আজঃ সোমবার ০৮ মার্চ ২০২১
শিরোনাম
পৌর নির্বাচন

স্বরূপকাঠিতে আ. লীগের পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিত:সোমবার ২৫ জানুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ৯৪৪জন দেখেছেন
Share
হযরত আলী হিরু, স্বরূপকাঠি

Image

পিরোজপুরের স্বরূপকাঠি পৌরসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা পরস্পরের বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন করেছেন ।

শনিবার আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী মো. গোলাম কবির দলের কিছু সিনিয়র নেতার অসহযোগিতার অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেন। এর প্রতিবাদে সোমবার দুপুরে দলীয় কার্যালয়ে সাবেক সংসদ সদস্য, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য অধ্যক্ষ মো. শাহ আলম ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এস এম মুইদুল ইসলামসহ আওয়ামী লীগের একাংশ  উপজেলা আওয়ামী লীগ ব্যানারে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুস সালাম সিকদার। লিখিত বক্তব্যে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বর্তমান মেয়র গোলাম কবিবের অভিাযোগকে মিথ্যা, ভিত্তিহীন বলে অভিহিত করা হয়।

লিখিত বক্তব্যে জানান, মেয়র গোলাম কবির বিগত জেলা ও উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে সরাসরি নির্বাচন করে দলীয় প্রার্থীদের পরাজয় নিশ্চিত করেন। সেই ভিত্তি থেকেই গোলাম কবির আমাদের বিরুদ্ধে মনগড়া অভিযোগ তুলেছেন। তারপরেও আমরা জননেত্রী শেখ হাসিনার মনোনীত প্রার্থীর নৌকা প্রতীকের প্রচার প্রচরণায় অংশ নিচ্ছি।

এক প্রশ্নের জবাবে অধ্যক্ষ শাহ আলম বলেন, গোলাম কবিরের নির্বাচন পরিচালনা কমিটিতে আমাদের কাউকে রাখা হয়নি। তা সত্বেও আমরা নৌকার পক্ষে কাজ করছি।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে এস এম মুইদুল ইসলাম বলেন, দলের মধ্যে কোনঠাসা ও ভবিষ্যত রাজনীতি থেকে মাইনাস করতে কৌশলে আমাদের বিরুদ্ধে এ মিথ্যা অভিযোগ তোলা হচ্ছে।

এ সময় উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এস এম মুইদুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুস সালাম সিকদার. শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক কাজী সাইফুদ্দিন তৈমুর, সাবেক উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার কাজী সাখাওয়াত হোসেন, উপজেলা শ্রমিক লীগ আহবায়ক মো. সিরাজুল ইসলাম ফায়েজ সহ দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Share

আরও খবর



ফাঁসিতে ঝোলানো হলো মৃত নারী’র নিথর দেহ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ৮২জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আগেই ফাঁসির আদেশ হয়েছিল। সেজন্য ফাঁসির দিনে লাইনে দাঁড় করানো হয়েছিল ইরানের জাহরা ইসমাইলিকে। কিন্তু চোখের সামনে অন্যদের ফাঁসি দেখে নিজেকে সামলে রাখতে পারেননি তিনি। লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায়ই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় তার। কিন্তু এরপরও তাকে ছাড় দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্যা ইনডিপেনডেন্ট ও দ্যা সান।

তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের কুখ্যাত রাজাই শহর জেলে সেই নিথর দেহকেই ফাঁসিতে ঝোলানো হয়েছে। নারীর শাশুড়িকে সন্তুষ্ট করার জন্য এ অমানবিক কাজ করেছিলেন কারা কর্মকর্তারা।

জাহরা ইসমাইলির বিরুদ্ধে নিজের স্বামীকে হত্যার অভিযোগ ছিল। তার স্বামী একজন ইরানি গোয়েন্দা কর্মকর্তা ছিলেন। কিন্তু তিনি তার স্ত্রী এবং দুই সন্তানকে সবসময় অত্যাচার করতেন। তাই ক্রোধের বশে জাহরা তার স্বামীকে হত্যা করেন। সেই অভিযোগেই জাহরার ফাঁসি হয়।

জাহরার আইনজীবী ওমিদ মোরাদির একটি টুইটারের বরাত দিয়ে ওই গণমাধ্যম বলছে, ফাঁসির আগে আরও ১৬ জন সাজাপ্রাপ্তের পেছনে লাইনে দাঁড় করানো হয়েছিল দুই সন্তানের মা জাহরাকে। চোখের সামনে একের পর একজনকে ফাঁসিতে ঝুলতে দেখে সেই মানসিক ধাক্কা সামলাতে পারেননি জাহরা। লাইনে দাঁড়িয়েই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় তার। কিন্তু এরপরও তাকে ছাড় দেওয়া হয়নি।

