আজঃ বুধবার ২৫ মে ২০২২
শিরোনাম

সংবাদে আজকের বাংলাদেশ | ০৫ ডিসেম্বর ২০২০ | দর্পণ টেলিভিশন

প্রকাশিত:শনিবার ০৫ ডিসেম্বর ২০২০ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ৩৯৮৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

সংবাদে আজকের বাংলাদেশ


আরও খবর



উষ্ণতা ছড়াচ্ছেন শ্রীদেবী কন্যা

প্রকাশিত:সোমবার ২৩ মে ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৩ মে ২০২২ | ২১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

খুব শিগগির বলিউডে অভিষেক হবে শ্রীদেবীর ছোট কন্যা খুশি কাপুরের। জোয়া আখতারের দ্য আর্চিস সিনেমার মাধ্যমে তার অভিষেক হতে যাচ্ছে। তবে তারকা সন্তান হওয়ার সুবাদে খুশিকে নিয়ে চর্চা বহুদিনের। জানভির বোন স্টাইলের দিক থেকে প্রতিষ্ঠিত বলিউড নায়িকাদেরও টেক্কা দেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় তার অনুসারীর সংখ্যাও কম নয়। ইনস্টাগ্রামে ফ্যাশন ব্লগার হিসেবেও পরিচিত খুশি। এবার তার একটি ছবি আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

রবিবার (২১ মে) ইনস্টাগ্রামে একটি ছবি পোস্ট করেছেন খুশি। তাতে দেখা যায়, খুশির পরনে সোনালি রঙের ব্যাকলেস গাউন। পিঠখোলা ছবিতে অন্তর্জালে উত্তাপ ছড়াচ্ছেন খুশি। অনেকে ছবিটিতে মন্তব্য করেছেন। এ তালিকায় রয়েছেন শাহরুখ কন্যা সুহানা খান। কমেন্ট বক্সে তিনি লিখেছেন, ওয়াও। শানায়া কাপুর লিখেছেন, আমি তোকে খুব ভালোবাসি। পরিচালক জোয়া আখতার কমেন্ট বক্সে হৃদয়ের চিহ্ন এঁকেছেন।

কমিকস চরিত্র আর্চি অন্ড্রুজ অ্যান্ড হিজ ফ্রেন্ড থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে সিনেমাটির ভারতীয় সংস্করণ তৈরি করেছেন জোয়া আখতার। তিনজন স্টার কিড ছাড়াও সিনেমাটিতে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা যাবে মিহির আহুজা, ডট, বেদাঙ্গ রায়না এবং যুবরাজ মেন্দাকে। আগামী বছর নেটফ্লিক্সে মুক্তি পাবে সিনেমাটি।

জানা গেছে, অগস্ত্যা নন্দাকে দেখা যাবে আর্চি অ্যান্ড্রুজের চরিত্রে। খুশি কাপুর এবং সুহানা খানকে দেখা যাবে বেটি এবং ভেরোনিকার চরিত্রে। সিনেমাটি পুরোদস্তর মিউজিক্যাল ড্রামা। সঙ্গে থাকছে টিনএজ রোমান্সের রঙিন সব উপাদান। তিন স্টার কিডের অভিষেক নিয়ে এই সিনেমা ঘিরে প্রত্যাশার পারদ চড়েছে সকলেরই।

নিউজ ট্যাগ: খুশি কাপুর

আরও খবর



ইউক্রেনে বেড়েছে অপরিণত শিশুর জন্ম

প্রকাশিত:রবিবার ১৫ মে ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ১৫ মে ২০২২ | ২৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাশিয়ার সঙ্গে চলমান যুদ্ধে মানসিক চাপে রয়েছেন ইউক্রেনের গর্ভবতী নারীরা। ফলে দেশটিতে বাড়ছে সময়ের আগে জন্ম নেওয়া শিশুর সংখ্যা। লাভিভের একটি প্রসূতি হাসপাতালে এখন পর্যন্ত ২শর বেশি অপরিণত শিশু জন্ম নিয়েছে।

গ্যালিনা গোলেট নামে এক ইউক্রেনীয় নারী কিছুদিন আগে লাভিভের প্রসূতি হাসপাতালে সন্তান জন্ম দিয়েছেন। তিনি জানান, নির্ধারিত সময় অনুযায়ী তার সন্তান একমাস পর ভূমিষ্ঠ হওয়ার কথা ছিল। আমার সন্তানকে এখন টিউবের মাধ্যমে খাবার দিতে হচ্ছে। বোতল থেকে খাবার নেওয়ার মতো সামর্থ্য তার নেই। তবে সে নিজে নিজে শ্বাস নিতে পারছে। আশা করছি সে ধীরে ধীরে শক্তি পাবে। গর্ভকালে শেষ সময়টাতে যুদ্ধের ভয়াবহ মানসিক চাপ বহন করতে হয়েছে তাকে।

