আজঃ মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

শৈলকুপার ‘রসগোল্লা চা’ ফেসবুকেই সুস্বাদু !

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | পত্রিকায় প্রকাশিত
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

Image

রসগোল্লা দিয়ে চা! এ যেন স্বাদে টুইটুম্বর। ফেসবুকে যেন ভাইরাল। দেখলেই খেতে ইচ্ছে করে। গত কয়েকদিন ধরে এমন রসগোল্লা চায়ের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তা দেখে অনেকেই ছুটছেন সেই চায়ের দোকানে। কিন্তু সেখানে গিয়ে হচ্ছেন হতাশ। যেমন আশা করে যাচ্ছেন চায়ের স্বাদ নিতে গিয়েও হতাশ হচ্ছেন চা প্রেমীরা।

জানা যায়, শৈলকুপার কাতলাগাড়ী বাজারে শুভ ইশান হুজাইফা নামের চায়ের দোকানে গত কয়েকদিন যাবত বিক্রি শুরু করেছেন রসগোল্লা দিয়ে চা। দুধ আর চা দিয়ে তার মধ্যে ছেড়ে দিচ্ছেন স্থানীয় ভাবে তৈরী একটি রসগোল্লা। এতেই যেন বেড়ে যাচ্ছে স্বাদ। দামও হাকাচ্ছেন ৮০ টাকা। যেখানে চায়ের কোন অস্তিত্ব পাওয়া দুস্কর। সেই সাথে নিন্মমানের রসগোল্লা দিয়ে চা তৈরী করায় যাচ্ছেতাই স্বাদ পাচ্ছেন চা প্রেমীরা। সম্প্রতি ভিউপ্রেমী কিছু ইউটিউবার এই চায়ের সুনাম করে ভিডিও দিয়েছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। এতেই সেখানে হুমড়ি খেয়ে পড়ছেন চা প্রেমীরা। কিন্তু গিয়ে চায়ের মান নিন্মমানের হওয়ায় হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন।

কালীগঞ্জ উপজেলা থেকে চা থেকে যাওয়া এক নারী বলেন, ফেসবুকে দেখে স্বামীর সাথে এখানে চা খেতে এলাম। ভাবলাম একটু ঘোরাও হবে চা খাওয়াও হবে। কিন্তু এখানে এসে এই চা খেতে খুব হতাশ হলাম। রসগোল্লাটা খুবই নিন্মমানের। আর চায়ের তেমন স্বাদই নেই। যেন শরবত খাচ্ছি। চায়ের দাম নিচ্ছে ৮০ টাকা।  চায়ের নামের পুরোটা প্রতারণা।

কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে আসা রিপন নামের এক যুবক বলেন, ফেসবুকে দেখে বন্ধুদের সাথে চা খেতে এলাম। এসে দেখি দোকানদার তো খুব ব্যস্ত। রসগোল্লা চা দিলেন আধাঘন্টা পরে। কিন্তু চায়ের কোন স্বাদ পেলাম না। নামেই শুনেছি রসগোল্লা চা। এর চেয়ে শরবত খাওয়া ভালো। আর এই দোকানদার এই চায়ের নাম করে দুধ চা বিক্রি করছে। রসগোল্লা চা চাইলে দেরীতে দিচ্ছে। অনেকে ফিরে যাচ্ছে। যারা আসছেন তাদের দুধ চা খেতে হচ্ছে। তারপরও দুধ চা যেন দুধ আর চিনি দিয়ে জালানো। চায়ের কোন স্বাদ নেই।

স্থানীয় যুবক রাইদুল বলেন, এর আগেও এই দোকানে নানা পদের চা বিক্রি করা হতো। কিন্তু বেশিদিন ধরে বিক্রি করেন না ইনি। কিছুদিন চলার পর ক্রেতা আকর্ষণ করতে নতুন নতুন কৌশল নেন চা দোকানী খাইরুল। তাই বলব, যারা দুর-দুরান্ত থেকে চা খেতে আসবেন একটু খোঁজ খবর নিয়ে আসবেন।

এ ব্যাপারে চা দোকানী খাইরুল ইসলাম বলেন, খুব ব্যস্ততা চলছে আমাদের। আগুনের জিনিস। স্বাদ একটু এদিক সেদিক হতেই পারে।

