আজঃ শুক্রবার ০৫ মার্চ ২০২১
শিরোনাম

শরীয়তপুরে ছেলের হাতে মা খুন

প্রকাশিত:সোমবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ১০৮জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

শরীয়তপুর থেকে সাইফ রুদাদ

শরীয়তপুর জেলার গোসাইরহাট উপজেলার নাগেরপাড়ায় ছেলের হাতে মা খুন হয়েছেন। এঘটনায় গোসাইরহাট থানায় মামলা হয়েছে।

গোসাইরহাট থানা পুলিশ ও নিহতের স্বজন সূত্রে জানা যায়, নাগেরপাড়া ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর গ্রামের ঢালীরহাট এলাকায় রবিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা কিছু পরে আনোয়ারা বেগম(৬০) মাগরিবের নামাজ শেষে চা বানাতে রান্না ঘরে যাচ্ছিলেন, এমন সময় জমি লিখে দেওয়াকে কেন্দ্র করে তার মেঝ ছেলে আব্দুল মালেক(৪০) কুড়াল দিয়ে তার মাথায় কোপ দেয়। পরে স্বজনরা আনোয়ারা বেগমকে গোসাইরহাট হাসপাতাল নেওয়ার পথে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

এবিষয়ে গোসাইরহাট থানার অফিসার ইনচার্জ মোল্লা সোহেব আলী জানান, জমি লিখে না দেয়ায় ছেলে মাকে হত্যা করেছে। ছেলে আব্দুল মালেককে গ্রেফতার করে চালান করা হয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: শরীয়তপুর
Share

আরও খবর



ভূঞাপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই পাঁচটি দোকান

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৫ মার্চ ২০২১ | ৫৯জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

শুক্রবার (৫ মার্চ) ভোর সাড়ে ৬টায় হাজী মার্কেটে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। পরে ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় লোকজন একঘণ্টার চেষ্টায় সাড়ে ৭টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। আগুনের লেলিহান শিখায় পুড়ে যায় টিভি, ফ্রিজ, জুতার দোকানসহ ৫টি দোকান। এতে ক্ষতি হয়েছে প্রায় ২০ লাখ টাকা। বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।

স্থানীয়রা জানান, ফজরের নামাজ শেষে মুসুল্লিরা বাসায় ফেরার সময় হাজী মার্কেটের একটি দোকানে হঠাৎ আগুন দেখতে পান। মুহূর্তেই আগুন পাশের দোকানে ছড়িয়ে পড়ে। পরে তারা ভূঞাপুর ফায়ার স্টেশনে খবর দেন। ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় লোকজন আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।

ক্ষতিগ্রস্ত দোকান মালিক ইব্রাহীম আকন্দ বলেন, আমার চারটি দোকানে টিভি, ফ্রিজ ও প্লাস্টিকের ফার্নিচার ছিলো। সব পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। কিছুই বের করতে পারিনি। ১৬ লাখ টাকার মালামাল নিমিষেই পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

এ বিষয়ে ভূঞাপুর ফায়ার সার্ভিসের লিডার একাব্বর আলী জানান, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছে অল্প সময়ের মধ্যে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি।

Share

আরও খবর



শেখ হাসিনাকে হত্যা চেষ্টার এক আসামি গ্রেফতার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ৮৮জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলার ঘটনায় যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশান ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)।

সোমবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দিনগত রাতে রাজধানীর দিয়াবাড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তবে ঘটনার প্রায় ১৭ বছর পর গ্রেফতার হওয়া এ আসামির প্রাথমিকভাবে বিস্তারিত নাম-পরিচয় জানা যায়নি।

র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক লে. কর্নেল আশিক বিল্লাহ জানান, সোমবার রাতে দিয়াবাড়ি এলাকা থেকে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত এক আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর কারওয়ান বাজারের র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে র‍্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাবেন।

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় সেই সময়ের বিরোধী দলের নেতা শেখ হাসিনা বেঁচে গেলেও নিহত হন নারী আওয়ামী লীগের সভাপতি আইভি রহমানসহ ২৪ জন।

Share

আরও খবর
অবশেষে জামিন পেলেন কার্টুনিস্ট কিশোর

বৃহস্পতিবার ০৪ মার্চ ২০২১




ঢাকায় নেমেই গ্রেপ্তার রন হক সিকদার

প্রকাশিত:শুক্রবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ১৪৯জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঢাকায় নেমেই গ্রেপ্তার হলেন সিকদার গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রন হক সিকদার। শুক্রবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ।

