আজঃ শনিবার ০২ মার্চ 2০২4
শিরোনাম

সংসদ নির্বাচন দেখতে আগ্রহী ১৭৯ বিদেশি পর্যবেক্ষক

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৮ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৮ ডিসেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

আগামী ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেখতে চান ১৭৯ বিদেশি পর্যবেক্ষক। যাদের মধ্যে ১৩১ পর্যবেক্ষক এবং ৪৮ জন সাংবাদিক রয়েছেন। সবমিলিয়ে ইসির দেওয়া নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন দেখতে আগ্রহী ১৭৯ জন আবেদন করেছেন।

বৃহস্পতিবার (৭ ডিসেম্বর) নির্বাচন কমিশন সচিব মো. জাহাংগীর আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার ছিল বিদেশি পর্যবেক্ষকদের আবেদন করার শেষ দিন। এসময় ১৩১ পর্যবেক্ষক হিসেবে আর সাংবাদিক হিসেবে ৪৮ জন আবেদন করেছেন। মোট আবেদন করেছেন ১৭৯ জন। ইসির দেওয়া অনুমোদন সাপেক্ষে তারা পর্যবেক্ষক হিসেবে আসতে পারবেন।

এ বিষয়ে ইসির জনসংযোগ পরিচালক মো. শরিফুল আলম জানিয়েছে, আবেদনকারীদের আগামী ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে অনুমোদন দেয়ার পরিপ্রেক্ষিতে আসতে পারবেন। আবেদনগুলো পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের মতামত এলে তা কমিশনের কাছে উত্থাপন করা হবে।

আরও পড়ুন>> তৃতীয় দিনে ১৫৫ প্রার্থীর আপিল ইসিতে

তিনি জানান, বিদেশি পর্যবেক্ষকদের মধ্যে যারা আবেদন করেছেন মন্ত্রণালয় থেকে যাদের বিরুদ্ধে আপত্তি দেয়া হবে, তাদের অনুমোদন দেয়া হবে না। আর যাদের অনাপত্তি দেবে, তারা ভোট দেখার অনুমোদন পাবেন।

এদিকে ইসি সূত্রে জানিয়েছে, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেখার জন্য ৩৪টি দেশের নির্বাচন কমিশন ও ৪টি সংস্থার ১১৪ জনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। পর্যবেক্ষণে আসলে তাদের স্থানীয় যাতায়াত ও থাকা-খাওয়ার সব ব্যয় বহন করবে ভোট আয়োজনকারী সংস্থাটি।

আমন্ত্রিত দেশগুলো হলো-ভারত, ভুটান, মালদ্বীপ, নেপাল, শ্রীলংকা, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, ফ্রান্স, জর্জিয়া, ইন্দোনেশিয়া, কাজাখস্তান, রাশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, মিসর, তুরস্ক, উজবেকিস্তান, আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, দক্ষিণ আফ্রিকা, সেনেগাল, থাইল্যান্ড, আজারবাইজান, মালয়েশিয়া, মরিশাস, তিউনিশিয়া, ব্রুনাই, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, ওমান, কুয়েত, সৌদি আরব, চীন, জাপান ও সিঙ্গাপুর।

এ ছাড়া সার্ক ও ওআইসি মহাসচিব, ফেম্বোসা ও এ-ওয়েব চেয়ারপারসনকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। যদিও আমন্ত্রিতদের মধ্যে শ্রীলংকান নির্বাচন কমিশন না আসতে পারার কথা জানিয়েছে।


আরও খবর
শপথ নিলেন নতুন ৭ প্রতিমন্ত্রী

শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪




১১ ইটভাটার আগুনে পুড়ছে এক গ্রামের তিন ওয়ার্ডের মানুষ

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নরসিংদী প্রতিনিধি

Image

গ্রামের নাম সররাবাদ। বেলাব উপজেলার সল্লাবাদ ইউনিয়নের সররাবাদ ও পাশের ইব্রাহীমপুর এই দুই গ্রামের তিন ওয়ার্ডে রয়েছে ১১ ইটভাটা। এসব ভাটার বিষাক্ত কালো ধোঁয়ায় বাড়ছে শ্বাসকষ্টসহ নানা রোখ। অন্যদিকে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে ফসলী জমি ও হাছগাছালীর। সররাবাদ গ্রামের পুরাতস ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে পাশাপাশি স্থাপন করা এসব ভাটার অনুমোদ পেল কিভাবে সেটা নিয়ে রয়েছে জনমনে নানা প্রশ্ন। তাছাড়াও বেলাব উপজেলার পাটুলী ইউনিয়ন, আমলাব ইউনিয়ন ও বাজনাব ইউনিয়ন, বেলাব ইউনিয়নেও রয়েছে একাধিক ইটভাটা। এসব ভাটার বেশিরভাগই কাগজপত্রে গড়মিল।

