আজঃ শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১
শিরোনাম

সপ্তমীর নবপত্রিকায় কার রূপ?

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১২ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১২ অক্টোবর ২০২১ | ৫০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

শারদ সকালের সপ্তমী। স্কুলের পড়ায় মনে নেই।মুখস্ত হচ্ছে না নামতা। তবে মণ্ডপে দুর্গাঠাকুরের চারপাশে কে কে দাঁড়িয়ে আছে, সেটা আর কষ্ট করে মুখস্থ করতে হয়নি। এমনিতেই মুখস্থ হয়ে দাঁড়িয়ে গেছে মনের মধ্যে।

এদিকে মণ্ডপের ঢাকঢোলে, ভাণ্ড সানাইয়ে মুখর বাংলাভূমি। মুখর আমাদের চারপাশ। মুখর বাঙালির মন।

সাথে ধুপের গন্ধে শিশিরভেজা সকালটা হয়ে উঠছে স্নিগ্ধ আর মায়াময় উৎসবের। চণ্ডীপাঠ শুনতে শুনতে শৈশবে যে ছবিটা মনে দাঁড়িয়ে যায় সেই ছবিটি আর কোনোদিন বদলে যায়নি।

২.সিংহের পিঠে চড়ে দেবী মহিষের রূপধারণ করা এক অসুরের সঙ্গে যুদ্ধ করছেন।

এখন এই ছবিটি আরো স্পষ্ট। আকাশের তারার মধ্যে মহিষাসুর বধের দৃশ্য খুঁজে পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। দেখেছেন, রক্তবর্ণ বৃষের চোখ। মুখোমুখি এক বিশাল আকারের সিংহ আর এক নারীমূর্তি। যার হাতের কাছাকাছি নানা অস্ত্র।

বিজ্ঞান খুঁজে পেয়েছে, পুরাণের কথাগুলো নিছক গল্প নয়। সেই যুগের চিন্তাধারার সাথে যোগসূত্র খুঁজে পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। দেখেছেন, সিংহ আর মহিষদলের তারামণ্ডলী, যা দেখেই প্রাচীনকাল থেকে নানারূপে কল্পনা করা হয়েছে।

খ্রিস্টপূর্বাব্দ তিনশ সময় নাগাদ সুমেরু অঞ্চলের সিলমোহর ও একটি পাত্রের গায়ে যে ছবিটি বেশি দেখা যায়, সেটা একটি সিংহের হাতে একটি মহিষের মৃত্যু। সন্ধ্যার আকাশে শেষবারের মতো তাকালে দেখা যায়, সিংহ তারামণ্ডলী। মনে হবে এই সিংহটিই বৃষটিকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিচ্ছে। মোট কথা, তারামণ্ডলীর সঙ্গে মিলিয়ে দেখলে দেখা যাবে, সিংহের ওপর বসে দুর্গা মহিষাসুর বধের ছবিটি।

তারামণ্ডলী থেকে এই এক অসম্ভব রূপকল্পনা!

বাঙালির দশভূজার সঙ্গে মিল পেয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। কন্যা, সিংহ, বৃষসহ নক্ষত্রমণ্ডলীর মধ্যেই দেবী দুর্গা মহিষাসুরমর্দিনী রূপের প্রতিচ্ছবি। কৃষিভিত্তিক জীবনের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলো চিহ্নিত করাই ছিল পুরাণের প্রথম প্রেরণা।

৩. প্রাণে আনন্দ জেগে ওঠা সকালে পুরোহিত মহাশয় চলেছেন নদীর ঘাটে। কাঁধে নবপত্রিকা। নদী বা জলাশয়ে দেবীর প্রতীকরূপে নবপত্রিকাকে স্নান করাবেন।

এই নবপত্রিকা নামটা শুনেলেই মনে মায়া জেগে ওঠে। দুর্গাপূজা মহারম্ভের দিন, মানে সপ্তমীতে প্রকৃতির বৃক্ষ-লতার সাথে দেবী দুর্গা একাত্ম হবেন আজ। সেজন্যই নবপত্রিকা দিয়ে মহারম্ভ, যা ভেজিটেশন ডিইটি হিসেবে দেবীর প্রায়রিটি হয়ে দাঁড়ায়।

সপ্তমী হলো দুর্গাদেবীর সঙ্গে শস্যদেবীকে মিলিয়ে নেবার সচেতন প্রচেষ্টা।

তাই, নদী বা জলাশয়ে নবপত্রিকাকে স্নানের ভেতর দিয়ে দেবীকে জাগ্রত করা হয়। যার ভেতর দিয়ে অবশেষ রচনা হয়ে যায় ষষ্ঠী আর বোধনের।

