আজঃ বুধবার ১৯ জুন ২০২৪
শিরোনাম

সুপার সাইক্লোনে রূপ নিতে পারে ‘মোখা’

প্রকাশিত:বুধবার ১০ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ১০ মে ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

এখন পর্যন্ত ঘূর্ণিঝড় মোখা নিম্নচাপ আকারে আছে। ১৩ মে সন্ধ্যা থেকে ১৪ মে ভোরে নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড় আকারে আঘাত হানতে পারে। কক্সবাজার এবং সেন্টমার্টিনের নিম্ন এলাকায় আঘাত হানবে প্রথমে। এরপর চট্টগ্রাম এলাকায় আঘাত করবে। তবে এর গতি পরিবর্তন হতে পারে যেকোনও সময়। তাই উপকূলীয় জেলাসহ আশপাশের জেলা প্রশাসকদের প্রস্তুত থাকতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান।

বুধবার (১০ মে) বিকালে সচিবালয়ে এ সংক্রান্ত আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন দুর্যোগ প্রতিমন্ত্রী।

আরও পড়ুন:  ঘূর্ণিঝড় মোখা মোকাবিলায় সরকার প্রস্তুত: প্রতিমন্ত্রী

তিনি বলেন, কয়দিন আগে তৈরি হওয়া নিম্নচাপ আগামীকাল থেকে অর্থাৎ ১১ মে থেকে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে। পাশাপাশি ঘূর্ণিঝড় মোখা ১৩ থেকে ১৪ মের মধ্যে দেশের কক্সবাজার উপকূলে আঘাত হানতে পারে। এই ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় আগের মতো সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় কক্সবাজার ও চট্টগ্রামের জন্য ২০ লাখ টাকা, ১৪ টন শুকনো খাবার এবং ২০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ে পাহাড় ধস হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই পাহাড় ঘেঁষে থাকা রোহিঙ্গাদের সরিয়ে নেওয়া হবে।

ডা. এনামুর রহমান বলেন, গতকাল বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপটি বৃহস্পতিবার ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে এবং এটি দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে অগ্রসর হবে। ঘূর্ণিঝড়টি ১৩ মে রাত থেকে ১৪ মে সকালের দিকে দেশের কক্সবাজার উপকূলে আঘাত হানতে পারে। এখন এটি বাংলাদেশ থেকে ১৫০০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছে। ১২ মে উত্তর-পূর্ব দিকে বাঁক নেবে। কক্সবাজার ও মিয়ানমারে আঘাত হানতে পারে। এটির গতি হবে ১৮০ থেকে ২২০ কিলোমিটার। ঘূর্ণিঝড়টি সুপার সাইক্লোনে রূপ নিতে পারে। পূর্বাভাস অনুযায়ী সমুদ্রে এখন ১ নম্বর সতর্ক বার্তা দেওয়া হয়েছে। এটির মুভমেন্ট অনুযায়ী সর্তক বার্তাও বাড়তে থাকবে। ৯১-এর প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড়ের ছায়া দেখা যাচ্ছে মোখায়।

ঘূর্ণিঝড় মোখা মোকাবিলায় সরকারের প্রস্তুতি তুলে ধরে দুর্যোগ প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা এরইমধ্যে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের দিকনির্দেশনা দিয়েছি। কক্সবাজারের আশ্রয়কেন্দ্রগুলো প্রস্তুত করা হয়েছে। যেহেতু রোহিঙ্গারা টেকনাফে অবস্থান করছে সেহেতু তাদের বিষয়টাও দেখতে হচ্ছে। আগাম সতর্ক বার্তা প্রচারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের সময় সেখানকার মানুষের জন্য ১৪ টন শুকনো খাবার, ২০০ টন চাল আর ২০ লাখ নগদ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রস্তুত সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, কোস্ট কার্ড।