তবে জেলা পরিবেশ অধিদপ্তর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি তারা পরিবেশ দূষণ ও পরিবেশগত ছাড়পত্র না থাকায় সল্লাবাদ ইউনিয়নের সররাবাদ গ্রামে নির্মিত পিএসবি ব্রিকস ও ন্যাশনাল ব্রিকস নামে দুটি ভাটাকে তিন লক্ষ টাকা করে ছয় লক্ষ টাকা জরিমানা করেছেন। তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে জরিমানা করা ওইসব ভাটায় নিয়মিত ইট পুড়ানো হয়। 

জানা গেছে সররাবাদ এলাকার পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের তীরের ফসলী জমির উপর পাশাপাশি রয়েছে বেশকিছু ইটভাটা। এর মধ্যে সচল রয়েছে ১১টি ভাটা। সচল থাকা এসব ইটভাটার মধ্যে বেশিরভাগ ইটভাটারই নেই কোন বৈধ কাগজপত্র। এসব ইটভাটার কারনে এ এলাকায় ফসলী জমিতে এখন আর ফসল ফলেনা। কৃষকরা জানান, যে জমিতে তারা চাষাবাদ করে জীবিকা নির্বাহ করতো সে জমি এখন ভাটা মালিকদের দখলে।

সররাবাদ এলাকার আবু ছালেহ রনি নামে এক যুবক জানান, এক মাঠে এতগুলো ইটভাটার অনুমোদন কিভাবে দিল। সেটা আমার বুঝে আসেনা। এসব ভাটার বিষাক্ত কারো ধোয়ার কারণে বয়স্ক মানুষ ও বাচ্চাদের শ্বাসকষ্ট রোগ দেখা দিয়েছে।

সরেজমিনে সল্লাবাদ ইউনিয়নের সররাবাদ ও ইব্রাহিমপুরের গ্রামে গিয়ে দেখা যায়,শুধু এই দুই গ্রামের তিনটি ওয়ার্ডেই গড়ে উঠেছে বেশকিছু ইটভাটা। এসব ইটভাটার মধ্যে সিক্সলাইন ব্রিকস, ভরসা ব্রিকস, জেএমবি ব্রিকস, ডিএমপি ব্রিকস, কেএমবি ব্রিকস, ন্যাশনাল ব্রিকস, পিএসবি ব্রিকস, এসআরবি ব্রিকস, আরএসবি ব্রিকস, এশিয়া ব্রিকস, বিবিবি ব্রিক ফিল্ডসহ মোট ১১টি ইট ভাটায় ইট পুড়ানো হচ্ছে নিয়মিত। ভাটাগুলো ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে কয়েকশ একর ফসলী জমির উপর নির্মিত। একেকটা ইটভাটার গা ঘেষে আরেকটি ইটভাটা। এভাবেই ১১টি ভাটার অবস্থান। এসব ইটভাটার মধ্যে বেশিরভাগই পরিবেশ আইন লঙ্গন করে গড়ে উঠা। নদের তীরে ইটভাটা এলাকায় রয়েছে ইব্রাহিমপুর বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ইব্রাহীমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নামে দুটি বিদ্যালয়সহ কয়েকশ বসতি। ভাটার আগুনে এসব ফসল গাছাগাছালীর ক্ষতিরসহ ভাটার বিষাক্ত ধোঁয়ায় শ্বাসকষ্টসহ নানা ব্যাধীতে আক্রান্ত হচ্ছে বয়স্ক মানুষ ও শিশুরা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, জনবসতি ও ফসলি জমিতে ইটভাটা স্থাপনে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও সব মহলকে ম্যানেজ করেই গড়ে তোলা হচ্ছে একের পর এক ইটভাটা। অথচ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের এ ব্যাপারে নেই কোন মাথাব্যাথা।

