আজঃ মঙ্গলবার ২০ এপ্রিল ২০21
শিরোনাম

স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন ১০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৭ মার্চ ২০২১ | ১১৭জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
এটি দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার। ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সরকার ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতি বছর এ পুরস্কার দিয়ে আসছে। স্বাধীনতা পুরস্কারের ক্ষেত্রে পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে ৫ লাখ টাকা

জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে শহীদ আহসানউল্লাহ মাস্টার, কবি মহাদেব সাহা, সুরকার-গীতিকার গাজী মাজহারুল আনোয়ারসহ ৯ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠান ২০২১ সালের স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছে।

রবিবার (৭ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীতদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এবার প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল এ পুরস্কার পাচ্ছে।

এটি দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার। ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সরকার ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতি বছর এ পুরস্কার দিয়ে আসছে। স্বাধীনতা পুরস্কারের ক্ষেত্রে পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে ৫ লাখ টাকা, ১৮ ক্যারেট মানের ৫০ গ্রাম স্বর্ণপদক, পদকের একটি রেপ্লিকা ও একটি সম্মাননাপত্র দেয়া হবে।

স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ ক্ষেত্রে এবার চারজন স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন- মরহুম এ কে এম ফজলুর রহমান, শহীদ আহসানউল্লাহ মাস্টার, মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খুরশিদ উদ্দিন আহমেদ ও মরহুম আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবু। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পাচ্ছেন ড. মৃন্ময় গুহ নিয়োগী। সাহিত্যে পুরস্কার পাচ্ছেন কবি মহাদেব সাহা। সংস্কৃতিতে নাট্যজন আতাউর রহমান ও সুরকার-গীতিকার গাজী মাজহারুল আনোয়ার স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন। সমাজসেবা/জনসেবা ক্ষেত্রে পুরস্কার পাচ্ছেন অধ্যাপক ডা. এম আমজাদ হোসেন। গবেষণা ও প্রশিক্ষণে স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল।


আরও খবর



পর্যটন এলাকা লকডাউনের ঘোষণা আসতে পারে আজ

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ২৯ মার্চ ২০২১ | ৮৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
দিন দিন মানুষের জীবনযাত্রা স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। কেউই স্বাস্থ্যবিধি মানছে না। করোনা তো বাড়বেই। দেশে বিভিন্ন টাইপের লকডাউনের ঘোষণা আসতে পারে

করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ নিয়ন্ত্রণে বিয়ে, ওয়াজ মাহফিল, পিকনিকসহ বেশ কিছু বিষয়ে বিধিনিষেধ আরোপের ইঙ্গিত দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। এর মধ্যে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বান্দরবান, খাগড়াছড়িএসব এলাকায় যাওয়া-আসা বন্ধ করার কথাও বলেছেন তিনি।

জাহিদ মালেক বলেন, দেশে করোনা সংক্রমণ দিন দিন বাড়ছে। আমরা যদি স্বাস্থ্যবিধি না মানি তাহলে আমাদের দেশের অনেক ক্ষতি হবে। এর অন্যতম কারণ আমাদের হাসপাতালগুলোতে এতো জায়গা নেই। কোথায় চিকিৎসা হবে কে চিকিৎসা দেবে এত মানুষকে?।

জাহিদ মালেক গণমাধ্যমকে বলেন, দিন দিন মানুষের জীবনযাত্রা স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। কেউই স্বাস্থ্যবিধি মানছে না। করোনা তো বাড়বেই। দেশে বিভিন্ন টাইপের লকডাউনের ঘোষণা আসতে পারে। এর মধ্যে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি এলাকায় যাওয়া-আসা বন্ধ করা হতে পারে। বিয়ে, অনুষ্ঠান, ওয়াজ মাহফিল, পিকনিকসহ জনসমাগম হয় এমন সব অনুষ্ঠানে বিধিনিষেধ আসতে পারে। তিনি আরও যোগ করেন, আজ সোমবার থেকে দেশের সব পর্যটন এলাকা বা স্পটে লকডাউনের ঘোষণা আসতে পারে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, সারা দেশে একবারে লকডাউনের চিন্তা করছে না সরকার। তবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কারিগরি কমিটি মনে করছে, লকডাউনের সিদ্ধান্ত নেয়ার সময় এসেছে।

মন্ত্রণালয়ে পাঠানো প্রস্তাবে বলা হয়েছে, সম্ভব হলে কমপ্লিট লকডাউনে যেতে হবে। সম্ভব না হলে অর্থনৈতিক ভারসাম্য রেখে যেকোনও জনসমাগম বন্ধ করতে হবে।

