আজঃ শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪
শিরোনাম

সরকার গঠনের পথে নওয়াজ-বিলাওয়াল

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

পাকিস্তানে জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে কোনো দলই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় সরকার গঠন নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছে নওয়াজের দল। এমন পরিস্থিতিতে জোট সরকার গঠনে মরিয়া পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ।

জোট সরকার গঠনের লক্ষ্যে রোববার লাহোরে পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) এবং মুত্তাহিদা কওমি মুভমেন্ট-পাকিস্তান (এমকিউএম-পি)-এর সঙ্গে বৈঠক করেছে নওয়াজ শরিফ।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনের ভোটগ্রহণের পর পিএমএল-এনের প্রধান নওয়াজ শরিফ পাকিস্তান ডেমোক্রেটিক মুভমেন্ট অ্যালায়েন্সের মতো একটি সরকার গঠনের ইঙ্গিত দেন। সেই লক্ষ্যে তিনি তার ভাই শাহবাজ শরিফকে কাজ করতে বলেন। এ নির্দেশনা পাওয়ার পর অন্যান্য দলের সঙ্গে জোট করতে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ।

শুক্রবার রাতে পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজের (পিএমএল-এন) প্রেসিডেন্ট শাহবাজ শরিফ পাকিস্তান পিপলস পার্টির নেতা আসিফ আলি জারদারি এবং তার ছেলে বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারির সঙ্গে পাঞ্জাবে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মুখ্যমন্ত্রী মহসিন নাকভির বাসভবনে বৈঠক করেন। একটি সূত্র সাংবাদমাধ্যম ডনকে এ তথ্য জানিয়েছে।

পাকিস্তান পিপলস পার্টির একটি সূত্র জানিয়েছে, ওই বৈঠকে নির্বাচনপরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আলোচনা সংক্ষিপ্ত হলেও ফলপ্রসূ ছিল।

গতকাল রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) লাহরে বিলাওয়ালের বাসভবনে পিএমএল-এন এবং পিপিপির মধ্যে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে শাহবাজ শরিফ, বিলাওয়াল ভুট্টো, আসিফ আলি জারদারি, মরিয়ম আওরঙ্গজেভ, আজম নাসের তারারসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

ওই বৈঠকের পর দুই দলই জানায়, বৈঠকে তারা সরকার গঠনে নীতিগত সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে। তবে পিপিপি জানিয়েছে, বৈঠকে পিএমএল-এন যে প্রস্তাব দিয়েছে সেটি আজ সোমবার দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির কাছে উত্থাপন করবে।

এদিকে গতকাল পিএমএল-এন সঙ্গে বৈঠক করেছে এমকিউএম-পির নেতারা। লাহোরে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে এমকিউএম-পির নেতা সিদ্দিকী, ড. ফরুক সত্তার, কারমান তেসোরি ও মুস্তফা কামাল উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



বগুড়ায় যমুনার গতিপথ পরিবর্তন, হারিয়ে যাচ্ছে উপনদী

প্রকাশিত:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বগুড়া প্রতিনিধি

Image

যমুনার গতিপথ পরিবর্তন হয়েছে বগুড়ায়। ফলত ইতিহাস থেকে হারিয়ে যেতে বসেছে সুখদহ নদী। জেলার প্রধান প্রধান নদীগুলো দিন দিন মরে যেতে বসেছে। পানি প্রবাহ কমে যাওয়া, দূষণ, পলি পড়ে ভরাট, দীর্ঘদিন খনন না হওয়া, বাঁধ দিয়ে চাষাবাদ করা, জনবসতির ড্রেনের পানি নদীতে ফেলা, নদীর দুই পাড় ইচ্ছেমত দখলের কারণে নদীগুলো মরে যাচ্ছে। এরই মধ্যে যমুনা, বাঙ্গালী ও সুখদহসহ অন্যান্য উপনদীগুলো ধীরে ধীরে মানচিত্র থেকে হারিয়ে যেতে শুরু করেছে।