৪. নবপত্র বা নবপত্রিকা মানে নয়টি গাছের পাতা।

তবে পূজার নবপত্রিকা নয়টি পাতা নয়, নয়টি উদ্ভিদ। নয়টি উদ্ভিদ দেবীর নয়টি বিশেষ রূপের প্রতীক। আবার নবপত্রিকা নয়জন প্রভাবশালী দেব-দেবীকেও চিহ্নিত করে, বোঝায়। 

কলা, কচু, মানকচু, হলুদ, জয়ন্তী, বেল, ডালিম, অশোক ও ধান। এই নয়টির মধ্যে প্রধান উদ্ভিদ কলাগাছ, যা ফার্টিলিটি আর ভেজিটেশনের প্রতীক। দেবীর সঙ্গে একাত্মতায় কলা গাছ বাঙালি মায়ের কোটি কোটি সন্তানের মা-প্রতীক হয়ে যান।

অন্য আটটি উদ্ভিদের সঙ্গে কচু। এটা মুখী কচু। ফলন হয় ভাদ্রের শেষে আশ্বিনের শুরুতে। দরিদ্র মানুষের খাবারের ব্যবস্থা হয়ে যায় কচুতে। আরেকটি মানকচু। বর্ষার পরে শরতের রোদে এটাও সুস্বাদু। ফলের মধ্যে আছে বেল আর দাড়িম্ব।

বেলগাছ ও বেলপাতা শিব ও পার্বতীর প্রিয়তম। স্বয়ং ব্রহ্মা দেবীর বোধন করেছিলেন বেলতলায়।

সেই প্রথা এখনো চলমান। যোগিনীতন্ত্রের কাহিনীতে বলা হয়েছে, নারায়ণের অনেক স্ত্রীর মধ্যে থেকে প্রিয়তমা হওয়ার ইচ্ছায় বেলতলায় শিবের আরাধনা করে শিবের সন্তুষ্টিতে নারায়ণের বক্ষলগ্না হয়েছিলেন লক্ষ্মী। তাই, শিবের অধিষ্ঠান ক্ষেত্র এই বেলতলা। বেলের তিনপত্রের মধ্যে উপপত স্বয়ং শিবরূপে বন্দিত। সেজন্যই শিব বেলপাতার পূজায় খুশি হন। বেলতলা শিবের প্রিয় হওয়ার কারণে শিবজায়া শিবানীরও খুব প্রিয় এই স্থান। তাই, বেলতলায় দেবীদুর্গার বোধন।

আরো একটি কারণ মনে করিয়ে দেব।

বৈদিক যুগে কাঠে কাঠ ঘষে আগুন জ্বালানো হতো, বলা হতো অরণী। শমী ও অশত্থ বৃক্ষের কাঠ ব্যবহার হতো অরণী রূপে। বাংলাভূমিতে শমীকাঠ ছিল অত্যন্ত বিরল। এই কাঠের অভাব পূরণ করে বেল। মানে বেলকাঠে আগুনের অবস্থান। দেবী দুর্গা যেহেতু স্বয়ং অগ্নিস্বরূপা সেজন্য দুর্গা আরাধনায় বেলবৃক্ষের অতি কদর।

পরের ফলটির নাম দাড়িম্ব, মানে ডালিম। আশ্বিন থেকে অগ্রহায়ণ পর্যন্ত ফলন হয়। ফলটি শক্তি ও রক্তবর্ধক। একটা গাছে বহু জন্মায়।

পুষ্পবৃক্ষের মধ্যে আছে জয়ন্তী এবং অশোক। দুটি বৃক্ষই মহৌষধ হিসেবে পরিচিত প্রচীন আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে। জয়ন্তী বৃক্ষের নামটিই তো দেবীর নামে রাখা। দেববৃক্ষ। জয়ন্তীর বীজ বহু ওষুধের উপাদান। শক্তি ও উত্তেজনা বাড়ানোর পাশাপাশি নারীদের রোগ সারাতে জয়ন্তীর বহুগুণের কথা আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে ধরা আছে।

জয়ন্তীর ফলন হয় আশ্বিনের শেষে।

এবার হলুদের কথা। হরিদ্রা বা হলুদ। কাঁচা বা পাকা হলুদ খুবই দরকারি ভেষজ। সে কারণেই নবপত্রিকার অন্যতম উপকরণ হলুদ। আর, ধান হলো লক্ষ্মীর প্রতীক।

