আজঃ মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

স্বামীর কাছ থেকে প্রতিদিন যে কথা শুনতে চায় স্ত্রী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩০ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ৩০ মে ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
জীবন ধারা ডেস্ক

Image

দাম্পত্য সম্পর্ক টিকে থাকে নারী-পুরুষের এক অন্যের প্রতি ভালোবাসা, বিশ্বাস ও সম্মানের উপর ভিত্তি করে। সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার ক্ষেত্রে নারী-পুরুষ উভয়েরই অবদান রাখা উচিত।

তবে দাম্পত্য সম্পর্ক ভালো রাখতে ও স্ত্রীকে খুশি করতে প্রত্যেক পুরুষেরই কিছু কথা নিয়মিত বলা উচিত স্ত্রীকে। আর নারীরাও মনে মনে স্বামীর মুখ থেকে এসব কথা শুনতে চান। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক স্বামী কোন কথাগুলো স্ত্রীকে খুশি ও সুখী করে তোলে-

আমি তোমাকে ভালোবাসি: মাত্র তিন শব্দের এই বাক্যটি দিয়েই কিন্তু আপনি স্ত্রীর মন ভালো করে দিতে পারেন। ভালোবাসা প্রকাশে প্রতিদিন স্ত্রীকে আই লাভ ইউ বলুন। এতে স্ত্রীরও মন ভালো থাকবে আবার স্বামীর প্রতি ভালোবাসাও বাড়বে।

তুমি সুন্দর: স্ত্রীর প্রশংসা হয়তো অনেক স্বামীই মুখ ফুটে করেন না। তবে সব পুরুষেরই উচিত তার প্রিয়জনের প্রশংসা করা। এতে স্ত্রী অনেক খুশি হবেন। নারীরাও মনে মনে প্রিয় পুরুষের মুখ থেকে নিজের প্রশংসার কথা শুনতে ব্যাকুল থাকেন।

ধন্যবাদ: সংসারে স্বামী-স্ত্রী দুজনেরই অবদান রাখা জরুরি। তবে নারীরা একটু বেশিই সংসারের প্রতি দায়িত্বশীল হন। এ কারণে সংসারের প্রতি স্ত্রীর অবদানকে কখনো ছোট করে দেখবেন না। সংসারের ছোটখাট কাজ করার পর স্ত্রীকে ধন্যবাদ দিন ও তার প্রশংসা করুন। স্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করার মানসিকতা অনেক পুরুষের মধ্যেই নেই! তবে এই অভ্যাস রপ্ত করলে দাম্পত্য কলহ অনেকটা হলেও কমবে।

তোমাকে নিয়ে আমি গর্বিত: স্ত্রীর কোনো কাজ বা মতামতকে কখনো ছোট করে দেখা উচিত নয়। স্ত্রীর সাফল্যে তাকে নিয়ে গর্বিতবোধ করার মানিসকতা অর্জন করা উচিত সব পুরুষেরই। নারীরা মনে মনে তার সঙ্গীর কাছ থেকে এমন কমপ্লিমেন্ট পাওয়ার আশা করেন।

আজকের দিনটি কেমন কাটলো? দিনশেষে ঘরে ফিরে স্ত্রীকে জিজ্ঞাসা করুন এই প্রশ্ন। হয়তো আপনি সারাদিন বাইরে অনেক পরিশ্রম করেন, তবে অনেক স্ত্রী কিন্তু ঘরে-বাইরে দুই জায়গা সামলাই। তাই স্ত্রীর প্রতি আপনি যে যত্নশীল তা বোঝাতে জিজ্ঞাসা করুন তার দিনটি কেমন কেটেছে।

আমি তোমাকে বিশ্বাস করি: স্ত্রীর প্রতি নিজের বিশ্বস্ততা প্রকাশে দিনের বিভিন্ন সময়ে কথা প্রসঙ্গে এ বিষয়টি তাকে জানান। স্ত্রীর যে কোনো সিদ্ধান্তের উপর যদি পুরুষ সঙ্গী আস্থা রাখেন তাহলে নারীরা খুবই খুশি হন।