আব্দুল ওহাব মিয়া নামে এক কৃষক জানান, ইটভাটাতে আসা ইছারমাতা নামক অবৈধ যানের কারনে গ্রামের চারপাশে ধুলাবালির আস্তরণ পড়ে। এই অবৈধ যান ইছারমাতা দিয়ে ভাটার মালিকরা ইট বিভিন্ন এলাকার গ্রাহকদের কাছে পৌছে দেয়। এসব যানের বিকট শব্দ ও আনাড়ি ড্রাইভার কারণে প্রায়ই ঘটে ছোটবড় দূঘর্টনা।

সররাবাদ এলাকার মেসার্স বিবিবি ব্রিক ফিল্ড এর স্বত্তাধিকারী মোঃ শাহ আলম বলেন, আমার ইটভাটার কাগজপত্র সঠিক আছে। আমার ভাটায় গাছ বা কাঠ পুড়িনা। ইছারমাতা ছাড়াতো আর ইট আনা নেওয়া করা যায়না। তাই ইছারমাতা ব্যবহার করি। পরিবেশ দূষনের ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন ভাটার কারনে পরিবেশের তেমন ক্ষতি হচ্ছেনা।

নরসিংদী জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের ডিডি শেখ মোহাম্মদ নাজমুল হুদা বলেন, আমরা ইতিমধ্যে বেলাব উপজেলার সররাবাদ এলাকায় অভিযান চালিয়ে পরিবেশ দূষণ ও পরিবেশগত ছাড়পত্র না থাকাসহ বিভিন্ন কারণে দুটি ইটভাটাকে তিনলক্ষ টাকা করে ছয় লক্ষ টাকা জরিমানা করেছি। বাকিগুলোতেও আমরা পর্যায়ক্রমে পরিদর্শন করে যেগুলোর সমস্যা রয়েছে সেগুলোর ব্যাপারে ব্যবস্থা নিব।

নিউজ ট্যাগ: নরসিংদী ইটভাটা

আরও খবর



সুন্নাতে খাতনা ইসলামে কেন গুরুত্বপূর্ণ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ধর্ম ও জীবন

Image

ইসলামি বিধানে পুরুষ মানুষের খাতনা করা একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত। এটি ইসলামের মৌলিক নিদর্শনের অন্তর্ভুক্ত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ফিতরাত (তথা নবীদের সুন্নত) পাঁচটি। তা হলো, খাতনা করা, নাভীর নিচের পশম পরিষ্কার করা, বগলের উপড়ে ফেলা, নখ কাটা এবং গোঁফ খাটো করা। -(সহিহ বুখারি, হাদিস : ৫৮৮৯)

একজন ছেলে শিশু শারীরিকভাবে শক্ত-সামর্থ্যবান হওয়ার পরই সুবিধাজনক সময়ে তার খাতনা করিয়ে দেয়া অভিভাবকের নৈতিক দায়িত্ব। আর কোনো কারণে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আগে যদি খাতনা না করা হয় অথবা বয়স্ক হওয়ার পর কেউ ইসলাম গ্রহণ করে তাহলে তারও খাতনা করা জরুরি।

সর্বপ্রথম সুন্নাতে খাতনা পালন করেছেন হজরত ইবরাহিম (আ.)। হজরত সাইদ ইবনে মুসাইয়াব (রহ.) থেকে বর্ণিত, হজরত ইবরাহিম (আ.) হলেন খাতনার সুন্নত পালনকারী সর্বপ্রথম ব্যক্তি। (মুসান্নাফে ইবনে আবি শায়বা, হাদিস : ২৬৪৬৭)

পবিত্র কুরআনে আল্লাহ ইরশাদ করেছেন, স্মরণ করো, যখন ইবরাহিম (আ.)-কে তার রব কয়েকটি বাণী দিয়ে পরীক্ষা করেন, অতঃপর তিনি তা পূর্ণ করেন। তিনি বলেন, আমি তোমাকে মানুষের জন্য নেতা বানাব। সে বলল, আমার বংশধরদের থেকেও? তিনি বলেন, জালিমরা আমার ওয়াদাপ্রাপ্ত হয় না। (সুরা বাকারা, আয়াত : ১২৪)

