আজঃ বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২
শিরোনাম

সুন্দরবনের বাঘ লোকালয়ে, আতঙ্কে গ্রামবাসী

প্রকাশিত:শনিবার ০৭ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০৭ মে ২০২২ | ৬৩০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

শরণখোলা প্রতিনিধি:

সুন্দরবন থেকে বাঘ লোকালয়ের প্রায় ১০ কিলোমিটার ভেতরে ডুকে পড়েছে।  শুক্রবার (৬ মে) রাত ৮টায় বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার বানিয়াখালী গ্রামে বাঘ দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন গ্রামবাসী। এর পর মাইকিং করে গ্রামবাসীকে সতর্ক করা হয়।  খবর পেয়ে বনরক্ষীদের একটি দল ওই গ্রামে ছুটে গেছে। শনিবার (৭ মে) সকালে বাঘটির পায়ের ছাপ দেখে খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন বনরক্ষীরা।

বানিয়াখালীর ইউপি সদস্য ছিদ্দিক গাজী জানান, সুন্দরবন থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার পূর্বদিকে পশ্চিম বানিয়াখালী ৩৭ নম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সংলগ্ন মাঠে স্থানীয় বাসিন্দা কামাল হোসেন হাওলাদার গরু আনতে যান। এ সময় টর্চ লাইটের আলোতে তিনি গরুর সঙ্গে সুন্দরবনের একটি বাঘ দেখতে পান। এ সময় তার চিৎকারে লোকজন এগিয়ে এসে লাঠিসোটা নিয়ে তাড়া করলে বাঘটি পালিয়ে যায়।

শরণখোলা থানার ওসি মো. ইকরাম হোসেন জানান, খবর পেয়ে ওই রাতেই পুলিশের একটি দল বানিয়াখালী গ্রাম পরিদর্শন করে।

বন বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জ কর্মকর্তা (এসিএফ) মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, এ ব্যাপারে বনকর্মীরা সবসময় সতর্ক আছেন। এ ছাড়া কমিউনিটি প্যাট্রলিং দল (সিপিজি) ভিলেজ টাইগার রেসপন্স টিমের (ভিটিআরটি) সহযোগিতায় গ্রামে গ্রামে মাইকিং করাসহ জনসাধারণকে সচেতন করে চলছেন। বাঘ লোকালয়ে গেলে বনে ফিরিয়ে আনতে বনরক্ষীদের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।


আরও খবর



হলিউডকে নকল করতে গিয়ে ডুবছে বলিউড : রবিনা ট্যান্ডন

প্রকাশিত:রবিবার ২৪ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৪ এপ্রিল ২০২২ | ৪৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বাহুবলী থেকে পুষ্পা বা হাল আমলের আরআরআর বা কেজিএফ ২। বলিউডকে যেন প্রতি ম্যাচে বলে বলে ১০ গোল দিচ্ছে দক্ষিণী সিনেমাগুলি।কেন এমন অবস্থা? তার কারণ ব্যাখ্যা করলেন কেজিএফ ২ অভিনেত্রী রবিনা ট্যান্ডন।

রবিনার মতে হলিউডের ছবিকে নকল করতে গিয়েই ডুবছে বলিউড।হলিউডের অন্ধ অনুকরণ মানুষ ভাল চোখে দেখছেন না।দক্ষিণের ছবির সাফল্যের রহস্যও তিনি জানিয়েছেন। তাঁর মতে, দক্ষিণের ছবি তৈরি হয় দেশীয় গল্পের উপর ভিত্তি করে।

এর ফলে দর্শকরা নিজেকে সম্পৃক্ত করতে পারেন গল্পের সঙ্গে। রবিনার মতে, এটাই হল দক্ষিণের ছবির সাফল্যের রহস্য।এ প্রসঙ্গে তিনি নব্বই দশকের বলিউড ছবির প্রসঙ্গ উত্থাপন করেছেন।রবিনা বলেন, ওই সময় পর্যন্ত গান ও গল্পে ছিল দেশীয় ছোঁয়া। তার পর থেকে হলিউডের নকল করা শুরু হয়।

রবিনার মতে, বলিউড ছবিতে পশ্চিমী সংস্কৃতির প্রভাব, নায়কের বা ভিলেনের চপারে যাতায়াতএ সব আরও দূরে সরিয়েছে ভারতীয় দর্শককে।অন্য দিকে, দক্ষিণী ছবিতে দেশের গল্প, দেশীয় সংস্কৃতির ছোঁয়া থাকার ফলে মানুষের মধ্যে তার আকর্ষণ বাড়ছে। এমনকি অ-হিন্দিভাষী ভারতীয়রাও দক্ষিণের ছবি দেখতে হলে ভিড় করছে।