জগতের সকল ওষধি ও উদ্ভিদের মাধ্যমে সকল জীবকে আহার্য ও নিরাময় দান করেন।

নবপত্রিকা তারই প্রতীক বা প্রতিনিধি।

এই অতি দরকারি নয়টি ভেষজ এবং বৃক্ষ ভগবতী দুর্গার নয়টি রূপ। ফল-ফুল অধিষ্ঠাত্রী দুর্গাকে প্রণাম জানানো হয়, নবপত্রিকা বাসিন্যৈ নবদুর্গায়ৈ নমঃ

নবপত্রিকা অনেকের মতে কুলবৃক্ষ নামেও পরিচিত। শক্তানন্দ তরঙ্গিনী গ্রন্থ থেকে জানতে পারি, যোগিনীরা সব সময় এই কুলবৃক্ষে বাস করেন। তন্ত্রশাস্ত্রে তাই একে কল্পবৃক্ষ বলা হয়।

৫. সকাল থেকে মণ্ডপে মণ্ডপে পূজারীদের ভক্তিপূর্ণ চলাচল।

ওদিকে পুরোহিত মহাশয়ের পেছনে হাঁটছেন বাদক দল। ঢাকের শব্দে মিশে যাচ্ছে একদল নারীর শঙ্খ আর উলুধ্বনি। প্রথমে নদীতে শাস্ত্রবিধির স্নান। এরপর চারা কলাগাছের সাথে আটটি সমূল সপত্র উদ্ভিদ একজোড়া বেলসহ শ্বেত অপরাজিতার লতা বেঁধে দেবেন পুরোহিত মহাশয়। এরপর জড়ানো হবে লালপাড়ের সাদা শাড়ি। এমনভাবে জড়ানো হবে, যেন চারা কলাগাছটা ঘোমটা দেওয়া বৌয়ের রূপ ধারণ করে। মানে, নবপত্রিকার হয়ে যাবে কলাবৌ।

৬. নবপত্রিকা স্নানের পর মহাস্নান।

মহাস্নান মহাষ্টমী ও মহানবমীর দিনও মূল অনুষ্ঠান শুরুর আগে অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিমার সামনে একটি আয়না রেখে সেই আয়নায় প্রতিফলিত প্রতিমার প্রতিবিম্বে স্নান করানো হয়।

মহাস্নানে শুদ্ধজল, নদীর জল, শঙ্খজল, গঙ্গাজল, উষ্ণ জল, সুগন্ধি জল, পঞ্চগব্য, কুশ ঘাসে ফোটানো জল, ফুল দিয়ে ফোটানো জল, ফলের জল, মধু-দুধ-নারকেলের জল, আখের রস, তিলের তেল, বিষ্ণু তেল, শিশিরের জল, রাজদ্বারের মাটি, চৌমাথার মাটি, বৃষশৃঙ্গমৃত্তিকা, গজদন্তমৃত্তিকা, বেশ্যাদ্বারমৃত্তিকা, নদীর দুই তীরের মাটি, গঙ্গামাটি, সব তীর্থের মাটি, সাগরের জল, ঔষধি মেশানো জল, বৃষ্টিজল, সরস্বতী নদীর জল, পদ্মের রেণু মেশানো জল ও ঝরনার জলে দুর্গাকে স্নান করানো হয়। এই মহাস্নানের মধ্য দিয়ে সব ধরনের সম্পদের সুরক্ষার জন্য প্রার্থনা চলে।

প্রার্থনা প্রকাশ পায় সর্বভূতে দেবীরই অধিষ্ঠান। আর, মহাস্নানে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে বিশ্বসংহতি ও অসাম্প্রদায়িকতার সমন্বয়বার্তায় ফুটে ওঠে সমাজের কল্যাণ।

৭ . নদীর ঘাট থেকে চলে এসেছেন পুরোহিত মহাশয়। এরইমধ্যে পৌঁছে গেছেন মণ্ডপে।

কলাবৌয়ের কপালে তেল-সিঁদুর দিয়ে প্রকট করা হয়েছ এয়োতির চিহ্ন। এবার নবপত্রিকাকে দেবীর ডান দিকে আর গণেশ ঠাকুরের বাম পাশে বসিয়ে দেন কাঠের আসনে।

তখনই গজ-নিমিলিত চোখে গণেশ ঠাকুর ভাবলেন, মায়াবতী মা নিশ্চয়ই আমার জন্যে বৌ খুঁজে এনেছেন। গণেশ ঠাকুরের এই ধারণা স্পষ্ট হয় কলাবৌকে তাঁর বাম দিকে রাখার কারণে। বাম দিকেই স্ত্রীর অবস্থান, বামাবতী

