আজঃ শনিবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১
শিরোনাম

স্বচ্ছ লেনদেন খাঁটি মুমিনের পরিচয়

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ১২১জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

একবার নবীজি (সা.) সাহাবীদেরকে জিজ্ঞাসা করলেন, তোমরা কি জানো নিঃস্ব কে? তারা বললেন, যার অর্থ-সম্পদ নেই আমরা তো তাকেই নিঃস্ব মনে করি। তখন নবীজি (সা.) বললেন, আমার উম্মতের মধ্যে নিঃস্ব সেই ব্যক্তি, যে কিয়ামতের ময়দানে নামাজ, রোজা, জাকাতসহ (অনেক নেক আমল) নিয়ে হাজির হবে। তবে সে হয়ত কাউকে গালি দিয়েছে বা কারো উপর মিথ্যা অপবাদ আরোপ করেছে বা কারো সম্পদ আত্মসাৎ করেছে বা কাউকে খুন করেছে অথবা কাউকে আঘাত করেছে। ফলে প্রত্যেককে তার হক অনুযায়ী এই ব্যক্তির নেক আমল থেকে দিয়ে দেয়া হবে। যদি কারও হক বাকি থেকে যায় আর এই ব্যক্তির নেক আমল শেষ হয়ে যায়, তাহলে হকদার ব্যক্তির পাপ পাওনা অনুসারে এই ব্যক্তির ঘাড়ে চাপিয়ে দেয়া হবে। ফলে সে এই পাপের বোঝা নিয়ে জাহান্নামে যাবে। (সহীহ মুসলিম, হাদিস ২৫৮১; জামে তিরমিজি, হাদিস ২৪১৮)

হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. থেকে বর্ণিত, নবী কারিম (সা.) ইরশাদ করেছেন, কিয়ামতের ময়দানে কোনো বান্দা তার এক পাও নড়াতে পারবে না। যতক্ষণ না তাকে পাঁচটি প্রশ্ন করা হবে- ১. সে তার জীবন কোন পথে শেষ করেছে। ২. যতটুকু ইলম শিখেছে তার উপর কতটুকু আমল করেছে। ৩. সম্পদ কোন পথে আয় করেছে। ৪. এবং কোন পথে ব্যয় করেছে। ৫. নিজের যৌবনকে কোন পথে শেষ করেছে। (জামে তিরমিযী, হাদিস ২৪১৭)

অন্যের অবৈধ সম্পদ ব্যবহারের ক্ষেত্রেও কঠোরতা

কোনো মুমিন নিজে তো অস্বচ্ছ ও অবৈধভাবে সম্পদ উপার্জন করবেই না। এমনকি অন্যের অবৈধভাবে উপার্জিত সম্পদও সে ব্যবহার করবে না।

হযরত আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি জেনেশুনে চুরি করে আনা মাল ক্রয় করল, সেও চুরির পাপের মধ্যে শামিল হল। (মুসতাদরাকে হাকেম, হাদিস ২২৫৩)

লেনদেনে অস্বচ্ছতার কারণে দুআ-ইবাদত কবুল হয় না

আমরা নামাজ-রোজাসহ অন্যান্য ইবাদত পালন করি একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য। আর তিনি সেই আমলের দ্বারাই সন্তুষ্ট হন, যে আমল তার কাছে গ্রহণযোগ্য। যে ব্যক্তি অবৈধভাবে উপার্জিত সম্পদ থেকে তার প্রয়োজন পুরা করে; আল্লাহ পাক তার ইবাদত-বন্দেগী ও দুআ-মুনাজাত কবুল করেন না। হাদিস শরীফে রাসূল (সা.) ইরশাদ করেছেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ পবিত্র। তিনি পবিত্র (আমল) ছাড়া গ্রহণ করেন না। তিনি রাসূলগণকে যে আদেশ করেছেন। একই আদেশ করেছেন মুমিনদেরকে। তিনি বলেছেন- (হে রাসূলগণ! আপনারা উত্তম (হালাল) রিযিক থেকে আহার করুন এবং নেক আমল করুন।