নিউজ ট্যাগ: ঝিনাইদহ

আরও খবর



স্মৃতির হাহাকার নিয়ে মানিকের মায়াটান

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

মুক্তি পেলো জীবনমুখী গানের কণ্ঠশিল্পী, লেখক ও সাংবাদিক আমিরুল মোমেনীন মানিকের নতুন গান মায়াটান। ইউটিউব চ্যানেল মানিক মিউজিক-এ প্রকাশিত হয়েছে এটি। শৈশবের স্মৃতি জাগানিয়া হাহাকার নিয়ে নির্মিত গানটির কথা ও সুর সাজিয়েছেন শিল্পী নিজেই। সঙ্গীতায়োজনে ছিলেন অণু মোস্তাফিজ। ভিডিও নির্মাণ করেছেন আলম মোরশেদ।

গানটি প্রসঙ্গে মানিক বলেন, প্রত্যেকের জীবনকেই নানাভাবে অনুপ্রেরণা দেয় ফেলে আসা শৈশব। আবার কখনো নষ্টালজিয়ায় আক্রান্ত করে। জীবনের সোনালী দিনগুলোর মধুর স্মৃতিকে উসকে দিতেই মায়াটান গানটি অদ্ভুত ভালো লাগা তৈরি করবে সবার মধ্যে। এই গানে শুধু শৈশব নয়, ব্রিটিশ বিরোধী বিপ্লবী তিতুমীরের ঐতিহাসিক ঘটনার যোগসূত্রও তৈরি করা হয়েছে ভিডিওর কাহিনীচিত্রের মাধ্যমে। জানা গেছে, পরবর্তিতে মায়াটান শিরোনামের গানটি যুক্ত হবে আপকামিং বিপ্লবী তিতুমীর চলচ্চিত্রে।

গানটি প্রসঙ্গে ভিডিও নির্মাতা মোরশেদ আলম বলেন, হৃদয়কে মুগ্ধতায় ভরিয়ে দেওয়ার মতো কথা ও সুরের গান মায়াটান। আকাশ, প্রকৃতি এবং সোঁদা মাটির ঘ্রাণ আছে গানের ভিডিওতে। দর্শক ফিরে যাবে ফেলে আসা মায়ামাখা শৈশবে। মানিক ভাই যেমন অসাধারণ গেয়েছেন, তেমনি অণু মোস্তাফিজ ভাইও হাড়ি, পাতার বাঁশি, বৈঠার শব্দ দিয়ে দারুণ সঙ্গীতায়োজন করেছেন।

২০১৪ সালে  কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী নচিকেতা চক্রবর্তীর সঙ্গে আমিরুল মোমেনীন মানিকের আয় ভোর শিরোনামের গান প্রকাশিত হলে দুই বাংলায় ব্যাপক সাড়া পড়ে। এরপর, নচিকেতার সঙ্গে নীল পরকীয়া এবং সকাল হবে কি শিরোনামের আরও দুটি গান করেন মানিক। এর বাইরে মা যে দশ মাস দশ দিন, শিরায় শিরায় রক্তকণায়সহ আরও বেশ কিছু জনপ্রিয় গান উপহার দিয়েছেন মানিক। গানের পাশাপাশি আমিরুল মোমেনীন মানিক সাহিত্য ও সাংবাদিকতা নিয়ে কাজ করেন। ইতোমধ্যে বেরিয়েছে ২১টি গ্রন্থ। তাঁর বেস্ট সেলার বইয়ের নাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কতিপয় স্টুপিড শিক্ষক। সাংবাদিকতায় মানিক পেয়েছেন ইউনেস্কো ক্লাব জার্নালিজম এ্যাওয়ার্ড। ইউটিউব জার্নালিজমের প্রথম ধারণা উপস্থাপন করে তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন চেঞ্জটিভি. প্রেস। বর্তমানে আমিরুল মোমেনীন মানিক হামদর্দ বাংলাদেশের পরিচালক তথ্য ও গণসংযোগ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।


আরও খবর



পেরুতে ৭.২ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, সুনামি সতর্কতা জারি

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৮ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

দক্ষিণ আমেরিকার দেশ পেরুতে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ২। শুক্রবার (২৮ জুন) দেশটির মধ্যাঞ্চলীয় উপকূলীয় এলাকায় এই কম্পন হয়। এদিকে ভূমিকম্পের জেরে পেরুতে সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়েছে। শুক্রবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা এএফপি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার মধ্য পেরুর উপকূলে ৭.২ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে বলে মার্কিন ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে। এই ঘটনায় উপকূলরেখা বরাবর কিছু এলাকায় সুনামির ঢেউ আছড়ে পড়তে পারে।