আবেগপ্রবণ বাঙালির কাছে তাই নবপত্রিকার চারাকলাগাছটি হয়ে যায় গণেশ ঠাকুরের বৌ।

তাই হয়তো নাতি-পুতির মুখ দেখার আশায় শঙ্কর-মহাদেব স্ত্রী দুর্গাকে একসময় বলেই ফেললেন, ও গণেশের মা, কলাবৌকে দাগা দিও না। ওর একটি মোচা ফললে পরে, অনেক হবে ছানাপোনা


আরও খবর
আজ শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা

বুধবার ২০ অক্টোবর ২০21

আজ শ্রী শ্রী লক্ষ্মীপূজা

বুধবার ২০ অক্টোবর ২০21




ট্রাক্টর-ভ্যান সংঘর্ষে নীলফামারীতে শিশুসহ নিহত ২

প্রকাশিত:রবিবার ১০ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১০ অক্টোবর ২০২১ | ৫৫৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

নীলফামারীর ডোমার উপজেলায় ট্রাক্টর ও ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে শিশুসহ দুজন নিহত হয়েছে। এ সময় আহত হয়েছেন আরও দুজন।

শনিবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার বোড়াগাড়ি-গোমনাতি সড়কের পাঠানপাড়ায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন উপজেলার বামুনিয়া ইউনিয়নের ময়দানপাড়া এলাকার আবুল হোসেন (৫৫) এবং নীলফামারী সদর উপজেলার রামগঞ্জ এলাকার নুরনবী ইসলামের আট মাসের কন্যাশিশু সাবিহা সুলতানা।

ডোমার থানার ওসি সাইফুল ইসলাম জানান, সন্ধ্যায় গোমনাতি থেকে ভ্যানটি যাত্রী নিয়ে ময়দানপাড়া যাচ্ছিল। পথে উপজেলার বোড়াগাড়ি-গোমনাতি সড়কের পাঠানপাড়ায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাক্টরের সঙ্গে ওই ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই শিশু সাবিহার মৃত্যু হয়।

গুরুতর আহত ভ্যানচালক আবুল হোসেন, সাবিহার মা সুবর্ণা বেগম ও তার নানি মালেকা বেগমকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় দায়িত্বরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। রংপুর নেওয়ার পথে ভ্যানচালক আবুল হোসেন মারা যান।

নিউজ ট্যাগ: সড়ক দুর্ঘটনা

আরও খবর
চা-চাষে সম্ভাবনার দুয়ার খুলেছে নীলফামারীতে

বৃহস্পতিবার ০৭ জানুয়ারী ২০২১




একরাশ স্বস্তি নিয়ে ওমানের বিমানে উঠছে বাংলাদেশ

প্রকাশিত:রবিবার ০৩ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ অক্টোবর ২০২১ | ৪৪৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

প্রাথমিক পর্ব শুরু ১৭ অক্টোবর, ক্যালেন্ডারের পাতা উল্টে হিসেব করলে এখনো বাকি দুই সপ্তাহ; কিন্তু টিম বাংলাদেশ এই ১৪ দিন আগেই যাবে ওমান। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রাথমিক পর্বের সত্যিকার প্রস্তুতিটাও হবে ওমানেই।

আর সে লক্ষ্যে আজ ৩ অক্টোবর রাতে শুরু হচ্ছে টাইগারদের বিশ্বকাপ যাত্রা। রবিবার রাত ১০টা নাগাদ চার্টার্ড ফ্লাইটে করে ওমানের রাজধানী মাসকাটের উদ্দেশ্যে আকাশে উড়বে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দল।

করোনা নিয়ম মেনেই দেশ ছাড়ার আগে গতকাল কোভিড টেস্ট হয়েছে পুরো দলের। শনিবার রাত ১১টা পর্যন্ত মেইলে সবার কোভিড টেস্টের রিপোর্ট হাতে না আসায় বিসিবি প্রধান চিকিৎসক দেবাশীষ চৌধুরী আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করতে পারেননি।

আগামী ৪ অক্টোবর বিশ্রাম। ৫ অক্টোবর মঙ্গলবার থেকে ওমানে এক সপ্তাহের প্র্যাকটিস। তারপর ওমান দলের সাথে একটি প্রস্তুতি ম্যাচও হবে। আর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরুর আগে আইসিসির বেঁধে দেয়া দুটি অফিসিয়াল প্র্যাকটিস ম্যাচও খেলার সুযোগ পাবে টাইগাররা।

