আজঃ বুধবার ০৪ আগস্ট ২০২১
শিরোনাম

স্বাক্ষর জালিয়াতি ও তথ্য গোপন করায় ছাত্র ইউনিয়নের দুই শীর্ষ নেতা বহিষ্কার

প্রকাশিত:বুধবার ২৩ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২৩ জুন ২০২১ | ২৬৩জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
মিখা পিরেগুকে ১৩ ডিসেম্বর ২০২০ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় বিভাগীয় সভাপতির স্বাক্ষর ও সীলমোহর জালিয়াতির অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চিরতরে বহিস্কার করা হয়

বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সহকারী সাধারণ সম্পাদক মিখা পিরেগুকে স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগে বহিস্কার করা হয়েছে। একই সাথে মিখা পিরেগুর স্বাক্ষর জালিয়াতির তথ্য গোপন করতে সহযোগিতা করায় সহ-সভাপতি নজির আমিন চৌধুরী জয়ের সদস্যপদ স্থগিত করা হয়েছে।

বুধবার (২৩জুন) ছাত্র ইউনিয়নের দপ্তর সম্পাদক মাহির শাহরিয়ার রেজা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, স্বাক্ষর জালিয়াতি এবং জালিয়াতির তথ্য গোপনের কারণ জানতে চেয়ে ১৪ জুন কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয় তাদেরকে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে উত্তর না দিলে সংগঠনটির গঠনতন্ত্রের ৫৬(গ) ধারা অনুযায়ী এ বহিস্কারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

উল্লেখ, মিখা পিরেগুকে ১৩ ডিসেম্বর ২০২০ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় বিভাগীয় সভাপতির স্বাক্ষর ও সীলমোহর জালিয়াতির অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চিরতরে বহিস্কার করা হয়। গত ১৯ নভেম্বর সংগঠনটির ৪০তম জাতীয় সম্মেলনে স্বাক্ষর জালিয়াতির দায়ে চিরতরে বহিস্কৃত ছাত্রকে সহকারী সাধারণ সম্পাদক করায় দেশের ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সংগঠন ছাত্র ইউনিয়ন বিভিন্ন মহলে নিন্দিত হয়েছে। দীর্ঘদিন পরে হলেও স্বাক্ষর জালিয়াতির মতন গুরুতর অপরাধকে বিবেচনায় নিয়ে মিখা পিরেগু ও নজির আমিন চৌধুরী জয়কে বহিস্কার করায় স্বস্তি ফিরেছে সংগঠনটির বর্তমান ও প্রাক্তন নেতা-কর্মীদের মাঝে।

এবিষয়ে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি ফয়েজ উল্লাহ বলেন, ছাত্র ইউনিয়ন কখনো অন্যায়কে প্রশ্রয় দেয় না, নীতি-আদর্শের প্রশ্নে ছাত্র ইউনিয়ন তার জন্মলগ্ন থেকে অবিচল। ভবিষ্যতে কেউ এধরণের কাজ করলে তাদেরকেও ছাড় দেওয়া হবে না।

বহিস্কারের বিষয়ে জানার জন্য মিখা পিরেগু ও নজির আমিন চৌধুরী জয়ের সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা সাড়া দেননি।

নিউজ ট্যাগ: ছাত্র ইউনিয়ন

আরও খবর



ঈদের জন্য ৮ দিন ‌‘বিধি-নিষেধ’ শিথিল

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৩ জুলাই ২০২১ | ১৯৯জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে ১৪ জুলাই মধ্য রাত থেকে চলমান লকডাউন শিথিল করা হবে। মঙ্গলবার (১৩ জুলাই) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন, জনসাধারণের যাতায়াত, ঈদ পূর্ববর্তী ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনা, দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থা এবং অর্থনৈতিক কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখার স্বার্থে ১৪ জুলাই মধ্যরাত থেকে ২৩ জুলাই সকাল ৬টা পর্যন্ত সকল বিধি নিষেধ শিথিল করা হলো।

করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় ১ জুলাই থেকে সাতদিনের জন্য সারাদেশে কঠোর বিধি-নিষেধ জারি করে সরকার। এরপর এ বিধি নিষেধ ১৪ জুলাই পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়। এর মধ্যে রবিবার (১১ জুলাই) মুসলমানদের দ্বিতীয় বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহার চাঁদ দেখা যাওয়ায় লকডাউন শিথিলের বিষয়টি সামনে আসে।