সুরা বাকারার এ আয়াতের ব্যাখ্যায় আল্লামা ইবনে কাসির (রহ.) ইমাম আবদুর রাজ্জাক (রহ.)-এর সূত্রে বর্ণনা করেন, ইবরাহিম (আ.)-এর পরীক্ষাগুলোর মধ্য থেকে একটি শারীরিক পরীক্ষা হলো খাতনা করা। (তাফসিরে ইবনে কাসির : ১/৪০৬)

হজরত ইবরাহিম (আ.)-এর পর সব নবী-রাসুলই খাতনা করিয়েছিলেন। অনেক হাদিসে এ সুন্নত পালনের প্রতি উৎসাহ প্রদান করা হয়েছে।

সুন্নাতে খাতনার স্বাস্থ্যগত উপকারিতা

খাতনা করার মাধ্যমে শরীর অধিক পাকপবিত্র ও পরিচ্ছন্ন থাকে। খাতনা করালে শিশুদের মূত্রপথের সংক্রমণ প্রতিরোধ হয়। এর ফলে প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া, জ্বর, খাবারে অনীহা এবং স্বাস্থ্য ভালো না হওয়া ইত্যাদি রোগ থেকে ঝুঁকিমুক্ত থাকে। প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষের ক্ষেত্রে খাতনা করালে লিঙ্গের ক্যান্সার প্রতিরোধ হয় ও যৌনবাহিত রোগের ঝুঁকি কমে।

পুরুষাঙ্গের মাথার বাড়তি চামড়ার নিচে এক ধরনের সাদা পদার্থ জমে এবং এটিই পুরুষাঙ্গের ক্যান্সারের জন্য দায়ী। লিঙ্গের মাথায় প্রদাহ, চুলকানি ও জ্বালাপোড়া করলেও খাতনা করালে তা সেরে যায়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, পুরুষের খাতনা এইচআইভি বা এইডস প্রতিরোধে একটি কার্যকর ভূমিকা রাখে, এটি আংশিক সুরক্ষা দেয়। আফ্রিকার যেসব দেশে খাতনার হার বেশি, সেসব দেশে এইডসের হার তুলনামূলক কম।

সুন্নাতে খাতনার প্রসঙ্গে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা

পুরুষের খাতনাকে আধুনিক স্বাস্থ্যবিজ্ঞানীরা অত্যন্ত স্বাস্থ্যসম্মত বলে মনে করেন। খাতনার মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের ছত্রাকজাতীয় (ব্যাকটেরিয়া) রোগ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। খাতনার প্রধান সুবিধা হলো, এর ফলে লিঙ্গের অগ্র ত্বকে যে তরল জমে নোংরা অবস্থার সৃষ্টি করে, তা থেকে রেহাই পেতে পারে। দেড় হাজার বছর আগে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খাতনার কথা বলেছেন, ব্যাপক গবেষণা শেষে আজকের আধুনিক বিজ্ঞান স্বীকার করেছে, খাতনার ব্যাপক উপকারিতা আছে।

অস্ট্রেলিয়ার মেডিকেল সায়েন্সের অধ্যাপক ড. ব্রায়ান মরিস তার গবেষণায় উল্লেখ করেছেন, যেসব বালকের সারকামসিশন (খাতনা) করা হয়নি, তাদের অপেক্ষাকৃত কিডনি, মূত্রথলি ও মূত্রনালির ইনফেকশন চার থেকে ১০ গুণ বেশি হয়। তিনি মনে করেন, সারকামসিশনের (খাতনা) মাধ্যমে অন্তত এক-চতুর্থাংশ মূত্রনালির ইনফেকশন হ্রাস করা যায়।

ওয়াশিংটনের সৈনিক মেডিকেল কলেজের শিশুস্বাস্থ্য বিভাগের প্রধান প্রফেসর ডা. বিজবেল বলেন, আমি প্রথমে খাতনার বিরোধী ছিলাম, পরে দীর্ঘ গবেষণার ফলে প্রমাণিত হলো যে মূত্রথলি ও মূত্রনালিবিষয়ক অনেক জটিল রোগের সমাধান হলো খাতনা।

