আজঃ শনিবার ০২ মার্চ 2০২4
শিরোনাম

স্বাদে ঘ্রাণে অনন্য গুঠিয়ার সন্দেশ

প্রকাশিত:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
মোঃ মোছাদ্দেক হাওলাদার, বরিশাল প্রতিনিধি

Image

সেই ষাটের দশকের কথা। নদীয়ায় আত্মীয়র বাসায় বেড়াতে গিয়ে প্রথম পরিচয় হয়েছিল সাদা ধবধবে এক ধরনের মিষ্টান্নের সাথে। কিছুটা নরম, আকৃতিগত দিক থেকে এবড়ো-থেবড়ো। সেই মিষ্টান্নে মন ভরছিল না সতীশ চন্দ্র দাসের। বরিশালের উজিরপুর উপজেলার গুঠিয়া গ্রামের নিজ এলাকায় ফিরে এসে নদীয়ার মিষ্টান্ন আর নিজের মিষ্টি তৈরির অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে তৈরি করেন সন্দেশ। নামকরণ করা হয় গুঠিয়ার সন্দেশ। দূর থেকে দেখতে শিউলি ফুলের মত। নতুন এই মিষ্টান্ন বাজারজাতকরণে তিনি সাথে নিয়েছিলেন ব্যবসায়ী বন্ধু বাদশা হাওলাদারকে। তারা দুইজনে নতুনভাবে উৎপন্ন সন্দেশ বিক্রি করে সারাফেলে দেন।

সতীশ ও বাদশা দুইজনের কেহই এখন আর বেঁচে নেই। কিন্তু তাদের অভিজ্ঞতালব্ধ মিষ্টান্ন গুঠিয়ার সন্দেশ বরিশাল অঞ্চলে বিখ্যাত হয়ে গেছে। গুঠিয়ার গ্রাম্য হাটের জৌলুস কমেছে, পাশের বিশাল খালটি তার নাব্যতা হারিয়েছে। কিন্তু সন্দেশের বাজার আজও জমজমাট। প্রতিদিন দেশ ও দেশের বাহিরের ভোজনরসিকরা এই মিষ্টান্নের স্বাদ পেতে ছুটে আসেন গুঠিয়ায়।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজার পেলে সেখানেও বাজিমাত করবে গুঠিয়ার সন্দেশ। যদিও বাঙালির খাদ্যপণ্যের তালিকায় সন্দেশ নতুন নয়। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য কৃত্তিবাসী রামায়ণ এবং চৈতন্যের কবিতায় সন্দেশের উল্লেখ রয়েছে। ১৯৬২ সালের দিকে গুঠিয়ার সন্দেশের পথচলা শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। সন্দেশ সাধারণত নরম ও লঘুপাকের হয় কিন্তু গুঠিয়ার সন্দেশ ঠিক তার উল্টো, কড়াপাকের। এজন্য গুঠিয়ার সন্দেশ হয় কিছুটা শক্ত ও শুস্ক। অন্যসব জায়গায় ক্ষীর সন্দেশ, সরপুরি, সাদা সন্দেশ, গুড়ের সন্দেশ, পোড়া সন্দেশের মত হরেক নামে সন্দেশ পেলেও গুঠিয়ার সন্দেশ প্রধানত এক পল্লার ও দুই পল্লার। দুই পল্লার সন্দেশকে ডাকা হয় জোড়া সন্দেশ নামে।

গুঠিয়া বাজারে এখন মাত্র সাতটি সন্দেশের দোকান চালু রয়েছে। এরমধ্যে মাহিয়া মিষ্টান্ন ভান্ডারের স্বত্বাধিকারী টিটুল হাওলাদার জানান, প্রতিদিন যত মানুষ এই বাজারে মিষ্টান্ন নিতে আসেন তার আশি ভাগই সন্দেশ নিতে আসেন। সন্দেশ শুধু নিজে খান এমন না, স্বজনদের জন্যও নিয়ে যান। দেশের বাইরেও অনেকে নিয়ে যান।

এই দোকানের কর্মচারী মিন্টু হাওলাদার বলেন, গুঠিয়ার সন্দেশ তৈরিতে কোনো ধরনের ভেজাল দ্রব্য দেওয়ার সুযোগ নেই। আমরা গুণগত মান ঠিক রেখেই সন্দেশ বিক্রি করি। তিনি আরও বলেন, গুঠিয়ার সন্দেশের চাহিদা দেশ ও দেশের বাইরে অনেক। কিন্তু দুধ ও চিনির দাম যেভাবে বাড়ছে তাতে আর আগের দামে সন্দেশ বিক্রি করতে পারছি না। তার উপর আয়কর অফিস আমাদের ওপর বিনা কারণেই বাড়তি কর ধার্য করছেন।

