আজঃ রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

সুদানে সেনাবাহিনী-প্যারামিলিটারি সংঘাত: জাতিসংঘ কর্মীসহ নিহত ২৭ জন

প্রকাশিত:রবিবার ১৬ এপ্রিল ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ১৬ এপ্রিল ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

উত্তর আফ্রিকার দেশ সুদানে সামরিক বাহিনীর সাথে দেশটির আধা-সামরিক বাহিনীর সংঘর্ষ ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। চলমান এই সংঘাতে দেশটিতে ২৭ জন নিহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। নিহতদের মধ্যে জাতিসংঘের তিন কর্মীও রয়েছেন।

অন্যদিকে সংঘাতে এখন পর্যন্ত প্রায় ২০০ জন আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। রোববার (১৬ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সুদানের সেনাবাহিনী এবং কুখ্যাত আধা-সামরিক বাহিনীর মধ্যে ক্ষমতার লড়াইয়ে আফ্রিকার এই দেশটি কেঁপে উঠেছে। সংঘাতে এখন পর্যন্ত ২৭ জন নিহত এবং প্রায় ২০০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। প্রতিদ্বন্দ্বী এই দুই বাহিনীর লড়াই থেকে অবশ্য রাজধানী খার্তুমে বাসিন্দারা দূরে রয়েছেন এবং সুদানের প্রেসিডেন্ট প্রাসাদ, রাষ্ট্রীয় টিভি ও সেনাবাহিনীর সদর দপ্তর দখলে নিতে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে আধা-সামরিক বাহিনী।

আরো পড়ুন: সুদানে আধাসামরিক বাহিনীর সঙ্গে সেনাবাহিনীর তুমুল সংঘর্ষ, নিহত ৩

বিবিসি বলছে, নিহতদের মধ্যে জাতিসংঘের তিনজন কর্মীও রয়েছেন। সামরিক বাহিনী ও আধা-সামরিক বাহিনীর সদস্যরা একটি সামরিক ঘাঁটিতে গুলি বিনিময়ের সময় তারা গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। সুদানের সামরিক নেতৃত্বের মধ্যে তীব্র ক্ষমতার দ্বন্দ্বই এ সংঘাতের কারণ বলে মনে করা হচ্ছে। এদিকে সুদানের সেনাবাহিনী এবং তার বিরোধী আধা-সামরিক বাহিনী র‌্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ) উভয়ই দাবি করেছে, তারা রাজধানী খার্তুমের বিমানবন্দর এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। যদিও এসব এলাকায় রাতভর লড়াই চলেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া দারফুর অঞ্চলের শহরগুলোসহ সুদানের অন্যত্রও সহিংসতার খবর পাওয়া গেছে।

সেনাবাহিনী বলেছে, বিমান বাহিনীর যুদ্ধবিমান আরএসএফর ঘাঁটিতে আঘাত করছে। একইসঙ্গে শনিবার রাতে মানুষকে তাদের বাড়িতে থাকতে বলেছে দেশটির বিমান বাহিনী। তবে খার্তুমের বাসিন্দারা বিবিসিকে তাদের আতঙ্ক ও ভয়ের কথা জানিয়েছেন। একজন জানিয়েছেন, তাদের পাশের বাড়িতে গুলি চালানো হয়েছে।

শনিবার থেকে শুরু হওয়া এই সহিংসতায় অন্তত ২৭ জন নিহত এবং প্রায় ২০০ জন আহত হয়েছে বলে জানিয়েছে সুদানের একটি চিকিৎসক ইউনিয়ন। তারা জানায়, হতাহতদের মধ্যে কতজন বেসামরিক নাগরিক তা জানা যায়নি। এর আগে, চিকিৎসকদের এই ইউনিয়নটি বলেছিল, সংঘাতে তিনজন বেসামরিক নাগরিকের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিবিসি বলছে, সুদানের পশ্চিমে কাবকাবিয়ার সামরিক ঘাঁটিতে আরএসএফ এবং সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে গুলি বিনিময়ের পর জাতিসংঘের সংস্থা বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) তিনজন কর্মচারী নিহত হয়েছেন। জাতিসংঘের এই সংস্থাটি দুর্বল সম্প্রদায়ের জন্য খাদ্য সহায়তা প্রদান করে থাকে। এছাড়া এই ঘটনায় অন্য আরও দুই কর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন। ঘটনার সময় বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির বেশ কিছু গাড়ি লুট করে আধা-সামরিক বাহিনী আরএসএফ।