এ ব্যাপারে ইউরোলজি জার্নালে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মূত্রনালির প্রদাহ শিশুদের বেশি হয় এবং এতে কিডনির সমস্যা, জ্বর ও রক্তের ইনফেকশন পর্যন্ত হতে পারে। এমনকি খাতনা মরণব্যাধি এইডস ও যৌনরোগ প্রতিরোধে সহায়ক। সাধারণ অর্থে লিঙ্গের ক্যান্সার হলো অপরিচ্ছন্নতার ব্যাধি। পুরুষাঙ্গের শীর্ষে ঘা হয়ে ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পেয়ে একসময় ক্যান্সারে রূপ নেয়, এমন রোগীর ওপর গবেষণা করে দেখা গেছে, খাতনা করানো পুরুষের চেয়ে খাতনা না করানো পুরুষ এ ধরনের ক্যান্সারে বেশি আক্রান্ত হয়ে থাকে।

যৌনবিজ্ঞানীরা বহুকাল আগে থেকেই বলে আসছেন যে পুরুষের খাতনা করালে স্পর্শকাতরতা বেড়ে যায়। এতে যৌন মিলনে অধিক আনন্দ উপভোগ করে নারী-পুরুষ উভয়ই। বর্তমানে ইংল্যান্ড, আমেরিকাসহ ইউরোপেও প্রচুর পরিমাণে খাতনা করানো হয়। সেখানে গুরুত্বের সঙ্গে এটা দেখা হয়।

নিউজ ট্যাগ: সুন্নাতে খাতনা

আরও খবর
শবে বরাত সম্পর্কে হাদিসে যা বলা হয়েছে

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ঐশ্বরিয়াকে রাহুল গান্ধীর কটাক্ষ, যা বললেন অমিতাভ

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

দুদিন আগে ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আক্রমণ করতে গিয়ে অমিতাভ বচ্চন এবং তার পুত্রবধূ ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের নাম করেছিলেন রাহুল গান্ধী।

রাহুলের সেই বক্তব্যে চারদিকে হইচই পড়ে গিয়েছিল। এবার রাহুলের সেই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে সমাজমাধ্যমে নিজের মতপ্রকাশ করলেন অমিতাভ। তবে রাহুলের নাম না করেই যে তাকে জবাব দিয়েছেন বিগ বি, তা স্পষ্ট। 

আরও পড়ুন>> আমির খানের সেই ছবিটি করছেন না ফারিণ

গত ১৮ ফেব্রুয়ারি এলাহাবাদের একটি জনসভায় রাহুল বলেন, আপনারা কি রামমন্দিরের প্রাণপ্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠান দেখেছেন? কোনো তফসিলি জাতি, জনজাতির প্রতিনিধিকে দেখতে পেয়েছেন? যারা দেশটাকে চালান তাদের রামমন্দির উদ্বোধনের আমন্ত্রিতের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। আর ডেকে আনা হয়েছে কাদের? অমিতাভ বচ্চন, ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনদের। 

রাহুলের সেই বক্তব্যের জবাব দিলেন অমিতাভ বচ্চন। এক্স হ্যান্ডেলে অমিতাভ লিখলেন, এখন শুধু পরিশ্রম করার সময়। শারীরিকভাবে তৎপর থাকা... এবং মানসিকভাবে নম্র থাকা সব কিছুর জন্য শুধু অপেক্ষা করতে হবে।

অমিতাভের আগেই রাহুলের মন্তব্যের প্রতিবাদ করেছেন গায়িকা সোনা মহাপাত্র। এক্সে সোনা লিখেছিলেন, রাজনীতিবিদরা তাদের বক্তব্যে অনেক সময় নারীদের অবমাননা করেন। এতে কি তারা নিজেদের পৌরুষ প্রমাণ করতে চান? অতীতে কি আপনার মা ও বোনকে কেউ এভাবে অবজ্ঞা করেছেন?

নিউজ ট্যাগ: অমিতাভ বচ্চন

আরও খবর
টেইলর সুইফট ইফেক্টে আক্রান্ত সিঙ্গাপুর

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




আড়ার সঙ্গে ঝুলছিল মা-বাবার মৃতদেহ, প্রতিবেশীদের ডাকল শিশুসন্তান

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | অনলাইন সংস্করণ
জেলা প্রতিনিধি

Image

পটুয়াখালী থেকে স্বামী-স্ত্রীর ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাত ১১টার দিকে জেলার মহিপুর থানার আসালতখাঁপাড়া গ্রাম থেকে তাদের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত আরিফ হোসেন ওই এলাকার আলী হোসেনের ছেলে। তার স্ত্রী রিয়া মনির বাবার বাড়ি আমতলী উপজেলার শাখারিয়া এলাকায়।