আরও পড়ুন: ‘মোখা’ মোকাবিলায়স্বাস্থ্য বিভাগের ১০ নির্দেশনা

তিনি বলেন, আমরা সব মাছ ধরার নৌকা উপকূলে নিয়ে আসার জন্য বলেছি। একটি জেলায় আঘাত হানতে পারে। সেভাবে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এর আগে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে আম্পান, চিত্রার মতো অনেক ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলা করেছি। মৃত্যু জিরোতে নিয়ে এসেছি। সত্তরে যেখানে ২ লাখ লোক মারা গেছে, এখন সেখানে শূন্য। এবারও মানুষের জানমাল রক্ষা করতে পারবো।

তিনি আরও জানান, মোখা সুপার সাইক্লোনে রূপ নিতে পারে বলে আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস রয়েছে। এই ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়। এখন পর্যন্ত পূর্বাভাস অনুযায়ী ঘূর্ণিঝড়টি আঘাত হানবে কক্সবাজার এবং এর আশপাশের এলাকায়। বর্তমানে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেওয়া আছে। সতর্ক সংকেত ৩ হলে উপকূলীয় লোকজনকে সরিয়ে নেওয়া হবে।


আরও খবর



যারা বলে বিমান লাভে নাই, আল্লাহ তাদের হেদায়েত দান করুক: বিমানের এমডি

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের এমডি শফিউল আজিম বলেছেন, যারা বলে বিমান লাভে নাই, আল্লাহ তাদেরকে হেদায়েত দান করুক। বিমানে গত ১০ বছরে ৮ বছরই লাভ ছিল। তবে দুই বছর লস হয়েছে। বুধবার (২৯ মে) এক এভিয়েশন ও ট্যুরিজম জার্নালিস্ট ফোরামের (এটিজেএফবি) সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

এমডি শফিউল আজিম বলেন, ওই দুই বছরের এক বছর করোনা ভাইরাসের আধিক্য ছিল, আরেকবার আমাদের মোটা অঙ্কের পেমেন্ট পরিশোধ করতে হয়েছিল। তাছাড়া গত বছর ডলারের সমস্যা ছিল, বিশ্বে দুইটি যুদ্ধ চলমান, এর মধ্যেও আমরা লাভ করেছি। বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান দিয়ে অডিট করা হয়েছে আমাদের লাভের বিষয়ে। আমরা বিমানে নিয়মিত নিয়োগ দিচ্ছি, বেতন দিচ্ছি, বোনাস দিচ্ছি, প্রোফিট বোনাস দিচ্ছি। লাভ না হলে এসব টাকা কোথা থেকে আসছে?

তিনি বলেন, এয়ারবাস ফ্লাইট কেনার জন্য দুইটা প্রস্তাব দিয়েছিল। প্রথম প্রস্তাবে দুইটা কার্গো ফ্লাইট বিক্রির কথা বলা হয়েছিল। তবে আমাদের মনে হয়েছে, আপাতত আমাদের কার্গো বিমান কেনার দরকার নাই। পরে আমরা যাত্রীবাহী বিমান বহর বাড়ানোর ইচ্ছার কথা জানাই। তখন এয়ারবাস আমাদের ৪টি যাত্রীবাহী ফ্লাইট বিক্রির দ্বিতীয় প্রস্তাব পাঠায়। এই প্রস্তাব আগের প্রস্তাবের চেয়ে ভালো ছিল। সেই প্রস্তাব ইভ্যালুয়েশন কমিটি থেকে বিমানের বোর্ডে যায়। বোর্ড এ বিষয়ে আগানোর নির্দেশনা দিয়ে নেগোসিয়েশন কমিটিতে পাঠিয়েছে।

এমডি শফিউল আজিম বলেন, বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ এয়ারক্রাফট তৈরির প্রতিষ্ঠান এয়ারবাস থেকে যাত্রীবাহী এয়ারক্রাফট কেনা হবে। আমরা এখন এয়ারবাসের অফারগুলোকে গুরুত্ব দিচ্ছি। আমাদের বহরের সব বড় এয়ারক্রাফট বোয়িংয়ের (২১ টির মধ্যে ১৬ টি বোয়িং)। কিছু ডাইভার্সিটি, নতুন এয়ারক্রাফট থাকলে যাত্রীরাও পছন্দ করবে।