আমি তোমার পাশে আছি: যে কোনো পরিস্থিতিতে স্ত্রীকে আশ্বাস দিন যে আপনি তার পাশে আছেন। তাহলে জীবনের যে কোনো পরিস্থিতির কথা স্ত্রী আপনাকে জানাতে ইচ্ছুক হবেন, আপনাকে কখনো ভয় পাবেন না। স্ত্রীর ভালো বন্ধু হওয়ার চেষ্টা করা উচিত সব পুরুষেরই।

নিউজ ট্যাগ: নারী-পুরুষ

আরও খবর



সপ্তাহের শেষ দিকে বাড়তে পারে বৃষ্টি

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

সারা দেশেই বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টিপাত হচ্ছে গত কয়েক দিন ধরে। আগামী তিন দিন পর্যন্ত এই বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে। তবে তিন দিন পর বৃষ্টিপাত বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। রোববার (১৪ জুলাই) আবহাওয়া অধিদফতর সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

রোববার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মৌসুমি বায়ুর অক্ষ পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ বিস্তৃত রয়েছে উত্তর বঙ্গপ্রসাগর পর্যন্ত। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।

আজ রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায়; রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে রংপুর, ময়মনসিংহ, সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময় সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে।

সোমবার (১৫ জুলাই) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়, রংপুর, ময়মনসিংহ, সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায়; রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে রংপুর, ময়মনসিংহ, সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দিনের তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে। রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, ময়মনসিংহ, সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে রংপুর, ময়মনসিংহ, সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দিনের তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে। এ সময় সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকতে পারে।


আরও খবর



ফেনীর বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শনে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
Image

পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক গতকাল মঙ্গলবার ফেনী জেলার ফুলগাজী ও পরশুরাম এলাকায় বন্যাকবলিত বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করেন এবং বন্যা প্লাবিত এলাকায় জনসাধারণের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন।

এ সময় তিনি স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধিসহ সর্বস্তরের জনগণের সহিত মতবিনিময় করেন এবং বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বাপাউবোর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য আলাউদ্দিন আহম্মেদ চৌধুরী নাসিম, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক প্রকৌশলী মুহাম্মদ আমিরুল হক ভূঞা, জেলা প্রশাসক, ফেনী মোছাম্মৎ শাহীনা আক্তারসহ বাপাউবোর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



টালমাটাল এনবিআর: মতিউর-ফয়সালের পর ফাঁসছেন আরেক কর্মকর্তা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ জুলাই 2০২4 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০২ জুলাই 2০২4 | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ছাগলকাণ্ডে টালমাটাল অবস্থা জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর)। সাদিক এগ্রোর ১৫ লাখ টাকার ওই ছাগল কিনে নেট দুনিয়ায় ঝড় তুলে দেন মুশফিকুর রহমান ইফাত নামে এক তরুণ। এ নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই সামনে চলে আসে তারা বাবা মতিউর রহমানের নাম। এনবিআরের উচ্চপদস্ত একজন কর্মকর্তা তিনি। এরপরই বের হতে থাকে তার একের পর এক অবৈধ আয়ের খবর। একদিকে হারান স্বীয় পদ, অন্যদিকে জোর তদন্তে নামে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

অনুসন্ধানে খোঁজ মেলে মতিউর আর তার পরিবারের অবৈধ সম্পদের পাহাড়ের। এই অনুসন্ধান চলাকালেই দুদকের নজরে পড়ে এনবিআরের প্রথম সচিব ও অতিরিক্ত কর কমিশনার কাজী আবু মাহমুদ ফয়সালের ওপর। নিজের এবং স্বজনদের নামে কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ গড়েছেন তিনিও। মতিউর ও ফয়সালের বিশাল অবৈধ সম্পদ অর্জনের খবর যখন মানুষের মুখে মুখে, ঠিক তখনই অবৈধভাবে কোটি টাকা অর্জনকারী আরেক এনবিআর কর্মকর্তার খোঁজ পেল দুদক।