উল্লেখ্য, ২০২১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে বেসামরিক সরকারকে হটিয়ে ক্ষমতা দখল করে উত্তর আফ্রিকার এই দেশটির সেনাবাহিনী। এরপর থেকে সেনাবাহিনীর জেনারেলরা স্বাধীন কাউন্সিল-এর নামে দেশ পরিচালনা করছিলেন। এই স্বাধীন কাউন্সিলের ভাইস-প্রেসিডেন্ট হলেন জেনারেল মোহামেদ হামদান দাগালো। অপরদিকে স্বাধীন কাউন্সিলের প্রধান হলেন জেনারেল আব্দেল ফাতাহ আল-বুরহান।

বেসামরিক সরকার গঠনের অংশ হিসেবে সম্প্রতি আধাসামরিক বাহিনী আরএসএফকে সেনাবাহিনীর সঙ্গে একীভূত করার একটি উদ্যোগ নেওয়া হয়। আর এই বিষয়টি নিয়েই সেনাবাহিনী এবং আরএসএফের মধ্যে দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছে।

সেনাবাহিনী বলছ, আরএসএফকে দুই বছরের মধ্যে সেনাবাহিনীর সঙ্গে একীভূত করা হবে। কিন্তু আরএসএফ বলছে এই একীভূতকরণের প্রক্রিয়া যেন অন্তত ১০ বছর পিছিয়ে দেওয়া হয়। এছাড়া সেনাবাহিনীর সঙ্গে আরএসএফকে একীভূত করলে সেনাবাহিনীর নেতৃত্ব কে দেবে এ নিয়েও দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছে।


আরও খবর
আজ নেলসন ম্যান্ডেলার জন্মদিন!

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




ছুটির সকালে রিমঝিম বৃষ্টিতে ভিজেছে ঢাকা

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৮ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

সকাল থেকে ঢাকার আকাশ ছিল মেঘলা। এতে সূর্যের দেখা পাওয়া যায়নি। ভোরের দিকে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হলেও আবার তা কিছুটা সময় থেমে থাকে। এরপর ৭টার দিকে আবারও বৃষ্টি ঝরতে শুরু করে। সরকারি ছুটির দিন হওয়ায় বেশিরভাগ মানুষই বাসায়। এরমধ্যেও যারা বের হয়েছেন তারা ছাতা মাথায় না হয় ভিজে ভিজে গন্তব্যে যান।

বঙ্গোপসাগরে মৌসুমি বায়ু মাঝারি থেকে প্রবল অবস্থায় রয়েছে জানিয়ে আবহাওয়া অফিস বলছে, দেশের সব বিভাগেই শুক্রবার (২৮ জুন) রয়েছে বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস। কোথাও কোথাও হতে পারে ভারী বর্ষণও।

সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় পথে মানুষজন কম। অধিকাংশ সড়কেই নেই যানবাহনের চাপ। হঠাৎ করে বৃষ্টি নামায় বিপাকে পড়েন পথচারীরা। বৃষ্টি নামার সঙ্গে সঙ্গে রাস্তার পাশে বিভিন্ন দোকানগুলোতে আশ্রয় নেন তারা। বৃষ্টি থেকে বাঁচতে অনেককে মেট্রোরেলের পিলারে আশ্রয় নিতে দেখা যায়।

আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায়; ঢাকা ও বরিশাল বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কয়েক দিন অব্যাহত থাকতে পারে।


আরও খবর



দুর্নীতি মামলায় ৭০ লক্ষ রুপি ফেরত দিতে চান ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

টালিউড অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত রেশন দুর্নীতি মামলায় জবাবদিহি করতে ইডি কার্যালয়ে হাজিরা দিয়ে ৭০ লক্ষ রুপি ফেরত দেয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন।

হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইডিকে ৭০ লাখ রুপি ফেরত দিতে চান ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। ইডি সূত্রের প্রাথমিক খবর অনুযায়ী, ব্যাংকের লেনদেনের তথ্যর উপর ভর করেই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ঋতুপর্ণাকে তলব করেছিলেন এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টোরেটের কর্মকর্তারা। প্রথমবার যেতে পারেননি অভিনেত্রী।

সেসময় ইমেইলের মাধ্যমে জানিয়েছিলেন, বিদেশে থাকার কারণে তার পক্ষে দেখা করা সম্ভব হচ্ছে না। দেশে ফিরেই তিনি ইডি কর্তাদের সঙ্গে দেখা করবেন। সেই মতোই গত ১৯ জুন সিজিও কমপ্লেক্সে পৌঁছে যান ঋতুপর্ণা।