এমডি বলেন, যেকোনো সময় যেকোনো কোম্পানির এয়ারক্রাফট খারাপ পারফর্ম করতে পারে, তখন যেন রিস্কে না পড়ি সে কারণে আমরা ডাইভার্সিফাইয়ের কথা ভাবছি।

বোয়িংয়ের প্লেন বিক্রির প্রস্তাব নিয়ে তিনি বলেন, বোয়িংও আমাদের প্রস্তাব দিয়েছে। আমরা সেটাও ইভ্যালুয়েট করব। বোয়িংয়ের সঙ্গে আমাদের দীর্ঘদিনের ভালো সম্পর্ক। শুধু প্লেন কেনা-বেচা সম্পর্ক না, তাদের টেকনিক্যাল সাপোর্ট ভালো, ক্রেডিট ফ্যাসিলিটি ভালো। সবমিলিয়ে আমরা একসঙ্গে ভালোভাবে কাজ করে যাচ্ছি। তবে যে এয়ারক্রাফটই কিনি না কেন দুই প্রতিষ্ঠানের প্রতিযোগিতামূলক প্রস্তাবে ক্রেতা হিসেবে সুবিধাজনক অবস্থানে আছি।

এমডি থাকা অবস্থায় নিজের কার্যক্রম তুলে ধরে তিনি বলেন, বিমানে চাকরি করা অবস্থায় আমি কোনো কর্মীকে মূল্যায়ন করতে কার্পণ্য করিনি, শাস্তি দিতেও কার্পণ্য নয়। আমি খুব ভাগ্যবান, বিমানবন্দরে কাজ করার সময় কোনো পর্যায় থেকে চাপ আসেনি। আমি আমার অথরিটিকে শতভাগ ব্যবহার করতে পেরেছি। চেষ্টা করলে বিমানকে পৃথিবীর বড় বড় এয়ারলাইন্সের কাতারে নিয়ে যাওয়া সম্ভব।

বিমানে অল্প সময়ের মধ্যে এমডি ও সিইও পরিবর্তন হয়। বিমানের জন্য দীর্ঘমেয়াদি এমডির প্রয়োজনীয়তা রয়েছে কি না জানতে চাইলে এমডি বলেন, বিমানের হিউম্যান রিসোর্স ও টেকনিক্যাল রিসোর্স মানসম্মত। যেকোনো প্রতিষ্ঠানে সিস্টেম ও স্ট্রাকচার দাড় করানোর গেলে এমনিতেই কাজ হবে। আমি এসব সিস্টেম ও স্ট্রাকচার দাড় করানোর চেষ্টা করেছি। সিস্টেম ঠিক থাকলে কোন নির্দিষ্ট ব্যক্তির ওপর প্রতিষ্ঠান নির্ভর করবে না।

তিনি বলেন, আমার সুপারিশ থাকবে যারা বিভিন্ন টেকনিক্যাল বিভাগে কাজ করছে সেখানে যেন বয়স বিবেচনা না করা হয়। কারণ টেকনিক্যাল ফিল্ডে বয়স যত বাড়ে অভিজ্ঞতা তত বাড়ে। অভিজ্ঞদের বয়স বিবেচনা না করে অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে বিমানে রেখে দিতে হবে। বিমানকে সরকারি অফিসের মনমানসিকতা প্র‍্যাক্টিস করলে বিমান কাজ করবে না। এটা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান। সব কিছু বাণিজ্যিকভাবে চিন্তা করতে হবে।

আপনার কোনো আক্ষেপ আছে কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমার দায়িত্বপালনের সময়ের মধ্যে যদি বিমানের বহরে ৪ টা এয়ারক্রাফট অ্যাড হতো, তাহলে খুবই খুশি হতাম। আমি চাইতাম ৫০টা এয়ারলাইন্সের মালিক হোক।

