আজঃ বৃহস্পতিবার ০৯ ডিসেম্বর ২০২১
শিরোনাম

শতাব্দীর দীর্ঘতম চন্দ্রগ্রহণ শুক্রবার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৮ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ নভেম্বর ২০২১ | ৮২০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বছরের শেষ চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে আগামীকাল ১৯ নভেম্বর শুক্রবার। এই গ্রহণেরও একাধিক গুরুত্ব রয়েছে। শতাব্দীর দীর্ঘতম চন্দ্রগ্রহণ এটি। তবে এটা পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ নয়। আংশিক চন্দ্রগ্রহণ। এই চন্দ্রগ্রহণের ১৫ দিন পর ৪ ডিসেম্বর সূর্যগ্রহণ। জ্যোতির্বিদরা জানিয়েছেন, ১৯ নভেম্বর শুক্রবার সকাল ১১টা বেজে ৩৪ মিনিট থেকে শুরু হবে এই চন্দ্রগ্রহণ । শেষ হবে বিকেল ৫টা বেজে ৩৩ মিনিটে।

উত্তর-পূর্ব ভারত থেকে দেখা যাবে এই চন্দ্রগ্রহণ। ভারতে মূলত অরুণাচল প্রদেশ ও আসাম থেকে দেখা যাবে গ্রহণ। ভারতের পাশাপাশি এই চন্দ্রগ্রহণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, উত্তর ইউরোপ, পূর্ব এশিয়া, অস্ট্রেলিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল থেকেও দেখা যাবে। বাংলাদেশে এই গ্রহণ দেখার সম্ভাবনা নেই।

চন্দ্রগ্রহণ কখন হয়? বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা অনুযায়ী, পূর্ণিমার দিনে সূর্য ও চাঁদের মাঝে যখন পৃথিবী চলে আসে, সূর্য-পৃথিবী-চাঁদ যখন এক সরলরেখায় হয়ে যায়, তখনই চন্দ্রগ্রহণ হয়। এক্ষেত্রে পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ হয়।

অন্যদিকে পৃথিবী যখন ঘুরতে ঘুরতে সূর্য ও চাঁদের মাঝখানে চলে এলেও পুরোপুরি এক সরলরেখায় থাকে না, তখন হয় আংশিক চন্দ্রগ্রহণ। এক্ষেত্রে পুরো চাঁদটা নয়, চাঁদের একটা অংশ পৃথিবীর ছায়ায় ঢাকা পড়ে যায়।

৬৪৮ বছর পর দেখা যাবে এই ধরনের চন্দ্রগ্রহণ

জানা গিয়েছে, শেষবার ১৪৪০ সালে এই ধরনের চন্দ্রগ্রহণ দেখা গিয়েছে। ফের দেখা যাবে ২০২১-এর ১৯ নভেম্বর। এরপর ৬৪৮ বছর পর দেখা যাবে এই ধরনের চন্দ্রগ্রহণ। সালটা হবে ২৬৬৯ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি।


আরও খবর
বিজয়ের মাসেই ফাইভ-জি

বুধবার ০১ ডিসেম্বর ২০২১




প্রতিশোধ নেওয়া হলো না ব্রাজিলের

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ নভেম্বর ২০২১ | ৩৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বিশ্বকাপ নিশ্চিত হয়ে গেছে। তবু যেন এই ম্যাচে তিনটি পয়েন্ট পেতেই মরিয়া ছিল ব্রাজিল। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হচ্ছে দল, এমন ম্যাচে কি জয় ছাড়া অন্য কিছু ভাবা যায়? তার ওপর গেল জুলাইয়ে তাদেরই মাঠে তাদের হারিয়ে কোপা আমেরিকার শিরোপা জিতেছিল আর্জেন্টিনা। সে প্রতিশোধ নেওয়া হয়নি ব্রাজিলের। লিওনেল মেসিদের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্রয়ে বাধ্য হতে হয়েছে নেইমারহীন ব্রাজিলকে।

দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর এই লড়াইকে লাতিন আমেরিকায় ডাকায় হয় সুপারক্লাসিকো নামে। তবে এবারের ক্লাসিকোর ক্লাসিক তকমা যেন কিছুটা মলিন হয়েছিল নেইমারের অনুপস্থিতিতে। আগের দিনই চোট পান তিনি। ফলে এই ম্যাচ খেলতে আর্জেন্টিনার মাটিতে পা-ই রাখেননি পিএসজি তারকা। ব্রাজিল থেকে সরাসরি চলে গেছেন প্যারিসে।

নেইমার ছিলেন না; মাঝমাঠে যার সঙ্গে গড়ে ওঠে তার রসায়ন, সেই লুকাস পাকেতাও ছিলেন এদিন তার ছায়া হয়েই। নিষেধাজ্ঞার কারণে ছিলেন না ক্যাসেমিরো, তার বদলে দলে আসা ফ্যাবিনিও ছাপ ফেলতে পারেননি দলের মাঝমাঠে। ব্রাজিলের বলের দখলেও ছাপ পড়েছে বেশ। শুরুর দশ মিনিটে সেলেসাওরা বলের দখলেই ছিল কেবল মিনিট তিনেকের মতো সময়। পরে সেটা কাটিয়ে উঠেছে দলটি, তবে পুরো ম্যাচে বলের দখলে আর্জেন্টিনার আধিপত্যই ছিল বেশি। খেলা শেষে ৫৭ শতাংশ বলের দখল সাক্ষ্য দেয় তারই।

ওদিকে আর্জেন্টিনা নিজেদের চিরচেনা ৪-৩-৩ ছকে বলের দখল উপভোগ করেছে বেশ। চোট মাঝমাঠে ফিরেছেন লিয়ান্দ্রো পারেদেস, মেসিও ফিরেছিলেন শুরুর একাদশে। তবে সুযোগটা পুরোপুরি কাজে লাগাতে পারেনি আলবিসেলেস্তেরা। ম্যাচের অর্ধেকেরও বেশি সময় বলের দখল নিয়েও যে গোলের দেখা পায়নি দলটি!

তবে ব্রাজিল দলে নেইমার না থাকলেও অন্তত আক্রমণে আর্জেন্টিনার চেয়ে পিছিয়ে ছিল না তিতের দল। আর্জেন্টিনার মতোই ৯টি শট নিয়েছে দলটি, যদিও মেসিদের চেয়ে একটি কম, দুটো শট ছিল লক্ষ্যে। ফাউলের দিক থেকে এ ম্যাচে দুই দলই লড়েছে সমানে সমানে। ২১টি করে ফাউল করেছে ব্রাজিল আর আর্জেন্টিনা। তাতে একটা রেকর্ডও গড়া হয়ে গেছে দল দুটোর, কনমেবল অঞ্চলের চলতি বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে এরচেয়ে বেশি ফাউল হয়নি আর কোনো ম্যাচেই।

এ তো গেল কেবল সংখ্যার খেলা, কিন্তু ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার এ দ্বৈরথ তো বিশ্বজোড়া খ্যাতি পেয়েছে ভিন্ন কারণে; দারুণ সুন্দর, আক্রমণাত্মক ফুটবলের কারণে। সে আক্রমণাত্মক ফুটবলটাই যেন দেখা গেল না ম্যাচে। দুই দলই ছিল নিজেদের ছায়া হয়ে।

প্রথমার্ধে বলার মতো আক্রমণ হয়েছে কেবল দুটো। প্রথমটা এলো ব্রাজিলের পক্ষে। মাঝমাঠ থেকে পাকেতার দারুণ এক পাস বক্সের একটু আগে খুঁজে পায় ভিনিসিয়াস জুনিয়রকে। যদিও আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজকে প্রায় একা পেয়ে যাওয়ার পরও বলটা লক্ষ্যেই রাখতে পারেননি রিয়াল মাদ্রিদ ফরোয়ার্ড। বিরতির একটু আগে রদ্রিগো ডি পলের কাছে এসেছিল সুযোগ। তবে ব্রাজিল রক্ষণ সেটা সামলেছে ভালোভাবেই।