হাসপাতালের স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ মারিয়া মালাচিনস্কা বলেন, আমাদের হাসপাতালে এখন পর্যন্ত ২শর বেশি অপরিণত শিশু জন্ম নিয়েছে। নির্ধারিত সময়ের আগে জন্ম নেওয়া এত শিশু এর আগে দেখিনি। তবে যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলগুলোতে এই পরিস্থিতি আরও প্রকট বলে জানা গেছে। স্থানীয় চিকিৎসকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী- যুদ্ধের প্রথম সপ্তাহে খারকিভে জন্ম নেওয়া প্রতি দুই শিশুর একটি ছিল অপরিণত।

মারিয়া মালাচিনস্কা বলেন, যেকোনো মানসিক চাপ গর্ভাবস্থায় প্রভাব ফেলে। সেখানে যুদ্ধের সূচনা তাদের জন্য বিশাল এক ধাক্কার মতো। এখন ভবিষ্যৎ কোনদিকে যাবে তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি যুদ্ধ বিধ্বস্ত বিভিন্ন অঞ্চলে জন্ম নেওয়া শিশুরা রোগ সংক্রমিত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে বলে জানান এই চিকিৎসক।

লাভিভের প্রসূতি হাসপাতালটিতে চিকিৎসা সরঞ্জামের তেমন সংকট নেই। যুদ্ধের আগেই সেখানে প্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছেছে। এছাড়াও ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকেও সহযোগিতা পেয়েছে হাসপাতালটি। কিছুদিন আগেই সেখানে নতুন তিনটি ইনকিউবেটর এসে পৌঁছেছে। তবে সামনের দিনে কী হবে তা নিয়ে শঙ্কিত চিকিৎসক মালাচিনস্কা। তবে লাভিভের হাসপাতালটির মতো পরিস্থিতি সবগুলোর নয়। অনেক হাসপাতালে ইনকিউবেটর সংকট রয়েছে, যা অপরিণত শিশুদের বাঁচাতে অত্যাবশ্যকীয়। আর হাসপাতালে থাকলেও খুব একটা স্বস্তিতে নেই রোগী আর চিকিৎসকেরা। কেননা দেশটির চিকিৎসা স্থাপনাতেও হরহামেশা হামলার ঘটনা ঘটেছে। বার্তা সংস্থা এপির হিসাবে এই সংখ্যা ৪৯।

নিউজ ট্যাগ: ইউক্রেন

আরও খবর



যমুনায় পানি বৃদ্ধি অব্যাহত, নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে ফসলি জমি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৪ মে ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৪ মে ২০২২ | ১৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীতে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধ হার্ড পয়েন্ট এলাকায় যমুনা নদীর পানি ৩ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে। পানি বৃদ্ধির কারণে যমুনা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে ভাঙন শুরু হয়েছে।

সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের পানি পরিমাপক হাসানুর রহমান বলেন, সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধ এলাকায় পানির বিপৎসীমা ধরা হয় ১৩ দশমিক ৩৫ সেন্টিমিটার। আজ মঙ্গলবার সকাল ৬টা পর্যন্ত এ পয়েন্টে পানি রেকর্ড করা হয় ১২ দশমিক ৩৫ সেন্টিমিটার, যা বিপৎসীমার ১০০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এদিকে, পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে যমুনা নদীর এনায়েতপুর, কাজীপুর, চৌহালী উপজেলায় ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। ভাঙনে ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে বালুর বস্তা ফেলা হচ্ছে।

অন্যদিকে, গত বছরে সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধ ধসে যাওয়া স্থানে মেরামতের কাজ শুরু করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।


আরও খবর



টলিউড অভিনেত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত:রবিবার ১৫ মে ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ১৫ মে ২০২২ | ৪৬০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

গড়ফার একটি আবাসনের ঘর থেকে ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হল টলিউডের এক অভিনেত্রীর। তাঁর নাম পল্লবী দে।

আমি সিরাজের বেগম ধারাবাহিকে সিরাজের স্ত্রী লুৎফা-র চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন পল্লবী। এই চরিত্রের জন্য তিনি জনপ্রিয়ও হয়ে ওঠেন। তার আগে রেশম ঝাঁপি ধারাবাহিকেও তাঁকে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা গিয়েছিল। টলিউডে পল্লবীর যাত্রা খুব বেশি দিন হয়নি। কুঞ্জছায়া নামে একটি ধারাবাহিকেও তিনি অভিনয় করেছিলেন।

রবিবার গড়ফার ফ্ল্যাট থেকে পল্লবীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করেন তাঁর সঙ্গী। তিনিই পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ অভিনেত্রীর দেহ উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। ইতিমধ্যেই অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করেছে পুলিশ।