রবিনা নিজের অভিজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, আমি নিজেও যখন স্ক্রিপ্ট পড়তাম, তখন বুঝতে পারতাম কোথাও যেন গল্পগুলো আলাদা হয়ে যাচ্ছে। দেশের সংস্কৃতি এবং ভাবনার সঙ্গে মিলছে না।রবিনা মনে করেন, হাল আমলে বলিউড ছবির পশ্চিমীকরণের শুরু হয়েছে যশরাজ এবং ধর্মা প্রোডাকশনসের হাত ধরে। দুটিই বর্তমানে বলিউডে সবচেয়ে বড় প্রোডাকশন হাউস।

একটা সময় অবধি মানুষ তাদের প্রযোজিত ছবিগুলি পছন্দ করেছেন। কিন্তু লাগাতার পশ্চিমী সংস্কৃতির প্রাধান্যে দর্শক দূরে সরেছেন সেই ধরনের ছবিগুলি থেকে।আয়ের অঙ্কেও সম্মিলিত দক্ষিণী চলচ্চিত্র (তেলুগু, তামিল, কন্নড় এবং মালায়লাম) বলিউডকে ছাপিয়ে গিয়েছে।

২০২১ সালে বক্স অফিসের হিসাবে সবচেয়ে বেশি আয় করেছে তেলুগু সিনেমা।দক্ষিণী ছবির বিষয়বস্তু বেছে নেওয়া হয় বৃহৎ অংশের দর্শকদের কথা মাথায় রেখে। অল্লু অর্জুনের পুষ্পার কথাই ধরা যাক। এই ছবির বিষয়বস্তু একেবারেই অনন্য। গল্প বলার পদ্ধতিতেও নিজস্বতা রয়েছে।শুধু বিষয়বস্তু নয়, দক্ষিণী অভিনেতারাও মন ছুঁয়ে যাচ্ছেন দর্শকের। অভিনেতার স্টাইলও সাফল্যের একটি অন্যতম সূত্র।

যে স্টাইলের শুরু করেছিলেন রজনীকান্ত, তা বজায় রেখেছেন তেলুগু তারকা অল্লু অর্জুন, প্রভাস, মহেশ বাবু, জুনিয়র এনটিআর এবং রাম চরণ।আর্থিক বিশেষজ্ঞ রমেশ বালার মতে, সিনেমার বৃহত্তর বাজারকে এড়িয়ে যাচ্ছে বলিউড। আর সেই জায়গাতেই ঢুকে পড়ছে দক্ষিণী ছবি।

রমেশের মতে, বলিউড গত কয়েক বছর ধরে সিনেমার যে বৃহৎ বাজার রয়েছে, তাকে উপেক্ষা করছে। রাজকুমার রাও, আয়ুষ্মান খুরানা অভিনীত চলচ্চিত্রগুলি বৃহত্তর ভারতীয় দর্শককে ছুঁতে পারে না।অক্ষয়কুমার সামাজিক বার্তাবাহী ছবি টয়লেট: এক প্রেম কথা কিংবা পুরোদস্তুর কৌতুকধর্মী করছেন। রমেশের প্রশ্ন, দক্ষিণ কি এই ধরনের ছবি করবে? বরং তারা বিজিল, বিস্ট বা পুষ্পার মতো ছবি তৈরি করবে, যা বৃহৎ অংশের দর্শককে ধরবে।

তা হলে হাতে রইল কী? স্রেফ নিজস্বতা এবং দেশের মানুষ যে ধরনের গল্প পছন্দ করেন, তেমন সিনেমা করেই বাজিমাত করছে দক্ষিণ।

নিউজ ট্যাগ: রবিনা ট্যান্ডন

আরও খবর



ইউক্রেনকে ৩ হাজার ৩০০ কোটি ডলার সহায়তা দিলেন বাইডেন

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৯ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৯ এপ্রিল ২০২২ | ৪৭০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ইউক্রেনকে সামরিক, অর্থনৈতিক ও মানবিক সহায়তা হিসেবে ৩ হাজার ৩০০ কোটি ডলারের সহায়তা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। রাশিয়ার ওপর হামলা নয় বরং আগ্রাসন ঠেকাতে কিয়েভকে এই সহায়তা বলে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউজে দেওয়া ভাষণে কংগ্রেসকে এই অর্থ অনুমোদন দেওয়ার কথা বলেন বাইডেন। যুক্তরাষ্ট্রের আইনপ্রণেতাদের জন্য এই অর্থ অনুমোদন করা কঠিন ছিল। এটি ইউক্রেনের প্রতিরক্ষায় কাজে লাগবে।