বিরতির পরও চিত্রটা বদলায়নি খুব একটা। ব্রাজিল দুটো সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি। প্রথমটা অবশ্য ভাগ্যের ফেরে, মিডফিল্ডার ফ্রেডের বক্সের বাইরে থেকে করা শট ফেরে ক্রসবারে লেগে। ৭০ মিনিটে ভিনিসিয়াস সুযোগ পেলেও তা তুলে দেন গোলরক্ষকের হাতে। আর্জেন্টিনার সুযোগটা এসেছিল ম্যাচের অন্তিম সময়ে। বক্সের একটু বাইরে ডি পলের পাস থেকে মেসির নিচু শটও রুখতে সমস্যা হয়নি ব্রাজিল গোলরক্ষক অ্যালিসনের। এর ফলে গোলহীন ড্রতেই শেষ হয় ম্যাচ।

এই ড্রয়ের ফলে সব মিলিয়ে ২৭ ম্যাচ ধরে অপরাজিত রইলো আর্জেন্টিনা। সবশেষ ২০১৯ সালের কোপা আমেরিকার সেমিফাইনালে এই ব্রাজিলের কাছেই হারে স্ক্যালোনির শিষ্যরা। এরপর থেকেই হারের বিস্বাদ নেয়নি আলবিসেলেস্তেরা। ওদিকে ব্রাজিলও তাদের গোল না হজম করার পণ অক্ষত রাখল, ১৩ ম্যাচ খেলে ১০টিতেই ক্লিনশিট রেখেছে তিতের শিষ্যরা।

এই ড্রয়ের ফলে ১৩ ম্যাচ থেকে ২৯ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার দুইয়ে আছে আর্জেন্টিনা। নিজেদের পরবর্তী ম্যাচে আগামী ২৭ জানুয়ারি চিলির বিপক্ষে খেলবেন মেসিরা। আর ইতোমধ্যেই বিশ্বকাপ নিশ্চিত করে ফেলা ব্রাজিল সেদিন খেলবে ইকুয়েডরের বিপক্ষে।

 


আরও খবর
মেসির সামনেই রেকর্ড ভেঙে দিলেন এমবাপে

বৃহস্পতিবার ০৯ ডিসেম্বর ২০২১




১৮ বছর পর মালদ্বীপকে হারাল বাংলাদেশ

প্রকাশিত:শনিবার ১৩ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ নভেম্বর ২০২১ | ৫৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
ম্যাচের তখন ১০ মিনিট। মালদ্বীপের অর্ধে থ্রো ইন করে বাংলাদেশ। ডিফেন্ডার রহমত মিয়া লম্বা থ্রো করেন। বক্সের মধ্যে তৈরি হয় জটলা

রেফারির শেষ বাঁশি বাজল। বাংলাদেশের ডাগ আউটে বয়ে গেল উচ্ছ্বাসের ঝড়। কোনো ট্রফি নয়, গ্রুপ পর্বের সাধারণ একটি ম্যাচ জয়। এরপরও এই জয় জামালদের এনে দিয়েছে বিশেষ প্রশান্তি। ২০০৩ সালের পর বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল মালদ্বীপকে হারাতে পারেনি।

আন্তর্জাতিক ফুটবলে সাম্প্রতিক সময়ে ম্যাচের অন্তিম মুহূর্তে বাংলাদেশ পয়েন্ট হারিয়েছে। আজ (শনিবার) অবশ্য ভাগ্য বিধাতা বাংলাদেশের দিকে তাকিয়েছে। ৮৭ মিনিটে বাংলাদেশ মালদ্বীপের বিপক্ষে পেনাল্টি পায়। সেই পেনাল্টি থেকে তপু বর্মণ গোল করেন। এই গোলে বাংলাদেশ ২-১ গোলে মালদ্বীপকে হারিয়েছে।

২০০৩ সালের পর বাংলাদেশ আর মালদ্বীপকে হারাতে পারেনি। ১৮ বছর পর জামাল-তপুদের হাত ধরে এল এই জয়। গত মাসে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে এই মালদ্বীপের বিপক্ষে মালেতে বাংলাদেশ ০-২ গোলে হেরেছিল। এই জয়ে সাফের সেই হারানো ক্ষতেও কিছুটা প্রলেপ লাগল।