নিউজ ট্যাগ: করোনাভাইরাস

আরও খবর



করোনা সচেতনায় জবি ছাত্রলীগের মাস্ক বিতরণ

প্রকাশিত:শনিবার ১০ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ এপ্রিল ২০২১ | ৫৯জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

জবি প্রতিনিধি:

বাংলাদেশে চলছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ। প্রতিদিন মৃত্যুর মিছিলে যোগ হচ্ছে অনেকে। করোনা প্রতিরোধ করতে সচেতনা ও স্বাস্থ্যবিধি মানার কোন বিকল্প নেই। এরই পরিপ্রেক্ষিতে মানুষের মাঝে জনসচেতনতা সৃষ্টি করতে মাস্ক বিতরণ কর্মসূচি পালন করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ।

শনিবার (১০ মার্চ) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের আশেপাশে সহ বাহাদুর শাহ পার্ক, পাটুয়াটুলি সহ সদরঘাট এরিয়ার বিভিন্ন জায়গায় মাস্ক বিতরণ করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এ সময় জনসাধারণকে মাস্ক পড়তে সচেতন করা হয়।

মাস্ক বিতরণ কর্মসূচী সম্পর্কে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুল আফসার বলেন, "করোনাকে প্রতিরোদ করতে মাস্ক পড়া জরুরী। সাধারণ মানুষের মাঝে স্বাস্থ্য সচেতনতা গড়ে তুলতেই আমাদের এই কার্যক্রম।"

এছাড়া জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগে সাবেক মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক নাহিদ পারভেজ বলেন, "আমাদের সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। মাস্ক পরার মাধ্যমে অনেক রোগ থেকে বেচে থাকা যায়। আমরা সবাই মাস্ক পড়ব ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলব।"

এ সময় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরাসহ পদ প্রত্যাশি অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



স্বাধীনতার মিথ্যা ঘোষকের ঠিকানাই থাকবে না : প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ২১ মার্চ 20২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ মার্চ 20২১ | ১৪৭জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বাংলাদেশের স্বাধীনতার মিথ্যা ঘোষকের আর কোনো ঠিকানা আন্তর্জাতিকভাবেও থাকবে না বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার পর ইতিহাস থেকে তার নামটা মুছে ফেলার আপ্রাণ চেষ্টা হয়েছিল। স্বাধীনতার ঘোষক হিসাবে জিয়াকে দাঁড় করানো হয়েছিল। স্বাধীনতার নায়ক বানানো হয়েছিল। মিথ্যা ঘোষক হওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল, আজকে আন্তর্জাতিকভাবেও সেই ঘোষকের আর কোনো ঠিকানা থাকবে না।

রবিবার (২১ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আওয়ামী লীগ আয়োজিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০১তম জন্মবার্ষিকীর আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

১৫ আগস্ট জাতির পিতার হত্যাকাণ্ডের নির্মম বর্বরতার কথা বিভিন্ন প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন বঙ্গবন্ধু কন্যা। তিনি বলেন, এইভাবে তাকে হত্যা করা হবে, এটি বোধহয় তিনি কখনো কল্পনাও করতে পারেননি, বিশ্বাসও করতে পারেননি। তার কারণ ছিল বাংলাদেশের মানুষকে তিনি গভীরভাবে ভালবেসেছিলেন।

বঙ্গবন্ধুর শৈশব স্মৃতির বিভিন্ন দিক তুলে ধরে তার বড় মেয়ে শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, দুভার্গ্যরে বিষয় হল সেই দীর্ঘ সংগ্রামের পথ বেয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব আমাদের যে স্বাধীনতা দিয়ে গেছেন, অথচ সেই স্বাধীন দেশেই তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হলো। শুধু হত্যা করা না, হত্যার পর ইতিহাস থেকে তার নামটা মুছে ফেলার আপ্রাণ চেষ্টা। এখানে স্বাধীনতার ঘোষক দাঁড় করানো হলো। স্বাধীনতার নায়ক বানানো হল। স্বাধীনতার ইতিহাস পাল্টে দেওয়া হলো।