প্রাথমিক অবস্থায় প্রায় ৪ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের দায়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কাস্টমস বিভাগের সাবেক সহকারী কমিশনার মোখলেছুর রহমান, তার স্ত্রী কান্তি রহমান ও ছেলে ফাইজুর রহমানের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে অভিযোগপত্র দেওয়ার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। কমিশনের পক্ষ থেকে অভিযোগপত্র অনুমোদন পাওয়ার পর এখন চলছে আদালতে দাখিল করার প্রক্রিয়া।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, শিগগির এনবিআরের এ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্ত কর্মকর্তা ও দুদকের সহকারী পরিচালক আলমগীর হোসেন আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করবেন। এনবিআরের কাস্টমস বিভাগের সদস্য আলোচিত মতিউর রহমান ও কর বিভাগের প্রথম সচিব কাজী আবু মাহমুদ ফয়সালের বিরুদ্ধেও অনুসন্ধান চলছে।

এদিকে সোমবার (১ জুলাই) রাজস্ব বোর্ডের সাবেক আরেক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের দায়ে মামলা হয়েছে। ৭ কোটি ৭৫ লাখ ৭ হাজার ৪৯৯ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক সহকারী পরিচালক বদরুন নাহারের নামে মামলা করেছে দুদক।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, সাবেক এনবিআর কর্মকর্তা মোখলেছুর ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে চার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের খোঁজ পাওয়া গেছে। মোখলেছুর রহমান ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ দিয়ে স্ত্রী ও ছেলের নামে সম্পদ গড়ে নিজেকে রক্ষার চেষ্টা করেছেন। এমনকি দুদকের কাজে বাধা তৈরি করতে বিভিন্ন সময়ে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। অবশ্য আইনগত সব জটিলতা কাটিয়ে শেষ পর্যন্ত মোখলেছুর রহমানের পরিবারের তিন সদস্যকে এখন চার্জশিটভুক্ত করতে সক্ষম হয়েছে কমিশন।

জানা গেছে, গত ২৫ জুন কমিশনের পক্ষ থেকে কাস্টমস কর্মকর্তা মোখলেছুর রহমানসহ তিন জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিলের জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ২০২১ সালের ২ নভেম্বর দুদকের ময়মনসিংহ জেলা কার্যালয়ে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছিল।

তদন্ত প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, মো. মোখলেছুর রহমান খান ১৯৮০ সালের কাস্টমস ও এক্সসাইজ অফিস বিভাগে পরিদর্শক পদে যোগদান করেন। ২০১২ সালে সহকারী কমিশনার পদে পদোন্নতি পান তিনি। ২০১৬ সালের ৫ আগস্ট সহকারী কমিশনার হিসেবে ঢাকা দক্ষিণ কাস্টমস এক্সসাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট থেকে অবসর গ্রহণ করেন। চার্জশিটে দ্বিতীয় আসামি মোখলেছুরের স্ত্রী কান্তি রহমান। তাদের দুই ছেলের মধ্যে একজন ব্রিটিশ পাসপোর্টধারী এবং অন্যজন একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন।

মোখলেছুর রহমান চাকরিকালে নিজ নামে ৫৪ লাখ ৯৮ হাজার ৪০৬ টাকার স্থাবর এবং দুই কোটি ৭৭ লাখ ৮৮ হাজার ৬৭৫ টাকার অস্থাবর সম্পদের মালিকানা অর্জন করেছেন। তার মোট স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ তিন কোটি ৩২ লাখ ৮৭ হাজার ৮১ টাকা। তার পারিবারিক ব্যয় এক কোটি ৬৩ লাখ ৪২ হাজার ২৪৬ টাকাসহ মোট অর্জিত সম্পদের পরিমাণ ৪ কোটি ৯৬ লাখ ২৯ হাজার ৩৩৩ টাকা। এর বিপরীতে তার মোট আয় পাওয়া যায় ৪ কোটি ৩০ লাখ ৮২ হাজার ২২০ টাকা। অর্থাৎ ৬৫ লাখ ৪৭ হাজার ১১৩ টাকা অবৈধ হিসাব হিসেবে প্রমাণ পাওয়া গেছে। যা দুদক আইন ২০০৪ এর ২৭(১) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

