আজঃ বুধবার ০৪ আগস্ট ২০২১
শিরোনাম

স্ত্রীর পরকীয়ার জেরে হত্যার শিকার আইনজীবী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৭ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৭ জুন ২০২১ | ২১৮জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

স্ত্রী শিপা বেগম স্বজনদের ফোন করে তার স্বামীর মৃত্যুর খবর জানান। তার স্বামী ডায়াবেটিসে মারা গেছেন বলে প্রচার করেন। স্ত্রীর কথা বিশ্বাস করেন স্বজনরাও। এর পর আইনজীবী আনোয়ারের লাশ দাফন করা হয়। তবে স্বামীর মৃত্যুর ১০ দিনের মাথায় শিপা এক যুবককে বিয়ে করেন। এ খবরে নড়েচড়ে বসে আনোয়ারের পরিবার; মামলাও করে শিপাকে আসামি করে।

এ ঘটনায় বুধবার দুপুরে স্ত্রীর পরকীয়ার জেরে হত্যার শিকার আইনজীবী আনোয়ার হোসেনের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কবর থেকে তোলা হয়। আদালতের নির্দেশে সদর উপজেলার শিবের বাজারের দীঘিরপাড়ে পারিবারিক কবরস্থান থেকে তার লাশ তোলা হয়।

পরে আনোয়ারের লাশ সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মেজবাহ উদ্দিন জানান, আদালতের নির্দেশে অ্যাডভোকেট আনোয়ারের লাশ কবর থেকে তোলা হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর তার লাশ পুনরায় কবর দেওয়া হবে।

স্বামীর মৃত্যুর ১০ দিনের মাথায় তিনি সিলেট জেলা ছাত্রদলের সহসাংগঠনিক সম্পাদক শাহজাহান চৌধুরী মাহি নামে এক যুবককে বিয়ে করেন।

বিয়ের পর শিপা জানান, তাদের দুজনের মধ্যে আগে থেকেই প্রেমের সম্পর্ক ছিল তাই বিয়ে করেছেন। ভাইয়ের মৃত্যুর পর ভাবির বিয়ে নিয়ে সন্দেহ হলে খোঁজখবর নেন আনোয়ারের ভাই মনোয়ার হোসেন। পরে তিনি মামলা করেন। গ্রেফতার করা হয় শিপা বেগমকে। পরে তিনি স্বামীকে ১০টি ঘুমের ট্যাবলেট খাইয়ে হত্যা করেন বলে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

নিউজ ট্যাগ: পরকীয়া

আরও খবর



কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় অটোরিকশার ৪ যাত্রী নিহত

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩০ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ৩০ জুলাই ২০২১ | ৬২জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী সদর উপজেলার উত্তর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় সিএনজিচালিত অটোরিকশা চার যাত্রী নিহত হয়েছেন।

শুক্রবার (৩০ জুলাই) বিকেল ৫টার দিকে রংপুর-ঢাকা মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।

স্থানীয়রা জানান, বিকেলে যাত্রীবাহী একটি অটোরিকশা পলাশবাড়ীর দিকে যাচ্ছিল। পথে ওই বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন প্রশিকা অফিসের সামনে রংপুরগামী পণ্যবাহী একটি কাভার্ডভ্যান অটোরিকশাটিকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই অটোরিকশার চার যাত্রী নিহত হন।

গাইবান্ধা সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) উদয় কুমার সাহা বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: সড়ক দুর্ঘটনা

আরও খবর



ময়মনসিংহ মেডিকেলে একদিনে সর্বোচ্চ ১৭ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৮ জুলাই ২০২১ | ১১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৭ জন মারা গেছেন। এর মধ্যে করোনা আক্রান্ত ৫ জন ও উপসর্গ নিয়ে ১২ জন প্রাণ হারিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকালে করোনা ইউনিটের ফোকালপারসন ডা. মহিউদ্দিন খান মুন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

করোনায় মৃত ব্যক্তিরা হলেন, ময়মনসিংহ সদরের ইদুন্নেসা (৮০), শামসুল আলম (৭৫), কুলসুম আক্তার (৫৫), শেরপুর সদরের বিশ্বজিত দেব (৫৪) ও ঝিনাইগাতির মোর্শেদা (৬৫)।

উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া ব্যক্তিরা হলেন, ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ার ইব্রাহিম (৫০), নান্দাইলের রুপা (১৯), সদরের ডা. মো. মোস্তফা (৭৩), আব্দুল আজিজ (৪২), জামালপুর সদরের আবু বক্কর (৫৯), মোজাহিদ (২২), সরিষাবাড়ির নারগিস (২২), শেরপুর সদরের রিপন ঘোষ (৪৫), রাশিদা বেগম (৪০), নালিতাবাড়ির শামিমা বেগম (৪৫), নেত্রকোনা সদরের হোসেন আলী (৮০) ও আব্দুল জব্বার (৯২)।