বাইডেন ঘোষিত এই বড় প্যাকেজের মধ্যে রয়েছে সামরিক খাতে ২০ বিলিয়ন ডলার, অর্থনৈতিক খাতে সাড়ে বিলিয়ন ডলার এবং মানবিক সহায়তায ৩ বিলিয়ন ডলার। এটি সস্তা নয় উল্লেখ করে বৃহস্পতিবার দেওয়া ভাষণে বাইডেন আরও বলেন, আগ্রাসন বন্ধ না হলে আরও বেশি মূল্য দিতে হবে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র এ পর্যন্ত ইউক্রেনকে যত সামরিক সহায়তা দিয়েছে, তা সেখানে রাশিয়ার মোতায়েন করা প্রতিটি ট্যাঙ্কের বিপরীতে ১০ টি ট্যাঙ্ক-বিধ্বংসী অস্ত্র দেওয়ার সামিল।

এদিকে, বৃহস্পতিবার রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র বলেছেন ইউক্রেনের প্রতি পশ্চিমা সামরিক সমর্থন পুরো মহাদেশের নিরাপত্তার জন্য হুমকি। এরইমধ্যে যুক্তরাষ্ট্র থেকে সামরিক সহায়তার কিছু চালান ইউক্রেনে পৌঁছেছে।


আরও খবর



১০ দিনে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ৯৭

প্রকাশিত:শনিবার ০৭ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০৭ মে ২০২২ | ৩০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঈদযাত্রা ও ঈদ উদযাপনের গত ১০ দিনে সারা দেশে ৯৭ জন মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে ৫১ জনই ছিল অপ্রাপ্তবয়স্ক। অর্থাৎ মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ৫৭ শতাংশের বয়স ছিল ১৫ থেকে ২০ বছরের মধ্যে। রোড সেফটি ফাউন্ডেশন এ তথ্য জানিয়েছে।

সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, গত ২৫ এপ্রিল থেকে ৫ মে পর্যন্ত সারা দেশে ১৭৮টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে নিহত হয়েছেন ২৪৯ জন। নিহতদের মধ্যে মোটরসাইকেল আরোহী ছিলেন ৯৭ জন, যা মোট দুর্ঘটনার ৩৮ দশমিক ৫৯ শতাংশ। নিহত ৫১ জনের বয়স ছিল ১৫ থেকে ২০ বছরের মধ্যে। অর্থাৎ মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ৫৭ শতাংশ ছিল অপ্রাপ্তবয়স্ক। মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় এত বেশি নিহতের কারণ হিসেবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এবারের ঈদযাত্রায় গণপরিবহনের বিকল্প হিসেবে মোটরসাইকেল ব্যবহৃত হয়েছে। তাই দুর্ঘটনাও বেশি হয়েছে।

সংস্থাটির অপর একটি পরিসংখ্যান বলছে, গত ১ মে থেকে ৫ মে পর্যন্ত ১১২টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে ১৩৯ জন নিহত হয়েছেন। একই সময় ৫৬ জন মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন, যা মোট মৃত্যুর ৪০ দশমিক ২৮ শতাংশ।

মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা বেশি হওয়ার কারণ হিসেবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে পরিবারের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শহর থেকে মানুষ গেছে। এই যাত্রায় বাস, লঞ্চ এবং ট্রেনের পাশাপাশি এবার ব্যাপকহারে যুক্ত হয়েছে মোটরসাইকেল। যেসব মোটরসাইকেল রাজধানীতে রাইড শেয়ার করত, তারাই বাড়ি যাওয়ার সময় নিজ নিজ এলাকার যাত্রীদের নিয়ে চলে গেছে। মোটরসাইকেলের চাপে এবার ফেরিঘাটগুলোতে আলাদা ফেরি দিতে হয়েছিল। আর এ কারণে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনাও বেশি ছিল।

মোটরসাইকেল গণপরিবহন না, তবে গণপরিবহন হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে সড়কের ঝুঁকি আরো বাড়ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, এখন অনেকেই কোনোরকম মোটরসাইকেল চালানো শিখেই রাস্তায় যাত্রী বহন করতে নেমে পড়ছে। এতে যাত্রী ও চালকের দু’জনেরই ঝুঁকি বাড়ছে।