তিনি মুমিনদেরকেও বলেছেন- হে ঈমানদারগণ! তোমরা আমার প্রদত্ত হালাল রিযিক থেকে আহার কর। অতপর নবীজি একজন লোকের বর্ণনা দিলেন যে ,দীর্ঘ সফর করেছে। চুলগুলো এলোমেলো, শরীর ধূলি ধূসরিত। আসমানের দিকে হাত উত্তোলন করে দুআ করছে- হে আমার রব! হে আমার রব!! অথচ তার খাদ্য-পানীয় হারাম, পোশাক-পরিচ্ছদ হারাম; তাহলে কীভাবে তার দুআ কবুল হবে? (সহিহ মুসলিম, হাদিস ১০১৫; জামে তিরমিজি, হাদিস ২৯৮৯)

ইবনে রজব হান্বলী রাহ. হাদিসটির ব্যাখ্যায় লিখেছেন, এই হাদিসে উদাহরণস্বরূপ শুধু দুআর বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। নতুবা হারাম দ্বারা প্রতিপালিত হলে তার কোনো আমলই আল্লাহর দরবারে কবুল হবে না। (জামিউল উলূমি ওয়াল হিকাম, পৃ. ১৮৫)

আল্লাহ তায়ালা অবৈধ সম্পদের দান কবুল করেন না

ইসলামের সুস্পষ্ট ঘোষণা হচ্ছে, কেবলমাত্র নেক আমলই বদ আমলকে নির্মূল করে। বদ আমল কখনো অন্য বদ আমলকে নির্মূল করতে পারে না। অর্থাৎ আমরা দান-সদকা, জাকাত-ফিতরা আদায় করি, যাতে আমাদের পাপ মোচন হয় এবং সম্পদ পবিত্র হয়। কিন্তু এ কাজ পাপের পথে অর্জিত সম্পদ দ্বারা সম্ভব নয়। কারণ অবৈধভাবে সম্পদ অর্জন করাই একটি পাপ। সুতরাং সেই পাপ দ্বারা অন্য পাপ মাফ হওয়ার আশা নেই। তেমনই অবৈধভাবে অর্জিত সম্পদ অপবিত্র, সুতরাং তা দ্বারা নিজের সম্পদ পবিত্র করাও অসম্ভব। হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. বলেন, এমন হবে না যে, কোনো বান্দা হারাম পন্থায় সম্পদ উপার্জন করবে অতপর তা থেকে (বৈধ ও নেক কাজে ) খরচ করবে আর তাতে বরকত দান করা হবে। সে তা থেকে সদকা করবে আর তা কবুল করা হবে। বরং ঐ ব্যক্তি ঐ সম্পদ (মিরাছ হিসাবে) তার মৃত্যুর পর রেখে গেলেও তা তাকে আরো বেশি করে জাহান্নামে নিয়ে যাবে। নিশ্চয়ই আল্লাহ তায়ালা পাপ দ্বারা অপর পাপকে নির্মূল করেন না। তবে নেক আমল দ্বারা পাপকে নির্মূল করেন। নিশ্চয়ই নাপাক বস্তু অপর নাপাক বস্তুর নাপাকি দূর করতে পারে না। (মুসনাদে আহমাদ, হাদিস ৩৬৭২; মুসনাদে বায্যার, হাদিস ২০২৬)

হাদিস শরীফে রাসূল (সা.) ইরশাদ করেছেন, আল্লাহ পাক পবিত্রতা ব্যতীত নামাজ কবুল করেন না এবং আত্মসাতের মালের ছদকা কবুল করেন না। (সহিহ মুসলিম, হাদিস ২২৪)