মতবিনিময় সভায় এটিজেএফবির সভাপতি তানজিম আনোয়ার, সহ-সভাপতি রাজীব ঘোষ, সাধারণ সম্পাদক বাতেন বিপ্লব, সাংগঠনিক সম্পাদক ইমরুল কাউসার ইমনসহ এটিজেএফবির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে রোববার (২৬ মে) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার (সিইও) দায়িত্ব দেয়া হয় মো. জাহিদুল ইসলাম ভূঞাকে। পৃথক এক প্রজ্ঞাপনে শফিউল আজিম পদোন্নতি পেয়ে ইসির নতুন সচিব হয়েছেন।


আরও খবর



দাম কমলো এলপি গ্যাসের, ১২ কেজি ১৩৬৩ টাকা

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০৩ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
অর্থ ও বাণিজ্য ডেস্ক

Image

জুন মাসের জন্য তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে দেখা যায়, ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম এক হাজার ৩৯৩ টাকা থেকে ৩০ টাকা কমিয়ে এক হাজার ৩৬৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সোমবার (৩ জুন) বিকেল ৩টায় এলপিজির নতুন দর ঘোষণা করে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। এলপিজির নতুন এ দর আজ সন্ধ্যা থেকে কার্যকর হবে।

ঘোষণায় জানানো হয়, বেসরকারি এলপিজির রিটেইলার পয়েন্টে ভোক্তাপর্যায়ে মূসকসহ মূল্য প্রতি কেজি ১১৩ টাকা ৫৫ পয়সায় সমন্বয় করা হয়েছে। এ ছাড়া রেটিকুলেটেড পদ্ধতিতে তরল অবস্থায় সরবরাহকৃত বেসরকারি এলপিজির ভোক্তাপর্যায়ে মূসকসহ মূল্য প্রতি কেজি ১০৯ টাকা ৭২ পয়সায় সমন্বয় করা হয়েছে। পাশাপাশি ভোক্তাপর্যায়ে অটোগ্যাসের দাম মূসকসহ প্রতি লিটারের মূল্য ৬২ টাকা ৫৩ পয়সায় সমন্বয় করা হয়েছে।

এর আগে, গত মে মাসে ভোক্তাপর্যায়ে কমানো হয় এলপিজির দাম। সেবার ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৪৯ টাকা কমিয়ে এক হাজার ৩৯৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়। একই সঙ্গে অটোগ্যাসের দামও কমায় বিইআরসি। ফেব্রুয়ারি মাসে ভোক্তা পর্যায়ে অটোগ্যাসের মূসকসহ দাম প্রতি লিটার নির্ধারণ করা হয় ৬৩ টাকা ৯২ পয়সা।

২০২১ সালের এপ্রিল মাস থেকে এলপিজির দাম নির্ধারণ করে আসছে বিইআরসি। এলপিজি তৈরির মূল উপাদান প্রোপেন ও বিউটেন বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হয়। প্রতি মাসে এলপিজির এই দুই উপাদানের মূল্য প্রকাশ করে সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠান আরামকো। এটি সৌদি কার্গো মূল্য (সিপি) নামে পরিচিত। এই সৌদি সিপিকে ভিত্তিমূল্য ধরে দেশে এলপিজির দাম সমন্বয় করে বিইআরসি। আমদানিকারক কোম্পানির চালান (ইনভয়েস) মূল্য থেকে গড় করে পুরো মাসের জন্য ডলারের দাম হিসাব করে বিইআরসি।


আরও খবর



চট্টগ্রামে ফিলিস্তিনের মুক্তিকামীর জনতার পক্ষে সংহতি সমাবেশ

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রাহুল সরকার, চট্টগ্রাম ব্যুরো

