আজঃ শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪
শিরোনাম

সরকারি স্কুল লেখার অনুমতি পেলেন যারা

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৬ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৬ মে ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

সদ্য জাতীয়করণ হওয়া তিন ক্যাটাগরির প্রাথমিক বিদ্যালয়কে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় লেখার অনুমতি প্রদান করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। সম্প্রতি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ কামাল হোসেন চিঠি দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন।

এতে বলা হয়, সদ্য জাতীয়করণ হওয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহে নামের সঙ্গে সংযুক্ত রেজি: বেসরকারি/বেসরকারি/কমিউনিটি শব্দগুলোর পরিবর্তে সরকারি শব্দটি প্রতিস্থাপিত করা যাবে। যে সকল বিদ্যালয়ের নামের সঙ্গে সরকারি শব্দটি সংযোজিত নেই সেখানে প্রাথমিক বিদ্যালয় শব্দসমূহের পূর্বে সরকারি শব্দটি সংযোজিত হবে।

আরও পড়ুন<< ডিসেম্বর মাসের মধ্যে বিসিএসের ফল প্রকাশের পরিকল্পনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণা অনুযায়ী, ২০১৩ সালে ২৬ হাজার ১৯৩টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করা হয়। সর্বজনীন ও মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে কোনো এলাকায় প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রয়োজন হলে সরকার নিজ উদ্যোগে তা স্থাপনসহ শিক্ষক নিয়োগ দেবে। এরপর আরো কয়েকবার জাতীয়করণ করা হয়েছে। এসব স্কুল এখন থেকে সরকারি শব্দ ব্যবহার করতে পারবে।


আরও খবর
সাত নদীর পানি বিপদসীমার ওপরে

বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24




সাংবাদিকের কার্ড ঝুলিয়ে ভোটকেন্দ্রে ছাত্রলীগ নেতা

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রবিউল বাশার খান, কুমিল্লা

Image

কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সাংবাদিকের কার্ড বুকে ঝুলিয়ে বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রের কক্ষে ঘুরে বেড়াচ্ছেন উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা আবদুল জলিল। বুধবার (৫ জুন) নাঙ্গলকোটের মৌকরা ইউনিয়নের চাঁনগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ওই ছাত্রলীগ নেতাকে দেখা গেছে।

আবদুল জলিল নাঙ্গলকোট উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক। বুকে লাগানো সেই কার্ডে লেখা রয়েছে, নাম - মো. আবদুল জলিল। পত্রিকার নাম- দৈনিক প্রতিদিনের চিত্র।

সাংবাদিক কার্ড লাগিয়ে কেন্দ্রে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ করেছেন দোয়াত-কলম প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজমুল হাসান ভূঁইয়া বাছির। তিনি অভিযোগ করে বলেন, ছাত্রলীগ নেতা আবদুল জলিল সাংবাদিক কার্ড লাগিয়ে কেন্দ্রে কেন্দ্রে ঘুরছেন। তিনি আনারস প্রতীকের প্রার্থীর পক্ষে প্রভাব বিস্তার করছেন। প্রশাসনের কাছে বিচার চাই।

একই অভিযোগ করেন পালকী প্রতীকের ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী বাপ্পা সোহাগ। তিনি বলেন, এ ছাত্রলীগ নেতা কেন্দ্রে অবস্থান করে আমার ভোটে বাধা দিচ্ছেন। তিনি কখনো সাংবাদিক ছিলেন না। নির্বাচন উপলক্ষে সাংবাদিক কার্ড নিয়ে আধিপত্য বিস্তার করছেন।

অভিযোগের বিষয়ে ছাত্রলীগের নাঙ্গলকোট উপজেলার সাধারণ সম্পাদক আবদুল জলিলকে ফোন দিলে তিনি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক পরিচয় দেন। তিনি সাংবাদিক কি না এমন প্রশ্নের পর নেটওয়ার্ক সমস্যা বলে ফোন কেটে দেন।