গত ম্যাচে বাংলাদেশ সিশেলসের বিপক্ষে ড্র করেছিল ৮৭ মিনিটের গোলে। সাফে নেপাল বাংলাদেশের বিপক্ষে পেনাল্টি পেয়েছিল ৮০ মিনিটের পর। এবার অবশ্য ঘটনা উল্টো হয়েছে। ৮৭ মিনিটে পেনাল্টিতে পায় বাংলাদেশ। জুয়েল রানাকে বক্সের মধ্যে অবৈধভাবে ফেলে দেন মালদ্বীপের গোলরক্ষক।

রেফারি পেনাল্টির বাঁশির পাশাপাশি গোলরক্ষককে কার্ড দেখান। তপু বর্মণ পেনাল্টি শট নেন। ডিফেন্ডার হলেও তিনি পেনাল্টিতে খুবই সিদ্ধহস্ত। তপু বর্মণের নেওয়া শট ঠেকাতে মালদ্বীপের গোলরক্ষক বাঁ দিকে ঝাঁপ দেন। তপু শট ডান দিকে কোনাকুনি শট নেন। বাংলাদেশ ২-১ গোলের লিড পায়।

ম্যাচের তখন ১০ মিনিট। মালদ্বীপের অর্ধে থ্রো ইন করে বাংলাদেশ। ডিফেন্ডার রহমত মিয়া লম্বা থ্রো করেন। বক্সের মধ্যে তৈরি হয় জটলা। বাংলাদেশের ফরোয়ার্ড ও মালদ্বীপের ডিফেন্ডাররা হেডের জন্য লাফালেও বল পাননি। বল ড্রপ করে বাংলাদেশের অধিনায়ক জামাল ভূইয়ার কাছে যায়। জামাল ফাঁকা পোস্টে গোল করতে ভুল করেননি।

গোললাইন ক্রস করার আগেই সহকারী রেফারি অফ সাইডের পতাকা উঠান। বাংলাদেশের ফুটবলাররা রেফারিকে জেরা করেন। রেফারি কিছুটা সময় নিয়ে সহকারী ও চতুর্থ রেফারির সঙ্গে আলোচনা করে গোলের বাঁশি বাজান।

বাংলাদেশ লিড নেওয়ার পর আরো আক্রমণাত্মক খেলে। গোলের সুযোগ সেভাবে তৈরি করতে পারেনি। ৩২ মিনিটে মালদ্বীপ ম্যাচে সমতা আনে। আলী আশফাকের কর্নার বাংলাদেশের ডিফেন্ডার ক্লিয়ার করতে পারেননি। মালদ্বীপের ফরোয়ার্ড আনমার্কড ছিলেন। প্লেসিংয়ে ম্যাচে সমতা আনেন।

বাংলাদেশের পরবর্তী ম্যাচ স্বাগতিক শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। চার পয়েন্ট নিয়ে বাংলাদেশ ফাইনালে পথে রয়েছে। আজ রাতে শ্রীলঙ্কা সিলেশসের মোকাবেলা করবে।


আরও খবর
মেসির সামনেই রেকর্ড ভেঙে দিলেন এমবাপে

বৃহস্পতিবার ০৯ ডিসেম্বর ২০২১




বাংলাদেশের জনগণই ‘এসডিজি প্রোগ্রেস অ্যাওয়ার্ড’র প্রকৃত অংশীদার

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ নভেম্বর ২০২১ | ৪৪৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বাংলাদেশের জনগণই এসডিজি প্রোগ্রেস অ্যাওয়ার্ড-এর প্রকৃত অংশীদার বলে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেছেন, এ পুরস্কার শত প্রতিকূলতার মাঝেও বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে যেমন বিশ্ব দরবারে তুলে ধরছে, তেমনি বাংলাদেশের সক্ষমতার ওপর বিশ্ববাসীর আস্থাকে দৃঢ়তর করছে। আমি মনে করি, বাংলাদেশের জনগণই এ পুরস্কারের প্রকৃত অংশীদার।