বিভিন্ন সূত্র বিশ্লেষণে গেছে, বর্ষাকালে নদী ভরাট থাকায় গতিপথ তেমন বোঝা না গেলেও শুকনা মৌসুমে মূল প্রবাহ থাকছে না যমুনায়। সারিয়াকান্দির কালিতলা গ্রোয়েন বাঁধ থেকে পূর্ব দিকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে মূল প্রবাহ সরে যাওয়ায় নতুন নতুন চর জাগতে শুরু করেছে নদীটিতে। শুকনো মৌসুমে পানি কমে যাওয়ায় যমুনা চরের মানুষ পায়ে হেঁটে পারাপার হচ্ছে। আবার কোথাও কোথাও হাঁটু পানি দিয়ে পারাপার হচ্ছে এলাকাবাসী। কেউ কেউ যমুনাতে জেগে ওঠা চরে বিভিন্ন ফসল ফলাচ্ছে। চাষাবাদ হচ্ছে মরিচ, মাশকলাই, ভূট্টা, কাউন, পেঁয়াজ ও বোরো ধান।

বগুড়া পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, স্বাধীনতা পূর্ববর্তী সময়ে যমুনা নদীর অবস্থান ছিল বাম তীর ঘেঁষে। পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে নদী ভাঙতে ভাঙতে ডান তীর ঘেঁষে অবস্থান নেয়। ডান তীরে নদী শাসনের কাজ হওয়ায় বর্তমানে নদী আবারও বাম তীর ঘেঁষে অবস্থান করছে। ১৯৮৫ সাল থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত গত আড়াই দশকে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে সারিয়াকান্দি, সোনাতলা ও ধুনট উপজেলার বিভিন্ন অংশে যমুনা নদীর ডান তীরে প্রায় ৫৬০ মিটার ভেঙেছে। ২০১০ সালের পর থেকে সরকারিভাবে নদী শাসনের কাজ হওয়ায় এ এলাকা বন্যায় বড় আকারে আর ভাঙেনি।

সারিয়াকান্দির কালিতলা গ্রোয়েন বাঁধ থেকে পূর্বে দিকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে নদী বেশিরভাগ সময় অবস্থান করছে। কয়েক বছর আগে নদী সবসময় কালিতলা গ্রোয়েন বাঁধের সঙ্গে থাকায় নদীটি পূর্ব দিকে কিছুটা সরে যাওয়ার কারণে সারিয়াকান্দি উপজেলার যমুনা নদীর ডান তীরের সামনে চালুয়াবাড়ী, হাটশেরপুর, কাজলা এবং সারিয়াকান্দি সদর ইউনিয়নে বিশালাকার চরাভূমির সৃষ্টি হয়েছে। ফলে এইসব এলাকা দিয়ে বয়ে যাওয়া একসময়ের প্রখর স্রোতধারার প্রমত্তা যমুনা নদী এখন তার গতিপথ পরিবর্তন করে বাম তীর ঘেঁষে জামালপুরের দিকে পুনরায় বাঁক নিয়েছে।

এদিকে বর্ষার ভরা যৌবনে দুই কূল উপচিয়ে দাপিয়ে চলা যমুনা নদী ফাল্গুনে শুকিয়ে যাওয়ায় হেঁটেই পার হচ্ছে স্থানীয়রা। নিয়মিত ড্রেজিং না করায় নাব্যতা সংকটে নদীটি। উজান থেকে আসা পলিতে নদীর বুকে জেগে উঠেছে ছোটো বড় অসংখ্য চর। ফলে নৌকা আটকে যাচ্ছে ডুবোচরে, চলাচল কমে বন্ধ হয়েছে বেশ কয়েকটি নৌরুট। এতে বিপাকে নদীপথে যাতায়াতকারী হাজারো যাত্রী ও চরাঞ্চলের মানুষেরা। সারিয়াকান্দি ও আশপাশের বিভিন্ন উপজেলার মানুষ যমুনা নদীর কালীতলা ঘাট থেকে শ্যালো মেশিন চালিত নৌকায় জামালপুর ও খেয়া নৌকায় বাগবের, গজারিয়া, চরবাটিয়া, শালুখা কুড়িপাড়া, পাখিমারাসহ বিভিন্ন চরে যাতায়াত করেন। কিন্তু যমুনা নদীতে নাব্যতা সংকট দেখা দেওয়ায় ঘাটের দক্ষিণে চর জেগে ওঠেছে। নদীর বুকেই হচ্ছে চাষাবাদ। নদীর মাঝখান এখন সরু খালের মতো। কোথাও হাঁটুপানি, হেঁটেই পার হওয়া যায় এপাড় থেকে ওপাড়। নদীর তীরে পড়ে আছে নৌকা। আবার কিছু নৌকা চলাচল করলেও তা গন্তব্যে যেতে দ্বিগুণ সময় লাগছে। এতে একদিকে যেমন সময় অপচয় হচ্ছে, তেমনি বাড়তি ভাড়া দিয়ে তাদের চলাচল করতে হচ্ছে। কৃষিপণ্যসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য পরিবহণে অতিরিক্ত অর্থ গুনতে হচ্ছে।