Image

ফিলিস্তিনে ইসরাইলের বর্বর গণহত্যা বন্ধের দাবিতে শনিবার (১ জুন) বিকেলে নগরীর চেরাগী পাহাড় মোড়ে চট্টগ্রামের প্রগতিশীল রাজনৈতিক-সামাজিক- সাংস্কৃতিক সংগঠনসমূহের উদ্যোগে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের মদদে, তাদের দেয়া অর্থ আর অস্ত্রে ফিলিস্তিনে যে হত্যায্জ্ঞ ইসরাইলি দখলদার বাহিনী চালাচ্ছে, এটা নিছক গণহত্যা নয়। এটা মানবতার বিরুদ্ধে জঘন্যতম অপরাধ। গত আট মাসে ৩৬ হাজার মানুষকে ইসরাইলিরা হত্যা করেছে। আর তাদের দোসর আমেরিকা নানা ছলাকলায়, কথার জাল বুনে এ অপরাধকে বৈধতা দিচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যে অশান্তি তৈরি করে সাম্রাজ্যবাদের বিস্তার ঘটানোই আমেরিকা-ইসরাইলের কৌশল। এ দুই দেশকে মানবতার শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করে বিশ্বের সকল বিবেকমান মানুষকে তাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। বিশ্বের সকল শান্তিকামী রাষ্ট্রকে যুদ্ধবাজ আমেরিকা-ইসরাইলের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে হবে। বাংলাদেশকেও ফিলিস্তিনের মুক্তিকামী জনতার পাশে দাঁড়াতে হবে রাষ্ট্রীয়ভাবে।

খেলাঘরের কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদারের সভাপতিত্বে ও সাংবাদিক রমেন দাশগুপ্তের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, কথাসাহিত্যিক-সাংবাদিক বিশ্বজিৎ চৌধুরী, নারীনেত্রী নূরজাহান খান, উদীচী চট্টগ্রাম জেলা সংসদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ডা. চন্দন দাশ, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), চট্টগ্রাম জেলার সভাপতি অধ্যাপক অশোক সাহা ও  সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, সিপিবি দক্ষিণ জেলার সভাপতি অধ্যাপক কানাই দাশ, ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র চট্টগ্রাম জেলার আইন বিষয়ক সম্পাদক নুরুচ্ছাফা ভূঁইয়া, বোধন আবৃত্তি পরিষদের সভাপতি আবদুল হালিম দোভাষ, খেলাঘর কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য রথীন সেন, রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী সংস্থার সভাপতি লাকী দাশ, নজরুল সঙ্গীত শিল্পী সংস্থার সাধারণ সম্পাদক দীপেন চৌধুরী, ছড়াকার অধ্যাপক অ্যালেক্স আলীম, খেলাঘর কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য দিলীপ দাশ, ন্যাপ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মিটুল দাশ গুপ্ত, বাংলাদেশ কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক দেবপ্রিয় বড়ুয়া অয়ন, চট্টগ্রাম জেলা যুব ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক রাশিদুল সামির, চট্টগ্রাম জেলা ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি টিকলু কুমার দে, অগ্নিবীণা পাঠাগারের সাধারণ সম্পাদক সানি চৌধুরী এবং মুক্তধারা পাঠাগারের সংগঠক হামিদ উদ্দিন।

সভাপতির বক্তব্যে খেলাঘর কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদার বলেন, '১৯৪৮ সালে ইসরাইল নামে এ লাঠিয়াল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর মধ্যপ্রাচ্যে সাম্রাজ্যবাদের শেকড় বিস্তৃত হয়েছে। আরব রাষ্ট্রগুলোতে যখন গাদ্দাফি বা সাদ্দাম হোসেনের মতো শাসক যারা সাম্রাজ্যবাদকে নির্দ্বিধায় কুর্নিশ করে না, তাদের মিথ্যা অজুহাত দেখিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তেমনি ভাবে আমেরিকা হামাসের মতো একটি সংগঠন জম্ম দিয়ে তাদের মাধ্যমে উসকানি সৃষ্টি করে মধ্যপ্রাচ্যে অশান্তি সৃষ্টি করার এবং মধ্যেপ্রাচ্যেকে ক্রমাগতভাবে সাম্রাজ্যবাদের নখরের মধ্যে আটকে রাখার পরিস্থিতি সৃষ্টির পাঁয়তারা করে চলেছে।'