নিজ নিজ দেশে অবস্থানরত হেড কোচ রাসেল ডোমিঙ্গো, ব্যাটিং কোচ অ্যাশওয়েল প্রিন্স, পেস বোলিং কোচ ওটিস গিবসন, স্পিন কোচ রঙ্গনা হেরাথ, ফিল্ডিং কোচ রায়ান কুক, ফিজিও আর ট্রেনার সবাই ছুটি শেষে দলের সাথে যোগ দেবেন ওমানে। সেখানেই ৫ অক্টোবর শুরু মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ বাহিনীর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আনুষ্ঠানিক অনুশীলন।

অবশ্য তার আগে শেষ ৮/১০ দিন রিয়াদ, লিটন, সৌম্য, মুশফিক, সোহান, আফিফ, তাসকিনরা নিজেদের ঝালিয়ে নিয়েছেন মিরপুরে। শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ব্যক্তিগত উদ্যোগে অনেকেই অনুশীলন করেছেন। এর মধ্যে সোহান, তাসকিন ও আফিফরা ওমরাহও করে এসেছেন।

মাসকাট পৌঁছার ৪৮ ঘণ্টা পর সবাই মিলে লক্ষ্য ও পরিকল্পনা এঁটে ওমানের মাঠ ও পিচের সাথে মানিয়ে নেয়ার পর্ব শুরু হবে।


আরও খবর



লিবিয়ায় অভিবাসী-বিরোধী অভিযানে আটক ৪০০০

প্রকাশিত:রবিবার ০৩ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ অক্টোবর ২০২১ | ৪৩৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

অভিবাসী-বিরোধী ব্যাপক অভিযান শুরু করেছে উত্তর আফ্রিকার দেশ লিবিয়া। দেশটির পশ্চিমাঞ্চলে চালানোর এই অভিযানে চার হাজার অভিবাসীকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতদের মধ্যে শত শত নারী ও শিশুও রয়েছেন। লিবিয়ার কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে শনিবার (২ অক্টোবর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা।

প্রতিবেদনে সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার লিবিয়ার পশ্চিমাঞ্চলীয় গারগারেশ শহরে অভিবাসী-বিরোধী ব্যাপক এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। লিবীয় কর্তৃপক্ষের দাবি, নথিপত্রহীন অভিবাসন এবং মাদক পাচার প্রতিরোধ করতেই এই অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

অভিবাসী-বিরোধী এই অভিযানের নেতৃত্ব দেয় লিবিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তবে অভিযান চালিয়ে কোনো মানব পাচারকারী অথবা চোরাচালানকারীকে আটক করা হয়েছে বলে কোনো তথ্য সামনে আনেনি মন্ত্রণালয়টি।

শুক্রবার লিবিয়ার কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন, এই অভিযানের মাধ্যমে নথিপত্রহীন ৫০০ অভিবাসীকে আটক করা হয়েছে। কিন্তু শনিবার জানানো হয় আটককৃত অভিবাসীর সংখ্যা চার হাজারে পৌঁছেছে।

লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলি থেকে মাত্র ১২ কিলোমিটার (৭.৫ মাইল) পশ্চিমে অবস্থিত গারগারেশ শহরটি মূলত অভিবাসী ও শরণার্থীদের প্রাণকেন্দ্র। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সেখানে অভিবাসী-বিরোধী বেশ কয়েকটি অভিযান পরিচালনা হতে দেখা গেছে। কিন্তু সর্বশেষ এই অভিযানকে সবচেয়ে ভয়াবহ বলে বর্ণনা করেছেন মানবাধিকার কর্মীরা।

লিবিয়ায় নরওয়েজিয়ান রিফিউজি কাউন্সিলের ডিরেক্টর ড্যাক্স রক গত শুক্রবার দেওয়া এক বিবৃতিতে জানান, নারী ও শিশুসহ পাঁচ শতাধিক (শুক্রবারের হিসেব অনুযায়ী) অভিবাসীকে নির্বিচারে আটক করা হয়েছে। তারা নির্যাতন ও দুর্ব্যবহারের শিকার হতে পারেন।



আরও খবর



বিসিবি নির্বাচনের ভোটের লড়াই শুরু

প্রকাশিত:বুধবার ০৬ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৬ অক্টোবর ২০২১ | ৫৩৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
ক্যাটাগরি-২ থেকে পরিচালক নির্বাচিত হবেন সর্বমোট ১২ জন। এই ক্যাটাগরি থেকে বোর্ড পরিচালক হতে লড়বেন ১৫ জন। নির্বাচনের সবচেয়ে আকর্ষণ এই ক্যাটাগরিকে ঘিরে