সারিয়াকান্দি পৌর এলাকার বাসিন্দা রাজনীতিবিদ ও ব্যবসায়ী আপেল মাহমুদ লাভলু জানান, যমুনা নদীর নাব্যতা সংকটের কারণে নদীপথে নৌকা নিয়ে যেতে অনেক সময় লাগছে। বর্ষাকালে নদী ভরাট থাকায় গতিপথ তেমন বোঝা না গেলেও শুকনা মৌসুমে নদীর মূল প্রবাহ থাকছে সারিয়াকান্দির কালিতলা গ্রোয়েন বাঁধ থেকে পূর্বে দিকে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে। মূল প্রবাহ সরে যাওয়ায় নতুন নতুন চর জাগতে শুরু করেছে। বর্ষাকালে পানি দেখা গেলেও সারা বছর আর পানি থাকে না। এক সময় জেলার সারিয়াকান্দি উপজেলায় নদীর পানি কৃষি কাজে লাগলেও এখন সেই নদীতে চর জেগেছে।

এছাড়া ইতিহাস থেকে হারিয়ে যেতে বসেছে সুখদহ নদী। সুখদহ নদীতে এখন আর মাছ দেখা যায় না। ময়লা আবর্জনা জমে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। সুযোগ সন্ধানীরা ধান চাষ করে আবার কেউ কেউ বিভিন্ন এলাকায় পাড় দখল করে রেখেছে। নদীটি প্রায় ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ হলেও খালে পরিণত হয়েছে। জেলার সারিয়াকান্দি উপজেলাটি যমুনা, বাঙালী, ইছামতি এবং সুখদহ নদী বিধৌত। তিনটি নদীর মধ্যে যমুনা নদী ভরা মৌসুমে প্রবল বন্যাসহ তার খরস্রোতা রূপ ধারণ করে। কিন্তু বাঙালী, ইছামতি এবং সুখদহ নদীতে শুধুমাত্র বর্ষার মৌসুমে পানি থাকে। আর এই পানি দিয়ে স্থানীয়রা একসময় কৃষিকাজ করতো।

জানা যায়, যমুনা নদী ৪০ বছর আগে বগুড়া জেলার সারিয়াকান্দি সদর, ধুনট ও সোনাতলা উপজেলা থেকে ৪৫ কিলোমিটার পূর্বে ময়মনসিংহ জেলার পশ্চিম সীমানা দিয়ে প্রবাহিত হতো। বর্তমানে সারিয়াকান্দি শহর হতে যমুনা নদীর দূরত্ব মাত্র কয়েকশ মিটার। ক্ষ্যাপাটে স্বভাবের বৈচিত্র্যময় এ নদীটির ইতিহাস সুপ্রাচীন। ভুতাত্ত্বিকদের ধারণা হিমালয় পর্বতমালা উত্থানের পূর্বে যমুনা নদীর আদি নাম ছিল ব্রহ্মপুত্র। ব্রহ্মপুত্র নদ হিমালয় পর্বতের কৈলাশ শৃঙ্গের একটি হিমবাহ থেকে উৎপন্ন হয়ে চীন, তিব্বত, ভুটান ও ভারতের আসামের মধ্য দিয়ে কুড়িগ্রামের নুন খাওয়া নামকস্থানে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। নদীটি বগুড়ার শেষ সীমানা শেরপুর ও ধুনট উপজেলার মধ্য দিয়ে রাজবাড়ি গিয়ে গোয়ালন্দঘাটে পদ্মার সাথে মিশেছে। আন্তর্জাতিক নদী গবেষণা সংস্থার তথ্যমতে, যমুনা নদী এককালে রংপুর, বগুড়া, পাবনা ও ময়মনসিংহ জেলার পশ্চিম সীমানা পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।