ঘণ্টার পর ঘণ্টা ইডি কর্মকর্তারাদের সঙ্গে ঋতুপর্ণার নানা বিষয়ে কথা হয়। এরপর এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ইডির তদন্তে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করেছি। ওনারা কিছু নথি চেয়েছিলেন, তা জমা দিয়েছি। এই বিষয়ে এর থেকে বেশি কিছু বলতে পারব না।

জিজ্ঞাসাবাদের সময়ই এই টাকা রেশন বন্টন দুর্নীতির এক অভিযুক্তর মাধ্যমে অভিনেত্রীর অ্যাকাউন্টে এসেছিল এমনই ধারণা তাদের।

এর আগে ২০১৯ সালের জুলাইয়ে অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তকে রোজভ্যালিকাণ্ডে তদন্তকারী সংস্থা ইডি জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল। একসময় রোজভ্যালি বেশ কিছু বাংলা ছবি প্রযোজনা করেছিল।

যে ছবির কয়েকটি অভিনয়ও করেছিলেন ঋতুপর্ণা। সেই সূত্রেই ঋতুপর্ণার সঙ্গে সংস্থার কর্ণধার গৌতম কুণ্ডুর যোগাযোগ হয়েছিল বলে ইডির তরফে সে সময় জানানো হয়েছিল।


আরও খবর



প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সচেষ্ট হওয়ার নির্দেশ মসিক মেয়রের

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

Image

ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন (মসিক) এর নব-নির্বাচিত মেয়র মোঃ ইকরামুল হক টিটু বলেন, আমরা জনগণকে অনেক প্রতিশ্রুতি দিয়েছি, আমাদের কাছে জনগণের প্রত্যাশাও অনেক। সেসব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সচেষ্ট হতে হবে।

রবিবার বেলা সাড়ে ১১টায় শহীদ শাহবুদ্দিন মিলনায়তনে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের নবনির্বাচিত মেয়র ও কাউন্সিলরদের সাথে সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারিদের সাথে পরিচিতি ও মতবিনিময় সভার সভাপতির বক্তব্যে এসব বলেন মেয়র।

তিনি বলেন, বর্তমান আর্থসামাজিক অবস্থায় রাতারাতিই সবকিছু বদলে দেওয়া সম্ভব না, তবে সামর্থের সবটুকু দিয়ে চেষ্টা করা জরুরী এবং খেয়াল রাখতে হবে- সকল সময়ে আমাদের আচরণ যেন হয় জনকল্যাণমুখী।

তিনি তার বক্তব্যে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন উপহার দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে এবং তাকে পুনরায় মেয়র পদে নির্বাচিত করার জন্য নাগরিকবৃন্দের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এছাড়া বক্তব্যে তিনি যানজট, জলাবদ্ধতা, পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা, নাগরিক সেবা বৃদ্ধি, নাগরিক অভিযোগ প্রতিকার, ফুটপাত দখলমুক্তকরণসহ বিভিন্ন বিষয়ে নির্দেশনা প্রদান করেন।

তিনি আরও বলেন, ময়মনসিংহ একটি ‍পুরতন এবং ঘনবসতিপূর্ণ শহর। এ বিষয়গুলো বিবেচনায় রেখেই আমাদের সমস্যা সমাধানে সচেষ্ট হতে হবে। রাস্তার পাশে অবৈধ বাজার, ভ্রাম্যমান বাজার বন্ধ করা, নির্ধারিত জায়গা ছেড়ে বাড়ি করা নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া সড়ক প্রশস্তকরনের কাজগুলোকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।

মেয়র বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে টেকসই করতে জনসচেতনতা বৃদ্ধির প্রতি গুরুত্বারোপ করেন। তিনি প্রতিটি ওয়ার্ডে প্রতি মাসে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন করার জন্য প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তাকে নির্দেশ প্রদান করেন। এছাড়াও মেয়র বলেন, মশক নিধন, খালকে দখলমুক্ত ও পরিস্কার রাখতেও নাগরিকবৃন্দের সহযোগিতা প্রয়োজন।

