আজঃ বৃহস্পতিবার ২৪ জুন ২০২১
শিরোনাম
স্পেনের কারাগারে ম্যাকাফি অ্যান্টিভাইরাস আবিষ্কারকের ‘আত্মহত্যা’ আগস্টে মুক্তি পাচ্ছে চলচ্চিত্র ‘চিরঞ্জীব মুজিব’ গত ২৪ ঘণ্টায় রাজশাহীতে আরও ১৮ জনের মৃত্যু ‘আ.লীগ হীরার টুকরা, যতবার কেটেছে নতুন করে জ্যোতি ছড়িয়েছে’ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার নামে মিথ্যাচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন স্বাক্ষর জালিয়াতি ও তথ্য গোপন করায় ছাত্র ইউনিয়নের দুই শীর্ষ নেতা বহিষ্কার ইতিহাসে আওয়ামী লীগ, বঙ্গবন্ধু, বাংলাদেশ ও শেখ হাসিনা সমার্থক হয়ে থাকবে: : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী পরীমনির মামলায় সেই নাসির-অমি ৫ দিনের রিমান্ডে ৯ দেশে ছড়িয়েছে ডেলটা প্লাস ধরন বিধিনিষেধের মধ্যেও শনাক্ত ও মৃত্যু বাড়ছে

সোনম কাপুর যেমন পুরুষসঙ্গী চেয়েছিলেন!

প্রকাশিত:বুধবার ০৯ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৯ জুন ২০২১ | ১০৭জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

অভিনয় ও ফ্যাশনেবল পোশাকে দর্শকদের চোখ ধাঁধিয়ে দেওয়া ফিল্মি ক্যারিয়ারে মাঝেমধ্যেই নানা মন্তব্যের জন্য বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন সোনম কাপুর। মন্তব্যের বানে ঐশ্বরিয়া থেকে শুরু করে ঋষি কাপুরকেও ক্ষেপিয়েছেন।

বরাবরই নিজের খেয়ালখুশি মতো চলেছেন সোনম। নিজের যা ভালো মনে হয় করেছেন, নিজের বিবেচনায় যেটা ঠিক মনে হয় বলেছেন। তার ফলে অপরপক্ষ কী ভাবলো না ভাবলো, তার পরোয়া কোনোদিনই করেননি তিনি।

ছোটপর্দার এক চ্যাট শো ওয়ে ইটস ফ্রাইডেতে একবার হাজির হয়ে সঞ্চালক ফারহান আখতারের সঙ্গে আড্ডা দেওয়ার ফাঁকে সরাসরি জানিয়েছেন কেমন পুরুষ তার পছন্দ। ফারহানের প্রশ্নের জবাবে মুখে হাসি এনে, সামান্য ভেবে সোনমের বক্তব্য ছিল, যদি সেই ব্যক্তি আমার বাবার (অনিল কাপুর) থেকেও বেশি সুপুরুষ হয়, বেশি অর্থবান ও বিখ্যাত হন তাহলে ভেবে দেখতে পারি। ও হ্যাঁ, তাকে আমার বাবার থেকেও বেশি জনপ্রিয় ও পরিচিত হতে হবে। সঙ্গে বাবার মতো ওরকম জম্পেশ একখানা গোঁফ থাকলেও মন্দ হয় না!

যদিও বছর তিনেক আগে ২০১৮ সালে ব্যবসায়ী আনন্দ আহুজার সঙ্গে গাঁটছাড়া বেঁধেছেন নীরজা খ্যাত এই নায়িকা। সম্প্রতি, নিজেদের তিন বছরের বিবাহবার্ষিকীও পালন করলেন এই দম্পতি। ফিল্মফেয়ারকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই বার্থডে গার্ল একবার জানিয়েছিলেন কীভাবে আনন্দের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়েছিল।


নিউজ ট্যাগ: সোনম কাপুর

আরও খবর



জলবায়ু পরিবর্তন থেকে বাঁচতে গাছ লাগাতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:শনিবার ০৫ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ০৫ জুন ২০২১ | ৮৭জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমাদের পরিবেশ আমাদেরই রক্ষা করতে হবে। এ দেশ আমাদের। আজকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে দেশকে রক্ষা করতে হলে, আমাদের সবুজ বাংলাকে আরও সবুজ করতে হবে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের স্বাধীনতা দিয়ে গেছেন। বাংলাদেশকে আমরা সোনার বাংলা হিসেবে গড়তে চাই।