তিনি আরও বলেন, 'মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের মদদে ও সহযোগিতায় ইসরাইল এখন পর্যন্ত ফিলিস্তিনে যে হত্যাযজ্ঞ চালাচ্ছে, সেটাকে আমি শুধু গণহত্যা বলতে রাজি নয়। আর কত হাসপাতালে, শরনার্থী শিবিরে, ত্রাণের লাইনের দাঁড়িয়ে থাকা নারী ও অবুঝ শিশুকে বোমা মেরে হত্যা করলে সেটা গণহত্যা হবে ? মার্কিন সাম্রাজ্যেবাদের মতো নিষ্ঠুর প্রকৃতির শাসকগোষ্ঠী এ নীতিবাক্যের কোনো জাবাব দেবে না। তার বিরুদ্ধে একমাত্র জবাব আমরা মানুষ ঐক্যবদ্ধ হওয়া। সারা পৃথিবীর ৯৯ শতাংশ মানুষ আজ এ সাম্রাজ্যবাদ ও পুঁজিবাদের বিরুদ্ধে।

চট্টগ্রাম জেলা কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি অশোক সাহা বলেন, 'সাত দশক ধরে প্যালেস্টাইনের জনগণ যে জাতীয় মুক্তিসংগ্রাম করছে সেটাকে টুটি টিপে হত্যা করার শেষ আয়োজন চলছে গাজায়। এ ইসরাইলি জায়নবাদ আমেরিকার দালালরা দীর্ঘকাল ধরে প্যালেস্টাইনের লাখ লাখ মানুষ খুন করেছে। তারাই চক্রান্ত করে প্যালেস্টাইনের অবিসংবাদিত নেতা ইয়াসির আরাফাতকে খুন করেছে।'

তিনি বলেন, ফিলিস্তিন জাতিসত্ত্বাকে পৃথিবীর ইতিহাস থেকে মুছে দিতে চায় মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ ও ইসরাইল। জাতিসত্ত্বা এমন এক জিনিস জবরদখল বা জবরদস্তি করে, বোমা মেরে ধ্বংস করা যায় না। দুনিয়ার যত অঘটন ঘটে, যত যুদ্ধের দামামা হয় সেখানেই আমেরিকান সাম্রাজ্যবাদ। এ আমেরিকা দেশে দেশে খুনোখুনি কম করেনি। আমাদের বাংলদেশেও  পাকিস্তানি হানাদার ও তাদের দোসররা যতরকমের বর্বর কাজ করেছে সব কিছুর হোতা এ আমেরিকান সাম্রাজ্যবাদ। এ চক্রান্তকারী শক্তির বিরুদ্ধে আমরা সবাই প্রতিবাদ না জানালে সংকটের সমাধান হবে না।'

সাংবাদিক ও কথাসাহিত্যিক বিশ্বজিৎ চৌধুরী বলেন, 'ইসরাইলের ইহুদিরাও বিভিন্ন দেশে আজ ফিলিস্তিনে বর্বর গণহত্যার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে। এ যে মনোভাব একজন ইসরাইলি ইহুদির সে মনোভাব আজ সারা পৃথিবীর প্রত্যেকটি মানুষের। সাম্রাজ্যবাদী ক্ষমতাসীনেরা কারও কথা শুনে না। তারা পৃথিবীর প্রতিটি প্রান্তে যুদ্ধকে ছড়িয়ে রেখেছে। গাজায়ও তাদের অস্ত্রের ঝনঝনি আমরা শুনতে পায়। আমাদের এ প্রতিবাদ পৃথিবীর প্রতিটি মানুষের প্রতিবাদের সঙ্গে একাকার হয়ে যাক।'

নারীনেত্রী নূরজাহান খান বলেন, ফিলিস্তিনে যে গণহত্যা চালানো হচ্ছে সেটা অমানবিকতার শীর্ষ পর্যায়ে। পৃথিবীর অনেক দেশই এ বর্বর হত্যাযজ্ঞের বিরোধিতা করেছে। ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। আমরাও ফিলিস্তিনের মুক্তিকামী জনতার পাশে আছি।'