মোখলেছুরের স্ত্রী কান্তি রহমানের নামে তিন কোটি ৪১ লাখ ৭০ হাজার ২০৫ টাকার স্থাবর এবং ৬ লাখ ৭৯ হাজার টাকার অস্থাবর সম্পদসহ মোট তিন কোটি ৪৮ লাখ ৪৯ হাজার ২০৫ টাকার সম্পদের বিবরণ পেয়েছে দুদক। যা পারিবারিক ব্যয়সহ মোট চার কোটি ২৯ লাখ ৩৬ হাজার ৩৭১ টাকা হয়। আর ওই সম্পদের বিপরীতে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ অর্থাৎ গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া যায় মাত্র এক কোটি ১৮ লাখ ৯ হাজার ৭১৮ টাকা। অর্থাৎ ৩ কোটি ১১ লাখ ২৬ হাজার ৬৫৩ টাকা অবৈধ হিসাবে প্রমাণিত হয়েছে দুদকের তদন্তে।

এদিকে, তৃতীয় আসামি ও মো. মোখলেছুর রহমান খানের বড় ছেলে মো. ফয়জুর রহমান খান বর্তমানে বিদেশে থাকলেও তার বিরুদ্ধে আইনগত অপরাধ মিলেছে দুদকের তদন্তে। একটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরিরত অবস্থায় ফয়জুর রহমান ২০০৯ সালের ২৫ নভেম্বর গুলশান মডেল টাউন আবাসিক এলাকার সিডব্লিউএন (বি) ব্লকের ৩৬ নং রোডে জেনেটিক রিচমন্ড নামের একটি ভবনে কার পার্কিং স্পেসসহ ২১ লাখ ৩৮ হাজার ৮১৯ টাকায় ১৯৫০ বর্গফুটের ফ্ল্যাট ক্রয় করেন। দালিলিক মূল্য ওই টাকা হলেও বাস্তবে ফ্ল্যাটের মূল্য ছিল দুই থেকে তিন কোটি টাকা। এছাড়া, তার নামে কিশোরগঞ্জে ৫০ শতক জমি ও ৫ লাখ ৭৯ হাজার ৮০০ টাকা ব্যাংক ব্যালেন্সসহ অস্থাবর সম্পদ মিলিয়ে মোট ২৭ লাখ ৮৩ হাজার ৬১৯ টাকার সম্পদের সন্ধান মিলেছে। যার বিপরীতে তার প্রমাণযোগ্য মোট আয় পাওয়া যায় ৪০ হাজার টাকা। এখানে ২৭ লাখ ৪৩ হাজার ৬১৯ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনে তার বাবা মো. মোখলেছুর রহমান খান তাকে প্রত্যক্ষভাবে সহযোগিতা করেছেন এবং তিনি তার বাবার অবৈধ উপায়ে অর্জিত সম্পদকে বৈধ করার অপচেষ্টা করেছেন। কৌশল হিসেবে নিজের নামে রেখে তার বাবাকে আমমোক্তার নিয়োগ করেছেন। সে কারণে মো. ফাইজুর রহমান খানকে সহযোগী আসামি করা হয়েছে।


আরও খবর
কে এই আবেদ আলী

সোমবার ০৮ জুলাই ২০২৪




সাদিক অ্যাগ্রো: লাখ টাকার ছাগল থাকলেও উধাও বংশীয় গরু

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৭ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের খাল ও সড়কের জায়গা দখল করে সাদিক অ্যাগ্রো ফার্ম প্রতিষ্ঠা করায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন। বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) সকালে দিকে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করা হয়।

এর আগে বুধবার সাদিক অ্যাগ্রোতে অভিযান চালাতে প্রয়োজনীয় পুলিশ ফোর্স মোতায়েন চেয়ে ডিএনসিসির সম্পত্তি বিভাগ থেকে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনারকে একটি চিঠি দেয়া হয়।