মোরাদির দাবি, ডেথ সার্টিফিকেটে জাহরার মৃত্যুর কারণ হিসেবে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার কথাই উল্লেখ করা হয়েছে। অত্যাচারী স্বামীর হাত থেকে দুই মেয়েকে বাঁচানোর চেষ্টা করতে গিয়েই স্বামীকে হত্যা করতে বাধ্য হন জাহরা।

জাহরার আইনজীবীর অভিযোগ, জাহরার শাশুড়ি ছেলে হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার ঘোষণা করলে মৃত্যুর পরেও জাহরার দেহটি ফাঁসির মঞ্চে নিয়ে গিয়ে দড়িতে বেঁধে ঝোলানো হয়। যাতে ফাঁসিতে ঝোলানোর পর তার শাশুড়ি লাথি মেরে জাহরার পায়ের নিচ থেকে চেয়ারটি সরিয়ে দিতে পারেন।

ইরানে শরিয়ত আইনেই নিহত হওয়া ব্যক্তির পরিবারের সদস্যদের প্রতিশোধ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। যাতে অভিযুক্তকে সরাসরি শাস্তি দেওয়ার সুযোগ পান তারা। আর ইরানে একই দিনে ১৭ জনের ফাঁসির ঘটনাও খুব একটা অস্বাভাবিক নয়। কারণ চীনের পর ইরানেই সবচেয়ে বেশি প্রাণদণ্ডের শাস্তি দেওয়া হয়। মাদক পাচার, মদ্যপান, সমকামিতা, বিয়ের আগেই যৌন সম্পর্কের মতো অভিযোগেও সেদেশে প্রাণদণ্ডের শাস্তি দেওয়ার নজির রয়েছে।

Share

আরও খবর



বাংলা শাসন করবে বাংলা, গুজরাট নয়: মমতা

প্রকাশিত:বুধবার ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ৯৮জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী এবং তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধান মমতা ব্যানার্জি বলেছেন, ভারতের সবচেয়ে বড় দাঙ্গাবাজ হচ্ছে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে হুগলি জেলায় এক জনসভায় এমন বিস্ফোরক মন্তব্য করেন তিনি।

এবারের নির্বাচনে তৃণমূলের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠেছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। তাই দল দুটি একে অপরকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করছে। এদিন মোদি এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে রীতিমতো ধুয়ে দেন মমতা। তিনি বলেন, বাংলা শাসন করবে বাংলা, গুজরাট নয়।

নিজের ভাতিজা তৃণমূল নেতা এবং এমপি অভিষেক ব্যানার্জিকে তোলাবাজ বলে মন্তব্য করে ছিলেন বিজেপি নেতারা। এর জবাবেই বিজেপি নেতাদের এমন কঠোর ভাষায় আক্রমণ করেছেন মমতা। তিনি গেরুয়া পার্টির নেতাদের দাঙ্গাবাজ বলে মন্তব্য করেন।

নির্বাচনে তার দল জয়ী হবেন বলে আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেছেন মমতা। তৃণমূলের সুপ্রিমো বলেছেন, মোদি বাংলার শাসন করতে পারবেন না। গুন্ডারা বাংলার শাসন করতে পারবে না। এই নির্বাচনী সভায় ক্রিকেটার মনোজ তিওয়ারি তৃণমূলে যোগ দেন।

এসময় তিনি বলেন, বাংলার মুখ্যমন্ত্রী সবাইকে এক করার চেষ্টার করছেন। তিওয়ারি বলেন, বিজেপি বিভাজনের নীতি নিয়েছে এবং মমতা ব্যানার্জি মানুষকে একত্রিত করার চেষ্টার করছেন। যখন আমি ক্রিকেট খেলি তখন দেশের জন্য খেলি, ধর্মের ভিত্তিতে খেলি না।

Share

আরও খবর



আওয়ামী লীগ নেতার সাড়ে ৫ হাজার বিঘা জমি ও ৫৫ গাড়ি ক্রোকের নির্দেশ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ১১৭জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

অর্থপাচার মামলায় ফরিদপুর শহর আওয়ামী লীগের অব্যাহতিপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন বরকত ও ইমতিয়াজ হোসেন রুবেলের ৪৮৭টি তফসিলে ৫৭০৬ বিঘা জমি, ৫৫টি বাস ও ১৮৮টি হিসাবসহ পৌনে ১০ কোটি টাকা ক্রোকের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। রাজধানীর কাফরুল থানায় মানিলন্ডারিং মামলায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ এ আদেশ দেন।

আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) তাপস কুমার পাল এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, অর্থপাচার মামলায় সাজ্জাদ হোসেন বরকত, তার ভাই ইমতিয়াজ হাসান রুবেলসহ পাঁচজনের ৮৮টি ব্যাংক হিসাব ক্রোকের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের ১৮৮টি ব্যাংক হিসাবে থাকা প্রায় ১০ কোটি টাকা এবং তাঁদের মালিকানাধীন ৫৫টি বাস, ট্রাক ও ব্যক্তিগত গাড়ি ক্রোক করারও আদেশ দিয়েছেন আদালত।

এজাহারে আরও বলা হয়, ২০১০ সাল থেকে এখন পর্যন্ত ফরিদপুরের এলজিইডি, বিআরটিএ, সড়ক বিভাগসহ বিভিন্ন সরকারি বিভাগের ঠিকাদারি নিয়ন্ত্রণ করে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছেন বরকত ও রুবেল। এ ছাড়া মাদক ব্যবসা, ভূমি দখল করে অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন তারা। এসি, নন-এসিসহ ২৩টি বাস, ড্রাম ট্রাক, বোল্ডার, পাজেরো গাড়ির মালিক ছাড়াও টাকার উল্লেখযোগ্য অংশ হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে পাচার করেছেন তারা। প্রথম জীবনে এই দুই ভাই রাজবাড়ী রাস্তার মোড়ে এক বিএনপি নেতার ফরমাশ খাটতেন। তখন তাদের সম্পদ বলতে তেমন কিছুই ছিল না।

Share

আরও খবর



মিয়ানমারে আজ আবার বড় বিক্ষোভের প্রস্তুতি

প্রকাশিত:সোমবার ০১ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ০১ মার্চ ২০২১ | ৫৬জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মিয়ানমারে সেনা অভ্যুত্থানের প্রতিবাদে ও দেশটির নেত্রী অং সান সু চির মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ করেন হাজারো মানুষ। সেই বিক্ষোভ দমনে জলকামান ব্যবহার করে পুলিশ। সম্প্রতি  রাজধানী নেপিডোতে।

মিয়ানমারে গতকাল রোববার জান্তাবিরোধী ব্যাপক বিক্ষোভ ও প্রাণহানির পর আজ সোমবার আবার দেশজুড়ে বড় ধরনের বিক্ষোভের প্রস্তুতি নিচ্ছেন আন্দোলনকারীরা। গত ১ ফেব্রুয়ারির সেনা অভ্যুত্থানের পর মাত্র এক দিন আগেই সবচেয়ে রক্তাক্ত দিন দেখেছে দেশটি। খবর রয়টার্স ও এএফপির।

গতকালের ওই সহিংসতা ও রক্তপাতের নিন্দা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডাসহ বিভিন্ন দেশ এবং জাতিসংঘের প্রতিনিধি। মিয়ানমারে বিক্ষোভ দমনে দেশটির আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এদিন যে পদক্ষেপ নেয়, তাকে ঘৃণ্য সহিংসতা বলে আখ্যায়িত করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেন।

গতকাল মিয়ানমারের বিভিন্ন শহর-নগরে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে গুলি চালিয়েছে পুলিশ। এদিন তাদের সঙ্গে সড়কে নেমেছিলেন সেনাবাহিনীর সদস্যরাও। গতকাল শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত অন্তত ১৮ জনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। আহত হয়েছেন অনেকে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে স্বাস্থ্যকর্মী, শিক্ষকসহ অনেককে। বিক্ষোভকারীদের ওপর এই দমন-পীড়নের ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছে জাতিসংঘ।

রক্তপাতহীন অভ্যুত্থানের মাধ্যমে গত ১ ফেব্রুয়ারি মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চির নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসির (এনএলডি) সরকারের পতন ঘটায় সেনাবাহিনী। গ্রেপ্তার করা হয় সু চিসহ এনএলডির শীর্ষ নেতাদের। গত নভেম্বরে অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ তুলে সেনাবাহিনী এই অভ্যুত্থান ঘটায়। এরপর থেকেই দেশটিতে বিক্ষোভ চলে আসছিল। গত শনিবার পর্যন্ত এসব বিক্ষোভে সব মিলিয়ে তিনজন নিহত হন। আর গতকাল এক দিনে ঝরল অন্তত ১৮ জনের প্রাণ।

ইয়াঙ্গুনে একটি হাসপাতালের এক চিকিৎসক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, বেশ কয়েকজন আহত ব্যক্তিকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল। এর মধ্যে একজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তাঁর বুকে গুলি লেগেছিল।

শুধু ইয়াঙ্গুন নয়, গতকাল মিয়ানমারের বিভিন্ন শহরেই গুলি চালিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর দাওয়েইর রাজনীতিক কিয়াও মিন হতিকে বলেন, এই শহরে তিনজন নিহত হয়েছেন।