উদীচী চট্টগ্রাম জেলার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ডা. চন্দন দাশ বলেন, 'ফিলিস্তিনে গণহত্যা আজ একদিন ধরে চলছে না। দীর্ঘদিন ধরে ইসরাইল এ হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে আসছে। গাজা থেকে হামাসের পক্ষ থেকে যে হামলা চালানো হয়েছে সেটা একটি মার্কিনীদের কৌশল। এ হামলাকে কেন্দ্র করে আজ সেখানে বর্বর গণহত্যা চালাচ্ছে ইসরাইল। শান্তিপ্রিয় মানুষ হিসেবে এটাকে কেউই মেনে নেবে না। গাজা আজ শিশুদের কবরে পরিণত হয়েছে।'

নিউজ ট্যাগ: চট্টগ্রাম

আরও খবর



আজ ৬৯ ট্রেনে ঢাকা ছাড়বে দেড় লাখ মানুষ

প্রকাশিত:শনিবার ১৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৫ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ঈদ যাত্রার চতুর্থ দিনে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ২টি স্পেশালসহ মোট ৬৯টি ট্রেন ঢাকা স্টেশন ছেড়ে যাবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ মাসুদ সারওয়ার। এসব ট্রেনে এক থেকে দেড় লাখ মানুষ ঢাকা ছাড়তে পারবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

আজ (শনিবার) ঢাকা রেলওয়ে স্টেশনে নিজ কক্ষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

মোহাম্মদ মাসুদ সারওয়ার বলেন, ১২ জুন থেকে এবারের ঈদযাত্রা শুরু হয়েছে। গত তিন দিনে ঢাকা থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানের গন্তব্যে যেসব ট্রেন আমরা পরিচালনা করেছি সেসব ট্রেনের যাত্রীরা তাদের নিজ নিজ গন্তব্যে নিরাপদে এবং ভোগান্তিহীনভাবে পৌঁছাতে পেরেছেন। আজ সকাল থেকে বেশ কয়েকটি ট্রেন ঢাকা ছেড়ে গেছে। সবগুলো ট্রেন নির্দিষ্ট সময়ে স্টেশন ত্যাগ করেছে। যাত্রীরা আমাদের ব্যবস্থাপনায় অনেকটা আনন্দিত হয়েছে। আমরা এবার বিনা টিকিটে ভ্রমণ করার প্রবণতাটা একটু কম দেখেছি। যাত্রীরা সচেতন হয়েছেন। বাংলাদেশ রেলওয়ের নিরাপত্তা বাহিনী, জিআরপি, ডিএমপি, র‌্যাব এবং বাংলাদেশের অন্যান্য সব বাহিনী সম্মিলিতভাবে আমাদের সহযোগিতা করেছেন। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি সুন্দর, ভোগান্তিহীন নিরাপদ ঈদ যাত্রা উপহার দিতে পেরেছি। এখনও পর্যন্ত কোনো ধরনের শিডিউল বিপর্যয়  এড়িয়ে অত্যন্ত নিরাপদে মানুষ নির্দিষ্ট সময়ে নিজ নিজ গন্তব্যে পৌঁছাতে পেরেছেন।

তিনি আরও বলেন, আমাদের সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার করে আমরা ৩৩ হাজার ৫০০ আন্তঃনগর টিকিট বিক্রি করতে পেরেছি। এর বাইরে যাওয়ার কোনো সুযোগ আমাদের ছিল না। কিন্তু এই ৩৩ হাজার ৫০০ টিকিটের বিপরীতে চাহিদা ছিল ব্যাপক। প্রায় ৪ থেকে ৫ লাখ মানুষ ঢাকা ছাড়তে চেয়েছিল। বেশিরভাগ যাত্রী হয়তো অনলাইনে টিকিট কাটতে পারেননি। এখন এই টিকিটগুলো পাওয়ার জন্য এই যে ব্যাপক চাওয়া এই চাহিদাকে পুঁজি করে এক শ্রেণির প্রতারক চক্র টিকিট প্রিন্ট আউট করে, এডিট করে বিভিন্নভাবে অনেককে প্রতারিত করেছেন। তাদের র‌্যাব ধরেছে।  

তিনি বলেন, আজকে সারা দিনে ২টা স্পেশাল ট্রেনসহ মোট ৬৯ জোড়া ট্রেন চলাচল করবে। আশা করছি এই ট্রেগুলোর মাধ্যমে এক থেকে দেড় লাখ মানুষ ছাকা ছাড়তে পারবেন।