রন হক সিকদার তার বাবার মৃত্যুর কারণে ঢাকায় আসেন। তিনি একটি হত্যাচেষ্টার মামলার আসামি হওয়ার পর থেকে পলাতক ছিলেন।

ডিবির অতিরিক্ত উপ কমিশনার গোলাম সাকলায়েন বলেন, এক্সিম ব্যাংকের করা একটি মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। এই মামলার অপর আসামি রন হক সিকদারের ভাই দিপু হক সিকদার দেশে ফেরেননি। এ কারণে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।

এক্সিম ব্যাংকের দুই কর্মকর্তাকে নির্যাতন ও গুলি করে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে সিকদার গ্রুপ অব কোম্পানিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রন হক সিকদার ও তার ভাই দিপু হক সিকদারের বিরুদ্ধে গত ১৯ মে রাজধানীর গুলশান থানায় মামলা করে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।

মামলার বিবরণীতে বলা হয়, গত ৭ মে রন ও দিপু এক্সিম ব্যাংকের এমডি মুহাম্মদ হায়দার আলী মিয়া ও অতিরিক্ত এমডি মুহাম্মদ ফিরোজ হোসনেকে একটি অ্যাপার্টমেন্টে বন্দি করে রাখেন। পরে তাঁদেরকে গুলি করে হত্যা করার চেষ্টা করা হয়।

এক্সিম ব্যাংকের কর্মকর্তাদের নির্যাতন করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি আরও জানান, পরে সাদা কাগজে সই নিয়ে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়। সিকদার গ্রুপ ব্যাংকটির কাছে ৫০০ কোটি টাকা ঋণ প্রস্তাব দিলে এর বিপরীতে গ্রুপের বন্ধকি সম্পত্তি পরিদর্শনে যান ব্যাংকের দুই কর্মকর্তা। সেসময় এ ঘটনা ঘটে।

Share

আরও খবর



মুশতাকের স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে, তার মৃত্যুতে কষ্ট পেয়েছি: রেজাউল করিম

প্রকাশিত:শনিবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ৩৯৬জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
মুশতাকের মৃত্যুর পর ডিজিটাল আইন নিয়ে অনেকে অনেক কথা বলছে, আমি বলতে চাই কেউ মুশতাককে পিটিয়ে মারেনি, তার স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। আমিও তার মৃত্যুতে কষ্ট পেয়েছি

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে চলমান আলোচনা আর বিতর্কের মাঝেই আইনটি পর্যালোচনা করার সুযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন মৎস ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। তিনি বলেন, আলোচনা করে আইনের অনাকাঙ্খিত ধারাগুলো সংশোধন করা সম্ভব।

শনিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ নিয়ে আয়োজিত ভার্চুয়াল সেমিনারে অংশ নিয়ে মন্ত্রী বলেন, কোন আইনই সম্পূর্ণ নয়, নয় বিতর্কের উর্ধ্বে । আইনের যথাযথ প্রয়োগ যেমনি আছে তেমনি আছে অপ্রয়োগ। আর তাই প্রয়োজনে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনটির প্রয়োজনীয় সংশোধন করে সংস্কার করা যেতে পারে।

কারাগারে লেখক মুশতাকের মৃত্যুকে দুঃখজনক ও অনাকাঙ্খিত উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, 'মুশতাকের মৃত্যুর পর ডিজিটাল আইন নিয়ে অনেকে অনেক কথা বলছে, আমি বলতে চাই কেউ মুশতাককে পিটিয়ে মারেনি, তার স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। আমিও তার মৃত্যুতে কষ্ট পেয়েছি। '

সেমিনারে বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ড. শাহদীন মালিক আইনটির অধিকাংশ ধারায় জামিন অযোগ্যতা, পরোয়ানা ছাড়াই পুলিশের তল্লাশি, জব্দ ও গ্রেফতারের ক্ষমতা থাকাকে এ আইনের দুর্বলতা হিসেবে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, জনগণের মতপ্রকাশ ও বাকস্বাধীনতা সুরক্ষায় সরকাররে দ্রুত আইনের ২১, ২৫, ২৮ ও ৩৫ এ চারটি ধারা সংশোধনের উদ্যোগ নিতে হবে।