কুমিল্লা জেলা অতিরিক্ত নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন বলেন, সে ছাত্রলীগ নেতা কি না সেটা জানি না। সে কোনো একটি পত্রিকার সাংবাদিক পরিচয় দেখিয়ে আবেদন করায় আমরা কার্ড ইস্যু করেছি।

সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মুনীর হোসাইন খান গণমাধ্যমকে বলেন, এমন খবর পাইনি। দায়িত্বে থাকা নির্বাহী ম্যাজেস্ট্রেটকে বলেছি তাকে পেলে যেন ধরে ফেলে। আমরা বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখছি।


আরও খবর



বাংলাদেশের নির্বাচন কর্মকর্তাদের ওপর মিয়ানমার থেকে গুলি বর্ষণ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
মোহাম্মদ ফারুক, কক্সবাজার

Image

সেন্টমার্টিন থেকে নৌ-পথে ফেরার সময় মিয়ানমার সীমান্ত থেকে নির্বাচন কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করে গুলি বর্ষণ করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় কেউ আহত হয়নি বলে জানা গেছে। বুধবার (৫ জুন) সন্ধ্যা ৬টার দিকে সেন্টমার্টিন দ্বীপে স্থগিত থাকা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষে টেকনাফে ফেরার পথে সাগরে এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, স্থগিত থাকা টেকনাফ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের সেন্টমার্টিন দ্বীপের একটি কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ভোটগ্রহণ শেষে স্পিডবোটযোগে সেন্টমার্টিন থেকে টেকনাফ ফেরার পথে সাগরের মাঝপথে নির্বাচন কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করে মিয়ানমার সীমান্ত থেকে গুলি চালানো হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে টেকনাফ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মেহেদী হাসান বলেন, সেন্টমার্টিন থেকে নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শেষে শাহপরীর দ্বীপের কাছাকাছি এলে মিয়ানমার অংশ থেকে অন্তত ২৫-৩০ রাউন্ড গুলি ছোঁড়া হয়। এ ছোঁড়া গুলি এসে পড়ে আমাদের বহনকারী স্পিডবোটে। তবে এ ঘটনায় কেউ আহত হননি।’

তিনি আরও বলেন, নির্বাচনি সরঞ্জাম বহনকারী স্পিডবোটে টেকনাফ সহকারী কমিশনার (ভূমি), প্রিসাইডিং কর্মকর্তা, পুলিং অফিসারসহ দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশের একটি টিমও ছিল। পরে সন্ধ্যা ৭টার দিকে তারা নিরাপদে টেকনাফে পৌঁছেছেন। ধারণা করা হচ্ছে, মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্যরা গুলি ছুড়েছে।

এ বিষয়ে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. মহিউদ্দীন আহমেদ বলেন, গুলি চালানোর ঘটনায় বিজিবির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদলিপি পাঠানো হবে।’


আরও খবর



জিহাদকে নিয়ে আনারের দেহাংশের খোঁজ চলছে ভাঙ্গরে

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৪ মে 20২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৪ মে 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
কূটনৈতিক প্রতিবেদক

Image

ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনারের মরদেহের অংশ খুঁজতে তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ সিআইডি। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার জিহাদ হাওলাদারকে সঙ্গে নিয়ে কলকাতা সংলগ্ন দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার ভাঙড়ের কৃষ্ণমাটি গ্রামের বাগজোলা খালে অভিযান চালায় সিআইডি টিম। 

এ হত্যার ঘটনায় আটককৃতদের দেওয়া তথ্য মতে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, দেহাংশ পোলেরহাট থানার ভাঙড়ের কৃষ্ণমাটি গ্রামে ফেলা হয়েছে। সিআইডি কর্মকর্তারা এ কারণে ঘটনাস্থলে গেছেন। সেখানে চলছে তল্লাশি। জিহাদ হওলাদারকেও নিয়ে আসা হয়েছে ভাঙ্গরে। দেহাংশ কোথায় ফেলা হয়েছে তা চিহ্নিত করা হচ্ছে।