ডা. মহিউদ্দিন খান মুন বলেন, আইসিইউর ২১ জনসহ মোট ৩৭১ জন রোগী করোনা ইউনিটে ভর্তি আছেন। নতুন ভর্তি হয়েছেন ৫৫ জন, সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২৯ জন। করোনা ইউনিটে নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছেন ২৪৪ জন।

ময়মনসিংহ জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পিসিআর ল্যাব ও এন্টিজেন টেস্টে ৬৪৫টি নমুনা পরীক্ষা করে ২৩৬ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।



আরও খবর



শ্রমিকদের ফেরাতে লঞ্চ চলাচলের সময় বাড়ছে: বিআইডব্লিউটিএ

প্রকাশিত:রবিবার ০১ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০১ আগস্ট ২০২১ | ৯১৪জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
লঞ্চ চলাচল অব্যাহত থাকবে, এমন একটি নির্দেশনা আমরা পেয়েছি। অনেক যাত্রী, সরকার যে উদ্দেশ্যে লঞ্চ চলাচল খুলে দিয়েছে সেটা ১২টার মধ্যে পূরণ হবে না

পোশাক কারখানাসহ রপ্তানিমুখী শিল্প-কারখানায় কাজে যোগ দিতে শ্রমিকদের পরিবহনের জন্য লঞ্চ চলাচলের সময় আগামীকাল সকাল ৬টা পর্ন্ত বাড়ানো হয়েছে। তবে তারপরও লঞ্চ চলাচল অব্যাহত থাকবে কিনা সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট করে কিছু বলা হয়নি।

বিআইডব্লিউটিএর কর্মকর্তা মোবারক হোসেন মজুমদার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, যাত্রীদের চাপের কারণে লঞ্চ চলাচলের সময় বাড়িয়ে আগামীকাল সকাল ৬টা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।

গতকাল রবিবার (১ আগস্ট) দুপুর ১২টা পর্যন্ত লঞ্চ চলাচলের অনুমতি দিয়েছিল সরকার।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) পরিচালক (নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা) মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেন, লঞ্চ চলাচল অব্যাহত থাকবে, এমন একটি নির্দেশনা আমরা পেয়েছি। অনেক যাত্রী, সরকার যে উদ্দেশ্যে লঞ্চ চলাচল খুলে দিয়েছে সেটা ১২টার মধ্যে পূরণ হবে না। সেজন্য সময় বাড়ানো হয়েছে।

কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যে আজ রবিবার (১ আগস্ট) থেকে রপ্তানিমুখী শিল্প-কারখানা খুলে দিয়েছে সরকার। এই ঘোষণার পর গতকাল শনিবার ঢাকামুখী মানুষের ঢল নামে। গণপরিবহন বন্ধ থাকায় ঈদে বাড়ি গিয়ে কঠোর বিধিনিষেধে আটকে পড়া শ্রমিকরা কাজে যোগ দিতে ঝুঁকি নিয়ে কর্মস্থলে ফিরতে যে যেভাবে পারেন রওনা দেন।

উল্লেখ্য, বিধিনিষেধে সব ধরনের গণপরিবহন, সরকারি-বেসরকারি অফিস বন্ধ থাখলেও এখন রপ্তানিমুখী শিল্প-কারখানাকেও বিধিনিষেধের আওতার বাইরে রাখা হয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: বিআইডব্লিউটিএ

আরও খবর



ফকির আলমগীরের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক

প্রকাশিত:শনিবার ২৪ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ জুলাই ২০২১ | ৭৮জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাষ্ট্রপতি তার শোকবার্তায় বলেন, ফকির আলমগীরের মৃত্যুতে দেশের সঙ্গীত অঙ্গনে যে শূন্যতা সৃষ্টি হলো তা কখনো পূরণ হওয়ার নয়। তার গান তরুণ প্রজন্মের মাঝে দেশপ্রেমের নবজাগরণ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

এ সময় রাষ্ট্রপতি প্রয়াত শিল্পীর আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক শোকবার্তায় বলেন, এ দেশের সঙ্গীতাঙ্গনে বিশেষ করে গণসংগীতকে জনপ্রিয় করে তুলতে তার ভূমিকা স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

এসময় প্রধানমন্ত্রী তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

প্রসঙ্গত, গতকাল রাত ১১ টায় রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান গণসংগীতশিল্পী ফকির আলমগীর। মৃত্যুকালে ফকির আলমগীরের বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। তিনি স্ত্রী, তিন ছেলে রেখে গেছেন।

ফকির আলমগীর একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি স্বাধীনবাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী ছিলেন। ষাটের দশক থেকেই গণসংগীত করে আসছিলেন তিনি। ক্রান্তি শিল্পী গোষ্ঠী ও গণশিল্পী গোষ্ঠীর সদস্য হিসেবে ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে অসামান্য ভূমিকা রাখেন।