বাংলাদেশ রেলওয়ে সকল পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী, বাংলাদেশ রেলপথ মন্ত্রণালয় ও রেলওয়ের সকল পর্যায়ের একটি মনিটরিং টিম কাজ করছে বলেও জানান তিনি।


আরও খবর



সানভীস বাই তনির শোরুম খুলে দিতে হাইকোর্টের নির্দেশ

প্রকাশিত:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আদালত প্রতিবেদক

Image

আলোচিত নারী উদ্যোক্তা রোবাইয়াত ফাতিমা তনির ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সানভীস বাই তনি’র গুলশানের শোরুম খুলে দেওয়ার আদেশ দিয়েছেন উচ্চ আদালত। সোমবার (১০ মে) তনির রিট পিটিশনের শুনানি শেষে বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি এস এম মাসুদ হোসাইন দোলনের বেঞ্চ এ আদেশ দিয়েছেন।

এদিন তনির পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী সৈয়দ খালেকুজ্জামান অরুন ও রবিউল আলম বুদু। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তুষার কান্তি রায় ও অন্যরা।

এর আগে গত ২১ মে রিট পিটিশনটি দায়ের করেন রোবাইয়াত ফাতিমা তনি। তখন তনির শোরুম বন্ধ কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে জারি করেছিলেন আদালত।

উল্লেখ্য, গত ১৩ মে সানভীস বাই তনির পুলিশ প্লাজায় অবস্থিত প্রধান শাখায় অভিযান চালিয়ে বন্ধ করে দেন ভোক্তা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আব্দুল জব্বার মন্ডল। পরের দিন অধিদপ্তরের দুটি অপরাধের দায়ে ৫০ হাজার ও দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

লুবনা ইয়াসমিন নামের এক নারীর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ইন্দ্রানী রায়। লুবনা ইয়াসমিন নামের ওই ক্রেতা সানভীস থেকে একটি পোশাক কিনেছিলেন ৯ ফেব্রুয়ারি। এর ৫৩ দিন পর ৩ এপ্রিল ওই নারী ভোক্তা অধিদপ্তরে অভিযোগ করেন। ফলে তার অভিযোগটি আমলযোগ্য নয় বলে মনে করেন তনির আইনজীবী সৈয়দ খালেকুজ্জামান অরুন।

অন্যদিকে, রাজু নামের এক ব্যক্তির অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। তবে রাজু নামে আসলে কেউ অভিযোগ করেননি বলে দাবি করেছেন তনি। রাজু নামের কারও অভিযোগের জন্য তনিকে কোনো নোটিশ বা শুনানি করা হয়নি বলেও জানান তনি।

এ ছাড়া লুবানার অভিযোগের শুনানি হয় ঢাকা বিভাগীয় উপপরিচালক ইন্দ্রানী রায়ের অধীনে।

অন্যদিকে জব্বার মণ্ডল ঢাকা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক। ইন্দ্রানীর কাছে শুনানি থাকলেও একই সময় জব্বার মণ্ডল সেখানে গিয়ে ভুয়া অভিযোগে দুই লাখ জরিমানা করেন। জরিমানার টাকা না দিলে অন্যান্য শোরুম বন্ধ করে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করেন বলে রিট পিটিশনে উল্লেখ করেছেন তনি।

এ বিষয়ে রোবাইয়াত ফাতিমা তনি গণমাধ্যমকে বলেন, আমি আদালতে ন্যায়বিচার পেয়েছি। আমার শোরুম অবৈধভাবে বন্ধ করেছিল। জরিমানা করার পরও শোরুম বন্ধ করে আমার ক্ষতি করা হয়েছে। এজন্য আদালতে এসেছিলাম।

এ বিষয়ে জব্বার মন্ডল গণমাধ্যমকে বলেন, আইন মেনেই সব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। উচ্চ আদালত যে সিদ্ধান্ত দিয়েছে সে বিষয়ে অধিদপ্তরের আইনজীবীরা কথা বলবেন।


আরও খবর