এই বাংলাদেশে এমন একটা সময় ছিল যে বঙ্গবন্ধুর নামটা পর্যন্ত নেওয়া যেত না। তার নামটা নেওয়া যেন নিষিদ্ধ ছিল। যে মহান মুক্তিযুদ্ধে লাখো শহীদ রক্ত দিয়েছে, কত মা-বোন ইজ্জত দিয়েছে, কত মানুষ আপনজন হারিয়েছে, গৃহহারা হয়েছে এই যে এতো বড় একটা বিশাল অবদান; সেই অবদানের মধ্য দিয়ে আমরা পেয়েছিলাম স্বাধীনতা। কিন্তু স্বাধীন বাংলাদেশে ৭৫র পর এমন একটা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিল, যে যারা মুক্তিযুদ্ধ করেছিল তারা নিজেরা যে বলবে, আমি মুক্তিযুদ্ধ করেছি; সেই কথাটা বলার মতো সাহস তাদের ছিল না। সে সাহসটাও হারিয়ে ফেলেছিল। কারণ তাহলেই নির্যাতনের শিকার হতে হতো।

শুধুমাত্র জাতির পিতাকে হত্যা করে অবৈধভাবে সংবিধান লঙ্ঘন করে যারা ক্ষমতা দখল করেছিল, তাদের চাটুকারিতা যারা করতে পারত শুধু তারাই সবকিছইু বলতে পারত। তাদের জন্য যেন সবকিছু বলার একটা অধিকার ছিল।

কিন্তু সত্যকে সত্য বলা, সত্য ইতিহাস তুলে ধরা নিষিদ্ধ ছিল দাবি করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ৭ মার্চের সেই ঐতিহাসিক ভাষণ, যে ভাষণ এদেশের মানুষকে উদ্বুদ্ধ করেছিল। যে ভাষণের মধ্য দিয়ে অসহযোগ আন্দোলন করে, সেই অসহযোগ আন্দোলনকে সশস্ত্র বিপ্লবে রূপ দিয়েছিলেন। সেই ভাষণ নিষিদ্ধ ছিল।

আজকে জাতির পিতার জন্মদিন আমরা পালন করছি। আমি বাংলাদেশের মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞ। আমি আমার দল, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং তার সহযোগী সংগঠনের সকল নেতাকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞ।

এই কারণে আজকে আমরা জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করতে পেরেছিলাম বলে রাষ্ট্রীয়ভাবে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায়ও আমরা জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন করবার সুযোগ পেয়েছি। এই উদযাপন আমরা করে যাচ্ছি।

মুজিব চিরন্তন প্রতিপাদ্যে জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনে রাষ্ট্রীয়ভাবে ১০ দিনের কর্মসূচি কর্মসূচি পালন করার প্রসঙ্গ তুলে ধরেন।

যা বিগত সময়ে করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতির কারণে গৃহীত কর্মসূচিগুলো বাতিল করে দিয়ে শুধুমাত্র ভার্চুয়ালি করা হয়েছিল সে কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

তাই এখন ১৭ই মার্চ থেকে ২৬ মার্চ ১০ দিনব্যাপী ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যাওয়ার কথা তুলে ধরে সেখানে বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধান-সরকারপ্রধানসহ বিশ্ব নেতৃবৃন্দের আগমন ও ভিডিওতে শুভেচ্ছা বার্তা প্রদান করার কথা তুলে ধরেন।

শেখ হাসিনা বলেন, আজকে অনুষ্ঠানগুলো করার সুযোগ পেয়েছি জনগণ ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছিল বলেই। যেখানে বঙ্গবন্ধুর নাম মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছিল। আজকে আর সেই নাম মুছতে পারবে না। যেখানে মিথ্যা ঘোষক হওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল আজকে আন্তর্জাতিকভাবেও আপনারা দেখেন, সেই ঘোষকের আর কোনো ঠিকানা থাকবে না। তার কারণ-আজকে বিশ্ব নেতৃবৃন্দ, তারাই কিন্তু আজ এটা নিজেরাই প্রচার করছেন এবং অনেক জায়গায় রেজ্যুলেশনও হচ্ছে যে, ২৬শে মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানই স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের জন্ম এই মাটিতে হয়েছিল বলেই তার মতো একজন বলিষ্ট নেতৃত্ব আমরা পেয়েছিলাম। তিনি ছোট বেলা থেকেই খুব সংবেদনশীল ছিল, মানুষের প্রতি দরদী ছিলেন। তার তোন অহমিকা ছিল না। তিনি সাধারণ মানুষকে সাহায্য করতে পছন্দ করতেন। মানুষের পাশে থাকতেন। দরিদ্র্য ছেলে-মেয়েদেরকে পড়াশোনা থেকে শুরু করে সর্বক্ষেত্রে তিনি সহযোগিতা করতেন। দুর্ভিক্ষ পীড়িত অবস্থা যখন সৃষ্টি হল সেই মানুষের পাশে দাঁড়ালেন। নিজেদের গোলা খুলে দিয়ে ধান বিলিয়ে দেন গরিবের কাছে।