এরপরই সরকার সাধারণ মানুষ যাতে নির্বিঘ্নে ঈদ পালন করতে পারে সেজন্য লকডাউন শিথিল করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। সেই সিদ্ধান্তের আলোকে ১৫ জুলাই থেকে আগামী ২৩ জুলাই পর্যন্ত সকল ধরণের যানবাহন চলাচলসহ শপিংমল ও দোকানপাট খুলে দিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।


আরও খবর



ঈদে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ জুলাই ২০21 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২০ জুলাই ২০21 | ১২০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

প্রাণঘাতি করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে জিততেই হবে উল্লেখ করে সবাইকে যথাযথভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার (২০ জুলাই) ঈদুল আজহা উপলক্ষে এক ভিডিও বার্তায় তিনি এ আহ্বান জানান।

এসময় তিনি দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে ঈদুল আজহার ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত হয়ে দেশের ও মানুষের কল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ত্যাগের মহিমায় সমুজ্জ্বল পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানাই সবাইকে। প্রবাসী ভাই ও বোনদের প্রতি রইলো আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা। গত এক বছরের বেশি সময় ধরে আমরা মহামারি করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করে যাচ্ছি। এই লড়াইয়ে আমরা অনেক আপনজনকে হারিয়েছি। আজকে তাদের স্মরণ করছি, তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। তবে এই লড়াইয়ে আমাদের জিততেই হবে, জিতবো ইনশাআল্লাহ। আসুন কোরবানির ত্যাগের মহিমায় উজ্জীবিত হয়ে দেশ ও দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করি। করোনাভাইরাস প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন। সবাই ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন, নিরাপদ থাকুন।


আরও খবর



রূপগঞ্জে আগুনের ঘটনায় ৫১ শ্রমিক নিখোঁজ

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৯ জুলাই ২০২১ | ১০২জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে সজীব গ্রুপের সেজান জুস কারখানায় আগুনের ঘটনায় ৫১ শ্রমিককে তাদের পরিবারের সদস্যরা খুঁজছেন। তাদের খোঁজে বৃহস্পতিবার (৮ জুলাই) সন্ধ্যা থেকে শুক্রবার (৯ জুলাই) বিকাল পর্যন্ত কারখানার সামনে অপেক্ষা করছেন তারা।

নিখোঁজ শ্রমিকরা হলেনভোলার চরফ্যাশন উপজেলার গোলামের ছেলে মো. মহিউদ্দিন, একই উপজেলার ফখরুল ইসলামের ছেলে শামীম, ভোলা জেলার ইসমাইলের মেয়ে হাফেজা, নারায়ণগঞ্জের হাকিম আলীর মেয়ে ফিরোজা বেগম, কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার তাহের উদ্দিনের ছেলে নাঈম, একই জেলার নিতাই উপজেলার স্বপনের মেয়ে শাহিদা, মৌলভীবাজারের পরবা বরমনের ছেলে কমপা বরমন, ভোলার তাজুদ্দিনের ছেলে রাকিব, কিশোরগঞ্জের কাইয়ুমের মেয়ে খাদিজা, নেত্রকোনার জাকির হোসেনের মেয়ে শান্তা মনি, হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার সেলিমের স্ত্রী উর্মিতা বেগম,  কিশোরগঞ্জের কাইয়ুমের মেয়ে আকিমা, নেত্রকোনার কবির হোসেনের মেয়ে হিমা, রংপুরের মানসের ছেলে স্বপন, কিশোরগঞ্জের মাহাতাব উদ্দিনের স্ত্রী শাহানা, একই জেলার গোলাকাইন্দাইল খালপাড়ের রাজিবের স্ত্রী আমেনা, কিশোরগঞ্জের আব্দুর রশিদের মেয়ে মিনা খাতুন, পাবনার হাঠখালির শাহাদত খানের ছেলে মোহাম্মদ আলী, ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ফজলুর ছেলে হাসনাইন, জামালপুরের মো. শওকতের ছেলে জিহাদ রানা, কিশোরগঞ্জের মো. সেলিমের মেয়ে সেলিনা, নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার ফিরোজা, তার মেয়ে সুমাইয়া, নরসিংদীর শিবপুরের জসিম উদ্দীনের স্ত্রী রিমা, কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার সুজনের মেয়ে রিনা আক্তার, চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলার হাছান উল্লাহর ছেলে পারভেজ, পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার গোকুলের ছেলে মাহাবুব, গাজীপুরের সেলিম মিয়ার ছেলে রিপন মিয়া (ইয়াসিন), ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার মান্নান মাতাবরের ছেলে নোমান মিয়া, দোলাকান্দাইল উপজেলার আফজালের স্ত্রী নাজমা বেগম, নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার আবল কাশেমের ছেলে রাসেদ, নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার এনায়েতের ছেলে বাদশা, ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার ইউসুফ, নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার আবুল বাসারের ছেলে জিহাদ, শাকিল, কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জের খোকনের স্ত্রী জাহানারা, ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার কবিরের ছেলে মো. রাকিব, কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ থানার সুরুজ আলীর মেয়ে ফারজানা, কিশোরগঞ্জের চানমিয়ার ছেলে নাজমুল, কিশোরগঞ্জের বাস্তু মিয়ার ছেলে তাছলিমা, ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার মো. রাকিব, নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার মো. বাহারের ছেলে মো. আকাশ, কিশোরগঞ্জের বাচ্চু মিয়ার মেয়ে তাছলিমা, কিশোরগঞ্জের আজিজুল হকের মেয়ে মোছা. রহিমা, গাইবান্ধার প্রফেসর কলনির হাসানুজ্জামানের মেয়ে নুসরাত জাহান টুকটুকি, কিশোরগঞ্জের কটিয়াদি থানার চান্দু মিয়ার মেয়ে রাবেয়া, কিশোরগঞ্জের মালেকের মেয়ে মাহমুদা, নেত্রকোনার খালিয়াঝুড়ি উপজেলার আজমত আলীর মেয়ে তাকিয়া আক্তার, হবিগঞ্জের আব্দুল মান্নানের মেয়ে  তুলি, কিশোরগঞ্জের নিজামউদ্দিনের মেয়ে শাহানা, দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার ফয়জুল ইসলামের ছেলে সাজ্জাদ হোসেন সজীব, গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ থানার লালচু মিয়ার ছেলে লার্বণ আক্তার।

