্রিয় আশিষ বিদ্যার্থীসহ বেশ কয়েক জন। গুঞ্জন আছে, সিনেমাটির প্রধান চরিত্রে দেখা যেতে পারে বলিউড অভিনেতা আলি ফজলকে।


আরও খবর
গাছের সঙ্গে বিয়ে হবে নয়নতারার

শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১




দাম একটু বেশি তবে খাদ্য সংকট নেই : কৃষিমন্ত্রী

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৫ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৫ অক্টোবর ২০২১ | ৩৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, খাদ্যের দামের বিষয়টা আন্তর্জাতিক বাজারের ওপর নির্ভরশীল। খাদ্যের আন্তর্জাতিক বাজারমূল্য স্থানীয় বাজারের ওপর প্রভাব বিস্তার করে। এখন আশ্বিন কার্তিক মাস, এই সময়ে দেশে মঙ্গা শুরু হতো, কিন্তু আমরা মঙ্গা নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছি। খাদ্যের জন্য দেশে এখন আর হাহাকার নেই, খাদ্যের সংকট নেই, তবে খাবারের দাম একটু বেশি।

আজ শুক্রবার রাজধানীর খামারবাড়িতে বিশ্বখাদ্য দিবস উপলক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ব খাদ্য সংস্থার বাংলাদেশে প্রতিনিধি মি. রবার্ট ডি. সিম্পসন। এতে সভাপতিত্ব করেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মেসবাহুল ইসলাম।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সময়ে একজন শ্রমিক কিংবা রিকশাওয়ালা একদিনের আয় দিয়ে ১০ থেকে ১২ কেজি চাল কিনতে পারেন। সেটা কিনতে পারেন বলেই দেশের মানুষের মধ্যে খাদ্য নিয়ে হাহাকার নেই, মানুষ না খেয়ে নেই। কুড়িগ্রাম নীলফামারী অঞ্চলের মানুষ এখন বলে, দেশে মঙ্গা নেই, আমরা ভালো আছি

তিনি বলেন, খাদ্যে বাংলাদেশ স্বয়ংসম্পূর্ণ কিনা সেটা আমরা বলছি না, কিন্তু আমাদের দেশে খাদ্যের উৎপাদন বাড়ছে। চালের দাম একটু বেশি হলেও, চাল নিয়ে দেশে অস্থিরতা নেই।

পণ্যের দাম বাড়া নিয়ে মন্ত্রী বলেন, পণ্যের চাহিদা যদি বেশি হয় এবং সেই তুলনায় যদি সরবরাহ কম থাকে তাহলে পণ্যের দাম কিছুটা বাড়বেই। হাজার চেষ্টা করেও তখন দাম কমানো সম্ভব নয়। যেমন বর্তমানে আলুর দাম কম, এখন কি সিন্ডিকেট করে দাম বাড়ানো সম্ভব? তারপরও আমরা সরবরাহ বৃদ্ধি এবং মনিটরিংয়ের মাধ্যমে চেষ্টা করি বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে। যারা ব্যবসা করেন তারা আরও বেশি মুনাফা করতে চাইবেন এটাই স্বাভাবিক। সারা পৃথিবীতেই এমন হয়।

একটা জিনিস আমাদের সবাইকে বিবেচনায় নিতে হবে, প্রতিবছর ২৪ লাখ জনসংখ্যা বাড়ছে। পৃথিবীর বহু দেশে ২৪ লাখ মানুষ নেই। আবার আমাদের কৃষি জমির পরিমাণ কমে যাচ্ছে। একই জমিতে শিল্প কলকারখানাও গড়ে তোলা হচ্ছে। দেশের উন্নয়নের ফলে মানুষের আয় বাড়ছে। জমি কমে যাওয়ার পরেও আমরা কিন্তু উৎপাদন বাড়িয়েছি। হাঁস-মুরগি-পশু পালন, মৎস্য চাষের ফলে খাদ্যের ব্যবহার ও চাহিদা বেড়েছে,- বলেন ড. আব্দুর রাজ্জাক।


আরও খবর