প্রতিটি ক্ষেত্রে নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তিনি মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। কারো কাছে কখনো মাথা নত করেননি। ভাষা আন্দোলন তিনি শুরু করেছিলেন সেই ১৯৪৮ সালের ১১ই মার্চ প্রথম কর্মসূচি ধর্মঘট পালন করা হয়।

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। অনুষ্ঠানে সূচনা বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। এ ছাড়া বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, আব্দুর রাজ্জাক, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, মির্জা আজম, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক ওয়াসিকা আয়েশা খান, শিক্ষা সম্পাদক শামসুন্নাহার চাঁপা, আন্তর্জাতিক সম্পাদক শাম্মী আহমেদ, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ উত্তরের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান এবং দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির। এ ছাড়া সভায় দলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্যরাসহ ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

গণভবন প্রান্তে সভা পরিচালনা করেন দলের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ।


আরও খবর



১১ এপ্রিলের পর আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট বিক্রি সাময়িক বন্ধ

প্রকাশিত:বুধবার ৩১ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ৩১ মার্চ ২০২১ | ৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
আগামী ১১ এপ্রিলের পর আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হবে এবং আন্তঃনগর ট্রেনে ক্যাটারিং সেবা

করোনাভাইরাস সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় সরকারের নির্দেশনা মোতাবেক বাংলাদেশ রেলওয়ে ১১ এপ্রিলের পর আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট বিক্রি সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে। বুধবার (৩১ মার্চ) রেলওয়ের উপপরিচালক (টিসি) মো. নাহিদ হাসান খাঁন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ রেলওয়ের আন্তঃনগর ট্রেনসমূহের মোট আসন সংখ্যার ৫০ শতাংশ টিকিট একইসাথে অনলাইন, মোবাইল অ্যাপ ও কাউন্টারে সকাল ৮টা থেকে অগ্রিম ব্যবস্থাপনায় ইস্যু করা হবে। এছাড়া আগামী ১১ এপ্রিলের পর আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হবে এবং আন্তঃনগর ট্রেনে ক্যাটারিং সেবা ও ট্রেনে রাত্রিকালীন বেডিং সরবরাহের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে প্রতিপালন করতে হবে।

টিকিট ইস্যুর ক্ষেত্রে নতুন এ নিয়ম বৃহস্পতিবার (০১ এপ্রিল) থেকে কার্যকর হবে। একই সঙ্গে সময়ে সময়ে জারিকৃত টিকিট ইস্যু এবং স্বাস্থ্যবিধি পরিপালন করার অন্যান্য নিয়মাবলী অপরিবর্তিত থাকবে।


আরও খবর



লকডাউনে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ

প্রকাশিত:শনিবার ০৩ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ০৩ এপ্রিল ২০২১ | ৭১জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ পরিস্থিতি ক্রমাগত অবনতি হওয়ায় আগামী সোমবার থেকে এক সপ্তাহের জন্য সারা দেশে লকডাউন দিচ্ছে সরকার। লকডাউনে মালবা‌হী ছাড়া যাত্রীবাহী সব ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন।

হঠাৎ করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যুর ঊর্ধ্বগতি কারণে গত চার দিন ধ‌রে ১০৪‌টি আন্তঃনগর ট্রেনসহ সক যাত্রীবা‌হী ট্রেনে ৫০ শতাংশ যাত্রী চলাচল কর‌ছে। কাউন্টার ও অনলাই‌নে ৫০ শতাংশ টি‌কিট বি‌ক্রি হ‌চ্ছে।

শ‌নিবার বিকা‌লে রেলমন্ত্রী যুগান্তরকে বলেন, লকডাউ‌নে পূ‌র্বের মতো সব যাত্রীবা‌হী ট্রেন চলাচল বন্ধ থা‌কবে। কো‌নো যাত্রীবা‌হী ট্রেন চলাচল কর‌বে না। ত‌বে মালবা‌হী ট্রেন চলাচল কর‌বে। বি‌শেষ প‌রি‌স্থি‌তিতে শুধুমাত্র ত্রাণ কিংবা যে কো‌নো দুর্যোগ মোকাবিলায় বি‌শেষ ট্রেন চালা‌নো হ‌বে। এ জন্য‌ বি‌শেষ ট্রেন প্রস্তুত রাখা হ‌বে।

নিউজ ট্যাগ: লকডাউন ট্রেন

আরও খবর