প্রসঙ্গত, রূপগঞ্জে সজীব গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান হাসেম ফুড অ্যান্ড বেভারেজের সেজান জুস কারখানায় বৃহস্পতিবার (০৮ জুলাই) বিকাল সাড়ে ৫টায় আগুনের সূত্রপাত হয়। কারখানার ছয় তলা ভবনটিতে তখন প্রায় চারশর বেশি কর্মী কাজ করছিলেন। কারখানায় প্লাস্টিক, কাগজসহ মোড়কিকরণের প্রচুর সরঞ্জাম থাকায় আগুন মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়ে সব ফ্লোর

প্রচুর পরিমাণ দাহ্য পদার্থ থাকায় কয়েকটি ফ্লোরের আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিসের ১৮টি ইউনিটের ২০ ঘণ্টার বেশি সময় লাগে। শুক্রবার (০৯ জুলাই) দুপুরে কারখানার ভেতর থেকে ৪৯ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়। এর আগে, আগুনে পুড়ে তিন জনের মৃত্যু হয়। সবমিলে এ পর্যন্ত ৫২ জনের লাশ উদ্ধার হয়েছে। কারখানায় আগুনের ঘটনায় প্রায় অর্ধশতাধিক ব্যক্তি নিখোঁজ রয়েছেন। ঘটনা তদন্তে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কমিটি গঠন করা হয়েছে।


আরও খবর



এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা হবে তিন বিষয়ে

প্রকাশিত:সোমবার ২৬ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ জুলাই ২০২১ | ৯৬জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সময় ও নম্বর কমিয়ে গ্রুপভিত্তিক (বিজ্ঞান, মানবিক ও বাণিজ্যসহ অন্যান্য গ্রুপ) তিনটি নৈর্বাচনিক বিষয়ে এসএসসি ও এইচএসসি সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। আবশ্যিক কোনো বিষয়ে পরীক্ষা নেওয়া হবে না। তবে সাবজেক্ট ম্যাপিংয়ের মাধ্যমে আবশ্যিক বিষয় এবং চতুর্থ বিষয়ের নম্বর দিয়ে ফলাফলে যোগ করা হবে।

সোমবার (২৬ জুলাই) মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর এস এম আমিরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, এসএসসি ও সমমানের বাংলা, ইংরেজি, সাধারণ গণিত, আইসিটি ও ধর্ম বিষয়ে পরীক্ষা নেওয়া হবে না। আর এইচএসসি ও সমমানের আবশ্যিক বাংলা, ইংরেজি ও আইসিটি বিষয়ে পরীক্ষা নেওয়া হবে না।