স্থানীয়রা জানান, বিকেলে আরিফ ও রিয়া মনির মধ্যে পারিবারিক বিষয় নিয়ে বাকবিতণ্ডা হয়। সন্ধ্যায় তাদের ৪ বছরের মেয়ে সুমাইয়া ঘুমিয়ে পড়েছিল। রাত ১১টার দিকে ঘুম ভাঙলে সে তার বাবাকে ঘরের আড়ার সঙ্গে ও মাকে বারান্দার আড়ার সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে। পরে সে প্রতিবেশীদের ডেকে আনে।

আরিফের ফুফাত ভাই মিরাজ বলেন, দুপুরে আমরা একসঙ্গে দাওয়াতে গিয়েছিলাম। আমি ও আরিফ এক টেবিলে বসে খেয়েছি। ওর মধ্যে কোনো চিন্তা লক্ষ্য করিনি। স্ত্রীর সঙ্গে ওর সম্পর্ক ভালো ছিল।

প্রতিবেশী জয়নাল বলেন, আমরা ঘরে ঘুমিয়ে ছিলাম। আরিফের মেয়ে সুমাইয়া আমাদের ডেকে আনে। আমরা গিয়ে দেখি দুজনেই ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলছে। পরে আমরা পুলিশকে খবর দেই।

মহিপুর থানার ওসি আনোয়ার হোসেন তালুকদার জানান, স্বামী ও স্ত্রীর মৃতদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আরও খবর



সেনা-বিদ্রোহী সংঘর্ষ

বাংলাদেশে পালিয়ে এলেন মিয়ানমারের ৯৫ সীমান্তরক্ষী

প্রকাশিত:সোমবার ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বান্দরবান প্রতিনিধি

Image

মিয়ানমারের অভ্যন্তরে চলমান সংঘর্ষে প্রাণহানি এড়াতে দেশটির বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) ৯৫ জন সদস্য অস্ত্রসহ পালিয়ে বাংলাদেশে চলে এসেছেন।

সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, মিয়ানমারের অভ্যন্তরে চলমান সংঘর্ষের জেরে এখন পর্যন্ত দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) ৯৫ জন সদস্য অস্ত্রসহ বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) তাদের নিরস্ত্রীকরণ করে নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়েছে। এ ব্যাপারে পরবর্তী কার্যক্রম চলমান।

এর আগে গতকাল রোববার বিজিবির এ কর্মকর্তা জানিয়েছিলেন, রোববার ভোর থেকে মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপির সদস্যরা প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া শুরু করেন। বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির তুমব্রু সীমান্ত এলাকা দিয়ে তারা বাংলাদেশে প্রবেশ করেন।

গত সপ্তাহ থেকে বাংলাদেশ সীমান্তেও সংঘর্ষ ভয়ংকর রূপ নিয়েছে। দুপক্ষের ছোড়া গুলি ও মর্টার শেল এসে পড়ছে বাংলাদেশের ভেতরে।

এদিকে রোববার (৪ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, আমরা কোনো যুদ্ধে জড়াতে চাই না। যুদ্ধ চাইও না। আমাদের প্রধানমন্ত্রী সব সময় সে নির্দেশনা দিয়ে থাকেন। তবে আমরা সব সময় তৈরি আছি।

তিনি বলেন, আমরা মিয়ানমার সীমান্তে শক্তি বৃদ্ধি করেছি। আমরা পুলিশকে বলে দিয়েছি, কোস্টগার্ডকেও আমরা নির্দেশনা দিয়েছি। যাতে কোনোভাবেই কেউ আমাদের সীমানায় অনুপ্রবেশ করতে না পারে। সে ব্যাপারে আমরা খুব সতর্ক রয়েছি। যুদ্ধ কতদিন চলে আমরা জানি না। কিন্তু সীমান্ত পার হয়ে কাউকে আসতে দেবো না। বিজিবিকে আমরা সেই নির্দেশনাটাই দিয়েছি।

আত্মরক্ষার্থে মিয়ানমারের সরকারি বাহিনী বাংলাদেশে ঢুকলে তাদের ধরে আবার ফেরত পাঠানো হবে বলেও জানিয়েছেন আসাদুজ্জামান খান।


আরও খবর