১৯৭৭ সালে শুরু হয় নদী শাসনের কাজ। ১৯৮৬ সালে সারিয়াকান্দির প্রধান পয়েন্টে কালিতলায় একটি গ্রোয়েন বাঁধ নির্মিত হয়। এরপর ১৯৯৬ সাল হতে শুরু করে ২০০০ সাল পর্যন্ত ৩৭ কোটি টাকা ব্যয়ে গ্রোয়েন বাঁধটির পুনঃনির্মাণ কাজ শেষ করে দৃষ্টিনন্দন করে গড়ে তোলা হয়। সর্বমোট ২২৫ কোটি টাকা ব্যয়ের এই প্রকল্পটির নামকরণ করা হয় যমুনা এবং বাঙালি নদী একীভূতকরণ রোধ। প্রকল্পের আওতায় সদর ইউনিয়নের দীঘলকান্দি এবং কর্ণিবাড়ী ইউনিয়নের দেবডাঙায় দুইটি বড় হার্ডপয়েন্ট নির্মাণ করা হয়। এছাড়া ধুনট সীমানা হতে সারিয়াকান্দির হাটশেরপুর ইউনিয়নের হাসনাপাড়া বাজার পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ২০০৮ সাল হতে ২০১৮ সাল পর্যন্ত যমুনা নদীর ডান তীর সংরক্ষণের কাজ করা হয়। এর মধ্যে ১৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০০৬ সালে কালিতলা গ্রোয়েন বাঁধ হতে পারতিতপরল গ্রাম পর্যন্ত ২ হাজার মিটার এবং দেবডাঙা পয়েন্টে ১ হাজার ২০০ মিটার তীর সংরক্ষণ কাজ হয়েছে। ২০০৬ সালের পর পারতিতপরল গ্রাম হতে হাসনাপাড়া পর্যন্ত তীর সংরক্ষণ কাজ হয়। ২০১৬ সালে রৌহাদহ হতে মথুরাপাড়া পর্যন্ত ৬ কিঃ মিঃ তীর সংরক্ষণ কাজ হয় ৩৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে। ফলে উজান থেকে বয়ে আসা পলিজমে উপজেলার চালুয়াবাড়ী, হাটশেরপুর, কাজলা, কর্নিবাড়ী এবং সারিয়াকান্দি সদরের মৌজায় বিশালাকার আয়তনের চরাভূমির সৃষ্টি হয়েছে। নদী শাসনের কাজগুলো বাস্তবায়ন করার জন্য যমুনা নদী তার গতিপথ পরিবর্তন করে এখন বাম তীর ঘেঁষে জামালপুরের সীমানার কাছাকাছি অবস্থান করছে।

সারিয়াকান্দি সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল কাফি মন্ডল জানান, যমুনা নদীর গতিপথ পরিবর্তনের ফলে উপজেলার চারটি ইউনিয়নের মৌজার জমিগুলো পুনরায় জেগে উঠেছে। এসব জমিগুলোতে নানা ধরনের কৃষি ফসল উৎপাদিত হচ্ছে। এছাড়াও সারিয়াকান্দি উপজেলার হাটফুলবারী এলাকা দিয়ে বয়ে যাওয়া সুখদহ নদীটি খনন করে দিলে এর নাব্যতা পুনরায় ফিরে পাবে। নদীপথে পুনরায় যোগাযোগ শুরু হবে এবং কৃষি ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে।