আরেক কারিগর শ্যামল চন্দ্র বলেন, আমার পূর্বপুরুষ ছিলেন সতীশ চন্দ্র দাস। তিনি যে পদ্ধতিতে সন্দেশ তৈরি করতেন আমরা এখনো সেভাবেই তৈরি করে থাকি। এজন্যই গুঠিয়ার সন্দেশের সাথে দেশের আর কোনো জায়গার সন্দেশ মিলবে না। আমরা খাঁটি দুধ ও চিনি ব্যবহার করি। তিনি আরও বলেন, খাঁটি পণ্য বিক্রি করায় সম্প্রতি ঢাকার চিন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে সরকার আমাকে পুরস্কৃত করেছেন। সরকার আশ্বস্ত করেছে ঐতিহ্যবাহী খাদ্যপণ্য তারা আন্তর্জাতিকভাবে বাজারজাত করবে। সেই সুযোগ পেলে গুঠিয়ার সন্দেশ নিঃসন্দেহে বিশ্ব বাজারও জয় করবে।

যেভাবে তৈরি হয় গুঠিয়ার সন্দেশ

সাধারণত সাত কেজি দুধে এক কেজি ছানা পাওয়া যায়। সেই ছানার সাথে পরিমাণ মত চিনি মিশিয়ে অল্প আগুনে উত্তপ্ত করে নিতে হয়। প্রায় ৩০ মিনিট পর পাকিয়ে অল্প আঁচে পাঁচ মিনিট রাখলেই কাঁচামাল তৈরি। দুধ থেকে ছানা তৈরির পর তা দিয়ে সন্দেশ তৈরি হয়। ছানা বেশি সময় রেখে দিলে ভালো সন্দেশ হয়না। এজন্য দুধ থেকে ছানা কাটার পর পরই তা একটি বড় লোহার কড়াইতে জ্বাল দেওয়া হয়। কাঁচা ছানার সাথে কিছু ময়দা মেশানো হয়। জ্বাল হওয়ার পর তা কিছুটা চিকন করা হয়। জ্বালের কম-বেশির ওপরেই সন্দেশের স্বাদ ও গুণগত মান নির্ভর করে। পাকের পর তা চুলা থেকে নামিয়ে ছোট গোল্লা করে চ্যাপ্টা করা হয়। এরপর তার ওপরে মাঝখানে একটি পরিস্কার কিশমিশ দানা বসিয়ে দেওয়া হয়। এতে সন্দেশের সৌন্দর্য বাড়ে। সন্দেশ তৈরিতে পরিমাণমতো আঁচ ও পাকই হলো প্রধান কাজ। 

নিউজ ট্যাগ: গুঠিয়ার সন্দেশ

আরও খবর



ঝিলপাড় বস্তিতে আগুনে পুড়লো আড়াই শতাধিক ঘর

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

রাজধানীর মিরপুর-১২ নম্বরের ঝিলপাড় বস্তিতে আগুনে পুড়ে গেছে আড়াই শতাধিক ঘর। ফায়ার সার্ভিসের আটটি ইউনিটের এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। দুপুর একটার দিকে আগুন লাগে বস্তিতে। বাসিন্দারা নিরাপদে সরে গেলেও রক্ষা করতে পারেননি সহায়-সম্বল।

ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক মো. তানহারুল ইসলাম জানিয়েছেন, আগুন লাগার কারণ জানা যায়নি। তদন্তের পর জানা যাবে। হতাহতের কোনো খবরও পাননি তারা।

এদিকে, থাকার জায়গা, বিছানা, তোশক, রান্নার হাড়ি পাতিলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রায় সবকিছুই আগুনে পুড়ে যাওয়ায় ভুক্তভোগীদের চোখে এখন অন্ধকার। পুড়েছে শিক্ষার্থীদের বই-খাতা।

আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পর পুড়ে যাওয়া ধ্বংসাবশেষ থেকে আধাপোড়া নিত্য ব্যবহার্য কিছু জিনিসপত্র খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন বস্তির বাসিন্দারা। বলছেন, আগুনে পুড়ে ছাই তাদের মাথা গোঁজার শেষ সম্বল।


আরও খবর



চার সরকারি হাসপাতালে র‌্যাবের অভিযান, ৩৬ দালাল আটক

প্রকাশিত:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের চারটি সরকারি হাসপাতালে র‍্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়েছে। র‌্যাব-২-এর চারটি দল পৃথকভাবে এসব অভিযান পরিচালনা করে।