প্রধানমন্ত্রী বুধবার (১৭ নভেম্বর) সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে ঢাকা-১১ আসনের সংসদ সদস্য এ কে এম রহমতুল্লাহর এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, করোনা মহামারিতে সৃষ্ট বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকোচন, ভ্যাকসিন বৈষম্য প্রভৃতি বিশ্বের অনেক দেশেরই উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করেছে। এ মহামারির মধ্যেও বাংলাদেশ যে অবিচলভাবে টেকসই উন্নয়ন অভিষ্ট অর্জনে এগিয়ে যাচ্ছে, এ পুরস্কার তারই বিশ্ব স্বীকৃতি।

তিনি বলেন, স্বাধীনতা অর্জন থেকে আজকের যতো অর্জন, সবই হয়েছে দেশের মানুষের সমর্থন ও ভালোবাসার জন্য। আমি দেশের জনগণকে এ পুরস্কার উৎসর্গ করেছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এসডিএসএনের প্রেসিডেন্ট প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ প্রফেসর জেফ্রি স্যাক্সের নিকট হতে বাংলাদেশের পক্ষে আমি এ সম্মাননাটি গ্রহণ করি। সম্মাননা প্রদানকালে করোনা মহামারির এ কঠিন সময়ে বাংলাদেশ ও বিশ্ব অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার জন্য আমাকে জুয়েল ইন দ্য ক্রাউন বলে অভিহিত করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, দারিদ্র্য দূরীকরণ, পৃথিবীর সুরক্ষা এবং সবার জন্য শান্তি ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে পদক্ষেপ গ্রহণের সর্বজনীন আহ্বানে সাড়া দিয়ে বাংলাদেশের সঠিক পথে অগ্রসরের জন্য এ স্বীকৃতি প্রদান করা হয়েছে। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে বলিষ্ঠ নেতৃত্বের জন্য এ পুরস্কারপ্রাপ্তি বাংলাদেশের এক অনন্য অর্জন।


আরও খবর



রামপুরা ব্রিজ অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩০ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ৩০ নভেম্বর ২০২১ | ২৯১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাজধানীর রামপুরা এলাকায় বাসের চাপায় এসএসসি পরীক্ষার্থী মাঈনুদ্দিন ইসলাম (১৯) নিহত হওয়ার ঘটনায় রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (৩০ নভেম্বর) সকাল ১০টা থেকে রামপুরা ব্রিজের কাছে বিক্ষোভ শুরু করেন তারা।

এ সময় প্ল্যাকার্ড হাতে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন এবং স্কুল শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনার বিচার দাবি করেন। এছাড়া নিরাপদ সড়কের দাবি করেন শিক্ষার্থীরা।

এর আগে সোমবার দিবাগত রাত ১০টার দিকে রামপুরা এলাকায় বাসের চাপায় মাঈনুদ্দিন ইসলাম নিহত হয়। সে এ বছর একরামুন্নেছা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষার্থী দিচ্ছিলো। তাদের বাসা পুর্ব রামপুরা মোল্লা বাড়ি। মাইনুল পশ্চিম রামপুরায় বন্ধুর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিল। ফেরার পথে অনাবিল নামে একটি বাস তাকে চাপা দেয়।


আরও খবর



খালেদা জিয়া জীবন-মৃত্যুর সঙ্গে সংগ্রাম করছেন: ফখরুল

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৮ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ নভেম্বর ২০২১ | ৫০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
দীর্ঘ আড়াই বছর তিনি নির্জন কারাবাসে ছিলেন। যার ফলে অনেকগুলো ব্যাধি তার শরীরে বাসা বেঁধেছে। সেখানে কোনো চিকিৎসার সুযোগ ছিল না

বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া জীবন-মৃতুর সঙ্গে সংগ্রাম করছেন বলে জানিয়েছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেছেন, এভারকেয়ারের চিকিৎসকরা জানিয়েছেনতারা প্রাণপণ চেষ্টা করছেন। উনার (খালেদা জিয়া) অসুখ এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে দেশের বাইরে চিকিৎসা করানো খুব জরুরি।

