আজঃ সোমবার ০৮ মার্চ ২০২১
শিরোনাম

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে পতনের মধ্য দিয়ে লেনদেন চলছে

প্রকাশিত:সোমবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ১২৬জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস সোমবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচকের বড় পতনের মধ্য দিয়ে লেনদেন চলছে।

লেনদেন শুরুর এক ঘণ্টা পর অর্থাৎ বেলা ১১টায় ডিএসইর সাধারণ সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের চেয়ে ৫৪ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৪২১ পয়েন্টে অবস্থান করে। ডিএসই শরীয়াহ্ সূচক ১১ পয়েন্ট এবং ডিএসই-৩০ সূচক ২৮ পয়েন্ট কমে যথাক্রমে ১২৩০ ও ২১৭৭ পয়েন্টে রয়েছে। এ সময়ের মধ্যে লেনদেন হয়েছে ১৩৭ কোটি ৩৭ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট।

সোমবার এ সময়ে লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ২৯টির, কমেছে ১৮০টির এবং অপরির্বতিত রয়েছে ৭০টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।

বেলা ১১টা পর্যন্ত লেনদেনের শীর্ষে থাকা ১০ কোম্পানি হলো- বেক্সিমকো লিমিটেড, রবি, বিএটিবিসি, লংকাবাংলা, বেক্সিমকো ফার্মা, ওয়ালটন হাইটেক, বিকন ফার্মা, মীর আকতার, লাফার্জ হোলসিম ও স্কয়ার ফার্মা।

এর আগে লেনদেন শুরুর প্রথম ১০ মিনিটে ডিএসইর সূচক কমে ১৫ পয়েন্ট। এরপর ১০টা ২০ মিনিটে সূচক আগের অবস্থান থেকে ১০ পয়েন্ট কমে যায়। এরপর সূচকের গতি নিম্নমুখী দেখা যায়। সকাল ১০ টা ৪৫ মিনিটে সূচক আগের দিনের চেয়ে ৪৮ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৪২৯ পয়েন্টে অবস্থান করে।

অপরদিকে, লেনদেন শুরুর এক ঘণ্টা পর বেলা ১১টায় চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সিএএসপিআই সূচক ৯০ পয়েন্ট কমে ১৫ হাজার ৭৩০ পয়েন্টে অবস্থান করে। এরপর সূচকের গতি ঊর্ধ্বমুখী দেখা যায়।

এদিন বেলা ১১টা পর্যন্ত সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৪ কোটি ৩৫ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট। এ সময়ে ১৭টি কোম্পানির দাম বেড়েছে, কমেছে ৩৯টি কোম্পানির দর। অপরিবর্তিত রয়েছে ১৩টি কোম্পানি শেয়ারের দর।

Share

আরও খবর
স্বর্ণের দাম আরেক দফা কমলো

শনিবার ০৬ মার্চ ২০২১




বিশ্বজুড়ে মৃত্যু প্রায় পৌনে ২৫ লাখ

প্রকাশিত:রবিবার ২১ ফেব্রুয়ারী 20২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ ফেব্রুয়ারী 20২১ | ৭০জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বিশ্বব্যাপী প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। এ পর্যন্ত করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১ কোটি ১৬ লাখ ৫৩ হাজার ৯৪১ জনে। এর মধ্যে মারা গেছেন ২৪ লাখ ৭২ হাজার ৩৮১ জন। আর ৮ কোটি ৬৮ লাখ ১৯ হাজার ৫ জন সুস্থ হয়েছেন।

রবিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় আন্তর্জাতিক পরিসংখ্যানভিত্তিক ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডওমিটার থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

ওয়ার্ল্ডওমিটারের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৫ লাখ ৯ হাজার ৮৭৫ জন মারা গেছেন। বিশ্বে সর্বোচ্চ আক্রান্তের সংখ্যাও এই দেশটিতে। এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে ২ কোটি ৮৭ লাখ ৬ হাজার ৪৭৩ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ১ কোটি ৮৮ লাখ ৯৯ হাজার ২৭২ জন।