আলোচনা সভায় সিজেএস এর পরিচালক ড. মনজুর আহমেদ চৌধুরী জানান, পুলিশ সদর দফতর থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী গেল বছরের পহেলা জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের ২৫ ফেব্রুযারি পর্যন্ত সারা দেশে ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনে ৭৮৩টি মামলা দায়ের হয়েছে। যার মধ্যে ঢাকা বিভাগ শীর্ষে রয়েছে। যেখানে মামলা হয়েছে ১১২টি। তবে এসময় দেশের ৫টি জেলায় এ আইনে কারো বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়নি। মামলা শূন্য ৫টি জেলা হলো- চাপাঁইনবাবগঞ্জ, নীলফামারি, কুড়িগ্রাম, রাজবাড়ী ও শরীয়তপুর।

সেন্টার ফর গর্ভন্যান্স স্টাডিজের নিজস্ব সমীক্ষায় আরো বলা হয়, এখন পর্যন্ত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে যাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে তাদের মধ্যে শীর্ষে আছেন সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীরা। জরিপে বলা হয়েছে ১৩ দশমিক ৬৮ শতাংশ মামলা হয়েছে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে, রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ১৩ দশমিক ৩৯ শতাংশ, শিক্ষার্থীদের ২ দশমিক ৯১ শতাংশ, শিক্ষক ২ দশমিক ৯১ শতাংশ, বেসরকারি চাকুরিজীবী ২ দশমিক ১৮ শতাংশ, ব্যবসায়ি ২ দশমিক ১৮ শতাংশ, সরকারি চাকুরিজীবী ১ দশমিক ৭৫ শতাংশ ও আইনজীবী শূণ্য দশমিক ৪৪ শতাংশ। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়েরের পরিমাণ ২৬ দশমিক ২৮ শতাংশ বলেও তুলে ধরা হয়।

এদিকে, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনকে মানুষের জন্য জরুরি আইন বলে মন্তব্য করেন ডাক যোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক সংসদীয় কমিটির সদস্য জাকিয়া পারভীন খানম। তিনি বলেন, ডিজিটাল মাধ্যমে অপরাধ কমাতেই সরকার আইনটি পাস করেছেন।

নিউজ ট্যাগ: শ ম রেজাউল করিম
Share

আরও খবর



নববধূ হত্যায় শ্বশুরবাড়ির ৬ জনের যাবজ্জীবন

প্রকাশিত:সোমবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ৮৪জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বিয়ের ১৫ দিনের মাথায় কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জে রুবা আক্তার নামে এক নববধূকে হত্যার দায়ে ছয়জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। তারা সবাই একই পরিবারের সদস্য।

সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কিশোরগঞ্জের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আব্দুর রহিম এই আদেশ দেন। রায়ে প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ডও করা হয়েছে।

সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- লুৎতু ওরফে রুকন, রুকনের চাচাতো ভাই শরীফ, শরীফের বাবা সোহরাব, সোহরাবের স্ত্রী জোৎস্না, মুসলিম ও মুসলিমের স্ত্রী নূর নাহার। এরা সবাই সম্পর্কে রুবার স্বামী শামীমের চাচা, চাচি, চাচাতো ভাই ও তার স্ত্রী। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্তরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০১ সালের ২০ মে করিমগঞ্জ উপজেলার ভাটিয়া মোগলপাড়া গ্রামের আ. কদ্দুসের ছেলে শামীমের সঙ্গে বিয়ে হয় তার চাচাতো বোন একই গ্রামের আবুবকর সিদ্দিকের মেয়ে রুবার। এ বিয়েতে শামীমের মত ছিল না।

বিয়ের ১৫ দিন পর ২০১১ সালের ৩ জুন রাতে আসামিরা শ্বাসরোধ করে রুবাকে হত্যা করে বাড়ির পেছনের ডোবায় ফেলে রাখে। খবর পেয়ে ওই রাতেই মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় রুবার ভাই আলামিন বাদী হয়ে পরদিন রুবার স্বামীসহ সাতজনকে আসামি করে করিমগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেন। তদন্ত শেষে একই বছরের ৩০ ডিসেম্বর শামীম ছাড়া অপর ছয়জনের নামে আদালতে চার্জশিট দেন করিমগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) খন্দকার শওকত জাহান। দীর্ঘ সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে আদালত আজ এই রায় ঘোষণা করেন।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন আইনজীবী সৈয়দ শাহজাহান। অন্যদিকে আসামিপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন আইনজীবী অশোক সরকার।

Share

আরও খবর
অবশেষে জামিন পেলেন কার্টুনিস্ট কিশোর

বৃহস্পতিবার ০৪ মার্চ ২০২১