আজ বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত অভিযান চালায় র‌্যাব। এ সময় রোগী ভাগিয়ে নেওয়ার অভিযোগে ৩৬ জন দালালকে আটক করেছেন র‍্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত।

সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল থেকে রোগী ভাগিয়ে নেওয়ার সময় ১৭ জন, জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল থেকে ১২, আগারগাঁওয়ের শিশু হাসপাতাল থেকে ৪ ও পঙ্গু হাসপাতাল থেকে ৩ জনকে আটক করা হয়।

র‍্যাব-২-এর উপ-অধিনায়ক মেজর নাজমুল্লাহিল ওয়াদুদ গণমাধ্যমকে বলেন, দালালেরা সরকারি হাসপাতাল থেকে তাদের কমিশনভিত্তিক ক্লিনিক ও বেসরকারি হাসপাতালে রোগী ভাগিয়ে নিচ্ছেনএমন তথ্যের ভিত্তিতে র‍্যাব-২-এর ভ্রাম্যমাণ আদালত সেখানে অভিযান চালান।


আরও খবর



‘আমিন আমিন’ কলরবে মুখরিত তুরাগ তীর

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

আখেরি মোনাজাতের মধ্যদিয়ে টঙ্গীর তুরাগ তীরে বিশ্ব ইজতেমার প্রথম আসর শেষ হয়েছে। আখেরি মোনাজাতে দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনাসহ ইহকালের শান্তি, পরকালের মাগফেরাত এবং বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর সুখ ও সমৃদ্ধি কামনা করা হয়। এ সময় লাখো ধর্মপ্রাণ মুসল্লির আমিন আমিন ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে টঙ্গীর তুরাগ তীর।

এর আগে সকাল ৯টা ১ মিনিটে আখেরি মোনাজাত শুরু হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেছেন তাবলিগ জামাত বাংলাদেশের শীর্ষ মুরব্বি, কাকরাইল জামে মসজিদের পেশ ইমাম ও খতিব মাওলানা জুবায়ের আহমেদ।

রবিবার (০৪ ফেব্রুয়ারি) ফজরের নামাজের পর থেকেই শুরু হয় হেদায়েতি বয়ান। হেদায়েতি বয়ান করেন পাকিস্তানের মাওলানা জিয়াউল হক সাহেব। এরপর কিছু সময়, নসিহতমূলক কথা বলেন ভারতের মাওলানা ইব্রাহিম দেওলা সাহেব।

এদিকে ইজতেমার আখেরি মোনাজাত ঘিরে ফজরের পর থেকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের কুড়িল বিশ্বরোড থেকে ইজতেমামুখী যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। একইভাবে গাজীপুরের ভোগড়া বাইপাস থেকে যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়।

আখেরি মোনাজাতে অংশ নিতে গতকাল রাত থেকেই দেশের বিভিন্ন জেলার মুসল্লি ইজতেমা ময়দানে এসেছেন। এতে টঙ্গী ইজতেমা ময়দানের আশপাশের এলাকা, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক, কামারপাড়া সড়ক, আহ্ছানিয়া মিশন ক্যানসার হাসপাতাল এলাকাসহ আশপাশের এলাকায় অবস্থান নেন মুসল্লিরা।


আরও খবর
শপথ নিলেন নতুন ৭ প্রতিমন্ত্রী

শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪




২০২৩ সালে বিশ্বে ৯৯ সাংবাদিক নিহত, ৭৭ জন গাজায়: সিপিজে

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

২০২৩ সালে নিহত ৯৯ সাংবাদিকের মধ্যে ৭৭ জন ইসরাইল-হামাস যুদ্ধে মারা গেছেন। এক দশকের মধ্যে মিডিয়ার জন্য গত এক বছর ছিল সবচেয়ে ভয়ানক বছর। কমিটি টু প্রোটেক্ট জার্ণালিস্টস বৃহস্পতিবার একথা জানিয়েছে।

সিপিজে বলেছে, সোমালিয়া এবং ফিলিপাইনে প্রাণহানি স্থিতিশীল থাকলেও বিশ্বব্যাপী সাংবাদিকদের হত্যার ঘটনা বছরের পর বছর কমে যেত যদি ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধে ৭৭ সাংবাদিকের মৃত্যু না হতো। ২০১৫ সালের পর থেকে এটা সর্বোচ্চ এবং ২০২২ সালের পরিসংখ্যানে প্রায় ৪৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