এদিকে অভিযানের খবরে সাদিক অ্যাগ্রো থেকে আগেই সরিয়ে নেয়া হয়েছে গরু। গত রাত থেকেই সাদিক অ্যাগ্রোর বেশ কয়েকটি গরু সরিয়ে নেয়া হয়েছে। 

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, অভিযান হবে এই খবর শোনার পর থেকেই সাদিক অ্যাগ্রোর বেশ কিছু গরু-ছাগল রাতে সরিয়ে নিতে দেখেছেন তারা। এছাড়া রাস্তার ওপরে তাদের প্যান্ডেল করা ছিল, অস্থায়ী স্থাপনা ছিল সেগুলো সরিয়ে নিয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, খাল ও সড়কের জায়গা দখল করে রাখা সাদিক অ্যাগ্রো ফার্মে উচ্ছেদ অভিযান কার্যক্রম চালিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন। এ সময় ফার্মে ভেতরে কয়েকটি গরু দেখা গেলেও, কোটি টাকার বংশী ব্রাহমা গরুটি দেখা যায়নি। তবে খামারের একটি খাঁচায় ১৫ লাখ টাকা দাম হাঁকানো ব্রিটল জাতের ছাগলটি রয়েছে।

খামারের কর্মী স্বপন আহমেদ বলেন, ব্রাহমা জাতের গরুটি সরিয়ে নেয়া হয়েছে। কোথায় সরানো হয়েছে তা জানি না। জানা গেছে, খালের একাংশে মাটি ভরাট করে খামার গড়েছেন সাদিক এগ্রোর ইমরান হোসেন। এছাড়া উচ্ছেদের খবরে সাদিক এগ্রোর আশপাশের অবৈধ দখলদারেরা তাদের স্থাপনা সরিয়ে নিচ্ছেন।


আরও খবর
মেট্রোরেল চলাচল পুরোপুরি বন্ধ

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




দাফনের ৯ দিন পর বাড়ি ফিরলেন নিখোঁজ তরুণী

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রবিউল বাশার খান, কুমিল্লা

Image

দাফনের ৯ দিন পর বাড়ি ফিরলেন নিখোঁজ তরুণী রোকসানা আক্তার (৩০)। এ নিয়ে পুরো এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এলাকাবাসীর প্রশ্ন, রোকসান তোমাকে দাফন করলাম, তুমি এখন এলে কোথায় থেকে?

বুধবার (২৬ জুন) ঘটনাটি ঘটেছে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার গুণবতী ইউনিয়নের রাজবল্লবপুর গ্রামে। রোকসানা আক্তার ওই গ্রামের মৃত তাজুল ইসলামের মেয়ে। অপরদিকে ফিরে আসা তরুণীকে এক নজর দেখতে উৎসুক মানুষ তার বাড়িতে ভিড় জমায়।

শনিবার (২৯ জুন) রাতে জানা গেছে, মে মাসের শেষে রোকসানা আক্তার বাড়ি থেকে ছোট ভাই সালাহ উদ্দিনের চট্টগ্রামের ষোলশহরের বাসায় বেড়াতে যান। ১ জুন ভোরে কাউকে না জানিয়ে রোকসানা বাসা থেকে বের হয়ে যায়। এরপর দীর্ঘদিন আত্মীয়স্বজনসহ সব স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি।

গত ১৭ জুন ঈদুল আজহার দিন বিকেলে ফেনী শহরে ভাড়া বাসায় অবস্থানরত খালাতো বোন হাজেরা আক্তার ও খালাতো ভাই শাহজাহান খবর পান, ফেনী শহরের জিয়া মহিলা কলেজের সামনে ড্রেনের মধ্যে একজন নারীর লাশ পড়ে আছে। তারা সেখানে গিয়ে লাশের চেহারা রোকসানা আক্তারের চেহারার সঙ্গে মিল দেখে ভাই এবায়দুল হককে খবর পাঠান। এরই মধ্যে ফেনী শহর পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ লাশটির সুরতহাল শেষে উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়। রাতে এবায়দুল হক জিয়া মহিলা কলেজের ড্রেন এলাকায় পৌঁছে আশপাশের মানুষকে বোনের ছবি দেখিয়ে লাশটি একই রকম কিনা জিজ্ঞেস করলে সবাই ছবির সঙ্গে মিল রয়েছে বলে জানান।