আজ ৬ অক্টোবর শুরু হয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালনা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। সকাল ১০টায় শুরু হয়ে এই প্রক্রিয়া চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। ভোটগ্রহণ শেষে আজই জানা যাবে ফলাফল। কারা হচ্ছেন বিসিবির পরবর্তী পরিচালক, নাজমুল হাসান পাপন ফের বিসিবি সভাপতির চেয়ারে ফিরছেন কি না তার ইঙ্গিতও মিলবে আজ।

নির্বাচনের চল থাকলেও সেই জৌলুশ আর উত্তাপ ইদানিং লক্ষ্য করা যায় না। বিসিবির নির্বাচন উত্তাপ ছড়াবে না, এমন ভাবনা ছিল অনেকের। তবে দৃশ্যপট বদলেছে এবার। শেষ মুহূর্তে এসে অনেক প্রার্থী নির্বাচন থেকে নিজেদের নাম সরিয়ে নিলেও ভোটাভুটি হবে বেশ কয়েকটি ক্যাটাগরিতে।

সেই নির্বাচনের আমেজ কয়েকদিন আগেই শুরু হয়ে গেছে মিরপুরের বিসিবি ভবনে। ভোট দিতে আসা কাউন্সিলদের শেষ মুহূর্তের দৃষ্টি আকর্ষণে শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম সেজেছে প্রার্থীদের ব্যানার-ফ্যাস্টুনে। ২৩টি পরিচালক পদের বিপরীতে এবার ভোট হচ্ছে ১৪টি পদের জন্য।

যদিও ঢাকা বিভাগের ২টি পদের বিপরীতে চারজন প্রার্থীর মধ্যে বাকি দুই প্রার্থী সময়সীমার পর নির্বাচন থেকে নিজেদের গুটিয়ে নেওয়ায় নিয়মতান্ত্রিকভাবে সেখানেও পড়বে ব্যালটের ছাপ। বাকি ৭ পরিচালক নিজেদের বিভাগে প্রতিদ্বন্দ্বী না পাওয়ায় আগেই নির্বাচিত হয়েছেন।

নির্বাচনের আগের রাতে ক্যাটাগরি-২ (ঢাকা মেট্রোপলিটন ক্রিকেট ক্লাবস) থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন মডেল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ঐতিহ্যবাহী মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব লিমিটেডের কাউন্সিলর মাসুদুজ্জামান। তিনি সরে দাঁড়ানোতে ক্লাব ক্যাটাগরির ১২ পরিচালক পদের জন্য প্রার্থী এখন ১৫ জন।

ক্যাটাগরি-১ (আঞ্চলিক ও জেলা ক্রিকেট সংস্থার প্রতিনিধি ) থেকে ঢাকা বিভাগের সৈয়দ আশফাকুল ইসলাম টিটু (কিশোরগঞ্জ) নিজের নাম সরিয়ে নেন। এর আগে গত ৩ অক্টোবর ঢাকা বিভাগের আরেক প্রার্থী মোহাম্মদ খালিদ হোসেনও (মাদারীপুর) নিজেকে সরিয়ে নেন। ফলে এই ক্যাটাগরিতে ২টি পদের বিপরীতে প্রার্থী টিকে আছেন মাত্র দুজন। তারা হলেন- এ.এম নাঈমুর রহমান দুর্জয় এমপি (মানিকগঞ্জ) ও তানভীর আহমেদ টিটু (নারায়নগঞ্জ)।

বিসিবির নির্বাচনে এবার ভোটার সব মিলিয়ে ১৭১ জন। যেখানে আজ ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন ১০৯ জন। এবার সশরীরে বিসিবিতে এসে ভোট দিতে না পারলেও কাউন্সলিরদের ভোট দেওয়ার সুযোগ ছিল মেইল বা চিঠির মাধ্যমে। ইতোমধ্যে ই-ব্যালট প্রক্রিয়ায় অনেকেই নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। তবে সেই ভোটগুলো এখনো গণনা শুরু হয়নি। শুরু হবে বিকেল ৫টার পর।

ক্যাটাগরি-২ থেকে পরিচালক নির্বাচিত হবেন সর্বমোট ১২ জন। এই ক্যাটাগরি থেকে বোর্ড পরিচালক হতে লড়বেন ১৫ জন। নির্বাচনের সবচেয়ে আকর্ষণ এই ক্যাটাগরিকে ঘিরে। বাকিদের সঙ্গে এই ক্যাটাগরি থেকেই লড়বেন নাজমুল হাসান পাপন (আবাহনী লিমিটেড)। বাকিরা হলেন; গাজী গোলার মুর্তজা (গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স), নজিব আহমেদ (শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব), মাহবুব আনাম (মোহামেডান স্পোটিং ক্লাব), ওবেদ রশীদ নিজাম (শাইনপুকুর ক্লাব)।

সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া (ওল্ডডিওএইচএস স্পোর্টিং ক্লাব), সালাউদ্দিন চৌধুরী (কাকরাইল বয়েজ), ইসমাইল হায়দার মল্লিক (শেখ জামাল ক্রিকেটার্স), এনায়ের হোসেন (আজাদ স্পোর্টিং), মঞ্জুর হোসেন (ঢাকা এসেটস) আব্দুর রহমান (মিরপুর বয়েজ), রফিকুল ইসলাম (গাজী টায়ার্স ক্রিকেট অ্যাকাডেমি) এবং মনজুর আলম (আসিফ শিফা ক্রিকেট অ্যাকাডেমি)।

ক্যাটাগরি-৩ এ ভোটার সংখ্যা ৪৩ জন। যেখানে সাবেক অধিনায়ক, সাবেক ক্রিকেটার, বিভিন্ন সংস্থার ভোটাররা ভোট দিয়ে একজন পরিচালক নির্বাচিত করবেন। এই ক্যাটাগরিতে প্রতিদ্বন্দ্বীতা হবে দুই প্রার্থীর মধ্যে। খালেদ মাহমুদ সুজনের বিপক্ষে লড়বেন বিকেএসপির ক্রিকেট পরামর্শক নাজমুল আবেদীন ফাহিম। তারা দুজনই মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

ক্যাটাগরি-১ এ ঢাকা বিভাগ থেকে পরিচালক হচ্ছেন তানভীর আহমেদ টিটু, নাঈমুর রহমান দুর্জয়। এই ক্যাটাগরিতে সিলেট বিভাগে কোনও নির্বাচন হবে না। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় নির্বাচিত হচ্ছেন শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল। একই অবস্থা চট্টগ্রাম বিভাগেও। আকরাম খান নির্বাচিত হচ্ছেন, সঙ্গে পরিচালকের চেয়ারে বসছেন আ জ ম নাসির।

খুলনা বিভাগ থেকে পরিচালক হচ্ছেন শেখ সোহেল। এই বিভাগের প্রতিনিধি হচ্ছেন কাজী ইনাম আহমেদ। ভোট হচ্ছে না বরিশাল বিভাগেও। আলমগীর খান আবারও পরিচালক নির্বাচিত হচ্ছেন। রংপুর বিভাগ থেকে আসছেন আনোয়ারুল ইসলাম। ভোটাভুটি হচ্ছে রাজশাহী বিভাগে। খালেদ মাসুদ পাইলটের বিপক্ষে লড়বেন সাইফুল আলম স্বপন।


আরও খবর



আদর্শ শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে তরুণদের স্বনির্ভর হতে হবে : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ১১ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১১ অক্টোবর ২০২১ | ১১৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি বলেছেন, আদর্শ শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে তরুণদের স্বনির্ভর হতে হবে। মেধায়, চিন্তা-চেতনায়, সততা ও নৈতিকতায় কর্মক্ষম মানুষ হতে হবে। শুধু ভালো জিপিএ দিয়ে আদর্শ মানুষ হওয়া যায় না। নিজের প্রতিভা ও যোগ্যতার বিকাশ ঘটাতে হবে। তাদের যেন চাকরির নেশায় পেয়ে না বসে। ঐকান্তিক ইচ্ছা, নিরলস প্রচেষ্টা, গভীর অধ্যাবসায় এবং সততা ধারণ করতে পারলে তরুণরা কখনো ব্যর্থ হবে না। তরুণদের স্বাবলম্বী করার জন্য সরকার সকল সহেযোগিতা করবে

সোমবার (১১ অক্টোবর) পিরোজপুর সদর উপজেলা পরিষদের শহিদ ওমর ফারুক মিলনায়তনে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত বাংলাদেশ: তারুণ্যের ভাবনায় মিট দ্যা মিনিস্টার শীর্ষক সংলাপে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, তরুণ প্রজন্মের আগ্রই হচ্ছে বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা। তাদের মধ্যে আকাঙ্খা জাগ্রত করতে না পারলে মাতৃভূমি বাংলাদেশ সম্পর্কে তাদের ধারণা অস্পষ্ট থেকে যাবে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ছিল-আমরা সবাই ভালো মানুষ হবো। আমাদের মধ্যে কোন বিরোধ থাকবে না, কোনভাবে সাম্প্রদায়িকতায় জড়িত হবো না। হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সবাই মিলে-মিশে থাকবো। দেশে দুর্নীতি থাকবে না, ধনী-দরিদ্রের বৈষম্য থাকবে না। গ্রামের একজন মানুষ না খেয়ে মারা যাবে, আরেকজন শত কোটি টাকার মালিক হবে, সেটা হবে না। এ দেশটা আমাদের সকলের। প্রত্যেকটি মানুষের নাগরিক ও সাংবিধানিক অধিকার সমান