‘মানুষ বাধ্য হয়ে গণপরিবহন হিসেবে মোটরসাইকেল ব্যবহার করছে’ বলে মনে করেন রোড সেফটি ফাউন্ডেশন নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমান। তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, আমাদের গণপরিবহন ব্যবস্থা নাজুক। তাই মানুষ মোটরসাইকেলকে বিকল্প হিসেবে দেখছে। এতে অনেকে স্বস্তিতে বাড়ি ফিরতে পারলেও তাদের জীবনের ঝুঁকি রয়েছে।’

তিনি বলেন, গণপরিবহন ব্যবস্থা জনবান্ধব করলে এসব মৃত্যু থেকে মানুষকে রক্ষা করা যাবে।’


আরও খবর



দেশের সব বিমানবন্দরে বিটিভি প্রদর্শনের নির্দেশ

প্রকাশিত:রবিবার ১৫ মে ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ১৫ মে ২০২২ | ১৭০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দেশের সব আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দরগুলোতে বিটিভি, বিটিভি ওয়ার্ল্ড, সংসদ বিটিভি ও বিটিভি চট্টগ্রাম প্রদর্শনের নির্দেশ দিয়েছে সরকার।  এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যানকে চিঠি দিয়েছে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়।

চিঠিতে বলা হয়েছে, কেবল টেলিভিশন নেটওয়ার্ক পরিচালনা আইন অনুযায়ী আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দরে সরকারি টেলিভিশন চ্যানেল প্রথমে রেখে সম্প্রচার নিশ্চিতকরণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

জানা গেছে, দেশের বিমানবন্দরগুলোতে সরকারি চ্যানেল সম্প্রচার না হওয়ার অভিযোগ সম্প্রতি বিটিভির পরিদর্শন দলের মাধ্যমে তদন্ত করা হয়। তদন্ত দল হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অভ্যন্তরীণ টার্মিনালে গিয়ে দেখে, সেখানে টিভিতে মাত্র ১৪টি চ্যানেল সম্প্রচার হচ্ছে। এসব চ্যানেলের মধ্যে সরকারি কোনো চ্যানেল নেই। তদন্ত দল দায়িত্বরতদের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারে, কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুসারে চ্যানেল নির্বাচন করা হয়।

এর পর দেশের অন্যান্য বিমানবন্দরে বিটিভির সব চ্যানেল সম্প্রচার নিশ্চিত করতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় গত ৪ এপ্রিল বিমান সচিবকে চিঠি দেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে বিমান মন্ত্রণালয় গত ১২ মে বেবিচকের চেয়ারম্যানকে চিঠি দিয়েছে।


আরও খবর



ঈদ শেষেও কমেনি মুরগি-গরুর মাংসের দাম

প্রকাশিত:সোমবার ০৯ মে ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৯ মে ২০২২ | ৩৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঈদুল ফিতরের আমেজ শেষে বেশির ভাগ মানুষ কর্মস্থলে ফিরলেও বাজারে এখনও ঈদের আমেজ কমেনি। বরং ঈদের কয়েক দিন আগে থেকে বাড়িয়ে বিক্রি করা মুরগি ও গরুর মাংসের পাশাপাশি রুই, পাঙ্গাশ ও তেলাপিয়াসহ অধিকাংশ মাছ বিক্রি হচ্ছে সেই বাড়তি দামে। দাম বাড়লেও ক্রেতা কম থাকায় বেচা-কেনা কম বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। তারা বলছেন, গরু কেনায় খরচ বেশি, তাই দাম বাড়তি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। ক্রেতারা বলছেন, মেহমানদের ভালো কিছু খেতে দেওয়ার জন্য বাড়তি দামেই কিনতে হচ্ছে গরুর মাংস।

রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ক্রেতাদের উপস্থিতি একেবারেই কম, অনেক দোকানও খোলেনি। তবে যে কয়টি দোকান খোলা রয়েছে সেগুলোতে গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭০০ টাকা কেজিতে, ছাগল-খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ৯০০ থেকে ১০০০ টাকা কেজিতে। ঈদের আগে একই দোকানে ৬৫০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া গরুর মাংস ঈদের দিন বিক্রি হয়েছে ৭০০ থেকে ৭৩০ টাকা কেজিতে।

মুরগির মধ্যে ব্রয়লার মুরগির মাংস বিক্রি হচ্ছে ১৭৫ থেকে ১৮০ টাকা কেজিতে। আকারে ছোট পাকিস্তানি কক বিক্রি হচ্ছে ২২০ টাকা থেকে ২৬০ টাকায় পিস। দেশি ছোট মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৪০০-৪৫০ টাকা পিস। আর বড় সোনালী মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২৮০ থেকে ৩২০ টাকা পিস। আর দেশি বড় মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা পিস। অথচ ঈদের আগে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হয়েছিল ১৬০ টাকা কেজিতে। যা ঈদের সময় বিক্রি হয়েছে ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা কেজিতে। অর্থাৎ ঈদের সময়ের বাড়তি দরে এখনও বিক্রি হচ্ছে মুরগির মাংসের দাম।