ইউএসজিএস বলেছে, দেশটির আটিকুইপা জেলা থেকে ৮.৮ কিলোমিটার (৫.৫ মাইল) দূরে ভূমিকম্পটি আঘাত হেনেছে। সংস্থাটি বলেছে, ভূমিকম্পের শক্তিশালী কম্পন কেন্দ্রস্থলের কাছাকাছি এলাকায়ও অনুভূত হবে।

প্রশান্ত মহাসাগরীয় সুনামি সতর্কীকরণ কেন্দ্র অবশ্য আগে জানিয়েছিল, কম্পনের জেরে সুনামির কোনও আশঙ্কা নেই। তবে পরে তারা সেই বুলেটিন পরিবর্তন করে জানায়, উপকূলের কিছু এলাকায় বিপজ্জনক সুনামির ঢেউয়ের পূর্বাভাস রয়েছে। সুনামির ঢেউগুলো জোয়ারের স্তরের ওপরে আরও ১ থেকে ৩ মিটার পর্যন্ত পৌঁছতে পারে।

দক্ষিণ আমেরিকার দেশ পেরুর জনসংখ্যা ৩ কোটি ৩০ লাখ এবং দেশটিতে প্রায়ই ভূমিকম্প হয়ে থাকে। এছাড়া দেশটি ভূতাত্ত্বিকভাবে ভূমিকম্প সক্রিয় অঞ্চল প্যাসিফিক রিং অব ফায়ারে অবস্থিত। যা আমেরিকার পশ্চিম উপকূল বরাবর তীব্র ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা হিসেবে পরিচিত। এর আগে পেরুতে ২০২২ সালের মে মাসের শেষের দিকে রিখটার স্কেলে ৭ দশমিক ২ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছিল। সেই ভূমিকম্পের আঘাতের কেন্দ্রে ছিল দেশটির পশ্চিম-উত্তরপশ্চিমাঞ্চলীয় আজাঙ্গারো শহর।

ভূপৃষ্ঠ থেকে ২১৭ দশমিক ৮ কিলোমিটার গভীরে উৎপত্তি হওয়া এই ভূমিকম্পে প্রতিবেশি বলিভিয়ার রাজধানী লা পাজের পাশাপাশি পেরুর আরেকুইপা, টাকনা এবং কুসকো শহরের কিছু ভবনও কেঁপে ওঠে। এরও আগে ২০২১ সালের নভেম্বরের শেষের দিকে পেরুতে ৭ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে। সেসময় দেশটিতে বহু ঘর-বাড়ি বিধ্বস্ত হয়ে যায়। এছাড়া ঔপনিবেশিক আমলের ৪৫ ফুট উচু একটি চার্চ টাওয়ারও সেসময় ভেঙে পড়ে।

উল্লেখ্য, ২০০৭ সালের ১৫ আগস্ট পেরুর মধ্য উপকূলে ৭ দশমিক ৯ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছিল। শক্তিশালী সেই ভূমিকম্পে পাঁচ শতাধিক মানুষ নিহত হয়েছিলেন।


আরও খবর
আজ নেলসন ম্যান্ডেলার জন্মদিন!

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




গবাদি পশুর ওপর প্রথম কর নির্ধারণ, গরুপ্রতি গুণতে হবে সাড়ে ১১ হাজার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৭ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

বিশ্বে প্রথমবারের মতো গবাদি পশুর ওপর কর নির্ধারণ করা হয়েছে। পশু পালনকারী এবং খামারীকে গরুপ্রতি বছরে কর দিতে হবে ৯৬ মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় সাড়ে ১১ হাজার টাকা। ইউরোপের অন্যতম কৃষি ও খামার নির্ভর অর্থনীতির দেশ ডেনমার্কে এই সংক্রান্ত চুক্তি সই হয়েছে।

চুক্তিতে বলা হয়েছে, পৃথিবীর উত্তাপ বাড়াতে পশু থেকে নির্গত গ্যাস (কার্বন) বিশেষভাবে দায়ী। তাই পশুপালনকারীকেও এই দায় বহন করতে হবে। প্রতি গরুর জন্যে পালনকারীকে দিতে হবে ৬৭২ ক্রোন বা ৯৬ মার্কিন ডলার।

দেশটির জোট সরকার চলতি সপ্তাহে কৃষিতে বিশ্বের প্রথম কার্বন নির্গমন কর চালু করতে সম্মত হয়েছে। ২০৩০ সাল থেকে পশুর ওপর নতুন এই কর আদায় কার্যকর হবে। ইউরোপের দেশ ডেনমার্ক একটি প্রধান দুগ্ধ এবং শুয়োরের মাংস রপ্তানিকারক দেশ। কৃষি নির্ভর অর্থনীতির এই দেশটি পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর গ্যাস নির্গমনের বড় উৎস।