সিআইডি সূত্রে জানা গেছে, পেশায় কসাই জিহাদ বাংলাদেশের খুলনা জেলার বাসিন্দা। অবৈধভাবে ভারতে অনুপ্রবেশ করেছিল। আজিমকে খুনের প্রায় দুমাস আগে অভিযুক্তরা তাকে মুম্বাই থেকে কলকাতায় নিয়ে আসে‌।

সিআইডি বলছে, জেরায় আনওয়ারুলকে খুনের কথা স্বীকার করেছে জিহাদ। তাকে জেরা করে তদন্তকারীরা জানতে পারেন, অভিযুক্ত আখতারুজ্জামানের নির্দেশেই জিহাদ সব কাজ করেছে। জিহাদ ছাড়াও আরও চারজন বাংলাদেশি নাগরিক এই কাজে তাকে সাহায্য করেছিল। আনোয়ারুল আজীমকে তারা প্রথমে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। নিহতের পরিচয় যাতে বোঝা না যায় তাই শরীরের হাড় এবং মাংস আলাদা করে ফেলে। এরপর হাড় ও মাংস টুকরো টুকরো করে কেটে ফেলে সব কিছু পলিথিন ব্যাগে ভরে ফ্ল্যাটের বাইরে গিয়ে ফেলে দেয়। বিভিন্ন গাড়িতে চড়ে কলকাতার বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরে বেড়ায় তারা।

কলকাতার একাধিক এলাকায় ফেলা হয় দেহাংশ। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, ভাঙড়ে ফেলা হয়েছে দেহাংশ। আটক অ্যাপ ক্যাব চালককে জিজ্ঞাসাবাদ করে এমনই তথ্য পেয়েছেন তদন্তকারীরা। তার দাবি অনুযায়ী, খুনের পর দেহ টুকরো টুকরো করে কাটা হয়। দেহাংশ পোলেরহাট থানার ভাঙড়ের কৃষ্ণমাটি গ্রামে ফেলা হয়েছে। সিআইডি কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গেছেন। সেখানে চলছে তল্লাশি। 

সিআইডির তদন্তে উঠে এসেছে, আজিম কলকাতায় আসার অনেক আগেই সেখানে চলে যায় অভিযুক্তরা। শহরে বসেই তারা খুনের ছক কষেছিল বলে মনে করা হচ্ছে। দুই অভিযুক্ত কলকাতার সদর স্ট্রিটের একটি হোটেলে ছিল ২ থেকে ১৩ মে পর্যন্ত। ১২ মে কলকাতায় যান আজিম। অর্থাৎ, তার আসার অন্তত ১০ দিন আগে কলকাতায় আসে ওই দুই অভিযুক্ত।

আরও খবর



ঘূর্ণিঝড় রেমালে ৮ হাজার মোবাইল টাওয়ারের নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ঘূর্ণিঝড় রেমালের তাণ্ডবে দেশের বিভিন্ন জেলা বিদ্যুৎবিহীন হয়ে পড়েছে। যার প্রভাব গিয়ে পড়েছে মোবাইলফোন সেবায়। ৪৫ জেলায় মোবাইলফোন অপারেটরদের ৮ হাজার ৪১০টি টাওয়ার নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। জরুরি ভিত্তিতে এসব টাওয়ারে বিদ্যুৎ সংযোগ পুনরায় স্থাপনে সোমবার (২৭ মে) পিডিবি, ডিপিডিসি ও বিআরইবিকে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।

বিটিআরসির সোমবার বিকেলের সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী-রোববার (২৬ মে) রাত ১০টার দিকে ৪৫ জেলায় ৩২ শতাংশ মোবাইল টাওয়ার অচল হয়ে পড়েছিল। পরে এ নিয়ে কাজ শুরু করে কর্তৃপক্ষ। সোমবার দুপুর নাগাদ ৪ শতাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ নিশ্চিত করে পুনরায় কিছু টাওয়ার সচল করা হয়। বর্তমানে ৮ হাজার ৪১০টি টাওয়ার নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন।