শনিবার (৫ জুন) সরকারি বাসভবন গণভবনে জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান-২০২১ উদ্বোধনের সময় প্রধানমন্ত্রী একথা বলেন।

তিনি বলেন, আসুন আমরা সবাই মিলে ব্যাপকভাবে বৃক্ষরোপণ করি এবং আমাদের সোনার বাংলাকে আরও সোনার সবুজ বাংলা করি। বনায়নে ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সাফল্যের কথা জানিয়ে টানা তিনবারের সরকার প্রধান বলেন, আজকের বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ। আমরা এগিয়ে যাব।

বনায়নের ক্ষেত্রে আমাদের অনেক সাফল্য। আমরা যে ব্যবস্থা নিয়েছি তার ফলে আজকে আমাদের প্রায় ২২ শতাংশ বনায়ন সৃষ্টি হয়েছে। তাছাড়া আমাদের পারিবারিকভাবে বাগান সৃষ্টি হচ্ছে। সবাই এখন সচেতন।

প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীকে আহ্বান জানিয়ে বলেন, আসুন আমরা সবাই মিলে ব্যাপকভাবে বৃক্ষরোপণ করি এবং আমাদের সোনার বাংলাকে আরও সোনার সবুজ বাংলা করি। আজকের বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ। আমরা এগিয়ে যাব।

গণভবনে চারা রোপন করে বঙ্গবন্ধু কন্যা বলেন, আজকে বিশ্ব পরিবেশ দিবস। আমি নিজে বৃক্ষরোপণ করলাম। সেই সঙ্গে আমি দেশবাসীকে আহ্বান জানাব, যার যেখানে যতটুকু জায়গা আছে গাছ লাগান। তিনটা করে গাছ লাগাতে পারলে সব থেকে ভালো হয়। আর সেটা যদি না পারেন একটা করে হলেও লাগাবেন। আমরা চাই যে একটা ফলজ, একটা বনজ, একটা ভেষজ এ ধরনের গাছ লাগাবেন। পরিবেশ রক্ষায়, নিজের আর্থিক সচ্ছলতা ও পরিবেশ রক্ষার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি উপযোগী সেটা হলো ব্যাপকভাবে বৃক্ষরোপণ করা।

প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব কে এম শাখাওয়াত মুন জানান, এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন, সচিব জিয়াউল হাসান, প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার মো. নজরুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।


আরও খবর



পুলিশের হেফাজত থেকে পালানোর সময় টিকটক হৃদয়সহ গুলিবিদ্ধ ২

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৮ মে ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৮ মে ২০২১ | ৮৬জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ভারতের কেরালায় বাংলাদেশি তরুণীকে ভয়ঙ্কর যৌন নির্যাতন ও ভিডিও ধারণ করে তা ফেসবুকে ছড়িয়ে দেয়ার ঘটনায় ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে বেঙ্গালুরু পুলিশ।

ন্যাশনাল হেরাল্ড ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয়, শুক্রবার (২৮ মে) সকালে পুলিশের হেফাজত থেকে পালানোর চেষ্টা করলে টিকটক ‍হৃদয় বাবু ও ও তার সহযোগী সাগর পুলিশের গুলিতে গুলিবিদ্ধ হয়। ভারতীয় পুলিশ বলছে, তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক নয়।

তাদের মধ্যে রাজধানী ঢাকার হাতিরঝিলের বাসিন্দা রিফাদুল ইসলাম হৃদয় রয়েছেন, যিনি এলাকায় টিকটক হৃদয় বাবু নামে পরিচিত। গ্রেপ্তার অপর ৪ জনের মধ্যে ৩ জন হলেন মোহাম্মদ বাবা শেখ, সাগর ও অখিল। গ্রেপ্তার নারীর পরিচয় এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মো. শহিদুল্লাহ বৃহস্পতিবার (২৭ মে) গভীর রাতে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ওই ঘটনায় রাজধানীর হাতিরঝিল থানায় তরুণীর বাবার করা মামলায় বাংলাদেশি আসামিদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনা হবে।

নিউজ ট্যাগ: টিকটক হৃদয়

আরও খবর



বদলি জেল খাটা মিনুকে মুক্তির নির্দেশ দিলেন হাইকোর্ট

প্রকাশিত:সোমবার ০৭ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ০৭ জুন ২০২১ | ১০১জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানার রহমতগঞ্জে একটি বাসায় ২০০৬ সালের জুলাই মাসে একটি বাসায় মোবাইল ফোনে কথা বলার ঘটনা কেন্দ্র করে গার্মেন্টসকর্মী কোহিনূর আক্তারকে গলা টিপে হত্যা করা হয়

হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি কুলসুম আক্তারের পরিবর্তে জেল খাটা মিনুর ঘটনাটি দেশের অন্যতম আলোচিত ঘটনা। যেটি ঘটেছে চট্টগ্রামে। এরপরই এক কারা কর্মকর্তা বিষয়টি আদালতের নজরে আনলে মিনুকে মুক্তির নির্দেশ দিলেন হাইকোর্ট।

সোমবার (৭ জুন) বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম ও বিচারপতি মহি উদ্দিন শামীমের ভার্চ্যুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে মিনুর পক্ষে শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ড. মো. বশির উল্লাহ।

একইসঙ্গে প্রকৃত আসামি কুলসুমকে গ্রেপ্তারে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এছাড়া নিরপরাধ মিনুর জেল খাটার ঘটনায় ৩ আইনজীবী ও চট্টগ্রামের সংশ্লিষ্ট আদালতের এক ক্লার্ককে তলব করেছেন হাইকোর্ট।

ওই তিন আইনজীবী হলেন- চট্টগ্রাম নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট এম এ নাসের, অ্যাডভোকেট নুরুল আনোয়ার ও অ্যাডভোকেট বিবেকানন্দ চৌধুরী।

এর আগে ৩১ মার্চ এ ঘটনা উচ্চ আদালতের নজরে আনেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। এরপর বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ আইনজীবীকে এফিডেভিট দাখিল করতে নির্দেশ দেন। এর মধ্যে ওই বেঞ্চের এখতিয়ার পরিবর্তন হওয়ায় বিষয়টি বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিমের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে আসে।

গত ২৪ মার্চ মিনুর বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল বরাবর চট্টগ্রামের অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ চতুর্থ আদালতের বিচারক শরীফুল আলম ভূঁঞা উপ নথি পাঠিয়েছেন। একটি হত্যা মামলায় আদালত যাবজ্জীবন কারাদণ্ডসহ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ১ বছরের কারাদণ্ড দেন কুলসুম আক্তার কুলসুমীকে। আর আদালতে আত্মসমর্পণ করে জেল খাটছেন মিনু। বিষয়টি চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. শফিকুল ইসলাম খান আদালতের নজরে আনেন।

গত ২২ মার্চ সকালে অতিরিক্ত চতুর্থ মহানগর দায়রা জজ শরীফুল আলম ভূঁঞার আদালতে পিডব্লিউ মূলে মিনুকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে জবানবন্দি শুনে এ মামলার আপিল উচ্চ আদালতে বিচারাধীন থাকায় মিনুর উপ-নথি ২৩ মার্চ হাইকোর্টে পাঠানোর আদেশ দেন। ওইদিন অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউট (পিপি) মো. নোমান চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, আদালতে সংরক্ষিত ছবি সম্বলিত নথিপত্র দেখে কুলসুম আক্তার কুলসুমী আর মিনু এক নন বলে নিশ্চিত হয়েছেন আদালত। যেহেতু এরই মধ্যে এ মামলার রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করা হয়েছে, তাই মামলার উপ-নথি দ্রুত হাইকোর্টে পাঠানো হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট মামলায় মিনুর পক্ষে শুনানি করেছেন আইনজীবী গোলাম মাওলা মুরাদ।

উল্লেখ্য, চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানার রহমতগঞ্জে একটি বাসায় ২০০৬ সালের জুলাই মাসে একটি বাসায় মোবাইল ফোনে কথা বলার ঘটনা কেন্দ্র করে গার্মেন্টসকর্মী কোহিনূর আক্তারকে গলা টিপে হত্যা করা হয়। এরপর রহমতগঞ্জে একটি গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়। পারভিন আত্মহত্যা করেছেন বলে দাবি করেন গার্মেন্টসকর্মী কুলসুম আক্তার কুলসুমী। এরপর থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়। মামলায় পুলিশ দুই বছর তদন্ত শেষে হত্যা করা হয়েছে উল্লেখ করে প্রতিবেদন দিলে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তর করা হয়। এর মধ্যে ১ বছর ৩ মাস জেল খেটে জামিনে মুক্তি পান কুলসুম।