বিজ্ঞপ্তির নির্দেশনায় আরও জানানো হয়, বিশেষজ্ঞ কমিটির সুপারিশে জেএসসি ও সমমান এবং এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার নম্বরের ভিত্তিতে সাবজেক্ট ম্যাপিং করে আবশ্যিক বিষয় ও চতুর্থ বিষয়ের নম্বর প্রদান করা হবে। শিক্ষার্থীর রেজিস্ট্রেশন নম্বর অনুযায়ী চতুর্থ বিষয়ের নম্বর সাবজেক্ট ম্যাপিংয়ের মাধ্যমে এসএসসি ও সমমান এবং এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা-২০২১-এর ফলাফলে নম্বর দেওয়া হবে।

এর আগে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি ভার্চুয়াল প্রেস ব্রিফিংয়ে জানিয়েছিলেন, আবশ্যিক বিষয়ের পরীক্ষা নেওয়া হবে না। গ্রুপভিত্তিক তিনটি নৈর্বাচনিক বিষয়ে সময় ও নম্বর কমিয়ে পরীক্ষা নেওয়া হবে।


আরও খবর



কিংবদন্তি বলিউড অভিনেতা দিলীপ কুমার আর নেই

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৭ জুলাই ২০২১ | ১২৩জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বলিউডের কিংবদন্তী অভিনেতা দিলীপ কুমার আর নেই। আজ বুধবার (৭ জুলাই) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে মুম্বাইয়ের একটি হাসপাতালে তিনি মারা যান। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯৮ বছর। শ্বাসকষ্ট নিয়ে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। শেষ সময়ে স্ত্রী সায়রা বানু তার পাশে ছিলেন।

দীর্ঘদিন ধরেই বয়সজনিত অসুস্থতায় ভুগছিলেন দিলীপ কুমার। মুম্বইয়ের হিন্দুজা হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি ছিলেন। গত ৩০ জুন তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কয়েকদিন আগেই তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলে টুইটারে সায়রা বানু জানিয়েছিলেন।

ছয় দশকের অভিনয় জীবনে দিলীপ কুমার ৬৫টিরও বেশি ফিল্মে অভিনয় করেছেন। বলিউডে তিনি পরিচিত ছিলেন ট্র্যাজেডি কিং নামে।

দিলীপ কুমারের জন্ম ১৯২২ সালে পাকিস্তানের পেশোয়ারে। তার প্রকৃত নাম মহম্মদ ইউসুফ খান। ১৯৪৪ সালে চলচ্চিত্রে আত্মপ্রকাশ করেন তিনি। জুগনু তার প্রথম বক্স অফিস হিট সিনেমা। এছাড়া নায়া দওর, মুঘল-ই-আজম, দেবদাস, রাম অউর শ্যাম, আন্দাজ, মধুমতী এবং গঙ্গা-যমুনার মতো ছবিতে তিনি অভিনয় করেন। ১৯৯৮ সালে শেষবার সিনেমায় অভিনয় করেন বর্ষীয়ান এই অভিনেতা। ১৯৬৬ সালে অভিনেত্রী সায়রা বানুর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন দিলীপ কুমার। গোপী, সাগিনা ছবিতে জুটিবদ্ধ হয়ে কাজ করেছেন তারা।

সেরা অভিনেতা হিসেবে ৮টি ফিল্ম ফেয়ার পুরস্কার জিতেছেন দিলীপ কুমার। সবচেয়ে বেশি পুরস্কার জেতার গিনিস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডও রয়েছে তার। ১৯৯১ সালে পদ্মভূষণ সম্মান দেওয়া হয় দিলীপ কুমারকে। ভারতীয় সিনেমায় অসামান্য অবদানের জন্য ১৯৯৪ সালে দাদা সাহেব ফালকে পুরস্কার পান। ২০১৫ সালে ভারত সরকার তাকে পদ্মবিভূষণ সম্মান দেয়। ১৯৯৮ সালে দিলীপ কুমারকে নিশান-ই-ইমতিয়াজ সম্মানে সম্মানিত করে পাকিস্তান সরকার। ২০০০ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত রাজ্যসভার সাংসদও ছিলেন তিনি।

 


আরও খবর
পরীমনির বাসায় শত শত মদের বোতল

বুধবার ০৪ আগস্ট ২০২১

নায়িকা পরীমণি আটক

বুধবার ০৪ আগস্ট ২০২১