এর বিপরীতে হালাল ও বৈধ সম্পদ সদকা করার ব্যাপারে নবীজি (সা.) ইরশাদ করেছেন, আল্লাহ পাক কেবল (হারামের মিশ্রণ থেকে) পবিত্র বস্তুই কবুল করেন। যে ব্যক্তি হালাল উপার্জন থেকে এক মুষ্ঠি খেজুরও দান করে আল্লাহ পাক তা নিজ হাতে গ্রহণ করেন। অতঃপর তা ওই  ব্যক্তির জন্য প্রতিপালন করতে থাকেন। যেমন তোমাদের কেউ উটের বাচ্চা প্রতিপালন করে। বৃদ্ধি পেতে পেতে এক সময় ওই সামান্য খেজুরমুষ্ঠি পাহাড়সম হয়ে যায়। (সহিহ বুখারী, হাদিস ১৪১০; সহিহ মুসলিম, হাদিস ১০১৪)

হযরত আবু হুরাইরা (রা.) হতে বর্ণিত, রাসূল (সা.) ইরশাদ করেন, যখন তুমি তোমার সম্পদের জাকাত আদায় করলে তখন তুমি এ সম্পদের ব্যাপারে তোমার অবশ্যকরণীয় বিধান পালন করলে। যে ব্যক্তি হারাম মাল উপার্জন করবে অতপর তা সদকা করবে সেই সদকায় তার কোনো সওয়াব হবে না বরং অবৈধ উপার্জনের পাপের বোঝা তার ঘাড়ে চেপেই থাকবে। (সহীহ ইবনে হিব্বান, হাদীস ৩২১৬) তাবেঈ কাসেম বিন মুখায়মিরাহ রাহ. (সাহাবীর মধ্যস্থতা উল্লেখ না করে সরাসরি রাসুলের থেকে) যেসকল হাদিস বর্ণনা করেছেন তার একটি হল, নবীজি (সা.) ইরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি কোনো পাপের পথে সম্পদ উপার্জন করল অতপর তা আত্মীয়তা রক্ষায় খরচ করল বা সদকা করল অথবা তা আল্লাহর রাস্তায় খরচ করল; তাহলে (কিয়ামতের মাঠে) এসবকিছুই একত্রিত করা হবে অতপর তা জাহান্নামের আগুনে নিক্ষেপ করা হবে। (কিতাবুল মারাসীল, আবু দাউদ, হাদিস ১৩১)

বিখ্যাত সাহাবী আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. কে একবার জিজ্ঞাসা করা হলো, যে ব্যক্তি এখন নেক আমল করছে। তবে পূর্বে জুলুম-অত্যাচার করত এবং হারাম গ্রহণ করত। এখন সে নেকদিলে তওবা করে পূর্বের সেই সম্পদ দিয়ে হজ্ব করল, গোলাম আযাদ করল এবং আল্লাহর রাস্তায় দান-সদকা করল (তার ব্যাপারে কী বলেন?)। জবাবে তিনি বললেন, নিশ্চয়ই নাপাকী অপর নাপাকীকে দূর করতে পারে না। (মুসনাদে বায্যার, হাদিস ৯৩২)

সুতরাং যারা হারাম পথে সম্পদ উপার্জন করে আর মনে মনে ভাবে, এখান থেকে কিছু সম্পদ আল্লাহর রাস্তায় দান করে দেব;  ব্যস, সাত খুন মাফ, তাদের উচিত, নবীজি (সা.) এর এই বাণীগুলো ভালোভাবে স্মরণ রাখা।

এ বিষয়ে আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রা. এর একটি বড় শিক্ষণীয় ঘটনা আছে। তার সময়ে বসরার আমির ছিল আব্দুল্লাহ বিন আমের। সে মুসলমানদের বায়তুল মাল থেকে তার প্রাপ্যের চেয়ে বেশি গ্রহণ করত। কিন্তু তার স্বভাব ছিল, সে এসব সম্পদ গরিবদের মাঝে বিলিয়ে দিত, মসজিদ নির্মাণের কাজে খরচ করত, বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যয় করত। যখন সে মৃত্যুশয্যায় উপনীত হল তখন লোকজন তার চারপাশে ভীড় জমাল এবং তার দান-দাক্ষিণ্য ও মানুষের প্রতি তার অনুগ্রহের ভূয়সী প্রশংসা করতে লাগল। তবে ইবনে ওমর রা. চুপচাপ রইলেন। যখন বসরার আমির ইবনে আমের স্বয়ং তাকে কথা বলতে ও নিজের জন্য দুআ করতে আবেদন করল।