জোট সরকারের এই চুক্তির উদ্দেশ হচ্ছে, ৪০ বিলিয়ন ক্রোন খরচ করে বিশাল এলাকায় বনভূমি এবং জলাশয় পুনরুদ্ধার করা। এই বিনিয়োগ দেশটির জলবায়ু সংক্রান্ত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সহায়ক হবে।

এই বিষয়ে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী লার্স লোককে রাসমুসেন মঙ্গলবার (২৫ জুন) বলেন, 'আজকের চুক্তির মাধ্যমে, আমরা সাম্প্রতিক সময়ে ডেনমার্কের পরিবেশগত উন্নয়নে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন আনতে যাচ্ছি। বিপুল অঙ্কের কর আমরা পরিবেশ সুরক্ষায় বিনিয়োগ করবো। একই সময়ে, আমরা কৃষিতে (কার্বন) কর নির্ধারক হিসেবে বিশ্বের প্রথম দেশ হবো।'

নিউজ ট্যাগ: গবাদি পশু

আরও খবর
আজ নেলসন ম্যান্ডেলার জন্মদিন!

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে সাড়ে ৬৮ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আদায়

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রাহুল সরকার, চট্টগ্রাম ব্যুরো

Image

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ৭৭ হাজার ৬১৬ কোটি টাকা লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে রাজস্ব আদায় করেছে ৬৮ হাজার ৫৬২ কোটি ৭২ লাখ টাকা। ২০২২-২৩ অর্থবছরে রাজস্ব আদায় হয়েছিল ৬২ হাজার ৬৫৭ কোটি ৮১ লাখ টাকা। গত অর্থবছরের তুলনায় ৯ দশমিক ৪২ শতাংশ বেশি। তবে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কম রাজস্ব আদায় হলেও কাস্টমস কর্তৃপক্ষ দাবি, অর্জিত রাজস্ব আগের বছরের চেয়ে প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা বেশি।

এতে হাইস্পিড ডিজেল, ফার্নেস অয়েল, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস, আপেল, সিমেন্ট ক্লিংকার, পাম অয়েল, ভাঙা পাথর ও পেট্রোলিয়াম তেলসহ আমদানি করা ১২ পণ্য থেকে রাজস্ব আদায় হয়েছে ১৯ হাজার কোটি টাকা।

কাস্টমস কর্তৃপক্ষ জানায়, জরিমানা আদায়, আন্তর্জাতিক বাজারের সাথে সমন্বয় রেখে শুল্কায়ন মূল্য নির্ধারণসহ অনিয়ম প্রতিরোধে নজরদারি বাড়ানোর জন্য রাজস্ব বেড়েছে। অন্যদিকে বিশ্ব বাণিজ্য মন্দা, আমদানি-রফতানি বাণিজ্যে ধস হলেও ইতিবাচক রাজস্ব আদায় করেছে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস। মিথ্যা ঘোষণার জরিমানা বেড়ে যাওয়ায় গত কয়েক বছর ধরে রাজস্ব ফাঁকি কমেছে। রাজস্ব আদায় পাশাপাশি চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনার ও কার্গো হ্যান্ডলিং বেড়েছে।

চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস সূত্রে জানা যায়, রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে মাস ভিত্তিক রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ ছিল। এতে জুলাই মাসে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা ৪ হাজার ৭৮৯ কোটি টাকা, এর বিপরীতে আয় হয় ৫ হাজার ৪৭২ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। আগস্ট মাসে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৬ হাজার ২৭ কোটি টাকা, কিন্তু ওই মাসে আদায় হয় ৫ হাজার ৭১১ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। সেপ্টেম্বর মাসে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭ হাজার ৫০ কোটি টাকা, আদায় হয় ৫ হাজার ২৯০ কোটি ২১ লাখ টাকা। অক্টোবর মাসে ৬ হাজার ৯১৭ কোটি টাকা লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে আদায় হয় ৫ হাজার ৬৬১ কোটি ১১ লাখ টাকা। নভেম্বর মাসে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৬ হাজার ৯৩৭ কোটি টাকা, আদায় হয় ৫ হাজার ৮৪২ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। ডিসেম্বরে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৬ হাজার ৯১০ কোটি টাকা, আদায় হয় ৫ হাজার ১০৯ কোটি ২০ লাখ টাকা। জানুয়ারি মাসে লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৬ হাজার ৯৩৫ কোটি টাকা, আদায় হয় ৫ হাজার ৯১৬ কোটি ৯৩ লাখ টাকা। ফেব্রুয়ারি মাসে ৫ হাজার ৯৮১ কোটি টাকা লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ৪ হাজার ৯১৫ কোটি ৭৮ লাখ টাকা আদায় হয়। মার্চ মাসে লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় ৭ হাজার ৯১ কোটি টাকা, আদায় হয় ৫ হাজার ৬৩২ কোটি ৭৪ লাখ টাকা। এপ্রিল মাসে লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৭ হাজার ৭১ কোটি টাকা, আদায় হয় ৫ হাজার ৯৬৯ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। মে মাসে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৪ হাজার ৮৬৫ কোটি টাকা। এর বিপরীতে আদায় হয় ৬ হাজার ৫০২ কোটি ৫০ লাখ টাকা। জুন মাসে লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৭ হাজার ৪৩ কোটি টাকা, এর বিপরীতে আদায় হয় ৬ হাজার ৭৩৭ কোটি ২৩ লাখ টাকা।

কাস্টমস হাউস কমিশনার মোহাম্মদ ফায়জুর রহমান বলেন, 'আমদানিতে অনিয়ম রোধ, পণ্যের প্রকৃত দাম অনুসারে শুল্ক নির্ধারণের নজর বাড়িয়েছি। মিথ্যা ঘোষণা প্রতিরোধ ও সুশাসন নিশ্চিত করায় রাজস্ব আদায় বেড়েছে। ডলার সংকটের কারণে প্রত্যাশা অনুযায়ী ঋণপত্র (এলসি) খুলতে না পারা, বিলাসী পণ্য আমদানিতে উচ্চ শুল্কসহ বিধি আরোপ করার কারণেও লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী রাজস্ব আয় সম্ভব হয়নি।


আরও খবর



চবি শিক্ষার্থী মহিমা আকতার ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব স্কলার অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৭ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রাহুল সরকার, চট্টগ্রাম ব্যুরো

Image

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) আইন বিভাগের শিক্ষার্থী মহিমা আকতারের 'বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব স্কলার অ্যাওয়ার্ড-২০২৩ অর্জন করেছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ আবু তাহের এর সাথে তাঁর অফিস কক্ষে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব স্কলার অ্যাওয়ার্ড-২০২৩ অর্জনকারী চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষার্থী মহিমা আকতার। এ সময় চবি আইন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. আবদুল্লাহ আল ফারুক উপস্থিত ছিলেন।

চবি উপাচার্য বলেন, আমাদের মেধাবী শিক্ষার্থীরা নিজেদের মেধা, প্রজ্ঞা ও দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে দেশ-বিদেশে সফলতার স্বাক্ষর রেখে চলেছেন। এটা এ বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের জন্য অত্যন্ত আনন্দের ও গৌরবের।

তিনি বলেন, এ মেধাবী শিক্ষার্থী ভবিষ্যতেও কর্মজীবনে তাঁর মেধার সাক্ষর রেখে দেশ-জাতির কল্যাণে আত্মনিয়োগ করবেন এটাই সকলের প্রত্যাশা।

উল্লেখ্য, মহিমা আকতার (শিক্ষাবর্ষ: ২০১৭-১৮) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ২৬তম ব্যাচের স্নাতকের সার্বিক ফলাফলে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হয়েছেন এবং ষোড়শ বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পরীক্ষায় ১৬ তম মেধাক্রম নিয়ে সহকারী জজ হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। সারাদেশ থেকে ২১ জন অনন্য মেধাবী শিক্ষার্থীকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব স্কলার অ্যাওয়ার্ড-২০২৩ প্রদান করা হয়েছে। দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগসমূহের শিক্ষার্থীদের মধ্যে একমাত্র তিনি এই বছর উক্ত অ্যাওয়ার্ডের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় হতে তিনিই একমাত্র এবং প্রথম এই এওয়ার্ডটি অর্জন করেছেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব স্কলার অ্যাওয়ার্ড-২০২৩ এ ১৫ টি অধিক্ষেত্রে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত ২১ জন মেধাবী শিক্ষার্থীকে ২৪ জুন ২০২৪ তারিখ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট হতে সার্টিফিকেট এবং ৩ লক্ষ টাকার চেক প্রদান করা হয়।


আরও খবর