যুক্তরাষ্ট্রের পর মৃত্যু বিবেচনায় করোনায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ ব্রাজিল। আক্রান্তের দিক থেকে তৃতীয় স্থানে থাকলেও মৃত্যু বিবেচনায় দেশটির অবস্থান দ্বিতীয়। লাতিন আমেরিকার এই দেশটিতে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ১ কোটি ১ লাখ ৩৯ হাজার ১৪৮ জন। তাদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ২ লাখ ৪৬ হাজার ৬ জনের। সুস্থ হয়েছেন ৯০ লাখ ৬৭ হাজার ৯৩৯ জন।

এদিকে আক্রান্তের দিক থেকে দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসা ভারত মৃত্যু বিবেচনায় আছে তৃতীয় স্থানে। এ পর্যন্ত দেশটিতে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ১ কোটি ৯ লাখ ৯১ হাজার ৬৫১ জন। তাদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ১ লাখ ৫৬ হাজার ৩৩৯ জনের। আর সুস্থ হয়েছেন ১ কোটি ৬ লাখ ৮৯ হাজার ৭১৫ জন।

করোনাভাইরাসে আক্রান্তের দিক থেকে রাশিয়া চতুর্থ স্থানে রয়েছে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪১ লাখ ৫১ হাজার ৯৮৪ জন। মারা গেছেন ৮২ হাজার ৮৭৬ জন। আর সুস্থ হয়েছেন ৩৬ লাখ ৯৭ হাজার ৪৩৩ জন।

আক্রান্তের দিক থেকে পঞ্চম স্থানে থাকা যুক্তরাজ্যে এখন পর্যন্ত করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ৪১ লাখ ৫ হাজার ৬৭৫ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন ১ লাখ ২০ হাজার ৩৬৫ জন। আর ২৩ লাখ ৩১ হাজার ১ জন সুস্থ হয়েছেন।

এদিকে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের তালিকায় ফ্রান্স ষষ্ঠ, স্পেন সপ্তম, ইতালি অষ্টম, তুরস্ক নবম ও জার্মানি দশম স্থানে আছে। আর বাংলাদেশের অবস্থান ৩৩তম।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। দেশটিতে করোনায় প্রথম রোগীর মৃত্যু হয় ২০২০ সালের ৯ জানুয়ারি। ওই বছরের ১৩ জানুয়ারি চীনের বাইরে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় থাইল্যান্ডে। পরে ধীরে ধীরে বিভিন্ন দেশে করোনা ছড়িয়ে পড়ে।

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের পরিপ্রেক্ষিতে গত বছরের ৩০ জানুয়ারি বৈশ্বিক স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। গত ২ ফেব্রুয়ারি চীনের বাইরে করোনায় প্রথম কোনো রোগীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটে ফিলিপাইনে। এরপর গত ১১ মার্চ করোনাকে বৈশ্বিক মহামারি ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

Share

আরও খবর



আজ নিউজিল্যান্ডের উদ্দেশে দেশ ছাড়বে জাতীয় ক্রিকেট দল

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ৯০জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আজ (মঙ্গলবার) বিকেলে সিঙ্গাপুর এয়ারওয়েজে চড়ে নিউজিল্যান্ডের উদ্দেশে দেশ ছাড়বে জাতীয় ক্রিকেট দল। সেখানে তিনটি করে ওয়ানডে আর টি-টোয়েন্টি খেলবে টাইগাররা। তবে ভিনদেশি কন্ডিশনের জন্য এবার দেশ থেকে নিজেদের সেভাবে প্রস্তুত করে যেতে পারছে না বাংলাদেশ। বিদেশ সফরের আগে দেশের মাটিতে তেমন কোনো অনুশীলনও হয়নি।