মামলার বিচার শেষে ২০১৭ সালের নভেম্বর তৎকালীন অতিরিক্ত চতুর্থ মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. নুরুল ইসলাম ওই হত্যা মামলায় আসামি কুলসুম আক্তার কুলসুমীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ১ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেন। সাজার পরোয়ানামূলে কুলসুম আক্তার কুলসুমীর বদলি মিনু গত ২০১৮ সালের ১২ জুন কারাগারে যান।

এদিকে গত ১৮ মার্চ চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. শফিকুল ইসলাম খান নারী ওয়ার্ড পরিদর্শনকালে মিনু কোনো মামলার আসামি নন বলে জানতে পারেন। পরে বিষয়টি আদালতের নজরে আনা হয়। কারাগারের সংরক্ষিত হাজতি রেজিস্ট্রার অনুসারে- আসামি কুলসুম আক্তার গত ২০০৭ সালের ২৬ অক্টোবর কারাগারে আসেন। তিনি কারাগারে প্রায় ১ বছর ৩ মাস ছিলেন। চট্টগ্রামের অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ চতুর্থ আদালত ২০০৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি জামিন মঞ্জুর করেন। ওই দিন কারাগার থেকে মুক্তি পান কুলসুম আক্তার কুলসুমী।

জেলে থাকা মিনুর ভাই মো. রুবেল জানান, গত ২০১৮ সালের রমজান মাসে জাকাতের টাকা ও খাদ্যসামগ্রী দেবে বলে মিনু আপাকে ডেকে নিয়ে যান আমাদের পাশের মর্জিনা আক্তার নামে এক নারী। এরপর আমার বোন মিনু আক্তার আর বাড়িতে ফেরেননি। অনেক খোঁজাখুঁজি করেছিলাম তখন।


আরও খবর



অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা গণমাধ্যম ও রাষ্ট্রের মাঝে দূরত্ব সৃষ্টি করবে না: রেজাউল করিম

প্রকাশিত:বুধবার ২৬ মে ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২৬ মে ২০২১ | ৪৯২জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে যত ভুল-ত্রুটি সামনে তুলে ধরা হবে তত বেশি রাষ্ট্র উপকৃত হবে। সংশোধন হয়ে জনকল্যাণে কাজ করার সুযোগ পাবে
কোন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা গণমাধ্যম ও রাষ্ট্রের মাঝে কোনভাবেই দূরত্ব সৃষ্টি করবে না বলে আশা প্রকাশ করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

বুধবার (২৬ মে) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির ২৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদানকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

এসময় তিনি বলেন, বর্তমান সরকার গণমাধ্যমবান্ধব সরকার। গণমাধ্যমের সাথে কোন দূরত্ব বর্তমান সরকার চায় না। বঙ্গবন্ধু গণমাধ্যমকে অনেক গুরুত্ব দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকারও গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে। রাষ্ট্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হচ্ছে গণমাধ্যম। গণমাধ্যমের বিভাজন দেশের কল্যাণে আসে না, মানুষের কল্যাণেও আসে না। এক্ষেত্রে গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের ঐক্য ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি রক্ষা করতে পেরেছে। এজন্য এ সংগঠন যারা সৃষ্টি করেছেন এবং যারা অব্যাহতভাবে নেতৃত্ব দিচ্ছেন তাদের প্রতি দেশের একজন নাগরিক হিসেবে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সদস্যদের শুভকামনা জানিয়ে এসময় তিনি আরো বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে যত ভুল-ত্রুটি সামনে তুলে ধরা হবে তত বেশি রাষ্ট্র উপকৃত হবে। সংশোধন হয়ে জনকল্যাণে কাজ করার সুযোগ পাবে। এভাবে গুণগত মানোন্নয়নসহ রাষ্ট্রের উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকেও সামনে নিয়ে আসতে হবে। তাহলে মানুষ বুঝতে পারবে এদেশকে স্বাধীন করার জন্য ত্রিশ লক্ষ শহিদের রক্ত দেয়াটা সঠিক ছিল। মানুষ বুঝতে পারবে আজকের বাংলাদেশ বিশ্বের বিস্ময়, উন্নয়নের রোল মডেল।

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মুরসালিন নোমানীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মসিউর রহমান খানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিতি ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম, প্রধানমন্ত্রীর সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন, সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান ও কোষাধ্যক্ষ শাহেদ চৌধুরী, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদক সাইফুল আলম, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউয়িনের সাবেক সভাপতি মনজুরুল আহসান বুলবুল, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি কুদ্দুস আফ্রাদ এবং ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির বর্তমান ও সাবেক নেতৃবৃন্দ অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদান করেন।