সুশাসন সম্পর্কিত তরুণদের এক প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী এ সময় বলেন, সবার জন্য একই ধরনের শাসনই হলো সুশাসন। সরকারি কর্মকর্তাদের অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন, কেউ দুর্নীতি করলে, অন্যায় করলে ছাড় না পাওয়া-সেটাই সুশাসন। সমাজের জন্য, রাষ্ট্রের জন্য যেটা ন্যায্য, যেটা ভালো সেটা প্রশাসনিকভাবে সবার জায়গা থেকে করাই হচ্ছে সুশাসন

তরুণদের অপর এক প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী জানান, আইন অনুযায়ী নিম্ন আদালত পরিপূর্ণভাবে স্বাধীন। আদালতের অনিয়ম দূর করার জন্য সরকার সচেষ্ট রয়েছে। অদূর ভবিষ্যতে বিচারের জন্য মানুষের হাহাকার থাকবে না

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কোভিড ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত এক প্রশ্নের উত্তরে শ ম রেজাউল করিম বলেন, কোভিড ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ যা করতে পেরেছে তা পৃথিবীর অনেক দেশ পারে নি। এটা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পররাষ্ট্র নীতির অভাবনীয় সাফল্য। আমাদের প্রধানমন্ত্রী যেভাবে দূরদৃষ্টির পরিচয় দিয়েছেন, এটা সারা বিশ্বের প্রশংসা কুড়িয়েছে। পররাষ্ট্র নীতিতে ও ভ্যাকসিন ব্যবস্থাপনায় অনন্য নজির দেখিয়েছেন শেখ হাসিনা

এর আগে মন্ত্রী পিরোজপুর সদর উপজেলা পরিষদের পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন, ঘূর্ণিঝড় ও অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় ব্যক্তিদের মাঝে ঢেউটিন ও আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ করেন এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় সুফলভোগীদের মাঝে মিল্ক ক্রিম সেপারেট মেশিন বিতরণ করেন। পরে পিরোজপুর জেলা ব্যান্ড বুকের মোড়ক উন্মোচন করেন তিনি। একইদিন বিকেলে শারদীয় দুর্গা পূজা উপলক্ষ্যে পিরোজপুর সদর উপজেলার বিভিন্ন দুর্গা মন্দিরে প্রধানমন্ত্রীর অনুদান, ব্যক্তিগত অনুদান এবং জেলা পরিষদের অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে যোগ দেন মন্ত্রী।


মিল্ক ক্রিম সেপারেট মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বরেন, দেশের যেসব অঞ্চলে অধিক দুধ উৎপাদিত হয় সেসব অঞ্চলে উৎপাদনকারীরা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় এবং দুধ বাজারে বিক্রির সময় প্রতিকূল অবস্থায় পড়লে বিকল্প ব্যবস্থাপনার জন্য সরকার মিল্ক ক্রিম সেপারেটর মেশিন দিচ্ছে। পোল্ট্রি, ডেইরি বা মৎস্য খাতের মাথে সম্পৃক্তদের প্রণোদনা প্রদানের এ ধারাকে অব্যাহত রাখা হবে। প্রান্তিক পর্যায়ে মাছ, মাংস, দুধ, ডিম উৎপাদনকারীদের শেখ হাসিনা সরকার স্বাবলম্বী করতে চায়। শেখ হাসিনা সরকার সব সময় মানুষের পাশে আছে, পাশে থাকবে


পিরোজপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বশির অহমেদের সঞ্চলনায় এ আয়োজনে প্যানেল আলোচক ছিলেন পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক আবু আলী মোঃ সাজ্জাদ হোসেন, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাঈদুর রহমান, পিরোজপুর জেলা মুক্তিযুদ্ধ সংসদের সাবেক কমান্ডার গৌতম নারায়ণ রায় চৌধুরী ও দৈনিক ইত্তেফাকের পিরোজপুর প্রতিনিধি মুনিরুজ্জামান নাসিম আলী।


আরও খবর