বৃহস্পতিবার (১৮ নভেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক আলোচনা সভায় বিএনপি মহাসচিব এসব কথা বলেন। এসময় তিনি খালেদা জিয়ার চিকিৎসার সঙ্গে রাজনীতিকে না জড়ানোর আহ্বানও জানান। মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এ আলোচনা সভার আয়োজন করে বিএনপি।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ডাক্তাররাই বলছেন, তাকে বিদেশে পাঠালে তিনি সুস্থ্য হবেন। এটা তারা (চিকিৎসকরা) আশা করেন। এখানে যে ধরনের চিকিৎসা ব্যবস্থা আছে, তা যথেষ্ট নয়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছেন, উনার (খালেদা জিয়া) অসুখগুলো সারিয়ে তুলতে তারা পুরোপুরি সক্ষম নই।

তিনি বলেন, বিদেশে চিকিৎসাটা বড় জরুরি। এ কথা বারবার বলা হয়েছে। আজকে অন্যান্য দলগুলোও বলছে, সবাই বলছে। কিন্তু আওয়ামী লীগ এবং আওয়ামী লীগের নেত্রী সম্পূর্ণভাবে গ্রহণ করছেন না।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা আবারও বলছি, আবারও আহ্বান জানাতে চাই, অবিলম্বে বেগম খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানের ব্যবস্থা করুন। তার জীবন রক্ষা করুন। এর সঙ্গে রাজনীতিকে নিয়ে আসবেন না।

তিনি বলেন, এ নেত্রীকে অপমান করা মানে বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে অপমান করা। কারণ ১৯৭১ সালে তিনি গৃহবন্দি ছিলেন। যে নেত্রী গণতন্ত্রের জন্য তার সারাটা জীবন অতিবাহিত করলেন। যিনি একজন গৃহবধূ ছিলেন, শুধু জনগণের অধিকার আদায়ের করার জন্য তিনি রাস্তায় বেরিয়ে এসেছিলেন। সেই নেত্রীকে আজকে অন্যায়ভাবে, বেআইনিভাবে একটা মিথ্যা মামলা সাজিয়ে আজকে আটকে রাখা হয়েছে বছরের পর বছর ধরে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, দীর্ঘ আড়াই বছর তিনি নির্জন কারাবাসে ছিলেন। যার ফলে অনেকগুলো ব্যাধি তার শরীরে বাসা বেঁধেছে। সেখানে কোনো চিকিৎসার সুযোগ ছিল না। সে চিকিৎসা না দেওয়ার ফলে আজকে তার অনেক রোগ দেখা দিয়েছে।’

এদিকে, খালেদা জিয়ার উন্নত চিকিৎসার দাবিতে আগামী শনিবার (২০ নভেম্বর) সারাদেশে গণঅনশন কর্মসূচি পালন করবে বিএনপি। এ প্রসঙ্গে ফখরুল বলেন, বেগম খালেদা জিয়াকে বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ দেওয়া হবে না এটা অমানবিক। আমরা অনতিবিলম্বে তার জীবন রক্ষার জন্য তাকে বিদেশে চিকিৎসা গ্রহণের ব্যবস্থা করার জন্য জোর দাবি জানাচ্ছি। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও সুচিকিৎসার জন্য বিদেশে চিকিৎসার দাবিতে আগামী ২০ নভেম্বর সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ঢাকায় কেন্দ্রীয়ভাবে ও সারাদেশে মহানগর ও জেলা পর্যায়ে গণঅনশন পালনের দাবিতে আমি সবাইকে আহ্বান জানাচ্ছি।’

তিনি আরও বলেন, আমাদের ঢাকায় যে কর্মসূচি সেটি ভেন্যু পাওয়া সাপেক্ষে, আমরা যদি ভালো ভেন্যু পাই তবে সেখানে করবো। তবে কোথাও যদি ভেন্যু না পাই সেক্ষেত্রে আমাদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই গণঅনশন কর্মসূচি পালন করবো।’

আলোচনা সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তৃতা করেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, শামসুজ্জামান দুদু, ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমান, দক্ষিণের আহ্বায়ক আব্দুস সালাম প্রমুখ।

নিউজ ট্যাগ: খালেদা জিয়া

আরও খবর