সিপিজে বলেছে ডিসেম্বর ২০২৩ সালের এক রিপোর্টে দেখা গেছে, একটি দেশে সারা বছরে যত বেশি সাংবাদিক মারা গেছে, ইসরায়েল-গাজা যুদ্ধের প্রথম তিন মাসে তার চেয়ে বেশি সাংবাদিক নিহত হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, ইসরায়েল-হামাস সংঘর্ষে নিহত ৭৭ সাংবাদিকের মধ্যে ফিলিস্তিনেরই ৭২ জন। তিনজন লেবানিজ ও দুইজন ইসরায়েলিও রয়েছেন। সিপিজে প্রধান নির্বাহী জোডি গিন্সবার্গ বলেছেন, গাজার সাংবাদিকরা যুদ্ধের সামনের সারিতে ছিলেন।

এই যুদ্ধে ফিলিস্তিনি সাংবাদিকদের যে বিশাল ক্ষতি হয়েছে তা শুধু ফিলিস্তিনি অঞ্চলে নয়, এই অঞ্চলে এবং তার বাইরেও সাংবাদিকতার জন্য দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলবে। নিহত প্রতিটি সাংবাদিক বিশ্ব সম্পর্কে আমাদের বোঝার জন্য আরও একটি দূর্ভাগ্য।

৭ ফেব্রুয়ারি নিউইয়র্ক ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতা সংস্থা বলেছে, গাজা সংঘাতে নিহত সাংবাদিকের সংখ্যা বেড়ে ৮৫ জনে দাঁড়িয়েছে। 

আরও পড়ুন>> ইমরান খানের স্ত্রীকে অ্যাসিড খাওয়ানোর অভিযোগ

সিপিজে এর আগে ইসরায়েলি বাহিনী কর্তৃক সাংবাদিকদের ওপর নিপীড়ন বলে সমালোচনা করেছে এবং গাজা সংঘাতে নিহত এক ডজন সাংবাদিককে ইচ্ছাকৃতভাবে ইসরায়েলি সেনারা টার্গেট করেছে কিনা তা তদন্ত করছে। যা ছিল একটি যুদ্ধাপরাধ

ইসরায়েলি সরকারি পরিসংখ্যানের ওপর ভিত্তি করে এএফপি-এর তথ্য অনুযায়ী, ইসরায়েলে ৭ অক্টোবর হামাস হামলার প্রতিক্রিয়ায় হামাসকে নিশ্চিহ্ন করার প্রতিশোধমূলক পাল্টা হামলা চালালে প্রায় ১,১৬০ জন নিহত হয়। এদের বেশিরভাগই বেসামরিক নাগরিক। সবচেয়ে ভয়াবহ হামলায় হামাস যোদ্ধারা প্রায় ২৫০ জনকে জিম্মি করে এবং তাদের মধ্যে প্রায় ২৯ জনকে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

হামাস নিয়ন্ত্রিত ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গাজায় ইসরায়েলের প্রতিশোধমূলক সামরিক অভিযানে অন্তত ২৮,৫৭৬ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে। এদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু।


আরও খবর



বেইলি রোডে আগুন: ঢাকা মেডিকেলে স্বজনদের আহাজারি

প্রকাশিত:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

রাজধানীর বেইলি রোডের কাচ্চি ভাই রেস্টুরেন্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের সারি সারি মৃতদেহ পড়ে আছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে। আপনজনদের মৃতদেহ নিতে মর্গের পাশেই অপেক্ষা করছেন নিহতদের স্বজনরা। তাদের আহাজারিতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এলাকা যেন ভারী হয়ে উঠেছে।

শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গ ও জরুরি বিভাগের সামনে দেখা যায়, মৃতদেহগুলো নিতে অপেক্ষা করছেন স্বজনরা। কেউ কেউ স্বজনদের জড়িয়ে ধরে কান্না করছেন। কেউবা স্মৃতি মনে করে বার বার মূর্ছা যাচ্ছেন।

এদিকে শুক্রবার (০১ মার্চ) ভোর ৫টা ৪১ মিনিটে মৃতদেহ হস্তান্তর প্রক্রিয়া শুরু হয়। বৃহস্পতিবার রাত ২টার পর থেকে মৃতদেহ হস্তান্তরের জন্য নিহতদের স্বজনদের তথ্য চায় ঢাকা জেলা প্রশাসন। তথ্য সংগ্রহ সাপেক্ষে মৃতদেহ শনাক্তের পর মৃতদেহ হস্তান্তর শুরু হয়।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার রাত ৯টা ৫০ মিনিটের দিকে কাচ্চি ভাই রেস্টুরেন্ট ভবনে আগুন লাগার সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস। এতে অন্তত ৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া, গুরুতর আহত হয়েছেন অন্তত ২২ জন।


আরও খবর