মহাখালী কাঁচাবাজারের মাংস ব্যবসায়ী সোহরাব হোসেন বলেন, গরুর মাংসের কেজি এক দাম ৭০০ টাকা। কম দামে বিক্রির কোনো সুযোগ নেই। গরু তো কম দামে কিনতে পারিনি, কেনার পাশাপাশি গরু আনার সময় বিভিন্ন বকশিস দিতে হয়েছে। আপনিই বলেন, গরুর মাংসের দাম না বাড়িয়ে বিক্রি না করে কী লোকসানে বিক্রি করব।

কারওয়ান বাজারের রাসনা মাংস বিতানের বিক্রেতা রশিদুল আলম বলেন, হাড়সহ মাংসের কেজি ৭০০ টাকা। হাড় ছাড়া শুধু মাংস ৭৮০ টাকা। এখন বিক্রি কম, ব্যবসাও কম। গত দুদিনে যা বিক্রি হয়েছে তাতে খুব বেশি লাভ হয়নি। দুই কারণে মাংস বেশি দামে বিক্রি করছি। এক হচ্ছে-গরু বেশি দামে কিনছি। আরেকটি হচ্ছে-খরচ পোষাতেই বেশি দামে বিক্রি করছি।

মহাখালী বাজারে মাংস কিনতে এসেছেন সালাহ উদ্দিন নামের একজন মধ্যবয়সী পুরুষ। তিনি বলেন, ঈদের দিন বেশকিছু মাংস কিনেছি, আজকে আমার মেয়ের বাড়ি থেকে আত্মীয় স্বজন আসবে তাদের ভালো খাবার দিতে হবে। সে জন্য গরুর মাংস কিনতে এসেছি। কিন্তু আজকে তো মনে হচ্ছে ঈদের দিনের চেয়েও দাম বেশি।

রাজধানীর বাড্ডা এলাকার সাদ্দাম গোস্ত বিতানের দোকানি সাইফুল ইসলাম বলেন, ঈদের দিন দুপুরে মাংস ৭০০ টাকায় বিক্রি করেছি, কিন্তু বিকেলে ৭৫০ টাকাও বিক্রি করেছি। আজকে ৭০০ টাকা কেজিতে বিক্রি করছি, গরুর বটের কেজি ২৫০ টাকা। আর কলিজা ৮০০ টাকা। গরুর পায়া ২০০০ থেকে ২৫০০ টাকা জোড়া। গরুর দাম বেশি হলেও আমাদের লাভ কিন্তু খুবই সীমিত।

মাংসের পাশাপাশি মাছের বাজার ক্রেতাদের উপস্থিতি কম। ঈদের আগের ২৪০-২৬০ টাকা বিক্রি হওয়া রুই মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকা কেজিতে। একই দরে বিক্রি হচ্ছে কাতল মাছও। আর ২২০ টাকা কেজি বিক্রিত হওয়া কারফুর মাছ বিক্রি হচ্ছে ২৬০ টাকা কেজিতে। ৪৫০-৫০০ টাকা কেজির টেংরা মাছ বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকা কেজিতে। ১২০ টাকা কেজির পাঙ্গাশ মাছ বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা কেজিতে। তেলাপিয়া মাস বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকা থেকে ২০০ টাকা কেজিতে। চিংড়ি বিক্রি হচ্ছে ৬০০ থেকে ৬৪০ টাকা কেজিতে। পাবদা মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকা কেজি। চাষের শিং মাছ বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকা কেজিতে। আর দেশি শিং মাছ বিক্রি হচ্ছে ৫০০-৬০০ টাকা কেজিতে। চাষের মাগুর মাছ বিক্রি হচ্ছে ২৬০ টাকা থেকে ৪০০ টাকা কেজিতে। এছাড়াও এক কেজি ওজনের (দুই-তিনটি) ইলিশ মাছ বিক্রি হচ্ছে ১০০০ হাজার টাকায়। 

নিউজ ট্যাগ: ঈদুল ফিতর

আরও খবর
বাড়ন্ত আটার দর আরও বেড়েছে

মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২

সয়াবিন তেলের নতুন দাম নির্ধারণ

বৃহস্পতিবার ০৫ মে ২০২২