মিয়ানমারের স্থানীয় সংবাদমাধ্যম মিয়ানমার নাউ জানিয়েছে, দেশটির দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর মান্দালয়ে বিক্ষোভে দুজন নিহত হয়েছেন। তবে স্থানীয় বাসিন্দা সাই তুন রয়টার্সের কাছে দাবি করেছেন, এই শহরে পুলিশ দফায় দফায় গুলি চালিয়েছে। এসব ঘটনায় নিহত হয়েছেন তিনজন।

গতকালের ওই সহিংসতা ও রক্তপাতের নিন্দা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডাসহ বিভিন্ন দেশ এবং জাতিসংঘের প্রতিনিধি। মিয়ানমারে বিক্ষোভ দমনে দেশটির আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এদিন যে পদক্ষেপ নেয়, তাকে ঘৃণ্য সহিংসতা বলে আখ্যায়িত করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেন।

মিয়ানমারের তরুণ বিক্ষোভকারী এসথার জে নাও রয়টার্সকে বলেন, সেনাবাহিনী আঘাত করে আসলে আমাদের মনে ভয় গেঁথে দিতে চাইছে। আমরা এটা মেনে নিতে পারি না। নিয়ান উইন শেইন নামের আরেক বিক্ষোভকারী বলেন, তারা যদি আমাদের পেছনে ঠেলতে চায়, আমরা আরও জেগে উঠব। তারা যদি আমাদের আক্রমণ করে, আমরা আত্মরক্ষা করব। সামরিক বুটের সামনে আমরা কখনো মাথানত করব না।

এদিকে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয়ের মুখপাত্র রাভিনা শামদাসানি গতকাল এক বিবৃতিতে বলেছেন, মিয়ানমারে বিক্ষোভকারীদের ওপর দমন-পীড়নের ঘটনায় আমরা তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। আমরা সেনাবাহিনীকে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে অবিলম্বে বলপ্রয়োগ বন্ধের আহ্বান জানাচ্ছি। তিনি আরও বলেন, মিয়ানমারে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় যাঁরা বিক্ষোভ করছেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় তাঁদের সঙ্গে সংহতি জানাচ্ছে।

Share

আরও খবর



সুখবর জানাতে বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে আসছেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:শনিবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ৯৫জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সুখবর জানাতে সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল চারটায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। এতে গণভবন থেকে যুক্ত হবেন তিনি।

শুক্রবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব ইমরুল কায়েস রানা এ তথ্য জানান।

জানা গেছে, বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের জন্য জাতিসংঘের চূড়ান্ত সুপারিশ লাভ করা উপলক্ষে এ প্রেস কনফারেন্স (ভার্চুয়ালি) আয়োজন করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় শুক্রবার দিবাগত রাতে নিউইয়র্কে জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসির (ইউএন-সিডিপি) সভায় পর্যালোচনা শেষে বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশে থেকে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে উত্তরণের সুপারিশ করা হবে।

নিয়ম অনুযায়ী, তিন শর্ত পূরণ হলে এবং পরপর দুটি পর্যালোচনায় এ মানদণ্ড ধরে রাখতে পারলে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের সুপারিশ করে ইউএন-সিডিপি। তার মধ্যে ২০১৮ সাল থেকে তিনটি শর্তই পূরণ করতে পেরেছে বাংলাদেশ এবং এ মান ধরে রেখেছে।

তিনটি শর্ত হলো- মাথাপিছু আয় হতে হয় কমপক্ষে ১ হাজার ২৩০ মার্কিন ডলার, মনবসম্পদ সূচকে ৬৬ পয়েন্ট ও অর্থনীতির ভঙ্গুরতা সূচকে ৩২ বা নিচে আসতে হয়। বাংলাদেশ এসব শর্ত ২০১৮ থেকেই পূরণ করে আসছে।

২০২০ সালে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ছিল ১ হাজার ৮২৭ ডলার, মানব উন্নয়ন সূচকে বাংলাদেশের পয়েন্ট ৭৫.৩ এবং অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতা সূচকে ২৫.২। এই সুপারিশ পাওয়ার পর নিয়ম অনুযায়ী আনুষ্ঠানিক ঘোষণার জন্য তিন থেকে পাঁচ বছর প্রস্তুতির সময় পাওয়া যায়। বাংলাদেশ ইতোমধ্যে পাঁচ বছরের প্রস্তুতির সময় চেয়ে আবেদন করেছে।

প্রসঙ্গত, সাধারণত বিদেশ সফর ও বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে মাঝেমধ্যেই সংবাদ সম্মেলন করতেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কিন্তু করোনাভাইরাসের কারণে প্রায় এক বছর পর এই সুখবর নিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হচ্ছেন সরকারপ্রধান।

Share

আরও খবর