রেমালের তাণ্ডবে সবচেয়ে বেশি মোবাইল টাওয়ার নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন হয়েছে বরগুনায়। সেখানে থাকা ৩২৬টির মধ্যে ২৬৬টিই বন্ধ হয়ে গেছে। এছাড়া বাগেরহাট ও পিরোজপুরের ৭৮ শতাংশ, ভোলা, সাতক্ষীরা ও ঝালকাঠীতে ৭৭ শতাংশ, পটুয়াখালীতে ৭৬ শতাংশ, বরিশালে ৭১ শতাংশ, গোপালগঞ্জের ৬৬ শতাংশ, নড়াইলে ৬৪ শতাংশ, যশোরে ৫৬ শতাংশ, খুলনায় ৫০ শতাংশ টাওয়ার বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

এদিকে উপকূলীয় এলাকায় ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার (আইএসপি) অপারেটরদের ৩২০টি পপের (পয়েন্ট অব প্রেজেন্স) মধ্যে ২২৫টি অকার্যকর হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভোলা জেলার ৮৫ শতাংশ পপ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে ওই অঞ্চলের তিন লাখের বেশি গ্রাহক সেবাবঞ্চিত হচ্ছেন। সেবা সচল রাখতে তারা পোর্টেবল জেনারেটর ব্যবহার করছে বলে জানিয়েছে বিটিআরসি।

ন্যাশনওয়াইড টেলিকমিউনিকেশন ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক (এনটিটিএন) অপারটেররা জানিয়েছে, বিদ্যুৎ না থাকায় ১৫ জেলায় তাদের ১ হাজার ৯০৮টি পপ বন্ধ হয়ে গেছে। ফাইবার অ্যাট হোমের খুলনা, বারিশাল ও চট্টগ্রামের ১ হাজার ৬৯০টি পপের ব্যাটারি ব্যাকআপ শেষ হওয়ায় ৬টি লোকেশন বন্ধ রয়েছে। তবে বাহন লিমিটেডের কোনো পপ বন্ধ হয়নি বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

এদিকে সংযোগ সচল রাখতে সম্ভব সব ধরনের পদক্ষেপ নিতে অপারেটরদে তৎপর থাকার নির্দেশনা দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি। ঘূর্ণিঝড়ে টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক কেমন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তা পরে জানাবে অপারেটরটি। আর মোবাইল অপারেটর কোম্পানিগুলো জানিয়েছে দ্রুত তারা সংযোগ ফেরাতে চেষ্টা করছে।

গ্রামীণফোনের হেড অব কমিউনিকেশনস শারফুদ্দিন আহমেদ চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি এবং সম্মিলিতভাবে কাজ করছি। একটি ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম ও কন্ট্রোল রুম গঠন করা হয়েছে। সংযোগ বিচ্ছিন্ন এলাকা দ্রুত সংযোগের আওতায় ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে।

রবির কমিউনিকেশন বিভাগ থেকে গণমাধ্যমকে জানানো হয়, তারা ঘূর্ণিঝড় রেমালের সময়ে গ্রাহকদের জন্য ফ্রি মিনিট এমার্জেন্সি ব্যালান্স এবং অ্যাপে ঘূর্ণিঝড়ের আপডেট দিচ্ছে। ঝড় চলমান থাকায় নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্নতা এবং ক্ষতির বিষয়টি এখনই বলা সম্ভব হচ্ছে না।

ক্যাবল কাটা পড়া ও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় উপকূলীয় এলাকার মধ্যে খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, পিরোজপুর এলাকা পুরোপুরি ব্রডব্যান্ড সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছেন ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার অব বাংলাদেশের (আইএসপিএবি) সভাপতি ইমদাদুল হক।

তিনি বলেন, দুর্যোগের কারণে ঝালকাঠি, বরগুনা, বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী, ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহের নিম্নাঞ্চলের ৯০ শতাংশ ব্রডব্যান্ড সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এতে ৬-৭ লাখ গ্রাহক ভোগান্তিতে পড়েছেন। স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে দীর্ঘস্থায়ী জোয়ার ও ঝড়-জলোচ্ছ্বাসের কারণে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার আগ পর্যন্ত সংযোগ পুনঃস্থাপন সম্ভব নয়।

মোবাইলফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ গণমাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বলেন, বিটিএসসমূহের পাওয়ার ব্যাকআপের জন্য বিকল্প জেনারেটর চালু করা জরুরি। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাবাসীর কাছ আত্মীয় এবং সরকারি সহায়তাকারী সংস্থাসমূহের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছে না। এ ব্যাপারে মন্ত্রণালয় ও বিটিআরসির জরুরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।


আরও খবর



ঈদযাত্রায় বাড়তি ভাড়া আদায় করলে ব্যবস্থা: পুলিশ

প্রকাশিত:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

এবারের ঈদযাত্রায় কোনো পরিবহন বাড়তি ভাড়া আদায় করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মুনিবুর রহমান।

বুধবার (১২ জুন) সকালে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই কথা বলেন।

ঈদে প্রতি বছরই বাড়তি ভাড়া আদায় করা হয়। এই অভিযোগ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মুনিবুর রহমান বলেন, আপনারা জানেন যে, প্রতিটি বাস টার্মিনালে সার্ভিলেন্স টিম আছে। সার্ভিলেন্স টিম কিন্তু বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়ে হয়। সেখানে পুলিশের প্রতিনিধি, বিআরটিএ এর প্রতিনিধি, সিটি করপোরেশনের প্রতিনিধি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট থাকে। ভাড়ার চার্ট অনুযায়ী তা আদায় হচ্ছে কি না, ভাড়া দুই থেকে তিন গুণ বেশি আদায় করা হচ্ছে কি না অথবা বাড়তি ভাড়া নেওয়া হচ্ছে কি না এগুলো দেখভালের দায়িত্ব সার্ভিলেন্স টিমের।

এই কর্মকর্তা বলেন, পাশাপাশি ভ্রাম্যমাণ আদালত থাকে। যেখানে অযাচিতভাবে ভাড়া আদায় করা হয় এমন কোনো অভিযোগ এলে সেখানে কিন্তু কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা গ্রহণ করে। বাড়তি ভাড়া নিয়ে নিয়মের ব্যত্যয় ঘটালে সার্ভিলেন্স টিম প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

লোকাল বাসগুলো যাত্রী নিয়ে ঈদের সময় ঢাকার বাইরে যায় এটা কীভাবে আপনারা ঠেকাবেন-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অনেক সময় তাদের আটকানো যায় না। কিন্তু আটকানো না গেলেও আমরা তাদের বিরুদ্ধে ভিডিও মামলা করতে পারব। পরে যেন তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া যায়। আমরা যদি তাদের রুট পারমিট ও ফিটনেসবিহীন গাড়ি শনাক্ত করতে পারি, আইন অনুযায়ী যে ব্যবস্থা গ্রহণ করার সেটা গ্রহণ করতে পারব।

পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ঈদের এক থেকে দুই দিন আগে কিন্তু প্রেশারটা বাড়ে। তখন বেশির ভাগ শ্রমিক যায়। হয় সেটা একদিন অথবা দুই দিনে। ঢাকার আশেপাশে কিন্তু অনেক গার্মেন্টস শ্রমিক আছে। তারা বাড়ি যেতে চায়।

ঢাকার গাড়ি বাইরে যাওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, যারা ট্রিপ নিয়ে ঢাকার বাইরে যায় তারা ফিরে আসার সময় ঢাকা, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জের দিকে আসতে পারে না। তখন শ্রমিকরা লোকাল বাসগুলো জোর-জবরদস্তি করে দখল করে গ্রামে চলে যায়। আগাম যাত্রীরা যখন চলে যেতে পারে না তখন এই গ্যাপটা পূরণ করার জন্য ঢাকার লোকাল বাসগুলো বাইরে যায়।


আরও খবর
সাত নদীর পানি বিপদসীমার ওপরে

বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24