বর্তমানে পল্লবী অভিনয় করছিলেন মন মানে না ধারাবাহিকে। সেখানে তিনি নায়িকার চরিত্রে অভিনয় করছিলেন। যে চ্যানেলে ধারাবাহিকটি চলছিল, চ্যানেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পল্লবী একদম স্বাভাবিক ভাবেই বৃহস্পতিবার পর্যন্ত শ্যুট করেছেন। তার পর কী ভাবে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটল, বুঝতে পারছে না কেউ। অভিনেত্রীকে বৃহস্পতিবার দেখেও কেউ কিচ্ছু বুঝতে পারেননি বলেই দাবি করেন চ্যানেল কর্তৃপক্ষ।প্রশ্ন উঠছে, সম্পর্কের টানাপড়েনের জেরেই কি এই মৃত্যু? সহঅভিনেতাদের একাংশ যদিও তেমন ইঙ্গিত দেননি।

 


আরও খবর



সুকুমার মৃধার মেয়ের ফোনের সূত্র ধরে মেলে পিকে হালদারের খোঁজ

প্রকাশিত:শনিবার ১৪ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ১৪ মে ২০২২ | ৪৭৮৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বাংলাদেশের বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের পর ভারতে পালিয়েও রেহাই পেলেন না বহুল আলোচিত পিকে হালদার ওরফে প্রশান্ত কুমার হালদার।

পশ্চিম বঙ্গের বর্ধমান জেলা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রনালয়ের তদন্তকারি সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টোরেট-ইডি।

শিবশঙ্কর হালদার নামের ছদ্ম পরিচয়ে তিনি বর্ধমানের কাটোয়া এলাকায় পালিয়ে ছিলেন। একই অভিযানে আটক হয়েছে তার বড় ভাই প্রাণেশ হালদারও।

বাংলাদেশের আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমানসহ দশটি এলাকায় অভিযান শুরু করে ভারতের কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রণালয়ের তদন্তকারি সংস্থা-ইডি।

শুক্রবারের অভিযানে আটক হন পিকে হালদারের ক্যাশিয়ার হিসাবে পরিচিত সুকুমার মৃধার মেয়ে অতশী। সুকুমার মৃধা এরিমধ্যে বাংলাদেশের কারাগারে আটক রয়েছেন।

অতশীর ফোনে তল্লাশি চালিয়ে শিব শঙ্কর হালদারের ফোন নম্বর পান ভারতীয় গোয়েন্দারা। তাদের কাছে তথ্য ছিলো এই শিব শঙ্করই মূলত পিকে হালদার।

যিনি জালিয়াতি করে ভারতীয় ভোটার আইডি কার্ড, রেশন কার্ড ও আঁধার কার্ড নিয়েছেন। আর এভাবেই মেলে দেশের হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের হোতা পিকে হালদারের সন্ধান।

তার সাথে আরও আটক হয়েছেন পিকে হালদারের বড় ভাই প্রাণেশ কুমার হালদার, ছোট ভাই প্রিতীশ কুমার হালদার।

এছাড়াও আটক হয়েছে স্বপন ও উত্তম মৈত্র নামের আরও দুই ভাই। এর আগে স্বপনের সঙ্গে সাথে পিকের টাকা পাচারের যোগসূত্র পায় বাংলাদেশে ব্যাংকের ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স।

পিকে হালদারের অর্থপাচারের সঙ্গে জড়িত কমপক্ষে ৭০ জনের একটি তালিকা করেছিলো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই ইউনিট এবং দুর্নীতি দমন সংস্থা- ও দুদক।

যাদের অনেকেই ছদ্ম পরিচয়ে ভারতে অবস্থান করছিলো। পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় তারা নামে বেনামে প্রচুর সম্পদের মালিক হয়েছেন।

তাদের সন্ধানেই শুক্রবার দিনভর বর্ধমানসহ ১০টি এলাকায় অভিযানে নামে ভারতের কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রনালয়ের তদন্তকারি সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টোরেট।

আর এই অভিযানেই নিশ্চিত হওয়া যায় শিব শঙ্কর হালদার ওরফে পিকে হালদারের অবস্থান। জানা গেছে ২০১৯ সালে কানাডায় পালিয়ে গিয়েও নিয়মিত ভারতে যাতায়াত করতেন পিকে।

স্থায়ীভাবে সেখানে আত্মগোপনের জন্যই জালিয়াতি করে তিনি ভারতীয় নাগরিকত্ব নেন বলে ধারনা করা হচ্ছে। ভারতীয় গণমাধ্যম বলছে পিকে হালদার তার সহযোগীদের দিয়ে হুন্ডির মাধ্যমে ভারতে অন্তত ৩০০ কোটি টাকা পাচার করেছে।

এই টাকায় বর্ধমান, চব্বিশ পরগনা ও কলকাতার বিভিন্ন অভিজাত এলাকায় বিলাসবহুল বাড়ি ও বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি কিনেছেন। নামে বেনামে খুলেছেন একাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। যা নিয়ে তদন্ত করছে ভারতের আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা।


আরও খবর