মেয়র মোঃ ইকরামুল হক টিটু নাগরিক সেবা বৃদ্ধিতে সেবা প্রদানে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার, প্রশাসনিক বিকেন্দ্রেকরণ কার্যক্রম জোরদার, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির যথাযথা বাস্তবায়ন ইত্যাদি বিষয়ে জোর দেন। কর্মকর্তা-কর্মচারিদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, নাগরিক অভিযোগ প্রতিকারে এবং জনভোগান্তি লাঘবে ঢিলেঢালা ভাব দেখা গেলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সভায় প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাউন্সিলর ও কর্মকর্তা-কর্মচারিবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। সভা শেষ বর্তমান কাউন্সিলের ৮ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোঃ ফারুক হাসান এবং বিলুপ্ত ময়মনসিংহ পৌরসভার কাউন্সিলর মোঃ লিয়াকত আলী এবং লাল মিয়া লাল্টুর মৃত্যুতে দোয়া করা হয়।

সভায় ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ইউসুফ আলী, সংরক্ষিত ও সাধারণ আসনের কাউন্সিলরবৃন্দ, কর্পোরেশনের সচিব মোঃ আরিফুর রহমান, প্রধান প্রকৌশলী মোঃ রফিকুল ইসলাম মিঞা সহ অন্যান্য বিভাগ ও শাখা প্রধানগণ, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাগণ, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



সাধারণ মানুষ আমার প্রাণশক্তি, বিচ্ছিন্ন হতে চাই না: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ২৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৬ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমাকে বাঁচাতে গিয়ে আওয়ামী লীগের অসংখ্য নেতাকর্মীকে জীবন দিতে হয়েছে। যেহেতু আমার জীবন ঝুঁকিতে থাকে, সেজন্য স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের (এসএসএফ) সদস্যরা নিয়োজিত থাকে। কিন্তু নিরাপত্তার জন্য যেন জনবিচ্ছিন্ন না হয়ে যাই সেদিকটা সংবেদনশীলতার সঙ্গে দেখতে এসএসএফকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

তিনি বলেন, জনবিচ্ছিন্ন হতে গুলি-বোমা লাগে না। এমনিতেই শেষ হয়ে যায়। সাধারণ মানুষ থেকে বিচ্ছিন্ন হতে চাই না। কেননা সাধারণ মানুষই আমার প্রাণ শক্তি।

বুধবার (২৬ জুন) দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এসএসএফের ৩৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৫ আগস্টের পর যারা ক্ষমতায় এসেছিলো, তারা দেশকে এগিয়ে নিতে পারেনি। বরং ক্যু হয়েছে। বিমান বাহিনীর হাজার হাজার সদস্যকে হত্যা করা হয়েছিলো। দেশ যে তিমিরে সেই তিমিরেই রয়ে গিয়েছিলো। তবে এতো বড় গুরু দায়িত্ব নিতে হবে সে প্রস্তুতি কখনোই ছিলো না। তখন দেশের দুরাবস্থা সহ্য করার মতো ছিলো না।

যতোক্ষণ নিঃশ্বাস আছে ততোক্ষণ মানুষকে উন্নত জীবন দেয়ার চেষ্টা করে যাবো, এমন অঙ্গিকার করে শেখ হাসিনা বলেন, জীবন ঝুঁকি জেনেই দেশে ফিরেছি। দেশে ফেরার পর থেকে শত বাধা পেয়েও পিছিয়ে যাইনি। দেশের জন্য কাজ করছি।

এদিকে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়নের জন্য সরকার ফোর্সেস গোল ২০৩০ নামে একটি দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এ পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে, সশস্ত্র বাহিনীর আকার বৃদ্ধি, আধুনিক যুদ্ধ সরঞ্জাম সংগ্রহ ও সর্বোচ্চ পর্যায়ের প্রশিক্ষণ।

সরকারপ্রধান বলেন, ২০০৯ থেকে ধারাবাহিকভাবে ক্ষমতায় আছি বলেই উন্নয়ন দৃশ্যমান ও টেকসই করতে পেরেছি। সশস্ত্র বাহিনীর জন্য ফোর্সেস গোল ২০৩০ প্রণয়ন করে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

অপরদিকে, সম্প্রতি কক্সাবাজারে মায়ানমার সীমান্তে কিছুটা উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। সীমান্তের ওপার থেকে কখনও কখনও ছুটে আসছে গুলিও। কক্সবাজার সীমান্তে বাংলাদেশের জনগণ ও স্থাপনা লক্ষ্য করে মিয়ানমার থেকে গুলি ছোড়ার ঘটনা ইতিমধ্যে জাতিসংঘে তুলে ধরেছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মিয়ানমারের যে কোনো সংঘাত তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়। তবে এটি যেন বাংলাদেশের জনগণ ও সম্পদকে প্রভাবিত না করে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা কাউকে আক্রমণ করতে যাবো না, তবে আক্রান্ত হলে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রস্তুত থাকতে হবে।