তখন তিনি তাকে নবীজি (সা.) এর একটি হাদীস শোনালেন-আল্লাহ পাক আত্মসাতের মালের ছদকা কবুল করেন না। অতপর তাকে বললেন, তুমি তো বসরা শহরেরই আমির ছিলে। অর্থাৎ আমি তোমার কীর্তি-কর্ম সম্পর্কে ভালোভাবেই অবগত যে, তুমি বায়তুল মালের সম্পদ না-হকভাবে গ্রহণ করতে। সুতরাং কীভাবে তোমার এসকল দান-সদকা কবুল হবে? আর তোমার জন্যে দুআ করলে সেই দুআই বা কীভাবে কবুল হবে? (সহীহ মুসলিম, হাদীস ২২৪)

হারাম হতে সৃষ্ট শরীর জান্নাতে যাবে না

হযরত জাবির রা. থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) ইরশাদ করেছেন-এমন শরীর কখনো জান্নাতে প্রবেশ করবে না, যা হারাম দ্বারা বর্ধিত। জাহান্নামই তার উপযুক্ত স্থান। -মুসনাদে আহমাদ, হাদীস ১৪৪৪১; মুসান্নাফে আব্দুর রায্যাক, হাদীস ২০৭১৯; মুসনাদে আবদ ইবনে হুমাইদ, হাদীস ১১৩৮

নবীজী (সা.) একবার হযরত কাব বিন উজরাহ রা.-কে ডেকে বললেন, হে কাব! শুনে রাখো, ওই দেহ জান্নাতে প্রবেশ করবে না, যা হারাম হতে সৃষ্ট। কেননা জাহান্নামের আগুনই তার অধিক উপযোগী।-জামে তিরমিযী, হাদীস ৬১৪; আলমুজামুল কাবীর, তবারানী, ১৯/২১২

Share

ভালোবাসা সম্পর্কে ইসলামের আইন

বুধবার ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২১

আজ সরস্বতী পূজা

মঙ্গলবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১

জুমআর দিন ক্ষমা ও মর্যাদার সহজ আমল

শুক্রবার ২৯ জানুয়ারী ২০২১




মিয়ানমারের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে বাংলাদেশ

প্রকাশিত:সোমবার ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ১৩১জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মিয়ানমারে বিরাজমান পরিস্থিতি বাংলাদেশ পর্যবেক্ষণ করছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন। মিয়ানমারের ক্ষমতাসীন দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসির নেত্রী অং সান সু চি, দেশটির প্রেসিডেন্ট উইন মিন্টসহ শাসক দলের শীর্ষ কয়েকজন নেতাকে সে দেশের সেনাবাহিনী আটক করার ঘটনায় এ কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

মিয়ানমারের বিরাজমান পরিস্থিতির বিষয়ে সাংবাদিকদের পরে বিস্তারিত জানানো হবে বলে আজ সোমবার গণমাধ্যমকে জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

অভ্যুত্থানের মাধ্যমে মিয়ানমারের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী। মিয়ানমার সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রিত টেলিভিশনের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যম বিবিসি এবং বার্তা সংস্থা এপি এ খবর জানিয়েছে।

এর আগে আজ সোমবার ভোরের দিকে ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্র্যাসির (এনএলডি) নেত্রী অং সান সু চি, মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট এবং এনএলডির  কয়েকজন শীর্ষ নেতা দেশটির সেনাবাহিনীর হাতে আটক হন। এরই মধ্যে দেশজুড়ে এক বছরের জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে সেনাবাহিনী।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অভ্যুত্থানের পর মিয়ানমার সেনাবাহিনী জানিয়েছে, দেশটি এখন তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। মিয়ানমার সেনাবাহিনী বলছে, তারা কমান্ডার-ইন-চিফ মিন অং হ্লেইংয়ের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করেছে।