গত ১৪ ফেব্রুয়ারি ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাথে টেস্ট সিরিজ শেষ হওয়ার পর এক সপ্তাহ বিশ্রামে ছিলেন তামিম, মুশফিক, লিটন, সৌম্য, মিরাজ ও মোস্তাফিজ। তাই নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে লড়ার আগে তাদের মাঠেই প্রস্তুতি নিতে হবে টাইগারদের। সেখানে অন্তত দুই সপ্তাহের বেশি সময় অনুশীলন করবে বাংলাদেশ দল। সে জন্যই আগে যাওয়া।

আগামী ২০ মার্চ থেকে শুরু হবে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ। প্রথম ওয়ানডে হবে ডানেডিনে। এরপর ২৩ মার্চ ক্রাইস্টচার্চে দ্বিতীয় ওয়ানডে। শেষ ওয়ানডেটি ২৬ মার্চ ওয়েলিংটনে। ওয়ানডে সিরিজ শেষে ২৮ মার্চ টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরু হবে হ্যামিলটনে। দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচটি হবে নেপিয়ারে ৩০ মার্চ। সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি হবে ১ এপ্রিল অকল্যান্ডে।

১ এপ্রিল তৃতীয় টি-টোয়েন্টি শেষে দেশে ফিরবে বাংলাদেশ দল। ইনজুরি ও ব্যক্তিগত কারণে এই সফরে যাচ্ছেন না সাকিব আল হাসান। এর আগে ২০১৯ সালের ১৫ মার্চ ক্রাইস্টচার্চের একটি মসজিদে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার হাত থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পায় বাংলাদেশ দল। সেই ঘটনার পর এবারই প্রথম নিউজিল্যান্ড সফরে যাচ্ছে টাইগাররা।

Share

আরও খবর



সবাই নজরদারিতে আছেন: ওবায়দুল কাদের

প্রকাশিত:বুধবার ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ১৭১জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
কে কোথায়, কখন কী করছেন সবাই নজরদারিতে আছেন। শিগগিরই তাদের বিরুদ্ধে আগামী কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটির সভায় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গুটিকয়েক লোক শৃঙ্খলাবিরোধী কাজ করলে দল তার বোঝা নেবে না

দলে যে কোনো পর্যায়ে শেখ হাসিনা ছাড়া কেউ অপরিহার্য নয় বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। 

ওবায়দুল কাদের তার সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বুধবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় একথা জানান তিনি।

দলের শৃঙ্খলাবিরোধী কার্যকলাপে কেউ জড়িত থাকলে যত বড়ই নেতা হোক, কেউ পার পাবে না উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, কে কোথায়, কখন কী করছেন সবাই নজরদারিতে আছেন। শিগগিরই তাদের বিরুদ্ধে আগামী কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটির সভায় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গুটিকয়েক লোক শৃঙ্খলাবিরোধী কাজ করলে দল তার বোঝা নেবে না।

ওবায়দুল কাদের ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের নেতাদের উদ্দেশ্যে বলেন, নিজের অবস্থান ভারী করার জন্য পকেট কমিটি বরদাশত করা হবে না। সম্মেলনের মাধ্যমে তৃণমূল থেকে পর্যায়ক্রমে থানা পর্যন্ত কমিটি গঠন করতে হবে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাম্প্রদায়িক অপশক্তিকে পরাজিত করে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সবাইকে ঐকবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, দলের ত্যাগীদের মূল্যায়ন করতে হবে। তারাই দুঃসময়ে দলের সঙ্গে থাকবে, বসন্তের কোকিলদের খুঁজেও পাওয়া যাবে না। বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অর্জনের ধারা অব্যাহত রাখতে হলে শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় থাকতে হবে। আওয়ামী লীগ একটি পরিবার, যারা এই পরিবারের ঐক্যে ফাটল ধরাবে তাদের কোনোভাবেই ক্ষমা করা হবে না।

দলের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কোনো বক্তব্য বা দ্বিমত থাকলে তা দলীয় ফোরামে আলোচনা করতে হবে, তাতেও সমাধান না হলে লিখিতভাবে সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে জমা দিতে হবে।