বগুড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ নাজমুল হক জানান, ১৯৮৫ সাল থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত গত আড়াই দশকে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে সারিয়াকান্দি এলাকায় যমুনা নদীর ডানতীরে প্রায় ৫৬০ মিটার ভেঙেছে। ২০১০ সালের পর থেকে সরকারিভাবে নদী শাসনের কাজ হওয়ায় এই এলাকায় বন্যায় বড় আকারে ভাঙেনি। পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে নদী ভাঙন রোধে কাজ করা হয়েছে। ভাঙন কবলিত এলাকায় ব্লক ও বালি ভর্তি বস্তা ফেলা হয়েছে। বন্যায় যেন বড় ধরনের ক্ষতি না হয় সেজন্য বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহন করা হয়েছে। এছাড়াও প্রতি বছর উজান থেকে হাজার হাজার টন পলি নদীর তলদেশে জমা হয়ে নদীর গভীরতা কমে যাচ্ছে। যে কারণে নদীগুলো মরে যাচ্ছে।


আরও খবর



চিনির দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করেছে শিল্প মন্ত্রণালয়

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

রমজানের আগে সরকারি চিনির দাম কেজিতে ২০ টাকা বাড়িয়ে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছিল বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন (বিএসএফআইসি)। এর কয়েক ঘণ্টা পরই চিনির দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করল শিল্প মন্ত্রণালয়।

বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাতে শিল্প মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান জানিয়েছেন, রমজান মাস ও জনগণের দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে চিনির দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করেছে সরকার। ফলে পূর্বের নির্ধারিত কেজি প্রতি সর্বোচ্চ খুচড়া মূল্য ১৪০ টাকা বহাল রইলো।

শিল্প মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব জাকিয়া সুলতানা আজ রাতে এ তথ্য জানান।

এর আগে আজ সকালে খুচড়া পর্যায়ে প্যাকেটজাত চিনি কেজি প্রতি ২০ টাকা বাড়িয়ে ১৬০ টাকা কেজি নির্ধারণ করে শিল্প মন্ত্রণালয়ের নির্দেশক্রমে শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন নোটিশ জারি করে।

বিএসএফআইসির এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক ও দেশীয় চিনির বাজারমূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিএসএফআইসি উৎপাদিত চিনির বিক্রয়মূল্য পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। এখন থেকে করপোরেশনের ৫০ কেজি বস্তাজাত চিনির মিলগেট বিক্রয়মূল্য ১৫০ টাকা (এক কেজি) ও ডিলার পর্যায়ে বিক্রয়মূল্য ১৫৭ টাকা (এক কেজি) নির্ধারণ করা হয়েছে।

এছাড়া করপোরেশনের এক কেজি প্যাকেটজাত চিনির মিলগেট বা করপোরেট সুপারশপ বিক্রয়মূল্য ১৫৫ টাকা। পাশাপাশি বিভিন্ন সুপারশপ, চিনি শিল্প ভবনের বেজমেন্টে ও বাজারে সর্বোচ্চ খুচরা বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ করা হয় ১৬০ টাকা।

প্রসঙ্গত, সবশেষ প্রতি কেজি প্যাকেটজাত চিনির দাম ১৪০ টাকা নির্ধারণ করেছিল বিএসএফআইসি।


আরও খবর
এক মাসে রিজার্ভ বাড়ল ৬৩ কোটি ডলার

শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪




আত্মসমর্পণ করায় মিয়ানমারের তিন জেনারেলের মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ক্ষমতাসীন জান্তা বাহিনীর সাথে সংঘাতের এই পর্যায়ে বিদ্রোহী গোষ্ঠীর কাছে আত্মসমর্পণ ও শহরের নিয়ন্ত্রণ ছেড়ে দেওয়ায় মিয়ানমার সেনাবাহিনীর তিন শীর্ষ কর্মকর্তাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে দেশটি। মিয়ানমারের ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পদমর্যাদার কর্মকর্তা ছিলেন তারা।

সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিদ্রোহীদের মুহুর্মুহু হামলার মুখে শান রাজ্যের লোক্কাই শহরের নিয়ন্ত্রণ ছাড়তে বাধ্য হয় জান্তা সেনারা। এছাড়া শত শত সেনা বিদ্রোহী জোট থ্রি ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্সের যোদ্ধাদের কাছে আত্মসমর্পণ করে।

চীন সীমান্তের গুরুত্বপূর্ণ এই শহরের নিয়ন্ত্রণ কৌশলগতভাবে ছেড়ে দেয়ায় তাদের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে জান্তা সরকারের আদালত।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, শত শত সেনার এই আত্মসমর্পণ মিয়ানমার সামরিক বাহিনীর জন্য কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় পরাজয় বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও আত্মসমর্পণের পর শহরের দায়িত্বে থাকা সেনা কমান্ডার ও সেনাদের ছেড়ে দেয়া হয়।

উল্লেখ্য, মিয়ানমারের সামরিক আইনে শীর্ষ নেতৃত্বের অনুমতি ছাড়া সামরিক ঘাঁটি ত্যাগ দণ্ডনীয় অপরাধ। এর জন্য মৃত্যুদণ্ড হতে পারে। তবে সবশেষ মৃত্যুদণ্ডের ব্যাপারে মন্তব্যের জন্য জান্তা মুখপাত্রের সাথে যোগাযোগ করা হলেও কোনো জবাব পাওয়া যায়নি। এমনকি কোন আদালতে তাদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে তাও জানানো হয়নি।


আরও খবর



বেআইনি বিয়ের দায়ে ইমরান খান ও বুশরা বিবির ৭ বছরের কারাদণ্ড

প্রকাশিত:শনিবার ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

এবার বিয়ের কারণে পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) নেতা ইমরান খান ও তার স্ত্রী বুশরা বিবিকে ৭ বছর কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে করা হয়েছে জরিমানাও। এর আগে তোশাখানা মামলায় উভয়কে ১৪ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়।

জাতীয় নির্বাচনের মাত্র পাঁচ দিন আগে শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) এই রায় দিয়েছে পাকিস্তানের একটি আদালত। রায়ে বলা হয়েছে, ২০১৮ সালে বুশরা বিবির সাথে ইমরান খানের হওয়া বিয়েতে আইন লঙ্ঘন হয়েছে।

চলতি সপ্তাহে আদালতের পক্ষ থেকে ইমরান খানের বিরুদ্ধে এটা তৃতীয় কোনো রায়। ৭১ বছর বয়সী পিটিআই নেতা এখন কারাগারে রয়েছেন। ফলে তিনি আসন্ন নির্বাচনে অংশ নিতে পারছেন না।

নির্বাচন সামনে করে রাষ্ট্রীয় গোপন নথি প্রকাশ করার অভিযোগে করা মামলায় তাকে ও তার বিশ্বস্ত সহযোগী সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কুরেশিকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেয়া হয়।

গত ৩০ জানুয়ারি আদিয়ালা কারাগারে দুই নেতার উপস্থিতিতে দফতর গোপনীয়তা আইনে গঠিত বিশেষ আদালতের বিচারক আবুল হাসনাত জুলকারনাইন এ রায় ঘোষণা দেন। পরদিন ৩১ জানুয়ারি রাষ্ট্রীয় উপহার বিক্রির অভিযোগে (তোশাখানা মামলা) ইমরান খান ও তার স্ত্রী বুশরা বিবিকে ১৪ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়। ইসলামাবাদের জবাবদিহিতা আদালতের (অ্যাকাউন্টিবিলিটি কোর্ট) বিচারক মুহাম্মদ বশির এ রায় দেন।

তিনদিন পর দেয়া হলো বিয়ে সম্পর্কিত মামলার রায়। রায়ে ইমরান ও তার স্ত্রী বুশরাকে সাত বছর করে কারাদণ্ডের পাশাপাশি ৫ লাখ রুপি জরিমানা করা হয়েছে।