Share



মিয়ানমারে বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি, নিহত ২

প্রকাশিত:শনিবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০21 | হালনাগাদ:শনিবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০21 | ৫৯জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মিয়ানমারে সেনা অভ্যুত্থানবিরোধী আন্দোলন নিয়ন্ত্রণ করতে গুলি চালিয়ে ২ জনকে হত্যা করেছে দেশটির পুলিশ। প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে মার্কিন গণমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস জানায়, দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর মান্দালয়ের এ ঘটনায় শনিবার ৪০ জনের মতো আহত হয়েছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় শিপইয়ার্ডে কর্মীদের কাজে যোগ দিতে বাধ্য করলে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ বাধে বিক্ষোভকারীদের। হাজার-হাজার কর্মীদের মতো এই শ্রমিকেরাও সেনা অভ্যুত্থানের প্রতিবাদ জানিয়ে কর্মবিরতি ঘোষণা করেন। ১ হাজারের বেশি বিক্ষোভকারী এদিন শিপইয়ার্ডে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করতে থাকেন।

১ ফেব্রুয়ারি মিয়ানমারের সেনা অভ্যুত্থানের প্রতিবাদে দেশটির বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ চলছে। কাঁদানে গ্যাস, জলকামান, রাবার বুলেট ছুড়ে বিক্ষোভকারীদের ওপর চড়াও হয়েছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী। এর মধ্যে ৯ ফেব্রুয়ারি রাজধানী নেইপিদোতে সেনাশাসন বিরোধী বিক্ষোভকালে গুলিতে আহত হন ২০ বছরের এক নারী। তিনি স্থানীয় একটি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন ছিলেন। শুক্রবার মারা যান।

এ ঘটনার পর সহিংসতা থেকে সরে আসতে দেশটির সেনাবাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

নিউজ ট্যাগ: মিয়ানমার পুলিশ
Share

পশ্চিমবঙ্গে ভোট শুরু ২৭ মার্চ, হবে ৮ দফায়

শুক্রবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১

সৌদি বাদশাহর সঙ্গে যে কথা হল বাইডেনের

শুক্রবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১




বিষাক্ত মদপানে বগুড়ায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১০

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ ফেব্রুয়ারী 2০২1 | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ১২৭জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বগুড়ায় বিষাক্ত মদপানে আরও ৩ জনের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০ জনে। মঙ্গলবার (২ ফেব্রুয়ারি) সকালে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়।

এর আগে সোমবার (১ ফেব্রুয়ারি) ৭ জনের মৃত্যু হয়। তারা হলেন- রাজমিস্ত্রী রমজান আলী, সুমন, চা বিক্রেতা সাজু, বাবুর্চি মোজাহার আলী, পলাশ, আলমগীর ও অটোচালক আব্দুল কালাম।

গত ৩১ জানুয়ারি রাতে পুরান বগুড়া, ভবের বাজার, কাহালু, ফুলবাড়ি ও কাটনারপাড়া এলাকায় আলাদা ঘটনায় তাদের মৃত্যু হয়।

স্থানীয়রা জানান, পুরান বগুড়ার দিয়াবাড়িতে এক বিয়ের অনুষ্ঠানে গিয়ে বিষাক্ত মদ পান করেন কয়েকজন। পরে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাদের বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

অন্যদিকে শহরের কালিতলা, ফুলবাড়ি ও কাটনারপাড়া এলাকায় মদপান করেন আরো কয়েকজন। তারাও অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সাত জনের মৃত্যু হয়।

নিউজ ট্যাগ: বিষাক্ত মদপান
Share

বগুড়ায় বাস-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৪

শুক্রবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১

বগুড়ায় মদ পানে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৬

বুধবার ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২১




ব্রিজ ভেঙে ট্রাক খাদে

রাঙ্গামাটি-বান্দরবান প্রধান সড়কে যান চলাচল বন্ধ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ৬৭জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাঙ্গামাটি জেলার রাজস্থলী উপজেলার রাঙ্গামাটি-বান্দরবান প্রধান সড়কের সিনেমা হল এলাকার বেইলি ব্রিজ ভেঙে পাথরবোঝাই ট্রাক খাদে পড়ে গেছে। এ ঘটনায় চারজন আহত হয়েছেন। রাঙ্গামাটি-বান্দরবান সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।