ওবায়দুল কাদের আরো বলেন, দলের জেলা, উপজেলা, থানা পর্যায়ের যে কোনো কমিটি কেন্দ্রের অনুমতি ছাড়া বাতিল করা যাবে না।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফীর সভাপতিত্বে বর্ধিত সভায় আরো বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির প্রমুখ।

নিউজ ট্যাগ: ওবায়দুল কাদের
Share

আরও খবর



‘রাষ্ট্রের উন্নয়নে প্রত্যেক কর্মকর্তাকে সর্বোচ্চ যোগ্যতার বহিঃপ্রকাশ ঘটাতে হবে’

প্রকাশিত:সোমবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ২৮৯জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি বলেছেন, রাষ্ট্রের উন্নয়নে প্রত্যেক কর্মকর্তাকে সর্বোচ্চ যোগ্যতার বহিঃপ্রকাশ ঘটাতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের উন্নয়নের অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রাকে আরো গতিশীল করার জন্য সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা থাকতে হবে। কর্মক্ষেত্রে মেধা ও প্রজ্ঞা দিয়ে যেকোন সংকট মোকাবেলা করতে হবে। গুণগত মানসম্পন্ন কর্মকর্তা হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে হবে। অর্পিত দায়িত্ব নিষ্ঠার সাথে পালন করতে হবে।

সোমবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মৎস্য ভবনে মৎস্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে ৩৮তম বিসিএস (মৎস্য) ও বিসিএস (লাইভস্টক) ক্যাডারের নবনিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী নবীন কর্মকর্তাদের মন্ত্রী এসব নির্দেশনা দেন।

তিনি অরো বলেন, দেশের উন্নয়নে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের অনেক অবদান আছে। পুষ্টি চাহিদা পূরণের মাধ্যমে মানুষের গড় আয়ু বৃদ্ধি করা, বেকারত্ব দূর করা, উদ্যোক্তা তৈরি, গ্রামীন অর্থনীতিকে সচল রাখাসহ রপ্তানির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে এ খাতের ভূমিকা রয়েছে। দেশের জন্য মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের প্রয়োজনীয়তা অনেক বেশি। এ খাতে কর্মকর্তাদের কাজের ক্ষেত্র ও সুযোগ অনেক বেশি।

নবীন কর্মকর্তাদের উদ্দেশে মন্ত্রী আরো যোগ করেন, দেশের সেবায় নিজেদের নিবেদন করতে হবে। সব সময় নিজের মধ্যে দেশাত্মবোধ ধারণ করতে হবে। মনে রাখতে হবে দেশ আমাদের আনেক কিছু দিয়েছে। এ রাষ্ট্রের কৃষক, শ্রমিক, মজুর ও মেহনতি মানুষের ট্যাক্সের টাকায় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে আপনারা লেখাপড়া করেছেন। সে মানুষদের ভুলে গেলে চলবে না। এ মানুষদের জন্য, দেশের জন্য কাজ করা আপনাদের দায়িত্ব।