দেশ স্বাধীনের পর পপ ঘরানার গানে যুক্ত হন ফকির আলমগীর।পাশ্চাত্য সংগীতের সঙ্গে বাংলার লোকজ সুরের সমন্বয় ঘটিয়ে তিনি বহু গান করেছেন। সংগীতে অসামান্য অবদানের জন্য ১৯৯৯ সালে সরকার তাকে একুশে পদক দেয়।



আরও খবর



মেক্সিকোকে টাইব্রেকারে হারিয়ে ফাইনালে ব্রাজিল

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৩ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৩ আগস্ট ২০২১ | ৫২জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আবারও অলিম্পিক ফুটবলের ফাইনালে ব্রাজিল। টানা তৃতীয়বারের মতো ক্রীড়াযজ্ঞের ছেলেদের ফুটবল ইভেন্টের সোনার লড়াইয়ে লাতিন আমেরিকার দেশটি। ২০১৬ সালে রিও অলিম্পিকে সোনা জিতেছিল ব্রাজিল। শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখতে টোকিও অলিম্পিকের ফাইনাল নিশ্চিত করেছে তারা টাইব্রেকারে মেক্সিকোকে হারিয়ে।

আজ (মঙ্গলবার) সেমিফাইনালে নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়ের খেলা গোলশূন্য ড্র ছিল। ফল নিষ্পত্তির জন্য গড়ানোর টাইব্রেকারে মেক্সিকোকে ৪-১ গোলে হারিয়ে সোনার মঞ্চে উঠেছে ব্রাজিল।

নির্ধারিত ৯০ মিনিটে ব্রাজিলকে গোল করতে দেয়নি মেক্সিকো। অতিরিক্ত সময়েও কেউ লক্ষ্যভেদ করতে পারেনি। কিন্তু টাইব্রেকারে এসে গত অলিম্পিকের সোনাজয়ীদের আর আটকানো যায়নি। অলিম্পিক ফুটবলের ইতিহাসে টানা তৃতীয়বারের মতো ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে ব্রাজিল। টোকিওতে প্রথম সেমিফাইনালে সেলেসাওরা টাইব্রেকারে ৪-১ গোলে মেক্সিকোকে হারিয়ে ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে।

ব্রাজিলের হয়ে অধিনায়ক দানি আলভেস, মার্তিনেলি, গুইমারেস ও রেইনিয়ের লক্ষ্যভেদ করেছেন। বিপরীতে মেক্সিকোর আগুয়েইরোর শট গোলকিপার সান্তোস ঝাঁপিয়ে পড়ে রুখে দেন। ভাসকেজের শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। আর রোদ্রিগেস লক্ষ্যভেদ করলেও তাতে ম্যাচের ফলে কোনও বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি। ২০১২ সালের পর আবারও ফাইনালে ওঠার সুযোগ থাকলেও মেক্সিকো তা কাজে লাগাতে পারেনি। বরং আন্দ্রে জারদাইনের দল ভাগ্য পরীক্ষায় জিতে আবারও সোনা জয়ের দ্বারপ্রান্তে।

কাসিমা সকার স্টেডিয়ামে বল দখলের পাশাপাশি আক্রমণেও এগিয়ে ছিল ব্রাজিল। কিন্তু কোনও সময় প্রতিপক্ষের গোলকিপার ওচোয়ার দৃঢ়তায়, আবার নিজেদের ব্যর্থতায় গোল পাওয়া হয়নি। যদিও ম্যাচের প্রথম আক্রমণটি মেক্সিকো করেছে। ৯ মিনিটে হেনরি মার্টিনের হেড বক্সের বাইরে দিয়ে যায়। এরপরই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণে ব্রাজিল।

১৪ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া গিলহার্মের এরানার শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ৬ মিনিট পর আলভেসের পাসে বক্সের বাইরে থেকে আন্তোনির শট গোলকিপার ফিরিয়ে দেন।

২৩ মিনিটে আলেভেসের ফ্রি কিকও গোলকিপার রুখে দেন। ২৬ ব্রুনো গুইমারেসের শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। বিরতিতে যাওয়ার আগে মেক্সিকো আবারও আক্রমণে ফেরে। কিন্তু কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায়নি।

বিরতি থেকে ঘুরে এসে পাল্টা-পাল্টি আক্রমণ করে খেলা চললেও গোল আসেনি। তবে ৮২ মিনিটে ব্রাজিলের দুর্ভাগ্য। রিচার্লিসনের হেড পোস্টে লেগে ফিরে আসলে গোল পাওয়া হয়নি। যদিও টাইব্রেকার ভাগ্য ব্রাজিলের পক্ষেই ছিল। তাই তো টানা তৃতীয়বার ফাইনালে উঠে দ্বিতীয়বার সোনার স্বপ্ন দেখছে ব্রাজিল।


আরও খবর