২০১৮ সালের জানুয়ারি মাসে বুশরা বিবিকে বিয়ে করেন ইমরান খান। এটা তার তৃতীয় বিয়ে। নির্বাচনে বড় জয় ও প্রধানমন্ত্রী হওয়ার মাত্র সাত মাস আগে অনেকটা গোপনে এক পারিবারিক অনুষ্ঠানে ইমরান খান ও বুশরা বিবির বিয়ে হয়।

এরপর গত ছয় বছর ধরে সংসার করছেন এই দম্পতি। এতদিন পর সম্প্রতি নির্বাচন সামনে করে ইমরান খান ও বুশরার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন বুশরা বিবির সাবেক স্বামী খাওয়ার ফরিদ মানেকা। তার অভিযোগ, বুশরা বিবি ইদ্দত পালন করেননি এবং ইদ্দত পালন না করেই বিয়ে করার মাধ্যমে তারা ব্যভিচার করেছেন।

ইসলামি শরিয়া আইন অনুসারে, স্ত্রীর তালাক হলে বা তার স্বামীর মৃত্যু হলে যে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য স্ত্রীকে এক বাড়িতে থাকতে হয় কিংবা তিনি অন্য কোথাও যেতে পারেন না বা অন্য কোথাও বিয়ে করতে পারেন না; সেই সময়কালকে ইদ্দত বলা হয়।

তবে এই অভিযোগ দুজনই নাকচ করে দিয়েছেন। এরপরও মামলা চলে এবং গত মাসে এর শুনানি শুরু হয়। গত ১৬ জানুয়ারি রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে বিশেষ ব্যবস্থায় কারাবন্দী ইমরান খানকে উপস্থিত রেখে এই মামলার অভিযোগ গঠন করেন বিচারক। তবে স্বাস্থ্যগত কারণে বুশরা বিবি উপস্থিত ছিলেন না।


আরও খবর



দেশের ফুটবলে অবদান রাখছে ঠাকুরগাঁওয়ের মেয়েরা

প্রকাশিত:সোমবার ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রেদওয়ানুল হক, ঠাকুরগাঁও

Image

ভারতকে ১-০ গোলে হারিয়ে ফাইনালে বাংলাদেশ। আর এই কাঙ্ক্ষিত গোলটি আসে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার রাঙাটুঙ্গি ইউনাইটেড মহিলা ফুটবল একাডেমির খেলোয়াড় সাগরিকার পা থেকে। এর আগেও গত শুক্রবার অনূর্ধ্ব-১৯ নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম ম্যাচে নেপালের বিপক্ষে সাগরিকা করেছেন জোড়া গোল। টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশকে জেতানোর বড় ভূমিকা রেখেছিল রাণীশংকৈলের এই নারী খেলোয়াড়।

এক অজপাড়াগাঁয়ে সাগরিকার বেড়ে ওঠা। বাবা লিটন আলী সামান্য একটি চায়ের দোকান করে সংসারের ভার টানেন। বড় ভাই সাগর আলী অর্থ সংকটে পড়াশোনা করতে পারেনি। সে এখন স্থানীয় এক ইটভাটায় দিনমজুরের কাজ করে।

নেপালের বিপক্ষে মাঠে যে দুরন্ত সাগরিকাকে দেখা গেছে, তাকে হয়তো দেশের ফুটবলে নাও পাওয়া যেত। তার মা-বাবা একেবারেই নাকি রাজি ছিলেন না মেয়ের ফুটবল খেলার ব্যাপারে। মেয়ে জার্সি ও হাফ প্যান্ট পরে ফুটবল খেলবে এটা ভালো চোখে দেখতো না গ্রামবাসী। কিন্তু কন্যার জেদের কাছে হার মানতে হয়েছে বাবাকে। বাবাকে ভুল প্রমাণ করতে পেরে এবার সাগরিকা খুশি। যেন বলতে চেয়েছেন, বাবা, দেখো আমি পেরেছি।

রাণীশংকৈল রাঙাটুঙ্গি ইউনাইটেড মহিলা ফুটবল একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক তাজুল ইসলামের হাতে গড়া নারী খেলোয়াড় সাগরিকা। সাগরিকা মাঠে যত সাবলীল, ক্যামেরার সামনে ততটাই জড়সড়!

ঠাকুরগাঁওসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে একঝাঁক মেয়ে এসে ফুটবল রাঙাচ্ছেন জাতীয় দলে। সাগরিকা তাদেরই একজন। উঠে এসেছেন রাণীশংকৈল রাঙ্গাটুঙ্গী ইউনাইটেড ফুটবল একাডেমির পরিচালক তাজুল ইসলামের হাত ধরে। তিনি না থাকলে হয়তো সাগরিকার মতো প্রতিভাবান স্ট্রাইকার পেতো না বাংলাদেশের ফুটবল।

সাগরিকা বলেন, আমার মাবাবা চাইতেন না আমি ফুটবল খেলি। তবে আমার ফুটবলার হওয়ার পেছনে খালার অবদান সবচেয়ে বেশি। তিনি মাকে বলেছিলেন, মেয়ে আমাকে দাও, সে ফুটবল খেলুক। বাংলাদেশের জার্সিতে খেলার পর মাবাবার ভুল ভেঙেছে। আমি এতেই খুশি। গ্রামের যারা সমালোচনা করেছেন তারাই এখন সাগরিকাকে নিয়ে গর্ব করে।

সাগরিকার বাবা লিটন আলী বলেন, মেয়েকে বলেছিলাম তুমি জীবনেও কিছু করতে পারবে না। খেলতে দিতাম না। এখন মনে হয় আমার সিদ্ধান্ত ভুল আর মেয়েই সঠিক।

রাঙ্গাটুঙ্গী একাডেমির ফুটবলার সাগরিকা বিকেএসপিতে সুযোগ পেয়ে ও যাননি। ২০২২ সালে হওয়া ঘরোয়া নারী ফুটবল লিগের সর্বশেষ আসরে জাতীয় দলের সাবেক কোচ গোলাম রব্বানী ছোটনের নজর কাড়েন। ওই বছর মেয়েদের লিগে খেলেন এফসি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার হয়ে। প্রথম ম্যাচেই হ্যাটট্রিক করে নজরে পড়েন কোচের। সাবিনা খাতুন, কৃষ্ণা রানী সরকার, সিরাত জাহান স্বপ্না, শামসুন্নাহার জুনিয়র, শাহেদা আক্তার রিপাদের মতো অভিজ্ঞদের সঙ্গে লড়াই করে তাদের সারিতে নাম লেখান সাগরিকা।

গত বছর কমলাপুর স্টেডিয়ামে হওয়া অনূর্ধ্ব-১৭ নারী সাফে খেলেছিলো রাশিয়া। যে টুর্নামেন্টে গোল পেতে রীতিমতো লড়াই করতে হয় বাংলাদেশকে। ওই টুর্নামেন্টে ভুটানের বিপক্ষে ১ গোল করেন সাগরিকা। নেপালের সঙ্গে হারতে বসা ম্যাচে বাংলাদেশ ১ পয়েন্ট পায় সাগরিকার গোলেই। এরপর সাগরিকা খেলেন এএফসির দুটি টুর্নামেন্টে সিঙ্গাপুর ও ভিয়েতনামে। সেখানেও গোল পেয়েছেন ভিয়েতনামে। ফিলিপাইনের কাছে ৩-১ গোলে হারের ম্যাচে একমাত্র গোলটি সাগরিকার।

নেপালের বিপক্ষে সাগরিকার খেলা দেখে উচ্ছ্বসিত তাজুল ইসলাম, এই মেয়েদের নিয়ে যে স্বপ্ন দেখেছিলাম তাতে আমি সফল, স্বার্থক। তাজুলরা আছেন বলেই হয়তো চা-দোকানির সোনার মেয়েরা অবদান রাখে দেশের ফুটবলে।

নিউজ ট্যাগ: ঠাকুরগাঁও

আরও খবর