এসময় মন্ত্রী আরো বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাংলাদেশকে সমুন্নত রাখতে জঙ্গীবাদ, স্বাধীনতাবিরোধী চিন্তা-চেতনা, অনৈতিকতা ও অনিয়মের সাথে কোনভাবেই সম্পৃক্ত হওয়া যাবে না। দেশ স্বাধীন না হলে আপনারা কর্মকর্তা হতে পারতেন না। নিজের মধ্যে দেশপ্রেম রাখতে গেলে আসম্প্রদায়িক বাংলাদেশকে ধারণ করতে হবে। যে বাংলাদেশের স্বপ্ন বঙ্গবন্ধু দেখেছিলেন, ত্রিশ লক্ষ মুক্তিযোদ্ধারা দেখেছিলেন। এ বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে আমাদের সকলকে অসাম্প্রদায়িক চিন্তা-চেতনা ধারণ করতে হবে। সাম্প্রদায়িকদার বিষবাষ্প যারা ছড়ায়, যারা অনিয়ম করে, যারা দুর্নীতিবাজ তাদের থেকে দূরে থাকতে হবে। পেশাগত জীবনের ভিত্তি স্থাপনে ইস্পাতকঠিন মানসিকতা ধারণ করতে হবে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদান করেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডাঃ আবদুল জব্বার শিকদার ও মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী শামস্ আফরোজ। মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শাহ্ মোঃ ইমদাদুল হক অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন। মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার, সুবোল বোস মনি ও মোঃ তৌফিকুল আরিফসহ মন্ত্রণালয়, মৎস্য অধিদপ্তর ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এসময় উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে নবীন কর্মকর্তাদের মধ্য থেকে লাইভস্টক ক্যাডারের ডা. মোঃ মামুনুর রহমান এবং মৎস্য ক্যাডারের কে এম মাহফুজুর রহমান ও শতাব্দী রায় অনুভূতি ব্যক্ত করেন। উল্লেখ্য ৩৮তম বিসিএস এ মৎস্য ক্যাডারে ১৯ জন এবং লাইভস্টক ক্যাডারে ৮৩ জন কর্মকর্তা যোগদান করেন।

Share

আরও খবর



সিরিয়ায় যুদ্ধে লাখো মানুষ এখন পর্যন্ত নিখোঁজ রয়েছেন : জাতিসংঘ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ মার্চ 2০২1 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০২ মার্চ 2০২1 | ৮৪জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিরিয়ায় সক্রিয় সব পক্ষই মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে প্রতিপক্ষকে শাস্তি দেওয়ার জন্য।

সিরিয়ায় এক দশকের যুদ্ধকালে অবৈধভাবে আটকের পর লাখো মানুষ এখন পর্যন্ত নিখোঁজ রয়েছেন। জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিল এমন তথ্য জানিয়েছে। বিবিসির খবরে এ কথা বলা হয়েছে।

এ ছাড়াও কয়েক হাজার ব্যক্তি হয় নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বা নিরাপত্তা হেফাজতে থাকার সময়েই মারা গেছেন। দেশটির গৃহযুদ্ধকালীন যুদ্ধাপরাধ বা মানবতাবিরোধী অপরাধ বিষয়ে নতুন এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য দিয়েছে জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিল।

যুদ্ধের ভুক্তভোগী ও অনেক প্রত্যক্ষদর্শী পরিস্থিতিকে বর্ণনা করেছেন অকল্পনীয় দুর্ভোগ হিসেবে, যার মধ্যে ছিলো মাত্র ১১ বছর বয়সী ছেলে-মেয়েদের ধর্ষণের মতো ঘটনাও।

জাতিসংঘের প্রতিবেদনে সিরিয়ার পরিস্থিতিকে জাতীয় ট্রমা আখ্যা দিয়ে এর থেকে পরিত্রাণের উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

২০১১ সালে সিরিয়ায় প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদ বিরোধী এক বিক্ষোভের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী ব্যবস্থা নেওয়ার মধ্য দিয়ে দেশটিতে যে সংঘাতের শুরু হয় সেটিই পরে গৃহযুদ্ধে রূপ নেয়, যা এখনও চলছে।

এক দশকের এই সংঘাতে কমপক্ষে তিন লাখ ৮০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে এবং দেশটির অর্ধেক জনগোষ্ঠীই বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে গেছে। বিভিন্ন দেশে শরণার্থী হিসেবে আশ্রয় নিয়েছে সিরিয়ার অন্তত ৬০ লাখ মানুষ।

জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলের সিরিয়াবিষয়ক স্বাধীন আন্তর্জাতিক কমিশন এই তদন্ত প্রতিবেদন প্রস্তুত করেছে। প্রায় দুই হাজার ৬৫০ জনের সাক্ষ্য এবং একশর বেশি বন্দিশালার ঘটনার ওপর ভিত্তি করে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: সিরিয়ায় যুদ্ধ
Share

আরও খবর