স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায়য় পাথরবোঝাই করে বান্দরবানে যাওয়ার সময় ট্রাকটি ব্রিজের ওপর উঠলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে বড় ধরনের হতাহতের কোনো ঘটনা না ঘটলেও বন্ধ রয়েছে বান্দরবান জেলার সঙ্গে রাঙ্গামাটির সড়ক যোগাযোগ।

স্থানীয়রা জানান, চন্দ্রঘোনা থেকে আসা ট্রাক ব্রিজের ওপর উঠলে ব্রিজটি ভেঙে খালে পড়ে যায়। ট্রাকের ড্রাইভার গুরুতর আহত হলে স্থানীয়রা উদ্ধার করে দশমাইল শারজা হাসপাতালে ভর্তি করে। অতিরিক্ত পাথর বোঝাইয়ের কারণে ভার সইতে না পেরে ব্রিজটি ভেঙে পড়েছে বলেই ধারণা স্থানীয়দের।

চন্দ্রঘোনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল বাহার চৌধুরী জানান, স্থানীয়দের সহায়তায় আহত ড্রাইভার ও হেলপারকে উদ্ধার করা হয়েছে। আহতরা শঙ্কামুক্ত।

সড়ক ও জনপথ বান্দরবানের নির্বাহী প্রকৌশলী মোসলেউদ্দিন চৌধুরী জানান, বান্দরবান রাঙ্গামাটি সড়কের ৩৩ কিলোমিটার এলাকায় একটি বেইলি ব্রিজ ভেঙে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। সড়ক বিভাগের লোকজন পর্যবেক্ষণ করে যোগাযোগ চালুর চেষ্টা করছেন।

Share

সাজেকে সড়ক দুর্ঘটনায় এক মেজরসহ আহত ৮

শনিবার ১৬ জানুয়ারী ২০২১

বেইলি ব্রিজ ভেঙে রাঙামাটিতে নিহত ৩

মঙ্গলবার ১২ জানুয়ারী ২০২১




করোনার টিকা নিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ৮০জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
এ পর্যন্ত যারা করোনার টিকা নিয়েছেন সবাই সুস্থ আছেন, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই বললেই চলে। সারা বছরই টিকাদান কার্যক্রম চলবে

রাজধানীতে শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে করোনার টিকা নিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। এর আগে আজ রবিবার সকাল ১০টার দিকে মহাখালীতে স্বাস্থ্য ভবনে ভার্চুয়ালি দেশব্যাপী করোনার টিকাদান কার্যক্রম উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এক হাজার ১৫টি কেন্দ্রে সকাল থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত চলবে টিকাদান।

টিকাদান কার্যক্রম উদ্বোধনের সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, এ পর্যন্ত যারা করোনার টিকা নিয়েছেন সবাই সুস্থ আছেন, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই বললেই চলে। সারা বছরই টিকাদান কার্যক্রম চলবে।

এরই মধ্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে করোনার টিকা নিয়েছেন তিন বিচারপতি। আজ রবিবার সকাল ৯টার দিকে টিকা নেন তাঁরা।

করোনার টিকা নেওয়া তিন বিচারপতি হলেন আপিল বিভাগের বিচারপতি জিনাত আরা, হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহীম ও একই বেঞ্চের অপর বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বিএসএমএমইউয়ে করোনার টিকা নেবেন সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের অন্য বিচারপতিরাও।

গত ২৮ জানুয়ারি দেশের দ্বিতীয় কেন্দ্র হিসেবে বিএসএমএমইউয়ে টিকাদান শুরু হয়। সেদিন প্রথম টিকা নিয়েছিলেন বিএসএমএমইউয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া।

Share