এর আগে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির ২৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বেলুন উড়িয়ে র‌্যালি উদ্বোধন করেন এবং র‌্যালিতে অংশগ্রহণ করেন।

নিউজ ট্যাগ: শ ম রেজাউল করিম

আরও খবর



দায় স্বীকার করে আদালতে সৌমেনের জবানবন্দি

প্রকাশিত:সোমবার ১৪ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৪ জুন ২০২১ | ১০৯জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

কুষ্টিয়ার আলোচিত ট্রিপল মার্ডার মামলায় অভিযুক্ত এএসআই সৌমেন কুমার রায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। সোমবার (১৪ জুন) দুপুর ১টা ১০ মিনিটের দিকে তাকে বিচারক মো. রেজাউল করিমের আদালতে হাজির করা হলে তিনি এই জবানবন্দি দেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে আদালত পুলিশের পরিদর্শক সঞ্জয় রায় বলেন, বিজ্ঞ অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল স্যারের খাস কামরায় দীর্ঘ আড়াই ঘণ্টা ধরে মডেল থানার ট্রিপল মার্ডার মামলায় গ্রেফতার আসামি সৌমেন রায় হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে।

আসামি সৌমেনের জবানবন্দি রেকর্ড শেষে তাকে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

এর আগে নিহত আসমার মা কুমারখালী উপজেলার নাথুরিয়া গ্রামের আমির আলীর স্ত্রী হাসিনা খাতুন বাদি হয়ে কন্যা ও নাতি হত্যার অভিযোগে কুষ্টিয়া মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন।

এদিকে সোমবার (১৪ জুন) সকালে এএসআই সৌমের গুলিতে নিহত তিন জনের মরদেহের জানাজা শেষে দাফন সম্পন্ন হয়েছে নিহতদের নিজ গ্রামের কবরস্থানে।

নিহত আসমা খাতুন এএসআই সৌমেন রায়ের বিধিসম্মত বৈবাহিক স্ত্রী কিনা সে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানান মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নিশিকান্ত সরকার।

তিনি বলেন, আসমার পরিবার ও সৌমেনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে সৌমেন রায় আসমা খাতুনের ৩য় স্বামী, আসমার সাথে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত শিশু রবিন আসমার আগের স্বামীর সন্তান।

অন্যদিকে সৌমেন রায়ের বাড়িতে রয়েছে বিবাহিত স্ত্রী ও সন্তান। এই সব ঘটনাগুলোর মধ্যে কার সাথে কি ধরনের সম্পর্ক এবং টানাপোড়েনই বা কিভাবে সৃষ্টি হয়েছে ? যার কারণে এই হত্যাকাণ্ড এর সবকিছুই বিবেচনায় নিয়ে আমরা তদন্ত শুরু করেছি। এছাড়া অন ডিউটি বা দাপ্তরিক অনুমোদন ছাড়া একজন পুলিশ সদস্য সরকারি অস্ত্র নিয়ে খুলনা থেকে কুষ্টিয়াতে এসে কিভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে ? সে বিষয়ে কার কতটুকু দায় বা অবহেলা ছিলো তার সবকিছু খুঁটিনাটি বিশ্লেষণসহ তদন্ত করতে কুষ্টিয়া ও খুলনা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন কুষ্টিয়া অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুস্তাফিজুর রহমান।

আগামী ৩ কার্যদিবসের মধ্যে কমিটিকে তদন্ত শেষ করে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে।

উল্লেখ্য, রবিবার(১৩ জুন) সকালে কুষ্টিয়া শহরের কাস্টম মোড়ে প্রকাশ্যে দাবিকৃত নিজের স্ত্রী ও শিশুসহ তিনজনকে গুলি করে হত্যা করেন খুলনার ফুলতলা থানায় কর্মরত পুলিশের এএসআই সৌমেন রায়। ওই ঘটনায় নিহতরা হলেন- কুমারখালী উপজেলার সাওতাগ্রামের বাসিন্দা মেজবার খানের ছেলে বিকাশ কর্মী শাকিল খান, নাতুরিয়া বাশগ্রামের বাসিন্দা আমির আলীর কন্যা আসমা খাতুন এবং নিহত আসমার শিশু রবিন(৭)।


আরও খবর