পরে এবায়দুল হকসহ আত্মীয়-স্বজন ফেনী শহর পুলিশ ফাঁড়িতে গিয়ে লাশ উদ্ধারকারী উপপরিদর্শক প্রতুল দাসের সঙ্গে দেখা করে বোন রোকসানার ছবি দেখান। উপস্থিত পারস্পরিক আলোচনায় উপপরিদর্শক প্রতুল দাসকে তারা রোকসানার লাশ শনাক্ত করে। পরদিন ময়নাতদন্ত শেষে পুলিশ এবায়দুল হকের হাতে বোন রোকসানা আক্তারের লাশ হস্তান্তর করে। ওইদিন বাদ আসর গুণবতী ইউনিয়নের রাজবল্লবপুর মধ্যমপাড়ায় সামিশকরা দীঘির দক্ষিণ পাড়ে তার লাশ দাফন করা হয়।

লাশ দাফনের ৯ দিন পর গত ২৬ জুন বুধবার বিকেলে ঘটে বিপত্তি। হঠাৎ দাফন করা রোকসানা সশরীরে বাড়িতে হাজির হলে আৎকে উঠেন সবাই। তাৎক্ষণিক ঘটনাটি জানাজানি হলে বাড়ির উঠানে আশেপাশের উৎসুক মানুষ তাকে একনজর দেখতে ভিড় জমায়। এ সময় নারী-পুরুষ তাকে একবাক্যে জিজ্ঞেস করে, রোকসান তোমাকে দাফন করলাম, তুমি কোথায় থেকে আসলে? তখন সে বলতে থাকে, কে বলছে আমি মারা গেছি? আমি ঢাকায় ঘুরতে গেছিলাম। শরীর খারাপ থাকায় কারো সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারিনি। উল্টো এখন রোকসানাই ভাই এবায়দুল হক ও সাধারণ মানুষকে প্রশ্ন করছে, আমাকে ভেবে তোমরা কোন নারীকে দাফন করেছ, কি তার পরিচয়?

ফিরে আসা রোকসানা আক্তার বলেন, আমি চট্টগ্রামে ভাইয়ের বাসা থেকে কাউকে কিছু না বলে ঢাকায় চলে যাই। সেখানে গিয়ে আমি একটি চাকরি পেয়েছি। যেহেতু আমি বাড়ি থেকে কোনো কাপড় নিয়ে যাইনি, তাই কাপড় নিয়ে যাওয়ার জন্য বাড়িতে ফিরে আসি। ২৬ জুন বুধবার বাড়িতে এসে দরজা নক করলে আত্মীয়-স্বজনরা আমাকে দেখে হতবাক হয়েছেন। তখন আমি জানতে পারি, আমি নাকি মারা গেছি এবং আমার লাশও দাফন করা হয়ে গেছে। আমিতো জীবিত ফিরে আসলাম।

ফেনী শহর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক প্রতুল দাস শনিবার সন্ধ্যায় বলেন, উদ্ধার করা লাশটি বিকৃত ছিল। এবায়দুল হক ও তার স্বজনরা উদ্ধারকৃত লাশটি রোকসানার বলে শনাক্ত করে আমার কাছ থেকে নিয়ে যায়। এখন যেহেতু তাদের বোন সশরীরে বাড়িতে উপস্থিত হয়েছে, তাই আমরা বিষয়টি নতুন করে তদন্ত করব।

চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ত্রিনাথ সাহা শনিবার সন্ধ্যায় বলেন, তরুণী নিখোঁজ, উদ্ধার, দাফন ও আবার ফিরে আসার বিষয়ে কেউ আমাকে অবগত করেনি। খবর নিয়ে দেখব-আসলে কি ঘটেছে।


আরও খবর