১৯৮২ সালের ২৪ মার্চের ঘোষণা অনুসারে, তৎকালীন রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ ১৯৮৬ সালে প্রেসিডেন্সিয়াল সিকিউরিটি ফোর্স অর্ডিন্যান্স নামে একটি অধ্যাদেশ জারি করেন। যা একই বছর ১৯ জুন থেকে কার্যকর হয়।

পূর্বের ঘোষণা অনুসারে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি এরশাদের তত্ত্বাবধানে রাষ্ট্রপতি ও বিদেশ থেকে আগত রাষ্ট্রপ্রধানদের নিরাপত্তার জন্য ১৯৮৬ সালের ১৫ জুন  প্রেসিডেন্ট সিকিউরিটি ফোর্স নামে একটি বিশেষ নিরাপত্তা দল গঠন করেন। পরে বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার পদ্ধতি চালু হওয়ার পর ১৯৯১ সালে ২৭ সেপ্টেম্বর এর নাম পরিবর্তন করে স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ) নামকরণ করা হয়।

যদিও প্রাথমিকভাবে শুধু রাষ্ট্রপতি ও রাষ্ট্র কর্তৃক ঘোষিত অতিগুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিরাপত্তা দিতে এসএসএফ গঠিত হয়েছিল। কিন্তু সংসদীয় সরকার পদ্ধতি চালু হওয়ার পর রাষ্ট্রপতি ছাড়াও সরকারপ্রধানকেও এসএসএফ নিরাপত্তা দিয়ে আসছে এবং এ সংস্থাটিকে তখন থেকে পরোয়ানা ছাড়া গ্রেপ্তারের অধিকার দেওয়া হয়। ২০০৯ সালের ১৫ অক্টোবর জাতির পিতার পরিবার-সদস্যগণের নিরাপত্তা আইন গ্যাজেট আকারে প্রকাশ হওয়ার পর সংস্থাটি বর্তমানে জাতির পিতার পরিবার-সদস্যদেরও সর্বস্থানে নিরাপত্তা দিয়ে আসছে।

এসএসএফ রাষ্ট্র কর্তৃক ঘোষিত অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের (ভিভিআইপি) নিরাপত্তায়ও নিয়োজিত। সংস্থাটি বেসামরিক প্রশাসন, নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে দেশ ও দেশের বাইরে উল্লেখিত ব্যক্তিদের শারীরিক নিরাপত্তায় যেকোনো ধরনের হুমকি থেকে রক্ষা ও সেগুলো প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকে। এছাড়াও তারা অতিগুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের বাড়ি ও অফিসে নিরাপত্তা দিয়ে থাকে।


আরও খবর
মেট্রোরেল চলাচল পুরোপুরি বন্ধ

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




হঠাৎ অসুস্থ ডেপুটি স্পিকার, ঢাকায় নেয়া হলো হেলিকপ্টারে

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৮ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
মামুন হোসেন, পাবনা

Image

হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ায় জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ও পাবনা-১ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট শামসুল হক টুকুকে হেলিকপ্টারে করে ঢাকায় নেয়া হয়েছে। শুক্রবার বিকেল সাড়ে তিনটায় জরুরি চিকিৎসার জন্য তাকে হেলিকপ্টারযোগে রাজধানী ঢাকায় নেয়া হয়েছে। পাবনার বেড়া আব্দুল খালেক স্টেডিয়াম থেকে নৌবাহিনীর একটি হেলিকপ্টার যোগে তাকে ঢাকায় নেয়া হয়।

এর আগে বেলা ১১টার দিকে বেড়া বিপিন বিহারী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন। উদ্বোধন শেষে নিজ বাড়ি সংলগ্ন নৌকা চত্ত্বরে বৃক্ষরোপণের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এ সময় হঠাৎ তিনি অসুস্থবোধ করেন এবং হেলে পড়েন। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে বেড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে কিছুটা সুস্থতাবোধ করায় তাকে নিজ বাসায় নেয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে নৌবাহিনীর হেলিকপ্টারযোগে ঢাকায় নেয়া হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বেড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোরশেদুল ইসলাম বলেন, দুপুরে একটি অনুষ্ঠান শেষে তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। এখন তিনি মোটামুটি সুস্থ আছেন কিন্তু উনার হার্টের অবস্থা ততটা ভাল নয়, এজন্য সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য তাকে দ্রুত ঢাকায় নেয়া হলো।


আরও খবর